ছবি : সংগৃহীত
জিমেইল অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই স্তরের নিরাপত্তা–সুবিধা (টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন) ব্যবহার করেন অনেকেই। এ প্রক্রিয়ায় ই-মেইলে আসা ভেরিফিকেশন কোড বা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও সহজ করতে নতুন সুবিধা চালু করছে গুগল। ‘কপি কোড’ নামের এ সুবিধার মাধ্যমে ই-মেইল না খুলেই জিমেইলের ইনবক্স থেকে সরাসরি যাচাই কোড কপি করা যাবে।
নতুন সুবিধাটি জিমেইলের অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অ্যাপে পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যে জিমেইলের অ্যান্ড্রয়েড ২০২৬.০৯.০৭.এক্স এবং আইওএস ৬.০.২৬০৯০৭ সংস্করণে সুবিধাটি যুক্ত করা হয়েছে। ‘কপি কোড’ সুবিধা চালু হলে ইনবক্সে ভেরিফিকেশন কোড–সংবলিত কোনো ই-মেইল এলে তার প্রিভিউ অপশনের পাশে ‘কপি কোড’ নামে একটি নতুন বাটন দেখা যাবে। সেখানে ট্যাপ করলেই ভেরিফিকেশন কোডটি ফোনের ক্লিপবোর্ডে কপি হয়ে যাবে।
এরপর নির্দিষ্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে কোডটি সরাসরি পেস্ট করা যাবে। ফলে যাচাই কোড দেখার জন্য প্রতিবার ই-মেইল খুলে বার্তাটি পড়ার প্রয়োজন হবে না। বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ই-মেইলে ওটিপি এলে ব্যবহারকারীকে প্রথমে ই-মেইল খুলে বার্তাটি পড়তে হয়। এরপর কোডটি কপি করে নির্দিষ্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে পেস্ট করতে হয়। নতুন সুবিধা চালু হলে এই পুরো প্রক্রিয়াটি আরও দ্রুত করা যাবে।
অ্যান্ড্রয়েডের গুগল মেসেজেসে আগে থেকেই একই ধরনের সুবিধা রয়েছে। এসএমএসে যাচাই কোড এলে নোটিফিকেশন থেকেই সেটি কপি করা যায়। এবার ই-মেইলে আসা ভেরিফিকেশন কোডের ক্ষেত্রেও জিমেইল একই ধরনের দ্রুত কপি করার সুবিধা দিচ্ছে।
প্রতীকী ছবি
মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এজেন্ট মিউজ চালু হয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে। এরইমধ্যে এতে একের পর এক নতুন সুবিধা যোগ করার ঘোষণা দিয়েছে মেটা। ব্যবহারকারীর প্রতিদিনের কাজ সহজ করতে ই-মেইল, ক্যালেন্ডার, কেনাকাটা থেকে শুরু করে কম্পিউটারের বিভিন্ন কাজও মিউজকে দিয়ে করানো যাবে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর মেনলো পার্কে মেটার বার্ষিক কানেক্ট অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ মিউজের নতুন এসব সুবিধার কথা জানান।
তার ভাষ্য, ভবিষ্যতে মিউজ আরও উন্নত হয়ে কোটি কোটি মানুষের ব্যক্তিগত এআই সহকারী হিসেবে কাজ করবে।
মিউজের অ্যাভাটারের নাম রাখা হয়েছে জলি। মেটার তৈরি ‘মিউজ স্পার্ক’ নামের মাল্টিমোডাল এআই মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই এজেন্ট ব্যবহারকারীর বিভিন্ন ডিভাইস ও ডিজিটাল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কাজ করতে পারে।
মিউজের থাকবে নিজস্ব ডিজিটাল অ্যাভাটার
এত দিন মিউজ ছিল মূলত একটি ভার্চুয়াল এআই সহকারী। এবার সেটিকে দেওয়া হচ্ছে চেহারা, শরীর ও কণ্ঠ।
নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিজের মিউজের জন্য একটি আলাদা ডিজিটাল অ্যাভাটার তৈরি করতে পারবেন। সেই অ্যাভাটারের সঙ্গে ভিডিও কলে সরাসরি কথা বলাও যাবে। ব্যবহারকারী তাকে প্রশ্ন করতে পারবেন, বিভিন্ন কাজের নির্দেশ দিতে পারবেন ও সরাসরি আলাপ করতে পারবেন।
