• প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:০৯ পিএম

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় পুকুরে পড়ে আরাফাত হোসেন (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।


শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ৩ নম্বর ডমুরুয়া ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত আরাফাত হোসেন ওই গ্রামের ফরহাদ হোসেনের ছেলে।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় আরাফাত। পরিবারের সদস্যরা তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরের পানিতে ভেসে উঠতে দেখে পরিবারের লোকজন তাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে দ্রুত সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।


সেনবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো.রসুল আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে যাচ্ছি। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৪৮ পিএম

সিলেটের ওসমানীনগরে মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন নিহতের ঘটনায় ইউনিক ও বেঙ্গল পরিবহনের দুই বাসের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। একই সঙ্গে এই দুই বাসের মালিক ও চালককে পাঁচ দিনের মধ্যে বিআরটিএ কার্যালয়ে স্বশরীরে হাজির হয়ে দুর্ঘটনার ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।


শনিবার রাতে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিআরটিএর সিলেটের সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রশীদ।


তিনি বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত ইউনিক ও বেঙ্গল পরিবহনের বাস দুটির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে। সেইসঙ্গে দুই বাসের চালক এবং মালিকদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। তাদের ব্যাখ্যা পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাশিকাপন এলাকায় সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ঢাকামুখী ইউনিক পরিবহনের বাসের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় ইউনিক পরিবহনের বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে ধানক্ষেতে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ইউনিক পরিবহনের সাত যাত্রী নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন।


সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ : নিহত ৯ জনের ৫ জনের পরিচয় মিলেছে


এদিকে, এ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহাকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসক। শনিবার দুপুরে গঠিত এ কমিটিকে ৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।আর সকালে ওসমানী হাসপাতালে দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে গিয়ে মহাসড়কে বেপরোয়া চলাচলকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রবাসী কল্যান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এসময় হতাহতদের পরিবাররকে ১ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দেন তিনি।


মন্ত্রী জানান, বিআরটিএর পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া পঙ্গুত্ব বরণকারীদের পরিবারকে তিন লাখ টাকা এবং আহতদের এক লাখ টাকা করে দেওয়া হবে।


ওসমানীনগরে সড়ক দুর্ঘটনা: ডিএম পিংকি সাহাকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি


এ ব্যাপারে বিআরটিএর সিলেটের সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রশীদ বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। নিহত পরিবারগুলোর আবেদনের প্রেক্ষিতে শিগগিরই তাদেরকে এ অর্থ দেওয়া হবে। পঙ্গুত্ব বরণকারী এবং আহতদের আবেদন ফরম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের আবেদনগুলোও যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে সহায়তা দেওয়া হবে। 


বিআরটিএ সিলেট কার্যলয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহন (রেজি নং ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-২৫৬৩) এবং সিলেটগামী বেঙ্গল পরিবহনের (রেজি নং ঢাকা মেট্রো -ব-১২-৫৯৮৭) সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ নয় জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সিলেট বিআরটিএর পক্ষ থেকে বাস দুটির রেজিস্ট্রেশন বাতিলের জন্য ঢাকা মেট্রোতে আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাস দুটির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে।


'বেপরোয়া' মোটরসাইকেলের জন্য মুহূর্তে শেষ ৯ প্রাণ


দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সংঘর্ষের সময় মহাসড়কের ওই অংশে যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম ছিল। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি কিংবা চালকের ঘুমিয়ে পড়ার মতো বিষয়কে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনও কারণকেই চূড়ান্ত বলা যাচ্ছে না। তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি, বাস দুটির চলাচল, চালকদের ভূমিকা এবং সড়কের সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করবে। এরপর দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও কারও দায় থাকলে তা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৫০ পিএম

টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ উদীচী শিল্প গোষ্ঠী পুরাতন ফৌজদারি কোর্ট চত্বর কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 


এ সময় উপস্থিত ছিলেন, টাংগাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক তানভীর হাসান খান রুবেল, বিচারক মন্ডলীদের মধ্যে ছিলেন, উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর সভাপতি দেবাশীষ দেব, টাঙ্গাইল সেচ্ছাসেবী ফোরাম এর উপদেষ্টা বিপ্লব দত্ত পল্টন, অত্র সংগঠনের  সাধারণ সম্পাদক মোহিদুল ইসলাম মোহিত, সাংগঠনিক সম্পাদক, ফরিদ মিয়া ও দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক, আসাদ হোসেন,কার্যকরী সদস্য জাহিদুল ইসলাম, মোঃ আসিফ ও সিয়াম প্রমুখ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৪৬ পিএম

