• প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:০২ পিএম

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এর আয়োজনে গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণ এবং অধিকার ও দায়িত্ববোধ-সম্পর্কিত আইন ও বিধিবিধান বাস্তবায়নের গুরুত্ব বিষয়ে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে ঠাকুরগাঁও সার্কিট হাউজের কনফারেন্স রুমে জেলার কর্মশালায় গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা, সংবাদ পরিবেশনে নৈতিকতা বজায় রাখা এবং প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


এ সময় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, তথ্যের সত্যতা যাচাই, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং সাংবাদিকতার পেশাগত মান উন্নয়নে করণীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।


এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম, বিশেষ অতিথি ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন।




রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব আব্দুস সবুর। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক রফিকুল হক।


কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে সনদ তুলে দেন প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান ও অতিথিরা।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:২৩ পিএম

কক্সবাজারের ঈদগাঁও ও রামু উপজেলার পাহাড়ি জনপদের ভেতর দিয়ে যাওয়া ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কে দিনের বেলায় অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের জিম্মি করে লুটপাট চালিয়েছে একদল ডাকাত। আজ সোমবার সড়কের হিমছড়ি ঢালায় দুই দফায় এ ঘটনা ঘটে। 


ডাকাতদের কবলে পড়ে অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহন। এগুলোর বেশির ভাগই সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল। শতাধিক যাত্রীর কাছ থেকে নগদ টাকা, মুঠোফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করা হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।


ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, মুখোশধারী ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র দল সড়কে যানবাহনের গতিরোধ করে যাত্রীদের জিম্মি করে। পরে তাঁদের পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে টাকা ও মালামাল ছিনিয়ে নেয়। একাধিক ভুক্তভোগীর দাবি, কয়েক ঘণ্টা ধরে এভাবে লুটপাট চললেও ঘটনাস্থলে পুলিশের টহল ছিল না।


ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম সিফাতুল মাজদার বলেন, স্থানীয় কিছু দুর্বৃত্ত সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে যানবাহনে লুটপাট চালিয়ে জঙ্গলে আত্মগোপন করেছে। তাঁদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।


১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কের গহিন বনাঞ্চল এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। তবে মোট কতটি যানবাহনে লুটপাট হয়েছে, তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি ওসি।


একটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার ব্যবস্থাপক মো. রবিউল ইসলাম বলেন, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি আরেকজনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে মুখোশধারী ১০ থেকে ১২ জন সশস্ত্র ব্যক্তি তাঁদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। এরপর দুজনকে পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করা হয়। তাঁদের শরীর তল্লাশি করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, দুটি মুঠোফোন ও কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।


রবিউল ইসলামের ভাষ্য, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ডাকাতেরা ৫০ থেকে ৬০টি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের শতাধিক যাত্রীকে জিম্মি করে লুটপাট চালায়। বেলা তিনটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান শুরু করলেও কাউকে আটক করতে পারেনি। ঘটনার সময় সড়কে পুলিশের টহল ছিল না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


আরেকটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার হিসাবরক্ষক আবদুল হাকিম বলেন, তাঁরা তিনজন একটি অটোরিকশায় করে ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে সশস্ত্র ডাকাতেরা তাঁদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে তাঁদের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ব্যাংকের চেকবই ছিনিয়ে নেওয়া হয়।


ক্ষোভ প্রকাশ করে আবদুল হাকিম বলেন, এ সড়কে প্রায়ই লুটপাটের ঘটনা ঘটে। অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনাও অহরহ ঘটছে। অথচ যাত্রীদের নিরাপত্তায় কার্যকর ব্যবস্থা নেই।


ঈদগড়ের বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেকও ডাকাতির শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঈদগাঁও থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে অটোরিকশাটি ডাকাতদের কবলে পড়ে। এ সময় তাঁর মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। জীবন বাঁচাতে তিনি চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান।


ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজনের ভাষ্য, আজ সোমবার সকাল ৮টা ও দুপুর ১২টার দিকে দুই দফায় এ সড়কে লুটপাট চালানো হয়। দুই দফায়  আড়াই ঘণ্টার মতো ডাকাতি চলে। তাঁদের দাবি, অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহনের যাত্রীরা এ সময় ডাকাতের কবলে পড়েন।

সর্বশেষ সব খবর

শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৫৭ পিএম

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আবদুল্লাহ শ্রীনগর উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। গতকাল রোববার বিকেল ৩টা থেকে তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পূজামণ্ডপগুলোতে উপস্থিত হয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।


পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য শেখ মো. আবদুল্লাহ ভাগ্যকুল ইউনিয়নের হরিসভা কামারগাঁও, বাঘড়া মনিপাড়ার ঋষিবাড়ি, বাঘড়া বাজার দুর্গা মন্দির, মধ্য কামারগাঁও নাগর নন্দী পূজা মণ্ডপ এবং মাইজপাড়া বাবুর বাড়ি নাট মন্দিরসহ একাধিক মণ্ডপ ঘুরে দেখেন।