স্মার্ট চশমাতেও থাকবে মিউজ
মেটার স্মার্ট চশমার সঙ্গেও যুক্ত হচ্ছে মিউজ। ফলে ব্যবহারকারী কেবল চশমার সঙ্গে কথা বলে এআই এজেন্টকে বিভিন্ন কাজের নির্দেশ দিতে পারবেন।
মেটার তথ্য অনুযায়ী, চশমায় নির্দিষ্ট ‘ওয়েক ওয়ার্ড’ বললেই মিউজ সক্রিয় হবে। এরপর এটি ব্যায়ামের নির্দেশনা দিতে, খাবারের হিসাব রাখতে, অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে কিংবা সামনে দেখা কোনো পণ্য কিনতে সহায়তা করতে পারবে।
কোনো কাজের নির্দেশ দেওয়ার পর মিউজ পেছনে কাজ চালিয়ে যেতে পারবে এবং কাজ শেষ হলে ব্যবহারকারীকে জানাবে। তবে এই সুবিধা ঠিক কবে চালু হবে, তা নির্দিষ্ট করে জানায়নি মেটা।
ম্যাক কম্পিউটারও চালাতে পারবে মিউজ
মিউজকে ম্যাক কম্পিউটারে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে মেটা। ব্যবহারকারী এআই এজেন্টকে কোনো কাজের দায়িত্ব দিয়ে কম্পিউটার থেকে দূরে সরে গেলেও মিউজ সেই কাজ চালিয়ে যেতে পারবে।
মেটার প্রধান এআই কর্মকর্তা আলেকজান্ডার ওয়াং বলেন, ছোট ব্যবসা পরিচালনা থেকে শুরু করে প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজে মিউজকে ব্যবহার করা যাবে। ডেস্কটপে থাকা বিভিন্ন অ্যাপও এআই এজেন্টটি পরিচালনা করতে পারবে।
Meta's New Muse AI Agent May Be the Creepiest Ever Released
মিউজের থাকবে নিজস্ব ই-মেইল ঠিকানা
মিউজ যেহেতু ব্যবহারকারীর হয়ে পেছনে থেকে বিভিন্ন কাজ করবে, তাই তার নিজস্ব ই-মেইল ঠিকানা দেওয়ার পরিকল্পনাও করছে মেটা।
এই সুবিধা চালু হলে ব্যবহারকারীরা কোনো ই-মেইল মিউজকে ফরোয়ার্ড করতে পারবেন। এমনকি কোনো ই-মেইল থ্রেডেও মিউজকে যুক্ত করা যাবে, যেন সে ব্যবহারকারীর হয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারে।
তবে কবে এই সুবিধা চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানায়নি মেটা।
অনলাইন কেনাকাটাতেও মিউজ
অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রেও মিউজকে আরও সক্রিয় করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে মেটা।
মেটার দাবি, মিউজ শপিফাইয়ের বিশাল পণ্যভান্ডারে পণ্য খোঁজ করতে পারবে ও বিভিন্ন পণ্য কেনার প্রক্রিয়াতেও সহায়তা করবে। পেমেন্টের ক্ষেত্রে পেপালের জন্যও বাড়তি সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।
অন্যরাও ‘কানেক্টর’ যুক্ত করতে পারবেন
মেটা সম্প্রতি ডেভেলপারদের জন্য মিউজের প্ল্যাটফর্ম খুলে দিয়েছে। ফলে অন্য প্রতিষ্ঠান ও ডেভেলপাররাও নিজেদের তৈরি ‘কানেক্টর’ মিউজের সঙ্গে যুক্ত করতে পারবেন।
আলেকজান্ডার ওয়াং জানান, এই সুবিধা চালুর এক সপ্তাহেরও কম সময়ে মেটার কাছে ১ হাজার ৫০০টির বেশি আবেদন এসেছে।
মেটার পরিকল্পনা, ভবিষ্যতে মিউজ কেবল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার এআই হবে না, বরং ব্যবহারকারীর হয়ে বিভিন্ন ডিজিটাল কাজও সম্পন্ন করতে পারবে।
ছবি : সংগৃহীত
বাসা কিংবা অফিসে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই একটা সমস্যায় পড়ি— রাউটারের কাছে থাকলে ইন্টারনেট যেন আগুনের মতো ছোটে, কিন্তু একটু দূরে গেলেই গতি নেমে আসে তলানিতে। আবার একসঙ্গে ঘরের সবাই মিলে ফোন, ল্যাপটপ বা টিভিতে কাজ শুরু করলেও ইন্টারনেট যেন হাঁপিয়ে ওঠে!
