স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত-হোসেন
রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় রক্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আনার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব অনিয়মের প্রমাণ পান।
এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসার কাগজপত্র ও বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্ট দেখেন।
পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে অভিযোগ শুনে এখানে এসেছি সেটা শতভাগ সত্যি। ডেঙ্গু শনাক্তে সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষার সুবিধা থাকা সত্ত্বেও বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টার (জমজম, সততা ও সান) থেকে লোক এসে রোগীদের রক্ত সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়ার প্রমাণ পেয়েছি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে সুবিধা আছে। বাইরে থেকে লোক এসে এখান থেকে ব্লাড নিয়ে যায়, এরা কি অন্ধ? ডাক্তার আছে, চোখে দেখবে না?’
সাংবাদিকদের সামনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাগজ দেখিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি অর্থে রোগীদের পরীক্ষা করার ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বাইরের লোক এসে নমুনা নিয়ে যাচ্ছে। রোগীরা কেন বাইরে পরীক্ষা করাবেন সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে রোগীদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার ব্যবস্থা রয়েছে। এরপরও যদি বাইরের লোক এসে রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায় তাহলে এর সঙ্গে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হবে।
এদিকে পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের রোগী ও স্বজনরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে লিফট নিয়মিত চালু না থাকা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রোগী ও স্বজনদের একাধিক তলায় ছোটাছুটি করতে হওয়ার অভিযোগ করেন তারা।
এক রোগীর স্বজন বলেন, লিফট নিয়মিত চালু থাকলে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য অনেক সুবিধা হতো। বর্তমানে পরীক্ষার জন্য রোগী ও স্বজনদের এক তলা থেকে আরেক তলায় যেতে হচ্ছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং রোগীদের চিকিৎসা কীভাবে চলছে, কোন কোন পরীক্ষা করানো হয়েছে এবং কোথা থেকে রিপোর্ট এসেছে এসব বিষয়ে খোঁজ নেন। এ সময় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামাল দিতে হাসপাতালগুলোতে প্রস্তুতি রয়েছে। রোগীর সংখ্যা বাড়লে চিকিৎসা সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও প্রতিরোধমূলক অভিযান জোরদার করার কথাও জানান তিনি। স্বাস্থ্য খাতের অনিয়মের বিরুদ্ধে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
ভোগান্তিতে রিয়াদগামী যাত্রীরা
সৌদি আরবের দাম্মামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন ভোলা জেলার চাঁদপুরের বাসিন্দা মো. আশরাফ। সাত বছর পর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পাঁচ মাসের ছুটিতে দেশে এসেছেন।
আজ রোববার ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগদানের জন্য দুপুর সাড়ে ১২টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পৌঁছেন। বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটে ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের রিয়াদগামী একটি ফ্লাইটের মাধ্যমে মুম্বাই হয়ে দাম্মামে যাবেন। বিকেল ৩টায় বিমানবন্দরের বহির্গমন ২ নম্বর টার্মিনালের সামনে অবস্থান করার সময় কথা হয় তাঁর সঙ্গে।
আশরাফ বলেন, ‘দাম্মামে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিমানবন্দরে এসেছি। দুপুর ১টায় বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালে গেটে লাগেজ ও দেহ তল্লাশি শেষে প্রবেশ করানো হয়। এ সময় নির্ধারিত ইন্ডিগো ফ্লাইটের বোর্ডিং পাস নেওয়ার জন্য কাউন্টারের সামনে লাইনে দাঁড়াই। কিছু সময় পর কাউন্টার থেকে জানানো হয়, রিয়াদগামী ফ্লাইট বন্ধ। বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় রিয়াদ বিমানবন্দরে বন্ধ আছে ফ্লাইট চলাচল।’
এমন ঘোষণা ঢাকা বিমানবন্দরে আশরাফের মতো রিয়াদগামী বিভিন্ন ফ্লাইটের অনেক যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন। ভুক্তভোগী আশরাফ জানান, ইন্ডিগো কাউন্টার থেকে যাত্রীদের জানানো হয়েছে, রিয়াদের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। সংশ্লিষ্ট ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ফেরত দিয়ে নতুন করে টিকিট সংগ্রহ করতে বলেছেন এয়ারলাইন্স কর্মীরা।
এদিকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের রিয়াদগামী ফ্লাইটের যাত্রী মিজানুর রহমান জানান, চার বছর ধরে সৌদি আরবের রিয়াদে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন তিনি। দুই মাসের ছুটি শেষে কর্মস্থল যোগদানের উদ্দেশ্যে মুঞ্জিগঞ্জ থেকে বিমানবন্দরে আসেন। তাকে বিদায় জানাতে সঙ্গে এসেছেন সুমন নামে এক আত্মীয়। দুপুর ১টায় ফ্লাইট।
যাত্রী মিজানুর জানান, বিমানবন্দরে আসার পর এয়ারলাইন্স কর্মীরা জানান, ঢাকা–রিয়ামগামী ফ্লাইট বন্ধ। বিমানবন্দরে মাহবুব নামে আরেকজন যাত্রীর অভিযোগও একই। তিনি জানান, এ ঘটনায় যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার।
