নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মাদক, কিশোর অপরাধ ও স্মার্টফোনের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় মাদক ও সামাজিক অপরাধকে ‘না’ বলার পাশাপাশি উন্নত চরিত্র গঠনের শপথ নেয় তারা।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বেগমগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের উদ্যোগে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা ও চরিত্র গঠনের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কায়েসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নোয়াখালী পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগমগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ ন ম ইমরান খান এবং বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান।
পরে পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন শিক্ষার্থীদের উন্নত চরিত্র গঠন, মাদক ও কিশোর অপরাধ থেকে দূরে থাকা এবং স্মার্টফোনের অপব্যবহার না করার শপথ পাঠ করান।
আয়োজক সংগঠনটি জানায়, শিক্ষার্থীদের টিফিনের টাকা সাশ্রয় করে পরিচালিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ গত ১৫ বছর ধরে দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষার্থীদের সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত সংগঠনটি এ পর্যন্ত প্রায় ৪৫ লাখ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করেছে।
সিলেটের তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে জৈন্তাপুর উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল আহমেদকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে জৈন্তাপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে কামাল আহমেদ ভারতে যাওয়ার উদ্দেশে তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে উপস্থিত হন। এ সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর গোয়াইনঘাট থানার অধীন তামাবিল পুলিশ ফাঁড়ির চার সদস্য সেখানে উপস্থিত হন। পরে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে জৈন্তাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দিদারুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে জৈন্তাপুর থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে জৈন্তাপুর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, কামাল আহমেদ থানা হেফাজতে আনা হয়। যাচাই-বাছাই করে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে সহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে আদালতে প্রেরন করা হয়।
গাজীপুরের টঙ্গীতে গ্যাস সিলেন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে স্বামী স্ত্রীর মৃত্যু এবং মেয়ের আশঙ্কাজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বুধবার দিবাগত রাতে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তাদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে তানিশা আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নিহতরা হলেন লাল চাঁন মিয়া (৬০) ও তার স্ত্রী নাসিমা বেগম (৫০)। তারা টঙ্গী পশ্চিম থানার ৫২ নং ওয়ার্ডের মুদাফা এলাকার মাস্টার বাড়ি জনৈক ফখরুল ইসলামের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার সকাল ৬টার দিকে রান্নার চুলা জ্বালাতে গেলে ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিবারের তিনজন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান দম্পতির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাদের মেয়েও আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
গাজীপুরের টঙ্গীতে নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আব্দুল আজিজ (৩২) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন আরিচপুর বউ বাজার গাজীবাড়ি এলাকার জনৈক আব্দুর রহমান বাবুর বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল আজিজ দিনাজপুর জেলার কাহারুল থানার সুন্দইল গ্রামের মোঃ জরু মিয়ার ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে টঙ্গীর বউ বাজার এলাকায় বসবাস করতেন এবং পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বহুতল ভবনের প্লাস্টারের কাজ করার সময় ঘরের ভিতর অন্ধকার ছিল। অন্ধকার দূর করতে আব্দুল আজিজ একটি বৈদ্যুতিক বাতির লাইন দিতে যান। এ সময় তিনি অসাবধানতাবশত শর্ট সার্কিটের শিকার হয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। উপস্থিত অন্য শ্রমিকরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই)মোঃ মুন্নাফ আহমেদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছান এবং নিহতের মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।
টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,খবর পেয়েই ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলি প্রেরণ করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রুমিন ফারহানা
সম্প্রতি একটি পূজামণ্ডপে পরিদর্শনে গিয়ে ভক্তি প্রদর্শনের পর ফেসবুকে পোস্ট করে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের মুখে পড়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সনাতন ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে তার দেওয়া বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি তালিকাভিত্তিক পোস্ট শেয়ার করেন, যেখানে বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ ও অন্যায়ের উদাহরণ টেনে ব্যঙ্গাত্মক বা কটাক্ষের সুর তুলে ধরা হয়।
তিনি লেখেন, ‘১. বলাৎকারে ধর্ম যায় না, ২. ঘুষ খেলে ধর্ম যায় না, ৩. শিশু ধর্ষণ বা নির্যাতনে ধর্ম যায় না, ৪. মানুষ খুনে ধর্ম যায় না, ৫. নারীর ওপর সহিংসতায় ধর্ম যায় না, ৬. নারীকে কুৎসিত অপবাদ দিলে ধর্ম যায় না, ৭. অন্যের সম্পদ লুট করলে ধর্ম যায় না, ৮. প্রতারণা আর মানুষ ঠকালে ধর্ম যায় না, ৯. সারাবেলা মিথ্যার চাষে ধর্ম যায় না, ১০. নোংরামি করে ধরা পড়ে মুতা বিয়া বললে ধর্ম যায় না, ১১. মুনাফেকিকে জীবনের মূল মন্ত্র বানালে ধর্ম যায় না, ১২. ধর্মকে ব্যবসা বানালে ধর্ম যায় না, ১৩. বোনের হিস্যা ভাই মারলে ধর্ম যায় না, ১৪. বাবা মাকে বৃদ্ধ বয়সে ভাগাড়ে ফেললে ধর্ম যায় না, ১৫. অন্যের হক মেরে খেলে ধর্ম যায় না, ১৬. মিথ্যার বেসাতিতে ধর্ম যায় না, ১৭. ধর্মকে ঢাল বানিয়ে পাপাচারে লিপ্ত হলে ধর্ম যায় না, ১৮. ওজন বা মাপে কম দিলে ধর্ম যায় না, ১৯. খাদ্যে ভেজাল এমন কি বিষ মেশালেও ধর্ম যায় না, ২০. ব্যভিচারে ধর্ম যায় না, ২১. দুর্বলের ওপর অত্যাচারে ধর্ম যায় না, ২২. দুষ্টের লালন পালনে ধর্ম মজবুত হয়।’
