“শিশু সুরক্ষায় শিশু ও যুব কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম উপস্থাপন” শীর্ষক এক বিশেষ অনুষ্ঠান

  • প্রকাশ : বুধবার ১৭ জুন, ২০২৬, সময় : ৫:২১ এএম

শিশু ও যুবদের নেতৃত্বে পরিচালিত কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশু সুরক্ষা জোরদার এবং একটি নিরাপদ, শিশুবান্ধব সমাজ গঠনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর উদ্যোগে মটস্ মিলনায়তনে “শিশু সুরক্ষায় শিশু ও যুব কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম উপস্থাপন” শীর্ষক এক বিশেষ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


গতকাল শুরু হওয়া এ আয়োজনে সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়নকর্মী, ধর্মীয় নেতা, কমিউনিটি প্রতিনিধি, শিশু ও যুব প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শিশু প্রতিনিধি ফাতেমা ইসলাম তাজ ও আয়ান তাহমিদ।


অনুষ্ঠানের শুরুতে শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশিত হয়, যা পুরো আয়োজনকে উৎসবমুখর পরিবেশে রূপ দেয়। এরপর শিশু শ্রম নিরসন ও শিশু সুরক্ষা বিষয়ে একটি সচেতনতামূলক নাটিকা মঞ্চস্থ করা হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের গভীরভাবে আলোড়িত করে।


দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিশু ও যুবদের অংশগ্রহণে শিশুদের এবং কমিউনিটির উদ্যোগে বিভিন্ন স্টল প্রদর্শনী, আলোচনা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও শিশু সুরক্ষা নীতি, শিশু অধিকার, শিশুশ্রম নিরসন, পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ, পরিবেশ সুরক্ষা, স্বাস্থ্য সচেতনতা, যুব নেতৃত্ব এবং কমিউনিটি উন্নয়ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।


অনুষ্ঠানে শিশু ও যুব প্রতিনিধিরা তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। বিশেষভাবে শিশুশ্রম প্রতিরোধ, প্রতিবন্ধী শিশুদের সহায়তা, কমিউনিটি নেতৃত্ব, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবেশ সংরক্ষণে তাদের কার্যক্রম উপস্থিত সবাইকে অনুপ্রাণিত করে। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ও হেলথ ক্যাম্প সম্পর্কেও তথ্য উপস্থাপন করা হয়।


মুক্ত আলোচনা পর্বে পারিবারিক সহিংসতা থেকে বেঁচে ফেরা শিশু, শিশুশ্রম থেকে মুক্ত কিশোর এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের পরিবার তাদের জীবনসংগ্রাম ও সফলতার গল্প শেয়ার করেন। একই সঙ্গে শিশু সুরক্ষায় ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মতামত উঠে আসে।


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) ড. মো. মাহমুদুল হক বলেন, শিশু ও যুবদের নেতৃত্বে পরিচালিত এ ধরনের উদ্যোগ সমাজ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং শিশু সুরক্ষায় সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি।




এছাড়া ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর সিনিয়র অপারেশন ডিরেক্টর চন্দন জেড গমেজ সংস্থাটির চলমান শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম তুলে ধরে শিশু ও যুবদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক শিশুশ্রম নিরসনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে একটি শিশুশ্রমমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।


অনুষ্ঠানের একটি মানবিক পর্বে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা শিশু ও শিশুশ্রমে নিয়োজিত পরিবারের মাঝে আয়বর্ধনমূলক উপকরণ (আইজিএ) এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য সহায়ক সামগ্রী বিতরণ করা হয়।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, একটি নিরাপদ ও শিশুবান্ধব নগর গড়ে তুলতে হলে শিশু অধিকার রক্ষায় সমাজের সব স্তরের মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।


সমাপনী বক্তব্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন  বাংলাদেশ এর ন্যাশনাল ডিরেক্টর সুরেশ বার্টলেট বলেন, শিশু ও যুবদের নেতৃত্বে এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে একটি টেকসই, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অতিথি, শিশু ও যুব প্রতিনিধি এবং আয়োজক কমিটির প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ জেনি মিলড্রেভ ডি ক্রুজয়ের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আরবান প্রোগ্রাম ম্যানেজার জোয়ান্না ডি রোজারিও, আরবান প্রোগ্রাম টঙ্গী ম্যানেজার মানুষ বিশ্বাস, ইষ্ট এডিপি ম্যানেজার ডমিনিক সেন্টু গমেজ, এডভোকসি লীড ষ্ট্রালা রুপা মল্লিক, ন্যাশনাল এডভোকেসি কোঅডিনেটর মোঃ জামাল উদ্দিন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন গনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০০ পিএম

রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানার পিছনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে রাজধানীর আরও কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা।


আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে শপিংমলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সন্ধ্যার দিকে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ বেতার ভবনের কাছাকাছি এবং মহাখালী এলাকায় পৃথক এ বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া গুলিস্তান, বঙ্গবাজার, বাবুবাজার ব্রিজসহ বেশ কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় দুর্বৃত্তরা। 


মহাখালী এলাকায় সন্ধ্যার দিকে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। প্রায় একই সময় আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ বেতার ভবন সংলগ্ন এলাকায় সড়কের ওপর আরও একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এসব ঘটনায় কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।