তিনি বলেন, ‘একজন যাত্রীর সঙ্গে স্বজনরা বিমানবন্দরে এসেছেন বিদায় জানাতে। কিন্ত ফ্লাইট বন্ধ থাকার কারণে আর্থিক ক্ষতি ছাড়াও গন্তব্যে পৌঁছতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।’
জানা যায়, ঢাকা–রিয়াদগামী ফ্লাইট হঠাৎ বন্ধ থাকার কারণে গন্তব্যে পৌঁছতে বিমানবন্দরে ভোগান্তিতে পড়েন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ সরকারি–বেসরকারি বিভিন্ন ফ্লাইটের শত শত যাত্রী। বিদেশের কর্মস্থলে যোগদানের উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তারা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন। ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, তাদের কর্মস্থল ছিল সৌদির আরবের রিয়াদসহ বিভিন্ন স্থানে। পরে বিমানবন্দর থেকে তারা বাড়ি ফেরেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় আজ ভোর ৮টা থেকে এ পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটে পাঁচটি ফ্লাইটের চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসসহ বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট রয়েছে। এ ছাড়া সৌদি আরবের বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্য অনুযায়ী, আজ ভোর ৮টা থেকে এ পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটে পাঁচটি ফ্লাইটের চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩৩৯, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-৩৮১ এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের এসবি-৮০৪ ও এসবি-৮০৬ ফ্লাইট রয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রিয়াদ বিমানবন্দর ১২ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরের কার্যক্রম কখন পুরোপুরি চালু হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ রিয়াদ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বেসরকারি ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, ইউএস বাংলার রিয়াদগামী সব ফ্লাইট বন্ধ। এ বিষয়ে যাত্রীদের অবহিত করা হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ শাখা জানিয়েছে, ঢাকা থেকে রিয়াদগামী ফ্লাইট চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি ও পরবর্তী নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে ফ্লাইট চলাচলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ শাখা জানিয়েছে, ১১ অক্টোবর ঢাকা থেকে রিয়াদগামী বিজি-৩৩৯ এবং রিয়াদ থেকে ঢাকাগামী বিজি-৩৪০ ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের ভ্রমণসূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। এ অবস্থায় যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নেই-এমন তিন কর্মকর্তাকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অভিন্ন নীতিমালার শর্ত অনুসরণ করা হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবশ্য বলছে, নিজস্ব নিয়োগবিধি অনুযায়ী এসব পদে আবেদন ও নিয়োগের সুযোগ রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১২ অক্টোবর উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব এবং ২৫ অক্টোবর কৃষিতত্ত্ব ও মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগে সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের বাছাই বোর্ড বসার কথা।
তিন কর্মকর্তার মধ্যে দুজন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় কর্তাব্যক্তিদের ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যজন বর্তমান রেজিস্ট্রারের স্ত্রী।
২০২১ সালে প্রণীত ইউজিসির অভিন্ন নীতিমালায় সহকারী অধ্যাপক পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর-উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫, পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের অন্তত এক বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা, এমফিল ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের জন্য যথাক্রমে দুই ও তিন বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা এবং স্বীকৃত জার্নালে অন্তত তিনটি গবেষণাপত্র প্রকাশের শর্ত রয়েছে। এর অন্তত একটিতে প্রার্থীকে প্রথম লেখক হতে হয়।
কিন্তু পবিপ্রবির গত ২২ জুন ও ১৬ আগস্ট প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সিজিপিএ ৩ চাওয়া হয়েছে। পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে বিকল্প হিসেবে স্নাতকোত্তর বা এমফিল ডিগ্রির সঙ্গে দুই বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা ও দুটি গবেষণা প্রকাশনা থাকলেও আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
এদিকে পবিপ্রবির নিজস্ব বিধিতে পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা নেই এবং গবেষণাপত্রে প্রথম লেখক হওয়ার শর্তও নেই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পছন্দের কর্মকর্তাদের শিক্ষক পদে নিয়োগের সুযোগ তৈরি করতেই যোগ্যতার শর্তে এই ছাড় দেওয়া হয়েছে।
তিন কর্মকর্তার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন
কৃষিতত্ত্ব বিভাগে প্রার্থী হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক রাহাত মাহ্মুদ। কৃষিতত্ত্ব বিষয়ে পিএইচডি, অ্যাগ্রিকালচারাল-বোটানি বিষয়ে স্নাতকোত্তর এবং কৃষিতে স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে তাঁর। স্নাতকে তাঁর সিজিপিএ ৩ দশমিক ২৭ এবং স্নাতকোত্তরে ৩ দশমিক ৭১। ফলে স্নাতকের ফলাফল ইউজিসির অভিন্ন নীতিমালায় নির্ধারিত ন্যূনতম মানের চেয়ে কম। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নেই ও নিয়োগের বিষয় কৃষিতত্ত্বে তাঁর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেই।
