জিওফ্রে হিন্টন

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:১৭ পিএম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান ও শক্তিশালী হয়ে উঠলে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতির পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে, এমনকি মানবজাতির বিলুপ্তিও ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছেন এআই প্রযুক্তির অন্যতম পথিকৃৎ জিওফ্রি হিন্টন। 


এআইয়ের গডফাদার হিসেবে পরিচিত জিওফ্রি হিন্টনের মতে, নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য এআই প্রযুক্তি তৈরির বিষয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে এখনো কোনো ঐকমত্য তৈরি হয়নি। তাই এখনই অতিবুদ্ধিমান এআই বা অতিমানবীয় বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন এআই তৈরির পথে এগোনো উচিত নয়।


জিওফ্রি হিন্টন কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্ক নিয়ে গবেষণার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এআই প্রযুক্তির বর্তমান বিকাশে তাঁর গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে তাঁকে এআইয়ের গডফাদার বলা হয়। তবে এআইয়ের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রযুক্তির ঝুঁকি নিয়েও বারবার সতর্ক করেছেন তিনি।


অতিবুদ্ধিমান এআই বলতে এমন একধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বোঝানো হয়, যা বুদ্ধিমত্তা ও সক্ষমতার দিক থেকে যেকোনো মানুষ, প্রতিষ্ঠান; এমনকি একটি দেশের সক্ষমতাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। হিন্টনের আশঙ্কা, মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান এআইয়ের ওপর একবার নিয়ন্ত্রণ হারালে সেটিকে আবার নিয়ন্ত্রণে আনা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়তে পারে।


হিন্টনের এই সতর্কবার্তা এমন এক সময়ে এল, যখন যুক্তরাজ্যে অতিবুদ্ধিমান এআইয়ের উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা সংগঠন কন্ট্রোলএআইয়ের সহায়তায় তৈরি ‘ইউকে আর্টিফিশিয়াল সুপারইন্টেলিজেন্স সিকিউরিটি’ নামের বিলটি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উপস্থাপন করবেন লেবার পার্টির সংসদ সদস্য অ্যালেক্স সোবার। কন্ট্রোলএআইয়ের তথ্যমতে, এআইয়ের সুফল কাজে লাগানোর পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকি কমাতে হলে সবচেয়ে শক্তিশালী এআই ব্যবস্থাগুলোর ওপর বাধ্যতামূলক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা প্রয়োজন।


অবশ্য এআই খাতের সবাই এমন কঠোর নিয়ন্ত্রণের পক্ষে নন। ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করে আসছেন। যদিও এআই প্রযুক্তির বিকাশের শুরুর দিকে তিনি এই খাতের ওপর আরও নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন।


সূত্র: ডেইলি মেইল



সর্বশেষ সব খবর

ইতালির ছোট্ট গ্রাম বোলতানা

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৫১ পিএম

ইতালির সার্ডিনিয়া দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত ছোট্ট গ্রাম বোলতানায় নারীদের দীর্ঘায়ু নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। গবেষকদের মতে, গ্রামটির যেসব নারী ৭০ বছর বয়সে পৌঁছান, তাদের ১০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রের নারীদের তুলনায় অনেক বেশি। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত হাঁটাচলা, পারিবারিক বন্ধন এবং শক্তিশালী সামাজিক সম্পর্ক; এই দীর্ঘায়ুর পেছনে সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর এনডিটিভির। 


বোলতানাকে সম্ভাব্য নতুন ‘ব্লু জোন’ হিসেবে বিবেচনা করছেন গবেষকেরা। সাধারণত বিশ্বের যেসব অঞ্চলে মানুষ অস্বাভাবিকভাবে দীর্ঘজীবী হন, সেসব এলাকাকে ব্লু জোন বলা হয়। তবে বোলতানার দীর্ঘায়ুর পেছনের কারণ নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।


গবেষণায় দেখা গেছে, বোলতানার যেসব নারী ৭০ বছর বয়সে পৌঁছান, তাদের প্রায় ১৩.৮ শতাংশের ১০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তুলনায় ইতালির নারীদের ক্ষেত্রে এই হার প্রায় ৩.৫ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নারীদের ক্ষেত্রে ৩.৬ শতাংশ।