এর আগে জুমার পর মালিবাগের ফরচুন শপিং মলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ হয়। ওই ঘটনায়ও তাৎক্ষণিকভাবে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।


গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় ৩টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওইদিন প্রথমে জগন্নাথ হল গেট এলাকায় পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পর টিএসসি এলাকায় আরও একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার পর ঢাবি ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।


এছাড়াও ওইদিন দুপুরে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৫২ পিএম

রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত সন্দেহে ২৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে তাদের আটকের পর তেজগাঁও থানায় নেওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।


ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের কর্মকর্তারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।


ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, আটকরা সেখানে গোপন বৈঠক করছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে অভিযান চালানো হয়।


আটকরা কোন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তাৎক্ষণিকভাবে তা জানায়নি পুলিশ।


ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আটকদের শেরেবাংলা নগর থানায় নেওয়া হয়েছে। থানা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি, সিটিটিসি ও এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) কর্মকর্তারা সেখানে আছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।



সর্বশেষ সব খবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৪ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। আজ রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে জগন্নাথ হলের সামনে দুটি এবং টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এতে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।



এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসলাফিল রতন বলেন, তারা ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সহকারী প্রক্টররা গিয়েছেন। ঘটনাটি কারা ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।


এ ঘটনায় কারও আহত হওয়ার তথ্য এখনও পায়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের দপ্তর। এসব হাতবোমা কারা ফাটিয়েছে কিংবা একটির সঙ্গে অন্যটির সংযোগ আছে কি না সেটিও এখনও বলতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ।


প্রক্টর কার্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মী দলের প্রধান ইউসুফ হারুন বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, ককটেল ফাটার সময় কেউ এদিকে গাড়িতে করে যায়নি। 


তিনি বলেন, ধারণা করছি- কেউ হয়ত জগন্নাথ হলের উপর থেকে মেরেছে। অন্যদিকে টিএএসির পাশে মেট্রোরেল সংলগ্ল রাস্তায় যে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটা বাইকে করে কেউ মেরে দিয়ে চলে গেছে।


সর্বশেষ সব খবর

ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় বক্তব্য দেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:১১ পিএম

রাজধানীর প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্লক চেকসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। অপরাধীরা যাতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢাকায় এসে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে, সেজন্য আগাম গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের পাশাপাশি সন্দেহভাজনদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আনার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। সোমবার সকালে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে আগস্ট ২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। সভায় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্লক চেকসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অপরাধ সংঘটনের আগেই তাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও তাৎক্ষণিকভাবে কাজে লাগাতে হবে।


অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, অপরাধ প্রতিরোধে সিটিটিসি, ডিবি ও থানা পুলিশকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে ডিউটি করতে হবে, যাতে কোনো এলাকায় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শূন্যতা সৃষ্টি না হয় এবং দায়িত্ব পালনে কোনো ঘাটতি না থাকে।


আবাসিক হোটেলসহ বিভিন্ন হোটেলের অতিথিদের তালিকা নিয়মিত সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, হোটেলগুলো থেকে অতিথিদের তথ্য সংগ্রহের কার্যকর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনের সময় যেন এসব তথ্য দ্রুত পাওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।


সভায় আগস্ট মাসে ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা বিধানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।

 

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৬ পিএম

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আরও ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গুলশানে মিছিলে অংশগ্রহণকারী ৪০ জনকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ 


এর আগে গতকাল শনিবার মিছিলে সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে ৩২ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছিল ডিএমপি। তিনি বলেছিলেন, ‘এ ঘটনায় ১১৮ জনের নামে মামলা হয়েছে। এর মধ্যে অজ্ঞাত ৮০ থেকে ১০০ জন’ যারা সরাসরি ককটেল বিস্ফোরণসহ রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত ছিল।’ 


এছাড়া মিছিলের সময় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করার কথা জানিয়েছিল গুলশান থানা পুলিশ। অর্থাৎ এ নিয়ে মোট ৭৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।


শুক্রবার দুপুরে গুলশান–১ এ আওয়ামী লীগের ব্যানারে একটি মিছিল বের হয়। মিছিল থেকে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন মো. আরাফাত (২০) ও আ. রহিম (৪৯)।


পুলিশ জানায়, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান–১ এর ভোলা মসজিদের সামনে থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করার চেষ্টা চালান। পুলিশ এগিয়ে গেলে তারা ককটেল ছুড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে।


গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ সদস্য গুলশান এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিলের চেষ্টা করেন। এ সময় নিকেতন এলাকায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশের এক উপপরিদর্শক তাদের ছত্রভঙ্গ করতে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে পাঁচটি তাজা ককটেল ফেলে পালিয়ে যান। 


ওসি বলেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে তারা স্লোগান দেন মিছিলে। মিছিলটি প্রায় ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে গুলশান এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকশ’ লোক একটি মিছিল বের করেছেন। সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:২৭ পিএম

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে সরাসরি অংশগ্রহণকারী ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।


এর আগে শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকশ নেতাকর্মী মিছিল করার চেষ্টা করেছেন। এ সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। পরে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, মিছিলে কয়েকশ মানুষ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছেন। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ছে।


গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দাউদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান-১ এর ভোলা মসজিদের সামনে থেকে মিছিল বের করার চেষ্টা করা হয়। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে মিছিলকারীরা দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।


তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর