• প্রকাশ : শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৫৫ পিএম

দিনাজপুরের বিরল সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১২০ বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গতকাল শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার বনগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় এসব সিরাপ উদ্ধার করা হয়।


দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজিবি জানায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ১১টায় দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধীন ধর্মজান বিওপির একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দিনাজপুরের বিরল উপজেলার সীমান্ত পিলার ৩১৯/৩-এস থেকে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বনগাঁও এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ১২০ বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার করা হয়।


বিজিবির তথ্যমতে, উদ্ধারকৃত দ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।


দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।


বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদক ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে তাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৪১ পিএম

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ভিসা প্রতারণার অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এসময়ে তাদের থেকে একটি মাইক্রোবাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। 


আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার পানিয়াল পুকুর মুক্তা হিমাগারের সামন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 


গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের আব্দুর রশিদের ছেলে সাহাবুল ইসলাম (২৪), মোখলেছুর রহমানের ছেলে সাজু মিয়া (২৮), মেচকার আলীর ছেলে আজিনুর রহমান (২৪), এমলাক হোসেনের ছেলে ইলিয়াছ মিয়া (২৪), দক্ষিণ রাজীব এলাকার কালা মামুদের ছেলে সজীব মিয়া (২৬) ও মুশা ঝাড়পাড়া এলাকার আজিজুল ইসলামের ছেলে সাফিউল ইসলাম (২৬)। 


জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে বসে বিভিন্ন দেশের জাল ভিসা দিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। গতকাল তারা যশোর থেকে দুইজন ব্যক্তিকে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে তাদের পাসপোর্ট সঙ্গে নিয়ে মাইক্রোবাস যোগে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। এসময়ে পানিয়ালপুকুর মুক্তা হিমাগারের সামনে পৌঁছালে পুলিশ তাদের মাইক্রোবাসটি আটক করেন। এসময়ে তাদের তল্লাশি করে দুইটি পাসপোর্ট, চারটি মোবাইল ফোন ও একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। 


এবিষয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর বলেন, আজকে ভোরে তাদের তল্লাশি করে দুটি পাসপোর্ট, চারটি মোবাইল ও একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে। তাদের মোবাইলে ভিসা প্রতারণা ও অনলাইন জুয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:২৪ পিএম

সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১১৯ জন সন্দেহজনক হাম রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগে সিলেট বিভাগে মোট ১৫৭ জনের মৃত্যু হলো।


সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের ৫ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। 


স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুই শিশুর একজন সিলেটের এবং অন্যজন বিশ্বনাথ উপজেলার বাসিন্দা। দুজনেরই চিকিৎসা চলছিল সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে। একদিনে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১১৯ জনের মধ্যে ৪৮ জন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এবং ৩৭ জন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ১৮ জন এবং সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চারজন ভর্তি হয়েছেন। বিভাগের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বেসরকারি হাসপাতালেও সন্দেহজনক হাম রোগী ভর্তি হয়েছেন। নতুন রোগী ভর্তির পাশাপাশি বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৯৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২০৫ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬০ জন ভর্তি রয়েছেন। মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ৪২ জন, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ২৯ জন এবং সিলেটের পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০ জন চিকিৎসাধীন। হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় চিকিৎসাসেবা দিতে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সিলেটের দুটি সরকারি হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা বেশি।


স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাবে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩১ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৩৬৩ জন, হবিগঞ্জে ১৫৩ জন, মৌলভীবাজারে ১৫৮ জন এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন। শনাক্ত রোগীদের মধ্যে দুজন রুবেলা রোগীও রয়েছেন। ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন করে কোনো নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে সন্দেহজনক রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।


স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, সন্দেহজনক হাম রোগে এখন পর্যন্ত সিলেটে ৬০ জন, হবিগঞ্জে ১৭ জন, মৌলভীবাজারে ১২ জন এবং সুনামগঞ্জে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে নিশ্চিত হাম রোগে সিলেটে চারজন, হবিগঞ্জে চারজন, মৌলভীবাজারে একজন এবং সুনামগঞ্জে একজন মারা গেছেন। সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম এই দুই হিসাব মিলিয়ে বিভাগের মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৭ জনে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:১০ পিএম

পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে বদলি ট্রাক চালকের নামে গড়ে উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ সক্রিয় সিন্ডিকেট চক্র। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বন্দরে আসা পণ্যবাহী ট্রাক চালকেরা সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে খোয়া যাচ্ছে তাদের হাজার হাজার টাকা। এতে পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা এ বন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে দাবী সিএনএফ এজেন্টদের। এতে কমে আসবে রাজস্ব আয়। বদলি চালকের নামে সিন্ডিকেট মুক্ত চায় রপ্তানি পণ্যবাহী ট্রাক চালকরা।




রপ্তানী পণ্যবাহী ট্রাক চালকদের অভিযোগ, তাদের কাগজপত্র সবকিছু ঠিক থাকলেও বাংলাবান্ধায় ট্রাক আটকিয়ে দেয় স্থানীয় চালকেরা।তাদেরকে বাধ্য করে বদলি চালক নিতে। তাদের কথা অমান্য করে গেলেও ফুলবাড়ি চেকপোস্টে তাদের সিন্ডিকেটের সদস্যরা ফিরিয়ে দেয় গাড়ী। এতে হয়রানি স্বীকার হতে হয় অনেক বেশী। বদলি চালককে দিলে কেউ কেউ গাড়ি দূর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি করে নিয়ে আসে।


জানা যায়, দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা দিয়ে প্রতিদিন ৩০-৪০ টি গাড়ীতে রপ্তানি হচ্ছে ভুসি, ঝুট ও শিশু খাদ্য প্রাণের মালামাল।দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে রপ্তানি পণ্যবাহী ট্রাক চালকেরা আসলে, গাড়ি আটকিয়ে বদলি চালক তুলে দেয় সিন্ডিকেট চক্রটি। ট্রাক প্রতি হাতিয়ে নেয় ১ হাজার ২০০  থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত।


গাজীপুর থেকে আসা ট্রাক চালক ইকবাল হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, ঢাকা থেকে ট্রাকে পণ্য নিয়ে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত আসছি। এখানে আসে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের কাগজের দাম নাই। বদলি চালক দেওয়ার জন্য আটকিয়ে দেয় স্থানীয় শওকত মেম্বার নামের এক ব্যক্তি। পরে তাদেরকে বদলি চালকের জন্য ১ হাজার ২০০ টাকা দিতে হয়। যদি রাত থাকতে হয় তাহলে আরো ৫০০ টাকা দিতে হবে।গাড়িতে আমি টাকা পাবো ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা, আমার আরো খরচ রয়েছে। সেখান থেকে বদলি চালক দিলে আমার কিছু থাকবেনা।

যশোর থেকে আসা ট্রাক চালক রাহিদুল ইসলাম বলেন, যতবড়ই কাগজ থাকুক কিন্তু গাড়ি নিয়ে পণ্য খালাস করতে যাইতে পারবেননা।আমার ভারী যানবাহন চালকের লাইসেন্স রয়েছে, যশোর থেকে আসছি। কিন্তু আর ১ কিলোমিটার যাইতে পারবোনা। বদলি চালক দেওয়ার নামে আমাদের পেটের ভাত কেরে নেওয়া হচ্ছে।

 

ঢাকা থেকে আসা ট্রাক চালক নেওয়াজ উদ্দিন, শসসের আলী, মসলিম উদ্দিনসহ আরো অনেকে জানান, গাড়ি বাংলাবান্ধায় পৌঁছানোর পর বদলি চালকদের সিন্ডিকেট চক্রটি গাড়ি আটকিয়ে চালকের স্মার্ট কার্ড খোঁজে। যেখানে স্মার্ট কার্ড সরকার গত কয়েক বছর ধরে দেয়না, সেখানে আমরা কোথায় পাবো। অনলাইন থেকে লাইসেন্স নিয়ে আমরা ব্যবহার করি।


অভিযুক্ত শওকত মেম্বার বলেন,জোর করে কোন বদলি চালক দেওয়া হয়না। যারা নিতে চায় তাদেরকে দেওয়া। বাংলাবান্ধায় ২০০০ ও ২৬৪ শ্রমিক সংগঠন রয়েছে। সবাই এক সাথে কাজ করছি।


বাংলাবান্ধা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক মো. সাদেকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনেছি কিছু ঝামেলা আছে, আমরা আগামীকালকে

