সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায়চৌধুরী

  • প্রকাশ : সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:০৮ পিএম

জমকালো আয়োজনে চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর উদ্বোধন


"একটি সুস্থ সাবলীল জাতি গঠনে লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলার বিকল্প নেই। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এরাই দেশ গঠনে নেতৃত্ব দিবেন। সে কারণেই কবি লিখেছেন ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে। আজকের এই তরুণরাই এক সময় বাংলাদেশ ফুটবলকে নিয়ে যাবে বিশ্ব ফুটবলের দরবারে। সেটি মাথায় রেখেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন"। 


গতকাল রবিবার বিকেল ৫টায় চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়ামে (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠ) জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ-২০ ২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায়চৌধুরী । 


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত মহিলা আসন ০৫ এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মহিলা এমপি অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী বলেন, খেলাধুলা শুধুমাত্র বিনোদন নয়,খেলাধুলা প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনীয়তা কে গুরুত্ব দিয়েই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে খেলাধুলা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, প্রাইমমিনিস্টার ফুটবল,জেলায় জেলায় সুইমিং পুল নির্মাণ, উপজেলায় উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম তৈরি, প্রতি জেলায় ক্রীড়াপল্লী তৈরি  সহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এই উদ্যোগের ফলে এদেশের তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা মোবাইল ও মাদক ছেড়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাঠে ফিরবে সেটিই হবে আমাদের প্রত্যাশা। 


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর  খান, চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরীফ। 


এছাড়া বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( সার্বিক) বিএম তারিকুজ্জামান। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা:হাদি জিয়া উদ্দিন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিনুর আক্তার, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি,দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার লাভলী ইয়াসমিন, এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরী এএসএম আব্দুর রউফ শিপলু, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু সাইফ, জেলা মহিলা দলের সভাপতি রউফুন নাহার রিনা,সিনিয়র সহ-সভাপতি শেফালী খাতুন, সাধারণ সম্পাদক জাহানারা খাতুন,  কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সদস্য নীলিমা ইসলাম বিশ্বাস মিলি, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু, চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা অফিসার আনিসুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওহিন্দ্র কুমার মন্ডল ও চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজী। 


চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিথি মিত্র'র প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি,সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ,  জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম,  চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপি'র সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, চুয়াডাঙ্গা সদর থানা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের সভাপতি শরিফুজ্জামান সিজার,সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশিদ ঝন্টু, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ মোহাম্মদ রাজিব খান, সদর থানা বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ,স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হামিদ উদ্দিন বাবু,   সদর উপজেলা  যুবদলের আহবায়ক মতিউর রহমান মিশর,  জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহজাহান খান, সাধারণ সম্পাদক মমিন মালিতা, সিনিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও এফএসসি ফুটবল ক্লাবের সভাপতি  জুয়েল মাহমুদ,পৌর বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক কাকন ,মিলন আলী লিমন, প্রমূখ।  


এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র প্রার্থী শাহরিন হক মালিক,সিনিয়র সহ-সভাপতি  রেজাউল হক জোয়ার্দ্দার রেজা,সাবেক কৃতি ফুটবলার মাহমুদুল হক লিটন, সারোয়ার হোসেন জোয়ার্দ্দার মধু, শরিফুল ইসলাম, নাজমুল হক শান্তি, সাবেক কৃতি গোলরক্ষক রবিউল ইসলাম মল্লিক, সাবেক কৃতি ফুটবলার মিজানুর রহমান মানিক, আইয়ুব হোসেন, টিপু সুলতান, শহিদুল কদর জোয়ার্দ্দার,চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহবায়ক কমিটির সদস্য কাজী মামুনউজ্জামান আদুন,চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ইমরান মহলদার রিন্টু,দামুড়হুদা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মাহবুব বাচ্চু, জীবননগর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার  সদস্য সচিব শাহজাহান কবীর,আলমডাঙ্গা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মন্ডল, চুয়াডাঙ্গা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কোষাধক্ষ্য আশাবুল হক আশা, দপ্তর সম্পাদক সোহেল আহমেদ মালিক সুজন,রিমন মন্ডল,  সহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ ।   


প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিগণ মূল মঞ্চে  আসন গ্রহণ করার পর ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান, পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ শেষে জাতীয় সংগীতের তালে তালে প্রধান অতিথি মাননীয় মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।এরপর পুনরায় মঞ্চে আসন গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর  শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদ্বয়কে সম্মাননা স্মারক হিসেবে  ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের  সভাপতি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের  আনুষ্ঠানিক সমাপনী বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানের বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে শাহ আলম সনি রচিত জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর থিম সং এর তালে তালে নিত্য পরিবেশন করা হয়। থিম সং-এ কন্ঠ দেন হাসিবুল ইসলাম শান্ত ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক  জান্নাতুল নাঈম রিপা। থিমসং নৃত্য পরিবেশন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা শিল্পকলা একাডেমির এক ঝাঁক তরুণ  শিক্ষার্থী। 


