নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
দীর্ঘদিন ধরে চলা অভ্যন্তরীণ বিরোধ, প্রকাশ্য বাগ্বিতণ্ডা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে এবার সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। বহিষ্কৃত দুই নেতা হলেন শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সায়েম ও প্রচার সম্পাদক খায়রুল আমান শাওন।
গত রোববার (২ আগস্ট) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁদের বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁদের সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
তবে বিজ্ঞপ্তিতে দুই নেতার বিরুদ্ধে কী ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। বহিষ্কৃত দুই নেতা দাবি করেছেন, তাঁদের কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি এবং তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী, সেটিও জানানো হয়নি।
দুই নেতা নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি সাব্বির হোসেনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তাঁদের বহিষ্কারের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও নেতৃত্বের বিরোধ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের নেতাদের মধ্যে বিরোধের একাধিক ঘটনা এর আগে প্রকাশ্যে এসেছে। গত ২১ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলের তৎকালীন প্রভোস্ট ড. মো. তসলিম মাহমুদের সঙ্গে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসানের বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, হলের একটি আবাসিক আসনকে কেন্দ্র করে ওই বিরোধের সূত্রপাত। পরে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে উপাচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন হলের প্রভোস্ট।
এর আগে গত ২৭ এপ্রিল আবদুল মালেক উকিল হলের সামনে ছাত্রদলের নেতাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শান্তিনিকেতন এলাকায় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি সাব্বির হোসেনের সঙ্গে সংগঠনের এক নম্বর সহসভাপতি মো. আমিনুল ইসলামসহ কয়েকজনের হাতাহাতি হয়। পরে হলের সামনে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে সাব্বির হোসেনকে চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়ার ঘটনাও দেখা যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
ওই ঘটনার পর সাব্বির হোসেনকে সংগঠনের পক্ষ থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
তবে সাব্বির হোসেনের দাবি, তিনি সাবেক উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের ডাক দেওয়ার পর থেকেই সংগঠনের একটি অংশ তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এবং একপর্যায়ে তাঁকে শারীরিকভাবে আঘাতও করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
বহিষ্কৃত প্রচার সম্পাদক খায়রুল আমান শাওন বলেন, ছাত্রদলের সভাপতি বর্তমানে ক্যাম্পাসের জুনিয়র ব্যাচের ১ যুগের ও বেশি সিনিয়র ও সাধারণ সম্পাদক শিবিরের বাছাইকৃত কর্মী। তারপরও কেন্দ্রের সিদ্বান্ত অনুযায়ী আমরা তাদের নির্দেশ অনুযায়ী বিভিন্ন প্রোগ্রামগুলো আয়োজন করে যাচ্ছিলাম।কিন্তু কমিটি দেওয়ার পর থেকেই ছাত্রদলের সভাপতি ও শিবিরের বাছাইকৃত কর্মী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সবকিছুকে স্বৈরাচারীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেছিলো।
তিনি আরোও বলেন, আমরা সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন, সহ-সভাপতি সাখাওয়াত সায়েম, প্রচার সম্পাদক খায়রুল আমান শাওন ও আমাদের অনুসারীদের নিয়ে আমাদের প্লাটফর্মটা দ্বার করাচ্ছিলাম।
শাওন আরোও বলেন, "নোবিপ্রবি ছাত্রদল সভাপতিকে ‘বুইড়া খাটাশ’ বলায় আমাকে বহিষ্কার করা হয়"।
তিনি আরোও বলেন, "তবে এটুকু সত্য যে, আমরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কখনোই এমন কোনো কর্মকাণ্ডে একাত্ম হইনি, যা আমাদের দলীয় আদর্শ, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার পরিপন্থী। চাঁদাবাজি, প্রকৌশলীকে হুমকি-ধমকি প্রদান, শিক্ষকবৃন্দ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, অবৈধভাবে হলের সিট দখল, বৈধভাবে বরাদ্দকৃত সিট বাতিলের জন্য হল প্রভোস্টের ওপর চাপ প্রয়োগ, জনসম্মুখে কাউকে হেনস্তা করা কিংবা অন্য কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে আমরা কখনো তাদের সঙ্গে ছিলাম না। তাদের সঙ্গে এসকল কর্মকান্ডে এক হতে না পারাই বহিষ্কারের কারণ হতে পারে"।
সহসভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সায়েম বলেন, তাঁদের বহিষ্কারের আগে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি। তাঁর ভাষ্য, ‘আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী, সেটাও আমরা জানি না। আমাদের কাছ থেকে কোনো কিছু জানতেও চাওয়া হয়নি। হুট করেই বহিষ্কার করা হয়েছে।’