এমন হলে অনেকেই ধরে নেন, রাউটারটি বুঝি নষ্ট হয়ে গেছে এবং এখনই নতুন একটা কেনা দরকার। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় তেমন নয়। রাউটারটি কোথায় রাখা হয়েছে, আপনার ও রাউটারের দূরত্ব কতটুকু, ঘরের দেয়াল কিংবা আশপাশের অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রের বাধা এবং একই সময়ে কতগুলো যন্ত্র যুক্ত আছে— এসবের ওপর ইন্টারনেটের গতি অনেকখানি নির্ভর করে। তাই নতুন রাউটার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কয়েকটি সহজ বিষয় একটু পরীক্ষা করে দেখতে পারেন—
১. রাউটার রাখুন ঘরের ঠিক মাঝখানে
ওয়াই-ফাইয়ের সিগন্যাল চারদিকে সমানভাবে ছড়াতে রাউটারটি ঘরের তুলনামূলক খোলা ও মাঝখানের জায়গায় রাখা উচিত। আলমারির ভেতরে বা কোণায় লুকিয়ে না রেখে এমন উচ্চতায় রাখুন, যেখান থেকে সিগন্যাল সহজে যাতায়াত করতে পারে। টেক জায়ান্ট গুগলের মতে, রাউটার ও আপনার ডিভাইসের মাঝে দেয়াল বা বাধা যত কম থাকবে, গতি তত ভালো মিলবে।
২. বেশি দূরে যাবেন না
রাউটার থেকে আপনার দূরত্ব যত বাড়বে, সিগন্যালও তত দুর্বল হতে থাকবে। এর সঙ্গে যদি যোগ হয় ঘরের ভারী দেয়াল বা আসবাবপত্র, তবে গতি আরও কমে যায়। তাই ঘরের কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় ওয়াই-ফাই স্লো মনে হলে খেয়াল করুন— মাঝখানে কতগুলো দেয়াল বা বাধা রয়েছে।
৩. অতিরিক্ত ডিভাইস যুক্ত নেই তো?
একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যখন একসঙ্গে অনেকগুলো ডিভাইস চলে, তখন তারা মোট ব্যান্ডউইথ ভাগ করে নেয়। যেমন—একজন টিভিতে ৪কে ভিডিও দেখছেন, অন্যজন ল্যাপটপে বড় ফাইল ডাউনলোড করছেন আর আপনি ফোনে গেম খেলছেন। স্বভাবতই গতি ভাগ হয়ে কম মনে হবে। তাই যেসব ডিভাইসে এই মুহূর্তে ইন্টারনেট প্রয়োজন নেই, সেগুলোর ওয়াই-ফাই বন্ধ রেখে দেখতে পারেন।
৪. চেষ্টা করুন ৫ গিগাহার্টজ (5GHz) ব্যান্ড
আজকালকার প্রায় সব আধুনিক রাউটারে ২.৪ গিগাহার্টজ ও ৫ গিগাহার্টজ— এই দুটি ফ্রিকোয়েন্সি থাকে। গুগল জানিয়েছে, ২.৪ গিগাহার্টজের তুলনায় ৫ গিগাহার্টজে ডাটা ট্রান্সফারের গতি অনেক বেশি পাওয়া যায়। তবে এটি আপনার রাউটার ও ফোনের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে, কারণ পুরোনো কিছু ডিভাইসে ৫ গিগাহার্টজ সাপোর্ট নাও করতে পারে।
৫. রাউটারের পাশে এসব যন্ত্র রাখবেন না!
বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আসুস (ASUS)-এর মতে, আমাদের ঘরের কিছু বৈদ্যুতিক ও তারবিহীন যন্ত্র ওয়াই-ফাই সিগন্যালে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায়। বিশেষ করে মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লুটুথ স্পিকার বা হেডফোন, কর্ডলেস ফোন এবং ধাতব আসবাবের পাশে রাউটার রাখলে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে পড়ে।
৬. একবার রিস্টার্ট দিয়ে দেখুন
সবকিছু ঠিক থাকার পরও ইন্টারনেট স্লো মনে হলে রাউটারটি একবার বন্ধ করে ১০-১৫ সেকেন্ড পর আবার চালু করুন। গুগলের পরামর্শ অনুযায়ী, রাউটার বা নেটওয়ার্ক রিস্টার্ট দেওয়াটা অনেক সময় ধীরগতির জটিলতা মুহূর্তেই সমাধান করে ফেলে।
৭. সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার আপডেট রাখুন
আপনার ফোনের মতো রাউটারের ভেতরেও একটি সফটওয়্যার থাকে, যাকে ‘ফার্মওয়্যার’ বলা হয়। আসুস তাদের গ্রাহকদের সবসময় রাউটারের ফার্মওয়্যার সর্বশেষ সংস্করণে হালনাগাদ রাখার পরামর্শ দেয়। এতে পারফরম্যান্স ও সিকিউরিটি দুটিই ভালো থাকে।
৮. সমস্যা কি আসলেই রাউটারে, নাকি লাইনে?
সবশেষে মনে রাখা ভালো— সমস্যা সবসময় আপনার ঘরের রাউটারে নাও হতে পারে। আপনার ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের (ISP) মেইন লাইনে সমস্যা থাকলেও গতি কমে যেতে পারে। তাই স্পিড টেস্ট করে যদি দেখেন আপনার প্যাকেজের তুলনায় গতি অনেক কম আসছে, তবে শুরুতেই রাউটার না বদলে সোজা আপনার ইন্টারনেট প্রোভাইডারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
প্রতীকী ছবি
কদিন থেকে বেশ গরম আবহ চলছে। অনেকে ফোন চার্জ করার সময় নিজের অজান্তে কিছু বিষয়ে বিভ্রান্ত হন। ফলে অতিরিক্ত গরমে পুরোনো ফোনের চার্জার ফুলে যেতে পারে। আর তাতে ভেতরের সার্কিট গলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এতে ঘটতে পারে যে কোনো ধরনের বিপত্তি। স্মার্টফোনের জন্য সব সময় গুণগত মান বা ভালো ব্র্যান্ডের চার্জার ব্যবহার করতে হবে।
সাশ্রয়ী বা অপরিচিত মানের চার্জারে চার্জ যেমন ধীরে হয়, ঠিক তেমনি বাড়তি গরম হওয়ার শঙ্কা প্রবল। তাই যে ফোনটি ব্যবহার করছেন, চেষ্টা করবেন ওই ব্র্যান্ডের নিজস্ব চার্জার ব্যবহার করতে। এতে ফোনে কোনো রকম বাড়তি উত্তাপ ছড়াবে না। অতিরিক্ত তাপমাত্রায় ফোন শাটডাউন হতে যেতে পারে। ফলে ফোন নিজে থেকেই স্বয়ংক্রিয় রিস্টার্ট হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে কয়েকবার এমনটি ঘটতে পারে।
চার্জারে যদি কোনো রকম সমস্যা দৃশ্যমান হয়, যেমন– আলগা কানেকশন, প্লাগে ফাটল বা তার ফেটে যাওয়া, তাহলে দ্রুত ও প্রথমে তা ঠিক করতে হবে। শেষমেশ চার্জার অতিরিক্ত গরম হয়ে ডিভাইসের ভেতরের সার্কিট পুড়ে যেতে পারে। এমনটি ঘটছে হরদম। তাপমাত্রা বেশি থাকলে আর শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ বাইরে থাকলে নিশ্চিতভাবে চার্জের সময় হ্যান্ডসেটে বাড়তি গরম অনুভূত হবে। শতভাগ চার্জ হওয়ার আগেই চার্জার থেকে ডিভাইসকে আলাদা করতে হবে।
অনেক সময় ফোন চার্জ হওয়ার পরও বেখেয়ালে চার্জারটি প্লাগ-ইন রয়ে যায়। যদি এমন অভ্যাস থাকে, তবে এখনই নজরদারি বাড়াতে হবে। পুরোনো ফোনে শতভাগ চার্জ হওয়ার আগেই চার্জার আনপ্লাগ করতে হবে। ফলে ফোনে বাড়তি উত্তাপ ছড়াবে না।