এরপর প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি সহ আমন্ত্রিত অতিথিগণ শান্তির কপোত শ্বেত কবুতর অবমুক্তকরণ, বেলুন ও ফেস্টুন উড্ডয়নের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোকছটা  ছড়িয়ে দেন চুয়াডাঙ্গার আকাশে ।


উল্লেখ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে আরো নানারঙে রাঙিয়ে দিতে চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা অফিসার আনিসুর রহমানের মাধ্যমে জেলা শহরের  প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের  ইউনিফর্ম পরিহিত শিক্ষার্থীরা গ্যালারিতে বসে ফুটবল খেলা উপভোগ  করেন।  যে কারণে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের গ্যালারি গুলো  লাল, নীল, সাদা সহ বিভিন্ন কালারের এক বর্ণিল রূপ ধারণ করে। সঙ্গে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা সহ শহরের বিভিন্ন  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন  ও সহকারী শিক্ষকগণ। 


উদ্বোধনী  ম্যাচে মুখোমুখি হওয়া চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও দর্শনা পৌরসভা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের সাথে  পরিচিত হয়ে প্রধান অতিথি এবং  শেষ অতিথিগণ আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটবলে কিক অফ করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ করেন।


ভিআইপি মঞ্চে ফিরে এসে অতিথিবৃন্দ কিছু সময়ের জন্য ফুটবল খেলাউপভোগ করে মাঠ ত্যাগ করেন। উদ্বোধনী ম্যাচে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ২-০ গোলে জয়লাভ করে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উন্নীত হওয়ার গৌরব অর্জন করে । চুয়াডাঙ্গার পক্ষে গোল করেন শাকিল ইসলাম উৎস ও মহিবুল ইসলাম। উদ্বোধনী ম্যাচে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার শাকিল ইসলাম। 


পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী উদ্বোধনী ম্যাচের প্রথম গোলকারী কে ফুটবল মাঠের বাদামওয়ালা ১০০ টাকা উপহার দেন শাকিল ইসলামকে। এছাড়া  ম্যান অফদি ম্যাচ নির্বাচিত হওয়ায় শাকিল ইসলামকে আলমডাঙ্গা  মন্ডল স্পোর্টসের   পক্ষ থেকে ২০০০ টাকা পুরস্কার দেয়া হয়। একই সাথে এমকেএস ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউটরের স্বত্বাধিকারী  মনোয়ারুল হাসান সুমন উদ্বোধনী ম্যাচের দু গোলদাতাকে পাঁচশত  টাকা করে উপহার দেন। এ উপহারগুলো পুরস্কার প্রাপ্ত খেলোয়াড়দের হাতে তুলে দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম তারিকুজ্জামান, এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরী ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার  সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজি। উদ্বোধনী ম্যাচের ধারা বিবরণী প্রদান করেন ইসলাম রকিব ও শামীম আহমেদ খান। 


উদ্বোধনী ম্যাচটি পরিচালনা করেন মোহাম্মদ  সেন্টু, জুয়েল রানা, সিয়াম ও নিতা হোসেন। আজ একই মাঠেমুখোমুখি  হবে আলমডাঙ্গা উপজেলা দল জীবননগর উপজেলা দল।




লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা। ছবি: সংগ্রহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৪৫ এএম

লক্ষ্মীপুরে মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে খোরশেদ আলম (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। 


বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলসাদপুর গ্রামের খাঁনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।


নিহত খোরশেদ দিলসাদপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে ও পেশায় মাটি ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


নিহত খোরশেদের স্ত্রী আকলিমা আক্তার ও মেয়ে প্রেমা আক্তার জানান, খোরশেদ মাটির ব্যবসা করতেন। দুপুরে তাকে মোরশেদ ও মজিদ নামের দুজন বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে গুলির শব্দ শুনে দৌড়ে গিয়ে শোনেন, ওয়ালিদ নামে একজন প্রতিপক্ষ তাকে গুলি করেছেন। ওয়ালিদ মাটির ব্যবসা নিয়ে এর আগেও বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়েছেন।


সদর হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম রনি বলেন, খোরশেদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তিনি মারা গেছেন। তার শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন রয়েছে।


লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, খোরশেদ নামে একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


খোরশেদের মৃত্যুতে হাসপাতাল এলাকায় তার স্ত্রী-মেয়ে ও স্বজনদের আহাজারি করতে দেখা যায়। তারা এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।