অর্থাৎ, ৭০ বছর বয়সে পৌঁছানোর পর বোলতানার নারীদের শতায়ু হওয়ার সম্ভাবনা দেশ দুটির নারীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।


গবেষকেরা আরও জানিয়েছেন, বোলতানার নারীরা ৭০ বছর বয়সে পৌঁছানোর পর গড়ে প্রায় ২১ বছর অতিরিক্ত বেঁচে থাকতে পারেন। ৭০ বছর বয়সের পর প্রত্যাশিত আয়ু এবং ১০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকার সম্ভাবনার বিচারে বিশ্বের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে বোলতানার নারীরা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের আগে রয়েছে হংকংয়ের নারীরা।


কীভাবে পরিচালিত হলো গবেষণা?


প্রায় ২ হাজার ৩০০ মানুষের বসবাস বোলতানা গ্রামে। গবেষকেরা ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বয়স্ক বাসিন্দাদের বেঁচে থাকার হার বিশ্লেষণ করেন। বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হয় ৭০ বছর বয়সে পৌঁছানোর পর মানুষের আয়ুষ্কালের ওপর।


গবেষণাটির অন্যতম সহলেখক এস জে ওলশানস্কি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় শিকাগোর স্কুল অব পাবলিক হেলথের এপিডেমিওলজির ইমেরিটাস অধ্যাপক। গবেষণায় ১৯০০ থেকে ১৯২৫ সালের মধ্যে বোলতানায় জন্ম নেয়া ৩ হাজার ৬০ জন মানুষের মধ্যে ৩৮ জন শতায়ু ব্যক্তির তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে।


দীর্ঘায়ুর পেছনে যেসব কারণ


বোলতানার বাসিন্দারা কেন দীর্ঘজীবী হন, তা গবেষণায় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। তবে তাদের জীবনযাপনের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য গবেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।


১. নিয়মিত হাঁটাচলা ও শারীরিক পরিশ্রম


বোলতানা পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় গ্রামটির রাস্তাঘাট বেশ খাড়া। ফলে দৈনন্দিন চলাফেরার সময় বাসিন্দাদের নিয়মিত হাঁটতে হয়। গাড়ির ওপর নির্ভরশীলতা তুলনামূলক কম হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই তাদের দৈনন্দিন জীবনে শারীরিক সক্রিয়তা বজায় থাকে।


২. স্থানীয় ও স্বাস্থ্যকর খাবার


গ্রামটিতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন খাবার খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জলপাই এবং জলপাই থেকে তৈরি তেল, যাতে হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী অসম্পৃক্ত চর্বি থাকে। খাদ্যাভ্যাসের এই বৈশিষ্ট্য দীর্ঘমেয়াদি সুস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।


৩. ঘনিষ্ঠ পারিবারিক বন্ধন


বোলতানার অনেক বাসিন্দা পরিবারের সদস্যদের কাছাকাছি বসবাস করেন। ফলে বয়স্ক ব্যক্তিরা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে নিয়মিত সহযোগিতা ও যত্ন পাওয়ার সুযোগ পান।


৪. শক্তিশালী সামাজিক সম্পর্ক


গ্রামটির মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সামাজিক যোগাযোগের সম্পর্ক বেশ দৃঢ় বলে গবেষকেরা উল্লেখ করেছেন। তাদের মতে, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা কম থাকা এবং প্রয়োজনের সময় একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর সংস্কৃতি মানসিক সুস্থতা ও বার্ধক্যে ভালো থাকার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।


ওলশানস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, বোলতানায় মানুষ একে অপরের যত্ন নেন এবং দৈনন্দিন চলাচলের বড় অংশই হাঁটার মাধ্যমে সম্পন্ন করেন।  এছাড়া বংশগত বৈশিষ্ট্য বা জিনগত কারণও দীর্ঘায়ুর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করছেন গবেষকেরা।


সার্ডিনিয়ার আগের ব্লু জোন থেকে কেন আলাদা বোলতানা?