হঠাৎ ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম বন্ধ
জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অন্যতম। আর এবারে এই দুই সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ হয়ে বেশ বিপাকে পড়েন ব্যবহারকারীরা।
গালফ বিজনেজের প্রতিবেদনে জানা যায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে হঠাৎই যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে বিভ্রাট দেখা দেয় বিভ্রাট। কয়েক হাজার ব্যবহারকারী প্ল্যাটফর্ম দুটিতে ঢুকতে না পারায় তৈরি হয় ভোগান্তি। পরে অবশ্য ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে যায় সেবাগুলো।
মেটার মালিকানাধীন ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম বন্ধ হলে একপর্যায়ে ফেসবুক নিয়ে ১৭ হাজারের বেশি এবং ইনস্টাগ্রাম নিয়ে ৫ হাজারের বেশি সমস্যার রিপোর্ট জমা পড়ে। শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, অস্ট্রেলিয়া ও মেক্সিকোতেও ব্যবহারকারীরা বিভ্রাটের কথা জানান। সিঙ্গাপুরে স্থানীয় সময় আজ সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম নিয়ে অভিযোগের সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
বিভ্রাটের প্রভাব পড়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারেও। হোয়াটসঅ্যাপেও স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি সমস্যার রিপোর্ট পাওয়া যায়।
তবে প্রকৃতপক্ষে কতজন ব্যবহারকারী এই সমস্যায় পড়েছেন, তা নিশ্চিত নয়। কারণ ডাউনডিটেক্টর ব্যবহারকারীদের জমা দেয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করে; এটি মোট ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবহারকারীর সংখ্যা নির্দেশ করে না।
এদিকে, কেন এই বিভ্রাট ঘটেছে সে বিষয়ে মেটা এখনো কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। রয়টার্সের পক্ষ থেকে মন্তব্য চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এর আগে জুলাইয়েও ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে একই ধরনের বিভ্রাট দেখা দিয়েছিল। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে ফের দুই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমস্যা দেখা দেয়ায় ব্যবহারকারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন করে আলোচনা।
বর্তমানে মানুষের নিত্যসঙ্গী স্মার্টফোনের মতোই হেডফোন বা ইয়ারফোনগুলোও পরিচিত ডিভাইস। কর্মক্ষেত্রে, বাসে, ঘরে বা শরীরচর্চার সময় সবখানেই এর ব্যবহার দেখা যায়। ‘ওভার-ইয়ার’ বা ‘ইন-ইয়ার’ যে কোনো ধরনেই হোক না কেন হেডফোন এখন কেবল গান শোনার স্পিকারের চেয়েও বেশি কিছু হয়ে উঠেছে।
‘এয়ারপডস প্রো ৩’-এর মতো আধুনিক ও উন্নত মডেলগুলোতে রয়েছে ‘অ্যাকটিভ নয়েজ ক্যানসেলেশন’ বা এএনসি প্রযুক্তি, যা আশপাশের কোলাহল বা বিরক্তিকর শব্দ ঠেকিয়ে কানে আসা শব্দে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে দারুণ কার্যকর বলে প্রতিবেদনে লিখেছৈ প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট।
অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই সেরা হেডফোনের ক্ষেত্রে এএনসি এখন জরুরি ফিচার। কফি শপের গুঞ্জন বা বাইরের যন্ত্রপাতির কোলাহল থামিয়ে দেওয়ার সুবিধাটি স্পষ্ট হলেও এএনসির কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে, যা হয়ত অনেকের অজানা।
