• প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:১৮ পিএম

ময়মনসিংহের ভালুকায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফিরোজ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু।


সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গুলজার হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন পাঠান ও উছমান গনী মল্লিক মাখনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


আলোচনা সভায় বক্তারা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ঘটনাপ্রবাহ ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তাঁরা জাতীয় জীবনে এ দিবসের গুরুত্ব, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে দেশ গঠনে পারস্পরিক সংহতি, সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


আলোচনা সভা শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।



সর্বশেষ সব খবর

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৫ পিএম

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক বিভাজন ও নেতৃত্বের সংকট কাটিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি সুদৃঢ় ও কার্যকর নেতৃত্বের পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। ৭ নভেম্বরের চেতনা হচ্ছে জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমের চেতনা। এই চেতনাকে ধারণ করেই আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।


শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়াম হলরুমে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—এই তিন প্রজন্মই জাতীয় ঐক্যের রাজনীতিকে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। আগামী দিনে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে সম্ভাবনাময় বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে একটি সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।


তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিভেদ-বিভাজন ভুলে দেশের মানুষের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।


পঞ্চগড়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পঞ্চগড় একটি সম্ভাবনাময় জেলা। এ জেলার উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে জেলার সার্বিক উন্নয়নে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও উন্নত পঞ্চগড় উপহার দিতে হলে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।


পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, পুলিশ সুপার আবু সাইম, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজলসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সুধীজন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৫৬ পিএম

নোয়াখালী অঞ্চলের রেল যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে প্রায় ৪০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর আওতায় লাকসাম থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসন, স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি ঢাকা-নোয়াখালী রুটে নতুন আন্তনগর ট্রেন ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর চৌমুহনী রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণকাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম ও নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।


জনপ্রশাসন সচিব বরেন, নোয়াখালী ও চৌমুহনী অঞ্চলের স্টেশনগুলোর প্ল্যাটফর্ম ছোট হওয়ায় যাত্রীদের ওঠা-নামায় ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ সমস্যা সমাধানে প্ল্যাটফর্মের বিপরীত পাশে ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৫ ফুট প্রস্থের একটি নতুন অংশ সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রসারিত প্ল্যাটফর্ম চালু হলে একযোগে ১৬টি কোচবিশিষ্ট ট্রেনের যাত্রীরা নিরাপদে ওঠানামা করতে পারবেন। পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মের মেঝে পেভিং করা, অ্যাকসেস কন্ট্রোল ব্যবস্থার অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করা এবং স্টেশন ভবন ও শেডের সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হবে। নোয়াখালী বাসীর যাতায়াত সুবিধার জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও নতুন বরাদ্ধকৃত আন্তঃনগর সুবর্ণচর এক্সপ্রে খুব শীঘ্রই চালু করা হবে।


রেলপথ আধুনিকায়নের বিষয়ে রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী (পূর্বাঞ্চল) তানভীরুল ইসলাম বলেন, লাকসাম থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত ৪৮-৫০ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসনের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের আওতায় প্রায় ৪০ কোটি টাকার একটি প্যাকেজের দরপত্র ৫ নভেম্বর আহ্বান করা হয়েছে। এর আওতায় ক্ষয়প্রাপ্ত রেলপাত ও স্টিল স্লিপার পরিবর্তন, নতুন পাথর (ব্যালাস্ট) স্থাপন, ফিটিংস আধুনিকায়ন, ব্যাংক প্রটেকশন ওয়াল নির্মাণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ লেভেল ক্রসিংগুলোর মানোন্নয়ন করা হবে। ঢাকা-নোয়াখালী রুটে নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিটারগেজ ইঞ্জিনের (লোকোমোটিভ) কিছুটা সংকট থাকায় নতুন ট্রেন পরিচালনা আপাতত আটকে আছে। তবে চট্টগ্রাম-দোহাজারী প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি নতুন মিটারগেজ লোকোমোটিভ (প্রতিটি প্রায় ৫০ কোটি টাকা) ক্রয়ের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে এসব ইঞ্জিন ও নতুন কোচ বহরে যুক্ত হবে। ইঞ্জিন ও কোচ হস্তান্তরিত হলে বর্তমানে চলন্ত ‘উপকূল এক্সপ্রেস’-এর বহর আধুনিকায়নের পাশাপাশি ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’ চালুর কাজ পুরোপুরি প্রস্তুত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সচিব।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৫২ পিএম

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধারকৃত এসব ট্যাবলেটের আনুমানিক সিজার মূল্য এক লাখ টাকা। তবে অভিযানের সময় মাদক চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।


দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) জানায়, গত ৬ নভেম্বর রাতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ মিনাপুর বিওপির সদস্যরা ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে অভিযানস্থলে তল্লাশী চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫০০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।


বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের সিজার মূল্য এক লাখ টাকা। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়ন।


দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান, মাদক পাচারকারীরা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা করছে।


