ঢাকা থেকে জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীকে বহনকারী গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে পড়ে ধানক্ষেতে
জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী ও তাঁর স্ত্রীকে বহনকারী গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে পড়েছে। ঢাকা থেকে জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক বড় ব্রিজের পূর্বপাশে হরিপুর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
এ ঘটনায় ফিরোজা বেগম (৫৫) নামে এক নারী পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর সেখান থেকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ওই পথচারী রাস্তা পারাপারের সময় তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় গাড়িটি সড়ক থেকে ছিটকে ধানক্ষেতে গিয়ে পড়ে। পরে পথচারী ও স্থানীয় লোকজন প্রতিমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীকে উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী হাঁটু ও দুই পায়ে আঘাত পেয়েছেন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁর স্ত্রী নাজমা বেগম অক্ষত রয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির চালকও আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, আব্দুল বারী জয়পুরহাটে দুইদিনের সরকারি সফরে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর তাঁকে কালাই পৌর শহরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করছেন।
দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, ‘দুর্ঘটনা থেকে আমরা রক্ষা পেয়েছি। রাস্তা থেকে গাড়িটি ফসলের মাঠে পড়ে গিয়ে স্থির অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকে। এতে হাঁটু ও দুই পায়ে ব্যথা পেয়েছি।’
এ বিষয়ে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম জানান, প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে এক পথচারী রাস্তা পারাপারের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় তিনি সামান্য আঘাত পেয়েছেন।
তিনি জানান, ওই ঘটনায় এক নারী পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী তাঁর কালাইয়ের বাসায় রয়েছেন।
ঢাকা থেকে জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীকে বহনকারী গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে পড়ে ধানক্ষেতে
জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী ও তাঁর স্ত্রীকে বহনকারী গাড়ির ধাক্কায় মারা গেছেন গুরুতর আহত পথচারী নারী ফিরোজা বেগম (৫৫)।
আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনার পর বগুড়া টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসীন ছিলেন তিনি। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইব্রাহীম হোসেন। ফিরোজা বেগম বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী।
ঢাকা থেকে জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক বড় ব্রিজের পূর্বপাশে হরিপুর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ওই পথচারী রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। গাড়িটি সড়ক থেকে ছিটকে ধানক্ষেতে গিয়ে পড়ে। পরে পথচারী ও স্থানীয় লোকজন প্রতিমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীকে উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী হাঁটু ও দুই পায়ে আঘাত পেয়েছেন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁর স্ত্রী নাজমা বেগম অক্ষত রয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির চালকও আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, আব্দুল বারী জয়পুরহাটে দুইদিনের সরকারি সফরে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর তাঁকে কালাই পৌর শহরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করছেন।
দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, ‘দুর্ঘটনা থেকে আমরা রক্ষা পেয়েছি। রাস্তা থেকে গাড়িটি ফসলের মাঠে পড়ে গিয়ে স্থির অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকে। এতে হাঁটু ও দুই পায়ে ব্যথা পেয়েছি।’
এ বিষয়ে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম জানান, প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে এক পথচারী রাস্তা পারাপারের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় তিনি সামান্য আঘাত পেয়েছেন।
তিনি জানান, ওই ঘটনায় এক নারী পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী তাঁর কালাইয়ের বাসায় রয়েছেন।
https://nawroj.com.bd/whole-country/rajshahi/18936
জবাইকৃত হরিণ উদ্ধার
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চর আতাউর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪০ কেজি ওজনের জবাইকৃত একটি হরিণ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হরিণটি হাতিয়া আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের নির্দেশে সেটি আদালত প্রাঙ্গণে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে চর আতাউর এলাকায় হরিণটি উদ্ধার করা হয়। দুপুরে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উদ্ধারকৃত হরিণটি হাতিয়া আদালতে জমা দেওয়া হলে বিচারক সেটি মাটিচাপা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চর আতাউর এলাকায় ঢালচর বিট ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযান চালানো হয়। এ সময় বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হরিণ শিকারিরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে জবাইকৃত অবস্থায় একটি হরিণ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে শিকারিদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
হাতিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল জানান, হাতিয়া উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন চরে সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী, বিশেষ করে হরিণ শিকার রোধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (এসজেইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে শরীয়তপুর শহরের চৌরঙ্গীর মোড়স্থ বেপারী প্লাজার দ্বিতীয় তলায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও দৈনিক হুংকারের নির্বাহী সভাপতি এম. হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক দিনকালের শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি মো. আল-আমিন শাওনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নান্নু মৃধা (যুগান্তর), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুল ইসলাম খোকন (ইত্তেফাক), সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলম বাবুল (চ্যানেল এস), কোষাধ্যক্ষ মো. রোমান আকন্দ (আমাদের সময়), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কালাম সরদার (যায়যায়দিন), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন খান (বিশ্ব মানচিত্র), দপ্তর সম্পাদক কাওছার হোসেন (নওরোজ), জনকল্যাণ সম্পাদক সোহাগ সরদার (ডেইলি আর্থ), ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোস্তফা সরদার (সমাবেশ), শিক্ষা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সোহেল (নিরপেক্ষ) এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক দাউদ মো. তুহিন (আজকের আওয়াজ), আপ্যায়ন সম্পাদক মনির হোসেন (খবরের আলো), কার্যকরী সদস্য সৈকত দত্ত টিটু (গণমুক্তি), শহিদুল ইসলাম রানা (সমাচার), শাহ মোঃ জানে আলম টুটুল (স্বদেশ বিচিত্রা), আবু আলম রাকিব (কালবেলা), ইনছান সরদার (ভোরের আওয়াজ), মোঃ হাসান আলী (আলোকিত সকাল), শফিকুল ইসলাম ভূইয়া (সংবাদ মোহনা), আব্দুর রহমান সোহেল (সমাচার) ও মো. নাদিম (সংবাদ প্রতিদিন)।
এসময় সংগঠনের অন্যান্য সদস্য বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা, সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং সদস্যদের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে হবে। সাংবাদিকদের যেকোনো যৌক্তিক দাবি ও পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন সবসময় সোচ্চার থাকবে।
সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, সদস্যদের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সিলেট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলা উদ্দিন
জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সেবা নিতে আসা এক প্রবাসীকে দুই গালে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে। পর্তুগাল থেকে দেশে ফিরে এনআইডি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে ওই প্রবাসী এমন ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগকারী সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তিনি জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখানোর পরও এনআইডি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করা হয়নি। বরং কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে সবার সামনে অপমান ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। তবে চড় মারার অভিযোগ সরাসরি স্বীকার করেননি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন। তিনি ঘটনাটিকে ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এনআইডির আবেদন নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। পরে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।
অভিযোগকারী প্রবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘তিনি ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে পর্তুগালে যান। দীর্ঘদিন পর গত ১৪ আগস্ট দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার পর এনআইডি সংক্রান্ত একটি সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে যান তিনি।’
ওই প্রবাসী জানান, দেশে ফেরার প্রমাণ হিসেবে বিমানের টিকিটসহ প্রয়োজনীয় নথি তিনি কর্মকর্তাকে দেখাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এনআইডির আবেদনটি তিনি নিজে করেছেন কি না, তা নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
প্রবাসী বলেন, ‘আমি বলেছি স্যার, আমি প্রবাসী। আমি ১৪ আগস্ট দেশে আসছি। আমার টিকিট আছে, সব কাগজপত্র আছে। কিন্তু স্যার চেয়ার থেকে উঠে আমাকে বাইরে এনে দুই-তিনটা চড় মারেন। আমার দুই গালে চড় মারছেন।’
তিনি জানান, একপর্যায়ে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা চেয়ার থেকে উঠে তাকে কক্ষের বাইরে নিয়ে যান। সেখানে তার দুই গালে চড় মারা হয়।
