রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ৭:৫৪ এএম

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া। একই সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ‘ভণ্ডামি’ ও ‘জলদস্যুতার’ অভিযোগ তুলেছেন তিনি।


জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, ‘পুরো দায়ভার ইরানের ওপর চাপানোর একটি চেষ্টা চলছে, যেন মনে হয় ইরানই তার প্রতিবেশীদের ওপর হামলা করেছে। কিন্তু যুদ্ধের সময় কোনো উপকূলীয় দেশ আক্রান্ত হলে নিরাপত্তার স্বার্থে তারা নিজ জলসীমায় জাহাজ চলাচল সীমিত বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।’


পশ্চিমা দেশগুলোকে জলদস্যুদের সঙ্গে তুলনা করে রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনের হামলায় সমর্থন দিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলো আইন লঙ্ঘন করছে।


নেবেনজিয়া আরও বলেন, ‘জলদস্যুরা যেমন জাহাজে কঙ্কাল আঁকা কালো পতাকা উড়িয়ে আক্রমণ করে, পশ্চিমা দেশগুলো তেমনটা করে না। তারা তাদের বেআইনি কর্মকাণ্ডকে একতরফা জবরদস্তিমূলক ব্যবস্থার (নিষেধাজ্ঞা) আড়ালে লুকোনোর চেষ্টা করছে।’


তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা




যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের লোগো

  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:১৬ পিএম

সৌদি আরবে ভ্রমণের ক্ষেত্রে মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরোপ করা সতর্কতা হালনাগাদ করেছে ওয়াশিংটন। এখন ‘সতর্কতা লেভেল ৩’ জারি করেছে মার্কিন প্রশাসন। হালনাগাদ সতর্কতায় মার্কিন নাগরিকদের সৌদি আরবে ভ্রমণ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। মূলত ইয়েমেনের ইরানপন্থী হুতিদের সঙ্গে সৌদি আরবের বিরোধ এবং আঞ্চলিত অস্থিরতা বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ করেছে মার্কিন প্রশাসন।


আজ বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্তর্জাতিক ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে এ ভ্রমণ সতর্কতার কথা জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় মার্কিন স্বার্থের ওপর ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি রয়েছে।


সেই সঙ্গে সৌদি আরবের কিছু এলাকায় হামলার ঝুঁকি ক্রমেই বেড়ে যাওয়ার কথাও সতর্কতায় উল্লেখ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।


অন্যদিকে মার্কিন নাগরিকদের জন্য ইয়েমেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে আগে থেকেই ‘সতর্কতা লেভেল ৪’ জারি রয়েছে। এতে ইয়েমেনে ভ্রমণ না করার কথা বলা হয়েছে।


ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে ২০১৫ সাল থেকে হুতিদের লড়াই চলছে। ওই সময় হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে নেয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। পরে হুতিদের সঙ্গে এ লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে সৌদি আরবও।


চলমান ইরান যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের সঙ্গে হুতিদের আগের সেই বিরোধ এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে। সৌদি আরবের দাবি, পবিত্র মক্কা নগরীর দিকে ড্রোন ছুড়েছে হুতিরা। এ কারণে শহরটিতে গতকাল নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে সৌদি আরব সরকার।


সর্বশেষ ২০১৭ সালে হুতিরা পবিত্র এ নগরীতে হামলার চেষ্টা করেছিল। এরপর এবারই প্রথম মক্কায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হলো। তবে জারি করার কয়েক মিনিটের মধ্যে তা তুলে নেয় সরকার। একই ধরনের সতর্কতা তাইফ ও সৌদি আরবের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর জেদ্দাতেও জারি করা হয়েছিল।


  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৫৯ পিএম

সরকারি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যালয়ে ভুয়া বোমা হামলার হুমকি পাঠানোর জন্য পাঁচ লাখেরও বেশি ভুয়া জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি ও পরিচালনার সঙ্গে জড়িত এক অপরাধ চক্রকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় পুলিশ। এ ঘটনার পর পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাব ও সুরক্ষা বলয়ের ত্রুটি নিয়ে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগলকে আনুষ্ঠানিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় পুলিশ।


গতকাল মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।


গুগলের অন্যতম বড় বাজার ভারত। এর আগে আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় অপরাধীরা গুগলের ওয়েব ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘ফায়ারবেইস’-এর অপব্যবহার করায় এরইমধ্যে ভারত সরকারের কড়া নজরদারিতে রয়েছে গুগল।