‘আদিবাসী ধাত্রীদের সম্মান: জীবন ও সুস্বাস্থ্য রক্ষা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস-২০২৬।


দিবসটি উপলক্ষে রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা ও ইএসডিও-থ্রাইভ প্রকল্পের আয়োজনে এবং হেক্ক্স/ইপার-এর সহযোগিতায় শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব চত্বরে এসে শেষ হয়।


পরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি যাকোব খালকোর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ।


এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য মামুনুর রহমান মামুন, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান তানু, ইএসডিওর থ্রাইভ প্রকল্পের কর্মকর্তা ওয়ালিউর রহমান, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিষ্ণুরাম মুর্মু, কমিউনিটি ডেভলপমেন্ট অফিসার রঞ্জন কুমার, শাহিনা, শিরিনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।


আলোচনা সভায় বক্তারা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতকরণ, জীবনমানের উন্নয়ন, মাতৃস্বাস্থ্য ও নিরাপদ প্রসব ব্যবস্থা জোরদারসহ তাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে আদিবাসীদের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান তারা।


উল্লেখ্য, বিশ্বের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার, সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং তাদের জীবন-জীবিকার সংকট সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিবছর ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত হয়। ১৯৯৪ সালে জাতিসংঘ ৯ আগস্টকে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৪৩ পিএম

গাজীপুরের টঙ্গীর গাজীপুরা এলাকায় তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার (৯ আগস্ট) সকাল থেকে মাদ্রাসার প্রধান গেটের সামনে ও গাজীপুরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন।


এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সকাল ১১টায় মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের অবস্থান ও অবরোধ চলছিল। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে দুই পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী ও চালকরা।


শিক্ষার্থীরা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইয়াসিন আলী (১৭) গাজীপুরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি কভার ভ্যানের ধাক্কায় নিহত হন। এ ঘটনার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়। নিহত ইয়াসিন আলী পাবনা জেলার সুজানগর থানার নেয়াপাড়া এলাকার রিপন মিয়ার ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে টঙ্গীর গাজীপুরা কাজীপাড়া এলাকায় ভাড়া থাকতেন।


প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে ইয়াসিন গাজীপুরা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। 

এ সময় দ্রুতগতির একটি কভার ভ্যান তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। মাথায় গুরুতর আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পর কভার ভ্যানের চালক পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঢাকা মেট্রো-২০-৪৪১৩ নম্বরের কভার ভ্যানটি জব্দ করে টঙ্গী পূর্ব থানায় নিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়া চালককে শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 


এদিকে ইয়াসিনের মৃত্যুর প্রতিবাদে রোববার সকাল থেকে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নেন। তাদের অভিযোগ, গাজীপুরা বাসস্ট্যান্ড ও তামীরুল মিল্লাত মাদ্রাসার সামনের অংশটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত সড়ক হলেও এখানে শিক্ষার্থী ও পথচারীদের নিরাপদে পারাপারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। দ্রুতগতিতে যানবাহন চলাচলের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।


শিক্ষার্থীদের দাবি, গাজীপুরা এলাকায় দ্রুতগতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণে স্পিডব্রেকার বা কার্যকর গতিরোধক নির্মাণ করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপদ পারাপারের জন্য ফুটওভারব্রিজ অথবা ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি সড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা। 


শিক্ষার্থীরা বলেন, একজন শিক্ষার্থী সড়ক পার হতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। এভাবে আর কোনো শিক্ষার্থী কিংবা সাধারণ মানুষ যেন দুর্ঘটনার শিকার না হন, সে জন্য স্থায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তারা। অবরোধের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ বা ধীরগতির হয়ে পড়ায় ব্যাপক ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। 


শিক্ষার্থীদের এই অবরোধ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গাজীপুরা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তাদের দাবি, দুর্ঘটনার তদন্ত ও দায়ী চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি গাজীপুরা বাসস্ট্যান্ডে দ্রুত স্থায়ী সড়ক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