সার্ডিনিয়ার একটি অঞ্চল দুই দশকেরও বেশি সময় আগে থেকেই দীর্ঘায়ুর জন্য পরিচিত। সেই অঞ্চলে বিশেষ করে পুরুষদের মধ্যে অস্বাভাবিক দীর্ঘায়ুর প্রবণতা গবেষকদের নজর কেড়েছিল। কিন্তু বোলতানায় দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। এখানে নারীদের দীর্ঘায়ু বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। গবেষকদের মতে, এই পার্থক্যই গ্রামটিকে আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।


তবে গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, বিভিন্ন সময়ে দীর্ঘায়ুর এই প্রবণতার মাত্রায় পার্থক্য দেখা গেছে। তাই বোলতানাকে প্রতিষ্ঠিত ব্লু জোন হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার আগে আরও দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণ ও তথ্য যাচাই প্রয়োজন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৫৪ পিএম

সময় পরিমাপের ধারণায় বড় পরির্বতন এনে ভিয়েনা ও বেইজিংয়ে আলাদাভাবে কাজ করা দুটি বিজ্ঞানী দল বিশ্বের প্রথম দুটি কার্যকর ‘নিউক্লিয়ার ক্লক’ বা পারমাণবিক নিউক্লিয়াসভিত্তিক ঘড়ি তৈরি করেছেন।


গবেষকরা বলছেন, সময় গণনার এই অগ্রগতি ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী ব্যবহারিক প্রয়োগের পাশাপাশি মৌলিক পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণার নতুন দুয়ার উন্মোচন করবে।


১৯৪৯ সালে প্রথম উদ্ভাবিত নির্ভুল ‘অ্যাটমিক ক্লক’ বা পারমাণবিক ঘড়ির পরবর্তী প্রজন্ম হচ্ছে এই দুটি নতুন ডিভাইস।


বুধবার বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ‘নেচার’-এ প্রকাশ পাওয়া আলাদা দুটি গবেষণাপত্রে এ অর্জনের বিবরণ দিয়ে গবেষক দলগুলো বলেছে, প্রচলিত সেরা পারমাণবিক ঘড়িগুলোকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে নতুন দুই নিউক্লিয়ার ঘড়ির। তবে বর্তমানে এগুলো সেই পর্যায়ে পৌঁছায়নি। অনেকের মনে হতে পারে, পরমাণু সংযোজন বা বিভাজন শক্তির ওপর ভিত্তি করে এগুলো তৈরি। ফলে এগুলোর নাম নিউক্লিয়ার ক্লক। তবে একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সঙ্গে আলোর (উচ্চ সক্ষমতার লেজার রশ্মি) মিথস্ক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে সময় গণনা করা হয় বলেই এদের এমন নামকরণ হয়েছে।


এ দুটি নিউক্লিয়ার ঘড়িই ‘থোরিয়াম-২২৯’ নামের বিশেষ এক আইসোটোপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা কঠিন অবস্থার ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড স্ফটিকের মধ্যে আবদ্ধ থাকে।


বেইজিং ঘড়ি তৈরির পেছনের গবেষক দলের নেতৃত্ব দেওয়া ‘সিংহুয়া ইউনিভার্সিটি’র পদার্থবিদ শিকিয়ান ডিং বলেছেন, “দুটি দল সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করেছে ও ভিন্ন পরীক্ষামূলক পদ্ধতির মাধ্যমে প্রায় একই সময়ে কার্যকর থোরিয়াম-২২৯ নিউক্লিয়ার ক্লক তৈরি করতে পেরেছে।”


ভিয়েনা ঘড়ির পেছনের গবেষক দলের নেতৃত্বে থাকা অস্ট্রিয়ার ‘ইউনিভার্সিটি অফ ভিয়েনা’র পদার্থবিদ থরস্টেন শুম বলেছেন, “নিউক্লিয়ার ঘড়ি তৈরি করাটা গত প্রায় ৫০ বছর ধরে পদার্থবিদদের একটা বড় স্বপ্ন ছিল। আমার দল ২০০৮ সাল থেকেই এই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।”


শুম বলেছেন, স্যাটেলাইটভিত্তিক ন্যাভিগেশন, ডেটা ট্রান্সফার সিংক্রোনাইজেশন, সার্ভেয়িং ও মেট্রোলজি বা পরিমাপবিদ্যার মতো ক্ষেত্রগুলোতে নিউক্লিয়ার ঘড়ির ব্যাপক ব্যবহার তিনি দেখতে পাচ্ছেন।


