প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৪৭ পিএম

বহুল ব্যবহৃত গুগল প্লে-স্টোরে ক্রোমের নাম ও লোগো নকল করে ফেক অ্যাপ শনাক্ত হয়েছে। লক্ষাধিক ডাউনলোড দেখানো এই অ্যাপ আদতে বিভ্রান্ত করে লাখের বেশি ডাউনলোড হওয়ার কারণে। স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য গুগল ক্রোম সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রাউজার। কিন্তু এই ব্রাউজারের নাম ও লোগো নকল করে গুগল প্লে-স্টোরে ফেক এক অ্যাপ দৃশ্যমান হয়। এসব তথ্য দিয়েছে গুগল।


শুধু তাই নয়, ওই অ্যাপটি লক্ষাধিক আগ্রহী ডাউনলোড করেছেন। এমনকি প্লে-স্টোরে সার্চ করলে বিজ্ঞাপনেও অ্যাপটি আসল ক্রোমের ওপরে দৃশ্যমান হয়েছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর গুগল অ্যাপটি সরিয়ে দিয়েছে বলে খবরে প্রকাশ।


কদিন আগে এক রেডিট গ্রাহক গুগল প্লে-স্টোরের পাশেই দুটি দেখতে একই রকম ক্রোম অ্যাপের ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেন। ওপরে থাকা অ্যাপটি ছিল আদতে ফেক। সেখানে প্রকাশকের নাম ছিল হিজবার্টেক। অন্যদিকে, প্রকৃত গুগল ক্রোম অ্যাপের প্রকাশক সংস্থার এলএলসি বিভাগ। শনাক্ত ফেক অ্যাপে ক্রোমের লোগো, নাম ও ছবি সবকিছু নকল করা হয়। এর কারণ, সাধারণ গ্রাহক যেন সহজে বিভ্রান্ত হন। অনেকে বিজ্ঞাপন বা অনেক বেশি ডাউনলোড হয়েছে– এমনটি বিবেচনা করে এই অ্যাপকে আসল বলে ধারণা করেন। এটিই ছিল ফেক অ্যাপ নির্মাতার উদ্দেশ্য।


অ্যাপটি প্রথমে ক্রোম হিসেবে সামনে আসেনি। চলতি বছরের আগস্টে প্রথম এটি বল বাউন্স নামে আরেকটি মোবাইল গেম হিসেবে প্লে স্টোরে দৃশ্যমান হয়। পরে সেপ্টেম্বরের শেষে এর ছবি, নাম ও বিবরণ বদলে ক্রোমের মতো করা হয়।

যে কোনো অ্যাপের লাখের বেশি ডাউনলোড হওয়ার মানে এটি নয়, অনেকে শুধু ফেক ক্রোম ইনস্টল করেছিলেন। গেম হিসেবে থাকার সময়ের ডাউনলোড হওয়ার সংখ্যাও এর মধ্যে ছিল। এই অ্যাপে ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অ্যাপটি ব্রাউজারের বদলে বিশেষ চ্যাট পরিষেবার কথা বলেছে।


প্রকৃত ক্রোম অ্যাপের নিচের অংশে গুগল ‘এলএলসি’ মার্ক রয়েছে কিনা, তা অবশ্যই দেখে নিতে হবে। নাম, লোগো বা ডাউনলোডের সংখ্যা বিবেচনা করে যে কোনো অ্যাপে বিশ্বাস করার সুযোগ নেই। প্লে স্টোরে পৃষ্ঠপোষক বিজ্ঞাপন থাকার পরও সেটি নিরাপদ হবে– এমন নিশ্চয়তা নেই।


এরই মধ্যে ফেক অ্যাপটি ফোনে ঢুকে থাকলে দ্রুত তা আনইনস্টল করতে হবে। এরপর গুগল প্লে স্টোরের প্লে-প্রটেক্ট বিভাগে গিয়ে ফোন স্ক্যান করতে হবে। নতুন অ্যাপ ডাউনলোডের আগে প্রকাশকের নাম ও বিবরণ ঠিকঠাক যাচাই করতে হবে। সামান্য সতর্কতাই ফেক অ্যাপের ফাঁদ থেকে দিতে পারে সুরক্ষা।