সর্বশেষ সব খবর

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:২১ পিএম

বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষতার কাজ শুরু করেছে।


শনিবার (৮ আগস্ট) নাটোরের লালপুর বিলায়েত খান উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সময়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বিমুখ করে রাখা হয়েছিল। ফলশ্রুতিতে মানসিক শক্তি হারিয়ে হতাশা থেকে তারা অনলাইন জুয়া আর মাদকের ভয়াল ছোবলের শিকার হয়েছে। ফ্যাসিবাদী শাসক প্রকৃত শিক্ষা থেকে শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করেছে।


আমরা চাই, আনন্দমুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহণ করবে।’ তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের মানসিক উৎকর্ষতার জন্যে পাঠ্যক্রমবহির্ভূত কার্যক্রমে গুরুত্ব প্রদান করেছেন। তাদেরকে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি এবং ক্রীড়া চর্চায় উদ্বুদ্ধ করছেন। এ জন্য টেলিভিশনে নতুন কুঁড়ি আয়োজন করেছেন। নতুন কুঁড়ির শিল্প-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা সারা দেশের খেলার মাঠে পৌঁছে গেছে।


আমরা চাই, সৃজনশীল কার্যক্রমের চর্চা এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষতা সাধিত হবে। তাদের শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষতার মাধ্যমে

বুদ্ধিদীপ্ত মেধাবী জাতি গড়ে উঠবে।’


এ দিন তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি এবি ইউনিয়ন বিএনপির কর্মিসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন লালপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ পাপ্পু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সিদ্দিক আলী মিস্টু, গোপালপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম মোলামসহ প্রমুখ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:১৪ পিএম

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার এক নারীর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, প্রতারণা, মালামাল আটকে রাখা এবং হুমকির অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সোনিয়া আক্তার নামে ওই নারী।


শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের বটতলায় প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন তিনি। সোনিয়া আক্তার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পশ্চিমপাড়া এলাকার নজরুল মিয়ার মেয়ে। তার স্বামী শাহিন মিয়া দেলদুয়ার উপজেলার চণ্ডী ইউনিয়নের পাথরাইল এলাকার ছানোয়ার হোসেনের ছেলে।


লিখিত বক্তব্যে সোনিয়া আক্তার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামী,শ্বশুর-শাশুড়ি, স্বামীর বোনসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য তাকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। একপর্যায়ে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।


তিনি আরও দাবি করেন, শ্বশুরবাড়িতে তার প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল রয়েছে। এর মধ্যে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোনসহ ব্যক্তিগত সামগ্রীর মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকার অর্থ ও মালামাল সেখানে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।


দেনমোহর নিয়েও প্রতারণার অভিযোগ করেন সোনিয়া। তার দাবি, বিয়ের সময় দেনমোহর ৩ লাখ টাকা নির্ধারণের কথা থাকলেও পরবর্তীতে কাবিননামা হাতে পাওয়ার পর সেখানে ৩০ হাজার টাকা লেখা দেখতে পান। কাজি ও স্বামীর পরিবারের লোকজনের যোগসাজশে দেনমোহরের পরিমাণ কম দেখিয়ে তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।


এছাড়া তার স্বামী বিভিন্ন নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে গালিগালাজ ও মারধর করা হতো বলে দাবি করেন সোনিয়া। পরে স্বামীর পরিবারের অন্য সদস্যরাও তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সোনিয়া আক্তার জানান, এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তার দাবি। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।


সংবাদ সম্মেলনে সোনিয়া আক্তার বলেন,আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরে ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা চাই।


এদিকে সোনিয়া আক্তারের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তার স্বামী শাহিন মিয়া। তিনি দাবি করেন, মুঠোফোনে কথা বলার একপর্যায়ে সোনিয়াকে জোরপূর্বক বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, সোনিয়ার এর আগে আরও তিনটি বিয়ে হয়েছিল।


শাহিন মিয়া বলেন,আমরা তাকে কোনো ধরনের নির্যাতন করিনি। সে আমাকে না জানিয়েই নিজে বাড়ি থেকে চলে যায়। পরে আমি তাকে ডিভোর্স দিয়েছি।

সর্বশেষ সব খবর