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৩১ পিএম

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরের নৈনগাঁও গ্রামসংলগ্ন দোয়ারাবাজার-ছাতক সড়কের সেতু প্রাঙ্গণে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে নৈনগাঁও গ্রামের জব্বার আলীর বাড়ি থেকে পাঁচটি মোবাইল ফোন চুরি হয়। এ ঘটনায় একই গ্রামের সেলিম আহমদ ও তার ছেলে সালমিন আহমদের ওপর সন্দেহ করে জব্বার আলীর পরিবার। এর জের ধরে শনিবার সকালে জব্বার আলীর চাচা রফিক মিয়া ও তার ছেলে আল আমিন দলবল নিয়ে সেলিম আহমদের বাড়িতে চড়াও হন এবং তাকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করেন। পরবর্তীতে সেলিমের পক্ষের লোকজন ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।


সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে সেলিম আহমদ, ফয়েজ আহমদ, জহুর আলী, লিয়াকত আলী, তমির উদ্দিন, সোহেল মিয়া, আল আমিন ও রফিক মিয়াসহ অন্তত ২০ জনকে দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।


দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, দুপক্ষের মধ্যে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলছিল। চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে সেই কোন্দল সংঘর্ষে রূপ নেয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৭ পিএম

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী ২০২৬ উপলক্ষে পঞ্চগড়ে নানা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে জন্মাষ্টমী পূজা ও আলোচনা সভা।


আয়োজক সূত্রে জানা যায়, শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথি শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা-অর্চনা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছাঃ শুকরিয়া  পারভীন।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ মজিদ, অ্যাডভোকেট আদম সুফী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট পঞ্চগড় জেলা শাখার আহ্বায়ক বাবু মনোরঞ্জন বণিক, সদস্য সচিব বাবু নারায়ণ চন্দ্র ঝাঁ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক বাবু কমলেশ চন্দ্র ঘোষ এবং পঞ্চগড় সদর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক বাবু মধু সুদন বণিক।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের সভাপতি বাবু প্রদীপ কুমার ঘোষ।


আয়োজকরা জানান, জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি শ্রীকৃষ্ণের জীবনাদর্শ, মানবতা, সম্প্রীতি ও ন্যায়-নীতির বিষয়ে আলোচনা করা হবে। একই সঙ্গে শান্তি, সৌহার্দ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হবে। সার্বিক ব্যবস্থাপনায়: বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, পঞ্চগড় জেলা শাখা।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪২ পিএম

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর ইউনিয়নে এক কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে বাড়ি ও সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা এবং ভুক্তভোগী পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।


শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এসব অভিযোগ করেন।


সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবি করেন, এখলাসপুর মৌজায় জি. আর. রশিদ আহমেদ ও জি. আর. তৌফায়েল আহমেদের বাড়ি ও সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা করছেন নাসির উদ্দিন তরুণ। ভুক্তভোগী মো. আসিফ আরেফিন আহমেদ অভিযোগ করেন, গত ৩১ আগস্ট আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে কেয়ারটেকার নাসির উদ্দিন তরুণ তাদের পরিবারকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছেন। সম্পত্তি ও বাড়িঘর নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। জি আর রশীদ ও জি আর তোফায়েল আহমেদ ওই বাড়ির ১১৩ শতাংশ জমির অংশ ক্রয় করেছেন। কেয়ারটেকার নাসির উদ্দিন তরুণ বাড়িটি নিজের নামে করে নেওয়ার জন্য নানা চক্রান্ত করছে।


সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, মৃত জি. আর. রশিদ আহমেদ মোট ১১৩ শতাংশ জমির মালিক ছিলেন। তার ওয়ারিশদের কাছ থেকে রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে ৩২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন আবুল কাশেম। মৃত জি. আর. রশিদ আহমেদের ওয়ারিশ হিসেবে তার স্ত্রী জোহরা আহমেদ, ছেলে আসিফ আরেফিন আহমেদ এবং মেয়েরা শারমিন হোসেন, নাজনীন আহমেদ ও তাজনীম আহমেদ ওয়ারিশসূত্রে সম্পত্তির মালিক হন। তারা নামজারি খতিয়ানের মাধ্যমে খাজনা পরিশোধ করে জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। পুরাতন ঘরটি সংস্কার করতে গেলে তরুণ গং তাদের ওপর হামলা চালায়। ভুক্তভোগীরা প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে তাদের সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মিথ্যা তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন আবুল কাশেম, মো. আসিফ আরেফিন আহমেদ, জোহরা আহমেদ, শারমিন হোসেন ও নাজনীন আহমেদসহ অন্যরা।


তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নাসির উদ্দিন তরুণ বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সঠিক নয়।

সর্বশেষ সব খবর