প্রচলিত পারমাণবিক ঘড়িগুলো সিজিয়াম বা স্ট্রনশিয়ামের মতো উপাদান ব্যবহার করে লেজার বা মাইক্রোওয়েভের সাহায্যে পরমাণুর খোলসে থাকা বিভিন্ন ইলেকট্রনকে এক শক্তিস্তর থেকে অন্য শক্তিস্তরে লাফাতে বাধ্য করে সময় পরিমাপ করে।


অন্যদিকে, নতুন নিউক্লিয়ার ঘড়িগুলো লেজার ব্যবহার করে পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকা প্রোটন ও নিউট্রনকে (এই ক্ষেত্রে থোরিয়াম-২২৯) শক্তিস্তরের মধ্যে চলাচল করানোর মাধ্যমে সময় মাপে।


ইলেকট্রন যেখানে থাকে পরমাণুর সেই বাইরের খোলসের চেয়ে এর নিউক্লিয়াস অনেক ছোট হওয়ায়, পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতরের এসব পরিবর্তন ট্র্যাক করা গেলে আরও বেশি নিখুঁত সময় মাপা সম্ভব হবে।


প্রযুক্তির ‘পূর্ণতা’ আনার চেষ্টা


গবেষক শুম বলেছেন, নিউক্লিয়ার ক্লক এখনও এর কাঙ্ক্ষিত কার্যসক্ষমতা থেকে ‘অনেক দূরে’ রয়েছে এবং গবেষকরা এই প্রযুক্তির পূর্ণতা দেওয়ার জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।


“এখানে দারুণ বিষয় হচ্ছে, ভিয়েনা ঘড়ির থোরিয়াম স্ফটিকগুলো কিছুটা ভালো মানের, যাতে উচ্চ ঘনত্ব ও উন্নত অপটিক্যাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। অন্যদিকে, বেইজিং দলের কাছে রয়েছে শক্তিশালী লেজার। এসব উপাদান একত্র করলেই আমরা আরও উন্নত একটি ঘড়ি তৈরি করতে পারব।”


বর্তমানে সেরা প্রচলিত পারমাণবিক ঘড়িগুলো বিলিয়ন বছরে কেবল এক সেকেন্ড ভুল করতে পারে। বৈশ্বিক ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম এবং ইন্টারনেট, সেলুলার ও ফাইবার-অপটিক যোগাযোগের মতো প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এই অতি-নির্ভুলতা গুরুত্বপূর্ণ।


গবেষকরা বলছেন, নিউক্লিয়ার ঘড়িগুলো এক পর্যায়ে আরও নিখুঁতভাবে কাজ করতে পারবে এবং এগুলো কম ওজনের ও কম ভঙ্গুর করে তৈরি করা সম্ভব হবে।


নিউক্লিয়ার ঘড়িগুলো মৌলিক পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণার নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে।


ভিয়েনা দল তাদের ঘড়ি দিয়ে একটি নিখুঁত পদার্থবিদ্যা পরীক্ষা চালিয়ে দেখতে চেয়েছিল যে, ডার্ক ম্যাটারের উপস্থিতি ধরা যায় কি না, যা এখন পর্যন্ত মানুষের চোখের আড়ালে রয়েছে।


তবে সেই পরীক্ষায় ডার্ক ম্যাটারের সন্ধান না মিললেও নিউক্লিয়ার ঘড়িটি সেরা পারমাণবিক ঘড়িগুলোর সমান সক্ষমতা দেখিয়েছে বলে দাবি গবেষক দলটির।


গবেষক শুম বলেছেন, “এটা পদার্থবিদ্যার সম্পূর্ণ নতুন এক জগতের দুয়ার খুলে দিয়েছে।”

সর্বশেষ সব খবর

টিকটক

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:০২ পিএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও দেখার পাশাপাশি পণ্য কেনাকাটার অভিজ্ঞতাও বদলে দিতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে টিকটক। ব্যবহারকারীদের জন্য এআই-চালিত শপিং অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং এক ক্লিকেই পণ্য কেনার সুবিধা চালু করেছে প্ল্যাটফর্মটি। এর ফলে পণ্য খোঁজা থেকে শুরু করে কেনাকাটা পুরো প্রক্রিয়াটিই টিকটকের ভেতরে সম্পন্ন করা যাবে।