পোস্টের শেষে তিনি যোগ করেন, ‘ধর্ম যায় কেবল অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে।’ একইসঙ্গে নেটিজেনদের তাকে নিয়ে বানানো ছবি (আটভুজা) শেয়ার করে বিশেষ দ্রষ্টব্য (বি.দ্র.) হিসেবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা ও প্রতিমা প্রসঙ্গে মন্তব্য করে লেখেন, ‘মা দুর্গা দশভুজা, আটভুজা না। যাই হোক মূর্খের সমাজ, কি আর করা।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার আশুগঞ্জের লালপুরের সূর্য কান্দি দাস পাড়ার পূজামণ্ডপে তিনি দেবী মায়ের প্রতিমার প্রতি ভক্তি প্রদর্শন করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
পবিত্র কুরআনের হিফজ ও সুমধুর তিলাওয়াতের চর্চা ছড়িয়ে দিতে ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে মারকাযুল হুফফাজ বাংলাদেশের রংপুর বিভাগীয় ২য় হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতার জেলা বাছাইপর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
গতকাল ঠাকুরগাঁও রোডের বায়তুল আমান ইজাব উদ্দীন হাফেজিয়া মাদ্রাসা মসজিদ কমপ্লেক্সে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ১৭২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতা শেষে প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে ৭ জন করে মোট ২১ জন শিক্ষার্থী পরবর্তী পর্বের জন্য নির্বাচিত হয়।
আগামী ২১ নভেম্বর ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে পরবর্তী পর্ব। এতে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলার নির্বাচিতসহ মোট ৮৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।
প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন দিনাজপুর নিউটাউন মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ ক্বারী আবু সায়েম, দিনাজপুর দারুল আরকাম লি-তাহফিজিল কুরআন মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ ক্বারী আব্দুল্লাহ, নীলফামারীর দারুল উলুম হামিউস সুন্নাহ মাদ্রাসার পরিচালক ক্বারী আব্দুস সালাম এবং মারকাযুল হুফফাজ বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ক্বারী রাফিউল ইসলাম রাফি।
এছাড়াও সহকারী বিচারক হিসেবে ছিলেন মারকাযুল হুফ্ফাজ বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় বিচারক মন্ডলী
হাফেজ ক্বারী মাওলানা সুহাইল আহমাদ, হাফেজ মাওলানা মুহাইমিন ইসলাম, এইচ. এম. মুহিব্বুল্লাহ, হাফেজ মাওলানা হাবিবুর রহমান, হাফেজ রাজু আহমেদ, হাফেজ আরিফুল ইসলাম,
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও সদর পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল ইসলাম শরীফ। প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. মাহমুদ হাসান রাজু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ মো. ইউনুস আলী, আলহাজ মো. আবু সালাম, মো. ইয়াকুব আলী ও ক্বারী মো. আব্দুল মোমিন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মারকাযুল হুফফাজ বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের শুরা প্রধান হযরত মাওলানা এমদাদুল হক (শাহী হুজুর)।
মারকাযুল হুফফাজ বাংলাদেশের রংপুর বিভাগীয় মজলিসে শুরার সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কুরআন হিফজ ও সুমধুর কণ্ঠে তিলাওয়াতের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
অনুষ্ঠানের শুভেচ্ছান্তে ছিলেন মারকাযুল হুফফাজ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাফেজ ক্বারী আব্দুস সামাদ আজাদী।
আয়োজনে ছিলেন, মারকাযুল হুফফাজ বাংলাদেশ।
ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফরের সময় তাকে বহনকারী রুয়েটের বাস নিয়ে ফেসবুকে ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করা এক যুবককে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এসআরবি-৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়সাল ইশতিয়াক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আবু বকরকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে আবু বকরের বিষয়ে পুলিশ এখনো বিস্তারিত জানায়নি।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে সামরিক বিমানে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে রুয়েটের একটি বাসে করে তিনি রাজশাহী নগরীতে প্রবেশ করেন। ওই বাসে করেই ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের সমাবেশে যোগ দেন এবং দুর্গাপূজা উপলক্ষে ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করেন। পরে একই বাসে করে নগরী থেকে শাহ মখদুম বিমানবন্দরে ফেরেন তিনি।
রুয়েটের ‘দ্য বিউটি অব রাজশাহী’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রীর সফরে ব্যবহৃত বাসের ছবি দিয়ে একটি পোস্ট করা হয়। পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘সবই বুঝলাম! রাজশাহীতে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর লাল-সবুজ বুলেটপ্রুফ বাসটা কই? রুয়েটের বাসে কেন? আপনারা কি জানেন রাজশাহীবাসী?’
পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে ‘আবু বকর সিদ্দিক’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লেখা হয়, ‘ইস! একটা বড় সুযোগ। ছিল শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল।’ মন্তব্যটির ভাষা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিএনপি নেতারা।
মন্তব্যটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর তৎপর হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আবু বকরকে শনাক্ত করার পর অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা জরুরি।’
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরকে কেন্দ্র করে ফেসবুক পেজে একজন মন্তব্য করেছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক, অপরাধমূলক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’