ভিন্নধর্মী নাটক “ম্যাম সাহেবের পাত্র পরীক্ষা”

  • প্রকাশ : শনিবার ১১ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ৮:১০ এএম

সমসাময়িক নাট্যজগতে আবারও আসছে নতুন চমক। পরিবারিক গল্প আর বাস্তব জীবনের ছোঁয়ায় নির্মিত হচ্ছে ভিন্নধর্মী নাটক “ম্যাম সাহেবের পাত্র পরীক্ষা”।


রাজধানীর উত্তরার একটি শুটিং হাউসে জমজমাট পরিবেশে চলছে নাটকটির শুটিং। তরুণ নির্মাতা রাশেদ আল মামুন উত্তরের পরিচালনায় নাটকটি ইতোমধ্যেই কৌতূহল তৈরি করেছে দর্শকদের মাঝে।


প্রযোজনায় রয়েছেন জাফর ইকবাল গোর্কি। নির্মাণশৈলী ও গল্প বলার ধরনে আধুনিকতার ছোঁয়া রাখতে চেষ্টা করছেন পুরো টিম।


নাটকটিতে অভিনয় করছেন তানবীর লিমন, সুনব সানী, স্বর্ণা বিশ্বাস, তানহা ইয়ামিন,রাশেদ আল মামুন, জামাই বাবুসহ আরও অনেকেই। পারিবারিক গল্পের ভেতরে থাকছে হাসি, আবেগ আর সম্পর্কের টানাপোড়েন।


বর্তমান সময়ের দর্শক যেখানে বাস্তবধর্মী ও পারিবারিক কনটেন্টে আগ্রহী, সেখানে “ম্যাম সাহেবের পাত্র পরীক্ষা” হতে পারে একটি ভিন্নধর্মী সংযোজন।


ইতোমধ্যেই নাটকটির গল্প ও চরিত্র নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, মুক্তির পর দর্শকদের কাছ থেকে মিলবে দারুণ সাড়া। 


নাটকটি শিগগিরই প্রকাশ পাবে ইউটিউব চ্যানেল ''চিত্রকল্প'' ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে।




সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায়চৌধুরী

  • প্রকাশ : সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:০৮ পিএম

জমকালো আয়োজনে চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর উদ্বোধন


"একটি সুস্থ সাবলীল জাতি গঠনে লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলার বিকল্প নেই। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এরাই দেশ গঠনে নেতৃত্ব দিবেন। সে কারণেই কবি লিখেছেন ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে। আজকের এই তরুণরাই এক সময় বাংলাদেশ ফুটবলকে নিয়ে যাবে বিশ্ব ফুটবলের দরবারে। সেটি মাথায় রেখেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন"। 


গতকাল রবিবার বিকেল ৫টায় চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়ামে (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠ) জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ-২০ ২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায়চৌধুরী । 


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত মহিলা আসন ০৫ এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মহিলা এমপি অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী বলেন, খেলাধুলা শুধুমাত্র বিনোদন নয়,খেলাধুলা প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনীয়তা কে গুরুত্ব দিয়েই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে খেলাধুলা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, প্রাইমমিনিস্টার ফুটবল,জেলায় জেলায় সুইমিং পুল নির্মাণ, উপজেলায় উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম তৈরি, প্রতি জেলায় ক্রীড়াপল্লী তৈরি  সহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এই উদ্যোগের ফলে এদেশের তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা মোবাইল ও মাদক ছেড়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাঠে ফিরবে সেটিই হবে আমাদের প্রত্যাশা। 


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর  খান, চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরীফ। 


এছাড়া বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( সার্বিক) বিএম তারিকুজ্জামান। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা:হাদি জিয়া উদ্দিন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিনুর আক্তার, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি,দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার লাভলী ইয়াসমিন, এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরী এএসএম আব্দুর রউফ শিপলু, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু সাইফ, জেলা মহিলা দলের সভাপতি রউফুন নাহার রিনা,সিনিয়র সহ-সভাপতি শেফালী খাতুন, সাধারণ সম্পাদক জাহানারা খাতুন,  কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সদস্য নীলিমা ইসলাম বিশ্বাস মিলি, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু, চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা অফিসার আনিসুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওহিন্দ্র কুমার মন্ডল ও চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজী। 


চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিথি মিত্র'র প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি,সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ,  জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম,  চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপি'র সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, চুয়াডাঙ্গা সদর থানা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের সভাপতি শরিফুজ্জামান সিজার,সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশিদ ঝন্টু, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ মোহাম্মদ রাজিব খান, সদর থানা বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ,স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হামিদ উদ্দিন বাবু,   সদর উপজেলা  যুবদলের আহবায়ক মতিউর রহমান মিশর,  জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহজাহান খান, সাধারণ সম্পাদক মমিন মালিতা, সিনিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও এফএসসি ফুটবল ক্লাবের সভাপতি  জুয়েল মাহমুদ,পৌর বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক কাকন ,মিলন আলী লিমন, প্রমূখ।  


এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র প্রার্থী শাহরিন হক মালিক,সিনিয়র সহ-সভাপতি  রেজাউল হক জোয়ার্দ্দার রেজা,সাবেক কৃতি ফুটবলার মাহমুদুল হক লিটন, সারোয়ার হোসেন জোয়ার্দ্দার মধু, শরিফুল ইসলাম, নাজমুল হক শান্তি, সাবেক কৃতি গোলরক্ষক রবিউল ইসলাম মল্লিক, সাবেক কৃতি ফুটবলার মিজানুর রহমান মানিক, আইয়ুব হোসেন, টিপু সুলতান, শহিদুল কদর জোয়ার্দ্দার,চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহবায়ক কমিটির সদস্য কাজী মামুনউজ্জামান আদুন,চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ইমরান মহলদার রিন্টু,দামুড়হুদা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মাহবুব বাচ্চু, জীবননগর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার  সদস্য সচিব শাহজাহান কবীর,আলমডাঙ্গা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মন্ডল, চুয়াডাঙ্গা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কোষাধক্ষ্য আশাবুল হক আশা, দপ্তর সম্পাদক সোহেল আহমেদ মালিক সুজন,রিমন মন্ডল,  সহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ ।   


প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিগণ মূল মঞ্চে  আসন গ্রহণ করার পর ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান, পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ শেষে জাতীয় সংগীতের তালে তালে প্রধান অতিথি মাননীয় মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।এরপর পুনরায় মঞ্চে আসন গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর  শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদ্বয়কে সম্মাননা স্মারক হিসেবে  ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের  সভাপতি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের  আনুষ্ঠানিক সমাপনী বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানের বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে শাহ আলম সনি রচিত জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর থিম সং এর তালে তালে নিত্য পরিবেশন করা হয়। থিম সং-এ কন্ঠ দেন হাসিবুল ইসলাম শান্ত ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক  জান্নাতুল নাঈম রিপা। থিমসং নৃত্য পরিবেশন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা শিল্পকলা একাডেমির এক ঝাঁক তরুণ  শিক্ষার্থী। 


এরপর প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি সহ আমন্ত্রিত অতিথিগণ শান্তির কপোত শ্বেত কবুতর অবমুক্তকরণ, বেলুন ও ফেস্টুন উড্ডয়নের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোকছটা  ছড়িয়ে দেন চুয়াডাঙ্গার আকাশে ।


উল্লেখ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে আরো নানারঙে রাঙিয়ে দিতে চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা অফিসার আনিসুর রহমানের মাধ্যমে জেলা শহরের  প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের  ইউনিফর্ম পরিহিত শিক্ষার্থীরা গ্যালারিতে বসে ফুটবল খেলা উপভোগ  করেন।  যে কারণে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের গ্যালারি গুলো  লাল, নীল, সাদা সহ বিভিন্ন কালারের এক বর্ণিল রূপ ধারণ করে। সঙ্গে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা সহ শহরের বিভিন্ন  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন  ও সহকারী শিক্ষকগণ। 


উদ্বোধনী  ম্যাচে মুখোমুখি হওয়া চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও দর্শনা পৌরসভা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের সাথে  পরিচিত হয়ে প্রধান অতিথি এবং  শেষ অতিথিগণ আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটবলে কিক অফ করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ করেন।