টেক ক্রাঞ্চ থেকে জানা যায়, সোমবার (৫ অক্টোবর) নতুন ফিচারগুলোর ঘোষণা দেয় টিকটক। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, শপিং অ্যাসিস্ট্যান্টটি একটি কথোপকথনভিত্তিক এআই এজেন্ট, যা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন ও পছন্দ বুঝে পণ্য খুঁজে দিতে পারবে। একই কথোপকথনের ধারাবাহিকতায় ব্যবহারকারীর চাহিদা মনে রেখে সে অনুযায়ী পরামর্শও দেবে।


কোনো পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে এআই সহকারী পণ্যের বৈশিষ্ট্য, আকার, মজুত, শিপিং বা সরবরাহসংক্রান্ত তথ্য দিতে পারবে। এমনকি পণ্য কেনার প্রক্রিয়াতেও ব্যবহারকারীকে সহায়তা করবে। শুধু পরামর্শ নয়, এবার কেনাকাটার শেষ ধাপটিও সহজ করছে টিকটক। 


নতুন ইন-অ্যাপ চেকআউট সুবিধায় ‘ফর ইউ’ ফিডে কোনো ব্র্যান্ডের পণ্য দেখে ব্যবহারকারী এক ক্লিকেই সেটি কিনতে পারবেন। অর্থাৎ পণ্য কেনার জন্য আলাদা ওয়েবসাইট বা অ্যাপে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।


প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে টিকটক ব্যবহারকারীর পুরো শপিং-যাত্রার আরও বড় অংশ নিজেদের প্ল্যাটফর্মে ধরে রাখতে চাইছে। বিশেষ করে কোনো পণ্য দেখে তাৎক্ষণিক কেনার প্রবণতাকে কাজে লাগাতে এআই সহকারী ও সরাসরি পেমেন্ট সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


নতুন ফিচারগুলো তৈরিতে সেলসফোর্স, শপিফাই, শপলাজা ও স্ট্রাইপসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম ও পেমেন্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছে টিকটক। যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক শপ চালুর পর থেকেই প্ল্যাটফর্মটির ই-কমার্স কার্যক্রম দ্রুত বাড়ছে। 


বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ই-মার্কেটারের হিসাবে, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক শপের বিক্রি প্রায় ১৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা দেশটির মোট সামাজিক বাণিজ্যের প্রায় ১৮ শতাংশ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:০৮ পিএম

সারাদেশে টেলিকম খাতের মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাটারিকে আইপিএস (ইনস্ট্যান্ট পাওয়ার সাপ্লাই) সিস্টেমে রূপান্তরের মাধ্যমে পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করবে ডিজিটাল অবকাঠামো সেবাদাতা ইডটকো বাংলাদেশ ও টাইগার লিথিয়াম এনার্জি। 


অংশীজন বলছেন, পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা, সার্কুলার অর্থনীতির চর্চা ও সামাজিক ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যেই এমন উদ্যোগের অংশ হওয়া।


ইডটকোর ফ্ল্যাগশিপ করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচি টাওয়ার টু পাওয়ার প্রকল্পের অধীনে টেলিকম খাতে ব্যবহৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাটারি থেকে কারিগরি কার্যক্ষম সেল পুনরুদ্ধার করে সেসবকে নির্ভরযোগ্য ব্যাকআপ বিদ্যুৎ সমাধানে রূপান্তর করা করা হবে। এসব ব্যাকআপ পাওয়ার সিস্টেম দেশের নির্বাচিত গ্রামীণ স্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত স্থানে স্থাপন করা হবে।


এতে শিক্ষা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কমিউনিটির কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়নে এমন উদ্যোগ সহায়ক হবে। ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ বলেন, টেকসই উন্নয়ন মানে শুধু পরিবেশ সংরক্ষণ নয়; বরং মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। টাওয়ার টু পাওয়ার এই অংশীজন উদ্যোগে মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যবহৃত টেলিকম ব্যাটারিকে পুনরায় কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করবে।


এর ফলে একদিকে যেমন ইলেকট্রনিক বর্জ্য কমবে, অন্যদিকে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলের মানুষ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যাকআপ বিদ্যুতের পরিষেবা পাবে। দায়িত্বশীল উদ্ভাবন কীভাবে সমাজের বাস্তব চাহিদা পূরণ করে অর্থবহ পরিবর্তন আনতে পারে, এই উদ্যোগ হবে তারই প্রতিফলন।


বিষয় :

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:০৬ পিএম

সারাবিশ্বে যেমন হাজারো অ্যাপের ছড়াছড়ি, তেমনই বাড়ছে ঝুঁকির ব্যাপকতা। সামাজিক মাধ্যমে অনেকের অজান্তে প্রতারণার জাল বুনে চলেছে অপচক্র। আর এ চক্রের অন্যতম কৌশল হয়ে উঠেছে ডক্সিং। প্রথম দিকে একে সাধারণভাবে বিবেচনা করা হতো। এখন এ কৌশলকে হালকা করে দেখার আর অবকাশ নেই। নতুন ধারার এই কৌশলে সামাজিক মাধ্যমে অনেকের তথ্য বাগিয়ে নেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় আর্থিক জালিয়াতি। অবশেষে তা ব্ল্যাকমেইল বা মানসিক হেনস্তার পথে চলে যায়।


কী এই কৌশল


ড্রপিং ডক্স কথা থেকেই ডক্সিং শব্দের আগমন। হ্যাকার চক্রের পরিভাষায় ডক্স বা বিশেষ নথি জনসমক্ষে প্রকাশ করাকে কেন্দ্র করে গত শতকের নব্বই দশকে এর গোড়াপত্তন হয়। প্রধানত যে কারও অনুমতি না নিয়ে তার স্মর্শকাতর, গোপন ও জরুরি তথ্য ইন্টারনেটে সামনে এনে উন্মুক্ত করাকে বলা হয় ডক্সিং।


সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক আগে ইন্টারনেটে বেনামে থাকা প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যাকার চক্রের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ করতে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হতো। তবে চলতি সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষত ফেসবুক বা এক্স (আগের টুইটার) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাধারণ ব্যবহারকারী এদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষত, ডক্সিং পদ্ধতিতে প্রতিদিনই নতুন ও আলাদা কৌশল তৈরি করে সাইবার জালিয়াত চক্র।


অপচক্র বিশেষ কিছু কৌশলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর কোনো টার্গেটের ব্যক্তিগত তথ্য বাগিয়ে নেয়। পরে তার গতিবিধি অনুসরণ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষ নজরদারি, ফিশিং লিঙ্ক, সাইবার স্টকিং, আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাকিং, ডোমেইনের হু-ইজ সার্চ ও ডেটা ব্রোকারের সহায়তায় অনেকের কয়েকটি জরুরি তথ্য নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।


এ পদ্ধতি অনুসরণ করে সাধারণত অনেক ধরনের তথ্য নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এর মধ্যে ব্যক্তির ফোন নম্বর ও বাড়ির ঠিকানা অন্যতম। এ দুটি তথ্য জানার পর অবিরাম হয়রানিমূলক ডেলিভারি, স্প্যাম কল, হুমকি কিংবা সশরীর গিয়ে বিচলিত করার ঘটনাও ঢের ঘটেছে।


বিশেষ করে ব্যাংক ও ক্রেডিট কার্ডের তথ্যাদি থেকে, যেমন– ওটিপি কপি, অনুমোদন নেই এমন কেনাবেচা বা আর্থিক ক্ষতি করার পাঁয়তারা করা হয়। এতে অপচক্র সফল হয় বলেই এটি থামানো প্রায় অসম্ভব। থাকতে হবে সতর্ক।


সবার মৌলিক অধিকার


বিশ্বের অনেক দেশে ডক্সিং শব্দের বিরুদ্ধে এখনও আলাদা সুনির্দিষ্ট কোনো আইনের চর্চা হয় না। তবে তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও ন্যায় সংহিতার বেশ কিছু ধারায় এ চর্চার বিরুদ্ধে প্রতিকারের সুযোগ রয়েছে বহু দেশে। অনেক দেশে এ ধরনের মামলায় আদালত বলেছেন, ডক্সিং পদ্ধতির সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা অনেক দেশের আইনে না থাকলেও এটি সবকটি দেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত তথ্য সুরক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে।


