• প্রকাশ : রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৫১ পিএম
  • আপডেট : রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৮ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর

দীপা খন্দকার

  • প্রকাশ : রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৫১ পিএম

অভিনয়জীবনের এই সময়ে এসে একজন সুঅভিনেত্রী হিসেবে দর্শকের ভালোবাসায় আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন দীপা খন্দকার। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। গল্প ও চরিত্র পছন্দ হলেই কাজ করছেন এই অভিনেত্রী। তবে এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তার একটি পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে কৌতূহল।


ফেসবুকে দীপা খন্দকার লিখেছেন, ‘কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে, কারও স্বার্থে আঘাত দিয়ে থাকলে ক্ষমা করবেন। আমি শুধু আমার প্রাপ্যটুকু নিয়ে ভালো থাকতে চাই। আল্লাহ আমাদের সহায় হোক।’


দীপার এই পোস্টের পর থেকেই নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এমন কথা লিখেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।


অভিনয়ের শুরু থেকেই গল্প ও চরিত্র গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে আসছেন দীপা। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়েও নিয়মিত নতুন কাজের প্রস্তাব পাচ্ছেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় ‘কর্মফল’ নামের একটি নাটকে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন মহিন খান।


‘কর্মফল’ নাটকে প্রচলিত ঘরানার বাইরে ভিন্ন ধরনের একটি চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে দেখা যাবে দীপাকে। এতে তার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন আ খ ম হাসান।


এদিকে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকে ফুফু চরিত্রে অভিনয় করে নতুন করে আলোচনায় আসেন দীপা খন্দকার। চরিত্রটি দর্শকদের কাছেও বেশ প্রশংসিত হয়েছে।


একই পরিচালকের নতুন ধারাবাহিক নাটকেও কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন দীপা। আজ (৬ সেপ্টেম্বর) রোববার বিকেলে রাজধানীর উত্তরার একটি শুটিং হাউজে ধারাবাহিকটির শিল্পীদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।




সালমান শাহ

  • প্রকাশ : রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৫ পিএম

১৯৯৬ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর দিনটি ছিল শুক্রবার। সেদিন সকাল সাতটায় বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ছেলে শাহরিয়ার চৌধুরী ইমনের সঙ্গে দেখা করতে ইস্কাটনের বাসায় যান। কিন্তু ছেলের দেখা না পেয়ে তিনি ফিরে আসেন।


এই শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন ঢাকার তৎকালীন সিনেমা জগতের সুপারস্টার সালমান শাহ।


সেদিনের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সালমান শাহ'র মা নীলা চৌধুরী বলেন, বাসার নিচে দারোয়ান সালমান শাহ'র বাবাকে তাঁর ছেলের বাসায় যেতে দিচ্ছিল না ।


নীলা চৌধুরীর বর্ণনা ছিল এ রকম, "বলেছে স্যার এখনতো উপরে যেতে পারবেন না। কিছু প্রবলেম আছে। আগে ম্যাডামকে (সালমান শাহ'র স্ত্রীকে) জিজ্ঞেস করতে হবে। এক পর্যায়ে উনি (সালমান শাহ'র বাবা) জোর করে উপরে গেছেন। কলিং বেল দেবার পর দরজা খুললো সামিরা (সালমান শাহ'র স্ত্রী)।"


"উনি (সালমান শাহ'র বাবা ) সামিরাকে বললেন ইমনের (সালমান শাহ'র ডাক নাম) সাথে কাজ আছে, ইনকাম ট্যাক্সের সই করাতে হবে। ওকে ডাকো। তখন সামিরা বললো, আব্বা ওতো ঘুমে। তখন উনি বললেন, ঠিক আছে আমি বেডরুমে গিয়ে সই করিয়ে আনি। কিন্তু যেতে দেয় নাই। আমার হাজব্যান্ড প্রায় ঘণ্টা দেড়েক বসে ছিল ওখানে।"


বেলা এগারোটার দিকে একটি ফোন আসে সালমান শাহ'র মা নীলা চৌধুরীর বাসায়।


ঐ টেলিফোনে বলা হলো, সালমান শাহকে দেখতে হলে তখনই যেতে হবে।


কেমন ছিল পরিবেশ?


