ছবি: নোবিপ্রবি সাহিত্য সংগঠন শব্দকুটিরের নেতৃত্বে জসিম- শান্ত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:১১ পিএম

‎নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সাহিত্য সংগঠন ‘শব্দকুটির’র ২০২৬-২৭ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জসিম উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন কৃষি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শান্ত রায়।

‎নবগঠিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের ফরাদিন পারভেজ ও ওশানোগ্রাফি বিভাগের মো. শফিউল্লাহ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাহবুবুর ইসলাম মিলি। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সুমাইয়া ইসলাম সারা।

‎এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের মেহরাজ হোসেন রাজু এবং দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন বাংলা বিভাগের মারুফ হোসেন।


‎কমিটিতে বিভিন্ন বিভাগে আরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উচ্চারণ ও আবৃত্তি বিভাগের প্রধান হিসেবে রয়েছেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের আবৃতা গুপ্ত। উপস্থাপনা, অনুষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ বিভাগের প্রধান হয়েছেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অর্পিতা পৌদ্দার অর্পণ। লেখালেখি, সম্পাদনা ও প্রকাশনা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলা বিভাগের মাজেদা বেগম।প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইইই বিভাগের মো. মহি উদ্দিন। 


‎এ ছাড়া সংগঠনটির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন—ঋতুপূর্ণা মণ্ডল (শিক্ষা), হাসিবুর রহমান সরকার (এসিসিই), বুশরা আক্তার দীপালী (সমাজকর্ম), মীর মুনতাসীর (অনুজীব বিজ্ঞান), সামিয়া জাহান (সমাজবিজ্ঞান), বিশাখা চৌধুরী তমা (ইইই), সাকিলা আক্তার (বাংলা), মেহেদী হাসান ইমন (বিজিই), ইমতিয়াজ হোসেন সায়েম (ব্যবসায় প্রশাসন), আব্দুল হাই (বাংলা) এবং ইয়াসিন আরাফাত (শিক্ষা)।


‎নতুন কমিটি নিয়ে সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, শব্দকুটিরের সঙ্গে আমার পথচলা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই। সাহিত্য চর্চাকে আরো সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে  এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। আমি সবসময় একজন শ্রোতা হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আজ শব্দকুটির আমাকে যে দায়িত্ব ও জায়গা দিয়েছে, তার ভার আমি অনুভব করি। একা এই দায়িত্ব বহন করা সম্ভব নয়। সাহিত্য প্রেমীদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে শব্দকুটিরকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে পারব।আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাহিত্যচর্চার যে দূরত্ব এবং প্রশাসনের সঙ্গে যে কিছুটা গ্যাপ রয়েছে, তা কমিয়ে সাহিত্যের মেলবন্ধন আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাবো।

‎তিনি আরো বলেন, বিগত দুই বছর সদ্যবিদায়ী সভাপতি মুজতাবা ফয়সাল নাঈম ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। তাঁর নেতৃত্ব, ভালোবাসা ও সহযোগিতা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। সংগঠনের একটি ভঙ্গুর অবস্থা থেকে তিনি আমাদের এক জায়গায় নিয়ে এসেছেন। তাঁর প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।একই সঙ্গে শব্দকুটিরের প্রতিটি সদস্যের শ্রম ও ত্যাগের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা শব্দকুটিরকে আরও সমৃদ্ধ ও মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।


‎সাধারণ সম্পাদক শান্ত রায় বলেন, আমাকে সাধারণ সম্পাদকের গুরুদায়িত্বে ভূষিত করায় বিগত কমিটি এবং অ্যালামনাই কমিটির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সংগঠনের পূর্ববর্তী সকল গঠনমূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সাহিত্যচর্চাকে আরও সমৃদ্ধ ও সুদূরপ্রসারী করে তোলাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। সাহিত্যপ্রেমী শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও যৌথ প্রচেষ্টায় সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও গতিশীল উপায়ে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।"


‎নতুন কমিটির নেতৃত্বে ‘শব্দকুটির’ সাহিত্যচর্চা, লেখালেখি, আবৃত্তি, উপস্থাপনা, প্রকাশনা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যাশা করছেন সংগঠনটির সদস্যরা।

‎উল্লেখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাহিত্য ও সৃজনশীলতার চর্চা বাড়াতে সংগঠনটি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনটি নিয়মিত বার্ষিক সাহিত্য ম্যাগাজিন, একুশে বইমেলা, সাহিত্য আড্ডা, পাঠচক্র, সভা, সেমিনার আয়োজন করে থাকে।

বিষয় :




নোবিপ্রবিতে ‘ক্যাশলেস ক্যাম্পাস’ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:১৪ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ‘ক্যাশলেস ক্যাম্পাস’ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) উপাচার্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, পিএলসি (UCB) ও নোবিপ্রবির যৌথ উদ্যোগে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও সহজতর পেমেন্ট ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা ফি জমাদানসহ আর্থিক বিভিন্ন কাজ ক্যাশলেস ও সহজভাবে সম্পাদন করতে পারবে। উপাচার্য আরও বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাংকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট করতে হবে না এবং একটি নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘব হবে। এ সময় একটি আধুনিক, স্মার্ট ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস বিনির্মাণে সবার সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।


