ছবি : সংগৃহীত
চলতি নভেম্বর থেকে আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসে দেশে ৪ থেকে ৬টি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে এবার শীতের তীব্রতা তুলনামূলক কম থাকতে পারে। এল নিনোর প্রভাবে এ মৌসুমে দিন ও রাতের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি কুয়াশা, বৃষ্টিপাত, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
শৈত্যপ্রবাহের সময় ও সম্ভাব্য অঞ্চল সম্পর্কে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বাসসকে বলেন, সাধারণত ডিসেম্বর মাসে এক থেকে দুটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী, রংপুর এবং খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।
তিনি বলেন, জানুয়ারিতে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় এক থেকে দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহও হতে পারে। তখন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।
এদিকে আগামী তিন মাসে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে। এতে শীতের অনুভূতি বাড়বে। তবে সামগ্রিকভাবে এ সময়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে।
এর কারণ ব্যাখ্যা করে আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, এল নিনো সক্রিয় থাকা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে গড় তাপমাত্রা কিছুটা বেশি থাকতে পারে। এ কারণে এবারের শীত মৌসুমে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে মাঝেমধ্যে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
তিনি বলেন, শৈত্যপ্রবাহ থাকলেও অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সংখ্যা, স্থায়িত্ব ও বিস্তৃতি তুলনামূলক কম থাকতে পারে। সে বিবেচনায় এবারের শীতকাল কিছুটা উষ্ণ থাকতে পারে। তবে এল নিনোর প্রভাবে শৈত্যপ্রবাহের সংখ্যা ও স্থায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
শীতের পূর্বাভাসের পাশাপাশি আগামী তিন মাসে বঙ্গোপসাগরে ২ থেকে ৪টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
এ বিষয়ে ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, অক্টোবর ও নভেম্বর মাস সাধারণত ঘূর্ণিঝড়প্রবণ। প্রতিবছর এ সময় বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হয়। কোনো কোনোটি শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়।
তিনি বলেন, এ সময় সূর্যের দক্ষিণায়নের কারণে দিনের দৈর্ঘ্য কমে এবং রাতের দৈর্ঘ্য বাড়ে। তবে বঙ্গোপসাগর এলাকায় সূর্যের আলোর প্রাপ্যতা বেশি থাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বাড়ে। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে প্রতিবছর এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় না। এ ধরনের ব্যবস্থাকে ক্ষণস্থায়ী ব্যবস্থা বলা হয়।
দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিন মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, নভেম্বরে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ৩৫ থেকে ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। বরিশাল বিভাগে ৩০ থেকে ৪০ মিলিমিটার, ঢাকা, সিলেট ও খুলনা বিভাগে ১৫ থেকে ২৫ মিলিমিটার এবং ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগে ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া রংপুর বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে ৪ থেকে ৮ মিলিমিটার।
ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে বৃষ্টিপাত আরও কমে আসতে পারে। ডিসেম্বরে ঢাকা বিভাগে ৮ থেকে ১০ মিলিমিটার এবং সিলেট বিভাগে ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। জানুয়ারিতে খুলনা বিভাগে ১০ থেকে ১৪ মিলিমিটার এবং ঢাকা-সহ অন্যান্য বিভাগে ৬ থেকে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বিভিন্ন আবহাওয়াসংক্রান্ত উপাত্ত, ঊর্ধ্বাকাশের আবহাওয়ার বিন্যাস, জলবায়ু মডেল এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা অনুমোদিত আন্তর্জাতিক কেন্দ্রগুলোর মডেল পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে এ পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে। এতে এল নিনো ও লা নিনা পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ১৯৪৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ সময়ে গড়ে এক থেকে তিনটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়। এর কোনো কোনোটি শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। দীর্ঘ সময়ের এমন গড় চিত্র বিশ্লেষণ করেই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দেওয়া হয়।
তবে এ ধরনের পূর্বাভাসে অনিশ্চয়তার মাত্রা বেশি থাকে উল্লেখ করে তিনি দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসের পাশাপাশি নিয়মিত দৈনন্দিন আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসরণের পরামর্শ দেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং ৪ থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে নামলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রতীকী ছবি
