রাজধানীর আদাবরের বাড়িটির জানালার কাচ ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা

  • প্রকাশ : রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৫ পিএম

গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৬টা। রামদা, চাপাতি, পিস্তলসহ ১৫-২০ জনের একটি দল হামলা চালায় রাজধানীর আদাবরের বাড়িটিতে। অভিযোগ, শ্যামলী হাউজিংয়ের আটতলা বাড়িটি দখল করার চেষ্টা চলছে।


ভুক্তভোগীদের দাবি, “দলবল নিয়ে এসে দুর্বৃত্তরা প্রথমে বলে, টাকা দে। বাসায় থাকিস, টাকা দিবি না?” 


‘এই কথা বলতে বলতে বাসার মূল ফটকে কোপানো শুরু করে। জানালার কাচ ভাঙচুর করে। বাসার গেট খুলে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেছে। তবে খুলতে না পারায় ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।’


গতকালের এই ঘটনা ঘটেছে আটতলা একটি বাড়িতে। বাড়িটির মালিক আমিনুর রহমান একজন ব্যবসায়ী। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরেও একবার বাড়িটি দখল করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আমিনুর রহমানের ভাতিজা মনির হোসেন।


গতকালের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মনির হোসেন বলেন, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ১৫-২০ জন লোক তাঁদের বাড়িটির সামনে আসেন। কিছুক্ষণ বাড়িটি পর্যবেক্ষণ করেন। পরে চারজন মূল ফটকের সামনে আসেন। তাঁদের মধ্যে দুজনের হাতে চাপাতি, একজনের হাতে রামদা ছিল। ফটকের একটু দূরে পিস্তল হাতে একজন দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনিই এই হামলার নির্দেশনা দিচ্ছিলেন।


মনির হোসেন দাবি করেন, ‘প্রথমে এসেই তাঁরা বাড়ির মূল ফটকের গেট খুলতে বলেন। সবাইকে বের হয়ে যেতে বলেন। কিন্তু বের না হওয়ায় বাইরে থেকে বলা শুরু করেন, “টাকা দে! বাড়িতে থাকিস, টাকা দিস না। বের হ।” এই কথা বলতে বলতে চাপাতি, রামদা দিয়ে গেটে এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করে। গেটের সামনে থাকা সিসিটিভি (ক্লোজ সার্কিট) ক্যামেরা, জানালার কাচ ভাঙচুর করে। ইটের টুকরা দিয়ে দুইতলার আরও দুটি জানালার কাচ ভেঙে ফেলে। বাড়ির ভেতরে ঢুকতে না পেরে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ভাঙচুর করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।’


মনির হোসেনের অভিযোগ, ভাঙচুর চলাকালে তিনি জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশকে খবর দেন। অথচ পুলিশ প্রায় তিন ঘণ্টা পরে পৌনে ১০টার দিকে এসে পৌঁছায়। পুলিশ ঠিক সময়ে এলে দুর্বৃত্তদের ধরা সম্ভব হতো। 


পরে এ ঘটনায় আদাবর থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মনির হোসেন। তবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তাঁরা জানেন না।


মনির হোসেন বলেন, ‘আমরা ভয়ের মধ্যে আছি। ভয়ে বাসা থেকে বের হতে পারছি না। আবার কখন কী হয়, বুঝতে পারছি না। এভাবে তো চলা যায় না। আমাদের সাহায্য করুন।’


আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর পুলিশ বাড়িটি পরিদর্শন করেছে। তারা তদন্ত করে দেখছে। কোনো অগ্রগতি আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখবেন।


আগেও দখল হয়েছিল বাড়িটি


মনির হোসেন দাবি করেন, ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট খোরশেদ আলম নামে এক ব্যক্তি বাড়িটি দখল করে নেন। পরে আদাবর থানায় একটি অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো সুরাহা হয়নি। একপর্যায়ে আদালতে মামলা করেন। আদালত আদাবর থানাকে তদন্ত করতে বলেন। পরবর্তী সময়ে এই মামলা পিবিআই তদন্ত করে। গত ১২ মার্চ বাড়িটি দখল ফেরত পান তাঁরা।


মনির হোসেন আরও বলেন, পিবিআই প্রায় চার মাস তদন্ত করে একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন। কিন্তু অভিযোগপত্রে কী আছে তাঁরা জানেন না। এর মধ্যে আবার হামলা চালানো হলো। তাঁরা এখন কী করবেন, কার কাছে সাহায্য চাইবেন, বুঝতে পারছেন না।




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৫ পিএম

রাজধানীর সায়েন্সল্যাব এলাকায় ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আইডিয়াল কলেজের সামনে এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সূত্রপাত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জলকামানসহ বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই সংঘর্ষের জেরে ওই এলাকার বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।


পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রোববার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগের প্রতিবাদে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে জড়ো হতে থাকেন। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন। দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শতাধিক শিক্ষার্থীও সেখানে এসে যোগ দিলে সংলগ্ন আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুই কলেজের শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিউমার্কেট, কলাবাগান ও ধানমন্ডি থানার প্রায় ৬০ জন পুলিশ সদস্য সায়েন্সল্যাব মোড় ও এর আশপাশের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে প্রস্তুত রাখা হয়েছে জলকামান।


নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


তিনি বলেন, ‘উভয় কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বর্তমানে নিজ নিজ ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থান করছে। বাইরে থেকে কেউ যাতে উসকানি বা ঢিল ছুড়তে না পারে, সে জন্য পুলিশ অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।’