সায়েমের দাবি, নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটিকে ‘ভুজুংভাজুং কমিটি’ বলায় তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই দুই নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ছাত্রদলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক টিম তাদের দফায় দফায় সতর্ক করেছে। কমিটি দেওয়ার আট মাস হয়ে গেলেও এক দিনের জন্যও তারা কোনো দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেনি।’
জাহিদ হাসানের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠন ও কমিটিকে নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্যপূর্ণ মন্তব্য করার পাশাপাশি তাঁরা সংগঠনের নীতির বিরুদ্ধেও অবস্থান নিয়েছেন। এসব বিষয় কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক টিমের নজরে ছিল।
শোকজ না দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই যে নোটিশের মাধ্যমে তাদের সতর্ক করতে হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক টিম অনলাইনে এবং বিভিন্ন মিটিংয়েও তাদের সতর্ক করেছে।’
তিনি আরও বলেন, সংগঠনের সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে কেউ নন। দায়িত্ব নিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ না নিলে তাঁর বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শাখা ছাত্রদলে গ্রুপিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহিদ হাসান। তাঁর ভাষ্য, ‘গ্রুপিং বা অন্তর্কোন্দল এগুলো আমাদের কোনো বিষয় নয়। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অমূলক। এখানে ছাত্রদলের যথাযথ নেতৃত্বের মাধ্যমেই সংগঠন পরিচালিত হচ্ছে।’
তাঁর দাবি, বহিষ্কৃত দুই নেতা কার অনুসারী, সেটি বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; বরং সুনির্দিষ্ট সাংগঠনিক অভিযোগের ভিত্তিতেই কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে কমিটি ঘোষণার প্রায় এক মাসের মধ্যে শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ও সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহেদী হাসান বাধনকে শোকজ করা হয়েছিল। পরে তাঁদের তিন মাসের জন্য দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁদের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের কারণ হিসেবে শুধু ‘সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের’ কথা বলা হয়েছে। অভিযোগের বিস্তারিত উল্লেখ না থাকায় এবং বহিষ্কৃত নেতাদের শোকজ করা হয়েছিল কি না, তা কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
ছবি : সংগৃহীত
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশের পাশাপাশি পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনকারীদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানিয়ে দেওয়া হবে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডগুলোর পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রত্যেক শিক্ষা বোর্ড তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এসএসসি পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করবে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফলাফল দেখতে পারবেন। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফলও বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটেও পুর্ননিরীক্ষণের ফল দেখা যাবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।
শিক্ষা বোর্ডগুলো নির্ধারিত সময়ে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফল সংগ্রহের জন্য আবেদনকারীদের অনুরোধ জানিয়েছে।
১২ লাখের বেশি উত্তরপত্র পুর্ননিরীক্ষণের আবেদন
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুর্ননিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয়েছিল গত ১১ আগস্ট। আবেদন গ্রহণের শেষ সময় ছিল ১৭ আগস্ট রাত পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী পুর্ননিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেন।
একজন পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুর্ননিরীক্ষণের আবেদন করতে পারেন। ফলে আবেদনকারী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পুর্ননিরীক্ষণের জন্য জমা পড়া উত্তরপত্রের সংখ্যা এক নয়।
তথ্য অনুযায়ী, ১১টি শিক্ষা বোর্ডে লিখিত পরীক্ষার ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি উত্তরপত্র পুর্ননিরীক্ষণের আবেদন জমা পড়ে। সব মিলিয়ে পুর্ননিরীক্ষণের আওতায় এসেছে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি উত্তরপত্র।
ঢাকায় আবেদন সবচেয়ে বেশি
বোর্ডভিত্তিক হিসাবে পুর্ননিরীক্ষণের আবেদন সবচেয়ে বেশি পড়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে ৯৪ হাজার ২৩৬ জন পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষার ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬৬৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ৫৮ হাজার ১২টি উত্তরপত্র পুর্ননিরীক্ষণের আবেদন করেছেন।
