আবু সালেহ ও জাহাঙ্গীর আলম প্রধান
বিশিষ্ট ছড়াকার আবু সালেহকে চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নেতা জাহাঙ্গীর আলম প্রধানকে মহাসচিব করে জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের ২০৫ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনিবাহী কমিটি গঠন করা হয়।
চেয়ারম্যান: আবু সালেহ
ভাইস চেয়ারম্যান- শামসুদ্দিন হারুন, আসাদুজ্জাম্মান আসাদ, কামার ফরিদ, আনোয়ারুল কবির ভুলু, সাহাদাত হোসেন, বুলবুল আহমেদ, সৈয়দ শফি, নির্মল চক্রবর্তী, সাজ্জাদ আলী সন্তোষ (বগুড়া), আবদুস সবুর (রাজশাহী), সামছুল আলম স্বপন (চট্টগ্রাম), ফকির শওকত, আবদুল গাফ্্ফার মাহমুদ, মো. লুৎফুর রহমান, ফরিদ আহমেদ রিপন, মোহাম্মদ শাহ আলম শফি (কুমিল্লা), মোস্তফা আকমল, শামিমা চৌধুরী, কামরুল হাসান দর্পণ, মতিউর রহমান টুকু, রাশেদুল ইসলাম (খুলনা), মঈন উদ্দিন কাদেরী শওকত (চট্টগ্রাম), সুকুমার সরকার, এ জেড এম খায়রুজ্জামান, জহিরুল হক রানা, মাহবুবুর রহমান (বরিশাল), খায়রুল ইসলাম (ময়মনসিংহ), আহসানুল হক টিটু (রংপুর), জিয়াউর রহমান মধু, সৈয়দ রনো, আখলাকুল আম্বিয়া (সিলেট), আহমেদ করিম, আনোয়ারুল কবীর নান্টু।
মহাসচিব: জাহাঙ্গীর আলম প্রধান
অতিরিক্ত মহাসচিব: মো. জাকির হোসেন, তারিক আল বান্না, মূর্তাজা সাঈদ টিসু, কাজী মিজান, শাহাবুদ্দিন চৌধুরী, আফজাল বারী, ইকবাল হাসান নান্টু, আজাহার আলী সরকার, সৈয়দ আফজাল বাকের, আবদুল বাছেত, গোলাম মাওলা, মোস্তাফিজুর রহমান বিপ্লব, রবিউল্লাহ রবী, আবুল কালাম আজাদ, নজরুল ইসলাম মুকুল।
সাংগঠনিক সম্পাদক: লিটন এরশাদ, তরঙ্গ আনোয়ার, মশিউর রহমান রুবেল, মোহাম্মদ মাসুদ, মনিরুজ্জামান দেওয়ান মানিক।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: এ এইচ এম মাহবুবুর রহমান, খোরশেদ আলম শিকদার, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ হোবাইব, মোহাম্মদ মোরশেদ, কবির হোমেসন টিটু, মো. আলমগীর শিপন, মো. সিরাজুল ইসলাম।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় সম্পাদক: গোলাম কিবরিয়া, গোলাম মাওলা।
গাজীপুর বিভাগীয় সম্পাদক: হিরন প্রধান, আবুল হোসেন চৌধুরী বাদল, জুম্নন ফারুক।
রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: আবদুস সবুর, ফজলে রাব্বি ডলার ।
বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: আবদুস সালাম বাচ্চু, গোলাম কিবরিয়া, মিজানুর রহমান সুমন, ফরিদ আহমেদ।
সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: ওমর ফারুক আল হাদী, ড. মানজুর আহমেদ, ওয়ালিদ তালুকদার।
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক: আবু জুবায়ের মুহাম্মদ মেরাবিল্লাহ।
প্রকাশনা সম্পাদক: মো. জাকির হোসেন।
সহ-প্রকাশনা সম্পাদক: মো. গোলাম মোস্তফা কাজল, ইউনুস আলী আলাল, শাহীন গাজী।
প্রচার সম্পাদক: জেসমিন জুঁই।
সহ-প্রচার সম্পাদক: তালুকদার বেলাল, আলমগীর মতিন চৌধুরী ও মো. হুমায়ুন কবির।
অর্থ সম্পাদক: আবদুল হালিম।
সহ-অর্থ সম্পাদক: মিয়া আবদুল হান্নান, ইমরান হোসেন মজুমদার, জসিম মেহেদী, বদরুল আলম।
তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: মো. আশরাফুল ইসলাম, নাঈমুল করীম, শাহরিয়ার পলাশ, মো. মহসীন হোসেন, সেলিম উল্লাহ মেজবাহ, খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান।
ধর্মবিষয়ক সম্পাদক: মজিবুর রহমান সরকার।
সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক: গাজী মহিউদ্দিন ফিরোজ।
সমাজ কল্যাণ সম্পাদক: এম সামাদ মতিন।
সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক: ফরিদ উদ্দিন সিদ্দিকী, সৈয়দ সালেহ ইমরান, গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, মুঈদ হোসেন আরিফ, মতিউর রহমান সরদার, আজিজুল হক মিন্টু।
নারী বিষয়ক সম্পাদক: দেওয়ান মাসুদা সুলতানা।
সহ-নারী বিষয়ক সম্পাদক: শেখ শায়ন্ত শিলা।
ক্রীড়া সম্পাদক: মো. আমিনুল ইসলাম।
সহ-ক্রীড়া সম্পাদক: মাহমুদুল হাসান বিপ্লব শিকদার।
দফতর সম্পাদক: মো. ফারুক হোসেন (শাহরুখ)।
আইন সম্পাদক: নাসির উদ্দিন সিদ্দিকী, প্রদীপ কুমরি পাল, ফরিদ আহমেদ।
সংস্কৃতি সম্পাদক: মীর হোসেন মিরন।
সহ-সংস্কৃতি সম্পাদক: মহসীন আহমেদ স্বপন, শেখ আনোয়ার, জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
সদস্য
শিকদার আলমগীর, মোমিন হোসেন, পাবেল আল মাজি, কাজী বোরহান উদ্দিন, মোরশেদ আলম, মাহবুব রশিদ, খন্দকার আসাদ-উজ জামান (সুমন), জহিরুল হক শামিম, সালাম ফারুক, শাহানুজ্জানমান টিটু, মো. শফিকুর রহমান শফিক, আশরাফ উদ দৌলা সুমন, মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, মোস্তফা মতিহার, মো. আলমগীর হোসাইন খান, রাজু আহমেদ, মো. রফিকুল ইসলাম সরকার, মিজানুর রহমান, জোনায়েদ রাশেদ,
টিপু সুলতান, মকবুল হোসেন মজুমদার, মেহেদী আজাদ মাসুম, সৈয়দ মাহমুদুল কবির আনিস, আখতার-উজ-জামান, হাবিবুর রহমান, মিজানুর রহমান, ইরান হোসেন, আবুল খায়ের তাপাদার, আকাশ মিয়াজি, আলী হোসেন, শফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, এ এইচ কামরুল, আখতার হোসেন বাবু, ওয়াহিদুল ইসলাম নোমান, গোলাম মোরশেদ, শওগাতুল আলম, আল আমীন সেলিম, মো. জামাল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, রতন কুমার সাহা, অমর সাহা, নুরুল হোসেন কাইয়ুম, সিরাজ-উদ-দৌলা, মুফিকুর রহমান বাদল, ইকবাল আহমেদ, আবু ইসা, জাকিয়া সুলতানা, আবদুল মান্নান, শহিদুল ইসলাম, গোলাম কিবরিয়া (বরিশাল), আবদুল মতিন. ফরিদ আহমেদ,
ইস্রাফিল খান বাবু, বাদল হাওলাদার, মোস্তাক আহমেদ, মহি আল ফয়সাল, মো. মনিরুজ্জামান, মনোয়ার কানন, আবু সাইদ, মো. তোফাজ্জল হোসেন, গাজী শফিকুল ইসলাম, মো. আল মামুন, ফারুক আহমেদ সুজন, মো. রফিকুল ইসলাম, গোলাম মাওলা, মোশাররফ হোসেন, কে আর মুরাদ, এ আর হানিফ, আবু জাফর আবদুল্লাহ, আবদুল আলী, এম জামান, এম এ গনি, নূরুন নবী, আবদুর রহিম রনো, নাছিম মাহমুদ, মশিউর রহমান সুমন, নাইমুল কবির, মোস্তাক আহমেদ, ইস্রাফিল খান বাবু, মো. মনিরুজ্জামান বাবু, তোফাজ্জল হোসেন ফুয়াদ, মো. রেজাউল করিম। (আ্ংশিক)
উপদেষ্টামন্ডলী
গোলাম তাহাবুর, এম আবদুল্লাহ, নূরুল আমিন রোকন, মাহমুদ শফিক, সামছুল হক দুররানী, সৈয়দ তোসারফ আলী, গোলাম মহিউদ্দিন খান, আব্দুল আউয়াল ঠাকুর, কাজিম রেজা।
ভারতীয় ফেন্সিডিল জাতীয় মাদকদ্রব্য (আরসি কাফ)। ছবি: সংগৃহীত
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৯ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল জাতীয় মাদকদ্রব্য (আরসি কাফ) উদ্ধার করেছে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)। গত ১ নভেম্বর দিবাগত রাতে সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় মাদকদ্রব্যগুলো উদ্ধার করা হয়।
৪২ বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বাশালগাঁও বিওপির দায়ীত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ২৯ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল জাতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেন বিজিবি সদস্যরা।
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত চোরাচালানিদের শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারী ও তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বিজিবি।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান, সীমান্তে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি নিয়মিত টহল ও নজরদারীর পাশাপাশি অপরাধী চক্রের গতিবিধি এবং তাদের ব্যবহৃত কৌশল শনাক্তে কাজ করছে। সীমান্তের যেকোনো স্থানে সন্দেহজনক তৎপরতার তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিজিবির লক্ষ্য শুধু মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িত চোরাচালান চক্রের তৎপরতা বন্ধ করাও। এ লক্ষ্যে সীমান্তজুড়ে বিজিবি সদস্যরা সর্বদা সতর্ক ও সজাগ রয়েছেন।
সভার আয়োজন। ছবি: সংগৃহীত
চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী জিয়াউর রহমান জিয়া।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ১০নং হবিরবাড়ী ইউনিয়নে গণসংযোগ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী জিয়াউর রহমান জিয়া। এলাকার মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়িয়ে তাঁদের সমস্যা, প্রত্যাশা ও উন্নয়ন ভাবনা জানার পাশাপাশি জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজের সম্ভাব্য প্রার্থিতার বিষয়টি তুলে ধরছেন তিনি।
হাজী জিয়াউর রহমান জিয়া ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের অন্যতম সদস্য ও হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার শ্রমজীবী, খেটে খাওয়া ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন দুর্যোগ ও সংকটের সময় সহযোগিতা করে থাকেন তিনি। এ ছাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসায় আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছেন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