নয়েজ ক্যানসেলেশন যেভাবে কাজ করে
এএনসি প্রযুক্তিটিকে জাদুকরী মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সমীকরণ। প্রযুক্তিটি কয়েক দশক ধরে থাকলেও ভোক্তা পর্যায়ের হেডফোন ও ইয়ারবাডে এর জনপ্রিয়তা বেশ কিছুদিন ধরে বাড়ছে।
ইয়ারফোনে থাকা একাধিক মাইক্রোফোনের সাহায্যে এটা চালিত হয়। এসব মাইক্রোফোন সবসময় আশপাশের পরিবেশের শব্দ, যেমন গাড়ির আওয়াজ, মানুষের কথা বা শিশুর কান্নার শব্দ পর্যবেক্ষণ করতে থাকে।
বিজ্ঞানের নিয়ম অনুসারে, প্রতিটি শব্দই কম্পনের মাধ্যমে তৈরি তরঙ্গ ও সেই কম্পনের নির্দিষ্ট মান বা ফ্রিকোয়েন্সি রয়েছে। যখন দুটি বিপরীতমুখী তরঙ্গ একে অপরের মুখোমুখি হয় তখন এরা একে অপরকে বাতিল করে, যাকে বলে ‘ডেস্ট্রাকটিভ ইন্টারফিয়ারেন্স’।
এএনসি প্রযুক্তিটি মাইক্রোফোনের মাধ্যমে আশপাশের অডিও ধারণ করে তা বিশ্লেষণ করে ও এরপর বিপরীতমুখী সিগনাল বা তরঙ্গ তৈরি করে। ফলে মূল শব্দ ও বিপরীত তরঙ্গটি মিলে বাইরের বেশিরভাগ শব্দকে আটকে দেয়।
তবে এ পুরো প্রক্রিয়াটি মিলি সেকেন্ডের মধ্যে হিসাব করার জন্য হেডফোনে শক্তিশালী এক চিপের প্রয়োজন। কারণ সামান্য বিলম্ব বা দেরি পুরো অভিজ্ঞতাই নষ্ট করে দিতে পারে।
এ কারণে এএনসিওয়ালা হেডফোন ও ইয়ারবাডের দাম কিছুটা বেশি এবং ‘প্যাসিভ নয়েজ ক্যানসেলেশন’ ডিভাইস থেকে এগুলো আলাদা। প্যাসিভ ক্যানসেলেশন কেবল ইয়ারকাপ বা ইয়ারবাডের মাধ্যমে কানের শারীরিক বিচ্ছিন্নতার ওপর নির্ভর করে।
অ্যাকটিভ নয়েজ ক্যানসেলেশনের সুফল ও কুফল
অ্যাকটিভ নয়েজ ক্যানসেলেশন বা এএনসি প্রযুক্তিওয়ালা হেডফোন বা ইয়ারফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা একবার অভ্যস্ত হয়ে গেলে পুরনো অভ্যাসে ফিরে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। দৈনন্দিন জীবনে এর যেমন রয়েছে নানাবিধ সুফল তেমনই রয়েছে কিছু কুফলও।
সুফল
● প্লেনের দীর্ঘ যাত্রায় বা আশপাশের বিরক্তিকর কোলাহল দূর করতে এএনসি প্রযুক্তি কার্যকর।
● বাইরের শব্দ ভেদ করে শুনতে হয় না বলে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি ছাড়াই গানে বা মুভিতে আরও বেশি নিখুঁত সুর ও শব্দ উপভোগ করা যায়।
● বাইরের শোরগোল এড়াতে কানের ভলিউম বাড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। ফলে উচ্চ শব্দের কারণে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।
● ফোন কলে অপর প্রান্তের ব্যক্তিকে স্পষ্ট শোনা যায়। গান না শুনেও কেবল নীরবতা ধরে রেখে পড়াশোনা বা কাজে মনোযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে এটা সহায়ক।
● অতিরিক্ত বাহ্যিক উদ্দীপনায় বিরক্ত হন এমন ব্যক্তিদের জন্য এএনসি বেশ উপকারী। অনেকে ঘুমানোর সময়ও এএনসি ইয়ারবাড ব্যবহার করেন।
কুফল
● এএনসি প্রযুক্তি প্লেন বা এয়ারপন্ডিশনারের মতো নিচু ও অবিরাম শব্দের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো কাজ করে। তবে হর্ন বা মানুষের চিৎকারের মতো হঠাৎ জোরালো শব্দের ক্ষেত্রে এটা ততটা কার্যকর নয়।
● নির্দিষ্ট কিছু মডেলের ক্ষেত্রে এএনসি চালুর ফলে অডিও কোয়ালিটি কিছুটা কমে যেতে পারে। আবার অনেক ব্যবহারকারী কান ব্যথার অভিযোগও করেন।
