যুবলীগের সভাপতি ইমন ভট্র

  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:২৩ এএম

নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন ভট্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৮টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আশ্রম পাড়ার ভট্র কুঠিরের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


ইমন ভট্র একই এলাকার দুঃখ হরণ ভট্রের ছেলে। তিনি ২০২২ সাল থেকে নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি এবং পরে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে ইমন ভট্র আত্মগোপনে চলে যান। গতকাল  মঙ্গলবার সকালে প্রায় দুই বছর পর ঢাকা থেকে অসুস্থ ৯ মাস বয়সী মেয়ে ইচ্ছেকে দেখতে তিনি নিজ বাসায় আসেন। পরে রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।


পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে নোয়াখালী পৌরসভার হোয়াইট হল এলাকায় দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যুবলীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেন। ওই মিছিলে জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন ভট্র অর্থায়ন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর এক দিন পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তার বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যুবলীগের নেতাকর্মীদের মিছিলে অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরও কোনো মামলা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।




  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৬ এএম

কক্সবাজারের মহেশখালীর, বড় মহেশখালীর ফকিরা ঘোনায় ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে চোর সন্দেহে ফয়সাল নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে রাতে পুলিশ প্রহরায় ফয়সালের লাশ দাফন করা হয়েছে। 


স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, ১৫ সেপটেম্বর ভোররাত তিনটার দিকে স্থানীয় কেফায়েত উল্লাহ বাড়ির টাইলস চুরির অভিযোগে ফয়সালকে আটক করে বাড়িতে বেঁধে রেখে সূর্যদোয় পর্যন্ত বেদড়ক মারধর করে।


সকালে বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে বেঁধে ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আলী আকবরের নেতৃত্বে একদল কিশোরের হাতে তুলে দিলে তারা অমানবিক শারীরিক নির্যাতন চালায়। দৃশ্যটি দেখতে জড়োহয় শত শত নারী পুরুষ ও শিশু।


পরে ওই কিশোরদের একটি দল তাকে একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ইউপি সদস্য আকবরের নির্দেশে প্রায় দীর্ঘ ৭ ঘন্টা ধরে তাকে বেদড়ক মারধর ও বুকে পিঠে ইট দিয়ে শারিরিক ভাবে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হয়। ইউপি সদস্য আলীআকবর বলেন, সকাল ১০ টার দিকে সে মারা যায়।


নির্যাতনের একপর্যায়ে ফয়সাল মৃত্যু হলে তাকে মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে মহেশখালী থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।


এরপর পুলিশ  মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। ময়নাতদন্ত শেষে রাত ৯ টায় ফকিরাঘোনায় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।


সচেতন মহলের প্রশ্ন ঘটনাস্থল থেকে মহেশখালী থানার দূরত্ব মাত্র ৩ কিলোমিটার। স্থানীয়রা জানান পুলিশের ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিয়ে এবং সরাসরি পুলিশকে জানানো সত্বে ও পুলিশ ফয়সলকে জীবিত উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েছেন। দিনের আলোতে এত বড় হত্যাকান্ড সংঘটিত হলেও পুলিশ কেন ফয়সালকে বাঁচাতে পারেনি এ দায়কি পুলিশ এড়াতে পারে? এমন প্রশ্ন স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের। তাদের বক্তব্য হচ্ছে ধরে নিলাম ফয়সাল চোর তবুওতো তার বেঁচে থাকার অধিকার আছে। তাকেতো জীবিত অবস্থায় পুলিশের কাছে সোপর্দ করা যেত। 


এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুস সুলতান বলেন, পুলিশ যখনই খবর পেয়েছে ততক্ষণে ফয়সালের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল থেকে তার লাশ গ্রহন করেছে। এতে পুলিশের কোন গাফিলতির সুযোগ নেই। 


স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনম শরাফত উল্লাহ বাবুল বলেন, তার ইউনিয়নের বাদশাহর ছেলে ফয়সাল একজন চোর এটা সত্য তাই বলে তাকে হত্যা করতে হবে এমন কোন কারণ নেই। কেফায়েত উল্লাহ তাকে বাড়িতে কেন বেঁধে রাখবে। কেন আইন হাতে তুলে নেবে। তাকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসতে পারতো বা থানায় সোপর্দ করতে পারতো তা না করে এভাবে নির্যাতন করে হত্যা করবে কেন।