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩১৪ জন। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগেই হামের উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে এক হাজার ২৭৬ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৫ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ১৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ২৩৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৩৬ হাজার ৭১৪ জনে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৫ জন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ২৯৪ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে দুই লাখ ১০ হাজার ৯৮২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লাখ দুই হাজার ৩৯৪ জন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
জাতীয় চার নেতার নামে থাকা বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের চারটি জাহাজের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার। এ ছাড়া ‘জয় বাংলা’ নামে থাকা কোস্টগার্ডের আরেকটি জাহাজের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে কোস্টগার্ডের পাঁচটি জাহাজের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘বিসিজিএস তাজউদ্দীন’ জাহাজের নতুন নাম হবে ‘বিসিজিএস নুরুল ইসলাম’। ‘বিসিজিএস সৈয়দ নজরুল’ জাহাজের নতুন নাম ‘বিসিজিএস ফিরোজ কবীর’। ‘বিসিজিএস মনসুর আলী’ জাহাজের নতুন নাম ‘বিসিজিএস এম হুমায়ুন কবীর’। ‘বিসিজিএস কামরুজ্জামান’ জাহাজের নতুন নাম ‘বিসিজিএস আশরাফ সিদ্দিকী’। এ ছাড়া ‘বিসিজিএস জয় বাংলা’ জাহাজের নতুন নাম ‘বিসিজিএস অদম্য বাংলা’।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, পাঁচটি জাহাজের নাম পরিবর্তন করতে কোস্টগার্ডকে মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশ দেয়। সে অনুযায়ী কোস্টগার্ড নতুন নামের প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। নতুন নাম অনুমোদনের বিষয়টি গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়ে কোস্টগার্ডকে জানায়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, যে চার ব্যক্তির নামে চারটি জাহাজের নতুন নাম রাখা হয়েছে, তাঁরা সবাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন। দেশে ও দেশের বাইরে অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে তাঁরা শহীদ হন।
অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের (সাবেক হোম ইকোনমিকস কলেজ) অধ্যক্ষ অধ্যাপক মেহেরুন্নেছাকে প্রায় ১৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখার পর পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তার পদত্যাগের দাবিতে মধ্যরাতেও সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে তালা দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা।
এতে দুজন আহত হয়েছেন বলে দাবি তাদের। তাদের একজন গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অধ্যক্ষকে নিয়ে যাওয়ার পরও রাত সাড়ে ১২টার পর শতাধিক শিক্ষার্থী সড়কে অবস্থান করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। ক্যাম্পাসে পুলিশের প্রবেশ ও লাঠিচার্জেরও প্রতিবাদ জানান।
এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা যৌক্তিক দাবি নিয়ে আন্দোলন করছিলাম। কিন্তু শিক্ষকরা পুলিশ নিয়ে এসে আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করিয়েছেন। আমাদের দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। একজন গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি আছেন।’
মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে অধ্যক্ষের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বিরোধের সূত্রপাত। পূজার ছুটির আগে কলেজের তিনটি আবাসিক হলের পাঁচ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা অডিটোরিয়ামে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। রাত ১০টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করার নির্দেশনা থাকলেও শিক্ষার্থীদের অনুরোধে সময় বাড়িয়ে রাত ১২টা করা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষ হয় ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের পর অনুষ্ঠান চলায় সমন্বয়কারী দুই শিক্ষার্থীর হলের আসন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন অধ্যক্ষ। পরে ক্ষমা চাইতে গেলে আসন ফিরিয়ে দেওয়ার শর্ত হিসেবে এক রাতের এসি ও বিদ্যুৎ বিল বাবদ ১২ হাজার ৬০০ টাকা দাবি করা হয়। এই দাবিকে অযৌক্তিক বলে প্রতিবাদ শুরু করেন তারা।
২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স প্রথম পর্বের শিক্ষার্থী তাবাসসুম বলেন, জরিমানা মওকুফের অনুরোধ জানাতে গিয়ে এক শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের পা ধরেছিলেন। কিন্তু অধ্যক্ষ তাকে পা দিয়ে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। তাবাসসুমের ভাষ্য, ‘দুইটা স্টুডেন্টের সিট অযৌক্তিকভাবে বাতিল করার কারণেই এই আন্দোলনটা। আমরা ম্যাডামের কাছে হাত-পা জোর করে ক্ষমা চাইলে ম্যাডাম বলেন, আমাদের সরি অ্যাকসেপ্ট করেছেন এবং শাস্তিস্বরূপ এক রাতের অডিটোরিয়ামের বিল বাবদ ১২ হাজার ৬০০ টাকা দিতে হবে। আমাদের স্টুডেন্টদের পক্ষে এই টাকা দেওয়া সম্ভব না।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে বর্তমান প্রতিষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর থেকেই অধ্যক্ষ একের পর এক অযৌক্তিক নিয়ম চাপিয়ে দিচ্ছেন। আবাসিক হলের সুযোগ-সুবিধা পর্যাপ্ত না থাকলেও মাসিক ফি ৬০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হয়েছে। আগামী বছর আরও ১০০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি বাংলোতে নিয়মবহির্ভূতভাবে বহিরাগতদের সাবলেট দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তারা।