  • প্রকাশ : রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৩৩ পিএম

বাংলাদেশ পুলিশের দায়িত্ব পালনে সাহসিকতা,পেশাগত দক্ষতা,সেবায় বিশেষ অবদান এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) পেয়েছেন রাজশাহী জেলা পুলিশের বাঘা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সিফাত রেজা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুলিশ পদক-২০২৫ প্রাপ্ত সদস্যদের মধ্যে পদক বিতরণ করা হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পদকপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের হাতে পদক তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।গত ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে পুলিশ সদস্যদের সাহসিকতা ও বীরত্ব,সেবায় বিশেষ অবদান, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের ভিত্তিতে পদকপ্রাপ্তদের নির্বাচন করা হয়। এবারের তালিকায় মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্য চারটি ক্যাটাগরিতে পদকের জন্য নির্বাচিত হন,এর মধ্যে ৪৪ জন পিপিএম-সেবা পদক পান।


পদক গ্রহণের পর নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে এসআই সিফাত রেজা বলেন,“গত ১ মার্চ ২০২৫ হতে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন, সেবায় অনন্য নজির স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ আমাকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) প্রদান করা হয়েছে। এটি আমার চাকরি জীবনের সর্বোচ্চ বড় প্রাপ্তি।”


পুলিশের দায়িত্ব পালনে এমন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি একজন কর্মকর্তার পেশাগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়।এসআই সিফাত রেজার এই অর্জনে রাজশাহী জেলা পুলিশসহ বাঘা থানার সহকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:১৪ এএম

প্রতিদিনই কেনাকাটা করতে আমরা কোথাও না কোথাও গিয়ে থাকি। অনেক ভোগান্তি শেষে কোথাও গিয়ে দেখলেন, সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ, তখন কাজ তো হলোই না বরং সময় নষ্ট। তাই বাইরে বের হওয়ার আগে দেখে নিন আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কোন কোন এলাকার মার্কেট, দোকান ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে।


যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ


আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট অঞ্চল, তেজগাঁও শিল্প অঞ্চল, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী বাণিজ্যিক অঞ্চল, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল অঞ্চল, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া ও রায়েরবাগ।


বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট


বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসি পল্লি, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স এবং মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেট।



তিতাস গ্যাস

  • প্রকাশ : শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৩০ পিএম

গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি মেরামত কাজের জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শনিবার দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।


গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার তালিকায় রয়েছে সারুলিয়া, পূর্ব বক্সনগর, হাজি নগর, বড়ভাঙ্গা, কোনাপাড়া, ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, আমুলিয়া, রানীমহল, নিমাই কাসারি, রসূলনগর ও সুকুসি এলাকা।


এ ছাড়া কাঁচপুর ব্রিজের পূর্ব পাশ থেকে সুলতানা কামাল ব্রিজ পর্যন্ত এলাকা, শনির আখড়া, মাতুয়াইল, পোস্তগোলা, জুরাইন, হাজী খোরশেদ আলী সড়ক, জিয়া সরণী, ধনিয়া, পাটের বাগ, জাপানি বাজার, খুদের বাজার, ধোলাইপার মোড়, মাদ্রাসা রোড, পাইপ রোড, কাজলার মোড়, মীরের বাগিচা ও বাঘমারা এলাকাতেও একই সময়ে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।


তিতাস গ্যাস জানিয়েছে, নির্ধারিত ছয় ঘণ্টা এসব এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। একই সময়ে সংলগ্ন এলাকাগুলোতে গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকতে পারে।


সাময়িক এই অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:১৬ পিএম

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয় থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সন্দেহে অন্তত ৪০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।


আজ শনিবার বিকেল পৌনে ৫টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অভিযান চলছিল। আটক ব্যক্তিদের পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, আওয়ামী লীগের লোকজন জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক করছিলেন। আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে।


আজ দুপুরের পর জাসদ কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের চার শতাধিক নেতাকর্মী গোপন বৈঠক করছেন- এমন খবর পেয়ে যুবদলের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হয়ে তাদের আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেন। এ সময় বাইরে যুবদলের শত শত নেতাকর্মী অবস্থান করেন।


ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখানে আওয়ামী লীগের স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। তাহলে এটাকে কীভাবে জাসদের কার্যালয় বলতে পারি! এটা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যালয়। যেখানেই আওয়ামী লীগের স্লোগান দেখব, সেখানেই যুবদল যাবে। ৪০০ থেকে ৫০০ লোক এ কার্যালয়ে আটকা অবস্থায় রয়েছে। কার্যালয়ের সামনে যুবদলের হাজার হাজার লোক আছে, তাদের শান্ত রেখেছি। কার্যালয়ে আটকে থাকা লোকজনকে প্রশাসনকে নিয়ে যেতে বলেছি।’ 




পুলিশের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, ‘বিকেল ৩টার দিকে তিনতলায় গিয়ে জাসদ কার্যালয়ে দেখা যায়, সেখানে বৈঠক চলছে।’ 


ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার আকতার হোসেন আজ বিকেল পৌনে ৫টায় বলেন, ‘‘ওই কার্যালয়ের সামনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ৪০ জনকে পল্টন থানায় নিয়ে গেছে। এখনো অভিযান চলছে।’’


সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার ‘শপথ নেওয়া’ মো. হারুনকে গ্রেপ্তার

  • প্রকাশ : শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৪২ পিএম

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার ‘শপথ নেওয়া’ মো. হারুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 


গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, হারুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী। দুই দিন আগে তিনিসহ কয়েকজন শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার শপথ নেন। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


পুলিশ জানায়, কেরানীগঞ্জের একটি আবাসন প্রকল্পের ফাঁকা জায়গায় দুই দিন আগে জড়ো হন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। তারা একে অন্যের হাত ধরে শপথ নেন যে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনবেন। সেটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যেখানে হারুনকে দেখা গেছে। এ ছাড়া গত ১৭ মে ভোরে মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের ভাগ্যকুল মিষ্টি ভান্ডারের সামনে হারুনসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলের চেষ্টা চালান।