টেলিফোন পেয়ে নীলা চৌধুরী দ্রুত ছেলে সালমান শাহ'র বাসার দিকে রওনা হয়েছিলেন। তবে সালমানের ইস্কাটনের বাসায় গিয়ে ছেলে সালমান শাহকে বিছানার ওপর দেখতে পান নীলা চৌধুরী।


"খাটের মধ্যে যেদিকে মাথা দেবার কথা সেদিকে পা। আর যেদিকে পা দেবার কথা সেদিকে মাথা। পাশেই সামিরার (সালমান শাহ'র স্ত্রী) এক আত্মীয়ের একটি পার্লার ছিল। সে পার্লারের কিছু মেয়ে ইমনের হাতে-পায়ে সর্ষের তেল দিচ্ছে। আমি তো ভাবছি ফিট হয়ে গেছে।"


"আমি দেখলাম আমার ছেলের হাতে পায়ের নখগুলো নীল। তখন আমি আমার হাজব্যান্ডকে বলেছি, আমার ছেলে তো মরে যাচ্ছে," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন নীলা চৌধুরী।


ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করে।


এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে বলা হয় সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছে।


পরিবারের দাবি


বাংলাদেশে সালমান শাহ অভিনীত প্রথম সিনেমা 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' সিনেমার শেষ দৃশ্যের মতো তাঁর জীবনের রথও থেমে গিয়েছিল ওই ছবি করার ঠিক চার বছর পর।


এরপর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে।


নীলা চৌধুরীর অভিযোগ ছিল তারা হত্যা মামলা করতে গেলে পুলিশ সেটিকে অপমৃত্যুর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে।


পুলিশ বলেছিল, অপমৃত্যুর মামলা তদন্তের সময় যদি বেরিয়ে আসে যে এটি হত্যাকাণ্ড, তাহলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হত্যা মামলায় মোড় নেবে।


বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অন্যতম শ্রেষ্ঠ নায়কের আকস্মিক মৃত্যুতে স্তম্ভিত হয়ে যায় পুরো দেশ।


সে সময় সারা দেশজুড়ে সালমানের অসংখ্য ভক্ত তাঁর মৃত্যু মেনে নিতে না পারায় বেশ কয়েকজন তরুণী আত্মহত্যা করেন বলেও খবর আসে পত্রিকায়।


সালমানের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে না পারায় তাঁর ভক্তদের মাঝে তৈরি হয় নানা প্রশ্নের।


আরও প্রশ্ন


সালমান শাহের মৃত্যুকে ঘিরে যখন একের পর এক প্রশ্ন উঠতে থাকে, তখন পরিবারের দাবির মুখে দ্বিতীয়বারের মতো ময়না তদন্ত করা হয়। মৃত্যুর আটদিন পরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে তিন সদস্য বিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।


সে বোর্ডের প্রধান ছিলেন ডা. নার্গিস বাহার চৌধুরী।


তিনি বলছিলেন, "লাশটা আমি দেখেছি মরচুয়েরিতে। আমার কাছে মনে হয়েছে যেন সদ্য সে মারা গেছে। এ রকম থাকলে তাঁর মৃত্যুর কারণ যথাযথভাবে নির্ণয় করা যায়। আত্মহত্যার প্রত্যেকটা সাইন (চিহ্ন) সেখানে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে ছিল। তাঁর শরীরে আঘাতের কোন নিশানা ছিল না।"


দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে মামলার কাজ সেখানেই থেমে যায়।