২০০৭ সালে সহকারী খামার তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়া রাহাত বিভিন্ন সময়ে পদোন্নতি পেয়ে এখন উপ-খামার তত্ত্বাবধায়ক পদে আছেন।
রাহাত মাহ্মুদ নিয়োগ বোর্ডে অংশ নেওয়ার কার্ড পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে ৯ অক্টোবর বলেন, তাঁর অনার্স, মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে। পবিপ্রবিতে পিএইচডি থাকলেই সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ পাওয়া যায় বলে দাবি করেন তিনি।
কৃষিতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, মৌখিকের (ভাইভা) জন্য কারা যোগ্য হয়েছেন, সে তথ্য তিনি তখনো পাননি। তবে ইউজিসি প্রণীত বিধান মেনে চলা উচিত বলে জানান তিনি।
উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগে প্রার্থী হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার জিনাত নাসরিন সুলতানা। তাঁর উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিষয়ে পিএইচডি ও স্নাতকোত্তর এবং কৃষিতে স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে। ২০০৭ সালে সেকশন অফিসার হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়া জিনাতেরও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নেই। তিনি বর্তমান রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. জামাল হোসেনের স্ত্রী।
জিনাত নাসরিন বলেন, তিনি নিয়োগ বোর্ডের কার্ড পেয়েছেন। কর্তৃপক্ষ তাঁকে যোগ্য মনে করলে নিয়োগ দেবে, না মনে করলে দেবে না। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের।
পিএইচডি থাকলে যেকোনো প্রার্থীকে সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে বলে মনে করেন উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান মো. রুবেল মাহমুদ।
মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগে প্রার্থী হয়েছেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও অফিস অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হাচিব মোহাম্মদ তুষার। তিনি মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিষয়ে পিএইচডি, কীটতত্ত্ব বিষয়ে স্নাতকোত্তর এবং কৃষিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তবে নিয়োগের বিষয় মৃত্তিকাবিজ্ঞানে তাঁর স্নাতকোত্তর নেই।
২০০৭ সালে সেকশন অফিসার হিসেবে যোগ দেওয়া এই কর্মকর্তারও দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নেই।
হাচিব মোহাম্মদ তুষার বলেন, দীর্ঘদিনে বিভিন্ন ডিগ্রি অর্জন করে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন তিনি। তবে এখনো নিয়োগ বোর্ডের কার্ড পাননি।
মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘নিয়োগের আইন তো আর আমরা জানি না। নিয়োগের তো সার্কুলারেই দেওয়া থাকে। কী দেওয়া আছে, আমি তা ভালো বলতে পারব না।’
নিজস্ব বিধির কথা বলছে প্রশাসন
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. জামাল হোসেন ৮ অক্টোবর বলেন, পবিপ্রবির নিজস্ব নিয়োগবিধি অনুযায়ী পিএইচডি ও প্রকাশনা থাকলে সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগে বাধা নেই। তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসির অভিন্ন নীতিমালা অনুসরণ করা হয় না। প্রকাশনা না থাকলে পিএইচডিকে প্রকাশনা হিসেবে ধরা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
নিজের স্ত্রীর প্রার্থিতার বিষয়ে জামাল হোসেন বলেন, যোগ্যতা থাকলে যে কেউ আবেদন করতে পারেন। তাঁর স্ত্রীর ফলাফল ভালো বলেও দাবি করেন তিনি। নিয়োগে কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় হয়েছে কি না, তা যাচাই করে দেখতে বলেন তিনি। জামাল হোসেন আরও বলেন, নিয়োগ বোর্ডের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন।
সহ–উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই কর্মকর্তারা তাঁদের বর্তমান পদ থেকে শিক্ষক পদে আবেদন করেননি; পিএইচডি ডিগ্রিধারী হিসেবে সহকারী অধ্যাপক পদের বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করেছেন।
তাঁর ভাষ্য, বিজ্ঞপ্তির যোগ্যতা পূরণ করায় তাঁরা কার্ড পেয়েছেন। কর্মকর্তা থেকে শিক্ষক হওয়া এখানে বিবেচ্য বিষয় নয়। তিনি ইউজিসির শিক্ষক নিয়োগের নীতিমালা বাদ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির শর্তগুলো দেখার কথা বলেন।
উপাচার্য অধ্যাপক হেমায়েত জাহান বলেন, ‘আমাদের তো নিয়োগ নীতিমালা, নিয়োগবিধি আলাদা। ইউজিসি ইউনিফাইড রুলস করেছে। সেটা কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাডপ্ট করেছে, কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় এখনো করেনি। আশা করছি, হয়তো অদূর ভবিষ্যতে আমাদের ইউনিফাইড রুল অ্যাডপ্ট করতে হবে এবং করব।’
ইউজিসি কী বলছে
