ছবি : সংগৃহীত
গভীর রাতে আগুনে পুড়েছে মসজিদ, দোকানপাট ও বিভিন্ন পণ্যের গুদাম। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঝুট ও তুলার গুদাম, স্যানিটারি দোকান, মুরগির দোকানসহ একটি ভাঙারির দোকানও। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার চন্নাপাড়া গ্রামের ২ নম্বর সিঅ্যান্ডবি বাজারে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নুরুল করিম বলেন, ‘রাত ৩টা ৫৫ মিনিটের দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাই আমরা। খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে আগুনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকায় পরে শ্রীপুর ফায়ার স্টেশনের আরও একটি ইউনিট এবং রাজেন্দ্রপুর মডার্ন ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট কাজে যোগ দেয়।’
তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভোর ৫টা ৪৮ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডে ঝুট ও তুলার গুদাম, স্যানিটারি দোকান, কয়েকটি মুরগির দোকান, ভাঙারির দোকানসহ একটি মসজিদ পুড়ে গেছে। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।
ছবি : সংগৃহীত
রক্তশূন্যতায় অসুস্থ হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে তাকে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। সেখান থেকে বিমানে ঢাকায় নিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি) চিকিৎসা দেওয়ার কথা রয়েছে। ভূমিমন্ত্রীর এপিএস নাজমুল হক ডিকেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গত কয়েক দিন ধরেই অসুস্থতাবোধ করছিলেন ভূমিমন্ত্রী। বুধবার সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার অংশ হিসেবে তাকে তিন ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
অসুস্থতার মধ্যেও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন ভূমিমন্ত্রী। হাসপাতালের শয্যায় থেকেও রাজশাহীর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। তার অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন মিজানুর রহমান মিনু। পরদিন অসুস্থতা বেড়ে গেলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরেও গিয়েছিলেন তিনি।
নিজের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন ভূমিমন্ত্রী। বুধবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি অসুস্থ। আমার সুস্থতার জন্য প্রিয় রাজশাহীসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। যাতে আল্লাহ তায়ালা আমাকে সুস্থতা দান করেন। দ্রুত সুস্থ হয়ে জনসেবায় আত্মনিয়োগ করতে পারি।’
উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার মধ্য দিয়ে এখন তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির অপেক্ষায় রয়েছেন সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে রামেক হাসপাতালে ছুটে যান বিএনপির জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। বুধবার রাতে মহানগর জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরাও হাসপাতালে তাকে দেখতে যান। এ সময় তারা মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতা ছাপিয়ে অসুস্থ ভূমিমন্ত্রীর পাশে দাঁড়াতে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের এই উপস্থিতিতে পারস্পরিক সৌহার্দ্যের চিত্র ফুটে ওঠে।
গ্রেফতার দুই ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘ শিশু তহবিল–ইউনিসেফের প্রকল্পে চাকরি দেওয়ার নামে হাজারো চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেফতার দুজনের মধ্যে একজনকে চক্রের মূলহোতা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন মো. মোজাম্মেল হক (২৯) ও মো. আল আমিন সরদার (২৫)। বুধবার (২১ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ডিবির নিয়মিত সাইবার মনিটরিংয়ের সময় ফেসবুকে একটি পেজে ইউনিসেফের নাম ও লোগো ব্যবহার করে ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচারের তথ্য পাওয়া যায়। ওই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিত চক্রটি। চক্রটি অনলাইনে আবেদনকারীদের কাছ থেকে ফরম বিক্রির কথা বলে প্রথমে ৫৮০ টাকা নিত। পরে চূড়ান্ত নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে আরও ২ হাজার ৫৮০ টাকা আদায় করত। টাকা পাওয়ার পরপরই সংশ্লিষ্ট মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দিত তারা।
এ ঘটনায় ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ রমনা থানায় একটি মামলা করে। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার দিনগত রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে মোজাম্মেল হককে গ্রেফতার করা হয়।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন ভোর ৫টার দিকে মোহাম্মদপুরের জহুরী মহল্লার একটি বাসা থেকে আল আমিন সরদারকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে তাদের কাছ থেকে অপরাধে ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ফেসবুক পেজ-সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও মোবাইল সিম জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা ডিবিকে জানিয়েছেন, গত দুই থেকে তিন বছর ধরে বুস্টিং ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে হাজারো চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিলেন তারা। গ্রেফতার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। চক্রের অন্য সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নোয়াখালী থানা। ছবি: সংগৃহীত