যত্রতত্র ছড়ানো পরিচয়পত্র


অনেক কারণে অজ্ঞাতে সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর, যেমন– আইডেন্টিটি থেফটের মাধ্যমে ফেক ঋণ নেওয়া বা ট্যাক্স জালিয়াতির মতো অনেক ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এমনটা ঘটেছে বিশ্বের বহু দেশে। ব্যক্তিগত ছবি ও বার্তা যেমন স্পর্শকাতর, তেমনি  জীবনের সঙ্গে জড়িত তথ্য ছড়ানোর ভীতি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল বা অপতথ্য ছড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে শত্রুতা, মতভেদ, বিরোধ কিংবা আর্থিক হয়রানির উদ্দেশ্য পূরণে দুর্বল সোশ্যাল মিডিয়াকে লক্ষ্য করা হয়।


কঠোর প্রাইভেসি সেটিংস


সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিপদ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সচেতনতাই প্রধান রক্ষাকবচ। এ ছাড়া সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফোন নম্বর, বাড়ির সঠিক অবস্থান বা রিয়েল টাইম লোকেশন শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সব ধরনের, বিশেষ করে অনলাইনে আর্থিক অ্যাকাউন্টের প্রাইভেসি সেটিংস কঠোর রাখা ও টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন সক্রিয় করা আবশ্যক। অজ্ঞাত ইমেইল বা অ্যাপের চ্যাটবক্সে আসা মেসেজের অজানা লিঙ্কে ক্লিক না করাই শ্রেয়। ডক্সিং বা ব্ল্যাকমেইলে আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত না হয়ে প্রমাণ হিসেবে স্ক্রিনশট বা লিঙ্ক সংরক্ষণ করে অনতিবিলম্বে স্থানীয় সাইবার সেল বা কেন্দ্রীয় সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ জানাতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিষয় :

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৩৪ এএম

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন সুবিধা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। সুবিধাটি চালু হলে হোয়াটসঅ্যাপে অন্য প্রতিষ্ঠানের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এজেন্ট ব্যবহার করা যাবে। এসব এআই এজেন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করার পাশাপাশি কাজের তালিকা, বার্তার খসড়া এবং প্রতিদিনের কাজের পরিকল্পনাও তৈরি করা সম্ভব হবে।       


হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস থেকেই তৃতীয় পক্ষের তৈরি এআই এজেন্ট ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যাবে। প্রতিটি এজেন্টের জন্য আলাদা নাম ও প্রোফাইল ছবি নির্ধারণ করা যাবে। এ জন্য এআই এজেন্ট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে হোয়াটসঅ্যাপ একটি এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) ‘কি’ দেবে। ওই কি ব্যবহার করে এজেন্টকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত সেবার সঙ্গে যুক্ত করা যাবে।


তবে এসব এআই এজেন্টের সঙ্গে হওয়া কথোপকথন সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের মতো এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের আওতায় থাকবে না। কারণ, এজেন্টগুলো পরিচালনা করবে তৃতীয় পক্ষের প্রতিষ্ঠান। হোয়াটসঅ্যাপ মূলত বার্তা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করবে। ফলে এআই এজেন্টের সঙ্গে শেয়ার করা তথ্য সাধারণ ব্যক্তিগত চ্যাটের মতো একই মাত্রার নিরাপত্তা পাবে না।


নতুন সুবিধা চালু হলে একজন ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ পাঁচটি এআই এজেন্ট ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এজেন্টগুলো ব্যবহারকারীর পুরো হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে প্রবেশের সুযোগ পাবে না। ব্যবহারকারী যেসব বার্তা বা কনটেন্ট সরাসরি এআই এজেন্টের সঙ্গে শেয়ার করবেন, শুধু সেগুলোই এজেন্ট পড়তে পারবে। অর্থাৎ ব্যক্তিগত চ্যাট, পরিচিত ব্যক্তিদের ফোন নম্বর কিংবা ফোনে থাকা ছবি, ভিডিওসহ অন্যান্য মিডিয়া ফাইল দেখার সুযোগ থাকবে না এআই এজেন্টগুলোর। 

সর্বশেষ সব খবর