যার বিরুদ্ধে অভিযোগ ৮ নং ওয়ার্ডের  ইউপি সদস্য আলী আকবর বলেন তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ তাই গনপিঠুনিতে সে মারা গেছে। অথচ ঘটনাটি ঘটেছে ৩ নং ওয়ার্ডে। ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাদশাহ মিয়া বলেন, আমি গায়ে জ্বর নিয়ে তিনদিন ধরে বিছানায় শুয়ে আছি আমাকে কেউ একটি বারের জন্য কেউ কিছু বলেননি। দুপুরে আমি যখন বিষয়টি জানতে পারি তখন ফয়সালের লাশ কক্সবাজারে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আমি রাত ৯ টার দিকে তার জানাজায় উপস্থিত ছিলাম। এর বাইরে আমার কিছু জানানেই।


তবে ফয়সাল সত্যিই কোনো চুরির ঘটনায় জড়িত ছিলেন কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। চুরির অভিযোগ থাকলেও কোনো ব্যক্তিকে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে আটকে রাখা, মারধর বা নির্যাতন করার আইনগত অধিকার কারও নেই বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।


স্থানীয়দের অভিযোগ, একজন ব্যক্তিকে ৭ ঘণ্টা ধরে একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করার ঘটনা কোনোভাবেই স্বাভাবিক নয়। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, চৌকিদার ও এলাকার দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নজরে এলে তারা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারতেন বলেও দাবি তাদের।


এদিকে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে যারা সরাসরি মারধর ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত, তাদের পাশাপাশি ঘটনার সময় উপস্থিত থেকে সহযোগিতা বা বাধা না দেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


সচেতন মহলের মতে, চুরি বা অন্য কোনো অপরাধের অভিযোগ থাকলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করাই নিয়ম। সন্দেহের বশে কাউকে গণপিটুনি বা নির্যাতন করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।


এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ফয়সালের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


পুলিশ জানিয়েছে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত গ্রহনের প্রক্রিয়া চলছে।


চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাসিক সভা

  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৩১ এএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এর মাসিক নিষ্পত্তি সংক্রান্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


গতকাল মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এর সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন জাহান। 


উক্ত সভায় অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ অত্র ম্যাজিস্ট্রেসির সকল পর্যায়ের বিজ্ঞ বিচারকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং ১১ টি বিচার আদালতের বিচার কাজে সহায়ক কর্মকর্তা কর্মচারী ও নকল শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ও কোর্টে পুলিশ পরিদর্শক  উপস্থিত ছিলেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আশরাফুল ইসলাম। 


বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সভাপতির বক্তব্যে বলেন, মামলা নিস্পত্তির মাধ্যমে মামলার জট কমিয়ে বিচার কাজ এগিয়ে নেয়া এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য সবার প্রতি আহবান জানান। এসময় নকল শাখা, রেকর্ড শাখা প্রতিটি বিচার আদালতসহ সকল শাখার রেজিস্ট্রার পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে বিচারপ্রার্থীদের হয়রানী করা যাবে না। মামলা দ্রুত নিস্পত্তি করতে সকলে একযোগে কাজ করতে হবে।


রাষ্ট্রপতির ভাই মির্জা ফয়সল

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৩ পিএম

জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ শূন্য আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন। তিনি সদ্য রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হওয়া সাবেক বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মির্জা ফয়সল আমিনের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী তাঁর পক্ষে ফরমটি নেন।


পয়গাম আলী জানান, আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জন্য মির্জা ফয়সল আমিন ছাড়া বিএনপির অন্য কোনো নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি।


নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামীকাল বুধবার সংগ্রহ করা মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হবে। ১৮ সেপ্টেম্বর দলীয় কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সরকার গঠনের পর গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এবং পরে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় সংবিধান অনুযায়ী আসনটি শূন্য হয়।


মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর পয়গাম আলী বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এলাকার মানুষ অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যারকে নির্বাচিত করেছিল। তিনি রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হয়েছে। এলাকার ধারাবাহিক উন্নয়ন বজায় রাখতে এবং রাষ্ট্রপতির অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে তাঁর যোগ্য উত্তরসূরি মির্জা ফয়সল আমিনের কোনো বিকল্প নেই।’


রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ মির্জা ফয়সল আমিন ঠাকুরগাঁও পৌরসভার সাবেক মেয়রের দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির সভাপতির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কমিটিরও গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন।


স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বিশ্বাস, দলীয় সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মানুষ ধানের শীষ প্রতীকেই তাঁদের মতামত পুনর্ব্যক্ত করবেন।


স্বেচ্ছাসেবকদের দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:২৭ পিএম

নোয়াখালীর হাতিয়ায় দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সক্ষমতা বাড়াতে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। এতে চর ঈশ্বর ও চর কিং ইউনিয়ন এবং হাতিয়া পৌরসভার ৩০ জন দুর্যোগ স্বেচ্ছাসেবক অংশ নিচ্ছেন।


আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় হাতিয়ার দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার প্রশিক্ষণ কক্ষে এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়। ইভিসিআর প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত প্রশিক্ষণে দুর্যোগ প্রস্তুতি, আগাম সতর্কবার্তা, আগাম পদক্ষেপ এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।


উদ্বোধনী দিনে হাতিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা, প্রযুক্তির ব্যবহার ও দুর্যোগ-পরবর্তী সরকারি সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন। দ্বিতীয় দিনে অনুসন্ধান ও উদ্ধার, আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির ভূমিকা, নারীর ঝুঁকি এবং স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা হবে।


স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশের সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে নজরুল স্মৃতি সংসদ (এনএসএস) ও পার্টিসিপেটরি রিসার্চ এন্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (প্রান)।


গ্রাম আদালত কার্যক্রমের প্রচার-প্রচারণা নিয়ে সমন্বয় সভা

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:১৩ পিএম

ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম জোরদারে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় সভার আয়োজন করা হয়।


সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক রফিকুল হক। সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক সরদার মোস্তফা শাহীন।


সভায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম, সাধারণ মানুষের কাছে এর সেবা ও সুবিধা পৌঁছে দেওয়া এবং গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর প্রচার-প্রচারণার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।


এসময় জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ছাড়াও শিক্ষক, ইমাম, পুরোহিত, সাংবাদিকসহ স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।


শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সংবর্ধনা

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০২ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সফলতার পেছনে অবদান রাখা শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান সিনিয়র শিক্ষকদের সংবর্ধনা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। প্রধান আলোচক ছিলেন নরসিংদী কাদের মোল্লা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ড. মশিউর রহমান মৃধা।


অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রঞ্জন চন্দ্র দে-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য  রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত  থেকে বক্তব্য  রাখেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাসরিনসহ শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষকরা।


সভায় বক্তারা শিক্ষার্থীদের ফলাফলের মানন্নোয়নের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল ও আন্তরিক ভূমিকা পালনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, নৈতিক শিক্ষা ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।


অনুষ্ঠানে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য বাণিজ্য মন্ত্রনালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, জেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, শিক্ষার আসল কারিগর হলেন শিক্ষকরা। একটি জাতি গঠনে এবং আলোকিত সমাজ নির্মাণে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। তাই শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে হলে সবার আগে শিক্ষকদের কথা শুনতে হবে এবং তাদের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। শিক্ষকরা হলেন পথপ্রদর্শক, তাই ক্লাসে পড়ালেখাকে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও আনন্দময় ও আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। 


তিনি বলেন, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড এ মেরুদণ্ডকে গড়ার একমাত্র কারিগর শিক্ষকরা। আমাদের আজকের মতবিনিময় সভায় হলো শিক্ষাকে  কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায়। তিনি বলেন, শিক্ষকদের ইচ্ছার প্রয়োজন, শিক্ষকরা যদি চাই  ভবিষ্যত প্রজন্ম মানুষ হউক, আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে পারবো।