নোয়াখালীর সেনবাগে অটোরিকশা চালানোর সময় অসুস্থ হয়ে মো. আরমান মিয়া (৪১) নামে এক চালকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সেনবাগ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুপুর ব্রিজের ওপর এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আরমান উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের উত্তর সাহাপুর গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আরমান অটোরিকশা চালিয়ে বাবুপুর এলাকা থেকে সেনবাগ বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বাবুপুর ব্রিজের ওপর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থলে সাদা রঙের এক ধরনের ওষুধ জাতীয় পদার্থ দেখতে পান। পুলিশের ধারণা, স্ট্রোক করে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইনডোর মেডিকেল অফিসার ডা.কামাল হোসেন বলেন, স্থানীয় লোকজন আরমানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
সেনবাগ থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
উত্তাল সৈকত। ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের মেরিনড্রাইভ সড়কের রামু পেঁচারদ্বীপ পয়েন্টে সমুদ্রে গোসল করতে নেমে ডুবে গিয়ে তিন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে এবং দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সবার পরিচয় পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় আরও তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে হিমছড়ি পেঁচারদ্বীপের জাদুঘরসংলগ্ন সৈকতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মুকাররম হোসেনের ছেলে রোহান (২৩), শহীদুল ইসলাম (২৩) ও চট্টগ্রামের বায়েজিদ শার্সা এলাকার মো. আকাশ (২১)। নিখোঁজরা হলেন- চট্টগ্রামের বায়েজিদ শার্সা এলাকার মো. কবিরের ছেলে মো. হারুন (২০) ও অন্যজন হলেন ঢাকার আজিমপুর এলাকার বাসিন্দা নাফিসুল হক নিবিড় (২২)।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলেন, পর্যটকদের দুটি দল পেঁচারদ্বীপ জাদুঘর সংলগ্ন রেজুখাল পেয়ে খাল ও সমুদ্রের মাঝে জেগে ওঠা চরে ঘুরতে যায়। বিকেল পেরোলে সাগরে জোয়ার শুরু হলে পানি বেড়ে চরটি ডুবতে শুরু করে। কিন্তু পর্যটক দলের সদস্যরা সে বিষয়টি খেয়াল করেননি। এক পর্যায়ে চরটি পানিতে ডুবে গেলে তলিয়ে যান দুই দলের পর্যটকরা।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় লোকজন চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটকদের তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। এরপর ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং নিখোঁজ হন দুজন। জীবিত উদ্ধার হওয়া তিনজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- চট্টগ্রাম বায়েজিদ এলাকার মৃত আবুল কালামের ছেলে রাকিব হাসান, একই এলাকার মৃত ছগিরের ছেলে মো. সানী ও বায়েজিদে বসবাসকারী নোয়াখালীর মো. হেলালের ছেলে মো. আকাশ।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. সানী ও মো. আকাশ জানান, দুপুর ১২টার দিকে ট্রেনে কক্সবাজারে পৌঁছে আগে থেকে বুকিং করা পেঁচারদ্বীপে একটি রিসোর্টে ওঠেন। সেখান থেকে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সাগরে নামেন এবং রেজুখাল পেরিয়ে ওই চরে চলে যান। একইভাবে অন্য একটি পর্যটক দলের সদস্যরা আমাদের মতো খাল পেরিয়ে চরে চলে যান। পরে এ ঘটনা ঘটে।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান রাত সাড়ে ৯টার দিকে বলেন, মরদেহগুলো হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। অন্যদিকে নিখোঁজ দুজনের সন্ধানে সাগরে তল্লাশি চলছে।
রাশেদ খাঁন। ছবি: সংগৃহীত
হাজারো ডিসেম্বর চলে যাবে কিন্তু শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আর ফিরবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের কালীবাড়ী মন্দিরে সনাতন ধর্মালম্বীদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগ যে অন্যায় করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, তাদের আর বাংলাদেশে ফিরে রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নাই। ৫ আগস্ট যে আওয়ামী লীগকে বিদায় জানিয়েছে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ, সেই আওয়ামী লীগকে আর কখনোই এ দেশের জনগণ স্বাগত জানাতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরবে এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না। হাজারো ডিসেম্বর চলে যাবে কিন্তু শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশে ফিরবে না।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তবিবুর রহমান মিনি, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হামিদুল ইসলাম, ইলিয়াস রহমান মিঠু, ইসরাইল হোসেন জীবনসহ প্রমুখ।
সিলেটে সিএনজি চালক হত্যাঃ বাবা ও চার ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৫