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:১২ পিএম

দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে শৃঙ্খলা ফেরাতে, অবৈধ ও চোরাই হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ব্যবস্থা চালু হবে।


সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিটিআরসির কমিশন সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হ্যান্ডসেট ট্র্যাকিংয়ের এই ব্যবস্থাটি পুরোপুরি কার্যকরে এটি হবে বিটিআরসির তৃতীয় উদ্যোগ। এর আগে ২০২১ সালে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছিল।


বিটিআরসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ধাপে এনইআইআরের মূল সুবিধাগুলো চালু হবে।


এতে অবৈধ ফোন শনাক্ত করে সেগুলোর ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের সুযোগ তৈরি হবে। তবে একই আইএমইআই নম্বর একাধিক ফোনে ব্যবহার করে চালানো ক্লোন সেট বন্ধ হবে না এই ধাপে। দ্বিতীয় ধাপে ফোনের নিবন্ধন বাতিল বা ডি-রেজিস্ট্রেশন সুবিধা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ফোনের প্রকৃত মালিক শনাক্ত এবং মালিকানা পরিবর্তনের তথ্য হালনাগাদ সহজ হবে।


এ ধাপের জন্য এখনো নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক হয়নি।


প্রধানমন্ত্রীর টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ গণমাধ্যমকে জানান, আমরা অবৈধ ফোনের ব্যবহার বন্ধ করতে চাই। তবে তাড়াহুড়া করব না। সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে কার্যকর একটা সমাধান বের করা হবে, যাতে বরাবরের মতো এই উদ্যোগ ব্যর্থ না হয়।


নতুন মোবাইল ফোন কেনার আগে বৈধতা যাচাই


বিটিআরসি জানিয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর থেকে যেকোনো মাধ্যম থেকে (বিক্রয়কেন্দ্র, অনলাইন বিক্রয়কেন্দ্র, ই-কমার্স সাইট ইত্যাদি) মোবাইল ফোন কেনার আগে অবশ্যই তার বৈধতা যাচাই করতে হবে। এর পাশাপাশি মোবাইল ফোন কেনার রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে। মোবাইল ফোন বৈধ হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এনইআইআর ব্যবস্থায় নিবন্ধিত হয়ে যাবে।


যেভাবে জানবেন মোবাইল ফোনটি বৈধ কি না


ধাপ-১ : মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD<space> ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখুন। উদাহরণস্বরূপ KYD 123456789012345।


ধাপ-২ : আইএমইআই নম্বরটি লেখার পর ১৬০০২ নম্বরে পাঠিয়ে দিন।


ধাপ-৩ : ফিরতি বার্তার মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।

বিষয় :


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:১৮ পিএম

বাংলাদেশের তারুণ্যের চাহিদা পূরণে নতুন মডেলের অলরাউন্ড ডিউরেবল সি-সিরিজের স্মার্টফোন উন্মোচন করা হয়েছে। নতুন সি১০০ মডেলের নির্মাতা রিয়েলমি। জানা গেছে, মডেলে রয়েছে আট হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের টাইটান ব্যাটারি, ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং, ১০ ওয়াট রিভার্স চার্জিং ও সাত বছরের ব্যাটারি হেলথ প্রতিশ্রুতি। 


দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ নিশ্চিত করবে এআই-পাওয়ার্ড অপ্টিমাইজেশন। মডেলটি পূর্ণ চার্জে প্রায় দুদিন সক্রিয় থাকা ছাড়াও ১১ ঘণ্টার বেশি অনলাইন গেমিং (ফ্রি ফায়ার, মোবাইল লিজেন্ডস ব্যাং ব্যাং), ২৪ ঘণ্টার বেশি অনলাইন স্ট্রিমিং, ২০ ঘণ্টার বেশি অনলাইন নেভিগেশন ও ৪০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কাজ করতে সক্ষম। মিলিটারি-গ্রেড শক রেজিস্ট্যান্স ও আর্মরশেল প্রটেকশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। 