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভারতের পশ্চিমের রাজ্য গুজরাটের সাইবার ক্রাইম শাখা এ সপ্তাহে আন্তঃরাজ্য বোমা হামলার হুমকি পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত এক বড় পরিসরের ইমেইল নেটওয়ার্কের সন্ধান পেয়েছে।


ধারাবাহিক অভিযানে এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ২০২২ সাল থেকে অপরাধমূলক কার্যক্রমে ব্যবহৃত ৫ লাখ ১৩ হাজার ৮৪৭টি জিমেইল আইডি ও এর পাসওয়ার্ড জব্দ করেছে পুলিশ।


রয়টার্সের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সবার আগে যে বিষয়টি উঠে এসেছে, তা হচ্ছে, এ বড় অপরাধ চক্রের নেপথ্যে গুগলের সিস্টেমের নিরাপত্তা দুর্বলতাও তদন্তের আওতায় আসছে।


গুজরাট পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা বিবেক ভেদা বলেছেন, “এত বিপুল সংখ্যক ভুয়া জিমেইল অ্যাকাউন্ট একত্রে ব্যবহারের ঘটনা এর আগে কখনো দেখা যায়নি, যা বিস্ময়কর।


“আমরা খুব দ্রুতই গুগলকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেব। তাদের প্ল্যাটফর্মের পলিসিতে কিছু পরিবর্তন আনতে বলা হবে, যাতে এ ধরনের সুরক্ষাব্যবস্থা সহজেই এড়িয়ে যাওয়া না যায়।”


তিনি বলেছেন, খুব শিগগিরই গুগলকে এ মামলার তদন্তের কাঠগড়ায় একটি পক্ষ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগের পরিকল্পনা রয়েছে পুলিশের।


এ ঘটনা ও তদন্তের বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি গুগলের মূল কোম্পানি অ্যালফাবেট। এ ঘটনায় শেষ পর্যন্ত গুগল কোনো ধরনের আইনি অভিযোগ বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়বে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।


ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বোমা হামলার হুমকি


ভারতে আর্থিক জালিয়াতির কারণে সাইবার অপরাধে বার্ষিক ক্ষতি ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এমন অপরাধে ব্যবহৃত প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানও নিয়েছে।


সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের কয়েক দিন আগে ১০ সেপ্টেম্বর গুজরাট রাজ্য সরকার এক বোমা হামলার হুমকির ইমেইল পাওয়ার পর এ তদন্ত শুরু হয়।


পুলিশ এক বিবৃতিতে বলেছে, ওই ইমেইলটিতে ব্রিকস সম্মেলনের সময় ভারতের সঙ্গে সহযোগিতাপূর্ণ বিভিন্ন দেশকেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল।


ভেদা বলেছেন, শেষ পর্যন্ত এসব হুমকি ভুয়া ছিল। তবে এ চক্রের আন্তর্জাতিক সংযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের একজন বাংলাদেশের এক ক্রেতার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। এই ক্রেতা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে আংশিক অর্থ পরিশোধ করে জিমেইল অ্যাকাউন্টগুলোর বিভিন্ন ব্যাচ কিনতেন ও পরবর্তীতে ভুয়া ইমেইল পাঠাতেন।


পুলিশের উদ্বেগের আরেকটি বিষয়, প্রতিটি ভুয়া অ্যাকাউন্টে গুগলের টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু ছিল। অপরাধ চক্রটি এত বড় সংখ্যক অ্যাকাউন্টে তা কীভাবে করল সেটাও তদন্তের আরেকটি দিক।


এফ–১৫ যুদ্ধবিমান

  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৪৮ পিএম

ইয়েমেনে সৌদি আরবের একটি এফ–১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে হুতিরা। ইরানপন্থী হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি আজ বুধবার এ দাবি করেন।


এক বিবৃতিতে ইয়াহিয়া সারি বলেন, ইয়েমেনের মারিব এলাকায় ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য একটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে সৌদি আরবের যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি স্থানীয়ভাবে নির্মিত।


বিবৃতিতে হুতিদের মুখপাত্র আরও বলেন, ‘আমাদের দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের মুখে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী (হুতি বিদ্রোহীরা) সৃষ্টিকর্তার সহায়তা ও অনুগ্রহে সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।’


যুদ্ধবিমানটি ইয়েমেনের মারিবের আকাশসীমায় সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর তৎপরতায় সহায়তা করার সময় ভূপাতিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ইয়াহিয়া সারি।


স্থানীয় সূত্রের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, মারিবের উত্তর-পশ্চিমে মাউন্ট হেলানের কাছে হুতিরা যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করেছে।