কর্মকর্তা থেকে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার কোনো সুযোগ আছে কি না, তা জানতে চাইলে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ ৮ অক্টোবর বলেন, কোনো সুযোগ নেই। পবিপ্রবিতে সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের বিষয়টি কমিশনের নজরে এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সব বিশ্ববিদ্যালয়কে কমিশনের নীতিমালা অনুসরণ করে শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। এর ব্যত্যয়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইউজিসির সাবেক সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ইমেরিটাস অধ্যাপক আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। এভাবে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইউজিসির শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। উপাচার্যরা অখুশি হবেন বা দলীয়ভাবে হেনস্তার চেষ্টা করবে ভেবে ইউজিসি যদি কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তাদের বিরুদ্ধেও জনমত গড়ে তোলা উচিত।
৫৭টি ভুয়া বিল পাস করায় পঞ্চগড়ের সাবেক জেলার মো. আব্দুল ফাত্তাহকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যেহেতু আব্দুল ফাত্তাহ (সাময়িক বরখাস্ত), জেলার হিসেবে ১৭ জানুয়ারি ২০২৩ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত পঞ্চগড় জেলা কারাগারে কর্মকালীন ওই কারাগারের ২০১৮ থেকে ২০২৪ সালের আর্থিক বিভাগীয় নিরীক্ষা প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে খোরাকি রেশন খাতে সরকারি অর্থ তছরুপ ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।
এতে আরও বলা হয়েছে, ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কারা অধিদপ্তর ৩ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করেন।
দাখিল করা প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ২০২৩-২০২৪ ও ২০২৪-২০২৫ আর্থিক সালে তিনটি ভুয়া (বাবা মায়ের দোয়া, নূর স্টোর, শুভ স-মিল) ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৫৭টি ভুয়া বিল পাস করে মোট এক কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
এসব অপরাধের দায়ে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় আটক চারজনকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। আজ রোববার শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আ ন ম আয়াসসহ চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- আ ন ম আয়াস (২৯), মো. সাকিবুল হাসান (১৯), মো. সুজন মিয়া (১৮) ও মারজিয়া খন্দকার রিমি (২৭)।
গতকাল শনিবার সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দিতে যান রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম নামের একটি সংগঠনের সদস্যসচিব এ এন এম আয়াসসহ কয়েকজন। এ সময় তাদের আটক করে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের আটক করা হয়েছে। পরে তাদের ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়।
৫ অক্টোবর সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এরপর ফুটপাতের পাশের দেয়ালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, সত্যজিৎ রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামসহ দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখা ১০ গুণী ব্যক্তির প্রতিকৃতি আঁকা হয়। পরে দেয়ালসংলগ্ন ফুটপাত পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
প্রতীকী ছবি
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ১৮০ জনের শরীরে। রোববার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা এক হাজার ১৬২। এর মধ্যে, নিশ্চিত হামে ১০৪ ও হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ২৮ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৪২১ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৭ রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৬৯ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঘেরাও যুবশক্তির
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবিতে রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঘেরাও করেছেন যুবশক্তির নেতাকর্মীরা।
আজ রোববার বেলা ১২টার দিকে তারা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান নিয়ে এসব দাবি জানায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তি।
যুবশক্তির পাঁচ দাবির মধ্যে রয়েছে- যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের পদত্যাগ, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি নিশ্চিত করা, নিয়োগে দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম বন্ধ করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত, ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি এবং ভাইভার নম্বর নিয়ে কারসাজি বন্ধ এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও যুব উন্নয়নে সরকারের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা।
যুবশক্তির নেতাকর্মীরা তাদের দাবির পক্ষে ‘প্রশ্নফাঁস বন্ধ করো, মেধার অধিকার নিশ্চিত করো’ স্লোগান দেন। দাবিগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। পরে বেলা পৌনে ১টার দিকে পাঁচ দফা দাবি জানিয়ে তারা ঘেরাও কর্মসূচি শেষ করেন।
জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, গতকাল শনিবার প্রশ্নফাঁসের মধ্য দিয়ে বোঝা যায়, বর্তমান সরকার কিংবা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যুবকদের নিয়ে ভাবছে না। বরং তারা নিয়োগ বাণিজ্য করছে। এত বড় একটি ঘটনার পরও যুব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বরত প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ব্যর্থতায় তার পদত্যাগসহ নিরপেক্ষ তদন্ত দরকার।