আইপি৬৯ প্রো প্রযুক্তি, দুই মিটার ড্রপ রেজিস্ট্যান্স ও ছয় মিটার ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এসব ডিভাইসের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। যার মাধ্যমে পকেট থেকে ফোন বের করার সময় বা ছবি তোলার সময় সুইমিংপুলে ফোন পড়ে যাওয়ার মতো কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে ডিভাইসের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। রয়েছে ৮-কোর চিপসেট। 


কনটেন্ট তৈরি ও ফটোগ্রাফির জন্য সহায়ক হবে ৫০ মেগাপিক্সেল রেয়ার ক্যামেরা ও ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। ফ্রন্ট ও রেয়ার– দুই ক্ষেত্রে ক্যামেরাই ডুয়েল ভিডিও শুটিং করা যাবে। স্মুথ স্ক্রলিং নিশ্চিতে কাজ করবে ৯০ শতাংশ স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও, ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট ও ৬.৮ ইঞ্চির এইচডি+ ডিসপ্লে। রঙের বৈচিত্র্য দেবে ভিক্টরি পার্পেল, গ্লোরি হোয়াইট ও এনড্যুরেন্স ব্রাউন। মডেলের দুটি স্টোরেজ রয়েছে। ১২৮ জিবি র‌্যামের সঙ্গে মিলবে ৬ ও ৮ জিবি র‌্যাম। 

বিষয় :


  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:১৬ পিএম

ভিডিওর ভয়েস ওভার তৈরি, বিভিন্ন কনটেন্টে কণ্ঠ যোগ করা কিংবা যেকোনো লিখিত বক্তব্য অডিওতে রূপান্তর করতে এখন আর নিজের কণ্ঠে রেকর্ড করার প্রয়োজন নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে লিখিত টেক্সট থেকেই এখন হুবহু মানুষের মতো কণ্ঠ তৈরি করা সম্ভব। এ জন্য ব্যবহার করতে পারেন ElevenLabs: AI Voice Generator অ্যাপটি। স্মার্টফোনে কয়েকটি সহজ ধাপ অনুসরণ করেই লিখিত কনটেন্ট থেকে নিখুঁত অডিও তৈরি করা যায়।


​যেভাবে তৈরি করবেন এআই ভয়েস


​ধাপ ১: অ্যাপ ইনস্টল করুন


প্রথমে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গুগল প্লে স্টোর খুলুন। সার্চ বারে ‘ElevenLabs: AI Voice Generator’ লিখে অ্যাপটি খুঁজে ইনস্টল করে নিন। ইনস্টল সম্পন্ন হলে অ্যাপটি চালু করুন এবং প্রয়োজনীয় পারমিশন চাইলে তা দিন।


​ধাপ ২: টেক্সট টু স্পিচ অপশনে যান


অ্যাপে প্রবেশ করার পর ‘Text to Speech’ (টেক্সট টু স্পিচ) অপশনটি নির্বাচন করুন। এই ফিচারটির মাধ্যমেই মূলত লিখিত লেখা থেকে ভয়েস বা কণ্ঠ তৈরি করা হয়।


​ধাপ ৩: ভয়েস মডেল নির্বাচন করুন


‘Text to Speech’ পেজের নিচের দিকে বামপাশে একটি সেটিংস (গিয়ার/চাবি) আইকন দেখতে পাবেন, সেটিতে ক্লিক করুন। এরপর ‘মডেল’ অপশন থেকে যদি আগে থেকেই ‘v2’ বা ‘v2.5’ নির্বাচিত থাকে, তবে তা পরিবর্তন করে ‘v3’ (বা অ্যাপের সর্বাধুনিক মডেল) বেছে নিন। নির্বাচন শেষে নিচে থাকা ‘এপ্লাই’ বাটনে ক্লিক করে সেটিংস সেভ করুন।


​ধাপ ৪: পছন্দের ভয়েস বা কণ্ঠ নির্বাচন করুন


এবার পূর্বের পেজে ফিরে এসে ভয়েস নির্বাচন অপশনে ক্লিক করুন। সার্চ বারে ইংরেজিতে ‘Bunty’ লিখে সার্চ করুন। সার্চ রেজাল্টে ‘Bunty Punchy’ অপশনটি এলে সেটি সিলেক্ট করুন এবং নিচে থাকা ‘সিলেক্ট ভয়েস’ বাটনে চাপ দিন। এতে আপনার কাঙ্ক্ষিত ভয়েসটি সেট হয়ে যাবে।


​ধাপ ৫: টেক্সট ইনপুট দিন


যে লেখাটিকে অডিওতে রূপান্তর করতে চান, সেটি নির্দিষ্ট টেক্সট বক্সে লিখুন অথবা আগে থেকে লেখা থাকলে কপি করে পেস্ট করে দিন। লেখা সম্পন্ন হলে ভয়েস জেনারেট বা তৈরি করার বাটনে ক্লিক করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। প্রক্রিয়াটি শেষ হলে তৈরি হওয়া অডিও প্লে করে শুনে নিন।


​ধাপ ৬: অডিও ফাইলটি ডাউনলোড করুন


জেনারেট হওয়া ভয়েস পছন্দ হলে স্ক্রিনে থাকা ‘ডাউনলোড’ আইকনে ক্লিক করুন। প্রয়োজন অনুযায়ী অডিও বা ভিডিও ফরম্যাট নির্বাচন করে ফাইলটি আপনার ফোনে সেভ করে নিন। পরবর্তীতে এটি যেকোনো ভিডিও এডিটিং বা কনটেন্ট তৈরিতে ব্যবহার করতে পারবেন।​অ্যাপের সংস্করণ পরিবর্তনের কারণে এসব অপশনের নাম বা অবস্থানে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে। এছাড়া ফ্রি বা প্রিমিয়াম অ্যাকাউন্টের ওপর ভিত্তি করে ভয়েস জেনারেট ও ডাউনলোডের দৈনিক সীমার কিছুটা তারতম্য হতে পারে।

বিষয় :


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:১৭ এএম

নিবন্ধিত ব্যবহারকারী নন এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের পরিধি আরও সহজ করতে নতুন ফিচার আনছে হোয়াটসঅ্যাপ।


মেটা মালিকানাধীন এ যোগাযোগ মাধ্যমটি ‘গেস্ট কলিং’ নামের নতুন ফিচার যোগের ঘোষণা দিয়েছে, যার ফলে হোয়াটসঅ্যাপে অ্যাকাউন্ট না থাকলেও যে কেউ ভয়েস বা ভিডিও কলে যোগ দিতে পারবেন।


হোয়াটসঅ্যাপের ‘গেস্ট কলিং’ সুবিধাটি অ্যাপলের ফেইসটাইমে অ্যাপল অ্যাকাউন্ট বা ডিভাইস ছাড়া যোগ দেওয়ার ফিচারের মতোই কাজ করবে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট।


নিয়মিত ব্যবহারকারীদের সব সুবিধা অতিথিরা পাবেন না, কিছু বিধিনিষেধ থাকবে। যেমন, গেস্ট হিসেবে কেউ নিজে থেকে কোনো কল শুরু করতে পারবেন না, কেবল অন্যদের পাঠানো আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে কলে যুক্ত হতে পারবেন। এ ছাড়া, কলে যোগ দেওয়ার আগে যিনি কল শুরু করেছেন বা হোস্ট, তাকে অতিথিকে যোগ দেওয়ার অনুমোদন দিতে হবে।


গেস্ট হিসেবে যোগ দেওয়া ব্যক্তি কলে থাকা অন্য ব্যবহারকারীদের ফোন নম্বর দেখতে, কোনো বার্তা বা মেসেজ পাঠাতে ও নতুন কোনো সদস্যকেও কলে যোগ করতে পারবেন না। তবে তারা যে কোনো ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে দ্বিপাক্ষিক বা গ্রুপ কলে যোগ দিতে পারবেন। অনুমতি মেলার পর স্ক্রিন শেয়ারিং, হাত তোলা ও থাম্বস আপ বা হার্ট ইমোজি ব্যবহারের মতো প্রয়োজনীয় টুলগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।