হুতিদের পক্ষ থেকে এফ–১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবির বিষয়ে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে ২০১৫ সাল থেকে হুতিদের লড়াই চলছে। ওই সময় হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে নেয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। পরে হুতিদের সঙ্গে লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।


চলমান ইরান যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের সঙ্গে হুতিদের আগের সেই বিরোধ এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, পবিত্র মক্কা নগরীর দিকে ড্রোন ছুড়েছে হুতিরা। এ কারণে শহরটিতে গতকাল মঙ্গলবার নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়।


সর্বশেষ ২০১৭ সালে হুতিরা পবিত্র মক্কায় হামলার চেষ্টা করেছিল। এরপর এবারই প্রথম মক্কায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হলো। তবে হুতিরা পবিত্র স্থানে হামলার এসব অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে।


মক্কা নগরীতে গতকাল নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করার কয়েক মিনিটের মধ্যে অবশ্য তা তুলে নেয় সৌদি সরকার। একই ধরনের সতর্কতা তাইফ ও সৌদি আরবের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর জেদ্দাতেও জারি করা হয়েছিল।



ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট  ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের কাছে ২ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমার এক বিশাল চালান বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছে। কয়েক বিলিয়ন ডলারের এই চুক্তি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিতর্কিত এই সমরাস্ত্রের সবচেয়ে বড় একক চালান হতে যাচ্ছে বলে খবর দিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট।


এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে সংবাদমাধ্যমটি লিখেছে, ২৮০ কোটি ডলারের এই অস্ত্র চুক্তির আওতায় দুই হাজার পাউন্ড ওজনের ৪০ হাজার বোমা দেওয়া হবে, যার মধ্যে রয়েছে ২০ হাজার এমকে-৮৪ এবং ২০ হাজার বিএলইউ-১১৭ বোমা।


এছাড়া এই বিক্রয় তালিকায় ২০ হাজার আই-২০০০ পেনিট্রেটর ওয়ারহেডও থাকছে।


পশ্চিমা সামরিক অস্ত্রভাণ্ডারের অন্যতম ধ্বংসাত্মক এই এমকে-৮৪ বোমা বিস্ফোরণের পর এর ধাতব টুকরোগুলো কয়েক হাজার ফুট পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এটি পুরু কংক্রিট ও লোহা ভেদ করতে পারে এবং মাটিতে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি করে।


বিএলইউ-১১৭ বোমা হল এমকে-৮৪ এর একটি বিশেষ রূপ। এতে তাপ প্রতিরোধী প্রলেপ থাকে, যা নৌবাহিনীর গুদামে নিরাপদে সংরক্ষণের উপযোগী। আর আই-২০০০ বোমা ভূগর্ভস্থ বা সুরক্ষিত কাঠামো ধ্বংস করতে ব্যবহৃত হয়।


এসব অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে কংগ্রেসের সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোকে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।


ওয়াশিংটন পোস্ট লিখেছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হতাশা এবং দুই দেশের সম্পর্কে নজিরবিহীন টানাপড়েনের মধ্যে এই অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত ডেমোক্র্যাটদের জন্য একটি বড় পরীক্ষা হতে পারে।


যদিও এটিকে 'বিক্রি' বলা হচ্ছে, বাস্তবে 'ফরেন মিলিটারি ফাইন্যান্সিং'-এর মাধ্যমে এই লেনদেনের অর্থায়ন করা হচ্ছে। অর্থাৎ, যে অর্থে ইসরায়েল এই অস্ত্র কিনবে, তা যুক্তরাষ্ট্রই তাদের সরবরাহ করবে। আর তা মেটানো হবে যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে।


এ বিষয়ে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, "বিদেশে অস্ত্র বিক্রির সব সিদ্ধান্তই যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়ে থাকে। আমরা প্রক্রিয়াধীন কোনো বিষয় নিয়ে মন্তব্য করি না।"


এ বিষয়ে ইসরায়েলি দূতাবাসও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এই চুক্তির আকার বাইডেন ও ট্রাম্প প্রশাসনের আগের সব ২ হাজার পাউন্ডের বোমা বিক্রির রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে ২০২৫ সালে কংগ্রেসের সাধারণ পর্যালোচনা প্রক্রিয়া এড়িয়ে ২.০৪ বিলিয়ন ডলারের একটি বিতর্কিত চালান পাঠিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন।


গাজা ও লেবাননে শত শত বার ২ হাজার পাউন্ড ওজনের ওইসব বোমা ব্যবহার করেছে ইসরায়েল, যা বিপুল প্রাণহানির অন্যতম কারণ।