● আশপাশের জগৎ থেকে অতিরিক্ত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার কারণে রাস্তা পার হওয়া বা সাইকেল চালানোর মতো অতিরিক্ত মনোযোগের পরিস্থিতিতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
● এএনসি চালু রেখে আশপাশের মানুষের সঙ্গে কথা বলা বেশ কঠিন। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এটা মস্তিষ্কের ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ ফিল্টার করার সক্ষমতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ সমস্যার সমাধানে অনেক হেডফোনে ট্রান্সপারেন্সি মোডের মতো হাইব্রিড মোড রাখা হয়।
● এএনসি ফিচারটি চালু রাখলে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়। সারাদিন ব্যাকআপ পেতে অনেকে ফিচারটি বন্ধ রাখলেও নীরবতার বিনিময়ে ব্যাটারি খরচ মেনে নেন।
গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল জেমিনাই
সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা যাচাইয়ের একটি পরীক্ষার সময় গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল জেমিনাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনটি প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষিত ব্যবস্থায় ঢুকে পড়েছে। গুগলের দাবি, তাদের কোনো এআই সিস্টেমের স্বয়ংক্রিয়ভাবে এমন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার এটিই প্রথম ঘটনা। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রথম এই ঘটনাটি প্রকাশ করে।
গুগলের বরাত দিয়ে বিবিসি ও এএফপি জানিয়েছে, গত মে মাসে একটি স্বাধীন সাইবার নিরাপত্তা মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান ইরেগুলারের পরিচালিত পরীক্ষার সময় ঘটনাগুলো ঘটে। জুলাইয়ে বিষয়টি শনাক্ত করে গুগল।
গুগলের নিরাপত্তা প্রকৌশল বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিদার অ্যাডকিনস জানান, একটি সাধারণ পরীক্ষার অংশ হিসেবে জেমিনাই ইন্টারনেটে প্রকাশ্য তথ্য খুঁজে বের করে এবং পরীক্ষার আওতাভুক্ত মনে করা কয়েকটি ওয়েবসাইটে প্রবেশের জন্য লগইন তথ্য অনুমান করে।
তিনি বলেন, তিনটি ঘটনার প্রতিটিতেই জেমিনাই শেষ পর্যন্ত নিজে থেকেই ওই কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। যেসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থায় জেমিনাই প্রবেশ করেছিল, তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ অংশীদারের সঙ্গে কাজ করেছে গুগল।
পাসওয়ার্ড অনুমান করে সুরক্ষিত ব্যবস্থায় প্রবেশ
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনটি ঘটনার একটিতে জেমিনাই পাসওয়ার্ড অনুমান করতে করতে শেষ পর্যন্ত একটি সুরক্ষিত ব্যবস্থায় প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।
অন্য দুটি ঘটনায় মডেলটি একটি উন্মুক্ত রিপোজিটরিতে থাকা লগইন তথ্য খুঁজে পায়। পরে ওই তথ্য ব্যবহার করে সুরক্ষিত ব্যবস্থায় প্রবেশ করে। তবে গুগল আক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম প্রকাশ করেনি।
গুগলের অ্যাডকিনস বলেন, এসব ঘটনা শক্তিশালী এআই মডেলকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে।
