ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:২৩ এএম

অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন অনুষদ থেকে ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে সাময়িকভাবে মনোনীত হয়েছেন।


বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন (বিজেএসসি) সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে এ ফল প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে কমিশনের ওয়েবসাইটেও ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সহকারী জজ পদে ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ থেকে সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন—


আইন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের আরিফুল ইসলাম; ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের আসিফ হোসেন ও শফিক শোভন; ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিয়া আফরিন খান; ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ও অ্যাডভোকেট সালমা খাতুন; ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মেহবুবা মোহিনী, শাকির আলম, রফিকুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন, শারমিন খাতুন ও ইয়াসমীন খাতুন; ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের খালিদ লিখন এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আমজাদ হোসেন।


আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তৌহিদুল ইসলাম ও এ. এইচ. হাবিব; ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নুসরাত জাহান তানি এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রোকনুজ্জামান রায়হান।


আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রাজু আহমেদ।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদ (সিভিল জজ) নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০২৫-এ সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ ও মনোনীত ২০০ জন প্রার্থীর রোল নম্বর বিধি অনুযায়ী কোটা সংরক্ষণপূর্বক মেধাক্রম থেকে ক্রমানুসারে প্রকাশ করা হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো প্রার্থী অসত্য তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন, যোগ্যতার কোনো ঘাটতি বা আবেদনপত্রে অসঙ্গতির তথ্য পাওয়া গেলে তার মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের উপস্থিতির স্থান, তারিখ ও সময় যথাসময়ে দৈনিক পত্রিকা, কমিশনের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।


কোনো প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হলে অথবা প্রাক-পরিচয় যাচাই (পুলিশ ভেরিফিকেশন) প্রতিবেদনে কোনো বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার মনোনয়নও বাতিল বলে গণ্য হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয় :




  • প্রকাশ : বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৫৬ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল' অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড এনলাইটেন্ড সোসাইটি ও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের যৌথ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে লিগ্যাল এইড সেবা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে "Seminar on Access to Justice through Legal Aid" শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুষ্টিয়া জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। 


সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সিভিল জজ তারিক হাসান,  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পেশাল মিডিয়েটর ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ (অব.) মো. ইসমাইল হোসেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ল' অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড এনলাইটেন্ড সোসাইটির উপদেষ্টা এবং আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল ওহাব ও সংগঠনটির সদস্যবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।


সংগঠনের উপদেষ্টা সহযোগী অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল ওহাব বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পেছনে রাষ্ট্র অনেক বিনিয়োগ করে থাকে এবং দেশের মানুষের প্রত্যাশাও তাদের কাছে অনেক বেশি। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইনি সচেতনতা তৈরিতে সর্বদা কাজ করে যাওয়া উচিত এবং সাধারণ মানুষের সেবায়ও তাদের এগিয়ে আসা উচিত।"


সেমিনারে প্রধান অতিথি তারিক হাসান বলেন, "লিগ্যাল এইড দেশের জনগণের কাছে সহজে ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষ দ্রুত, হয়রানিমুক্ত ও বিনামূল্যে আইনগত সহায়তা পেয়ে আসছে।"


উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল' অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড এনলাইটেন্ড সোসাইটি ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) একটি সক্রিয় আইন সচেতনতামূলক সংগঠন। সাধারণ শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের মাঝে মৌলিক আইনি অধিকার ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এই সংগঠন কাজ করে থাকে।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৫১ পিএম

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) ওয়েট প্রসেস ক্লাবের উদ্যোগে আগামী ৮ ও ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে 'বুটেক্স-আইটিইটি ডাই কেম এক্সপো ২০২৬'। বুটেক্সের কেন্দ্রীয় মাঠে দুই দিনব্যাপী এ এক্সপোর আয়োজন করা হয়েছে। টেক্সটাইল কেমিক্যাল শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানো এ আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্যে।


এক্সপোর প্রথম দিনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্যানেল আলোচনা ও কোম্পানির স্টেজ সেশন অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দিনে থাকবে কেমিক্যাল প্রদর্শনী, গবেষণাভিত্তিক পোস্টার উপস্থাপনা ও মূল্যায়ন, প্যানেল আলোচনা এবং পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান।