বেসরকারিভাবে বিজয়ী মির্জা ফয়সল আমীন

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:০৩ পিএম

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন (ধানের শীষ) প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার কামরুল ইসলাম তাকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।


এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। 


নির্বাচনে ২১ প্লাটুন বিজিবি, ২ হাজার ২৭২ পুলিশ সদস্য ও ২ হাজার ৪০৫ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি, বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে আছেন। চার বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ ১৭৭ দেশি-স্থানীয় পর্যবেক্ষক নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার কথা আছে।


ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারা হলেন- রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভাই ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী (বটগাছ) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।


ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৬৮। নারী ভোটার ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৬ জন। আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।


প্রসঙ্গত, গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।


আরো একটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৩ পিএম

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কিন ব্রিজের পাশ দিয়ে নতুন একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। পাশাপাশি কান্দিগাঁও ইউনিয়নে সুরমা নদীতে আরেকটি সেতু নির্মাণ করা হবে বলে জানান তিনি। সিলেট নগরের ব্লু ওয়াটার শপিং সিটিতে একটি অনুষ্ঠান শেষে তিনি এসব কথা বলেন।


বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় কিন ব্রিজ দিয়ে বর্তমানে যানবাহন চলাচল করে না। ব্রিজটি শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি এর পাশে নতুন একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।


তিনি বলেন, সিলেটের ঐতিহাসিক স্থাপনা আলী আমজাদের ঘড়ি ও সার্কিট হাউসের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা অক্ষত রেখে কীভাবে নতুন সেতু নির্মাণ করা যায়, তা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেলে একই সংযোগ সড়ক ব্যবহার করে নতুন সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া সুরমা নদীর ওপর কান্দিগাঁও ইউনিয়নের ধনপুর এলাকায় আরেকটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।


দুই সাংবাদকর্মীকে পিটিয়ে কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:২৬ পিএম

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মারধরের ঘটনার তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তুলতে গিয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হামলার শিকার হয়েছেন দুই সাংবাদিক। আহতরা হলেন সিলেট ভিউ ২৪ এর প্রতিবেদক নিবেন্দু তালুকদার এবং শ্যামল সিলেটের আলোকচিত্র সাংবাদিক রেজা রুবেল। হামলার সময় স্যালাইনের স্ট্যান্ড দিয়ে তাদের মাথায় গুরুতর আঘাত করা হয়, যার ফলে উভয়ের মাথাতেই একাধিক সেলাইয়ের প্রয়োজন হয়েছে।


এদিকে, সাংবাদিকদের রক্তাক্ত করার পরপরই নিজেদের বাঁচাতে দুই আহত সংবাদকর্মীর চিকিৎসার ব্যবস্থা না করেই উল্টো কর্মবিরতি শুরু করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। এতে হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত সাধারণ রোগী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। চিকিৎসা না পেয়ে অনেককে হাসপাতাল ছেড়ে চলে যেতেও দেখা গেছে। এমনকি কর্মবিরতি চলাকালে হাসপাতাল চত্বরে তিনজন রোগীর মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনার পর হাসপাতালের পরিচালক বা উপ-পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।


এদিকে, সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বুধবার গভীর রাতে সিলেট নগরের চৌহাট্টা পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সাংবাদিকেরা। এতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। তারা হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া, হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। সাংবাদিক নেতারা ঘোষণা দেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিলেটে সকল সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা বৈঠক করে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করবেন।


সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে রোগীর স্বজনদের মারধরের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তুলতে গেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা নিবেন্দু তালুকদার ও রেজা রুবেলের ওপর হামলা করেন। এ সময় স্যালাইনের স্ট্যান্ড দিয়ে তাদের গুরুতর আঘাত করা হয়। পরে আহত দুই সাংবাদিকের চিকিৎসার ব্যবস্থা না করেই নিজেদের বাঁচাতে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কর্মবিরতিতে চলে যান। 


চৌহাট্টা পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ দিদার আলম চৌধুরী নোবেল বলেন, দুই সহকর্মী পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন। তাদের শরীর থেকে রক্ত ঝরেছে এবং আঘাতের স্থানে সেলাই দিতে হয়েছে। এ ঘটনায় সিলেটে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। 


নোবেল আরও বলেন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং রোগীর স্বজনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনা নতুন নয়। এসব ঘটনার অবসান হওয়া প্রয়োজন। সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে মানুষের ক্ষোভ আরও বাড়বে। 


তিনি বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিলেটের সব সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা একসঙ্গে বসে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করবেন। ঘটনার প্রকৃত চিত্র জানতে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করারও দাবি জানান তিনি।