সালমান শাহ'র পারিবারিক বন্ধু চলচ্চিত্র পরিচালক শাহ আলম কিরণ বলছিলেন, শেষের দিকে অনেক মানসিক চাপে ছিলেন সালমান শাহ। পরিবারের সদস্যদের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রযোজকদের সাথে বোঝাপড়ার ঘাটতি তৈরি হয়েছিল।


সালমান শাহ'র মৃত্যুর পরে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অভাবনীয় ক্ষতির মুখে পড়ে।


প্রযোজকরা লোকসান কমিয়ে আনতে সালমান শাহ'র মতো দেখতে কয়েকজন তরুণকে নিয়ে অসমাপ্ত সিনেমার কাজ সম্পন্ন করার জন্য উঠে-পড়ে লাগেন।


"পুরনো ঢাকার একটি ছেলেকে পেছন থেকে দেখতে সালমানের মতো মনে হয়। তার চুলের স্টাইল দেখতে পেছন দিকে থেকে সালমানের মতো। তখন তার ওপর পুরো ইন্ডাস্ট্রির দায়িত্ব পড়ে গেল। সালমানের অসমাপ্ত ছবিগুলোতে লং শট, ব্যাক টু ক্যামেরা, ওভার-দ্যা-শোল্ডার শটের মাধ্যমে সে ছেলেটাকে ব্যবহার করা শুরু হলো," বলেন শাহ আলম কিরণ।


সালমান শাহ'র মৃত্যুর সংবাদ দর্শকদের মনে এতটাই দাগ কেটেছিল যে এত বছর পরেও অনেকে তার প্রিয় নায়ককে ভুলতে পারেননি। সালমানের মৃত্যুর দুই দশকের বেশী পরেও তাকে নিয়ে দর্শকদের মাঝে আলোচনা থামেনি।


কিন্তু সালমান শাহ'র বিশেষত্ব কী ছিল? কেন তিনি এতোটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন?


চলচ্চিত্র বিশ্লেষক এবং বেসরকারি ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক জাকির হোসেন রাজু মনে করেন, সালমান শাহ যে সময়টিতে অভিনয়ে এসেছিলেন, তখন ছিল বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে পালাবদলের সময়।


১৯৯২ সালে 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন সালমান শাহ। জনপ্রিয় একটি হিন্দি সিনেমার অফিসিয়াল রিমেক ছিল 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত'।


এ সিনেমাটি মুক্তির পর থেকেই চলচ্চিত্রে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেন সালমান।


পর্দায় তাঁর পোশাক-পরিচ্ছদ, সংলাপ বলার ধরন, অভিনয়-দক্ষতা - সবকিছু মিলিয়ে দর্শকের মনে স্থান করে নিতে সময় লাগেনি এ নায়কের।


বাংলাদেশের সিনেমায় তিনি 'রোমান্টিক হিরো' হিসেবে পরিচিত পান।


পরিচালক শাহ আলম কিরণ বলেন, "ও যাই করতো, সেটাই ভালো লেগে যেত। অল্প সময়ের মধ্যে এ ছেলেটা চলচ্চিত্রমোদীদের মনে জায়গা করে নিয়েছিল।"


মাত্র চার বছরে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে ১৯৯০'র দশকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে আলোড়ন তুলেছিলেন নায়ক সালমান শাহ। সাতাশটি সিনেমার বেশিরভাগই ছিল আলোচিত এবং ব্যবসা সফল।


চলচ্চিত্র বিশ্লেষক জাকির হোসেন রাজু বলছিলেন, ১৯৭০-৮০'র দশকের নায়কদের পরে চলচ্চিত্রে সালমানের আবির্ভাব এক ধরণের তারুণ্যের উচ্ছ্বাস তৈরি করেছিল।


প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেতা


নায়ক রাজ্জাক, আলমগীর এবং ফারুকের পর সে সময় নতুন একদল তরুণ অভিনেতার আবির্ভাব হয়েছিল ঢাকার সিনেমা জগতে।


