পলাতক আরও একজন, উদ্ধার গাঁজার আনুমানিক মূল্য ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ আব্দুস সালাম (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার উজান কাশিয়ার চর (বালুর চর) এলাকায় তাঁর নিজ বসতঘরে অভিযান চালিয়ে এসব গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আল আমিন (৪৫) নামে অপর এক ব্যক্তি পালিয়ে যান।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আব্দুস সালামকে তাঁর বসতঘর থেকে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তবে আল আমিন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
গ্রেপ্তার আব্দুস সালাম গৌরীপুর উপজেলার উজান কাশিয়ার চর (বালুর চর) এলাকার বাসিন্দা। পলাতক আল আমিন একই উপজেলার সুতিরপাড় এলাকার মুন্সির বাড়ির বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আব্দুর রাজ্জাক।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্যমতে, গ্রেপ্তার ও পলাতক দুজনই দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তাঁদের বিরুদ্ধে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ, ময়মনসিংহ।
ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট
গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগআলীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে দুইটি চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
কারখানা ভবনটি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি জানিয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার শাহিন আলম বলেছেন, ভবনটিতে কাচও রয়েছে। এ কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এতে আগুন নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।
এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক সাইদুল আলম জানান, ঘটনাস্থলে পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। রিজার্ভে থাকা পানি দিয়ে আগুন নেভানোর কাজ চলছে।
এদিকে, আগুনে পোড়া ভবন ও আশপাশের ভবনগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কারখানাটি থেকে এখনো ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখা যাচ্ছে। আগুনের খবর পেয়ে কারখানার সামনে আশপাশের এলাকার হাজারো মানুষ ভিড় করেছেন।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ও ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর সদস্যরাদের যোগ দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। বুধবার দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আইএসপিআর।
বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার শাহিন আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আজ দুপুর পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কারখানার ভেতরে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানার ইউনিট-২-এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারখানার বিভিন্ন অংশে। পরে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া বাড়তে থাকে। কারখানার ভেতরে থাকা ওষুধ, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও বিভিন্ন মালামাল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে কারখানার কোন তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, ওই কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের তিনটি, উত্তরা ফায়ার স্টেশনের তিনটি, গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্নের চারটি, কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনের চারটি, রাজেন্দ্রপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ও পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের তিনটিসহ ২০টি ইউনিট কাজ করছে। এ ছাড়া মিরপুর থেকে একটি হ্যাজম্যাট টেন্ডার ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাতের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজ–খবর রাখা হচ্ছে বলে জানান গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছেন।
অগ্নিকাণ্ডে হতাহত হওয়ার বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে কালাম নামে ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মীকে টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।
দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও সীমান্তবর্তী এলাকায় রাতভর বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও বিক্রয় নিষিদ্ধ সিরাপ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় মদ, ইয়াবা ট্যাবলেট, ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও বিক্রয় নিষিদ্ধ সিরাপ। এসব পণ্যের মোট সিজার মূল্য এক লাখ ৯৯ হাজার ৪০০ টাকা।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধীন এনায়েতপুর, ফকিরগঞ্জ ও বাশালগাঁও বিওপির সদস্যরা সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরের বিরল এবং ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ ও হরিপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় এসব মাদকদ্রব্য ও সিরাপ উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ২৪ বোতল ভারতীয় মদ, ১৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৯১ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এবং ৩৩৪ বোতল বিক্রয় নিষিদ্ধ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধার করা পণ্যগুলোর বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক জানিয়েছেন, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ছবি : সংগৃহীত
গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগআলীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ও ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর সদস্যরাদের যোগ দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। বুধবার দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আইএসপিআর।
বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার শাহিন আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আজ দুপুর পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কারখানার ভেতরে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানার ইউনিট-২-এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারখানার বিভিন্ন অংশে। পরে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া বাড়তে থাকে। কারখানার ভেতরে থাকা ওষুধ, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও বিভিন্ন মালামাল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে কারখানার কোন তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কারখানা ভবনটি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি জানিয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার শাহিন আলম বলেন, ভবনটিতে কাচও রয়েছে। এ কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এতে আগুন নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, ওই কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের তিনটি, উত্তরা ফায়ার স্টেশনের তিনটি, গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্নের চারটি, কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনের চারটি, রাজেন্দ্রপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ও পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের তিনটিসহ ২০টি ইউনিট কাজ করছে। এ ছাড়া মিরপুর থেকে একটি হ্যাজম্যাট টেন্ডার ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাতের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজ–খবর রাখা হচ্ছে বলে জানান গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছেন।
প্রতীকী ছবি
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে চার্জে লাগানো মোবাইল ফোনে গেম খেলার সময় বিস্ফোরণে দুই যুবক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মো. রুবেল (২২) নামের এক যুবকের দুই চোখই গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চরবগা এলাকার চৌধুরী বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ইমরান হোসেন মনজু জানান, মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে রুবেলের চোখ ও মুখমণ্ডলে গুরুতর আঘাত লেগেছে। চোখের ভেতরের অংশে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ায় তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রুবেলকে ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত শাকিলকে রায়পুরে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, চার্জে থাকা অবস্থায় মোবাইল ফোনে গেম খেলার সময় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটবে, তা কেউ কল্পনা করেননি। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন বলেন, মোবাইল ফোনটি কী কারণে বিস্ফোরিত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে।
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন
গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগআলীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করছে। বুধবার সকাল ১০টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার খবর পেয়ে টঙ্গী ও গাজীপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হয় ইউনিটের সংখ্যা। বর্তমানে ২০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শাহিন আলম বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগার খবর পেয়ে টঙ্গী ও গাজীপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন।’
এদিকে কারখানাটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আশপাশের এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, কারখানার কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানার ইউনিট-২-এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারখানার বিভিন্ন অংশে। পরে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া বাড়তে থাকে। কারখানার ভেতরে থাকা ওষুধ, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও বিভিন্ন মালামাল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে কারখানার কোন তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে টঙ্গী ফায়ার স্টেশন থেকে তিনটি, উত্তরা ফায়ার স্টেশন থেকে তিনটি, গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্ন থেকে চারটি, কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশন থেকে চারটি, রাজেন্দ্রপুর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি এবং পূর্বাচল ফায়ার স্টেশন থেকে তিনটি ইউনিট পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া মিরপুর থেকে একটি হ্যাজম্যাট টেন্ডার আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যুক্ত হয়েছে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের উজান বুড়াইল এলাকায় অবৈধভাবে জমি দখল করে এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে কাপাসিয়ার উজান বুড়াইল চরে এ মানববন্ধনে প্রায় ৩০০ জন পুরুষ-মহিলা অংশগ্রহণ করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মোখলেছুর রহমানগং এলাকাবাসীকে উপেক্ষা করে ন্যায্য কথা না শুনে নাসির উদ্দিনগংদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে আসছেন। এতে করে হয়রানি হচ্ছেন অনেকেই।
সচেতনমহল বলছেন, আইনের প্রতি চরাঞ্চলের মানুষ অনেক শ্রদ্ধাশীল।মোখলেছুর রহমান যে কার্যকলাপ করছেন তা হয়রানির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। চরাঞ্চলের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের পাশাপাশি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মানববন্ধনে উপস্থিত জনতা।