তবে সীমান্তে বিজিবির সতর্ক নজরদারী ও গোয়েন্দা তৎপরতার কারণে তাদের অপচেষ্টা সফল হতে দেওয়া হবে না। শুধু মাদক উদ্ধার নয়, পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করাও বিজিবির অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে অভিযানিক তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।


সীমান্ত দিয়ে মাদকের অবৈধ প্রবেশ রোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনা গেলে সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

সর্বশেষ সব খবর

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৭ পিএম

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, স্বাস্থ্য খাত বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ করে বিনিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে ৬৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা গত অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের প্রায় দ্বিগুণ। 


দীর্ঘদিন পর স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির এক শতাংশের বেশি বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন, যাতে রোগ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর একটি হোটেলে সিলেট সেন্ট্রাল ডেন্টাল কলেজের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।


মন্ত্রী বলেন, গত ১৮-২০ বছরে সিলেটে প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। বর্তমান সরকার সিলেটের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সিলেটে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগের টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী জানুয়ারির মধ্যে পরামর্শক নিয়োগের কাজ শেষ হতে পারে। এরপর প্রকল্পের বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হবে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ১২০০ শয্যার একটি জেনারেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২৫০ শয্যার একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের অনুমোদনও পাওয়া গেছে।


মন্ত্রী আরও বলেন, সিলেটে ২০০ শয্যার একটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের কয়েকটি বিভাগীয় শহরে এ ধরনের প্রকল্প ইতোমধ্যে হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে সিলেটেও তা বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অসম্পূর্ণ ক্যান্সার হাসপাতালের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর ফলে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যা সংখ্যাও প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০টি বাড়বে। সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল ও কিডনি হাসপাতালের মতো বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও সরকারি বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে।


সিলেটকে আন্তর্জাতিক মানের ডেন্টাল চিকিৎসার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সাশ্রয়ী ব্যয়ে মানসম্মত ও আস্থাশীল চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা গেলে এর চাহিদা শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিসরেও তৈরি হবে। 


তুরস্কে হেয়ার ট্রান্সপ্লান্টের জন্য বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ যাওয়ার উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, একইভাবে সিলেটে উন্নতমানের ডেন্টাল চিকিৎসাসেবা গড়ে তোলা সম্ভব। বিশেষ করে উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা যেন দেশে এসে দাঁতের চিকিৎসা নিতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রত্যাশা রয়েছে।


ডেন্টাল শিক্ষায় নারীদের অগ্রগতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সিলেট সেন্ট্রাল ডেন্টাল মেডিকেল কলেজের সর্বশেষ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া ৩৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৪ জনই নারী। চিকিৎসা শিক্ষায় নারীদের এ অগ্রগতি ইতিবাচক। তিনি প্রতিষ্ঠানটির ১২ বছরের পথচলাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, অভিজ্ঞ শিক্ষক ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে। এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতার সুযোগ থাকলে তিনি পাশে থাকার আশ্বাস দেন।


অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে চীন-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সরাসরি উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠলে দুই দেশের পাশাপাশি মিয়ানমারের সঙ্গেও ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। যোগাযোগব্যবস্থা এমন পর্যায়ে উন্নীত করা সম্ভব হলে চট্টগ্রাম থেকে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় একটি ট্রাক চীনের ভূখণ্ডে পৌঁছাতে পারবে। ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পেলে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কও আরও বিকশিত হবে।


নতুন মজুরি কাঠামো প্রসঙ্গে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণের জন্য একটি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ডকে দ্রুত তাদের দায়িত্ব সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে আগামী জানুয়ারি থেকে নতুন নির্ধারিত হারে মজুরি দেওয়া শুরু করা যায়। তিনি আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও রপ্তানি কার্যক্রমের জন্য স্থিতিশীল পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিনিয়োগ ও বাণিজ্য কখনো অনিশ্চিত পরিবেশ পছন্দ করে না। দেশের স্বার্থে সবাইকে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তা খতিয়ে দেখবে।


সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট সেন্ট্রাল ডেন্টাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. পরিমল চন্দ্র মল্লিক, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি প্রফেসর ডা. হারুন আল রশিদ এবং মহাসচিব প্রফেসর ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল। এ সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ডেন্টাল কলেজের শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৩৯ পিএম

ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নেতৃত্বে বর্ণাট্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে দশটায় কলাপাড়া পৌর শহরের বিএনপি কার্যালয় থেকে এ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের হয়ে কলাপাড়া পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিএনপি কার্যালয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। 


উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার নাসির উদ্দীনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, সাধারণ সম্পাদক(পদ স্থগিত) এডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি গাজী মো.ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সী, কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য মো.মনিরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস শফিকুর রহমান টুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম সিকদার, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক আমান সুমন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক কবিরুল ইসলাম মৃধা, সজল বিশ্বাস, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ঢালী রুহুল আমিন অভি, কলাপাড়া উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নসু, পৌর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক সোয়েবুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কাজী ইয়াদুল ইসলাম তুষার প্রমুখ। 


