সিলেটে এক কিশোরীকে ধর্ষণ মামলার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক রুবাইয়া ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী আব্দুল্লাহ মিয়া গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তুমপুর ইউনিয়নের বগাইয়া গ্রামের বাসিন্দা। মামলার রায়ের তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ট্র্যাইব্যুনালের পিপি মোশতাক আহমদ।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে বাড়িতে একা পেয়ে বগাইয়া গ্রামের এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেন আবদুল্লাহ মিয়া। এ ঘটনায় আবদুল্লাহ মিয়াকে একমাত্র আসামী করে থানায় মামলা হয়। প্রায় চার বছর পর ওই মামলার রায়ে আদালত আবদুল্লাহ মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
ছবি : সংগৃহীত
রংপুরের জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সমালোচনা করে বক্তব্য দিয়েছেন রংপুর-৩ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য (এমপি) মাহবুবুর রহমান।
এমপি হওয়া সত্ত্বেও প্রশাসন থেকে গুরুত্ব না পাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘আমাকে বাধ্য করবেন না থানা ঘেরাওয়ের জন্য, আমাকে বাধ্য করবেন না ডিসি অফিস ঘেরাওয়ের জন্য। পরিষ্কার বললাম। আমি ভদ্র লোক, কিন্তু অভদ্র হতে বাধ্য করবেন না।’
মাহবুবুর রহমানের ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, চিৎকারের সুরে সংসদ সদস্য বলছেন, ‘আপনারা এমপিকে পাত্তা দিচ্ছেন না? হোয়াই? হোয়াই? কী মনে করেন, আমরা আসমান থেকে আসছি? মঙ্গল গ্রহ থেকে আসছি? উই আর দ্য সন অব দিস সয়েল, অব দিস ল্যান্ড। জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে। আপনারা পাত্তা দিচ্ছেন না কেন? চেয়ার দিতে চান না কেন? জনগণ নিয়ে কি ঘেরাও করব? রাস্তাঘাট চলাচল বন্ধ করে দেব?’
রংপুর জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ছিল গতকাল রোববার। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহবুবুর রহমান। তাঁর নির্বাচনী আসনটি রংপুর সদর ও রংপুর সিটি করপোরেশনের ১০ থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।
সভায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স (পদমর্যাদাক্রম) না মানা, বিভিন্ন কমিটিতে সংসদ সদস্যদের প্রতিনিধি না রাখা, সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম এবং একটি দলের প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ তোলেন জামায়াতের এ সংসদ সদস্য।
প্রশাসনের লোকজনকে উদ্দেশ করে মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘যদি পাবলিক খেপে যায়, তাহলে কিন্তু সেই খ্যাপানো আপনারা থামাতে পারবেন না, পরিষ্কার বলে দিলাম। সেই ক্ষমতা পুলিশের নাই, কারও নাই। পাবলিক অত বোকা আর নাই। পুলিশকে, র্যাবকে আর ভয় পায় না, তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য।’
আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সার ডিলার নিয়োগ নিয়েও কথা বলেন এই সংসদ সদস্য। সার ডিলারের নিয়োগে ন্যক্কারজনক দলীয়করণ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সব ডিলার একটা দল থেকে দেওয়া হয়েছে। যদি তা–ই হয়, তাহলে আপনারা অন্যদেরকে এখানে আবেদন করালেন কেন? প্রকৃত ব্যবসায়ীরা বঞ্চিত হলো কেন?’
সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, এমনও হয়েছে, একই পরিবারের তিনজন সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন। মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এ রকম ঘটনা ইতিপূর্বে ঘটছে বলে আমি মনে করি না। এটা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ জনগণের মধ্যে আছে। এই অসন্তোষ কত দূর পর্যন্ত যাবে, আমি জানি না। আমি জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের কাছে এর জবাবদিহি দিতে পারতেছি না। জবাবটা কী হবে, মাননীয় ডিসি ঠিক করে দিলে ভালো হয়।’
ওই আইনশৃঙ্খলা সভায় মহানগর পুলিশ কমিশনার ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক উপস্থিত ছিলেন না। এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ওই সংসদ সদস্য বলেন, ‘সিটি নিয়ে আলোচনা হবে; সিটি প্রশাসক নাই, মেয়র নাই, এ তো হতে পারে না! তাঁরা আসবেন না কেন, আমার মাথায় ঢোকে না। এমপিরা যদি থাকতে পারেন, হোয়াই নট প্রশাসক? হোয়াই নট মেয়র? আমি বুঝি না। হোয়াই নট পুলিশ কমিশনার? তাহলে কী তাঁরা আমাদের চেয়েও সুপেরিওর। রুল অব প্রিসিডেন্স, আমি থাকব ওরা থাকবে না কেন? ওরা কি বড় লাটসাহেব হয়ে গেছে? নিজেকে লাটসাহেব ভাববেন না। ইউ আর দ্য সার্ভেন্ট অব দ্য পিপল।’
সংসদ সদস্য সভাটি পুনর্নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেন।
জেলার বিভিন্ন সরকারি কমিটিতে সংসদ সদস্যদের প্রতিনিধি না রাখার অভিযোগও তোলেন মাহবুবুর রহমান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জেলায় অনেক কমিটি আছে, কিন্তু এমপির কতজন প্রতিনিধি সেখানে আছেন। স্পষ্ট বলা আছে, এমপির প্রতিনিধি থাকতে হবে, সেখানেও নাই। সমস্ত একটা দল তাদের কুক্ষিগত করে নিয়েছে। এটা কি গণতন্ত্র? এর মাধ্যমে কি জনগণের মতামত প্রতিফলিত হবে?’
জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানের সভাপতিত্বে ওই আইনশৃঙ্খলা সভায় রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী, রংপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রব্বানী এবং রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিনসহ মহানগর ও জেলা পুলিশের কর্মকর্তা এবং জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমানের বক্তব্যের জবাবে জেলা প্রশাসক ও জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি ইসরাত জাহান বলেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটি জেলার সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম। এখানে সরকারি কর্মকর্তাসহ উপস্থিত সবার পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদা বজায় রেখে আলোচনা করা সমীচীন। যেকোনো বক্তব্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সবারই শব্দচয়নের ব্যাপারে আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক থাকা উচিত।
জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত
নাটোরের লালপুরে নানা আয়োজনে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত হয়েছে।
আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) লালপুর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী মোঃ মেশকাতুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল- ‘শিশুবিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়।’
উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবীর হোসেন, উপজেলা কৃষি অফিসার প্রীতম কুমার হোড়, একাডেমিক সুপারভাইজার সাদ শিবলী, বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ছিদ্দিক আলী মিষ্টু উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শাহিনা সুলতানা প্রমুখ।
আলোচনা সভায় কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সমাজে কন্যাশিশুর মর্যাদা প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। কন্যাশিশুর সুস্থ বিকাশ ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা কন্যাশিশুর প্রতি বৈষম্য দূর করে তাদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সচেতন ও সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
গোপালগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রকৃত সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করতে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর।
আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা ৩ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ‘স্বচ্ছতা’ সম্মেলন কক্ষে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহসংক্রান্ত এক অবহিতকরণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
ডা. কে এম বাবর বলেন, স্বাবলম্বী পরিবার গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমের সুফল প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে তথ্য সংগ্রহে নির্ভুলতা নিশ্চিত করা জরুরি।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক শরিফ রফিকুজ্জামান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মোরাদ হোসেন এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তারেক সুলতান।
এ সময় জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
নাটোরের লালপুরে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) লালপুর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী মোহাম্মদ মেশকাতুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবির হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুদ রানা প্রমুখ।
সভায় কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।
মেঘনা নদীতে জেলেদের ধাওয়া দেওয়ার সময় নৌ-পুলিশের একটি স্পিডবোট ডুবে গেছে
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মেঘনা নদীতে জেলেদের ধাওয়া দেওয়ার সময় নৌ-পুলিশের একটি স্পিডবোট ডুবে গেছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও একটি শটগান নিখোঁজের কথা জানিয়েছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে উপজেলার ষাটনলের সটাকি লঞ্চঘাট থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন চাঁদপুর সদর নৌ-পুলিশের ইনচার্জ আজমগীর হোসাইন।
চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, ডুবে যাওয়া স্পিডবোটটি নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ শটগান উদ্ধারে ঘটনাস্থলে ডুবুরি দল নামানো হয়েছে।
মা ইলিশ সংরক্ষণে চলমান নিষেধাজ্ঞায় গত ২৪ ঘণ্টায় চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায় ১৪টি মামলায় মোট ২৮ জেলেকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ-পুলিশ ও মৎস্য বিভাগ। এর মধ্যে চাঁদপুর সদর নৌ-পুলিশের অভিযানে ১৪ জন এবং মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ১০ জন গ্রেপ্তার হয়। বাকি চারজনকে অন্যান্য ফাঁড়ির অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানের সময় জেলেদের কাছ থেকে নৌকা, নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও মা ইলিশ জব্দ করা হয়। জব্দ করা ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া জব্দ করা অবৈধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
সচেতনতামূলক বার্তা নিয়ে জেলেদের পাশে ‘ক্লিন চাঁদপুর’
সাগর থেকে নদীর মিঠা পানিতে ডিম ছাড়তে আসা মা ইলিশ ধরা থেকে বিরত থাকার জন্য ৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। এ সময়ে চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা উপকূলীয় জেলেদের সচেতন করা ও খাদ্য সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে ‘ক্লিন চাঁদপুর’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত শহরের পুরান বাজার রনাগোয়াল, হরিসভা, দোকানঘর, বহরিয়া এলাকায় জেলেদেরকে মা ইলিশ শিকার থেকে বিরত থাকার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সচেতনতামূলক প্রচারণা করা হয়।
এ সময় অসাধু উপায়ে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহার না করা এবং মা ইলিশকে নিরাপদে ডিম ছাড়ার সুযোগ করে দিতে অনুরোধ জানান সংগঠনের সদস্যরা। সেইসঙ্গে সংগঠনটির পক্ষ থকে দুই শতাধিক জেলেকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
‘ক্লিন চাঁদপুর’ এর সভাপতি নুরুল আমিন খান আকাশ বলেন, উপকূলীয় এলাকার জেলেদের সরকারের দেওয়া নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ইলিশ না ধরার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। কারণ ইলিশ জাতীয় সম্পদ। এটি রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
তিনি বলেন, ২২ দিনের জন্য সরকার জেলেদের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে। তারপরও জেলেদের পাশে ক্ষুদ্র উপহার নিয়ে এসেছেন তারা। তাদের যেন কিছুটা হলেও সহায়ক হয়।
মির্জা ফয়সল আমিন
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে বেকারত্ব দূর করা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং নিরাপদ ও সুন্দর সমাজ গঠনের অঙ্গীকার করে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়েছেন তিনি।
আজ সোমবার সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণাকালে তিনি এসব প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন। এ সময় এলাকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
প্রচারণায় মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, মানুষের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে কাজ করতে চান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এমন একটি সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন এবং নিজেদের অধিকার নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এলাকার সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নও তাঁর লক্ষ্য।
এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রত্যাশা তুলে ধরে ভোটারদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চান বিএনপির এই প্রার্থী।