শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলামের নেতৃত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতায় জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সংস্কার, মেরামত ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
সোমবার বিকেলে কলেজ ক্যাম্পাসের সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি, জাজিরা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি এসএম বজলুর রশীদ।
এ সময় জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ মো. দেলোয়ার হোসেন, অধ্যক্ষ মো. দাদন মিয়া সহ জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও বিকেনগর সরকারি কলেজের সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় এসএম বজলুর রশীদ বলেন, “জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে আমরা গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। সীমানা প্রাচীর নির্মাণের ফলে কলেজের নিরাপত্তা ও পরিবেশ আরও সুন্দর হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলামের নেতৃত্ব ও সহযোগিতায় কলেজের উন্নয়ন কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে।”
এসময় অধ্যক্ষ মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ায় আমরা আনন্দিত। সীমানা প্রাচীর নির্মাণ হলে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও সৌন্দর্য অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষার্থীদের সুন্দর পরিবেশে পাঠদানের সুযোগ তৈরি হবে। কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে যারা সহযোগিতা করছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও শিক্ষার মানোন্নয়ন ও কলেজের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।”
কলেজ সংশ্লিষ্টরা জানান, সংস্কার, মেরামত ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হবে। উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যেও সন্তোষ দেখা দিয়েছে।
খেলাধুলায় বাড়ে বল, মাদক ছেড়ে মাঠে চল, এই প্রতিপাদ্য ও স্লোগানকে সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল ইউনিয়নের কামারগাঁও চৌধুরী বাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে গোপাল বেপারী ও নোয়াব আলী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট।
গত শুক্রবার বিকেলে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে মুখোমুখি লড়াইয়ে অংশ নেয় মাঠপাড়া যুব ও ক্রিড়া সংঘ ও রাসেল একাদশ। রোমাঞ্চকর এই খেলায় স্থানীয় বিপুলসংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক উপস্থিত থেকে উভয় দলকে করতালি ও উল্লাসে উৎসাহিত করেন। টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মোশারফ বেপারী। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেকবর বেপারী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খয়ম বেপারী। পুরো অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন ভাগ্যকুল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্রিন্স বেপারী।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আমন্ত্রিত বিএনপির অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ শাহ আলম রনি মৃধা সহ-সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়বাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির। এড. রফিকুল আমিন খান সভাপতি ভাগ্যকুল ইউনিয়ন বিএনপি মোঃ ইউসুফ আলী রানা সাধারণ সম্পাদক ভাগ্যকুল ইউনিয়ন, মোঃ ইউসুফ আলী রানা সাধারণ সম্পাদক ভাগ্যকুল ইউনিয়ন বিএনপি মোঃ সেলিম ভুইয়া যুগ্ন আহবায়ক শ্রীনগর উপজেলা যুবদল, খেলা শেষে অতিথিরা বিজয়ী মাঠপাড়া যুব ও ক্রিড়া সংঘ দলের মাঝে প্রথম পুরস্কার ফ্রিজ তুলে দেন। ইউপি চেয়ারম্যান, কাজী মনোয়ার হোসেন সাহাদ ও ইউপি সদস্য মোশারফ ব্যাপারী, বক্তব্যে রাখেন প্রিন্স বেপারী ও এড. রফিকুল আমিন খান বলেন, সভাপতি ভাগ্যকুল ইউনিয়ন বিএনপি, যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রেখে সুস্থ-সবল জাতি গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত এমন টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় যুবসমাজ সঠিক পথে পরিচালিত হবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জেলার সকল পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার এর আয়োজনে পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁও জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ বেলাল হোসেন।
সভায় পুলিশ সুপার মহোদয় পূজামণ্ডপসমূহের নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান। পাশাপাশি গুজব ও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় জেলা, থানা ও পৌরসভা পর্যায়ের পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের মতামত গ্রহণ করেন এবং পূজার পূর্বে, পূজাকালীন ও পূজা-পরবর্তী সময়ে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
এছাড়া জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, মাসিক কল্যাণ সভা, মেধাবৃত্তি প্রদান, মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা, কিট প্যারেড সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লিখিত কার্যক্রমসমূহে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ), ডিআইও-১, জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, ওসি (ডিবি), কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, আরআইসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সকল পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ এবং জেলা, থানা ও পৌরসভা পর্যায়ের পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
