আগুনে একটি প্রাইভেটকার ও ১২টি মোটরসাইকেল পুড়ে গেছে
শরীয়তপুর শহরে একটি আবাসিক হোটেলের নিচতলার পার্কিং এলাকায় আগুন লেগে ১২টি মোটরসাইকেল ও একটি ব্যক্তিগত গাড়ি পুড়ে গেছে। আগুনের তীব্রতায় হোটেলে থাকা ১৭ জন নিচে নামতে না পেরে জীবন বাঁচাতে ভবনের ছাদে আশ্রয় নেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সহায়তায় তাদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে শরীয়তপুর শহরের ঢাকা-শরীয়তপুর সড়কের পাশে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন নুর হোটেল ইন্টারন্যাশনালের ছয়তলা ভবনে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাত দেড়টার দিকে হোটেল ভবনের নিচতলার পার্কিং এলাকায় থাকা একটি গাড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে গাড়িটির একটি চাকায় বিস্ফোরণের মতো শব্দ হয়। পরে গাড়িতে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন পার্কিং এলাকায় থাকা অন্যান্য যানবাহনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় হোটেলের ভেতরে থাকা ১৭ জন নিচে নামার সুযোগ পাননি। তারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ভবনের ছাদে উঠে যান। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর ভবনের ছাদে আশ্রয় নেওয়া ১৭ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
অগ্নিকাণ্ডে পার্কিং এলাকায় থাকা ১২টি মোটরসাইকেল ও একটি ব্যক্তিগত গাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তবে ভবনের অন্য অংশে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে এবং অগ্নিকাণ্ডে মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কত, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
হোটেলের ম্যানেজার মাহবুব হাসান বলেন, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা তাঁরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারছেন না। আগুনে একটি প্রাইভেটকার ও ১২টি মোটরসাইকেল পুড়ে গেছে। ধোঁয়া ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়লে তাঁরা কয়েকজন ওপরের দিকে আটকা পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলে তাঁরা নিরাপদে বের হয়ে আসেন।
শরীয়তপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিদর্শক শংকর বিশ্বাস বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে ভবনের পার্কিং এলাকায় থাকা একটি গাড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণের কাজ চলছে। পুরো বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আহত কয়েকজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পালং মডেল থানার উপপরিদর্শক সুধাংশু সরকার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ভবনে আটকে পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিবির অভিযানে আসামির বসতবাড়ী থেকে মাদক উদ্ধার, বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখার কথা স্বীকারের দাবী পুলিশের।
দিনাজপুরে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ৩৩০ পিস অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মো. জয়নুল আবেদীন (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ৫ মিনিটে দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন ৯ নম্বর আস্করপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জায়গীরপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দিনাজপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পাঠানো প্রেস রিলিজে জানানো হয়, দিনাজপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আনোয়ার হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং ডিবির অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর পিপিএমের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জয়নুল আবেদীনের বসতবাড়ীতে অভিযান চালায়।
এ সময় তার বাড়ী থেকে ৩৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় জয়নুল আবেদীনকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি খানপুর জায়গীরপাড়া (শ্রী চন্দ্রপুর) এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত ফসিউদ্দিন এবং মায়ের নাম মৃত জরিনা খাতুন।
প্রেস রিলিজে আরও বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি উদ্ধার হওয়া ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের দখলে রেখেছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজুর জন্য কোতয়ালী থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া ও তদন্তে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালকে দালালমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সাথে সিলেটে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের ড্রেনেজ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার যাবতীয় সমস্যা আগামী ৭ দিনের মধ্যে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।মন্ত্রী সিলেটের নির্মানাধীন ওঅনুমোদিত সরকারি হাসপাতালগুলোও শিগগিরই চালুর আশ্বাস দেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই হাসপাতালগুলোসহ দেশের প্রত্যেকটা হাসপাতালে দালাল মুক্ত করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। এটা দুর্ভাগ্যজনক সত্য যে একটা শ্রেণী আমাদের রোগীদেরকে ভুল কথা বলে বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এই দালালকে ধরার জন্য আমাদের র্যাব, ডিজিএফআই একযোগে কাজ করছে। বহু হাসপাতালে হানা দিয়েছে, তাদেরকে গ্রেফতার আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’
অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া ডাক্তারদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, ‘জেলাগুলোতে ডিসি ও সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে সমানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে, জরিমানা করা হচ্ছে এবং ক্লিনিক সিলগালা করা হচ্ছে। যেখানে অবৈধ ডাক্তার দিয়ে ভূয়া সার্টিফিকেটধারী টেকনিশিয়ান দিয়ে অপারেশন করা হয়, সব আমরা সিলগালা করছি। আমি নিজে থেকে লিস্ট নিয়ে করছি। একটু সময় তো আমাদের দিবেন, ছয়টা মাস।’
দেশের স্বাস্থ্য খাতের জনবল সংকটের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রতি ১১,০০০ থেকে ১২,০০০ মানুষের বিপরীতে মাত্র একজন ডাক্তার বা নার্স নিয়োজিত রয়েছেন। এই সীমিত জনবল নিয়েই স্বাস্থ্যকর্মীরা দিন-রাত বিরামহীনভাবে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।’
ডাক্তারদের উপস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত এক মাসে তিনি প্রায় ২৫টির বেশি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং সেখানে চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি পেয়েছেন।
তিনি আরও জানান, তাঁর পরিদর্শনের পর রোগীরাও জানিয়েছেন যে ডাক্তারদের ব্যবহার আগের চেয়ে ভালো হয়েছে এবং হাসপাতালের খাবারের মানও বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১৭ বছরে ডিসেম্বর ২০-এর পর মিজেলসের (হাম) কোনো ক্যাম্পেইন না হওয়ায় দেশে হামের সংক্রমণ দেখা দেয় বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তবে বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতায় পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন এনে টিকাদান কার্যক্রম চালানো হয়েছে।
টিকা দেওয়ার পরও কিছু শিশুর হাম হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘হামের টিকা সাধারণত ৬ মাসের নিচের শিশুদের দেওয়া যায় না]। গত ২০ এপ্রিল যখন টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছিল, তখন যে শিশুরা ৫ মাসের নিচে ছিল তারা টিকা পায়নি। পরবর্তীতে তারা ৬ মাস পার করে টিকার উপযুক্ত হলেও নিয়মিত ক্যাম্পেইন না থাকায় টিকা ছাড়া থেকে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘অনেক মা সচেতনতার অভাবে বা খবর না পাওয়ায়, কাজের ব্যস্ততায় কিংবা সন্তান স্কুলে থাকায় যথাসময়ে টিকা কেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারেননি।’'এছাড়াও ভিটামিন ‘এ’ ট্যাবলেট ক্যাম্পেইনে ১ কোটি ৮৫ লক্ষ টার্গেটের বিপরীতে ১ কোটি ৮৯ লক্ষ শিশুকে কাভার করা হলেও নতুন শিশু যুক্ত হওয়ায় একটি ভ্যাকুয়াম বা গ্যাপ তৈরি হয়। যে কারণে বর্তমানে টিকা না পাওয়া শিশুদের হাম হচ্ছে,’ মন্ত্রী বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা আবার এই হামকে দমন করার জন্য প্রথম একটা দেশ হিসেবে তিন মাসের ভিতরে রিপিট করতে যাচ্ছি। এই মাসের শেষ থেকে আবার আমরা ক্যাম্পেইন করে যাব।’
সিলেটের হাসপাতালগুলোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ড্রেনেজ সমস্যা নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘যদি কোনো ভুলভ্রান্তি বা সমস্যা থেকে থাকে, তবে তা দ্রুত সংশোধন করা হবে। আশা করি এইখানে যদি কোন প্রবলেম থেকে থাকে, সাত দিনের মধ্যে এটা শেষ করবেন। ড্রেনেজ সিস্টেমের কথা বলেছি, আমাদের পূত কাজ শুরু করবে, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হবে।’
এর আগে সকালে ওসমানী হাসপাতালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ডাক্তার ও নার্সদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনিরসহ সংশ্লিষ্টরা।
ঋণ খেলাপীর দায়ে সুজিত চন্দ্র সাহা নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে তাকে গ্রেফতার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সুজিত নবীনগর উপজেলার বিটঘর গ্রামের মৃত চিত্তরঞ্জন সাহার ছেলে। সুজিত চন্দ্র সাহা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক নবীনগর উপজেলার কাইতলা শাখা থেকে ৫লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ঋণ উত্তোলন করেন। ঋণ উত্তোলন করে ব্যাংকের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ করেনি।
ব্যাংক দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে ২০২৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ বিচারক আসামী সুজিত চন্দ্র সাহা আদালতে হাজির হওয়ার জন্য আসামীর বিরুদ্ধে সমন জারি করে। নিদিষ্ট সময়ে হাজির না হওয়ায় আদালত আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে এবং মামলাটি বিচারের জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বদলী করা হয় যাহা বিশেষ ট্রাইব্যুনাল দায়রা মামলা নং-৭৮১/২৪। ট্রাইব্যুনালে আসামী হাজির না থাকায় বিজ্ঞ বিচারক আবারও আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।
আসামী প্রায় ২ বছর পলাতক থাকার পর আজ ৪ আগস্ট ভোর রাতে নবীনগর থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামী সুজিত চন্দ্র সাহার নিজ বাড়ি নবীনগর উপজেলার বিটঘর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ আজ ৪ আগষ্ট আসামী সুজিত চন্দ্র সাহাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ ইউসুফ খান সোহেল জানান, সুজিত চন্দ্র সাহা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক নবীনগর উপজেলার কাইতলা শাখা থেকে ৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করে, ঋণ গ্রহণ করার পর ব্যাংকের সাথে তিনি আর কোনো যোগাযোগ করেনি। পরে মামলা হয়েছে ওয়ারেন্ট হয়েছে ওয়ারেন্ট মুলে তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
ঢাকা থেকে জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীকে বহনকারী গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে পড়ে ধানক্ষেতে
জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী ও তাঁর স্ত্রীকে বহনকারী গাড়ির ধাক্কায় মারা গেছেন গুরুতর আহত পথচারী নারী ফিরোজা বেগম (৫৫)।
আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনার পর বগুড়া টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসীন ছিলেন তিনি। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইব্রাহীম হোসেন। ফিরোজা বেগম বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী।
ঢাকা থেকে জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক বড় ব্রিজের পূর্বপাশে হরিপুর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ওই পথচারী রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। গাড়িটি সড়ক থেকে ছিটকে ধানক্ষেতে গিয়ে পড়ে। পরে পথচারী ও স্থানীয় লোকজন প্রতিমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীকে উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী হাঁটু ও দুই পায়ে আঘাত পেয়েছেন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁর স্ত্রী নাজমা বেগম অক্ষত রয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির চালকও আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, আব্দুল বারী জয়পুরহাটে দুইদিনের সরকারি সফরে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর তাঁকে কালাই পৌর শহরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করছেন।
দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, ‘দুর্ঘটনা থেকে আমরা রক্ষা পেয়েছি। রাস্তা থেকে গাড়িটি ফসলের মাঠে পড়ে গিয়ে স্থির অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকে। এতে হাঁটু ও দুই পায়ে ব্যথা পেয়েছি।’
এ বিষয়ে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম জানান, প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে এক পথচারী রাস্তা পারাপারের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় তিনি সামান্য আঘাত পেয়েছেন।
তিনি জানান, ওই ঘটনায় এক নারী পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী তাঁর কালাইয়ের বাসায় রয়েছেন।
https://nawroj.com.bd/whole-country/rajshahi/18936
জবাইকৃত হরিণ উদ্ধার
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চর আতাউর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪০ কেজি ওজনের জবাইকৃত একটি হরিণ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হরিণটি হাতিয়া আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের নির্দেশে সেটি আদালত প্রাঙ্গণে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে চর আতাউর এলাকায় হরিণটি উদ্ধার করা হয়। দুপুরে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উদ্ধারকৃত হরিণটি হাতিয়া আদালতে জমা দেওয়া হলে বিচারক সেটি মাটিচাপা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চর আতাউর এলাকায় ঢালচর বিট ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযান চালানো হয়। এ সময় বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হরিণ শিকারিরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে জবাইকৃত অবস্থায় একটি হরিণ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে শিকারিদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
হাতিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল জানান, হাতিয়া উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন চরে সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী, বিশেষ করে হরিণ শিকার রোধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
ঢাকা থেকে জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীকে বহনকারী গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে পড়ে ধানক্ষেতে
জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী ও তাঁর স্ত্রীকে বহনকারী গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে পড়েছে। ঢাকা থেকে জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক বড় ব্রিজের পূর্বপাশে হরিপুর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
এ ঘটনায় ফিরোজা বেগম (৫৫) নামে এক নারী পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর সেখান থেকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ওই পথচারী রাস্তা পারাপারের সময় তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় গাড়িটি সড়ক থেকে ছিটকে ধানক্ষেতে গিয়ে পড়ে। পরে পথচারী ও স্থানীয় লোকজন প্রতিমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীকে উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী হাঁটু ও দুই পায়ে আঘাত পেয়েছেন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁর স্ত্রী নাজমা বেগম অক্ষত রয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির চালকও আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, আব্দুল বারী জয়পুরহাটে দুইদিনের সরকারি সফরে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর তাঁকে কালাই পৌর শহরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করছেন।
দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, ‘দুর্ঘটনা থেকে আমরা রক্ষা পেয়েছি। রাস্তা থেকে গাড়িটি ফসলের মাঠে পড়ে গিয়ে স্থির অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকে। এতে হাঁটু ও দুই পায়ে ব্যথা পেয়েছি।’
এ বিষয়ে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম জানান, প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে এক পথচারী রাস্তা পারাপারের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় তিনি সামান্য আঘাত পেয়েছেন।
তিনি জানান, ওই ঘটনায় এক নারী পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী তাঁর কালাইয়ের বাসায় রয়েছেন।