• প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৪১ পিএম

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকেন্দ্রিক চোরাচালান ও অবৈধ আমদানি প্রতিরোধে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) ধারাবাহিক তিনটি পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ সিগারেট, আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম ও বিদেশি মদ আটক করা হয়েছে।


তিন অভিযানে সব মিলিয়ে আটক করা হয়েছে ৩৪৯ কার্টুন বিদেশি সিগারেট, ৩৮০ কেজি আমদানি নিষিদ্ধ ক্রিম এবং ১ লিটার বিদেশি মদ। পণ্যগুলোর সম্মিলিত শুল্কায়নযোগ্য/বাজারমূল্য ৯০ লাখ ১৬ হাজার টাকা এবং নির্ধারিত পণ্যগুলোর প্রযোজ্য শুল্ক-কর ৮৭ লাখ ৯০ হাজার ৮৬০ টাকা। সে হিসাবে শুল্ক-করসহ আটক পণ্যের সম্মিলিত মূল্য ১ কোটি ৭৮ লাখ ৬ হাজার ৮৬০ টাকা।


সোমবার এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সার্কেলের এ-শিফট দুবাই থেকে আগত ইকে৫৮২ ও ইকে৫৮২৬ ফ্লাইটে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে তিন যাত্রীর কাছ থেকে ১৭০ কার্টুন সিগারেট, ৯ কেজি নিষিদ্ধ ক্রিম এবং ১ লিটার বিদেশি মদ আটক করা হয়।


আটক সিগারেটের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ৬২১ শতাংশ হারে প্রযোজ্য শুল্ক-কর ৪২ লাখ ২২ হাজার ৮০০ টাকা। বিদেশি মদের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ২০ হাজার টাকা এবং ৬১০.৩০ শতাংশ হারে শুল্ক-কর ১ লাখ ২২ হাজার ৬০ টাকা। এছাড়া নিষিদ্ধ ক্রিমের বাজারমূল্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।


এ অভিযানে আটক পণ্যের শুল্ক-করসহ মোট মূল্য ৫২ লাখ ২৪ হাজার ৮৬০ টাকা।


এ-শিফটের দ্বিতীয় অভিযান: গত ১১ আগস্ট ২ দুবাই থেকে আসা বিজি ১৪৮ ফ্লাইটে অভিযান চালায় সিআইআইডির এ-শিফট। বিভিন্ন যাত্রীর কাছ থেকে আটক করা হয় ১৭৯ কার্টুন সিগারেট এবং ৫২ কেজি নিষিদ্ধ ক্রিম। সিগারেটের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ৭ লাখ ১৬ হাজার টাকা এবং ৬২১শতাংশ হারে প্রযোজ্য শুল্ক-কর ৪৪ লাখ ৪৬ হাজার ৩৬০ টাকা। নিষিদ্ধ ক্রিমের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এ অভিযানে আটক পণ্যের শুল্ক-করসহ মোট মূল্য ৬২ লাখ ২ হাজার ৩৬০ টাকা।


ফরেন পোস্ট অফিসে বিশাল চালান: অন্যদিকে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ বিমানবন্দরের ফরেন পোস্ট অফিসে পৃথক অভিযান চালিয়ে একসঙ্গে ৩১৯ কেজি আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম আটক করা হয়েছে। শুধু এই চালানটিরই আনুমানিক বাজারমূল্য ৬৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


চোরাচালান প্রতিরোধ ও রাজস্ব সুরক্ষায় গোপন তথ্য সংগ্রহ, ঝুঁকিভিত্তিক নজরদারি এবং যাত্রী ও কার্গো/পার্সেল পর্যায়ে সিআইআইডির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৫২ পিএম

মাদককারবারি পিচ্চি রাজাকে পালিয়ে যেতে ‌সহযোগিতার দায়ে অভিযুক্ত প্রিজন ভ্যান চালক নায়েক কামাল হোসেনের বাসা থেকে ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পিচ্চি রাজাকে পালাতে সহযোগিতার বিনিময়ে আর কত টাকা লেনদেনের চুক্তি হয়েছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) অশোক কুমার বাংলানিউজকে এসব তথ্য জানান।


এর আগে শীর্ষ মাদক কারবারি রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে (৩০) পলায়নে সহযোগিতার অভিযোগে প্রিজন ভ্যানের দায়িত্বে থাকা এসআই প্রবীর কুমার এবং ভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) অশোক কুমার বলেন, পিচ্চি রাজাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতার ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। এরই মধ্যে প্রিজন ভ্যানের চালক নায়েক কামালের বাসা থেকে ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।


মাদক কারবারিকে পালানোর সুযোগ করে দেওয়ার জন্য তাদের সঙ্গে মোট কত টাকার চুক্তি হয়েছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে।


ডিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, পিচ্চি রাজাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতার ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

১০১ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা পদক প্রদান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : সোমবার ০৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:৩৭ পিএম

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ১০১ জন গুণী শিক্ষককে জাতীয়ভাবে সম্মাননা পদক প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।