টেক্সটাইল কেমিক্যাল ও সংশ্লিষ্ট শিল্প নিয়ে আয়োজিত এ এক্সপোর মূল লক্ষ্য শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানো। এতে বিভিন্ন কেমিক্যাল উৎপাদনকারী ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং পরিবেশবান্ধব সমাধান তুলে ধরবে। পাশাপাশি থাকবে কোম্পানি স্টেজ সেশন, যেখানে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পণ্য, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন সমাধান সম্পর্কে তুলে ধরবে। এর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন।


এক্সপোতে থাকবে প্যানেল আলোচনা, যেখানে টেক্সটাইল কেমিক্যাল শিল্পের বিশেষজ্ঞরা টেকসই কেমিস্ট্রি, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, আধুনিক ডাইং ও ফিনিশিং প্রযুক্তি এবং শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করবেন। এতে শিল্পক্ষেত্রের বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।


এক্সপোতে কেমিক্যাল প্রদর্শনীর পাশাপাশি থাকবে গবেষণাভিত্তিক পোস্টার উপস্থাপনা, যেখানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা টেক্সটাইল কেমিস্ট্রি, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, টেকসই ডাইং ও ফিনিশিং, বর্জ্যপানি পরিশোধন, উন্নত কেমিক্যাল প্রযুক্তি এবং স্মার্ট টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কাজ তুলে ধরবেন। প্রতিটি দলে দুজন করে অংশগ্রহণকারী থাকতে পারবেন। প্রাথমিক বাছাইয়ের মাধ্যমে নির্বাচিত সেরা ২০টি দল চূড়ান্ত পোস্টার উপস্থাপনায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।


আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ আয়োজনে বিভিন্ন কেমিক্যাল উৎপাদনকারী ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, টেক্সটাইল শিল্পের পেশাজীবী, শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিল্পক্ষেত্রের নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সম্পর্কে জানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাবেন।


এ বিষয়ে বুটেক্স ওয়েট প্রসেস ক্লাবের সভাপতি উৎস কারন বলেন, “ডাই কেম এক্সপো আয়োজনের মাধ্যমে আমরা টেক্সটাইল কেমিক্যাল শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে চাই। শিক্ষার্থীদের গবেষণা, নতুন প্রযুক্তি ও শিল্পক্ষেত্রের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত করার পাশাপাশি শিল্পের সঙ্গে তাদের সংযোগ তৈরিও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।”


এক্সপো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য, অংশগ্রহণের নিয়ম ও নিবন্ধনের লিংক আয়োজকদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পাওয়া যাবে।

বিষয় :


নোবিপ্রবিতে আয়োজিত হতে যাচ্ছে চতুর্থ ন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্ট

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৯ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) আগামী ৩ ও ৪ অক্টোবর নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের উদ্যোগে চতুর্থবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্ট ২০২৬।

এ আয়োজনে নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। এবারের উৎসবে মোট ৯টি সেগমেন্ট রাখা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সেগমেন্টে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করতে পারবেন। চারটি সেগমেন্টে শুধুমাত্র নোবিপ্রবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন। বাকি দুটি সেগমেন্ট স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত।

জাতীয় পর্যায়ের তিনটি ইভেন্ট হলো— পোস্টার প্রেজেন্টেশন, থ্রি মিনিটস রিসার্চ আইডিয়া প্রেজেন্টেশন ও রোবট লাইন রেস কম্পিটিশন। নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, ই-স্পোর্টস, দাবা প্রতিযোগিতা ও ফটোগ্রাফি কনটেস্ট। এছাড়া স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে প্রজেক্ট শোকেজ ও সায়েন্স অলিম্পিয়াড।

আয়োজকরা জানান, নয়টি সেগমেন্টে মোট ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার প্রদান করা হবে। সায়েন্স ফেস্টে অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, গতবারের সায়েন্স ফেস্টে প্রায় ৮৫০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছিলেন। এবার গতবারের তুলনায় আরও বেশি সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তারা। এবারের আয়োজনে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা।

আয়োজকরা আশা করছেন, শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অন্যান্যবারের মতো এবারও ন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্ট ২০২৬ সুন্দর ও সফলভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

বিষয় :


কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:১৯ পিএম

কুমিল্লায় আলোচিত ইয়াশাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী লড়বেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমিতির নেতারা।


মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে জেলা আইনজীবী সমিতি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ কথা জানান সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. সহিদ উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহাবুবুল হক খন্দকার।


সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকোট মো: কাইমুল হক রিংকু, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।


আলোচনা সভায় অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।


অ্যাডভোকেট মো. সহিদ উল্লাহ বলেন, ‘আমরা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মৌখিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কেউ অপ্রতিম হত্যা মামলায় আসামিদের পক্ষে লড়বেন না।’


আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী না দাঁড়ালে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি আসামির পক্ষে কেউ না দাঁড়াই, তাহলে রাষ্ট্র নিজেই আসামির পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করবে। কারণ একতরফা বিচার হলে সেখানে ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।’

বিষয় :


গভর্নিং বডির নির্বাচনের দাবি অভিভাবকদের

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৩৬ পিএম

শিক্ষার্থীর স্বার্থরক্ষাকারী সংগঠন অভিভাবক ঐক্য ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিয়াউল কবির দুলু ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার একবিবৃতিতে দেশের সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় ম্যানেজিং কমিটির ও গভর্নিং বডির নির্বাচন দেয়ার দাবি জানিয়েছেন। 


বিবৃতিতে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিএনপির সরকার প্রায় ৮ মাস ধরে সরকার পরিচালনা করে আসছে। এর পূর্বে অন্তর্বর্তী সরকার প্রায় ১৮ মাস দেশ পরিচালনা করেছে। কিন্তু অন্তর্বর্তী ও চলমান বিএনপির সরকার এখন পর্যন্ত বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় সরাসরি নির্বাচনের আয়োজন করেছে না। এহেন অবস্থায় বেসরকারি স্কুল, কলেজ পরিচালনায় জবাবদিহিতার অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। কোন কোন স্কুল, কলেজে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের ন্যায় দূর্নীতি চলছে। এতে শিক্ষার যথাযথ মান উন্নয়নে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। কোন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক লুটপাটসহ পড়াশুনার পরিবেশও নাই। প্রায় সব বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা দীর্ঘদিন ধরে এডহক কমিটি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। 


জাতীয় নির্বাচনের পর সারাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করা হচ্ছে কিন্তু স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় ম্যানেজিং কমিটির ও গভর্নিং বডির নির্বাচনে কোন আইনগত বাধা নাই। তবুও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষ নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থের কারনে নির্বাচন দিতে গড়িমসি করছে। বর্তমানে দেশের সব বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় নির্বাচন করার মতো সুষ্ঠু পরিবেশ রয়েছে। এই সুষ্ঠু পরিবেশ চলমান থাকা অবস্থায় এবং শিক্ষার্থী ভর্তি শেষে একাদশ শ্রেনিতে ক্লাস শুরুর সাথে সাথে ম্যানেজিং কমিটির/গভর্নিং বডির নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুত করার কার্যক্রম শুরু করার জন্য দেশের সব বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।


মোঃ সম্রাট

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৫২ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) গোপনে নারী শিক্ষার্থীদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করার সময় মোঃ সম্রাট নামের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ১৭তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থীকে হাতেনাতে আটক করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। অভিযুক্তের মোবাইল ফোন তল্লাশি করে শতাধিক ছাত্রীর বিভিন্ন মুহূর্তের সংবেদনশীল ও আপত্তিকর ছবি পাওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।


আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জবির শান্ত চত্বরে অবস্থানরত নারী শিক্ষার্থীদের গোপন ছবি-ভিডিও ধারণ করতে গেলে তা বুঝতে পেরে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সহায়তায় তাৎক্ষণিক সম্রাট নামের অভিযুক্ত সেই ছাত্রকে আটক করা হয়।


প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সম্রাট বিশ্ববিদ্যালয়ের 'শান্ত চত্বর' এলাকায় বসে সেখানে অবস্থানরত নারী শিক্ষার্থীদের ছবি ও ভিডিও ধারণ করছিলেন। বিষয়টি এক নারী শিক্ষার্থীর সন্দেহ হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সহপাঠী ও অন্য শিক্ষার্থীদের বিষয়টি জানান। পরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে অভিযুক্তকে ধরে ফেলেন এবং তার মোবাইল ফোন চেক করেন।


মোবাইল যাচাই করে দেখা যায়, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে বসা অন্তত একশ জন শিক্ষার্থীর ছবি এবং কিছু আপত্তিজনক ভিডিও তার ফোনে সংরক্ষিত রয়েছে। পরে শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তকে প্রক্টর অফিসে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেন।


এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মোঃ সম্রাটের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি নিজের পরিচয় জানালেও সামগ্রিক ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে রাজি হননি। 


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত অধ্যাপক ড. মো. আজম খান জানান, "ঘটনাটি আমরা অবগত আছি। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন চেক করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে প্রক্টর অফিসে আলোচনা চলছে। ভেতরের প্রকৃত ঘটনা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"


সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।