নির্বাচন সামনে রেখে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, পাড়া-মহল্লা ও হাটবাজারে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করছেন জিয়া। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এলাকার নাগরিকসেবা, যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সমস্যার বিষয়ে তাঁদের মতামত জানার চেষ্টা করছেন তিনি।
শিল্পকারখানাকেন্দ্রিক গুরুত্বপূর্ণ জনপদ হবিরবাড়ী ইউনিয়নে উন্নয়নের সম্ভাবনার পাশাপাশি নাগরিকসেবা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পাঞ্চলের উপযোগী সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা নিরসন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের মতো বিষয়গুলো স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশার ক্ষেত্রেও নাগরিকসেবার মানোন্নয়ন, এলাকার সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং জনপ্রতিনিধির সঙ্গে সহজে যোগাযোগের সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে, সাধারণ মানুষ যেন নিজেদের সমস্যা ও অভিযোগ সরাসরি জনপ্রতিনিধিকে জানাতে পারেন এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে তাঁদের মতামত প্রতিফলিত হয় এমন একটি জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকারব্যবস্থা প্রত্যাশিত।
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জিয়া জানান, দলীয় মনোনয়ন পেলে এবং নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে ইউনিয়ন পরিষদকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে যেতে চান তিনি। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এলাকার প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিতে চান তিনি।
হাজী জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, “হবিরবাড়ী একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল। এখানে তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, খেলাধুলার পরিবেশ গড়ে তোলা এবং যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে সামাজিক উদ্যোগ বাড়ানো প্রয়োজন। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে এবং জনগণ নির্বাচিত করলে সবার মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আমার লক্ষ্য হবে সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শোনা এবং সাধ্যমতো সেগুলোর সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া।”
তিনি আরও বলেন, এলাকার উন্নয়নকে শুধু রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নাগরিকসেবার মানোন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি, যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় মানুষের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগের মাধ্যমে তাঁদের প্রত্যাশা ও অগ্রাধিকার সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করছেন জিয়াউর রহমান জিয়া। তাঁর এই গণসংযোগ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক তৎপরতারই অংশ। তবে দলীয় মনোনয়ন এবং নির্বাচনে তাঁর চূড়ান্ত প্রার্থিতা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, নির্বাচনে যিনিই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হোন, তিনি যেন দল-মতনির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করেন এবং হবিরবাড়ী ইউনিয়নের নাগরিকসেবা, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখেন।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এসএসসি নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষা চলাকালে ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় লক্ষ্য করে দুটি বোমা জাতীয় বস্তু বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিকট শব্দে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর ৩ টা ৪৫ ঘটিকায় দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও শিক্ষার্থী সূত্রে জানা গেছে,বিদ্যালয়ে টেস্ট পরীক্ষা চলাকালে প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান আসাদ পাঁচ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মোবাইল ফোন জব্দ করেন।এ সময় তানজিন রহমান রিদু নামে এক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়।পরে ওই শিক্ষার্থী কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় লক্ষ্য করে দুটি বোমা জাতীয় বস্তু নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ উঠেছে।এতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