ভিআইপি মঞ্চে ফিরে এসে অতিথিবৃন্দ কিছু সময়ের জন্য ফুটবল খেলাউপভোগ করে মাঠ ত্যাগ করেন। উদ্বোধনী ম্যাচে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ২-০ গোলে জয়লাভ করে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উন্নীত হওয়ার গৌরব অর্জন করে । চুয়াডাঙ্গার পক্ষে গোল করেন শাকিল ইসলাম উৎস ও মহিবুল ইসলাম। উদ্বোধনী ম্যাচে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার শাকিল ইসলাম। 


পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী উদ্বোধনী ম্যাচের প্রথম গোলকারী কে ফুটবল মাঠের বাদামওয়ালা ১০০ টাকা উপহার দেন শাকিল ইসলামকে। এছাড়া  ম্যান অফদি ম্যাচ নির্বাচিত হওয়ায় শাকিল ইসলামকে আলমডাঙ্গা  মন্ডল স্পোর্টসের   পক্ষ থেকে ২০০০ টাকা পুরস্কার দেয়া হয়। একই সাথে এমকেএস ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউটরের স্বত্বাধিকারী  মনোয়ারুল হাসান সুমন উদ্বোধনী ম্যাচের দু গোলদাতাকে পাঁচশত  টাকা করে উপহার দেন। এ উপহারগুলো পুরস্কার প্রাপ্ত খেলোয়াড়দের হাতে তুলে দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম তারিকুজ্জামান, এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরী ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার  সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজি। উদ্বোধনী ম্যাচের ধারা বিবরণী প্রদান করেন ইসলাম রকিব ও শামীম আহমেদ খান। 


উদ্বোধনী ম্যাচটি পরিচালনা করেন মোহাম্মদ  সেন্টু, জুয়েল রানা, সিয়াম ও নিতা হোসেন। আজ একই মাঠেমুখোমুখি  হবে আলমডাঙ্গা উপজেলা দল জীবননগর উপজেলা দল।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৫৯ পিএম

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় বাড়ির আঙিনায় আদার আড়ালে গাঁজা চাষের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বাড়ির আঙিনা থেকে দুটি গাঁজাগাছও জব্দ করা হয়েছে। 


পুলিশ বলছে, গাছ দুটির ওজন প্রায় ২০ কেজি।


গ্রেপ্তার যুবকের নাম আবু তালেব (২৭)। তিনি উপজেলার শ্রী হরিবিহরি গ্রামের বাসিন্দা। 


গতকাল রোববার রাত একটার দিকে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রী হরিবিহরি গ্রামের একটি বাড়ির আঙিনায় গোপনে গাঁজা চাষ হচ্ছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে অভিযান চালায় ঘোড়াঘাট থানার পুলিশ। এ সময় আবু তালেবের বাড়ির আঙিনায় আদার বাগান থেকে দুটি গাঁজাগাছ জব্দ করা হয়। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।


আজ সোমবার সকালে গ্রেপ্তার আবু তালেবকে দিনাজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম। 


তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।


পানি বৃদ্ধিতে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি ও সবজি ক্ষেত

  • প্রকাশ : রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০৫ পিএম

​নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদীতে গত কয়েকদিনের টানা পানি বৃদ্ধিতে উপজেলার চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে নদীতে বিলীন হয়েছে অর্ধশত ঘরবাড়ি, তলিয়ে গেছে প্রায় ৫০২ হেক্টর জমির ফসল ও সবজি। এছাড়া অনেক বসতবাড়িতেও পানি ঢুকে পড়েছে, ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রিফাত করিম জানান আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা পর্যন্ত ঈশ্বরদী হার্ডিং ব্রিজ পয়েন্টে পানির লেভেল ১৩ দশমিক ০৬ মিটার সে অনুযায়ী বর্তমানে লালপুরে পদ্মার পানি বিপদ সীমার ৭৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান নতুন করে পানি বৃদ্ধির সম্ভবনা নেই।