নব্বইয়ের দশকের প্রথম দিকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে যত নায়কের আবির্ভাব ঘটেছিল তাদের মধ্যে সালমান শাহ সবচেয়ে প্রমিজিং (প্রতিশ্রুতিশীল) ছিলেন বলে উল্লেখ করেন জাকির হোসেন রাজু।


তাঁর বর্ণনায়, সালমান শাহ'র অভিনয়ের মধ্যে দর্শক একটা ভিন্নধারা খুঁজে পেয়েছিল। অনেকে আবার সালমান শাহ'র মধ্যে বলিউড নায়কদের ছায়াও খুঁজে পেয়েছিলেন।


সালমান শাহকে নিয়ে আলোচনা কখনোই থামেনি।


মাত্র চার বছরের সিনেমা ক্যারিয়ারে সালমান শাহ বাংলা সিনেমার অভিনয় জগতে নিজের এমন একটি স্থানটি করে নিয়েছিলেন যে তাঁর অভাব এখনো অনুভব করেন দর্শক, পরিচালক, প্রযোজক - সবাই।


এখনো প্রতি বছর সালমান শাহ'র মৃত্যু দিবসে তাঁর অনেক ভক্ত তাঁকে স্মরণ করেন ভালোবাসার সঙ্গে।


আর সালমানের অনেক ভক্তের কাছে তাঁর মৃত্যু এখনো একটি বড় রহস্য হিসেবেই রয়ে গেছে।


সালমান শাহ

  • প্রকাশ : রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৩২ পিএম

ঢালিউড সিনেমার অমর নায়ক সালমান শাহ। রুপালি পর্দায় তাঁর উপস্থিতি দর্শককে মুগ্ধ করেছিল। তাঁর অকালপ্রয়াণের তিন দশক পরও সেই ভালোবাসায় এতটুকু ভাটা পড়েনি। বরং সময়ের সঙ্গে সালমান শাহ হয়ে উঠেছেন বাংলা চলচ্চিত্রের নস্টালজিয়ার অন্যতম নাম। তাঁর সিনেমা মানে নব্বইয়ের দশকের রোমান্টিকতা, তারুণ্যের আবেগ আর দর্শকের ভালোবাসায় ভরা এক স্বর্ণালি অধ্যায়। রোববার ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী। বিশেষ এ দিনটিকে সামনে রেখে প্রয়াত নায়কের স্মরণে সপ্তাহজুড়ে বিশেষ আয়োজন করেছে দীপ্ত টিভি। আয়োজনের অংশ হিসেবে আজ শনিবার থেকে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা সাত দিন দুপুর আড়াইটায় প্রচারিত হবে সালমান শাহ অভিনীত সাতটি সিনেমা।


আয়োজনের প্রথম দিন আজ শনিবার প্রচারিত হবে শাহ আলম কিরণ পরিচালিত ‘বিচার হবে’। এতে সালমান শাহর সঙ্গে অভিনয় করেছেন শাবনূর, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ডলি জহুর ও হুমায়ুন ফরীদি। আগামীকাল সালমান শাহর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকীর দিন দেখানো হবে এম এ খালেদ পরিচালিত ‘স্বপ্নের ঠিকানা’।


এতে সালমান ও শাবনূরের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন সোনিয়া, রাজীব, ডলি জহুর ও আবুল হায়াত। সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর থাকছে শিবলি সাদিক পরিচালিত ‘আনন্দ অশ্রু’। এতে সালমান ও শাবনূরের সঙ্গে অভিনয় করেছেন কাঞ্চি, ডলি জহুর ও হুমায়ুন ফরীদি।


৮ সেপ্টেম্বর প্রচারিত হবে মালেক আফসারী পরিচালিত ‘এই ঘর এই সংসার’। এতে সালমানের সহশিল্পী বৃষ্টি, রোজী আফসারী, বুলবুল আহমেদ, আলীরাজ ও তমালিকা কর্মকার। ৯ সেপ্টেম্বর দর্শক দেখতে পাবেন জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘জীবন সংসার’। এতে অভিনয় করেছেন সালমান, শাবনূর, ফারুক, ববিতা ও গোলাম মুস্তাফা। ১০ সেপ্টেম্বর থাকছে রেজা হাসমত পরিচালিত ‘প্রেম পিয়াসী’। অভিনয়ে সালমান, শাবনূর, আনোয়ারা, রাজীব ও মিশা সওদাগর।


সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনের শেষ দিন শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর প্রচারিত হবে বাদল খন্দকারের ‘স্বপ্নের পৃথিবী’। অভিনয়ে সালমান, শাবনূর, রাজীব, ববিতা ও রাইসুল ইসলাম আসাদ। অকালপ্রয়াণের ৩০ বছর পরও সালমান শাহর জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে, প্রজন্ম বদলালেও তাঁর প্রতি দর্শকের ভালোবাসা বদলায়নি।


দীপ্ত টিভির সপ্তাহব্যাপী এ আয়োজন সেই ভালোবাসা ও স্মৃতিকে আরও একবার ফিরিয়ে আনবে দর্শকের ঘরে।


  • প্রকাশ : রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:২২ পিএম

হঠাৎই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একটি ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ঢাকাই চলচ্চিত্রের নন্দিত নায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সেলফি তুলেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। দুই ভিন্ন অঙ্গনের দুই পরিচিত মুখকে এক ফ্রেমে দেখে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে—তাসকিনের সঙ্গে শাবনূরের দেখা হলো কোথায়, কীভাবে?


পেছনের গল্প জানতে যোগাযোগ করা হয় শাবনূরের সঙ্গে। জানা গেল, অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে শাবনূরের ভাইয়ের বাসায় আয়োজিত এক ঘরোয়া বারবিকিউ আড্ডায় পরিবারসহ যোগ দিয়েছিলেন তাসকিন। অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকা এই ক্রিকেটার গত শুক্রবার স্ত্রী, সন্তান ও স্বজনদের নিয়ে সেখানে যান। শাবনূরের সঙ্গে ছিলেন তাঁর ভাই তমাল, বোন ঝুমুরসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। খাওয়াদাওয়া, গল্প আর হাসি-আনন্দে জমে ওঠা সেই আড্ডা গড়ায় ভোর চারটা পর্যন্ত।


প্রথম আলোকে শাবনূর জানালেন, তাসকিনের সঙ্গে তাঁদের পরিবারের পরিচয় নতুন নয়। বহু বছর ধরেই দুই পরিবারের মধ্যে চেনাজানা ও যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে তাসকিন ও শাবনূরের ভাই পূর্বপরিচিত। এবার সিডনিতে এসে স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাসকিন। সেই সুযোগেই শাবনূরের ভাইয়ের বাসায় তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।


আয়োজনটি ছিল একেবারেই পারিবারিক, ছিল না কোনো আনুষ্ঠানিকতা। দুই পরিবারের বড়দের পাশাপাশি সন্তানেরাও আনন্দে সময় কাটিয়েছে। 


শাবনূর বলেন, ‘আমার ভাইয়ের বাসায় তাসকিনের পুরো পরিবারের দাওয়াত ছিল। আমাদের সবারও দাওয়াত ছিল। সেখানেই দারুণ আড্ডা হয়। ভোর চারটা পর্যন্ত আমরা সবাই মিলে খাওয়াদাওয়া করেছি, অনেক আড্ডা হয়েছে। আমাদের সন্তানেরাও খুব মজা করেছে।’


সেই আড্ডারই একটি মুহূর্ত ধরা পড়ে তাসকিনের তোলা সেলফিতে। পরে শাবনূর ছবিটি নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন। শুধু ছবি নয়, তাসকিন ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে কাটানো সময়ের কথাও অনুসারীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন এই অভিনেত্রী।