অন্য বোর্ডগুলোর মধ্যে কুমিল্লায় ৩৫ হাজারের বেশি, রাজশাহীতে ৩৯ হাজারের বেশি, যশোরে ২৮ হাজারের বেশি, চট্টগ্রামে ৩৯ হাজারের বেশি, বরিশালে ১৭ হাজারের বেশি, সিলেটে ২০ হাজারের বেশি, দিনাজপুরে ৩৭ হাজারের বেশি এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ২৭ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী পুর্ননিরীক্ষণের আবেদন করেছেন।
এদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪০ হাজারের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী ফল পুর্ননিরীক্ষণের আবেদন করেছেন।
আজ সকাল ১০টায় ফল প্রকাশের পর পুর্ননিরীক্ষণের আবেদনের কারণে কারও ফলাফলে পরিবর্তন এলে তা ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে জানা যাবে।
বিশ্ব স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে ‘স্বাক্ষরতা অভিযান’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাদ আছর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল মসজিদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস্থ ডরমেটরি ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের শিশুদেরকে নাম ও ঠিকানা লেখা শেখানো হয়।
এসময় শাখা ছাত্রশিবিরের পরিবেশ ও সমাজসেবা সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ খান ও সহকারি পরিবেশ ও সমাজসেবা সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।
শাখা ছাত্রশিবিরের পরিবেশ ও সমাজসেবা সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ খান বলেন, "আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে শিশুদের নিজের নাম লিখতে, স্বাক্ষর করতে এবং নিজ ঠিকানা লেখার প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়া হয়। সাক্ষরতার গুরুত্ব সম্পর্কে শিশুদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।"
উল্লেখ্য, ৮ সেপ্টেম্বরও সংগঠনটি এ কর্মসূচি পালন করে।
নবগঠিত শাখা ছাত্রলীগের কমিটিতে থাকা সকলের ছাত্রত্ব বাতিল দাবি জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান।
আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩ টার দিকে নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণে দেশীয় অস্ত্র, মব কালচার এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও পদযাত্রায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, "২৪-এর জুলাই আন্দোলনে ছাত্রলীগ হাজারো শহীদের রক্ত ঝরিয়েছে। ক্যাম্পাসের অরাজক পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে ছাত্রলীগ কমিটি দিয়েছে। ছাত্রলীগের কোনো পদচিহ্ন আমরা এই ক্যাম্পাসে দেখতে চাই না। এজন্য ক্যাম্পাস প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে।"
এ সময় ইবি শাখা ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব ইফতেহার উদ্দীন বলেন, "ক্যাম্পাসে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ তাদের নতুন কমিটি প্রকাশ করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। যদি ছাত্রলীগ কোনো ধরনের দুষ্কর্ম বা কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করে, তবে জুলাইয়ের ঐক্যের শক্তিতে বিশ্বাসী সকল ছাত্র সংগঠন-ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি এবং অন্যান্য সব প্রগতিশীল সংগঠন একজোট হয়ে তাদেরকে কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।"
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাধারণ শিক্ষার্থীদের আর্থিক সংকট দূর করতে এবং টিউশন মিডিয়ার নামে প্রতারণা ও শোষণ থেকে রক্ষা করতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ‘জেএনইউ ফ্রি টিউশন মিডিয়া’ প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১৬তম আবর্তনের শিক্ষার্থী তামাসুল ইসলাম সোহানের উদ্যোগে এই শিক্ষার্থীবান্ধব সেবাটি চালু হয়।
আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. গিয়াসউদ্দিন নিজে উপস্থিত থেকে এই ‘জেএনইউ ফ্রি টিউশন মিডিয়া’ প্ল্যাটফর্মটির আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন ও শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
উদ্বোধনকালে ছাত্রদল নেতা তামাসুল ইসলাম সোহান শিক্ষার্থীদের বর্তমান নানা সংকটের কথা তুলে ধরে বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম সংকটময় বিদ্যাপীঠগুলোর একটি। এখানকার সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত তীব্র আবাসন সংকট, ডাইনিংয়ের খাবার সংকট এবং ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত জায়গার সংকটে জর্জরিত। এই নানামুখী প্রতিকূলতার মধ্যেও কিছু অসাধু ও সুযোগসন্ধানী গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের আর্থিক দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে। তারা বাণিজ্যিক টিউশন মিডিয়া খুলে টিউশন দেওয়ার নামে অসহায় ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে উচ্চ হারে মিডিয়া ফি আদায় করে প্রতারণা করে আসছে।”
