বিএনপি নেতা ফরিদ উদ্দিন গাজী

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:০৭ পিএম

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল (৫২) নামের এক ব্যবসায়ীকে পুড়িয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হুমকি দেওয়ার ১ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের একটি কথোপকথন রেকর্ডের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির ওই নেতার বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল। তাঁর বাড়ি বাউফল সদর ইউনিয়নে হলেও ঢাকায় জমি কেনাবেচার ব্যবসা করেন।


আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে এলাকায় ব্যানার ও ফেস্টুন টানিয়েছেন গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল। জিডিতে তিনি অভিযোগ করেন, ইউপি নির্বাচন করার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে তাঁকে নিয়মিত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ওই বিএনপি নেতা তাঁকে পুড়িয়ে হত্যার হুমকি দেন।


গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল

অভিযুক্ত বিএনপি নেতার নাম ফরিদ উদ্দিন গাজী (৫০)। তিনি বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য। তাঁর বাড়ি উপজেলা সদর ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামে। তিনি ইউপি নির্বাচন করার ঘোষণা না দিলেও তাঁর পছন্দের প্রার্থী আছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর গতকাল সন্ধ্যায় চেক প্রতারণার একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ফরিদ গাজীকে অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ব্যবসায়ী গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডলের অভিযোগের বিষয়েও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ছড়িয়ে পড়া কথোপকথন রেকর্ডে ব্যবসায়ীকে ‘দাদু’ সম্বোধন করে প্রথমে নিজের পরিচয় দেন ফরিদ উদ্দিন গাজী। এরপর ব্যবসায়ীর উদ্দেশে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার একটা শখ জাগছে, বুঝছেন? আমি একটা জ্যাতা নমো পুড়মু (পোড়াব), আপনারে বাইছা নিছি, এ ক্ষেত্রে আপনার মন্তব্য কী? আপনার কোনো প্রতিক্রিয়া আছে? যদিও আপনারে সকালে খুঁইজা আইছিলাম, আপনি মনে হয় স্টেশনে (এলাকা) নাই।’ জবাবে ব্যবসায়ীকে বলতে শোনা যায়, ‘না, না, নাই।’ এরপর ফরিদকে আবার বলতে শোনা যায়, ‘তো আপনার এতে মন্তব্য কী? জ্যাতা নমো পুড়মু, আপনারেই বাইছা নিছি, আপনি কী কন? আপনার সুবিধার জন্য আমার ফোনালাপ রেকর্ড কইরা রাখলে এইটাও রেকর্ড কইরা রাখেন। আপনার মন্তব্য কী এ ক্ষেত্রে?’ জবাবে ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমার মন্তব্য কী থাকবে, আপনার মনে খুশি ধরছে, আপনি করেন।’


একপর্যায়ে ফরিদ গাজীকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি এলাকায় আসতেছেন কবে নাগাদ?’ জবাবে ব্যবসায়ী বলেন, ‘এই যে আসব, আমু তো অবশ্যই। এলাকায় যেহেতু বাড়ি, আসব না? আসব।’ এরপর ফরিদ গাজীকে বলতে শোনা যায়, ‘তো খবরটা কী আপনি আমাকে দিবেন নাকি আমার খবর রাখা লাগবে?’ জবাবে ব্যবসায়ী বলেন, ‘আইলে তো মানুষ জানবেই, যেদিন আসব জানবে।’


জানতে চাইলে গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল বলেন, তিনি ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর আগেও মুঠোফোনে হুমকি দিয়েছিলেন ফরিদ গাজী। তখন ৫০ লাখ টাকা চাঁদাও দাবিও করেছিলেন। তখনকার কথা তিনি রেকর্ড করতে পারেননি। তিনি বলেন, ফরিদ একজন সন্ত্রাসী। এ জন্য তিনি শঙ্কিত। এ ঘটনায় তিনি থানায় জিডি করেছেন।


ফরিদ গাজী ঘটনার পরপরই অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ায় এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ (ফিরোজ) বলেন, ফরিদ গাজীর বিষয়ে তাঁরা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেন না। জেলা বিএনপির নেতাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তাঁরা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন।


জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির নেতাদের তদন্ত করে তাঁর (ফরিদ) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে জেলায় পাঠাতে বলা হয়েছে। পরে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেবে জেলা বিএনপি।



সর্বশেষ সব খবর

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. রুহুল কবির রিজভী

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:১৯ পিএম

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠায় সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের অবদান স্মরণ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. রুহুল কবির রিজভী। তাঁর দূরদর্শী চিন্তা সিলেটে উচ্চশিক্ষা ও কৃষিশিক্ষার নতুন দিগন্ত খুলেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


সোমবার (২ নভেম্বর) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।




রিজভী বলেন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠায় এম. সাইফুর রহমানের অবদান এ অঞ্চলের মানুষ চিরদিন মনে রাখবে। শিক্ষার প্রসারে তাঁর আগ্রহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কৃষির উন্নয়ন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, সমন্বিত কৃষিনীতি থাকলে দেশের সমৃদ্ধি আরও দ্রুত ও টেকসই হবে। কৃষি দেশের খাদ্যনিরাপত্তা, গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের মূল ভিত্তি।


তিনি বলেন, কৃষির উন্নয়নে উৎপাদন, বাজার, প্রযুক্তি ও কৃষকের জীবনমানকে গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের পতিত জমি চিহ্নিত করে চাষের আওতায় আনতে হবে। এতে কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে।


তিনি আরও বলেন, উর্বর কৃষিজমি রক্ষা করা জরুরি। উন্নয়ন পরিকল্পনায় পতিত বা কম উৎপাদন শীল জমি ব্যবহারে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে কার্যকর ভূমি ব্যবহার নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে হবে।


কৃষকদের সহায়তার বিষয়ে রিজভী বলেন, হতদরিদ্র কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগ ইতিবাচক। তবে প্রকৃত কৃষকেরা সুবিধা পাচ্ছেন কি না, তা নিয়মিত তদারকি করতে হবে।



এর আগে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু হয়। বেলুন ও সাদা পায়রা উড্ডয়ন করা হয়। কেক কাটা, বৃক্ষরোপণ ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজনও ছিল। পরে ‘সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: প্রতিষ্ঠা, অর্জন ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।


জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহবুব ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সফি উল্যাহ মজুমদার।


বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সংসদ সদস্য মোছাঃ তাহসিনা রুশদীর লুনা ও মোহাম্মদ আব্দুল মালিক।


এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ্ সিদ্দিকী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী।


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান মজুমদারসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।


প্রধান বক্তার বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যের মূল ভিত্তি। কৃষির আধুনিকায়ন ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।


তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি উদ্ভাবনেও গুরুত্ব দিতে হবে। গবেষণার সুফল কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সর্বশেষ সব খবর

টিউবওয়েল বসানোর সময় মাটি থেকে গ্যাসের সঙ্গে বের হচ্ছে আগুন। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:১০ পিএম

কক্সবাজারের উখিয়ার পর্যটন এলাকা ইনানীতে নলকূপ স্থাপনের জন্য মাটি খননের সময় হঠাৎ তীব্র গতিতে গ্যাসের সঙ্গে আগুন বের হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতির কারণে এমনটি ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।


মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ইনানীর ছোট ব্রিজসংলগ্ন বেওয়াচ হোটেল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মাটি থেকে গ্যাসের সঙ্গে আগুন বের হচ্ছিল।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ইনানী এলাকায় নলকূপ বসানোর জন্য মাটিতে বোরিংয়ের কাজ চলছিল। এ সময় হঠাৎ মাটির নিচ থেকে তীব্র গতিতে গ্যাস বের হতে থাকে। একপর্যায়ে গ্যাসের সঙ্গে আগুনের শিখা দেখা যায়। একই সঙ্গে গ্যাসের গন্ধযুক্ত ধোঁয়া বের হতে থাকায় আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।


উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার সাইদুল ইসলাম বলেন, ইনানীর বেওয়াচ হোটেল এলাকায় নলকূপ স্থাপনের জন্য বোরিং করার সময় মাটি থেকে তীব্র গতিতে গ্যাসের সঙ্গে আগুন বের হতে থাকে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাটির নিচে গ্যাস থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে এখনো তীব্র গতিতে গ্যাসের সঙ্গে আগুন বের হচ্ছে।


এদিকে আগুনের শিখা কাছাকাছি বৈদ্যুতিক তারে লেগে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের মনখালী থেকে পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।


ঘটনাস্থলের পাশের একটি পাঁচ তারকা হোটেলে কর্মরত স্থানীয় যুবক আলামিন বলেন, ‘যেখানে আগুনের সৃষ্টি হয়েছে, তার পাশের ঘরেই আমরা কয়েকজন হোটেলকর্মী থাকি। হঠাৎ মাটি থেকে আগুন বের হতে দেখে খুব ভয় পেয়েছি। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসেছেন।’


এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও আশপাশের হোটেলকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে মাটি থেকে বের হওয়া গ্যাসের প্রকৃতি ও উৎস সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।  

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৪৩ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সুন্দলপুর সাউথ-১ নামে আরেকটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। কূপটির দুটি জোনে মোট ৯৭ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) গ্যাসের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (২ নভেম্বর) উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে অবস্থিত সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপে অগ্নি প্রজ্বালনের মাধ্যমে গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। কূপটি থেকে প্রতিদিন ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


বাপেক্স সূত্রে জানা যায়, সম্পূর্ণ নিজেদের অর্থায়নে এবং নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এই কূপটির খননকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক উদ্যোগে এবং বাপেক্স পরিচালিত ত্রিমাত্রিক সিসমিক সার্ভের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে কূপটির খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। 


সংস্থা সূত্রে আরও জানা যায়, বাপেক্সের বিজয়-১০ রিগ ব্যবহার করে গত ৮ জুলাই খননকাজ শুরু করা হয়। প্রায় ৩ হাজার ২৮৯ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খনন শেষে কূপটির দুটি জোনে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, কূপটির এই দুটি জোনে মোট ৯ হাজার ৭৬৯ কোটি ঘনফুট বা ৯৭.৬৯ বিসিএফ গ্যাসের মজুত রয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ের বর্তমান বাজারমূল্য হিসাব করলে এই গ্যাসের আনুমানিক মূল্য ৫ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা। প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সফল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এই কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই কূপটি থেকে আগামী ২০ বছর পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।


সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ রকিবুল হাসান গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কূপটিতে তেল বা অন্য কোনও পদার্থের উপস্থিতি রয়েছে কি না, তা জানতে আগামী ১৫ দিন পর্যবেক্ষণ ও ডিএসটি (ড্রিল স্টেম টেস্ট) পরীক্ষা করা হবে। 

সর্বশেষ সব খবর

মহাদেবপুর

দিনের পর দিন ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করছেন শিক্ষক জাহাঙ্গীর

ইউএনওর স্বপ্রণোদিত পদক্ষেপে অভিভাবকদের মধ্যে স্বস্তি


অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল আবেদীন বর্ষণ।

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৩৭ পিএম

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের উত্তরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দিনের পর দিন পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীদেরকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।


এধরনের গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ বার বার প্রমাণিত হলেও শিক্ষকদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার পক্ষ নিয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের নিরুৎসাহীত করে আসছেন। কিন্তু মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের স্বপ্রণোদিত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগে অভিভাবকমহলে স্বস্তি ফিরে এসেছে। 


ওই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর পিতা ও মাতা অভিযোগ করেন যে, গত কয়েক মাস ধরে শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম তার মেয়েকে ব্যাড টাচ করে আসছে। বার বার তারা বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জানালেও তিনি কোনই ব্যবস্থা নেননি। স্থানীয় ইউপি মেম্বারদের সহযোগিতায় এব্যাপারে তিন দফা বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে ওই শিক্ষককে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস নেয়া থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। এখনও তিনি পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস নিচ্ছেন। 


বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও একই অভিযোগ করেছেন। তারা এনিয়ে বিদ্যালয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনও করেছেন। সবশেষ কমপক্ষে দশজন শিক্ষার্থী মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে গিয়ে তার সাথে দেখা করে এবিষয়ে অভিযোগ দিয়েছেন।


রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে ইউএনও সরেজমিনে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করেন।


সোমবার দুপুরে ওই বিদ্যালয়ে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শিক্ষার্থীরা ক্লাসে হৈ চৈ করলে তাদের গায়ে হাত দিয়ে থামাতেন। এব্যাপারে শিক্ষার্থীরা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে স্থানীয় অভিভাবক ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকে তাকে অন্যত্র বদলী করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। 


প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল আবেদীন বর্ষণ বলেন, পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস নেয়া থেকে ওই শিক্ষককে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও অন্য দুজন শিক্ষক ছুটিতে থাকায় জাহাঙ্গীর আলমকে ক্লাস নিতে হয়েছে। তাকে বদলীর জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানানো হলে এখন তাকে বদলী করা যাবেনা বলে শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়ে দেন।


বিকেলে বিষয়টি জানতে গেলে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা এস, এম, আবু রায়হান বলেন, কাগজে কলমে বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবহিত নন। শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ করেছেন। তিনিই এবিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন। তবে রোববার ইউএনওর তদন্তের সময় তাঁর সাথে উত্তরগ্রাম ক্লাস্টারের সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা পবিত্র কুমারও গিয়েছিলেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে স্বাভাবিক বদলী করা সম্ভব নয় একথা বলেছেন তিনি। 


সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা পবিত্র কুমার বলেন, স্থানীয় অভিভাবক ও অভিযুক্ত শিক্ষকের মধ্যে আপস হয়েছে। এসংক্রান্ত একটি আপসনামা তাদেরকে দেয়া হয়েছে।


এসময় শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষক নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। স্বরসতিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাপদক বাণী ইসরাইল সাংবাদিকদের জুতা পায়ে ওই কার্যালয়ে প্রবেশে বিরুপ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা অফিসারকে লিখিত অভিযোগ না দেয়া ও অভিযোগকারিদের সাথে আপসের পর আর কোন কিছু করা উচিৎ নয়।


জানতে চাইলে মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানজুরা মুশাররফ বলেন, দু'সপ্তাহ আগে উত্তরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী তার অফিসে এসে সহকারি শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীদেরকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ দেন। অফিশিয়াল তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হয়।


রোববার ওই শিক্ষক একটি আপসনামা দাখিল করে। কিন্তু এ ধরনের ফৌজদারি অপরাধের বিষয় আপসযোগ্য না হওয়ায় তিনি স্বপ্রণোদিত হয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পান। এবিষয়ে তিনি ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর পত্র প্রেরণ করবেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৫৯ পিএম

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংকের শ্রীনগর শাখায় গ্রাহকদের রক্ষিত কোটি কোটি টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। প্রতারিত গ্রাহকদের আমানতের সম্পূর্ণ টাকা অবিলম্বে ফেরতের দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে ব্যাংকটির শ্রীনগর শাখার সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।


মানববন্ধনে শত শত ভুক্তভোগী গ্রাহক অংশ নেন। এ সময় তারা তাদের কষ্টার্জিত আমানতের টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ব্যাংকের সামনে অবস্থান নেন। গ্রাহকদের কান্নাকাটি ও আহাজারিতে ব্যাংকের আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।


ভুক্তভোগী গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের টাকা আত্মসাৎ হওয়ার দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো আমরা পাওনা টাকা ফেরত পাইনি। অগ্রণী ব্যাংকের এই শাখা থেকে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় দুজনের মতো গ্রাহক  স্ট্রোক করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন গ্রাহক চরম মানসিক আঘাত ও অসুস্থতায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এ সময় তারা ব্যাংক তুই টাকা দে, না হয় জীবন নে স্লোগানে ফেটে পড়েন।