ভোলার লালমোহনের পেশাদার সাংবাদিকদের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘‘লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটি”র পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে এ উপলক্ষে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মো. জসিম জনির সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাহিদ দুলাল এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক আমজাদ হোসেন খান, মাহমুদ হাসান লিটন, ইউসুফ আহমেদ, এম আর পারভেজ, ইয়াছিন সিরাজী, শাহ আব্দুল মোতালেব প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সকলের মতামতের ভিত্তিতে লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির ১১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কার্যকরি কমিটি গঠন করা হয়। নবাগত কমিটির সদস্যরা হলেন: সভাপতি- মো. জসিম জনি, সিনিয়র সহ-সভাপতি- ইউসুফ আহমেদ, সহ-সভাপতি- মো. নাঈমুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক- জাহিদ দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- হাসান পিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক- মাকসুদুর রহমান পারভেজ, অর্থ ও প্রচার সম্পাদক- শাহ আব্দুল মোতালেব, নির্বাহী সম্পাদক- মো. আমজাদ হোসেন খান, মাহমুদ হাসান লিটন, মো. শহিদুল ইসলাম হাওলাদার, মাকসুদ উল্লাহ।
উল্লেখ, গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং উপস্থিত সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নির্মাণাধীন সড়কে কংক্রিট পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ট্রাকের ধাক্কায় মনিজা খাতুন (৮০) নামে এক বৃদ্ধা নারী নিহত হয়েছেন।
আজ রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের হাবিবপুর গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রহিম উদ্দিন জামে মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মনিজা খাতুন ওই এলাকার মৃত সায়েদুল হকের স্ত্রী।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সকালে মনিজা খাতুন হাবিবপুর বাজার থেকে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় গ্রাম্য সড়কে সংস্কারকাজের জন্য কংক্রিট পরিবহনে নিয়োজিত একটি ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক ও হেলফার পালিয়ে যায়। তবে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটক করে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে অবহিত করেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নুরুল হাকিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৭০ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। তাদের মধ্যে ১৮ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো.আরিফ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ অভিযান চালানো হয়।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে, ১০ জনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে এবং ছয়জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
থানাভিত্তিক অভিযানের মধ্যে হাতিয়া থানায় সর্বোচ্চ ৪৯ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে দুজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে, ছয়জনকে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪১ জনকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। বেগমগঞ্জ মডেল থানায় আটক ৩২ জনের মধ্যে চারজনকে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দিয়ে বাকি ২৮ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ছাড়া সোনাইমুড়ী থানায় আটক ১৮ জনের মধ্যে ছয়জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং ১২ জনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১৭ জন, কবিরহাট থানায় ৯ জন, চাটখিল থানায় ৬ জন, সুধারাম মডেল থানায় ৪ জন, সেনবাগ থানায় ৩ জন এবং চরজব্বর থানায় ৩২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন আওর বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাছের বারবিকিউ পার্টিতে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য মিশিয়ে তৈরি ‘ঝাক্কাস’ নামের একটি পানীয় সেবনের পর মোহাম্মদ সাকিব (২২) নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও চারজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজন নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আজ রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমান। এর আগে শনিবার বেলা ১১টার দিকে নোয়াখালী শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সামনে সাকিবের মৃত্যু হয়।
নিহত সাকিব উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রামের মুসলিম কলোনির মৃত এফরান মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে কাদিরহানিফ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা কলেজের পূর্ব পাশে খালপাড় এলাকায় এক প্রবাসী বন্ধু বিদেশ থেকে আসায় স্থানীয় বাসিন্দা মিলনের বাড়িতে স্থানীয় কয়েকজন তরুণ মাছের বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করেন। পার্টিতে তারা মদের সাথে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য মিশিয়ে ‘ঝাক্কাস’ নামে একটি পানীয় তৈরি করে সেবন করেন। পরে রাতের খাবার ও আড্ডা শেষে তারা নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান।
পরদিন শনিবার ভোর ৫টার দিকে সাকিবসহ পাঁচজন শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে তাদের স্থানীয় চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে সাকিব ও মো. টিপুর (২৫) শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বেলা ১১টার দিকে তাদের নোয়াখালীর প্রাইম হসপিটাল প্রাইভেট লিমিটেডে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, অসুস্থ হয়ে পড়া সাইফুল ইসলাম পাখিকে (২২) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অপর তরুণ মো. টিপু (২৪), মনির হোসেন শান্ত (২৩) মোহাম্মদ রাসেলকে (২৩) নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী বলেন, বিষাক্ত মদপানে অসুস্থ হয়ে তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর বেশি কিছু আমার জানা নেই।
সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমান বলেন, একাধিক মাদকদ্রব্য মিশিয়ে ‘ঝাক্কাস’ তৈরি করে পাঁচ যুবক তা পান করেন। এতে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ বর্তমানে তার বাড়িতে রয়েছে। সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।