বিলুপ্ত র্যাবের এসআরবি নামে যাত্রা
নানামুখী আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই র্যাব বিলুপ্ত হয়ে বাহিনীটি ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবি নামে যাত্রা করল। আজ বুধবার থেকে নতুন নামে যাত্রা শুরু করার কথা জানিয়েছেন বাহিনী প্রধান আহসান হাবীব পলাশ।
তিনি বলেন, “এসআরবি নামে গেজেট হয়েছে। আমরা র্যাবের নাম পরিবর্তন করে এসআরবি নাম দিয়ে সকল কাজ আজ থেকে শুরু করেছি।”
এদিন ডাকা সংবাদ সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্রের সঙ্গে বাহিনীটি যে লোগো ব্যবহার করেছে, তাতে র্যাব’র স্থলে ‘এসআরবি বাংলাদেশ’ লেখা রয়েছে। তবে লোগোর নকশা অপরিবর্তিত রয়েছে। বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন লোগো ব্যবহার করতে দেখা গেছে।
বিরোধী দলের আপত্তির মধ্যে গত ১০ সেপ্টেম্বর র্যাব বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবি নামে পুলিশের অধীনে নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়। মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারির পর তা আইনে রূপ নেয়। এর পরদিনই নতুন নামে যাত্রা করল বাহিনীটি।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ র্যাব গঠিত হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সফলতার পাশাপাশি বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে বাহিনীটিকে বিলুপ্তির দাবি ওঠে।
গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাব ও বাহিনীর সাত কর্মকর্তার উপর যুক্তরাষ্ট্র ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপি গঠিত পুলিশ প্রশাসন সংস্কার বিষয়ক কমিটি র্যাব বিলুপ্তির দাবি জানায়। তবে ক্ষমতায় এসে বিএনপি এ বাহিনীকে বিলুপ্ত না করে কাঠামোগত ও কর্মপরিধি পুনর্বিন্যস্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি নামে মাঠে রাখল।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
পবিত্র নগরী মক্কা আল-মুকাররমাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার খবরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র মক্কা আল-মুকাররমা এবং সৌদি আরবের অন্যান্য পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদার প্রতি বাংলাদেশের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। এসব পবিত্র স্থান সুরক্ষায় সৌদি আরবের সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ জোর দিয়ে বলেছে, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সব সময় পূর্ণাঙ্গভাবে সম্মান ও নিশ্চিত করতে হবে।
হাসানুজ্জামান তুষার ও মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে ফেইসবুকে ‘অবমাননাকর’ মন্তব্যের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীকে তলব করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় সশরীরে হাজির হয়ে এ বিষয়ে তাদের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। প্রসিকিউশনের এক আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বুধবার এ আদেশ দেয় বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২।
যে দুই আইনজীবীকে তলব করা হয়েছে, তারা হলেন-হাসানুজ্জামান তুষার ও মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী।
আদেশের পর ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম বলেন, “গতকাল ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল যে রায় দিয়েছে, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ওই দুজন আইনজীবী ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তারা ট্রাইব্যুনালকে অবমাননা করে বক্তব্য দিয়েছেন।”
মঙ্গলবার দুপুরে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর পরপরই হাসানুজ্জামান তুষার রায়ের সংবাদ প্রতিবেদন ফেইসবুকে শেয়ার করে লেখেন, “অবৈধ ক্যাঙ্গারু কোর্টের অবৈধ, মিথ্যা-বানোয়াট, ভিত্তিহীন রায়ের তীব্র নিন্দা জানাই, প্রতিবাদ জানাই এবং ঘৃণ্যভাবে এই রায় প্রত্যাখান করি। রাজপথেই হবে সবকিছুর ফয়সালা। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।”
ওই পোস্টে সেদিন বিকালে আইনজীবী মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী মন্তব্য করেন, “ক্যাঙ্গারু কোর্টের অবৈধ রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই ফরমায়েশি রায় প্রত্যাখান করছি। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।”
অন্যদের বাদ দিয়ে কেবল এ দুজনের বিরুদ্ধে আবেদন করার কারণ ব্যাখ্যা করে কৌঁসুলি তামীম বলেন, “তারা আইনজীবী, তারা আইন জানেন। আদালতের বিরুদ্ধে কী বলা যায় বা যায় না তা উনারা জানেন।
“একজন আইনজীবী যখন আদালত সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য করেন এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তখন সাধারণ মানুষের কাছে মনে হতে পারে যে এটি বৈধ। এই বিভ্রান্তি এড়াতেই আদালতের কাছে পিটিশনটি আনা হয়েছে।”
১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ১১(৪) ধারার কথা মনে করিয়ে দিয়ে গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম বলেন, ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি, সংশ্লিষ্ট কাউকে হুমকি বা আদালত অবমাননাকর কোনো কাজ করলে এক বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিকদের জন্য জাল নথি তৈরির এক চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৭ বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তাদের মধ্যে ১০ বাংলাদেশি পুরুষ এবং এক নারীকে এই জালিয়াত চক্রের হোতা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইলের বরাতে মালয় মেইল জানিয়েছে, সোমবার কুয়ালালামপুরের জালান চান সো লিন বাণিজ্যিক এলাকার ১১টি স্থানে একযোগে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
অভিযানে আটক হওয়া ২৭ বাংলাদেশির মধ্যে ১১ জনের বিরুদ্ধে বিদেশি শ্রমিকদের জন্য নথি জাল করার কথিত চক্র পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়েছে। বাকি ১৬ বাংলাদেশিকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়েছে।
এ ছাড়া অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও তিন বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন মিয়ানমারের এবং দুজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক।