জানা গেছে, চাঞ্চল্যকর এই অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ব্যাংকটির ক্যাশিয়ার শরীফুজ্জামান সোহাগ ও ব্যাংক ম্যানেজারসহ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ব্যাংকটির কয়েকজন কর্মকর্তা ইতোমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন। তবে অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও মামলার পরও গ্রাহকদের আটকে থাকা আমানত ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া নিশ্চিত না হওয়ায় চরম ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন শত শত সাধারণ মানুষ।


প্রতিবাদ সভা থেকে অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি গ্রাহকের গচ্ছিত টাকা ফেরত দেওয়ার জোরালো দাবি জানান ভুক্তভোগীরা। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুশিয়ারি দেন তারা।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৪৩ পিএম

শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেকে দক্ষ প্রকাশিতজনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান।


তিনি বলেন, 'দক্ষ নাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারলে চাকরি আপনার পেছনে দৌড়াবে। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এআইসহ (AI) নানা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেগুলোর কাজ নিজের আয়ত্ত করতে পারলে শুধু স্বাবলম্বী হওয়াই নয়, সমাজের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি হিসেবেও নিজেকে পরিচয় দেওয়া যাবে।'‎​


তিনি আরও বলেন, 'অনার্স-মাস্টার্স করেও অনেকে সম্মানজনক চাকরি পাচ্ছেন না। নিরুপায় হয়ে একাডেমিক শিক্ষার বাছবিচার না করে যেকোনো চাকরি নিতে বাধ্য হচ্ছেন। সে জন্য একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজের জীবনকে গড়ে তুলুন।'‎​


রোববার (১ নভেম্বর) সকালে সিলেট জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।‘


দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সিলেট জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সিলেটের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন।


‎​সিলেট সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল আহাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (উত্তর) দেবাশীষ দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মাসুদ রানা।‎​


অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আব্দুর রউফ শাহ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইনসাফ ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ সোসাইটির সভাপতি জাতীয় যুব পুরস্কার প্রাপ্ত যুব উদ্যোক্তা ও সংগঠক মো. নজরুল ইসলাম, আদর্শ সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন রাজু, তাছনিম টেইলারিং হাউজের পরিচালক জেলি বেগম, বাংলাদেশ ইয়ুথ ক্যাডেট ফোরামের ইয়ুথ ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. সারোয়ার আলম।‎


উপস্থিত ছিলেন সিলেট প্রেস ক্সিরাবের পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো.মুহিবুর রহমান, সিলেট যুব উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি আফিকুর রহমান আফিক, আদর্শ যুব সমাজকল্যাণ সংস্থা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল সামায়ুন,সোশ্যাল ইকোনমিক সোসাইটির সভাপতি ফাহিমা আহাদ কুমকুম, মোঃ শাহ আলম, কয়ছর আহমদ কাওছার, মোঃ নিজাম উদ্দিন, শারমিন কবির, আলী আহসান হাবিব।


​অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মিসবাউল ইসলাম এবং গীতা পাঠ করেন তপন চন্দ্র দাস।​


আলোচনা সভার শেষে যুব ঋণের চেক বিতরণ, জেলা পর্যায়ে সফল আত্মকর্মী ও যুব সংগঠকদের মাঝে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট বিতরণ করা হয় এবং বিকেলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।‎​


উল্লেখ্য, আল ইসলাহ উত্তর বালুচরের শায়ান বুটিক হাউসের স্বত্বাধিকারী কাজী লিপা রহমানকে এক লাখ টাকার চেক এবং খাদিমগরের বাহুবল এলাকার ধ্রুব টেইলার্স অ্যান্ড ফেব্রিকসের স্বত্বাধিকারী মনি দেবনাথকে এক লাখ টাকার ঋণের চেক বিতরণ করা হয়।


এছাড়া ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের আওতায় বানিজ্যিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করায় মোছাম্মত রোজিনা বেগমকে পুরস্কার প্রদান করা হয় এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সফল উদ্যোক্তা ও সমাজ কর্মীদের মধ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

সর্বশেষ সব খবর