আইএফআইসি ব্যাংক ও ঢাকা রিজেন্সির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:৪৯ পিএম

নির্বাচিত কার্ডধারীদের জন্য বিশেষ ডিসকাউন্ট ও আকর্ষণীয় সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি ও ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। মঙ্গলবার আইএফআইসি ব্যাংক প্রাঙ্গণে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।


সমঝোতা স্মারকে আইএফআইসি ব্যাংকের চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস অ্যান্ড হেড অব অপারেশনস হেলাল আহমেদ এবং ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের ডিরেক্টর অব সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং মাহমুদ হাসান স্বাক্ষর করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

   

আইএফআইসি ব্যাংক ও ঢাকা রিজেন্সির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

চুক্তির আওতায় আইএফআইসি ব্যাংকের নির্বাচিত কার্ডধারীরা ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের বিভিন্ন ডাইনিং, আবাসন ও অন্যান্য হসপিটালিটি সেবায় স্পেশাল ডিসকাউন্ট ও এক্সক্লুসিভ অফার উপভোগ করতে পারবেন। 



গ্রাহকদের জন্য বাড়তি সুবিধা ও উন্নত সেবার সুযোগ তৈরির পাশাপাশি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে এই অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।





একীভূত হওয়া দুর্বল পাঁচ ব্যাংকের লোগো

  • প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৫২ পিএম

একীভূত হওয়া পাঁচটি দুর্বল ব্যাংকের মালিকানা পুরোনো মালিকদের কাছে ফিরে পাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এ সংক্রান্ত বিধান রেখে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। 


লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে সংশোধনীটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।


জানা যায়, ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট, দেউলিয়াত্ব বা অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ ঝুঁকি দেখা দিলে তাৎক্ষণিক সমাধান এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ২০২৫ সালে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। পরে তা সংশোধন করে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ করা হয়। 


ওই আইনে ১৮ক ধারা সংযোজন করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে বাজারভিত্তিক বিকল্প ব্যবস্থায় রেজল্যুশনের আওতায় থাকা ব্যাংককে সচল রেখে পুনর্গঠন, মূলধন ঘাটতি ও তারল্য সংকট দূর করা, আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারের আর্থিক দায় কমানোর সুযোগ রাখা হয়েছিল। 


তবে ১৮ক ধারার শর্ত পূরণ করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ধারাটি বিলুপ্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সংশোধনী আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। জানা যায়, দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমালোচনার মুখে এই ধারা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:১৭ এএম
  • আপডেট : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৫৬ পিএম


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:১৭ এএম

দেশের স্বর্ণের বাজারে হঠাৎ করে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ভরিতে ১০ হাজার টাকা বাড়ার পরদিন শুক্রবার তিন হাজার ২২৬ টাকা কমেছিল। এরপর গতকাল শনিবার ফের দাম বেড়েছে। ২২ ক্যারেট অর্থাৎ ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম চার হাজার ৩৭৪ টাকা বেড়ে হয়েছে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। একই সঙ্গে রুপার দামও বেড়েছে।


গতকাল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় সমন্বয় করা হয়েছে। মূলত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে দাম বাড়ানো হয়েছে। বাজুসের নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ দুই লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম এক লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম হয়েছে এক লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা।


স্বর্ণের সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম হয়েছে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি এখন চার হাজার ৬৬৬ টাকা।


চলতি বছর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বেশ কয়েকবার পরিবর্তিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ বার বেড়েছে এবং ১২ বার কমেছে। গত বছরের ৮ আগস্ট প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল এক লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ টাকা। ঠিক এক বছর পর গতকাল এই মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল দুই লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে ভরিতে বেড়েছে ৬২ হাজার ৪৪০ টাকা। এক মাসের ব্যবধানেও কম বাড়েনি দাম। গত ৮ জুলাই প্রতি ভরির দাম ছিল দুই লাখ ২৫ হাজার ২৮৬ টাকা। এ হিসেবে এক মাসের ব্যবধানে ভরিতে বেড়েছে আট হাজার ৭৪৮ টাকা। বাজুসের হিসাবে, বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের উত্তেজনা এবং স্থানীয় অর্থনীতির নেতিবাচক সূচকের কারণে চলতি বছরে স্বর্ণের দাম ১২ শতাংশ বেড়েছে।


চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দর ওঠে স্বর্ণের। ওই সময় ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দর হয়েছিল দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকা। মূলত বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার দেশে রেকর্ড উচ্চতায় ওঠে দর। ওই সময় বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। এরপর কিছুটা কমলেও ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান যুদ্ধ শুরু হলে আবার পাঁচ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। তবে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর দাম চার হাজার ডলারের নিচে নেমে আসে। লন্ডন বুলিয়ন মার্কেট অ্যাসোসিয়েশন এবং মার্কিন ডলারের দর স্বর্ণের দামে হ্রাস-বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি, ব্যাংকের সুদহারসহ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বর্ণের দামে প্রভাব ফেলে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:০৭ পিএম

দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) শুক্রবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করে। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। 


বাজুস জানিয়েছে, খাঁটি স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পেয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। 


নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন মূল্য ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অলংকারের ডিজাইন ও কারুকাজভেদে মজুরি আলাদাভাবে যুক্ত হবে।


এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা। 


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:০৮ পিএম

এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল গত রাত ৩.১০ এ চালু হয়েছে। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি ( আরপিজিসিএল) সূত্র সকালে দেশ রূপান্তরকে বিষয়টি নিশ্টিত করেছে।