মণ্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু দুলাল দাস, সহকারি কমিশনার ভূমি  শ্রীনগর   আফরোজা তানিয়া ও শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম হাফিজুল ইসলাম খানসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 


পরিদর্শনকালে বাঘড়া মনিপাড়ার ঋষিবাড়ি পূজা মণ্ডপ এলাকায় গিয়ে সংসদ সদস্য জলাবদ্ধতা এবং এর কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের চিত্র স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় মণ্ডপে আগত ভক্ত ও স্থানীয়দের যাতায়াতে তীব্র ভোগান্তি পোহাতে দেখে তিনি আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন। 


জলাবদ্ধতার বিষয়ে ক্ষোভ ও সমবেদনা প্রকাশ করে সংসদ সদস্য শেখ মো. আবদুল্লাহ বলেন, এর আগেও এলাকাটি পরিদর্শন করেছি নিচু এলাকা হওয়ায় এখানে সহজে পানি জমে থাকে যার কারণে ডেঙ্গু মশার বংশবিস্ত করে সাধারণ মানুষের বসবাস করতে চরম কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে এই এলাকার মানুষের ভোটে আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েও এখনো এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে না পারায় নিজেকে নিজের কাছেই ছোট মনে হচ্ছে। 


তিনি আরও অঙ্গীকার করে বলেন, আমি কথা দিচ্ছি, অতিসত্বর এখানে আমাদের ইঞ্জিনিয়ার পাঠাবো যত দ্রুত সম্ভব এই পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে, জানান সংসদ সদস্যের এই আশ্বাসে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ও এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পরিদর্শনের সময় তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে নির্বিঘ্নে ও আনন্দমুখর পরিবেশ পূজা উদযাপনের আহ্বান জানান এবং সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

সর্বশেষ সব খবর

মির্জা ফয়সল আমিন

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:১০ পিএম

ভুল্লী উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নে ২০-২৫টি পথসভা, পূজামণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। দিনের বেশিরভাগ সময় নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও জনসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।


এরই ধারাবাহিকতায় তিনি আজ (১৯ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভুল্লী উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী পথসভা ও গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।


নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেবীপুর ইউনিয়নে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি পথসভায় অংশ নেন মির্জা ফয়সল আমীন। এ ছাড়া ইউনিয়নের ১২টির বেশি পূজামণ্ডপে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। পথসভা ও গণসংযোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের প্রত্যাশা ও এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।




পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, আমি আপনাদের মাঝে নিজের পরিচয় দিতে এসেছি। আমি আপনাদের প্রিয় মানুষ আলমগীর স্যারের তিন ভাইয়ের মধ্যে ছোট ভাই। আমার নাম মির্জা ফয়সল।


তিনি আরও বলেন, তাঁর ভাই রাষ্ট্রপতি হওয়ার কারণে তাঁকে সরকারদলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে হচ্ছে।


ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, তাঁর ভাই ছয় মাস সংসদ সদস্য থাকাকালে জেলায় বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কাজের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, নার্সিং ইনস্টিটিউট, বিমানবন্দর এবং ইপিজেড প্রতিষ্ঠাসহ আরও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প।


তিনি বলেন, চলমান কাজগুলো ত্বরান্বিত করার জন্য একজন সরকারদলীয় সংসদ সদস্যের প্রয়োজন। তাই আমি এ পদে নির্বাচন করছি।

কৃষি খাতের সমস্যা তুলে ধরে বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের অন্যতম বড় সমস্যা সারসংকট। নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে এ সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। এ ক্ষেত্রে সার বিতরণে বিদ্যমান ডিলারশিপ ব্যবস্থার পরিবর্তে খোলাবাজারে সার সরবরাহের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন।


তিনি আরও বলেন, এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং কৃষকদের সারসংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে তিনি কাজ করতে চান। এ জন্য তিনি নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।


ভুল্লী উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নে তাঁর পথসভা ও গণসংযোগের উল্লেখযোগ্য স্থানগুলোর মধ্যে ছিল শ্যামাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ, বৈরাগী হাট, দক্ষিণ ও উত্তর মণ্ডলপাড়া, রঙিয়াণীর হাট এবং গুচ্ছগ্রাম। এসব কর্মসূচিতে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে নিজের নির্বাচনী বক্তব্য ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন মির্জা ফয়সল আমীন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:১৯ পিএম

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ৩০টি দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক এম.এ. মজিদ। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমিরের পক্ষ থেকে প্রতিটি পূজামণ্ডপে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।


পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আদম সুফি, আটোয়ারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এজেডএম বজলুর রহমান জাহিদ, সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম দুলাল, ব্যারিস্টার তুষার কান্তি রায়, পঞ্চগড় পৌর যুবদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম ইরানসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।


এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক এম.এ. মজিদ বলেন, “পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমিরের পক্ষ থেকে আমরা আপনাদের মাঝে এসেছি। আপনারা যেন নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।”


তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমিরের পক্ষ থেকে আটোয়ারী উপজেলার প্রতিটি দুর্গাপূজা মণ্ডপে ১০ হাজার টাকা করে উপহার দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন আরও বৃহৎ পরিসরে ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।


তিনি শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৪৮ পিএম

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া তিন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে প্রকৌশল দপ্তরের রয়েছেন দুইজন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ রাস্তা সংস্কারে ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ের বিষয়টি তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। 


গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪৩তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সভায় উপস্থিত এক সিন্ডিকেট সদস্য।


সিন্ডিকেট সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ৩ জন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী মো. জয়নাল আহমেদ চৌধুরী, প্রকৌশলী বিকাশ চন্দ্র দাস। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ রাস্তা সংস্কারে ব্যয় নিয়ে ওঠা প্রশ্ন তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।


সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলামকে সভাপতি, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমেদ চৌধুরীকে সদস্য সচিব এবং সিন্ডিকেট সদস্য আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শহিদুর রহমানকে সদস্য করা হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ লুৎফুল কবীর রিপন

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৩৭ পিএম

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ৪ নং ওটরা ইউনিয়নে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে জোর নির্বাচনী হাওয়া। হাটে-বাজারে, চায়ের কাপের আড্ডা থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মাঝে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। 


এর মধ্যেই ব্যক্তিগত পরিচিতি, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তির কারণে সাধারণ মানুষের আস্থা ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে এসেছে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উজিরপুর থানা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব মোঃ লুৎফুল কবীর রিপন।


৪ নং ওটরা ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় সমর্থন প্রত্যাশা করে বিভিন্ন সময় মতবিনিময় করেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে তাকে নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো ভূমিকা অর্জন করছেন।


রাজনৈতিক জীবনে ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব মোঃ লুৎফুল কবীর রিপন উজিরপুর থানা বিএনপির  সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ওটরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ওটরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি এবং বরিশাল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সাবেক ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি অত্র উপজেলার গরীব অসহায় মানুষের পাশে চক্ষু সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।


নাম বলতে অনিচ্ছুক ব্যক্তি বলেন ইঞ্জিনিয়ার মোঃ লুৎফুল কবীর রিপন একজন সৎ, উচ্চ শিক্ষিত, সাহসী,মেধাবী ও প্রতিবাদী ব্যক্তি তার দ্বারা এই ইউনিয়নে উন্নয়ন করে রুপ রেখা আরও সৌন্দর্য হবে বলে আমরা মনে করি, তার মতো যোগ্য একজন চেয়ারম্যান আমাদের প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি। 


এছাড়া তিনি বিগত দিনে চক্ষু হাসপাতালের একজন পরিচালক হওয়া সত্ত্বেও আমাদের সার্বিক খোঁজ-খবর ভালো মন্দে এবং আমাদের অসুস্থতার খবর শোনা মাত্রই আমাদের পাশে এসে চিকিৎসাসেবা ও ফ্রী ঔষধ দেওয়া সহ গরিব অসহায় দুঃখী ও মেহনতী মানুষের আর্থিক ভাবে সাহায্য করে সব সময় আমাদের পাশে ছিলেন, এবং অনেক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে নিজেকে শামিল করেছেন।


বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তার পরিচিতির পাশাপাশি প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ তাকে স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্যতা অর্জনে সহায়তা করেছে বলে মনে করেন তার সমর্থকেরা।


এলাকার কয়েকজন প্রবীণ নাগরিকের মতে, ৪ নং ওটরা ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, রাস্তাঘাটের সংস্কার, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন এবং নাগরিকদের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন যোগ্য, জনবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতৃত্ব। তাদের প্রত্যাশা, আসন্ন নির্বাচনে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।


এদিকে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব মোঃ লুৎফুল কবীর রিপন বলেন, আমি এলাকার উন্নয়ন ও জনগনের সেবা করার সুযোগ এখনো পুরোপুরি পাইনি তারপরও কতটুকু করতে পেরেছি তা আপনারা নিশ্চয়ই জেনেছেন। আমি আমার নয় আমি হবো জনতার এই ধারাবাহিকতায় আমি নির্বাচিত হলে এই ইউনিয়নের সকল শ্রেণীর সকল পেশার মানুষের দৌরগোড়ায় পৌঁছে সকল সমস্যা বাস্তবায়ন করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।


তিনি আরও বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মি ও বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু সাহেবর দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। সংগঠন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছি। দল সেটা মূ্ল্যায়ন করে মনোনয়ন দিলে ইনশাআল্লাহ এই ইউনিয়নের নির্বাচনে অংশ নিবো।


সব মিলিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৪ নং ওটরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সমর্থন প্রত্যাশী হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার মোঃ লুৎফুল কবীর রিপনকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা চলছে। তবে নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত, সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থান এবং ভোটারদের চূড়ান্ত মতামতই নির্ধারণ করবে নির্বাচনী মাঠের সমীকরণ।

সর্বশেষ সব খবর