• প্রকাশ : শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৫৩ পিএম

ঋণ খেলাপীর দায়ে সুজিত চন্দ্র সাহা নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে তাকে গ্রেফতার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সুজিত নবীনগর উপজেলার বিটঘর গ্রামের মৃত চিত্তরঞ্জন সাহার ছেলে। সুজিত চন্দ্র সাহা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক নবীনগর উপজেলার কাইতলা শাখা থেকে ৫লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ঋণ উত্তোলন করেন। ঋণ উত্তোলন করে ব্যাংকের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ করেনি। 


ব্যাংক দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে ২০২৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ বিচারক আসামী সুজিত চন্দ্র সাহা আদালতে হাজির হওয়ার জন্য আসামীর বিরুদ্ধে সমন জারি করে। নিদিষ্ট সময়ে হাজির না হওয়ায় আদালত আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে এবং মামলাটি বিচারের জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বদলী করা হয় যাহা বিশেষ ট্রাইব্যুনাল দায়রা মামলা নং-৭৮১/২৪। ট্রাইব্যুনালে আসামী হাজির না থাকায় বিজ্ঞ বিচারক আবারও আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন। 


আসামী প্রায় ২ বছর পলাতক থাকার পর আজ ৪ আগস্ট ভোর রাতে নবীনগর থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামী সুজিত চন্দ্র সাহার নিজ বাড়ি নবীনগর উপজেলার বিটঘর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ আজ ৪ আগষ্ট আসামী সুজিত চন্দ্র সাহাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ ইউসুফ খান সোহেল জানান, সুজিত চন্দ্র সাহা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক নবীনগর উপজেলার কাইতলা শাখা থেকে ৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করে, ঋণ গ্রহণ করার পর ব্যাংকের সাথে তিনি আর কোনো যোগাযোগ করেনি। পরে মামলা হয়েছে ওয়ারেন্ট হয়েছে ওয়ারেন্ট মুলে তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:২২ পিএম

জমির দলিল-খাজনা-খারিজ সব থাকার পরও ১২ বছর ধরে বসবাসকারী পরিবারটিকে উচ্ছেদের চেষ্টা। অভিযোগ দিয়েও থানায় মিলছে না প্রতিকার, উল্টো ভুক্তভোগীকেই ‘আসামির স্ত্রী’ বলে দায় এড়াচ্ছেন ওসি।


নিজের কষ্টের টাকায় কেনা জমি, নিজের গড়া বসতবাড়ি। অথচ সেই বাড়িতেই এখন রাত কাটাতে ভয় পান সামছুন নাহার। স্বামী প্রবাসী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ওরফে শাহীন দেশের বাইরে। দুই সন্তান আর শাশুড়িকে নিয়ে রংপুর মহানগরীর তাজহাটের আশরতপুরে একাই লড়ছেন তিনি।


গত কয়েক মাস ধরে প্রতিপক্ষ আকবর ও আকরাম গংয়ের হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট যেন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অভিযোগ জানাতে গিয়ে বারবার থানার দরজায় ঘুরেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। বরং ওসির মুখে শুনতে হয়েছে, “আপনারা তো আসামির পক্ষের লোক।”


১২ বছরের বসবাস, তবুও ‘ভুয়া মালিক’ তকমা


সামছুন নাহার জানান, তাজহাট মৌজার জে.এল নং ৯৭, দাগ নং ৬৯৬ এর ১৭.৫ শতক জমি স্বামীর প্রবাসের আয় দিয়ে কেনা। দলিল হয়েছে, খাজনা-খারিজ করে নামজারিও করা হয়েছে। জমিতে রয়েছে বসতবাড়ি, মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ ও পুকুর। বিগত ১২-১৩ বছর ধরে সুনামের সাথে এখানেই সংসার ও ব্যবসা চালাচ্ছেন তারা।


কিন্তু প্রতিপক্ষ মোঃ আকবর ও মোঃ আকরাম, পিতা মৃত খলিল, সাং আলমনগর, ১৯৬২ সালের রেকর্ড মূলে মালিকানা দাবি করে আদালতে ৫০/২৫ নং মামলা চালাচ্ছেন। সেই মামলাকেই ঢাল বানিয়ে বারবার হামলা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।


ভুক্তভোগীর দাবি, প্রতিপক্ষরা আল আরাফাহ ব্যাংক, মৌলভীবাজার শাখায় জমি মর্গেজ রেখে ৩১/১০/২০১৮ পর্যন্ত ৯ কোটি ২ লক্ষ ৫ হাজার ৪৫০ টাকা ঋণ নিয়েছেন। ব্যাংক পরবর্তীতে জমিতে সাইনবোর্ডও লাগিয়েছে। অথচ মেট্রোপলিটন কমিশনার কার্যালয় থেকে ২৬/০১/২০২০ তারিখের চিঠিতে তাদের বসতবাড়ীর ৬৯৬ দাগে কোনো অধিগ্রহণের কথা নেই।


রাতের আঁধারে হামলা, সিসি ক্যামেরাও রেহাই পায়নি


সামছুন নাহারের ভাষ্য, গত ২৬/০৮/২০২৬ ইং রাত ১.৩০ মিনিটে আসামিরা বাড়ির নৈশ প্রহরীকে সিসি ক্যামেরার আওতার বাইরে নিয়ে বেদম মারপিট করে। হুমকি দেয়, “আর কখনো গ্যারেজ ও বসতবাড়ীর আশেপাশে দেখলে হাত-পা ভেঙে দেব।




পরদিন ২৭ আগস্ট সকাল ১২.১৫ মিনিটে এবং রাত ৯.০৫ মিনিটে দুই দফায় বাড়ি ও গ্যারেজের সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়। ৩০/০৮/২০২৬ ইং বিকেল ৪.৪০ মিনিটে ইট নিক্ষেপ করে ভেন্টিলেটরের ক্যামেরাও ভেঙে ফেলা হয়। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার টাকা। প্রতিটি ঘটনার ভিডিও ফুটেজ তার কাছে সংরক্ষিত আছে।


সবচেয়ে আতঙ্কের ঘটনা ঘটে গতকাল রাতে। সামছুন নাহার বলেন, “রাত ৯ টার দিকে তারা আবার হামলা করে। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করে। প্রাণভয়ে দৌড়ে ঘরে ঢুকে গেট লাগিয়ে দেই। ৯৯৯ এ ফোন করলে দুইজন পুলিশ আসে।”


পুলিশ আসার পরও হামলাকারীরা তার ছেলের সাইকেল, কয়েকটি চেয়ার এবং হাঁস-মুরগির ঘর ভেঙে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গেলে তাদের উপরেও চড়াও হয় আকরাম ও তার ছেলে আদনান গং।


থানায় গিয়ে মিলল অবহেলা, ওসির ‘পক্ষপাত’


এ নিয়ে তাজহাট থানায় একাধিকবার অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালে সিআর-১৪৫/২০২৩ নং মামলা করেছিলেন। ১৬/০৬/২০২৩ তারিখে পুলিশ কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জী নোটিশ দিয়ে যাওয়ার ১০-১৫ মিনিট পরই আবার হামলা হয়। ১৪/০৭/২০২৬ তারিখে জিডি নং-৬৪৩ করা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।




সামছুন নাহারের সবচেয়ে বড় ক্ষোভ ওসি রফিকের ভূমিকা নিয়ে। তার অভিযোগ, ওসি তাকে সরাসরি বলেন, “একজন ফ্যাসিস্ট ও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মানিক হত্যা মামলার আসামির পক্ষে আপনারা আসছেন।”


ভুক্তভোগী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার স্বামী কোনোদিন রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না। আওয়ামী লীগ আমলে বিএনপির ট্যাগ দিয়ে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল। এখন আবার আওয়ামী লীগ নেতা বানিয়ে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মানিক হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে। এটা সুপরিকল্পিত চক্রান্ত। মামলায় স্বামীর নাম ঠিক থাকলেও বাবার নাম ও ঠিকানার সাথে কোনো মিল নেই। এরপরও পুলিশ তাকে খুঁজছে। সেই ভয়ে সে পলাতক।”


“স্বামী পলাতক বলে কি আমরা নিরাপত্তা পাব না? আমরা কি এই দেশের নাগরিক না? আমার দুইটা ছোট বাচ্চা আছে। রাতে ঘুমাতে পারি না। কখন আবার হামলা হয় সেই আতঙ্কে থাকি,” বলেন তিনি।


ওসি রফিক পরে বলেন, “আমার ছুটির অর্ডার হয়েছে। আপনারা অভিযোগ দেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।” এরপর আর কোনো অগ্রগতি নেই।


স্থানীয়দের প্রশ্ন: আইন কার জন্য?


স্থানীয়রা বলছেন, “যেখানে দলিল আছে, খারিজ আছে, খাজনা দেওয়া আছে, সেখানে মালিক ভুয়া হয় কিভাবে? আদালতের রায় থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট-কমিশন নিয়ে উচ্ছেদ করুক। নিজেরা আইন হাতে তুলে নেবে কেন?”


তাদের অভিযোগ, আদনান এলাকায় নেশাগ্রস্ত হিসেবে পরিচিত। প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ভাঙিয়ে সে এসব অপকর্ম চালাচ্ছে। সাক্ষী হিসেবে রায়হান কবির, মিজানুর রহমান, সাহারা বেগমসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করেছেন সামছুন নাহার।


সুবিচারের অপেক্ষায় অসহায় পরিবার


স্বামী পলাতক থাকায় এখন সামছুন নাহার একাই দুই সন্তান ও শাশুড়িকে নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। প্রতিদিনকার হামলা-ভাঙচুরে পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তিনি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা কামনা করেছেন।


এ বিষয়ে তাজহাট থানার ওসির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।


একটি পরিবার শুধু নিজের কেনা জমিতে শান্তিতে বাঁচার অধিকার চাইছে। প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপই এখন তাদের শেষ ভরসা।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:২১ পিএম

বর্ণাঢ্য আয়োজন পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মহাবতার পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত হয়েছে। 


শুক্রবার বেলা এগারোটায় উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে শ্রী শ্রী মনদ মোহন সেবাশ্রম মন্দির প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে একই স্থানে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় হাজার হাজার সনাতনী ভক্তবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। 


এর আগে মন্দিরে বৈদিক অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মাধ্যমে এ উৎসবের মূল অনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হয়। এসময় বৈদিক মন্ত্রচ্চারণ করে যজ্ঞের অগ্নিতে ঘি,শস্যদানা, ফুল ও ফল আহুতি দেন পুরোহিতগণ। দেশের কল্যাণ ও বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে করা হয় বিশেষ প্রার্থনা। 

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:১৭ পিএম

নোয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ৪৯৫ পিস ইয়াবা।


শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার। এর আগে, বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।  


জেলা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের তত্ত্বাবধানে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ দমনের লক্ষ্যে জেলার বিভিন্ন থানা ও বিট এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এর অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ২০টি অভিযান পরিচালনা করে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে চারজন মাদক ব্যবসায়ী এবং নয়জন মাদকসেবী।


নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, অভিযানে সুধারাম থানা এলাকায় তিনজন, বেগমগঞ্জ মডেল থানা এলাকায় চারজন, সেনবাগ থানায় চারজন, চরজব্বর থানায় এলাকায় ৪৪৭ পিস ইয়াবাসহ একজন এবং কবিরহাট থানায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় চারটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে গ্রেপ্তার কয়েকজনের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:১২ পিএম

"করব কাজ ,গরব দেশ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ "এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্তকরুণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অদ্য (৪ ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার) সকাল ১১ টায় জেলা বিএনপির আয়োজনে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কুমিল্লা হাড়ি -বলাকা উদ্যান পুকুরে  উক্ত অবমুক্তকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


সভায়  জেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক জনাব শাহরিয়ার কবির রতনের  সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা  ফয়সল আমিন,সাধারণ সম্পাদক মোঃ পয়গাম আলি, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল হামিদ ,জেলা মৎস্যজীবি দলের সদস সচিব মাসুদ  হাসান পলাশ , সদর উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি  রুহুল আমিন বাপ্পি, সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হান, প্রচার সম্পাদক  শামসুল আলম (সাংবাদিক) প্রমুখ  এছাড়া এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নের মৎস্যজীবী দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।


পোনা অবমুক্তকরণ  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি  মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, দেশে আমিষের চাহিদা পূরণ ও খাদ্য স্বয়ং সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য মাছ চাষ খুব‌ই গুরুত্বপূর্ণ । মাছ ও ভাত এদেশের মানুষের প্রধান খাদ্য। তাই আমাদেরকে বাঙালি বলা হয়।বিএনপি একমাত্র দল যা জিয়াউর রহমানের সময় থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত দেশ ও জনগণের উন্নয়নে দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে । তাই আমরা যেকোনো উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত হয়।এর‌ই  ধারাবাহিকতায় আজকে এই পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ করা হলো । তাই আমাদের সকলের উচিত  নিজস্ব পুকুর -ডোবায় মাছের চাষ করা।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:১১ পিএম

গাজীপুরে টঙ্গীতে সনাতন সম্প্রদায়ের ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে টঙ্গীতে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


আজ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গী বাজার কেন্দ্রীয় সার্বজনীন শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দির পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে মঙ্গল শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে টঙ্গীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়।


মঙ্গল শুভযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন, টঙ্গী বাজার সার্বজনীন শ্রী শ্রী কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের সভাপতি রঞ্জিত কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক অমল চন্দ্র ঘোষ, সহ-সাধারণ সম্পাদক অমল রায়, জনকল্যাণ কমিটির সভাপতি দেবেন্দর দত্ত, যুব কমিটির সভাপতি বিক্রম রায়, সাধারন সম্পাদক লিটন দাস ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিপুল দেবনাথ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ টঙ্গী পূর্ব থানা সভাপতি শ্রী নারায়ণ রায় বাবুসহ থানা ও বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:০০ পিএম

ডিবির অভিযানে আসামির বসতবাড়ী থেকে মাদক উদ্ধার, বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখার কথা স্বীকারের দাবী পুলিশের।


দিনাজপুরে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ৩৩০ পিস অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মো. জয়নুল আবেদীন (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ৫ মিনিটে দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন ৯ নম্বর আস্করপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জায়গীরপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।


দিনাজপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পাঠানো প্রেস রিলিজে জানানো হয়, দিনাজপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আনোয়ার হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং ডিবির অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর পিপিএমের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জয়নুল আবেদীনের বসতবাড়ীতে অভিযান চালায়।


এ সময় তার বাড়ী থেকে ৩৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় জয়নুল আবেদীনকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি খানপুর জায়গীরপাড়া (শ্রী চন্দ্রপুর) এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত ফসিউদ্দিন এবং মায়ের নাম মৃত জরিনা খাতুন।


প্রেস রিলিজে আরও বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি উদ্ধার হওয়া ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের দখলে রেখেছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজুর জন্য কোতয়ালী থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


তবে মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া ও তদন্তে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

সর্বশেষ সব খবর