‘অপস সেরকাপ’ নামে পরিচালিত এ অভিযানে ১৮টি ল্যাপটপ, ২১টি প্রিন্টার ও স্ক্যানার, তিনটি মোবাইল ফোন এবং ১০টি বাংলাদেশি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, অভিযানে জাল অস্থায়ী কর্মসংস্থান পাসের (ই-পিএলকেএস) কপি এবং ভুয়া পুলিশ প্রতিবেদনও পাওয়া গেছে।
সাইফুদ্দিন বলেন, প্রতিটি জাল কর্মসংস্থান পাস ১৫০ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত এবং ভুয়া পুলিশ প্রতিবেদন ৭০ রিঙ্গিতে বিক্রি করা হত। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ বিদেশি শ্রমিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কারসাজি এবং নথি জাল করার সঙ্গে জড়িত চক্রগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করছে বলেও জানান তিনি।
এমন এক সময়ে এই অভিযান চালানো হচ্ছে, যখন বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় খোলার আলোচনা গতি পেয়েছে।
অনিয়ম ও শ্রম শোষণের অভিযোগের মধ্যে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল মালয়েশিয়া। এরপর দুই দেশ শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা শুরু করে। সম্প্রতি মালয়েশিয়া আরও ৩১২টি বাংলাদেশি এজেন্সিকে ‘অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটিং এজেন্সি’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
এর আগে দেশটির বিদেশি কর্মী নিয়োগের কেন্দ্রীয় ব্যবস্থার আওতায় ২৫টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সি এবং রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডকে (বোয়েসেল) অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগে গত জুলাইয়ে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করে বাংলাদেশ।
দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এসব এজেন্সি ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৭৬ জন কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়েছিল। তারা কর্মীদের কাছ থেকে সরকারি নির্ধারিত ব্যয়ের চেয়ে অর্থ নিয়ে ৪ হাজার ৫৪৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে কর্মীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ব্যয়ের পাঁচ গুণ অর্থ নেওয়ারও অভিযোগ পেয়েছে দুদক।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যাচ্ছেন মির্জা আব্বাস
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে যাচ্ছেন তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস।
এর আগে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরেন মির্জা আব্বাস। এরপর দিনই সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন তিনি।
ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর শপথ নিলেও অসুস্থতার কারণে এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কোনো অধিবেশনে যোগ দিতে পারেননি মির্জা আব্বাস।
এসএসসি-দাখিলের ১৩ বিষয়ে একই প্রশ্নে পরীক্ষা
আগামী বছর (২০২৭ সাল) অনুষ্ঠেয় দাখিল ও এসএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৩টি বিষয়ের প্রশ্নপত্র অভিন্ন হবে। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দাখিল ও এসএসসি পরীক্ষায় অভিন্ন প্রশ্নপত্রে হওয়া বিষয়গুলো হলো- বাংলা ২য় পত্র (১০২), ইংরেজি ১ম পত্র (১০৭), ইংরেজি ২য় পত্র (১০৮), তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (১৫৪), গণিত (১০৯), বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (১৫০), পদার্থবিজ্ঞান (১৩৬), রসায়ন (১৩৭), জীববিজ্ঞান (১৩৮), উচ্চতর গণিত (১২৬), পৌরনীতি ও নাগরিকতা (১৪০), কৃষিশিক্ষা (১৩৪) ও গার্হস্থ্যবিজ্ঞান (১৫১)।
এদিকে বাংলা ১ম পত্রের পরিবর্তিত বিষয় কোড ১০১ হলেও এসএসসি ও দাখিল পর্যায়ের সিলেবাসের ভিন্নতার জন্য ২০২৭ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পৃথক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে। এ ছাড়া ২০২৭ সালের অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে তাদের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে বর্ণিত বিষয় কোড বহাল থাকবে এবং আগের মতো পৃথক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে।
মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা
সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৪ ডিসেম্বর নেওয়া হতে পারে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাথমিকভাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ৪ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছে। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে কবে, তা আমরা এখনো জানি না। অক্টোবরের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে যদি এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হয়, তাহলে আমরা ডিসেম্বরের ৪ তারিখেই পরীক্ষা নিতে পারবো।
অধ্যাপক নাজমুল হোসেন বলেন, ফল প্রকাশের আগে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া সম্ভব নয়। এইচএসসি ফল প্রকাশ করা হলে তারপর ভর্তি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হবে। এরপর ফল পুনর্নিরীক্ষণ থাকে। তারপর আবেদনসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজে প্রায় এক সময় লাগবে। তারপর তো ভর্তি পরীক্ষা নিতে হবে। সেই হিসাব কষে আমরা এগোচ্ছি।
‘এক কথায় বললে, যদি অক্টোবরের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হয়, তাহলে ৪ ডিসেম্বর পরীক্ষা হতে পারে। আর ফল প্রকাশ পিছিয়ে গেলে আমাদেরও বাধ্য হয়েই মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা আরও পেছাতে হবে। সেক্ষেত্রে বুয়েট ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ঘোষিত তারিখগুলোও বিবেচনায় নিতে হবে। বড় জটিলতা হতে পারে’, যোগ করেন অধ্যাপক নাজমুল।
পরীক্ষা গ্রহণ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি বলেন, ‘আমরা এবারও একইদিনে এমবিবিএস ও বিডিএস পরীক্ষা নেবো। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও নম্বর বণ্টনসহ আরও কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। দেড় থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এসব চূড়ান্ত হবে।’
গত বছর অর্থাৎ, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওইদিন সকাল ১০টা থেকে দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষার দুই দিন পর ১৪ ডিসেম্বর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছিল।