ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:০১ পিএম

চব্বিশের অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকার পতনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে উদ্বোধন হল তার বাসভবনের গড়ে তোলা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার সকাল ৯টায় ফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে এই জাদুঘরের উদ্বোধন করেন। সাবেক অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও এসময় উপস্থিত ছিলেন।


উদ্বোধনের পর মোনাজাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর জাদঘুর ঘুরে দেখেন।


সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে জাইমা রহমানও এ সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ ঘুরে দেখেন।


বুধবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলেও সবার জন্য এ জাদুঘর উন্মুক্ত হবে বৃহস্পতিবার। জনসাধারণ টিকেট কেটে জাদুঘর দেখতে পারবেন। জাদুঘরে প্রবেশের জন্য অনলাইনে টিকেট কাটার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রবেশমূল বড়দের ৫০ টাকা এবং ছোটদের জন্য ২৫ টাকা।


২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। সেই খবর পেয়ে তখনকার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনের দখল নেয় জনতা। আনন্দ উৎসবের আমেজে সরকারপ্রধানের বাসভবনে ভাঙচুর, লুটপাট চলে।


পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তরের উদ্যোগ শুরু হয়। উপদেষ্টা পরিষদ ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর এ প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়।


এই জাদুঘরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ৩৬ দিনের চূড়ান্ত পর্বের পাশাপাশি তার আগের দীর্ঘ ‘দুঃশাসনের’ নমুনাও তুলে ধরা হয়েছে বলে সরকারের ভাষ্য।



সর্বশেষ সব খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:০০ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরকে শুধু অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়, বরং নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রেরণার কেন্দ্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।


তিনি বলেন, আমরা পথ হারিয়ে ফেললে এখানে এসে পথ খুঁজে নেবো। আমাদের চিন্তায় যদি কোনো গাফিলতি আসে, এখান থেকেই তার ঠিকানা খুঁজে আবার নতুন করে যাত্রা শুরু করবো। বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।


অধ্যাপক ইউনূস বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের জাদুঘর থাকলেও এ জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে বহু বছরের পুরোনো ইতিহাস নয় বরং গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাগুলো ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই সেসবের স্মারক, দলিল, নিদর্শন ও মানুষের অনুভূতি সংগ্রহ করা হয়েছে।


তিনি বলেন, ঘটনা ঘটেছে আর আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেই ঘটনার প্রতিটি নমুনা ও ইতিহাস সংগ্রহ করে জাদুঘরে নিয়ে এসেছি। এটাই আমাদের ইতিহাস সংরক্ষণের এক নতুন অধ্যায়।


জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেকেই কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই নিজের অনুভূতি লিখে গেছেন। পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে কেন রাজপথে নেমেছেন সেটিও তারা চিঠিতে তুলে ধরেছেন। এসব দলিল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।


তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যাশা বাংলাদেশের প্রতিটি তরুণ যেন সেই চিঠির লেখকের মতো হয়। তারা যেন বলে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে এসেছি।


সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের প্রতিটি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী ও সাধারণ নাগরিকের অন্তত একবার এই জাদুঘর পরিদর্শন করা উচিত। শুধু দেখে চলে যাওয়া নয়, তারা যেন এখানে বসে চিন্তা করে নিজেদের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা লিখে রেখে যায়।


তিনি বলেন, এই জাদুঘর ভবিষ্যতে সংস্কৃতি, শিল্প, সংগীত, চিত্রকলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডেরও একটি প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।


জাদুঘরে নির্মিত প্রতীকী কবরগুলোর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, প্রতিটি কবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শহীদের পরিচয় ও আত্মত্যাগের ইতিহাস সংরক্ষিত থাকবে যেন মানুষ জানতে পারে কীভাবে এবং কেন তারা জীবন দিয়েছিলেন।


ড. ইউনূস বলেন, তারা কোনো বিশেষ রাজনৈতিক কর্মী ছিল। তারা ছিল সাধারণ পরিবারের সাধারণ ছেলে-মেয়ে। তারা রাজপথে নেমেছিল কারণ তারা বিশ্বাস করতো এই বাংলাদেশ আর আগের মতো চলতে পারে না; আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।


জাদুঘর নির্মাণে সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা করে এই নোবলজয়ী অধ্যাপক বলেন, প্রতিটি নিদর্শন সংগ্রহ করতে দীর্ঘ সময়, শ্রম ও নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। সেই কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আজ দেশের মানুষের সামনে ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ দলিল তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে।


বক্তব্যের শেষে তিনি জাদুঘর নির্মাণ ও উদ্বোধনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমি আশা করি দেশের প্রতিটি মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে অন্তত একবার এখানে আসবেন। শুধু দেখার জন্য নয়, ভাবার জন্য কেন এটি ঘটেছিল, কীভাবে ঘটেছিল এবং এখান থেকে আমরা ভবিষ্যতে কোন পথে এগোবো।’

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৩০ এএম

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধনের পর এর বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী ঘুরে ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে জাদুঘরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি প্রদর্শিত বিভিন্ন আলোকচিত্র, দলিল, স্মারক ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা প্রদর্শনীগুলো ঘুরে দেখেন।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের মন্ত্রী, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই স্মৃতি জাদুঘর। উদ্বোধনের দিনটি বিশেষ অতিথি ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে জাদুঘরটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি ভিডিও থেকে নেওয়া

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:০৫ এএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার সকাল ৯টার দিকে তিনি জাদুঘরটির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের জন্য জাদুঘর পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উপদেষ্টা, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বীর শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত যোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।


সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, উদ্বোধনের দিন জাদুঘরটি বিশেষ অতিথি ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। আগামী ৬ আগস্ট থেকে এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।


জাদুঘরে প্রবেশের জন্য টিকিটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের আগেই অনলাইনে টিকিট বুকিং করতে হবে।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সেই ইতিহাস তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এ জাদুঘরে আন্দোলন–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলোকচিত্র, দলিল, নিদর্শন ও স্মারক প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

হামে মৃত্যু সাড়ে আটশ ছুঁইছুঁই

২৪ ঘণ্টায় আরও দুইজনের মৃত্যু, নতুন রোগী শনাক্ত ১ হাজার ১৯ জন


প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:০২ পিএম

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই নতুন রোগী শনাক্তের পাশাপাশি মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হচ্ছে নতুন নাম। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১২৩ জন। চলতি বছরে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৯ জনে। হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত মোট ৮৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মঙ্গলবার প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, চলতি বছরে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩১ হাজার ৯৪৬ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৯ জন। এ পর্যন্ত মোট ৮৪৯ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৭৫৩ জন এবং পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৬ জনের।


পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে গত মঙ্গলবার পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ সময়ে ঢাকায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৩২৭ জন এবং নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৬০ জনের। একই সময়ে এ বিভাগে মোট রোগীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৪৭৯ জন।


মৃত্যুর সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সিলেট বিভাগ। সেখানে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১১৩ জন এবং নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। এছাড়া রাজশাহীতে ৯৩ জন, ময়মনসিংহে ৭৩ জন, চট্টগ্রামে ৭১ জন, বরিশালে ৬৩ জন, খুলনায় ৩২ জন এবং রংপুর বিভাগে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।


এদিকে হাম ও রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি-২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগে গড়ে টিকাদানের কভারেজ ১০৬ শতাংশ। তবে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হওয়া ঢাকা ও সিলেট বিভাগে টিকাদানের কভারেজ যথাক্রমে ১০১ শতাংশ হলেও সেখানে মৃত্যুর হারও সবচেয়ে বেশি। এতে টিকাদানের প্রকৃত কভারেজ ও লক্ষ্য জনগোষ্ঠী নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।


জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, "জরুরি টিকাদান কর্মসূচিতে লক্ষ্য নির্ধারণেই বড় ধরনের ঘাটতি ছিল। আগের তালিকা সামান্য পরিবর্তন করে নতুন তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ফলে কমিউনিটি পর্যায়ে অনেক শিশু তালিকার বাইরে থেকে গেছে। তারাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে এবং মৃত্যুর ঘটনাও তাদের মধ্যেই বেশি দেখা যাচ্ছে।"


তিনি বলেন, কেবল টিকাদানের শতকরা হার দেখিয়ে সন্তুষ্ট থাকলে হবে না। টিকাবঞ্চিত শিশুদের খুঁজে বের করে দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি রোগ শনাক্ত, চিকিৎসা ও নজরদারি জোরদার না করলে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুহার কমানো কঠিন হবে।

সর্বশেষ সব খবর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৩৮ পিএম

দেশের পানি ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের সংকট মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।


মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে দেশের পানি ব্যবস্থাপনার বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই সমাধান নিশ্চিতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ আশ্বাস দেন তিনি।


সামাজিক উন্নয়নমূলক সংগঠন ফুটস্টেপস বাংলাদেশের নেতৃত্বে পরিবেশ, পানি ও প্রকৌশল খাতের বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন। সভায় তারা দেশের পানি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সমস্যা, বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও সুপারিশ তুলে ধরেন।


বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘ ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


সভায় দেশের খাল পুনরুদ্ধার, নদী ও বাঁধের স্থিতিশীলতা, নগর ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বর্জ্য পানি পরিশোধন এবং বৃষ্টির পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি দ্রুত নগরায়নের প্রেক্ষাপটে সমন্বিত ও কার্যকর নগর পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষজ্ঞদের মতামত শুনে দেশের পানি ব্যবস্থাপনার বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে তাদের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি দেশের টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার বিষয়ে আশ্বাস দেন।


বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।


সভায় ফুটস্টেপস বাংলাদেশের ট্রাস্টি ও হেড অব পার্টনারশিপস ফাসবীর এস্কান্দার, সভাপতি শাহ রাফায়াত চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ তাকী ইয়াসির, বিশ্বব্যাংকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী তারিক বিন ইউসুফ, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, রেড অরেঞ্জের পরিচালক অলোক কুমার মজুমদার, উপপরিচালক সামিউল ইসলাম, ইয়ুথ ফর এনডিসির নির্বাহী পরিচালক আমানুল্লাহ পরাগ, গারবেজম্যানের প্রতিষ্ঠাতা ফাহিদ উদ্দিন শুভ এবং নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনাবিদ এস এম মেহেদী হাসান উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:২৮ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। ভ্রমণের সময় চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতিসহ সম্ভাব্য সব ধরনের ব্যয় বহনের মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সোমবার দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।


বার্তায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় এমন আর্থিক প্রস্তুতি থাকতে হবে, যাতে ভ্রমণে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটলে বা চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলেও নিজের খরচ নিজেই বহন করা যায়।


এতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে পরিচালিত সরকারি সুবিধার অপব্যবহার করলে তার স্থায়ী প্রভাব পড়তে পারে। এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ, পড়াশোনা বা কাজের জন্য অযোগ্য হিসেবে বিবেচনার কারণ হতে পারে।



সূত্র: ইউএস এম্বাসি ঢাকা

সর্বশেষ সব খবর