শাবনূর জানান, সিডনিতে তাঁর ভাইয়ের বাসায় পরিবারসহ প্রিয় ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদের সঙ্গে বারবিকিউ আড্ডায় দারুণ কিছু সময় কেটেছে তাঁদের। তাসকিন ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে কাটানো সময়কে আনন্দময় উল্লেখ করে দেশের গর্ব এই ক্রিকেটারের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আরও সাফল্য কামনা করেন তিনি।


তাসকিনও নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সেই আড্ডার কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন। শাবনূর ও তাঁর পরিবারের আতিথেয়তায় মুগ্ধ এই পেসার লিখেছেন, ‘সন্ধ্যাটা ও বারবিকিউর রাতটা ছিল দারুণ সুন্দর। আমাদের এভাবে আতিথেয়তা করার জন্য শাবনূর আপু ও তাঁর পরিবারকে ধন্যবাদ।’ তাসকিনের সেই পোস্টে ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন শাবনূর। 


গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে তাসকিনকে নিয়ে নিজের মুগ্ধতার কথাও বললেন শাবনূর। দেশের ক্রিকেটাররা বিদেশের মাটিতে নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করছেন—বিষয়টি তাঁকে গর্বিত করে।


শাবনূর বলেন, ‘আমার খুব গর্ব হয়, তাসকিনদের মতো খেলোয়াড়েরা যখন দেশের বাইরে নিজেদের খেলা দিয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করে। এটা ভীষণ ভালো লাগার।’

শাবনূর ও তাসকিনের এই ঘরোয়া আড্ডা অবশ্য শেষ পর্যন্ত আর ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশের পর দুই ভিন্ন জগতের জনপ্রিয় দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে থাকেন ভক্তরা। মন্তব্যের ঘরেও জমে ওঠে আলোচনা।


জেসমিন ইসলাম বৃষ্টি নামের একজন লিখেছেন, ‘এক ফ্রেমে দুই জগতের প্রিয় মানুষকে দেখে সত্যি দারুণ লাগছে।’ হৃদয় খান লিখেছেন, ‘দুই জগতের দুই সুপারস্টার।’


তবে তাসকিনের সঙ্গে শাবনূরের ছবি দেখে অনেকের নজর আটকে গেছে প্রিয় নায়িকার দিকেও। দীর্ঘদিন চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকা শাবনূরকে হাসিখুশি ও ফিট দেখে আবারও তাঁকে পর্দায় দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন অনুরাগীদের কেউ কেউ। মোহাম্মদ হায়াতুন্নবী লিখেছেন, ‘অভিনয়ের জন্য উপযুক্ত ফিটনেস, এবার চলচ্চিত্রে ফিরে আসা উচিত।’

সিনেমা আর ক্রিকেট—দেশের জনপ্রিয় দুই অঙ্গনের দুই তারকার এই ঘরোয়া আড্ডা তাই ভক্তদের জন্য হয়ে উঠেছে বাড়তি আনন্দের উপলক্ষ। আর তাসকিনের সঙ্গে শাবনূরের ছবির সূত্র ধরে তাঁর অনুরাগীদের পুরোনো একটি চাওয়াও নতুন করে সামনে এসেছে—তাঁরা আবার পর্দায় দেখতে চান প্রিয় নায়িকাকে।


মানসী সেনগুপ্ত

  • প্রকাশ : শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:১৭ পিএম

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত। কখনও বিবাহবিচ্ছেদ, কখনও সন্তান, আবার কখনও নতুন চারতলা বাড়ি—বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খবরের শিরোনামে এসেছেন তিনি। এবার অভিনয়ের বাইরে রাজনীতিতেও নাম লেখালেন এই অভিনেত্রী।


বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় জনতা মজদুর সেল (বিজেএমসি)-এর দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ দিয়েছেন মানসী।


রাজনীতিতে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করে মানসী জানিয়েছেন, পুরনো সরকারের নিন্দা করে নয়, বরং নিজের কাজ দিয়ে পরিচিতি পেতে চান তিনি।