তানজিন রহমান রিদু ফিলিপনগর ইউনিয়নের চরসাদিপুর গ্রামের মিন্টুর ছেলে ও জামায়াত নেতা খাজা আহামেদের ক্যাডার বলে জানা গেছে।
ঘটনার সময় ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী,মোটরসাইকেলটি কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও ফিলিপনগর ইউনিয়নে জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খাজা আহমেদের।
এ বিষয়ে খাজা আহমেদের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রশ্ন শুনে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, পরীক্ষার হলে নিয়ম ভঙ্গের কারণে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে। এরপর বিদ্যালয়ের পাশে দুটি বোমা বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কাজ করছে।ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।তদন্তে মোটরসাইকেলটির মালিক হিসেবে জামায়াত নেতা খাজা আহমেদের নাম পাওয়া গেছে।এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ বলেন, ঘটনাটি শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. রুহুল কবির রিজভী
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠায় সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের অবদান স্মরণ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. রুহুল কবির রিজভী। তাঁর দূরদর্শী চিন্তা সিলেটে উচ্চশিক্ষা ও কৃষিশিক্ষার নতুন দিগন্ত খুলেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার (২ নভেম্বর) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠায় এম. সাইফুর রহমানের অবদান এ অঞ্চলের মানুষ চিরদিন মনে রাখবে। শিক্ষার প্রসারে তাঁর আগ্রহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কৃষির উন্নয়ন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, সমন্বিত কৃষিনীতি থাকলে দেশের সমৃদ্ধি আরও দ্রুত ও টেকসই হবে। কৃষি দেশের খাদ্যনিরাপত্তা, গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের মূল ভিত্তি।
তিনি বলেন, কৃষির উন্নয়নে উৎপাদন, বাজার, প্রযুক্তি ও কৃষকের জীবনমানকে গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের পতিত জমি চিহ্নিত করে চাষের আওতায় আনতে হবে। এতে কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে।
তিনি আরও বলেন, উর্বর কৃষিজমি রক্ষা করা জরুরি। উন্নয়ন পরিকল্পনায় পতিত বা কম উৎপাদন শীল জমি ব্যবহারে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে কার্যকর ভূমি ব্যবহার নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে হবে।
কৃষকদের সহায়তার বিষয়ে রিজভী বলেন, হতদরিদ্র কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগ ইতিবাচক। তবে প্রকৃত কৃষকেরা সুবিধা পাচ্ছেন কি না, তা নিয়মিত তদারকি করতে হবে।
এর আগে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু হয়। বেলুন ও সাদা পায়রা উড্ডয়ন করা হয়। কেক কাটা, বৃক্ষরোপণ ও বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজনও ছিল। পরে ‘সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: প্রতিষ্ঠা, অর্জন ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহবুব ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সফি উল্যাহ মজুমদার।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সংসদ সদস্য মোছাঃ তাহসিনা রুশদীর লুনা ও মোহাম্মদ আব্দুল মালিক।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ্ সিদ্দিকী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান মজুমদারসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যের মূল ভিত্তি। কৃষির আধুনিকায়ন ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি উদ্ভাবনেও গুরুত্ব দিতে হবে। গবেষণার সুফল কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
টিউবওয়েল বসানোর সময় মাটি থেকে গ্যাসের সঙ্গে বের হচ্ছে আগুন। ছবি: সংগৃহীত