বদরুন্নেসা কলেজে দায়িত্ব পালনের সময় দুই হলের ফ্রিজ ও বিদ্যুতের সুইচ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগও করেছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, এসব বিষয়ে কথা বলতে বৃহস্পতিবার সকালে অধ্যক্ষের কাছে গেলে তিনি তাদের বক্তব্য না শুনে ধমক দেন। এরপরই তার কার্যালয়ে তালা দিয়ে অবস্থান শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।
কলেজ প্রশাসনের বক্তব্য, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলার কথা বিবেচনা করে রাত ১২টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক হাবিবা ইয়াছমিন বলেন, ক্যাম্পাসে নির্মাণকাজ চলায় অনেক বহিরাগত শ্রমিক কাজ করছেন। এ অবস্থায় রাতে অনুষ্ঠান দীর্ঘায়িত হওয়া নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
দুই শিক্ষার্থীর আসন বাতিলের বিষয়ে উপাধ্যক্ষ বলেন, প্রাথমিকভাবে শুধু ভয় দেখানোর জন্য এ কথা বলা হয়েছিল। পরে পূজার ছুটির পর গত রোববার সিদ্ধান্ত হয়, ফাইনাল ইয়ারের ওই দুই শিক্ষার্থীর আসন বাতিল করা হবে না। ১২ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানার অভিযোগের বিষয়ে তার ব্যাখ্যা, ভোর ৫টা পর্যন্ত অডিটোরিয়ামে এসি ও ফ্যান চলায় ওই পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল এসেছে। এ অর্থ হোস্টেলের সব শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মাথাপিছু ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে সংগ্রহ করে পরিশোধ করতে বলা হয়েছিল।
অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা সম্পর্কে উপাধ্যক্ষ বলেন, সকালে তিনি ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক অধ্যক্ষের কক্ষে বসে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কথা বলার কথা বলে তাদের বাইরে ডেকে নেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অধ্যক্ষের কক্ষের দরজা বন্ধ করে তালা দেওয়া হয় এবং শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন।
তিনি জানান, বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকেরা কয়েক দফায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিলেও তারা অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছিলেন। বিকেল পাঁচটার পর অধ্যক্ষকে আর ক্যাম্পাসে দেখতে চান না বলেও আলটিমেটাম দেন তারা। তবে বিসিএস ক্যাডার সার্ভিসের নিয়োগ রাষ্ট্রপতির আদেশে হওয়ায় এভাবে সাদা কাগজে পদত্যাগ নেওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ছবি : সংগৃহীত
ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করতে এর সম্পূর্ণ ধাপগুলো বিস্তারিত জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি মূলত দুটি ধাপে সম্পন্ন হয়। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছে বিআরটিএ।
প্রথম ধাপ (লার্নার বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্স)
প্রথমে বিএসপি অ্যাকাউন্ট খুলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র—যেমন মেডিকেল সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইউটিলিটি বিল ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ আপলোড করে লার্নার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হয়। এ ক্ষেত্রে এক ক্যাটাগরির জন্য ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির জন্য ৭৪৮ টাকা ফি প্রযোজ্য।
দ্বিতীয় ধাপ (চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স)
লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হয়। এরপর লিখিত, মৌখিক এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর বিএসপি’র মাধ্যমে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হয়।
এই ধাপে অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ৪,৬২৮ টাকা এবং পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ২,৮৩২ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পেশাদার লাইসেন্স পাওয়ার জন্য ডোপ টেস্ট সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আবেদন অনুমোদিত হলে ঘরে বসেই ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যায়। এছাড়া অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের প্রযোজ্য চার্জও পরিশোধ করতে হবে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পলাতক সন্ত্রাসী, প্রত্যাবর্তন নয়। বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় তাঁকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
ঢাকা সফরে আসা চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ মন্তব্য করেন।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ড নিয়ে দিল্লিতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়ার প্রসঙ্গকে ‘হাস্যকর’ বলে বর্ণনা করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁর হস্তান্তর চাওয়ার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে কি শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াইতে আসবেন যে তাঁকে পাসপোর্ট দেব, আর পাসপোর্ট দিয়ে আসবেন? শেখ হাসিনা হচ্ছেন পলাতক সন্ত্রাসী। স্বৈরাচার, একটা পালিয়ে যাওয়া টেররিস্ট; এখানে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন, তাঁকে কি নরমাল কমার্শিয়াল ট্রাভেলার হিসেবে দেখব যে পাসপোর্ট দেব? আসেন, আসিয়া আপনার শ্বশুরবাড়ি রংপুর বেড়াইয়া যান। আমাদের অ্যাকটিভ এক্সট্রাডিশন ট্রিটি আছে টেররিস্টদের ধরার, ক্রিমিনালকে ধরার। সন্ত্রাসী আর অপরাধীকে ধরতে পাসপোর্ট লাগে না, এটা হস্তান্তর হয়।’
ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণা দেওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাসের জন্য আবেদন করেছেন কি না, এই প্রশ্ন করা হয়েছিল হুমায়ুন কবিরকে।
শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না : হুমায়ুন কবির
জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠক থেকে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন তিনি। এ কারণে বিষয়টি এখনো তাঁর জানা নেই। পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাসের বিষয়টাই ‘হাস্যকর লাগল’ বলে মন্তব্য করেন হুমায়ুন কবির।
২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত বছরের ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাঁদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলার বিচার চলমান।
জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনা হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। মৃত্যুর সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর আইনজীবীরা।
ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। দুই দেশের মধ্যকার প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে ফেরত দেওয়ার কথা বারবার বলে আসছে ঢাকা। ঢাকার তরফ থেকে এ নিয়ে কয়েক দফা চিঠি দেওয়া হলেও দিল্লির কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া পর্যালোচনার কথা বলে আসছে ভারত।
শেখ হাসিনা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে গত জুলাই মাসে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আগামী ডিসেম্বর নাগাদ তাঁর দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘তাঁর (শেখ হাসিনা) প্রত্যর্পণের বিষয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আর আইনি প্রক্রিয়াগুলো বিদ্যমান। সুতরাং এখানে পাসপোর্ট দেওয়ার বা হস্তান্তরের প্রয়োজন নাই।...বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে কার্যকর থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের প্রত্যর্পণের সুযোগ রয়েছে।’
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম
আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে জাতীয় সাংস্কৃতিক উৎসব পালিত হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের অন্যান্য খাতের মতো সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গনকেও নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে চায় সরকার। দীর্ঘদিন ধরে এ দুটি ক্ষেত্র অবহেলিত ছিল। সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গনে নানা ধরনের নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলাও ছিল। সবার সহযোগিতায় একটি সুস্থ, সুন্দর ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গন গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।তিনি বলেন, রাজবাড়ীর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অবস্থা দীর্ঘদিনের অবহেলা ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। স্টেডিয়াম, সুইমিং পুল ও শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। ইতোমধ্যে স্টেডিয়াম ও সুইমিং পুল পুনর্গঠনসহ ক্রীড়াভিত্তিক বেশ কিছু কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, রাজবাড়ীর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অতীতে সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ছিল। সেই ঐতিহ্য আবার ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার। নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে নানা কারণে তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলা ও সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে গেছে।
নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা শিশু-কিশোরদের মানসিক উৎকর্ষ, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশপ্রেম ও মানবিক বোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে তাদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতে যুক্ত করতে হবে। নতুন প্রজন্মকে সময়োপযোগী মানসিকতায় গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ আয়োজন।
এর আগে, রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের অডিটরিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভার্চ্যুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপভোগ করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মসহ উপস্থিত অতিথিরা।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে রাজবাড়ী সদর উপজেলা প্রশাসন ও রাজবাড়ী পৌরসভার আয়োজনে স্থানীয় পর্যায়ে বেলুন উড়িয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) শুভ উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক, আফরোজা পারভীন, পুলিশ সুপার, মীর মনির হোসেন এবং রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মো. ফয়জুর রহমানসহ অন্যরা।