শাহ দিদার আলম চৌধুরী নোবেল বলেন, পরবর্তী কর্মসূচি যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। কর্মসূচির ডাক এলে ব্যক্তিগত আমন্ত্রণের অপেক্ষা না করে সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সবাইকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক নেতারা বলেন, হাসপাতালে অনেক রোগী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসা নিতে আসেন। এ সময় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হলে তাদের ভোগান্তি বাড়ে। কোনো বিরোধ বা প্রতিবাদের কারণে রোগীরা যেন চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি।


ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (ইমজা) সাধারণ সম্পাদক আনিস রহমান বলেন, সাংবাদিকেরা মানুষের ভোগান্তি ও অনিয়মের তথ্য তুলে ধরতে সংবাদ সংগ্রহ করেন। এ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাঁদের ওপর হামলার কোনো যৌক্তিকতা নেই। রোগীর স্বজনদের মারধরের ঘটনারও সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।


আনিস রহমান বলেন, চিকিৎসাসেবা বন্ধ রেখে কর্মবিরতি চললে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ রোগীরা। কোনো প্রতিবাদ কর্মসূচির কারণে রোগীদের জিম্মি করা উচিত নয়। তিনি জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাংবাদিক সংগঠনগুলোর নেতারা বৈঠক করে পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করবেন।


বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিদ হোসেন বলেন, সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় সাংবাদিক সংগঠনগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে আরও কঠোর কর্মসূচি দেবে। হামলার পাশাপাশি সাংবাদিকদের মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং সাংবাদিকদের নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।


সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমদ বলেন, আজ আমাদের দুই সহকর্মী পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে, কর্মবিরতির কারণে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়েছে, তারও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কোনোটিই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।


তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর হাসপাতালের পরিচালক ও উপপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। আমরা চাই, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক। সাংবাদিকদের নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।


বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক কোষাধ্যক্ষ মাহমুদ হোসেন বলেন, সাংবাদিকদের পাশাপাশি রোগীর স্বজনদের ওপর হামলার ঘটনাও উদ্বেগজনক। চিকিৎসা নিতে এসে রোগী ও তাদের স্বজনেরা যেন হামলা বা হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনদের নিরাপত্তা এবং চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইসাথে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরও কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


গোলাগুলিতে নিহত ২

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:০৬ পিএম

পাবনার আতাইকুলায় হাটের ইজারা নিয়ে প্রতিপক্ষের এলোপাতাড়ি গুলিতে ইজারাদারসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। 


আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে আতাইকুলার পুষ্পপাড়া হাটে এ ঘটনা ঘটে। জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


নিহতরা হলেন- পুষ্পপাড়া হাটের ইজারাদার আব্দুস সালাম হাজী (৫৫) ও তার সহযোগী রিপন হোসেন (৫০)। তারা আতাইকুলা থানার ধর্মগ্রামের বাসিন্দা।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আতাইকুলার পুষ্পপাড়া হাটের ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাটের বর্তমান ইজারাদার আব্দুস সালাম হাজী সহযোগীদের নিয়ে হাটে থাকা নিজের অফিস কক্ষে বসে ছিলেন। ওই সময় কয়েকজন লোক মুখোশ পরা অবস্থায় এসে তাদের উপর এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সালাম হাজী ও তার সহযোগী রিপনকে মৃত ঘোষণা করেন।


পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে- হাটের ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ ছিল। এর জের ধরেই প্রতিপক্ষের লোকজনদের উপর গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।


পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। কারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের খুঁজে বের করা হবে। এ বিষয়ে তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।


মো. আসাদ আলী

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:০১ পিএম

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. আসাদ আলী (৫০) নামে এক ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অপর মোটরসাইকেলের এক আরোহীও আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত আসাদ আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।


আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঘোড়াশাল-পাঁচদোনা আঞ্চলিক সড়কের ভাগদী সিএন্ডবি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।


গুরুতর আহত আসাদ আলী নরসিংদীর পলাশ উপজেলার  ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ভাগদী গ্রামের হারেজ মিয়ার ছেলে। আহত অপর মোটরসাইকেল আরোহীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে আটটার দিকে আসাদ আলী মোটরসাইকেল চালিয়ে ঘোড়াশাল-পাঁচদোনা সড়ক দিয়ে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন। পরে ভাগদী সিএন্ডবি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাঁর মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। এ সময় অপর মোটরসাইকেলের আরোহীও আহত হন। 


পরে স্থানীয়রা আসাদ আলীকে আশঙ্কাজনক জনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। দুর্ঘটনায় আহত অপর ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।


ঘোড়াশাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি জানা নেই, খোঁজ নিয়ে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।