পাশাপাশি, গেস্টদের কলে যোগ থাকার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা থাকবে না।


মেটা বলেছে, কলিং সুবিধাকে আরও সহজ করার লক্ষ্যে শিগগিরই তারা নতুন প্লাগইন চালুর পরিকল্পনা করছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর নিজস্ব ক্যালেন্ডার সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপের সঙ্গে যোগ করা যাবে।


‘এ বছরের শেষদিকে’ ফিচারটি চালু হলে গুগল বা আউটলুক ক্যালেন্ডারের মাধ্যমে সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ কল করার সুবিধা মিলবে।


বছর জুড়ে একের পর এক নতুন নতুন ফিচারের আপডেট নিয়ে এসেছে হোয়াটসঅ্যাপ। এর মধ্যে বেশিরভাগ সুবিধাই প্ল্যাটফর্মটিকে আরও সহজলভ্য, নিরাপদ ও ব্যবসায়িক ব্যবহারের লক্ষ্যে করেছে মেটা।


ইউজারনেইম বা ব্যবহারকারীর নাম যোগের সুবিধার ফলে ফোন নম্বর গোপন রেখেই যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।


অন্যদিকে, ২০২৬ সালের অন্যান্য সাম্প্রতিক সংযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে এনক্রিপ্টেড ওয়েব কলিং ও আইপ্যাড থেকে সরাসরি অ্যাকাউন্ট খোলার মতো ফিচার।


এ ছাড়া, আগে থেকেই মেসেজ সিডিউল বা বার্তা পাঠানোর সময় নির্ধারণ করে রাখার মতো বহুমুখী সুবিধাও দ্রুত যোগ দিতে পারে বলে আভাস মিলছে।


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:২৫ এএম

প্রিয়জনের স্বজন হারানোর বেদনা কেবল গভীর এক মানসিক শোকই বয়ে আনে না, সেইসঙ্গে রেখে যায় প্রশাসনিক কাজের বড় চাপ– ঘরবাড়ি বিক্রি, মোবাইল বিল বাতিল বা রেখে যাওয়া আসবাবপত্র ও জিনিসপত্রের সুরাহা করা। প্রযুক্তির এই যুগে মানুষ যেভাবে অনলাইনকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে, তার মৃত্যুর পর রেখে যাওয়া স্মৃতি ও তথ্যগুলোও এখন বেশি ডিজিটাল হয়ে পড়ছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট।


এমন পরিস্থিতিতে জীবনের এ অনিবার্য সত্যের মুখে পড়ার আগে গুগল ও অ্যাপল অ্যাকাউন্টের বিষয়ে কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত? আর প্রিয়জনের মৃত্যুর পর তাদের অ্যাকাউন্টের তথ্যগুলো কীভাবে সামলানো সম্ভব?


মৃত্যুর পর কারো ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টগুলোর পরিণতি কী হবে তা নির্ভর করে জীবিত অবস্থায় সেই ব্যক্তি কোনো আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন কি না তার ওপর।


প্রযুক্তি খাতের অধিকাংশ মূল প্ল্যাটফর্মেই এখন মানুষের ‘ডিজিটাল উত্তরাধিকার’ বা ডিজিটাল লিগ্যাসি ব্যবস্থাপনার সুযোগ রয়েছে। তবে এসব সুবিধা পেতে হলে মৃত্যুর আগেই সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্বস্ত কোনো প্রতিনিধিকে তথ্যে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে যেতে হয়।


জীবিত অবস্থায় আগাম সিদ্ধান্ত নেওয়া না থাকলে সেই অ্যাকাউন্টের ভাগ্য পুরোপুরি নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব নীতিমালার ওপর, যা গুগল ও অ্যাপলের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আলাদা।


নিজের ডিজিটাল অ্যাকাউন্টের আগাম সুরাহা করতে বা সম্প্রতি প্রিয়জন হারিয়ে তাদের অ্যাকাউন্ট নিয়ে করণীয় ঠিক করতে এসব নিয়মগুলো জেনে রাখা জরুরি।


মৃত্যুর পর গুগল অ্যাকাউন্টের কী হয়?


এককথায় বললে, জীবিত অবস্থায় কোনো আগাম পরিকল্পনা বা সেটিং পরিবর্তন করে না গেলে মৃত্যুর পরও গুগল অ্যাকাউন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিছুই হবে না। তবে গুগল এখন ব্যবহারকারীদের ডিজিটাল উত্তরাধিকার সামলানোর কাজটি সহজ করে দিয়েছে।


মৃত্যুর পর বা দীর্ঘমেয়াদে অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে তা কীভাবে সামলানো হবে এটা নির্দিষ্ট করে দিতে ২০১৩ সালেই ‘ইনঅ্যাক্টিভ অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার’ নামে একটি বিশেষ ফিচার চালু করেছে গুগল।


এই সেবার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন, টানা তিন, ছয় বা ১২ মাস অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় থাকলে তা থেকে সব তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলা হবে কি না। এ ছাড়া ব্যবহারকারীরা চাইলে তাদের সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, যেমন ইমেইল বার্তা, কন্টাক্ট লিস্ট, ইউটিউব চ্যানেলসহ অন্যান্য তথ্য সর্বোচ্চ ১০ জন বিশ্বস্ত ব্যক্তির কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার অনুরোধও আগে থেকেই নিশ্চিত করে যেতে পারেন।


গুগলের নতুন ফিচারটি চালুর সময় কোম্পানিটির তৎকালীন প্রোডাক্ট ম্যানেজার আন্দ্রেয়াস টুয়ার্ক বলেছিলেন, “আমরা আশা করছি, নতুন সুবিধাটি ব্যবহারকারীদের নিজস্ব প্রাইভেসি ও নিরাপত্তা ধরে রেখেই মৃত্যুর পরবর্তী তথ্য ব্যবস্থাপনার আগাম পরিকল্পনা করতে সাহায্য করবে।”


ব্যবহারকারী যদি আগে থেকে ‘ইনঅ্যাক্টিভ অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার’ সেটিং চালু করে না রাখেন তবে দীর্ঘ দিন ব্যবহারহীন থাকার কারণে গুগল তার অ্যাকাউন্টটি পুরোপুরি মুছে দিতে পারে।


নীতিগতভাবে, টানা ন্যূনতম দুই বছর কোনো সক্রিয়তা না থাকলে গুগলের সিস্টেম অ্যাকাউন্টটি মুছে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করে।


অ্যাকাউন্টে সাইন-ইন করা, জিমেইল অ্যাপ ব্যবহার বা গুগলের যে কোনো সেবা ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে অ্যাকাউন্টটি সক্রিয় আছে কি না তা নির্ধারণ করে গুগল। কোনো ব্যক্তি যদি জীবিত অবস্থায় ‘ইনঅ্যাক্টিভ অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার’ প্রস্তুত করে না যান সে ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার পরিবারের সদস্যরা সরাসরি গুগলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।


এর মাধ্যমে দুই বছরের স্ট্যান্ডার্ড নিষ্ক্রিয়তার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়ার অনুরোধ জানানো সম্ভব। এ প্রক্রিয়ায় অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করা গেলেও পরিবারের সদস্যরা সেই অ্যাকাউন্টের ভেতরের কোনো ডেটা বা তথ্যের নাগাল পাবেন না।


মৃত্যুর পর অ্যাপল অ্যাকাউন্টের কী হয়?


গুগলের মতোই অ্যাপলেরও ব্যবহারকারীদের মৃত্যু পরবর্তী অ্যাকাউন্ট ও ডিজিটাল জীবন সামলানোর সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এ সুবিধা পেতে হলেও জীবিত অবস্থায় কিছুটা দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়ে আগাম প্রস্তুতি নিতে হয়।


অ্যাপলের নিয়মে একজন ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ পাঁচজন ব্যক্তিকে ‘লিগ্যাসি কন্টাক্ট’ হিসেবে মনোনীত করে যেতে পারেন। ব্যবহারকারীর মৃত্যুর পর মনোনীত ব্যক্তিরা তার আইক্লাউড ডেটা ও যোগ থাকা ডিভাইসগুলোতে প্রবেশাধিকারের আইনি অধিকার পান।