তিনি তাঁর প্রত্যয় ব্যক্ত করে আরও বলেন, “আমি সবসময় এই অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকতে চাই এবং তাঁদের প্রকৃত সাহায্য করতে চাই। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য অন্তত একটি করে হলেও টিউশনের ব্যবস্থা করে দেওয়া, যাতে তারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।”
এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এই সিন্ডিকেট ও টিউশন মিডিয়া চক্রকে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি ‘ফ্রি টিউশন মিডিয়া’ প্ল্যাটফর্মটিকে কার্যকর করতে টিউশনের তথ্য দিয়ে সবাইকে সহযোগিতা করার অনুরোধ করেন। পাশাপাশি কোনো শিক্ষার্থী যদি স্বেচ্ছায় এই প্ল্যাটফর্মটি পরিচালনায় যুক্ত হয়ে কাজ করতে আগ্রহী হন, তবে সেটিকে স্বাগত জানানো হবে এবং এটি তাঁদের জন্য একটি দারুণ সুযোগ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম আবর্তনের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী শাহিন আজাদ আলিফসহ এই ফ্রি টিউশন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে ইতিমধ্যে টিউশন পেয়ে উপকৃত হওয়া বেশ কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
তারা বলেন, “তামাসুল ভাইয়ের এই উদ্যোগটি সত্যিই অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও সময়োপযোগী। টিউশন মিডিয়াগুলোর অতিরিক্ত ফি'র কারণে আমরা যখন টিউশন পাচ্ছিলাম না, তখন এই ফ্রি প্ল্যাটফর্মটি আমাদের অনেক বড় উপকারে এসেছে। আমরা আশা করি, অদূর ভবিষ্যতে আমাদের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্যই এই উদ্যোগটি ক্যাম্পাসে ইতিবাচক সাড়া ফেলবে এবং অত্যন্ত কল্যাণকর ও উপকারী প্রমাণিত হবে।”
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) নবনিযুক্ত ২৭তম উপাচার্য এবং মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ থেকে চতুর্থ উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারকে সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের প্রফেসর আমীনুল হক ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নবনিযুক্ত উপাচার্যকে পৃথকভাবে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। এছাড়া মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শহীদুল ইসলামসহ অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষকবৃন্দ নতুন উপাচার্যকে নিয়ে স্মৃতিচারণ ও আবেগঘন বক্তব্য প্রকাশ করেন। পাশাপাশি অনুষদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন এবং ফিশারিজ কাউন্সিল গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়।
অনুষ্ঠানে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক বলেন, 'আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য আমাদেরই অনুষদের শিক্ষক বিষয়টি যেমন গর্বের, তেমনি আনন্দের। অনেকেই বলে থাকেন, আমরা ফিশারিজ ফ্যাকাল্টির সদস্যরা সবসময় 'মাছের ঝাঁক' বা ফিশ স্কুলের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকি। আমাদের অনুষদের অভ্যন্তরীণ ঐক্য যেন ভবিষ্যতেও অটুট থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মানোন্নয়নে আমরা আমাদের উপাচার্যকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করব।'
অনুভূতির প্রকাশে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, 'নতুন এই প্রশাসনিক দায়িত্ব পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমাদের শিক্ষকবৃন্দ যেসব যৌক্তিক দাবি ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন তা নিয়ে কাজ করার চিন্তা আছে। অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের পাশাপাশি অনুষদের সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি। নতুন দায়িত্বটি পুরোপুরি বুঝে উঠতে কিছুটা সময় লাগলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও ভাবমূর্তি উন্নয়নে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।'
নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত অংশে নাম্বার কমিয়ে ভাইবাতে নাম্বার বাড়ানোর মাধ্যমে দলীয়করণ এবং দূর্নীতির সুযোগ সৃষ্টির অভিযোগে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার রাত ১১:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ মিনার থেকে শুরু করে ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম হল,আব্দুল মালিক উকিল হল, বিবি হযরত খাদিজা হল, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিনিকেতন হয়ে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে বিক্ষোভ মিছিলটি শেষ হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন, 'ভাইবা না মেধা? মেধা মেধা','ভিক্ষা লাগলে ভিক্ষা নে, মেধাবীদের মুক্তিদে", 'বেশি মার্ক ভাইভায়,দলের লোকে চাকরি পায়’ ‘ভাইভার নামে দলীয়করণ, মানি না মানব না’, 'দিকে দিকে খবর দে,ভাইভা কোটার কবর দে', ‘নব্য কোটার নাম কী, ভাইভা ছাড়া আর কী?’
বিক্ষোভ মিছিল শেষে নোবিপ্রবি আইন বিভাগের ১৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম বলেন "একটা গোষ্ঠী তাদের পোরষণ কে ক্ষমতায় নেয়ার জন্য পায়তারা করতেছে, তারা মেধাকে বাদ দিয়ে ভাইবার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে দলীয়করণের সুযোগ সৃষ্টি করতেছে। আপনারা যদি জালিয়াতি রুখতে না পারেন তাহলে আপনাদের সরকারে থাকার কোন দরকার নেই "।
সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগে ১৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম রাফি বলেন "সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প সচিবালয় সভায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে মৌখিক পরীক্ষার নাম্বার ৪০০% অবধি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এর প্রতি আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। আমরাই তো পূর্বে দেখেছি লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার পরেও শুধু সরকার বিরোধী দলের বা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে অনেক সময় চাকরি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে অথবা ভাইবা থেকে দেয়া বাদ দেয়া হয়েছে,সুতরাং ভাইভাতে বেশি নাম্বার দিলে এ ধরনের দলীয়করণের আশংকা থেকেই যায়। "
বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লাইড কেমিস্ট্রি ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আব্দুর রহমান বলেন "আমরা আজ এখানে কোন দলের বিরুদ্ধে বা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাড়াইনি, আজ আমরা এখানে দাড়িয়েছি অযৌক্তিক এবং নীতি বহির্ভূত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। বর্তমান সরকার জালিয়াতি ও প্রক্সি রোধের অজুহাত দেখিয়ে ভাইভাতে নম্বর বৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। "
তিনি আরো বলেন "২৪ শে শিক্ষার্থীরা কৌটার বিরুদ্ধে রক্ত ঝরিয়েছে, আমরা ভাইভার নামে আর কোন কৌটা কার্ড দেখতে চাইনা। ছাত্র সমাজ মেধার ভিত্তিতে চাকরি চায়, তারা যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি চায়। যদি ভাইভাতে অতিরিক্ত নাম্বার দেয়া হয় সেখানে জালিয়াতি রোধের বিপরীতে নতুন জালিয়াতির সৃষ্টি হবে, যেটা আজকে সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে।"
তিনি আরো বলেন "আমরা কিছুদিন আগে সরকারের এক মন্ত্রীকে বলতে শুনেছি শুধু যেকোনোভাবে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করে আসো ভাইভা আমরা দেখব, আমাদের মনে হচ্ছে ওই সিদ্ধান্তকে আইনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে সরকার। আমরা মনে করি সরকারের সিদ্ধান্ত ছাত্রদের সাথে তামাশা করার মত সিদ্ধান্ত, সরকার যদি এই সিদ্ধান্তে থাকে তাহলে আমরা আন্দোলনকে আরো সামনের দিকে নিয়ে যাব। "
উল্লেখ্য যে,গত রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠকে বিধিমালা ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ভাইভা পরীক্ষার নাম্বার ১০ এর পরিবর্তে ৫০ করার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে নোবিপ্রবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।