বিজেএমসিতে যোগদানের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মানসী বলেন, ‘তৃণমূলের সঙ্গে সরাসরি রাজনৈতিকভাবে যুক্ত ছিলাম না। কোনওদিন মিটিং-মিছিলে অংশ নিইনি। তবে শিল্পী হিসেবে কিছু শোতে যেতে হয়েছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘প্রাক্তন সরকার কী করে গেছে, কার কী ভুল ছিল আমি এসব বিতর্কে যাব না। কার কী খারাপ, কার কী ভুল, কে কী করতে পারে, এই যে বাকবিতণ্ডা, এই যে কাদা ছোড়াছুড়ি আমি এতে বিশ্বাস করি না। কারণ মানুষের কীসে ভালো হবে সেটার দিকে লক্ষ রাখতে চাই। আমি সমালোচনার কারণে চর্চায় থাকতে চাই না। আমি আমার কাজ নিয়ে চর্চায় থাকতে চাই।’


এ দিকে মানসীর বিজেএমসিতে যোগদানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।


একজন লেখেন, ‘আশা করি রাজনীতিতেও তুমি দাপিয়ে বেড়াবে’। আরেকজন লেখেন, ‘সে কি! মানসীও এবার গেরুয়া দলে।’  অন্যজন লেখেন, ‘জলদি বুঝে গিয়েছে কোন দিকে গেলে সুবিধা পাবে’।


মানসী ‘নিম ফুলের মধু’, ‘কী করে বলবো তোমায়’, ‘কুঞ্জছায়া’ ও ‘উমা’সহ একাধিক ধারাবাহিকে কাজ করেছেন। তবে ‘নিম ফুলে মধু’ ধারাবাহিক তাকে বিশেষ পরিচিতি দিয়েছে।


মনীষা কৈরালা

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৭ পিএম

ভয়াবহ বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত নেপাল। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের প্রতি আবেগঘন আহ্বান জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ও নেপালের মেয়ে মনীষা কৈরালা। তার অনুরোধ দুর্যোগের খবর দেখে যেন পুরো নেপালকে পর্যটনের জন্য বর্জন না করা হয়। বরং নিরাপদ এলাকাগুলোতে ভ্রমণ করে দেশটির পর্যটন ও অর্থনীতিকে সচল রাখতে সহায়তা করুন।


কাঠমান্ডুতে সদগুরুর আয়োজিত ‘ইন সলিডারিটি উইথ নেপাল’ অনুষ্ঠানে রোববার (৩০ আগস্ট) বক্তব্য দিতে গিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্দেশে এই আহ্বান জানান মনীষা। অভিনেত্রী বলেন, নেপালের প্রতি বিশ্বের মানুষের যে ভালোবাসা ও সমর্থন রয়েছে, তা এখন আরও বেশি প্রয়োজন। তবে সেই সমর্থন শুধু সহানুভূতিতে সীমাবদ্ধ না রেখে নেপালের পর্যটন খাতের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।


তিনি আরও বলেন আপনারা বারবার নেপালের প্রতি যে ভালোবাসা ও সমর্থন দেখিয়েছেন, তা যেন অব্যাহত থাকে। একটি দেশ হিসেবে আমাদের প্রয়োজন মানুষ আমাদের দেশে আসুক। দুর্যোগের কারণে নেপালকে শুধু সংকট ও বিপর্যয়ের দেশ হিসেবে দেখার প্রবণতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। মনীষা বলেন, আমরা চাই না, আমাদের শুধু এমন একটি দেশ হিসেবে দেখা হোক, যেখানে সব সময় দুর্যোগ বা সংকট লেগেই থাকে। আমরা চাই আপনারা ভ্রমণ করুন।


নেপাল-তিব্বত সীমান্তের সাম্প্রতিক ভয়াবহ দুর্যোগের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হলেও দেশের সব জায়গা একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। তাই নেপালের অন্যান্য অঞ্চলের পর্যটন কার্যক্রম চালু রাখা জরুরি। মনীষা বলেন, হ্যাঁ, তিব্বত ও নেপাল সীমান্তে দুর্যোগ হয়েছে। কিন্তু পর্যটনই আমাদের প্রাণ। এটা মনে রাখতে হবে। দেশের বাকি অংশে আমাদের পর্যটন প্রয়োজন।


নেপালের পরিচয় কীভাবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা উচিত, সেটিও স্পষ্ট করেছেন মনীষা। তার মতে, দুর্যোগের খবরের আড়ালে হারিয়ে যাওয়া উচিত নয় দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। তিনি বলেন, আমরা চাই না, এমন একটি দেশ হিসেবে পরিচিত হতে যেখানে সব সময় সমস্যা লেগেই থাকে। আমরা চাই আমাদের পরিচিতি হোক সুন্দর আবহাওয়া, শক্তিশালী হিমালয়, চমৎকার মানুষ, প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের জন্য। আন্তর্জাতিক পর্যটকদের উদ্দেশে মনীষা বলেন, আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নেপাল ভ্রমণে উৎসাহিত করছি।

যতটা পাপ কামিয়েছি, সবটা ধুয়েমুছে মরতে চাই: পপি

রঙিন দুনিয়া থেকে দূরে থাকার ইঙ্গিত


চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি

  • প্রকাশ : সোমবার ৩১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৪৬ এএম

দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় থেকে দূরে রয়েছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। রুপালি পর্দা থেকে আড়ালে থাকা এই অভিনেত্রী এখন জীবনের বাকি সময়টা শান্তিতে কাটাতে চান বলে জানিয়েছেন। 




একই সঙ্গে ধর্মীয় জীবনযাপনের প্রতিও নিজের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে পপি বলেন, ‘সুন্দরভাবে বাঁচতে চাই। আল্লাহ-খোদার নাম নিতে চাই।’




এই বক্তব্যে চলচ্চিত্রের রঙিন দুনিয়া থেকে নিজেকে আরও দূরে সরিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায় পপির। দীর্ঘ ২৮ বছরের অভিনয়জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি জানিয়েছেন, এখন জীবনের অন্য একটি অধ্যায়কে গুরুত্ব দিতে চান।




পপি বলেন, ‘যতটা পাপ কামিয়েছি, তার সবটা ধুয়েমুছে সুন্দরভাবে মরতে চাই।’ তার এমন বক্তব্যে নিজের জীবন নিয়ে আত্মবিশ্লেষণ এবং পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অবশ্য অভিনয়ে ফেরার বিষয়ে ২০২৫ সালে কিছুটা ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছিল পপির কণ্ঠে। দীর্ঘ বিরতির পর ফিরলেও যে কোনো কাজ দিয়ে নয়, ভালো কোনো কাজের মাধ্যমেই ফিরতে চান বলে জানিয়েছিলেন তিনি। 



তবে ২০২৬ সালেও চলচ্চিত্রে তার প্রত্যাবর্তন এখনো অনিশ্চিত। ১৯৯৭ সালে ‘কুলি’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় পপির। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বাণিজ্যিক সিনেমার পাশাপাশি প্রশংসিত বিভিন্ন চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। করোনাভাইরাস মহামারির সময় দীর্ঘদিন শুটিং থেকে বিরতিতে ছিলেন পপি। নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। 




সুস্থ হয়ে ওঠার পর ২০২১ সালের শুরু থেকেই মিডিয়াসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ অনেকটাই বন্ধ করে দেন এই অভিনেত্রী। এরপর থেকেই তার ব্যক্তিজীবন নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।




একপর্যায়ে গুঞ্জন ওঠে, বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন পপি। পরে জানা যায়, তিনি এক পুত্রসন্তানের মা হয়েছেন। তার ছেলের নাম আয়াত। বর্তমানে তার বয়স প্রায় চার বছর।