অ্যাপল অ্যাকাউন্ট সেটিংসের মাধ্যমে ‘লিগ্যাসি কন্টাক্ট’ নির্বাচন করা যায়। নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গেই বিশেষ ‘অ্যাক্সেস কি’ তৈরি হয়, যা ব্যবহারকারীর মৃত্যুর পর সেই প্রতিনিধির কাজে লাগে।


ব্যবহারকারীর মৃত্যুর পর মনোনীত প্রতিনিধি সেই ‘অ্যাক্সেস কি’ জমা দিয়ে ছবি, বার্তা বা মেসেজ, নোটস, ফাইল ও ডিভাইসের ব্যাকআপের মতো ব্যক্তিগত ডেটা ব্যবহারের সুযোগ পান।


এসব তথ্যাবলি পাওয়ার জন্য আইনি প্রমাণ হিসেবে অ্যাপল কর্তৃপক্ষের কাছে মৃত ব্যক্তির মৃত্যুসনদ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।


প্রতিনিধি ব্যক্তি মৃত্যুসনদ ও ‘অ্যাক্সেস কি’ জমা দিলে অ্যাপল তাকে আইক্লাউড থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা ডাউনলোডের জন্য তিন বছর সময় দেয়। এ সময়সীমা পার হওয়ার পর অ্যাকাউন্টটি স্থায়ীভাবে মুছে ফেলা হয়।


মনে রাখা জরুরি, লিগ্যাসি কন্টাক্ট হিসেবে মনোনীত ব্যক্তি অ্যাকাউন্টে কেনা বিভিন্ন ডিজিটাল, যেমন গান, সিনেমা বা বই ব্যবহারের অধিকার পাবেন না।


কারণ, ডিভিডি বা ছাপানো বইয়ের সংগ্রহের মতো ডিজিটাল মিডিয়া কোনো উত্তরাধিকারীর কাছে হস্তান্তর করার সুযোগ অ্যাপলের নীতিমালায় নেই।


এদিকে, ব্যবহারকারী যদি আগে থেকে ‘লিগ্যাসি কন্টাক্ট’ সেট করে না যান তবে নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার ক্ষেত্রে অ্যাপলের সময়সীমা গুগলের চেয়েও বেশ কম।


আইক্লাউডে টানা এক বছর কোনো সক্রিয়তা না থাকলে অ্যাপল থেকে একটি সতর্কতামূলক ইমেইল পাঠানো হয় ও তার ঠিক ৩০ দিন পর পুরো অ্যাকাউন্টটি চিরতরে মুছে ফেলা হয়।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:১৯ এএম

ফোনে ছবি উদ্ধার, ফাইল গোছানো কিংবা আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখতে অ্যাপ ব্যবহার করেন? তাহলে একতি বাড়তি সাবধান হতে হবে। কারণ, আপনার ফোনে থাকা কোনো অ্যাপই হয়ে উঠতে পারে ব্যাংকিং তথ্য চুরির ফাঁদ। একবার লগইন তথ্য বা ব্যাংক হিসাবের গোপন তথ্য প্রতারকদের হাতে পৌঁছালে ঝুঁকিতে পড়তে পারে আপনার কষ্টার্জিত অর্থ। 


স্মার্টফোনে এখন নানা কাজের জন্য বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করেন মানুষ। কিন্তু সব অ্যাপ যে নিরাপদ, তা নয়। পরিচিত কোনো সেবার আদলে তৈরি ক্ষতিকর অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে পারে সাইবার অপরাধীরা।


২০২২ সালের ৩ নভেম্বর প্রকাশিত গ্যাজেটস নাউয়ের এক প্রতিবেদনে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান থ্রেটফ্যাব্রিকের গবেষণার বরাত দিয়ে পাঁচটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের নাম উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব অ্যাপ ব্যবহারকারীর লগইন তথ্য, ব্যাংক হিসাবের নম্বর এবং অন্যান্য আর্থিক গোপন তথ্য চুরির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।