গুণী শিক্ষক সম্মাননা হিসেবে প্রতিজনকে দুই লাখ টাকা ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়েছে। জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি ৯৫ জনকে চূড়ান্ত করেছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্বাচিত ৬ জন রয়েছেন। তবে এ তালিকায় থাকা কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য বা তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তীতে তার নাম বাদ যাবে।


‘স্ট্যান্ডিং উইথ টিচার্স: সিক্সটি ইয়ার্স অব প্রোটেকটিং দ্য প্রফেশন, অ্যাডভান্সিং ইটস স্ট্যাটাস, শেপিং আওয়ার ফিউচার্স’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে দেশে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস।


প্যারিসে ১৯৯৩ সালে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ সভায় ৫ অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরপর ১৯৯৪ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালন করা হয়।


১৯৯৫ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ পালন শুরু হয়। ইউনেস্কোর অনুমোদনক্রমে প্রতিবছর পৃথক প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।


বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ সোমবার যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : সোমবার ০৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৪৮ পিএম

সবার জন্য নিরাপদ ও টেকসই আবাসন নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য- ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বসতি দিবসের অর্থ শুধু একটি ঘর নয়, এর সঙ্গে নিরাপদ পানি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, গণপরিবহন, উন্নত সড়ক যোগাযোগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা এবং পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সরাসরি সম্পৃক্ত। সর্বোপরি মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজন একটি নিরাপদ পরিবেশ।


তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বের জন্য সব নাগরিকের নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিত করা যতটা সহজ, বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে তা ততটা সহজ নয়। তবে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শহর, বন্দর ও নগরগুলোতে প্রতিনিয়ত মানুষের বসতি বাড়ছে। রাজধানী ঢাকা বর্তমানে অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে রয়েছে। দেশের অন্যান্য বড় শহরের চিত্রও প্রায় একই। স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার তুলনায় শহরাঞ্চলে কয়েক গুণ বেশি মানুষের বসবাসের কারণে আবাসন ও নাগরিক সেবার ওপর চাপ বাড়ছে।


এ বাস্তবতায় ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, শহরগুলোতে সবার জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও সুপরিকল্পিত নগর গড়ে তোলা জরুরি।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিষয়গুলো বলা যতটা সহজ, দেশের বিদ্যমান বাস্তবতায় তা বাস্তবায়ন করা ততটাই কঠিন। তারপরও ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ নিশ্চিত করতে সরকার সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত, নিরাপদ এবং মৌলিক সেবা-পরিষেবা সংবলিত বাসস্থান নিশ্চিত করা নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার। এ অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।


পরিকল্পিত, নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর গড়ে তোলাকে সরকারের অন্যতম লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য বাসযোগ্য, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসনের ব্যবস্থাও সরকারের পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। পরিকল্পিত নগরায়ণ ও আবাসন নিশ্চিত করা এবং সীমিত আয়ের মানুষের জন্য বাসস্থান সুবিধা প্রদান সরকারের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী অঙ্গীকার।


প্রধানমন্ত্রী জানান, পরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ, সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ১১ নম্বর অভীষ্ট অর্জন সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


শহরাঞ্চলে মানুষের চাপ কমাতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ শহরগুলোর সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা আরও দ্রুত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ করার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুবিধা বাড়ানো হলে শহরমুখী মানুষের চাপ কমানো সম্ভব হবে।


তিনি বলেন, রাজধানী ও কয়েকটি বড় শহরকেন্দ্রিক উন্নয়নের পরিবর্তে দেশের প্রতিটি অঞ্চলকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকারের লক্ষ্য কেন্দ্রীভূত নগরায়ণ নয়; বরং বিকেন্দ্রীভূত ও ভারসাম্যপূর্ণ নগর এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন।


এ লক্ষ্যে সারা বাংলাদেশের জন্য স্থানিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ঢাকার আশপাশে সেকেন্ডারি টাউনশিপ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।


পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি বাসযোগ্য আবাসন তৈরির ক্ষেত্রে সরকারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশকে গুরুত্ব দিয়েই জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা শহরে পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তোলা হচ্ছে।


আবাসন সংকট মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিত অংশগ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শহরাঞ্চলের আবাসন সংকট শুধু সরকারের একার পক্ষে মোকাবিলা করা কঠিন। এ ক্ষেত্রে আবাসন খাতের বেসরকারি উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সমন্বিত অংশগ্রহণ কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


নাগরিকদের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নে ব্লকভিত্তিক আবাসন উৎসাহিত করার পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক পার্ক, খেলার মাঠ এবং নির্ধারিত জোনে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।


প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার পর্যায়ক্রমে গৃহীত সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হলে ‘সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান’ দেশের নাগরিকদের সামনে একটি বাস্তবতায় পরিণত হবে, ইনশাআল্লাহ।


পরে বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬-এর সব কার্যক্রমের সাফল্য কামনা করে দিবসটির কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ০৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৬ পিএম

নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের কাজ শুরু হচ্ছে আজ সোমবার। আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে এ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। চলতি অক্টোবরের বেতন নভেম্বরে নতুন কাঠামোর প্রথম ধাপ অনুযায়ী দেওয়া হবে। জুলাই মাস থেকে কার্যকর ধরে নতুন বেতনের সঙ্গে তিন মাসের বকেয়া পাওনা একসঙ্গে পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।


সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণ হবে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও হিসাব বিষয়ক সফটওয়্যার ‘আইবাস প্লাস প্লাস’-এর ‘পে ফিক্সেশন’ মডিউলে। চাকরিজীবীরা এই পোর্টালে প্রবেশ করে নিজেদের চাকরি-সংক্রান্ত তথ্য দেবেন। প্রথমে দিতে হবে পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্য। এর মধ্যে থাকবে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, জন্মতারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতন। 


নতুন কাঠামোতে কার মূল বেতন কত হবে, তা ‘পে ফিক্সেশন’-এর মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, নতুন কাঠামোতে নির্ধারিত বেতন এবং বেতন কার্যকর হওয়ার তারিখের ওপর বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে। কারও পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড হয়ে থাকলে সেসব তথ্যও দিতে হবে। এসব তথ্যের পক্ষে থাকা অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখতে হবে। বিশেষ করে নাম, এনআইডি, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড ও বেতন-সংক্রান্ত তথ্য ভালোভাবে মিলিয়ে দেখা জরুরি। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য থাকলে বেতন নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় জটিলতা হতে পারে।


আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত মোবাইল ফোন নম্বর প্রয়োজন হবে। কারও এনআইডি না থাকলে চাকরির নথিতে থাকা জন্মতারিখ ও অন্যান্য তথ্য হালনাগাদ করে আবেদন করতে হবে।


তথ্য যাচাই করবে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়


চাকরিজীবীরা অনলাইনে তথ্য দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় তা যাচাই করবে। তথ্য ও নথিপত্রের মধ্যে অসংগতি পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। অনলাইনে তথ্য দিতে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়ার সুযোগ থাকবে। বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন বিল তৈরি হবে। একই সঙ্গে বকেয়া পাওনার হিসাবও চূড়ান্ত করা হবে।


বেতন নির্ধারণ সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অর্থ বিভাগের সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচির (এসপিএফএমএস) আওতায় এ প্রশিক্ষণ হচ্ছে। প্রধান হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা (সিএএফও), বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক (ডিসিএ), জেলা হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা (ডিএএফও) এবং উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা (ইউএও) কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতে অংশ নিচ্ছেন।


সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গত ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ নির্ধারিত বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। চলতি ও আগামী অর্থবছরে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়িত হবে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম ধাপ, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপ এবং ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তৃতীয় ধাপে মূল বেতন দেওয়া হবে।  ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।


প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে মূল বেতন ছিল, তার ভিত্তিতে নতুন কাঠামোতে বেতন নির্ধারণ করা হবে। পুরোনো ও নতুন বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ এ বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দেওয়া হবে পার্থক্যের ৭০ শতাংশ। ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে পুরো নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে। 


নতুন বেতন আদেশ অনুযায়ী, কোনো স্থায়ী কর্মচারী পদোন্নতি ছাড়া একই পদে আট বছর পূর্ণ করলে এবং চাকরি সন্তোষজনক হলে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাবেন। প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর একই পদে আরও ছয় বছর চাকরি করলে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, আগের বেতন কাঠামোয় টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়া কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন কাঠামোর হিসাব নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এগুলো ঠিক করা হচ্ছে। 

সর্বশেষ সব খবর

বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : সোমবার ০৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৩৬ এএম

‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ আলোচনা সভা শুরু হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।


আলোচনা সভায় যোগ দেওয়ার আগে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।


অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।


এদিকে, ‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সবার জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।


তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি।


রাষ্ট্রপতি বলেন, নগরগুলো শুধু নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন মানুষের বসবাসের স্থান নয়। বিশ্বজুড়েই নগরগুলো কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তাই পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : রবিবার ০৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৯ পিএম
  • আপডেট : সোমবার ০৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৩৬ পিএম


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ০৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৯ পিএম

এলপিজির সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। অক্টোবর মাসের জন্য আজ রোববার (৪ অক্টোবর) নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।


নতুন দাম অনুযায়ী, অটোগ্যাসের দাম লিটারে প্রায় ১২ টাকা বাড়িয়ে লিটারপ্রতি ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এই দাম ছিল ৭৩ টাকা ৯ পয়সা।


আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ দাম বহাল থাকবে।


এদিকে, এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দামও ২৫২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। 


নতুন দাম অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি সিলিন্ডার কিনতে হবে ১ হাজার ৮৩৭ টাকায়।

সর্বশেষ সব খবর