সকাল সাড়ে ৯ টায় ৯ টার্মিনাল ১১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রেডে সরবরাহ করছিল। এই সময় আর এলএনজি থেকে সর্বমোট ৬৬২ মিলিয়ন গ্যাস হচ্ছিল।


বিকেল নাগাদ টার্নালকে সরবরাহ ২০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট হতে পারে। 


আগুনে পুড়ে যাওয়ার পর প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে টার্মিনালটির গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল। এতে দেশে ভয়াবহ গ্যাস এবং বিদ্যুতের সংকট শুরু হয়েছে।

আরপিজিসিএল এর চট্টগ্রাম কার্যালয়ের ডিজিএম নাসির উদ্দিন জানান, টার্মিনালটি গত রাত ৩টা ১০ মিনিটে চালু হয়েছে।

বিষয় : গ্যাস


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৫৯ পিএম

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষর হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ চুক্তির হয়। এরপর বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির প্রেস ব্রিফিং করেছেন। 


বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দ্রুততম সময়ে আমরা বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতির একটি দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের সরকার ৫ মাসের মাথায় প্রথম এ সিএফটিএ করেছে। তিনি বলেন, এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকার শুল্কনীতি ভিত্তিতে সুবিধা পাবে। কোরিয়া পাবে ৮৭ শতাংশ পণ্যে সুবিধা।  


মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া দুই ট্রিলিয়ন অর্থনীতির একটি দেশ। আমরা একটি বড় দেশকে বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে পাচ্ছি। বাংলাদেশ থেকে অগ্রাধিকার পণ্য হিসেবে এখন তৈরি পোশাক, চামড়া, পাটজাতপণ্যসহ বেশকিছু পণ্য শুল্ক সুবিধা পাবে। 


অন্যদিকে কোরিয়া থেকে আমদানির ক্ষেত্রে কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক এবং খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে সুবিধা হবে। 


খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ২০৩৪ সালে আমরা বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ইকোনমিক সাইজে যেতে চাই। সেজন্য আমাদের ৮ শতাংশ গ্রোথ দরকার। তার জন্য প্রয়োজন বিদেশি বিনিয়োগ। আমরা এসব চুক্তির মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে চাচ্ছি।  


দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বলেন, কোরিয়া ও বাংলাদেশের একটি দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ৫৬ বছর আগে টেক্সটাইল ব্যবসা দিয়ে এটি শুরু হয়েছিল। কিন্তু বিশ্ব এখন পণ্য বহুমুখীকরণে যাচ্ছে। আমাদের দুই দেশকেও বহুমুখী পণ্য আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত হতে হবে।  


তিনি বলেন, আমরা আশা করি বাংলাদেশের নতুন সরকার দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। সেখানে আমরা প্রযুক্তি ও সাপ্লাইচেইনে কাজ করতে চাই। 


কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এখন কোরিয়ান কোম্পানি চুক্তির ফলে এ দেশে সুবিধারজনকভাবে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হবে। 


তথ্য বলছে, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এখনও তুলনামূলক ছোট হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধারাবাহিক বেড়েছে। দুই দেশের মোট দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় এক দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি হয় প্রায় ৪৯১ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে আমদানি হয় প্রায় ৯০২ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। 


অর্থাৎ, বাংলাদেশের প্রায় ৪১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে রয়েছে।


দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক (নিট ও ওভেন), হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য ও সিরামিক পণ্য। বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে লোহা ও ইস্পাত, যন্ত্রপাতি ও শিল্প মেশিনারি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, প্লাস্টিক ও প্লাস্টিকজাত পণ্য, রাসায়নিক পদার্থ, কাগজ ও কাগজজাত পণ্য আমদানি করা হয়।  


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:০৯ পিএম

আগামী ১৮ আগস্ট রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে দ্বিতীয়বারের মতো রাজস্ব সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়া, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সম্মেলনে থাকা বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখবেন প্রধানমন্ত্রী। 


বিকেলের পর রাজস্ব সংগ্রহ, রাজস্ব জাল বাড়ানো সম্পর্কিত বিভিন্ন স্টল জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।


সম্মেলনে প্রায় ১ হাজার ৫০০ অতিথির অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও অর্থমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান এবং অর্থনীতি, রাজস্ব ও বাণিজ্য খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশেষজ্ঞরা সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন।


এর আগে, ২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো রাজস্ব সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ওই দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে এনবিআরের কার্যক্রম নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, ভ্যাট, শুল্ক ও আয়কর বিষয়ে পৃথক সেমিনার, তথ্য বুথ এবং রাজস্ব ব্যবস্থার ইতিহাস তুলে ধরতে রেভিনিউ মিউজিয়াম প্রদর্শনের ব্যবস্থা ছিল।


জানা গেছে, সম্মেলনকে সফল করতে এরইমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সাজসজ্জা, নিরাপত্তা, অতিথি আপ্যায়ন, অতিথি তালিকা প্রণয়ন ও অভ্যর্থনাসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের জন্য ছয়টি উপ-কমিটি গঠন করে রােববার অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি সার্বিক তদারকির জন্য ৩১ সদস্যের একটি কেন্দ্রীয় স্টিয়ারিং কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবকে। সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন কর পরিদর্শন পরিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মহিদুল হাসান।


সংশ্লিষ্টরা জানান, এনবিআর ও রাজস্ব আদায় সম্পর্কে জনগণ ও ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট ধারণা প্রদান, এনবিআর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা কমানো, রাজস্ব পদ্ধতিসহ নানা বিষয় রাজস্ব সম্মেলনে উপস্থাপন করা হবে। 


সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান রাজস্ব প্রশাসনের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা ও সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য রাখবেন বলে জানা গেছে।