যে পাঁচটি অ্যাপ নিয়ে সতর্কতা


১. রিকভার অডিও, ইমেজেস অ্যান্ড ভিডিওস


নাম শুনেই মনে হতে পারে, ফোন থেকে হারিয়ে যাওয়া অডিও, ছবি ও ভিডিও উদ্ধার করার কাজে লাগে অ্যাপটি। কিন্তু কোনো অ্যাপের নাম বা কাজের ধরন দেখেই সেটিকে নিরাপদ মনে করা ঠিক নয়।


২. জেটার অথেনটিকেশন


অ্যাপটির নাম পরিচয় যাচাইয়ের সেবার কথা মনে করিয়ে দেয়। এমন নাম ব্যবহারকারীর মনে আস্থা তৈরি করতে পারে। কিন্তু অ্যাপটি ব্যবহারের আগে এর বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করা জরুরি।


৩. ফাইল ম্যানেজার স্মল, লাইট


ফোনের ফাইল ব্যবস্থাপনার জন্য ফাইল ম্যানেজার অ্যাপের প্রয়োজন হয় অনেকেরই। তবে ফাইল ব্যবস্থাপনার মতো সাধারণ কাজের আড়ালেও ক্ষতিকর অ্যাপ ব্যবহারকারীর তথ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।


৪. কোডিসে ফিসকালে ২০২২


নামটি করসংক্রান্ত পরিচয় নম্বর বা তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত সেবার ইঙ্গিত দেয়। তবে কোনো অ্যাপের নাম দেখে সেটির নিরাপত্তা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না। অজানা অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।


৫. মাই ফিন্যান্সেস ট্র্যাকার


আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখার জন্য এ ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করেন অনেকে। কিন্তু আর্থিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত অ্যাপ ব্যবহারের সময় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। বিশেষ করে ব্যাংকের লগইন তথ্য বা গোপন নম্বরের মতো সংবেদনশীল তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।


অনলাইন ব্যাংকিং কি হ্যাক হতে পারে?


প্রতারণার একটি কৌশল হলো পরিচিত কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অ্যাপের অনুকরণে নকল অ্যাপ তৈরি করা। এরপর সেটি অননুমোদিত ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে দেয়া হয়। ব্যবহারকারী সেই অ্যাপ ডাউনলোড করে নিজের লগইন নাম ও পাসওয়ার্ড লিখলে তথ্যগুলো প্রতারকের হাতে চলে যেতে পারে। ফলে ব্যবহারকারীর আর্থিক তথ্য চুরি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার আগে সেটির উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।


পিন ছাড়াই কি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নেয়া সম্ভব?


ডেবিট কার্ডের পিন না জানলেও কিছু পরিস্থিতিতে প্রতারকেরা কার্ডের তথ্য ব্যবহার করে আর্থিক ক্ষতি করতে পারে। মূল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কার্ডের প্রকৃত নম্বর প্রতারকের হাতে চলে গেলে কিছু ধরনের লেনদেনে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এমনকি পিন ছাড়াই করা কোনো সরাসরি লেনদেনের রসিদেও কার্ডের সম্পূর্ণ নম্বর দেখা যেতে পারে যদি রসিদে নম্বরটি সম্পূর্ণভাবে মুদ্রিত হয়। তাই কার্ডের তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।


সতর্ক থাকবেন যেভাবে


> কিছু বিষয়ে সাবধান থাকলেও অনলাইন হ্যাকিং হতে সাবধান থাকা যায়। 


> অপরিচিত বা অননুমোদিত ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না।


> কোনো অ্যাপে ব্যাংকের লগইন তথ্য দেয়ার আগে সেটির সত্যতা যাচাই করুন।


> ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য অপ্রয়োজনে কোনো অ্যাপে দেবেন না।


মনে রাখবেন, স্মার্টফোনের একটি অ্যাপ শুধু সুবিধাই নয়, অসতর্কতার কারণে আর্থিক ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে। তাই অ্যাপ ব্যবহারের আগে সচেতন থাকতে হবে।