​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে উজানের ঢল ও টানা বর্ষণে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে উপজেলার ঈশ্বরদী, লালপুর ও বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি চর এবং নদী তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলো দ্রুত প্লাবিত হচ্ছে। নদীর পানি বিপদসীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ও সাপের উপদ্রব বেড়ে গেছে। ফলে চরাঞ্চলের মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।এছাড়াও গো খাদ্য সংকটে চরম বিপাকে পড়েছে গরু মহিষের খামারিরা।


​উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আকস্মিক এই পানি বৃদ্ধিতে চরাঞ্চলের প্রায় ৫০২ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত। এর মধ্যে রয়েছে, আখ ৪৩৫ হেক্টর, সবজি ৭ হেক্টর, ফল ৬০ হেক্টর। এতে প্রায় ১৪০০ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


গতকাল শনিবার সরজমিনে উপজেলার পদ্মার চর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ফসলি জমিগুলো পুরোপুরি পানিতে ডুবে আছে। বাঁশের মাচা বা খুঁটি দিয়ে আগলে রাখা সবজি ক্ষেতগুলোর শুধু উপরের অংশ পানির উপরে জেগে আছে। অনেক জায়গায় নতুন রোপণ করা মুলা, বেগুন গাছও পানির নিচে তলিয়ে গেছে কৃষকরা নৌকা বা ভেলায় করে তাদের ডুবে যাওয়া ফসল রক্ষার চেষ্টা করছেন, কিন্তু পানির তীব্রতায় তা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ফলানো ফসল চোখের সামনে তলিয়ে যেতে দেখে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।


​দিয়ারশংকরপুর চরের কৃষক নাসিরুল বলেন, "হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধিতে আমার ২ বিঘা জমির মুলা ও বেগুন পুরোপুরি পানির নিচে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আমার আরো ৪ বিঘা মুলা ও বেগুন ক্ষেত তলিয়ে যাবে।"


২নং ঈশ্বরদী ইউনিয়নের কুলচরা লক্ষীপুর চরের মহিষের খামারি খায়রুল ইসলাম বলেন, আমরা গবাদি পশু নিয়ে চরম বিপদে আছি বন্যার পানিতে চারাঞ্চল ডুবে গেছে, কোথাও ঘাস নেই মহিষকে এখন শুধু ধানের শুকনো পোয়াল আর পানি খাওয়াচ্ছি।


এদিকে, পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়ে উপজেলার বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নওসারা সুলতানপুর পদ্মার চরে চরাঞ্চলের প্রায় ৫০টি বসতঘর এবং বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান হঠাৎ এ ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার। রসুলপুর, দিয়াড়শংকরপুর, নওসারা সুলতানপুর, আরাজি বাকনার প্রায় সাড়ে ৪শপরিবার পানি বন্দী হয়ে পড়েছে।


বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সিদ্দিক আলী মিষ্টু জানান, ইতিমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে, সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।


​লালপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড় বলেন, আমরা চর এলাকা পরিদর্শন করেছি, পদ্মার পানি বৃদ্ধি হওয়ায় চর এলাকার বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পানি কমে গেলে প্রকৃত ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা যাবে।


এবিষয়ে ​লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আবীর হোসেন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদ্মার পানি বৃদ্ধি এবং চরাঞ্চলের সার্বিক খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে, ইতিমধ্যে বিলমাড়িয়ার নওসারা সুলতানপুর চরে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারের মধ্যে ৩০কেজি করে জিআর চাউন বিতরণ করা হয়েছে।


ট্রলারের মাঝি নিখোঁজ

  • প্রকাশ : রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৫৬ পিএম

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় চলন্ত ফেরি থেকে কঁচা নদীতে পড়ে বাবুল মাঝি নামে এক ফিশিং ট্রলারের মাঝি নিখোঁজ হয়েছেন। আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার চরখালী-টগড়া ফেরিঘাটের চরখালী প্লাটুনের কাছাকাছি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।


নিখোঁজ বাবুল মাঝি পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা এলাকার বাসিন্দা। তিনি বঙ্গোপসাগরগামী একটি ফিশিং ট্রলারের মাঝি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।


স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৫টার দিকে চরখালী প্লাটুনের কাছাকাছি এলাকায় চলন্ত ফেরি থেকে অসাবধানতাবশত নদীতে পড়ে যান বাবুল মাঝি। এরপর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।


খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। তবে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরাও নিখোঁজ মাঝির সন্ধানে নদীর আশপাশে অনুসন্ধান চালাচ্ছেন।


এদিকে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাবুল মাঝির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁকে উদ্ধারে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।


স্লিপার বাসে আগুন

  • প্রকাশ : রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৩৪ পিএম

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় আবারও স্লিপার বাসে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। তবে আগুন লাগার সময় যাত্রাবিরতি থাকায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন বাসটির যাত্রীরা। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।


শনিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় ‘শাহ ফাতিহা স্লিপার কোচ’ নামে বাসটিতে আগুন লাগে।


ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার থেকে নওগাঁগামী বাসটি রাত আড়াইটার দিকে পদুয়ার বাজার এলাকায় হোটেল নুরজাহানের সামনে যাত্রাবিরতি দেয়। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ বাসটিতে আগুন জ্বলে ওঠে। মুহূর্তেই আগুন বাসের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। 


আগুন দেখতে পেয়ে কয়েকজন যাত্রী ও আশপাশের লোকজন দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যান। খবর পেয়ে সদর দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।


সদর দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার ফাইটাররা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় কোনো যাত্রী হতাহত হননি।


সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, বাসটিতে কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যাত্রাবিরতির কারণে অধিকাংশ যাত্রী তখন হোটেলে ছিলেন। কেউ কেউ বাস থেকে নিচে নেমে যাওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।


এর আগে গত ১৭ আগস্ট ভোরে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী রয়েল কোচ পরিবহনের একটি স্লিপার বাস মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ এলাকায় পৌঁছালে আগুন লাগে। পেছন থেকে অন্য একটি গাড়ি বাসটিকে ধাক্কা দেওয়ার পর আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই যাত্রীরা বাস থেকে নেমে যাওয়ায় সেবারও কোনো প্রাণহানি হয়নি।


  • প্রকাশ : রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৫৫ পিএম

আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর একদিনের সফরে সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি হযরত শাহজালাল (রাহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রাহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। এ ছাড়া সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রপতিকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। 


রাষ্ট্রপতির মাজার জিয়ারত উপলক্ষে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে হযরত শাহজালাল (রাহ.) ও শাহপরান (রহঃ) দরগাহ শরিফ পরিদর্শন করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। 


গতকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি দরগাহ এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে দরগাহ এলাকায় সার্বিক প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন তিনি।


পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। রাষ্ট্রপতির মাজার জিয়ারত নির্বিঘ্ন ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দরগাহ এলাকায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রটোকল শাখা থেকে পাঠানো এক পত্রে সফরসূচি জানানো হয়েছে।


পত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বঙ্গভবন থেকে যাত্রা করে রাষ্ট্রপতি সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। সেখান থেকে ১০টা ৫০ মিনিটে বিমানযোগে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হয়ে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন তিনি। এরপর ১১টা ২০ মিনিটে সার্কিট হাউজের উদ্দেশে রওনা হবেন।


সার্কিট হাউজে পৌঁছানোর পর সেখানে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর সেখান থেকে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে গিয়ে জিয়ারত করবেন। মাজার জিয়ারত শেষে বেলা ১টায় হযরত শাহ পরান (রহ.)-এর মাজারের উদ্দেশে রওনা হয়ে ১টা ২৫ মিনিটে সেখানে পৌঁছাবেন। উভয় মাজার জিয়ারত শেষে বেলা ২টা ৩০ মিনিটে সার্কিট হাউজে ফিরে সাময়িক বিশ্রাম নেবেন তিনি। 


বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটে সার্কিট হাউজ থেকে সংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়ে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি। সংবর্ধনা শেষে বিকেল ৫টা ১ মিনিটে সার্কিট হাউজের উদ্দেশে রওনা হয়ে ৫টা ৫ মিনিটে সেখানে ফিরে পুনরায় বিশ্রাম নেবেন। রাতে সাড়ে ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে সার্কিট হাউজ থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়ে ৭টা ৫৫ মিনিটে বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন রাষ্ট্রপতি। রাত ৮টায় ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা হবেন এবং রাত ৯টা ৫০ মিনিটে বঙ্গভবনে প্রত্যাবর্তন করবেন।