সভায় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাহাবুবুর রশিদ, নোবিপ্রবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরীসহ কার্যক্রম বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নোবিপ্রবির শিক্ষক, কর্মকর্তা ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ।


উল্লেখ্য, ক্যাশলেস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই টিউশন ফি, ভর্তি ফি, পরীক্ষার ফিসহ বিভিন্ন ধরনের ফি জমা দিতে পারবে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, অনলাইন ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে এ সেবা পাওয়া যাবে।

বিষয় :


নীলফামারী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৯ পিএম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) নীলফামারী জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন নীলফামারী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির আত্মপ্রকাশ ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্স্ট গেট সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীলফামারী জেলার প্রাক্তন, বর্তমান ও নবীন শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম ব্যাচে নীলফামারী জেলা থেকে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিকতার সঙ্গে বরণ করে নেন সিনিয়র শিক্ষার্থীরা। এ সময় নবীন ও পুরোনো শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচিতি ও মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জান্নাতুল ফিরদৌস নিশি। তিনি বলেন, ‘নিজের জেলার একঝাঁক মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে বসতে পেরে এবং এমন একটি আয়োজনে অংশ নিতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। আমি চাই, এ ধরনের আয়োজন আমাদের মধ্যে বারবার হোক। সামনে আমরা এর চেয়েও বড় পরিসরে আরও অনেক আয়োজন করব, ইনশাআল্লাহ।’

আয়োজকেরা জানান, নীলফামারী জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরি এবং জেলার শিক্ষার্থীদের এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার লক্ষ্যেই এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নতুন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানো এবং তাদের সঙ্গে সিনিয়রদের পরিচিতি তৈরির উদ্দেশ্যে নবীনবরণের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে নীলফামারী জেলার বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। নবীনদের বরণ ও পরিচিতি পর্বের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

বিষয় :


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:২৩ এএম

অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন অনুষদ থেকে ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে সাময়িকভাবে মনোনীত হয়েছেন।


বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন (বিজেএসসি) সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে এ ফল প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে কমিশনের ওয়েবসাইটেও ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সহকারী জজ পদে ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ থেকে সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন—


আইন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের আরিফুল ইসলাম; ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের আসিফ হোসেন ও শফিক শোভন; ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিয়া আফরিন খান; ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ও অ্যাডভোকেট সালমা খাতুন; ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মেহবুবা মোহিনী, শাকির আলম, রফিকুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন, শারমিন খাতুন ও ইয়াসমীন খাতুন; ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের খালিদ লিখন এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আমজাদ হোসেন।


আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তৌহিদুল ইসলাম ও এ. এইচ. হাবিব; ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নুসরাত জাহান তানি এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রোকনুজ্জামান রায়হান।


আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রাজু আহমেদ।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদ (সিভিল জজ) নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০২৫-এ সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ ও মনোনীত ২০০ জন প্রার্থীর রোল নম্বর বিধি অনুযায়ী কোটা সংরক্ষণপূর্বক মেধাক্রম থেকে ক্রমানুসারে প্রকাশ করা হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো প্রার্থী অসত্য তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন, যোগ্যতার কোনো ঘাটতি বা আবেদনপত্রে অসঙ্গতির তথ্য পাওয়া গেলে তার মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের উপস্থিতির স্থান, তারিখ ও সময় যথাসময়ে দৈনিক পত্রিকা, কমিশনের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।


কোনো প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হলে অথবা প্রাক-পরিচয় যাচাই (পুলিশ ভেরিফিকেশন) প্রতিবেদনে কোনো বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার মনোনয়নও বাতিল বলে গণ্য হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয় :


  • প্রকাশ : বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৫৬ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল' অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড এনলাইটেন্ড সোসাইটি ও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের যৌথ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে লিগ্যাল এইড সেবা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে "Seminar on Access to Justice through Legal Aid" শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুষ্টিয়া জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। 


সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সিভিল জজ তারিক হাসান,  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পেশাল মিডিয়েটর ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ (অব.) মো. ইসমাইল হোসেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ল' অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড এনলাইটেন্ড সোসাইটির উপদেষ্টা এবং আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল ওহাব ও সংগঠনটির সদস্যবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।


সংগঠনের উপদেষ্টা সহযোগী অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল ওহাব বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পেছনে রাষ্ট্র অনেক বিনিয়োগ করে থাকে এবং দেশের মানুষের প্রত্যাশাও তাদের কাছে অনেক বেশি। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইনি সচেতনতা তৈরিতে সর্বদা কাজ করে যাওয়া উচিত এবং সাধারণ মানুষের সেবায়ও তাদের এগিয়ে আসা উচিত।"


সেমিনারে প্রধান অতিথি তারিক হাসান বলেন, "লিগ্যাল এইড দেশের জনগণের কাছে সহজে ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষ দ্রুত, হয়রানিমুক্ত ও বিনামূল্যে আইনগত সহায়তা পেয়ে আসছে।"


উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল' অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড এনলাইটেন্ড সোসাইটি ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) একটি সক্রিয় আইন সচেতনতামূলক সংগঠন। সাধারণ শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের মাঝে মৌলিক আইনি অধিকার ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এই সংগঠন কাজ করে থাকে।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৫১ পিএম

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) ওয়েট প্রসেস ক্লাবের উদ্যোগে আগামী ৮ ও ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে 'বুটেক্স-আইটিইটি ডাই কেম এক্সপো ২০২৬'। বুটেক্সের কেন্দ্রীয় মাঠে দুই দিনব্যাপী এ এক্সপোর আয়োজন করা হয়েছে। টেক্সটাইল কেমিক্যাল শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানো এ আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্যে।


এক্সপোর প্রথম দিনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্যানেল আলোচনা ও কোম্পানির স্টেজ সেশন অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দিনে থাকবে কেমিক্যাল প্রদর্শনী, গবেষণাভিত্তিক পোস্টার উপস্থাপনা ও মূল্যায়ন, প্যানেল আলোচনা এবং পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান।


টেক্সটাইল কেমিক্যাল ও সংশ্লিষ্ট শিল্প নিয়ে আয়োজিত এ এক্সপোর মূল লক্ষ্য শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানো। এতে বিভিন্ন কেমিক্যাল উৎপাদনকারী ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং পরিবেশবান্ধব সমাধান তুলে ধরবে। পাশাপাশি থাকবে কোম্পানি স্টেজ সেশন, যেখানে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পণ্য, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন সমাধান সম্পর্কে তুলে ধরবে। এর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন।


এক্সপোতে থাকবে প্যানেল আলোচনা, যেখানে টেক্সটাইল কেমিক্যাল শিল্পের বিশেষজ্ঞরা টেকসই কেমিস্ট্রি, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, আধুনিক ডাইং ও ফিনিশিং প্রযুক্তি এবং শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করবেন। এতে শিল্পক্ষেত্রের বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।


এক্সপোতে কেমিক্যাল প্রদর্শনীর পাশাপাশি থাকবে গবেষণাভিত্তিক পোস্টার উপস্থাপনা, যেখানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা টেক্সটাইল কেমিস্ট্রি, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, টেকসই ডাইং ও ফিনিশিং, বর্জ্যপানি পরিশোধন, উন্নত কেমিক্যাল প্রযুক্তি এবং স্মার্ট টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কাজ তুলে ধরবেন। প্রতিটি দলে দুজন করে অংশগ্রহণকারী থাকতে পারবেন। প্রাথমিক বাছাইয়ের মাধ্যমে নির্বাচিত সেরা ২০টি দল চূড়ান্ত পোস্টার উপস্থাপনায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।


আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ আয়োজনে বিভিন্ন কেমিক্যাল উৎপাদনকারী ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, টেক্সটাইল শিল্পের পেশাজীবী, শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিল্পক্ষেত্রের নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সম্পর্কে জানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাবেন।


এ বিষয়ে বুটেক্স ওয়েট প্রসেস ক্লাবের সভাপতি উৎস কারন বলেন, “ডাই কেম এক্সপো আয়োজনের মাধ্যমে আমরা টেক্সটাইল কেমিক্যাল শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে চাই। শিক্ষার্থীদের গবেষণা, নতুন প্রযুক্তি ও শিল্পক্ষেত্রের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত করার পাশাপাশি শিল্পের সঙ্গে তাদের সংযোগ তৈরিও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।”


এক্সপো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য, অংশগ্রহণের নিয়ম ও নিবন্ধনের লিংক আয়োজকদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পাওয়া যাবে।

বিষয় :


নোবিপ্রবিতে আয়োজিত হতে যাচ্ছে চতুর্থ ন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্ট

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৯ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) আগামী ৩ ও ৪ অক্টোবর নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের উদ্যোগে চতুর্থবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্ট ২০২৬।

এ আয়োজনে নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। এবারের উৎসবে মোট ৯টি সেগমেন্ট রাখা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সেগমেন্টে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করতে পারবেন। চারটি সেগমেন্টে শুধুমাত্র নোবিপ্রবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন। বাকি দুটি সেগমেন্ট স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত।

জাতীয় পর্যায়ের তিনটি ইভেন্ট হলো— পোস্টার প্রেজেন্টেশন, থ্রি মিনিটস রিসার্চ আইডিয়া প্রেজেন্টেশন ও রোবট লাইন রেস কম্পিটিশন। নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, ই-স্পোর্টস, দাবা প্রতিযোগিতা ও ফটোগ্রাফি কনটেস্ট। এছাড়া স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে প্রজেক্ট শোকেজ ও সায়েন্স অলিম্পিয়াড।

আয়োজকরা জানান, নয়টি সেগমেন্টে মোট ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার প্রদান করা হবে। সায়েন্স ফেস্টে অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, গতবারের সায়েন্স ফেস্টে প্রায় ৮৫০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছিলেন। এবার গতবারের তুলনায় আরও বেশি সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তারা। এবারের আয়োজনে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা।

আয়োজকরা আশা করছেন, শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অন্যান্যবারের মতো এবারও ন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্ট ২০২৬ সুন্দর ও সফলভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

বিষয় :