প্রবাসী আরও বলেন, ‘আমি খুবই লজ্জিত। একজন কর্মকর্তা হয়ে এত মানুষের সামনে একজন প্রবাসীকে, একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধাকে এভাবে অপমান করা হলো। আমি কী অপরাধ করেছি, সেটাই তো বুঝতে পারিনি।’
ঘটনার পর ভয় দেখানোরও অভিযোগ করে ওই প্রবাসী বলেন, নিজেকে প্রবাসী হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। বরং তাকে জেলা প্রশাসকের কাছে ফোন করে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তার।
সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে সিন্ডিকেট তৈরি করে এনআইডি সংক্রান্ত কাজে আসা প্রবাসীসহ লোকজনদের নানাভাবে হয়রানী করা হয়। এছাড়া প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট অঞ্চলের এ গুরুত্বপূর্ণ অফিসে বিভিন্ন পন্থায় অসুবিদার শিকার হওয়া লোকজনদের কাছ থেকে অবৈধ পন্থায় টাকা আদায় করা হয় বলে সিলেটের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা লোকজন অভিযোগ করেন। বিশ্বনাথ খেকে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবাসী এনআইডি সংক্রান্ত ঘটনায় নানাভাবে হয়রানির স্বীকার হন। তিনি এ অফিসে গোপনে দুদকের অভিযান চালানো উচিত বলে মনে করেন। এ অফিসে সিলেটের সহজ সরল মানুষকে নানাভাবে নাজেহালের অভিযোগ রয়েছে। তাই সিলেটের রাজনীতিক নেতৃবৃৃন্দেরও এদিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
প্রবাসীকে চড় মারার অভিযোগের বিষয়ে সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বলেন, এনআইডির আবেদন সম্পন্ন করতে ফেস ডিটেকশনসহ নির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। কিন্তু ওই প্রবাসী দাবি করছিলেন, আবেদনটি তিনি নিজে করেননি, অন্য কেউ তার হয়ে আবেদন করেছেন।
মো. আলাউদ্দীন বলেন, ‘উনি বারবার অস্বীকার করছিলেন যে আবেদনটা তিনি করেননি। আমরা বলছিলাম, আপনি করেছেন। এটা নিয়ে আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল।’
চড় মারার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়ে বলেন, ঘটনাটি লাঞ্ছিত করার মতো নয়। দুপক্ষের মধ্যে কিছুটা বাক্যবিনিময় হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা আরও বলেন, পরদিন বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। ওই প্রবাসীকে নতুন করে কীভাবে আবেদন করতে হবে, সে বিষয়েও বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া পৌর এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ড্রেজারের বালু ফেলে সড়ক ভরাট ও পৌরসভার পানি নিষ্কাশনের ড্রেন বন্ধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে মোট ৫১ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে পৌর এলাকার রিজাপ পার সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিবুল হাসান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জল হালদার উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রিজাপ পার সংলগ্ন এলাকায় ভবন নির্মাণের উদ্দেশ্যে পূর্ব ভাণ্ডারিয়ার বাসিন্দা মো. ইউসুফ আলী গাজীর ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন ড্রেজারের মাধ্যমে বালু এনে গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ফেলেন। এতে সড়কে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পৌরসভার ড্রেন দিয়ে পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ ঘটনায় বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মো. দেলোয়ার হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা এবং আবদুল জব্বারের ছেলে মো. শাহিনকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের কাছ থেকে মোট ৫১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিবুল হাসান বলেন, জনসাধারণের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং পানি নিষ্কাশনের ড্রেন কোনোভাবেই নির্মাণসামগ্রী ফেলে বন্ধ করা যাবে না। জনস্বার্থ, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা যায়, জনসাধারণের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল্লীতে মাদকবিরোধী অভিযানে মো: হামিদুল ইসলাম (২০) ও মো: মিজান (৪০) নামে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার রাতে মাদকসহ তাদেরকে আটক করে ভুল্লী থানা পুলিশের একটি টিম। এ ঘটনায় মো: অন্তর (৩০) নামে এক যুব পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, ওই দিন ভুল্লী থানার এস আই (নিরস্ত্র) সজিব হাসান সঙ্গীয় ফোর্সসহ ভুল্লী থানাধীন বালিয়া ইউপির লক্ষীরহাট গামী আশা এনজিওর সামনে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচানা করেন। এ সময় ভুল্লী থানার কুমারপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে মো: হামিদুল ইসলাম (২০) ও ঠাকুরগাঁও পৌরসভার গোয়াপাড়া মহল্লার মৃত আজিজুলের ছেলে মো: মিজান (৪০) কে ৬পিস ট্যাপেন্টাডোল ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। এ সময় অন্তর নামে এক যুব পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
এ ঘটনায় ভুল্লী থানার এস,আই (নি:) সজিব হাসান বাদী হয়ে ৩ জনের বিরুদ্ধে ভুল্লী থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।