• প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:১৬ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) মিউজিক্যাল রেজিমেন্টের আগামী এক বছরের জন্য নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন রিভু কুমার সাহা। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির নতুন এ কমিটি গঠন করা হয়।


কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মোছা. মিনারা খাতুন। সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহেল রানা সিদ্দিকী, অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, অধ্যাপক ড. মাহবুবুল প্রতীক সিদ্দিক, অধ্যাপক ড. মো. তানভীর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান মজুমদার ও অধ্যাপক কাজী শেখ ফরিদ।


যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আহমেদ রিয়াদ, অদিতি চৌধুরী, নুবাহ নাশিতা ফারিহাত, সুষ্ময় হাজারি, নীলাদ্রি শেখর দাস নোবেল, তনিমা তন্বী, বিশাল সাহা উৎস, আসিফ ইকবাল ও ভাস্বতী মণ্ডল সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন ফারদিন আহসান প্রিন্স ও মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ। সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন মোহাম্মদ আবু হোরায়রা আল রিজন, পুষ্পিতা দাস, জয়িতা সরকার, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী ও মোহাম্মদ ফাহিম।


কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন লস্কর মহন্ত। সাংস্কৃতিক ও পরিবেশনা সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন সাজিদ শাহরিয়ার রোহান, দীপান্বিতা দীপা, তাজরী সরকার ও পৃথ্বীরাজ সরকার। তথ্য ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন উচ্ছ্বাস সরকার প্রীতম, জবা দেবনাথ ববি ও আল ফুয়াদ বিন হাবিব প্রিয়। বৈদেশিক বিষয় ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন স্যামযোগ শ্রেষ্ঠা, কারান গৌরোচা, প্রবেশ পান্তা ও সুবাশ পান্তা।


এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন রামিছা ইশরাক প্রাপ্তি, ঐশী মণ্ডল, ইমাম মাহবুব, অনন্যা গাইন, উইলিয়াম আবীর, ফাতিন ইশরাক সম, সৌম্য প্রামাণিক, প্রদীপ পান্ডে, মৌমিতা দত্ত ও মুঈন শাহরিয়ার ওরাত।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:২১ পিএম

পর্দায় চলচ্চিত্র দেখার অভিজ্ঞতার বাইরে গিয়ে চলচ্চিত্র কীভাবে সংরক্ষিত হয়, পুরোনো সিনেমার উপকরণ কীভাবে রক্ষা করা হয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য চলচ্চিত্রের ইতিহাস কীভাবে ধরে রাখা হয়, এসব বিষয়ে বাস্তব ধারণা নিতে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ পরিদর্শন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা।


আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষক লাবিব নাজমুছ ছাকিবের সমন্বয়ে এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।


পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের ফিল্ম মিউজিয়াম, ভল্ট, ডিজিটাল ল্যাব ও লাইব্রেরি ঘুরে দেখেন। এসব স্থানে চলচ্চিত্র সংরক্ষণ, পুরোনো চলচ্চিত্রের সংরক্ষিত উপকরণ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে চলচ্চিত্র রক্ষার বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নেন তারা।


পরিদর্শনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম অভিনীত ও পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘ধ্রুব’ উপভোগ করেন। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সরাসরি পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।


পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্র: ঐতিহ্য, সংরক্ষণ ও সমকালীন প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।


সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল। আলোচনায় আরও অংশ নেন পরিচালক ফারহানা রহমান, উপপরিচালক মো. মনিরুজ্জামান এবং উপপ্রকল্প পরিচালক মো. রুবেল রানা।


সেমিনারে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ঐতিহ্য, চলচ্চিত্র সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা এবং সমকালীন চলচ্চিত্রের প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে চলচ্চিত্রের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সংরক্ষণে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ ও প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়েও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় হয়।


সেমিনারের পর উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে নিজেদের আগ্রহ, অনুভূতি ও প্রত্যাশার কথা জানান।


শিক্ষার্থীদের জন্য এ আয়োজন শ্রেণিকক্ষের পাঠের পাশাপাশি চলচ্চিত্র সংরক্ষণ ও আর্কাইভ ব্যবস্থাপনার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের একটি সুযোগ তৈরি করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৫৯ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৫৯ পিএম


  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৫৯ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দিনের ছবি ও পদবি ব্যবহার করে তার নামে ভুয়া ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খোলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।


গতকাল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি জানান।


পোস্টে তিনি বলেন, কে বা কারা আমার ছবি ও পদবি ব্যবহার করে আমার নামে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তার প্রকৃত ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ আইডি একটি এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে সেটিই ব্যবহার করে আসছেন বলে জানান।


এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, তার ছবি ও পদবি ব্যবহার করে খোলা এসব আইডির মাধ্যমে কেউ প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।


তিনি আরও বলেন, "আমি ইতোমধ্যে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেছি।"


ভুয়া আইডি থেকে কোনো ধরনের বার্তা, তথ্য বা যোগাযোগ করা হলে তা বিশ্বাস না করার এবং সতর্ক থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জবি উপাচার্য।

সর্বশেষ সব খবর

কুবিতে টেকসই ও সবুজ ক্যাম্পাস হিসেবে গড়তে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কর্মশালা

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৫৬ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব সবুজ ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে কৌশলগত কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞজনদের নিয়ে  ‘ডেভেলপিং স্ট্র্যাটেজিক ফ্রেমওয়ার্ক ফর সাসটেইনেবল গ্রিন ক্যাম্পাস অব কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর)সকাল সাড়ে ১০টায় উপাচার্য কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়


আইকিউএসি'র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন।


কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও আইকিউএসি'র পরিচালক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান।


এছাড়া কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও সাবেক উপাচার্য ড. জসিম উদ্দিন আহমদ, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আহসান হাবিব, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. শফি মোহাম্মদ তারেক, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান শাখার সাবেক প্রধান অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ হারুণ চৌধুরী এবং অর্থনীতি শাখার সাবেক প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দার এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগের বিভাগীয় প্রধানবৃন্দ।


বিশেষজ্ঞরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই গ্রিন ক্যাম্পাসে রূপান্তরের লক্ষ্যে বর্জ্যব্যবস্থাপনা, বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে ক্যাম্পাস সবুজায়ন, আশেপাশের পর্যটনশিল্পের কারনে পরিবেশের উপর তৈরী চাপ কমাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়নের দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান হাবিব বলেন, "কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই গ্রিন ক্যাম্পাসে  রূপান্তরের লক্ষ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি ও সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পাহাড়ি ভূমি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রেখে অবকাঠামো নির্মাণ প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জীবনের শুরুতেই পরিবেশবিষয়ক শিক্ষার আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে ফার্মেসি ও রসায়ন গবেষণাগারের কেমিক্যালযুক্ত তরল বর্জ্য সরাসরি ড্রেনে ফেলা বন্ধ করা এবং সৌর প্যানেল বা ব্যাটারি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সিসা ও ক্যাডমিয়ামের মতো ক্ষতিকর পদার্থের বিষাক্ততা এড়াতে সুসংহত দীর্ঘমেয়াদি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা প্রয়োজন।"


এছাড়া বিদ্যুৎ, পানি ও কাগজের ব্যবহার কমিয়ে আনার পাশাপাশি জাতিসংঘের নির্দিষ্ট কিছু টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি)দিকে গুরুত্ব দেওয়া কথা বলেন তিনি।


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, 'ক্যাম্পাসে যানবাহনের ধোঁয়া, কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমাতে ইলেকট্রিক কার ব্যবহারের আয়তায় আনতে হবে। পাশাপাশি যদি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় গাছ দিয়ে বৃক্ষ রোপনকে কোর্সের আওতাভুক্ত করা যায় তাহলে জীববৈচিত্র্য বৃদ্ধি পাবে অনেকাংশে। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে টেকসই করতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনগণকে যুক্ত করে একটি কার্যকর মডেল তৈরি করতে হবে। সর্বোপরি, মানুষের মনস্তত্ত্ব ও চাহিদাকে বুঝে তাঁদের সঠিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমেই পরিবেশ সংরক্ষণের যে কোনো উদ্যোগ সফল করার চেষ্টা করতে হবে।'


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন আহমদ বলেন, 'এই পৃথিবী ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছ থেকে আমরা ঋণ হিসেবে পেয়েছি। তাই আগামী বহু বছরের কথা চিন্তা করে পৃথিবী রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। শুধু পরিবেশগত সচেতনতা থাকলেই চলবে না, পলিথিন বর্জনের মতো ইতিবাচক অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য অনুপ্রেরণাও প্রয়োজন এবং বালতির পানি ব্যবহারের প্রতি জোর দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষকদের সামাজিক ও গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে পরিবেশ রক্ষায় একযোগে কাজ করার জন্য শিক্ষার্থী ও তরুণদের প্রতি আহ্বান জানাতে হবে।'


কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, ​প্রফেসর সৈয়দুর রহমান স্যারের ফ্রেমওয়ার্ক উপস্থাপনা  থেকে আমরা টেকসইতার যে ধারণা পেয়েছি, তার তিনটি দিক রয়েছে—অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত, যা টেকসই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তার উল্লেখিত ৩R (Reduce, Reuse, Recycle) এর সাথে আরেকটি R যুক্ত করতে হবে , তা হলো Repair। ফলে টেকসই পরিকল্পনা আরো ভালো ভাবে বাস্তবায়িত হবে। আমাদের গ্রিন ক্যাম্পাস বাস্তবায়নের জন্য পানি সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য, টেকসই পরিবহন ও সবুজ অবকাঠামো নির্মাণের  উপর অত্যাদিক জোর দিতে হবে।'


উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, 'আইকিউএসি নির্দেশকের প্রস্তুতকৃত ফ্রেমওয়ার্ক স্বল্প সময়ে বাস্তবায়ন করতে পারলে আমরা শিক্ষার্থীদের দ্রুত একটি টেকসই গ্রিন ক্যম্পাস উপহার দিতে পারব। তাই আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে এবং নিজ নিজ জায়গা থেকে সর্বাধিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।'



সর্বশেষ সব খবর

‎নোবিপ্রবিতে এনএসটিইউ সাইন-এর ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:১২ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনএসটিইউ স্পেশাল হেল্প এন্ড ইনক্লুসিভ নেটওয়ার্ক ফর এডুকেশন’ (NSTU SHINE)-এর ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।


বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিডিও কনফারেন্স রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।


‎অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে একটি ভিজ্যুয়াল ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের উপদেষ্টা ও সাবেক নেতৃত্ববৃন্দ সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রম ও শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগসমূহকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

‎

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, "আমরা এমন একটি ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে চাই, যেখানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা অন্য সবার মতোই স্বাভাবিকভাবে শিক্ষা গ্রহণ, সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ পাবে। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সাফল্য তখনই অর্জিত হয়, যখন সেখানে প্রত্যেকের মর্যাদা, নিরাপত্তা, সমান সুযোগ ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।"


‎তিনি আরও বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কোনো শিক্ষার্থীকে সহানুভূতির চোখে নয়, বরং সমমর্যাদা ও অধিকারসম্পন্ন একজন শিক্ষার্থী হিসেবে দেখতে হবে। গত তিন বছরে এ সংগঠনটি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ও পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক মেলবন্ধন এবং আত্মউন্নয়নে যে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ সময় একটি পূর্ণাঙ্গ অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

‎

‎সংগঠনের সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত বলেন, "বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের অধিকার ও সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই এই সংগঠনের পথচলা, যা আজ তিন বছরে পদার্পণ করলো। এই তিন বছরে আমরা শিক্ষা সহায়তা, মেধা বৃত্তি প্রদান, শ্রুতিলেখক সংবর্ধনাসহ ক্যাম্পাসকে প্রতিবন্ধীবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করেছি।" বক্তব্য শেষে তিনি শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন এবং উপাচার্যের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।


‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন।


‎সংগঠনের উপদেষ্টা ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুবাইয়ান আসিফ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তাসনীম আলমের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও সংগঠনের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

‎

‎প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অন্যান্য কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমস্যার সমাধানভিত্তিক সচেতনতামূলক প্রতিযোগিতা ‘সমতার পথে’ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় সেরা সমাধান দেওয়া ৩ জন বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।


‎উল্লেখ্য, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী ও পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক মেলবন্ধন এবং আত্মউন্নয়নে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে সংগঠনটি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:১৭ পিএম

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্যারাম প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ক্যারাম দল। প্রতিযোগিতায় শিরোপাজয়ী দলের দুই খেলোয়াড়কে ব্লেজার পরিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।


বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ভিসির সচিবালয়ের সভাকক্ষে চ্যাম্পিয়নদের ব্লেজার পরিধান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ক্রীড়া উন্নয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দলকে এ ব্লেজার পরানো হয়।


ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয়। ছেলেদের দ্বৈত ইভেন্টে গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে এবং সেমিফাইনালে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (কুয়েট) হারিয়ে ফাইনালে ওঠে বাকৃবি। ফাইনালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে সরাসরি ২-০ সেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে বাকৃবি দল।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি.এম. মুজিবর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. কাজী কামরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আসাদুল হক সজল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চ্যাম্পিয়ন দলের ম্যানেজার অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান মজুমদার, দলের কোচের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শাহীন হালিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পরিচালক ও চ্যাম্পিয়ন দলের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন দলকে অভিনন্দন জানান বাকৃবি ভিসি। পরে অংশগ্রহণকারী দুই খেলোয়াড়সহ টিম ম্যানেজার, কোচ ও টিম পরিচালকদের ব্লেজার পড়ানো হয়।


চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড় বলেন, প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে চ্যাম্পিয়ন হওয়া অনেক ভালো লাগছে। এর আগে বাকৃবি ক্যারামে অংশগ্রহণ করেনি। আমাদের কাছেও আনএক্সপেক্টেড ছিল। একক খেলাতে রেজাল্ট করতে পারিনি, আয়োজকদের থেকে আনফেয়ার ছিল। দ্বৈত ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এটা ভালো লাগছে বিগত কয়েকটি ইভেন্টে বাকৃবি ২য় তৃতীয় হলেও চ্যাম্পিয়ন হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে ভূমিকা রাখতে পেরে নিজেদেরকে গর্বিত মনে করছি। 


ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জি.এম. মুজিবর রহমান বলেন, আমাদের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা আজকের চ্যাম্পিয়নদের থেকে অনুপ্রাণিত হবে। দুইজন খেলোয়াড়কে বলবো যারা প্রতিভাবান তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে। আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে প্রসপেক্টিভ খেলোয়াড়দের কিভাবে ক্রীড়ায় আনা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অর্জন আমরা কাজ করে যাবো। 


বাকৃবি ভিসি অধ্যাপক ড. ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, বাকৃবি চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় যারা অবদান রেখেছো তাদেকে অভিনন্দন। আমাদের উদ্দেশ্য ছাত্ররা লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ক্ষেত্রেও এগিয়ে আসুক। কারণ খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশের অন্যতম অনুষঙ্গ।


হলে হলে ক্রীড়া আয়োজনের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের ঘরোয়া খেলা শুরু করতে হবে। প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়কে এব্যাপারে পদক্ষেপ জরুরি নিতে হবে। সামনে শীতকাল আসতেছে প্রতি হলের প্রভোস্টবৃন্দ শীতকালীন খেলার আয়োজন করতে হবে। এতে শিক্ষার্থীরা বাইরে সময় কাটানোর চেয়ে বিনোদন খুঁজে পাবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:০৫ পিএম

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর বিষয়ে দেশের উপাচার্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শিক্ষার্থীদের প্রবেশের সুযোগ সহজ করতেই এ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।


মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইউজিসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের ২৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।


সভায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারও উপস্থিত ছিলেন।


সভায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভাষা কেন্দ্র স্থাপন, বিদ্যমান সক্ষমতা ও রিসোর্স ম্যাপিং এবং প্রয়োজনীয় জনবলের চাহিদা সম্পর্কে দ্রুত ইউজিসিকে অবহিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। তৃতীয় ভাষা নির্বাচনের ক্ষেত্রে অঞ্চলভিত্তিক চাহিদাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়। একই সঙ্গে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ভাষা চালুর প্রয়োজন নেই বলেও মতামত উঠে আসে।


সভায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, বাকৃবিতে ইতোমধ্যে 'ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার বিএইউ' প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টারের মাধ্যমে জার্মান, চীনা ও জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার হাব হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল অফিস খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ‘স্টাডি ইন বাংলাদেশ’ পোর্টাল চালুর পরিকল্পনাও করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে এ পোর্টালে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, আবাসন, বৃত্তি ও ইন্টারন্যাশনাল অফিসসংক্রান্ত তথ্য যুক্ত করা হবে।


তিনি আরও বলেন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। 


বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার বিষয়টি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে এবং মান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

সর্বশেষ সব খবর