ইরেগুলারের এক মুখপাত্র জানান, ঘটনাটি এআই খাতের অন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে দেখা একই ধরনের সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। সংশ্লিষ্ট এআই প্রতিষ্ঠানগুলোকে জুলাইয়ের শেষ দিকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তাদের পক্ষের জানা সমস্যাগুলো কয়েক সপ্তাহ আগেই সমাধান করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্য এআই মডেলেও একই ধরনের ঘটনা
জেমিনাইয়ের এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এলো, যখন অন্যান্য এআই প্রতিষ্ঠানের মডেল নিয়েও একই ধরনের সাইবার নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ইরেগুলারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একই ধরনের ঘটনায় মেটা, অ্যানথ্রপিক ও ওপেনএআইয়ের মডেলগুলোর নামও এসেছে।
অ্যানথ্রপিকের ক্লড জুলাইয়ে পরীক্ষার পরিবেশ থেকে বেরিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনটি প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা চালিয়েছিল বলে বিবিসি জানিয়েছে। একই মাসে ওপেনএআইও জানিয়েছিল, তাদের দুটি মডেল নির্ধারিত বন্ধ পরিবেশ থেকে বেরিয়ে ইন্টারনেটে প্রবেশ করে এবং এআই প্ল্যাটফর্ম হাগিং ফেসের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় ঢুকে পড়ে।
ওপেনএআইয়ের মডেলগুলো কয়েকটি ‘সবার জন্য উন্মুক্ত’ অনলাইন সেবায় সাইবার হামলা চালিয়েছিল বলেও ওই সময় জানানো হয়।
মেটা আগস্টে জানিয়েছিল, তাদের সংশ্লিষ্ট ঘটনায় স্যান্ডবক্স থেকে বেরিয়ে যাওয়া বা অত্যাধুনিক কোনো সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেনি।
এআইয়ের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে নতুন উদ্বেগ
এআই মডেলগুলোকে ইন্টারনেট ও কম্পিউটার ব্যবস্থায় আরও বেশি স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।
জেমিনাইয়ের ক্ষেত্রে মডেলটি শুধু পরীক্ষার নির্দেশনাই অনুসরণ করেনি, বরং ইন্টারনেটে প্রকাশ্য তথ্য খুঁজে বের করে লগইন তথ্য অনুমান বা সংগ্রহ করে সুরক্ষিত ব্যবস্থায় প্রবেশ করেছে। যদিও তিনটি ঘটনাতেই মডেলটি নিজে থেকেই কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
ইরেগুলার জানিয়েছে, এ ধরনের সাইবার নিরাপত্তা মূল্যায়ন কীভাবে নিরাপদভাবে পরিচালনা করা যায়, সে বিষয়ে তারা সর্বোত্তম পদ্ধতি তৈরিতে কাজ করছে।
সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো এআই মডেলের সক্ষমতা ও স্বায়ত্তশাসন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের ওপর কতটা নিয়ন্ত্রণ রাখা প্রয়োজন, সে প্রশ্নও সামনে এনেছে।
এদিকে এআই প্রযুক্তির দ্রুত উন্নয়ন নিয়ে জনপরিসরে বিতর্কও বাড়ছে। কিছু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এআই উন্নয়নের গতি কমানোর পক্ষে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও সবাই একই অবস্থানে নেই।
এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং এবং ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানও এআই উন্নয়নের গতি নিয়ে ভিন্ন অবস্থান প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার সিবিএস নিউজকে হুয়াং বলেন, এআই উন্নয়নে ‘যত দ্রুত সম্ভব’ এগিয়ে যাওয়া উচিত।
সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো অবশ্য এআই ব্যবস্থার সাইবার নিরাপত্তা, স্বায়ত্তশাসন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনাকে আরও জোরালো করেছে।