এ সময় কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি,পৌর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, ওলামা দল, মৎস্যজীবি দল, কৃষক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে দলটির সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকা এবং তার আদর্শকে ধারণ করে প্রতিটি নেতাকর্মীকে দল পরিচালনা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 


অনুষ্ঠান শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার গ্রুপের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আফজাল হোসেন এবং পৌর ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা মোঃ ফোরকানুল ইসলাম। 

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:২৮ পিএম

তালাকের পরও সাবেক স্বামীর হুমকি ও হয়রানি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন পটুয়াখালীর দুমকির এক নারী। প্রাণনাশের আশঙ্কায় বাড়িঘর ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, মুরাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক কবির শরিফ তাঁকে প্রায় চার মাস আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দিয়েছেন। এ ঘটনায় সাইবার আদালতের নির্দেশে থানায় মামলা হলেও আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় এবং তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আপসের চাপ দেওয়ার অভিযোগ তুলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই নারী।


ভুক্তভোগী লিমার অভিযোগ, ২০২১ সালের ১৯ আগস্ট বরিশালে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে কবির শরিফের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় এক বছর পর তিনি জানতে পারেন, কবিরের আগের দুই স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। এ নিয়ে দাম্পত্য কলহ শুরু হলে তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।


লিমার দাবি, একপর্যায়ে কবির তাঁকে বরিশাল থেকে দুমকির বোর্ড অফিস বাজার এলাকায় নিজের মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় একটি কক্ষে নিয়ে প্রায় চার মাস আটকে রাখেন। কক্ষের বাইরে তালা দিয়ে তাঁকে নির্যাতন করা হতো। অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার কথা বলে সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। পরে গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ কাজি অফিসের মাধ্যমে কবিরকে তালাকের নোটিশ পাঠান।


এরপর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ লিমার। তাঁর ভাষ্য, তালাকের পর কবির তাঁর বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও আদালতে মামলা করেন। পাশাপাশি তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দেওয়া শুরু করেন। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে দুমকি থানায় গেলেও তাঁর অভিযোগ বা জিডি গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।


লিমা আরও অভিযোগ করেন, নিরাপত্তার জন্য বারবার মোবাইল ফোনের সিম পরিবর্তন করেও রেহাই পাননি। প্রতিবারই তাঁর নতুন নম্বরের অবস্থান শনাক্ত করে তাঁকে হুমকি দেওয়া হতো। এ কাজে থানা পুলিশের সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। একপর্যায়ে নিরাপত্তার স্বার্থে মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধ করে দেন তিনি।


এদিকে, কবির শরিফ নিজের ফেসবুক আইডিসহ একাধিক আইডি থেকে লিমার ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও আপত্তিকর মন্তব্যসহ প্রকাশ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে পরিচিতজনদের মোবাইল ফোনে সেসব ছবি ও ভিডিও দেখে সাইবার আদালতের দ্বারস্থ হন লিমা। আদালতের নির্দেশে দুমকি থানায় সাইবার আইনে মামলা নেওয়া হয়। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান উপপরিদর্শক (এসআই) সজিব।


তবে লিমার অভিযোগ, তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ না নিয়ে তাঁকে থানার ওসির কক্ষে বসিয়ে মামলা প্রত্যাহার ও আসামির সঙ্গে আপস-মীমাংসার জন্য চাপ দিয়েছেন। একই সঙ্গে কবিরের লোকজন তাঁর বাড়িতে গিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছেন।


গত ১৯ অক্টোবর মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে পটুয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যান লিমা। পুলিশ সুপারকে না পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কাছে মৌখিকভাবে বিস্তারিত অভিযোগ জানান। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দুমকি থানার ওসিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন বলে জানান তিনি।


এরপরও নিরাপত্তাহীনতা কাটেনি বলে অভিযোগ লিমার। গত ২৪ অক্টোবর মা-কে সঙ্গে নিয়ে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির কাছে লিখিত আবেদন করেন তিনি। ডিআইজি তাঁকে আশ্বস্ত করলেও এখনো ভয়ে বাড়িতে থাকতে পারছেন না বলে দাবি করেন ওই নারী।


তবে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, তদন্ত কর্মকর্তার সামনে বাদীকে মামলা তুলে নিতে বা আপস-মীমাংসা করতে চাপ দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের উদাসীনতার অভিযোগও সত্য নয়। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য একাধিকবার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু সেখানে তাঁকে পাওয়া যায়নি। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে কবির শরিফের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। হোয়াটসঅ্যাপে কল ও খুদে বার্তা পাঠিয়েও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।


লিমার দাবি, তিনি এখন নিজের জীবনের নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ন্যায়বিচার চান। অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিরাপদে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার নিশ্চয়তা চান তিনি।

সর্বশেষ সব খবর