গাজায় নিজেদের ঘোষিত নিরাপদ অঞ্চলেও নিয়মিত এমকে-৮৪ বোমা ফেলেছে ইসরায়েল, যা নিয়ে তারা ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে।


মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ ট্রেভর বল বলেন, কোনো ভবনে হামলা করতে চাইলে তারা এ বোমা ব্যবহার করতে পছন্দ করে। কারণ একটি এমকে-৮৪ বোমা পুরো ভবনটি ধসিয়ে দিতে পারে।


প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধে মার্কিন পাইলটদের কাছে ‘হ্যামার’ বা হাতুড়ি নামে পরিচিতি পায় এ বোমা।


গাজা যুদ্ধ চলাকালে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহতের আশঙ্কায় এ ধরনের বোমা ইসরায়েলে পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল জো বাইডেনের প্রশাসন। ২০২৪ সালে এর একটি চালান স্থগিত করা হয়েছিল।


তবে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফেরার প্রথম মাসেই সেই নীতি উল্টে দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ব্রায়ান ফিনুকেন বলেন, "ইসরায়েল গাজা এবং লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে যেভাবে বিমান হামলা চালিয়েছে, তাতে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই ধরনের অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। ইসরায়েল আসলে কাকে বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু মনে করে, তা নিয়েই প্রশ্ন আছে।"


পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানসহ বিভিন্ন বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ও ইসরায়েলের মধ্যে টানাপড়েন থাকার পরও এই অস্ত্র বিক্রির পক্ষে সমর্থন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।


গাজায় ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনাও প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল, যেখানে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের বিপরীতে হামাসের নিরস্ত্রীকরণের প্রস্তাব ছিল।


এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধ বন্ধের জন্য একটি স্বল্পস্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছালে নেতানিয়াহুর মিত্ররা এর কঠোর সমালোচনা করেছিল এবং চুক্তিতে মধ্যস্থতা করায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সমালোচনায় মুখর হয়েছিল।


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় নেতানিয়াহুকে নিয়ে ট্রাম্প ও তার সহযোগীদের হতাশা ক্রমশ বাড়ছে। কারণ নেতানিয়াহু দ্রুত ও চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে যুক্তি দিয়েছিলেন।


ফিনুকেন বলেন, নতুন চুক্তির আওতায় এসব অস্ত্র সরবরাহ করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। তবে এ চুক্তির অনুমোদন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় বার্তা দেয়।


"পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি আনা যদি ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য হয়, তাহলে এই চুক্তি অস্বাভাবিক। তারা চাক বা না চাক, এর মাধ্যমে ইসরায়েলের প্রতি একটি আস্থার বার্তাই দেওয়া হচ্ছে।"


সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটি এবং হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির নেতাদের এই অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিতে চাপ দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।


রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটিক নেতারা অতীতে এ ধরনের অস্ত্র বিক্রিতে সমর্থন দিয়ে এলেও গাজা ও ইরানের যুদ্ধের হতাশাজনক ফলাফলের কারণে তারা এখন সাধারণ সদস্যদের বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন।


বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানে যুদ্ধের বিপক্ষে, যা জ্বালানির দাম ও মূল্যস্ফীতি বাড়িয়েছে।


প্রতিনিধি পরিষদের ১০০ জনের বেশি ডেমোক্র্যাট সদস্য জুলাই মাসে ইসরায়েলকে সব ধরনের মার্কিন সহায়তা বন্ধ করার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।


মঙ্গলবার ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন বলেন, তিনি এই অস্ত্র বিক্রির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলবেন।


" ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন করদাতাদের অর্থে এমন এক সরকারের কাছে বোমা পাঠাচ্ছেন, যার নেতৃত্বে রয়েছেন একজন ওয়ান্টেড যুদ্ধাপরাধী। অথচ নেতানিয়াহু সরকার গাজা ও লেবাননে বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আমেরিকানদের হত্যার জন্য ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার পথ আটকে দিচ্ছে।"


তিনি বলেন, "এটি 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতি নয়। আমরা এটি বন্ধ করার চেষ্টা করব।"


ইসরায়েলের প্রতি রিপাবলিকানদের সমর্থন থাকলেও মেগিন কেলি, টাকার কার্লসন এবং ক্যান্ডেস ওয়েন্সের মত রক্ষণশীল বিশ্লেষকরা ইসরায়েলকে পাঠানো বার্ষিক ৩.৮ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:২৪ পিএম

বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আরও কমে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রণালিটি দিয়ে মাত্র চারটি জাহাজ চলাচল করেছে, যা আগের দিনের সাতটির তুলনায় কম এবং ১০ দিনের গড় ১৮টির তুলনায় অনেক নিচে। 


এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে তেলের মজুত অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়ে যাওয়ায় আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে।


সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, প্রাথমিক হিসাবে মঙ্গলবার মোট চারটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে বলে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি জাহাজ প্রণালি দিয়ে বেরিয়ে গেছে এবং দুটি প্রবেশ করেছে।


তবে এসব তথ্য এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং পরে তা পরিবর্তন হতে পারে। কারণ মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো বড় আকারের অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ট্যাংকার চলাচল করেনি। এছাড়া কয়েকটি জাহাজ তাদের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে প্রণালি পার হয়েছে। 


ফলে সেগুলো আনুষ্ঠানিক হিসাবের মধ্যে আসেনি। অবশ্য মঙ্গলবারের জাহাজ চলাচলের সংখ্যা গত ১০ দিনের গড় ১৮টির তুলনায় অনেক কম।


এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়ে যাওয়ার পর বুধবার তেলের দাম কমেছে। একই সময়ে সৌদি আরবের তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগও বাজারে প্রভাব ফেলছে।


লোহিত সাগরের দিকে যাওয়া সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলার পর দেশটি ইয়ানবু টার্মিনাল থেকে তেল পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


বাংলাদেশ সময় আজ বুধবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯৩ সেন্ট বা ০.৮৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৭.৮২ ডলারে নেমেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৯৭ সেন্ট বা ০.৯২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৪.৮৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।


এর আগে মঙ্গলবার উভয় ধরনের তেলের দাম ৩ ডলারের বেশি বেড়েছিল। এতে করে গত ১৯ মে’র পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় তেলের দাম। ইয়ানবু টার্মিনাল থেকে তেল পাঠানো বন্ধ হওয়া এবং ইউরোপে সৌদি আরবের তেল সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়ে যাওয়ার ঘটনায় মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল।


মক্কা অভিমুখে ড্রোন হামলায় ওআইসির নিন্দা

  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:১১ এএম

ইসলামের পবিত্র নগরী মক্কা অভিমুখে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সৌদি আরব। এ ঘটনার নিন্দা তীব্র জানিয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। 


তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের এই অভিযোগকে ‘পুরোনো মিথ্যা’ আখ্যা দিয়ে তা অস্বীকার করেছে হুতিরা। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।


সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে, মক্কার কাছে ইয়েমেনের হুতিদের ছোড়া একটি ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।


জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেন, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ড্রোনটি শনাক্ত করা হয়। নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটিকে ভূপাতিত করা হয়। পরে ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণে পড়ে।


আল-মালিকি এটিকে মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগও হুতিদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছিল।


তিনি বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ ও হজযাত্রীদের নিরাপত্তা সৌদি আরবের জন্য ‘লাল রেখা’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।


তবে মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে হুতিরা। গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হাজেম আল-আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার দাবি ‘পুরোনো মিথ্যা’, যা এর আগেও ব্যবহার করা হয়েছে।


তিনি দাবি করেন, এ ধরনের অভিযোগ এখন আর কাউকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।


এদিকে মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে হুতিদের হামলার অভিযোগে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ওআইসি। সংস্থাটির মহাসচিবালয়ের এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতিদের চলমান হামলারও নিন্দা করা হয়।


বিবৃতিতে বলা হয়, পবিত্র স্থান ও মসজিদ লক্ষ্য করে এ ধরনের হামলা বেসামরিক মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা লঙ্ঘন করে। একই সঙ্গে এটি বিশ্বের মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করে।


ওআইসি বলেছে, পবিত্র স্থান, উপাসনালয় ও বেসামরিক অবকাঠামোর বিরুদ্ধে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ইসলামি মূল্যবোধ এবং আন্তর্জাতিক আইন ও নীতির পরিপন্থি।


পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা লঙ্ঘনকে অগ্রহণযোগ্য ও অসহনীয় উল্লেখ করে এর জন্য দায়ীদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।


সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়ে ওআইসি বলেছে, দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা বজায় রাখতে রিয়াদ যেসব পদক্ষেপ নেবে, তাতে সংস্থাটির সমর্থন রয়েছে।


এর আগে মঙ্গলবার হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদির খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।


২০১৪ সালে হুতিরা রাজধানী সানা ও দেশের কয়েকটি অঞ্চল দখল করার পর ইয়েমেনে যুদ্ধ শুরু হয়। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ করে।