ইউক্রেনের ৬০৫টি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি রাশিয়ার

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৩৪ পিএম

রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল ও সংযুক্ত ক্রিমিয়া উপদ্বীপের আকাশে বৃহস্পতিবার রাতভর ইউক্রেনের ৬০৫টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে। খবর এএফপির।


রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, মস্কোর উত্তর-পশ্চিমে তভার অঞ্চলে হামলার সময় একটি ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের একটি লজিস্টিকস কেন্দ্রের সামনের অংশ সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।


ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের গভর্নর মিখাইল ইয়েভরায়েভ জানিয়েছেন, তার অঞ্চলে সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা হয়েছে। সেখানে ৯২টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগে এবং কিছু গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


রাশিয়ার অভিযোগ, গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে ইউক্রেন দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল ও সংযুক্ত ক্রিমিয়ায় ওয়াইল্ডবেরিজের স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়ে আসছে।


চার বছরের বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা এখনো স্থবির। এদিকে উভয় পক্ষই দূরপাল্লার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাড়িয়ে চলেছে, যার ফলে বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও বাড়ছে।



  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৩১ পিএম
  • আপডেট : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৩১ পিএম


  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৩১ পিএম

আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিজ্ঞানী, গবেষক, প্রকৌশলী ও গবেষণাসংশ্লিষ্ট উচ্চ দক্ষতার পেশাজীবীদের যুক্তরাজ্যে কাজের সুযোগ দেওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হলো গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা। দেশটির বর্তমান অভিবাসন বিধিমালা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন পাওয়া গবেষকেরা প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করলে মাত্র তিন বছর পর যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি বা ইনডেফিনিট লিভ টু রিমেইন (আইএলআর) পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন।


যুক্তরাজ্য সরকারের হালনাগাদ নিয়ম অনুযায়ী, রয়্যাল সোসাইটি, ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি, রয়্যাল অ্যাকাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ইউকে রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশনের অনুমোদনের ভিত্তিতে গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য তিন বছরের স্থায়ী বসবাসের পথ রয়েছে। তবে শুধু তিন বছর যুক্তরাজ্যে থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া যায় না। আবেদনকারীকে ধারাবাহিক বসবাসসহ অন্যান্য নির্ধারিত যোগ্যতাও পূরণ করতে হয়।


গবেষকদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ হলো ইউকে রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন বা ইউকেআরআইয়ের অনুমোদিত গবেষণা অনুদান বা পুরস্কারের ভিত্তিতে আবেদন। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে ইউকেআরআই অনুমোদিত কোনো যুক্তরাজ্যের গবেষণা প্রতিষ্ঠানে চাকরি বা গবেষণার জন্য যুক্ত থাকতে হবে এবং তার গবেষণার অর্থায়নও অনুমোদিত কোনো তহবিলদাতার কাছ থেকে আসতে হবে।


এই পথে আবেদনের জন্য সংশ্লিষ্ট গবেষণা অনুদান বা পুরস্কারের মূল্য কমপক্ষে ৩০ হাজার পাউন্ড হতে হবে এবং সেটির মেয়াদ অন্তত দুই বছর হতে হবে। একই সঙ্গে আবেদনকারীর চাকরির চুক্তি বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে হোস্টিং চুক্তির অন্তত এক বছর বাকি থাকতে হবে।


আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, আবেদনকারীকে তার মোট কর্মসময়ের অন্তত ৫০ শতাংশ ওই গবেষণা অনুদানের আওতাধীন কাজে ব্যয় করতে হবে। প্রধান গবেষক বা সহগবেষকের ক্ষেত্রে একাধিক যোগ্য গবেষণা অনুদানে কাজের সময় একত্র করে এই ৫০ শতাংশের শর্ত পূরণ করার সুযোগ রয়েছে।


গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসার বড় সুবিধাগুলোর একটি হচ্ছে কর্মক্ষেত্রের স্বাধীনতা। এটি সাধারণ স্পনসরনির্ভর ওয়ার্ক ভিসার মতো নির্দিষ্ট একটি চাকরির সঙ্গে একইভাবে আবদ্ধ নয়। ভিসাধারীরা নির্ধারিত নিয়মের মধ্যে চাকরি করতে, চাকরি পরিবর্তন করতে কিংবা স্বনিযুক্ত হিসেবে কাজ করতে পারেন। ফলে গবেষক ও উদ্ভাবকদের ক্যারিয়ার পরিচালনায় তুলনামূলক বেশি স্বাধীনতা থাকে।


স্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে গবেষকদের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা রয়েছে। রয়্যাল সোসাইটি, ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি, রয়্যাল অ্যাকাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ইউকেআরআইয়ের অনুমোদন পাওয়া গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসাধারী গবেষকরা গবেষণার কাজে যুক্তরাজ্যের বাইরে যে সময় কাটান, নির্দিষ্ট শর্তে সেই গবেষণাসংশ্লিষ্ট অনুপস্থিতি ধারাবাহিক বসবাসের হিসাবকে বাধাগ্রস্ত করে না।


তবে তিন বছর পর স্থায়ী বসবাসের আবেদন করার সময় শুধু ভিসার মেয়াদ পূরণ করাই যথেষ্ট নয়। আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যে আয় করার প্রমাণসহ প্রযোজ্য অন্যান্য অভিবাসন শর্ত পূরণ করতে হয়। বর্তমান নিয়মে ইংরেজি ভাষার যোগ্যতা এবং যুক্তরাজ্যের জীবন ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত নির্ধারিত পরীক্ষার শর্তও রয়েছে।


ফলে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানী ও গবেষকদের জন্য গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা শুধু যুক্তরাজ্যে গবেষণা বা চাকরির সুযোগ নয়, যোগ্য ব্যক্তিদের জন্য তুলনামূলক দ্রুত স্থায়ী বসবাসের পথও তৈরি করছে। বিশেষ করে ইউকেআরআই অনুমোদিত গবেষণা অনুদান এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত গবেষকদের জন্য এই ব্যবস্থা যুক্তরাজ্যে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ক্যারিয়ার গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৩৮ পিএম

মক্কার কাসর আল-সাফায় একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, দেশটির ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির, সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। শুক্রবার (৭ আগস্ট) গ্র্যান্ড মসজিদের কাছে অবস্থিত রাজপ্রাসাদ কাসর আল-সাফায় তারা একত্রে নামাজ আদায় করেন।


এসময় পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারসহ সৌদি ও তুরস্কের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।


সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের আমন্ত্রণে বর্তমানে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন শাহবাজ শরিফ। সফরে দুই দেশের নেতৃত্বের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বাড়ানো এবং আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এর আগে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে অংশীদারত্ব আরও জোরদার করেছে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক।


প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এতে অঞ্চলটির নিরাপত্তা কাঠামোয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে।


সূত্র:দ্য নেশন


  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:৪৪ পিএম

সৌদি আরব উত্তর ও দক্ষিণ-দুই সীমান্ত থেকেই একযোগে বড় ধরনের সামরিক হামলার আশঙ্কা করছে। রিয়াদের জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের দাবি, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) তত্ত্বাবধানে এই সমন্বিত হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। উত্তরে ইরাকি শিয়া মিলিশিয়া এবং দক্ষিণে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা এই জোড়া হামলায় মূল ভূমিকা পালন করতে পারে। 


রয়টার্স ও সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, সৌদির কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো, বিমানবন্দর এবং সমুদ্রবন্দরগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গেছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার হুতিদের হামলায় সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে ১১ জন বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন। 


সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি শুক্রবার ভোরে বলেন, সৌদি আরবের নাজরান প্রদেশে হুতিদের হামলায় সাত সৌদি নাগরিক, এক ইয়েমেনি, দুই মিসরীয় ও এক পাকিস্তানি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চার বছর বয়সী এক শিশুও রয়েছে।

 

হরমুজে তিন ধাপের প্রক্রিয়া 

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার কাছাকাছি পৌঁছেছে তেহরান। দেশটির আধা-সরকারি ফার্স নিউজ জানিয়েছে, প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, জাহাজ চলাচলের জন্য আপাতত তিন ধাপের একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। 


প্রাথমিক পর্যায়ে জাহাজগুলো প্রণালিতে প্রবেশের সময় ইরান উপকূল এবং বের হওয়ার সময় ওমান উপকূল ব্যবহার করবে। তবে নির্দিষ্ট সময়সীমা পার হওয়ার পর দুটি লেনই পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজ কেবল একটি একক কেন্দ্রীয় করিডোর দিয়ে যাতায়াত করবে। হরমুজ দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করা জাহাজগুলো ইরান এককভাবে এবং বের হওয়ার সময় ইরান ও ওমান যৌথভাবে তদারকি করবে। 


তবে এই দ্বিপক্ষীয় ফ্রেমওয়ার্ক চূড়ান্ত হলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রণালিটি উন্মুক্ত হচ্ছে না বলে সতর্ক করেছেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি। রাষ্ট্রীয় মাধ্যম আইআরএনএ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, প্রণালিতে মুক্ত চলাচলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, নতুন করে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বাজেয়াপ্ত ইরানি সম্পদ নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু করা। 


এদিকে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা ও জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ি সতর্ক করেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কোনো দ্বিতীয় করিডোর তৈরি করতে দেওয়া হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সামরিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলে এ অঞ্চলে তাদের বাহিনী ও জাহাজ সরাসরি আঘাতের মুখে পড়তে পারে। 


অন্যদিকে, ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটিতে একটি নতুন খসড়া বিল পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এতে মার্কিন ও ইসরায়েলি জাহাজসহ ইরানের ক্ষতি করা যেকোনো দেশের সামরিক ও বেসামরিক জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা এবং অমান্যকারী কার্গোর ওপর ২০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি ট্রানজিট ফি হিসেবে ইরানি মুদ্রা নির্ধারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। 


ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে, বিশ্বাস ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ কথা বলেন। ইরান যুদ্ধ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটা খুব শিগগির শেষ হবে। আমার মনে হয় না, তারা আর খুব বেশি দিন টিকে থাকতে পারবে।’


এদিন মার্কিন অস্ত্রের মজুত নিয়ে তিনি বলেন, ‘কিছু নির্দিষ্ট ধরনের শক্তিশালী অস্ত্রের সীমাহীন মজুত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আছে। তবে অন্য কিছু অস্ত্রের মজুত তুলনামূলকভাবে কম।’ 


ইয়েমেনের সামরিক ঘাঁটিতে হুতিদের হামলায় নিহত ৩০

এ ছাড়া ইয়েমেনের হাদরামাউত ও মারিব প্রদেশের সরকারি সামরিক ঘাঁটিতে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩০ সেনা নিহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার সৌদি সমর্থিত হোমল্যান্ড শিল্ড ফোর্সেস, ইমার্জেন্সি ফোর্সেস ও ফার্স্ট মিলিটারি রিজিয়নের সেনাদের ওপর এই হামলা হয়। 


হুতি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধির জবাবে তারা এই হামলা চালিয়েছেন।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:৩০ পিএম

ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে পৌঁছানো দুই শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তাদের বেশির ভাগই বাংলাদেশের ও সুদানের নাগরিক। কয়েকজন মিসরের নাগরিকও রয়েছেন।


গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলের ক্রিট দ্বীপে নৌকায় করে অনিয়মিত অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আগমন অব্যাহত রয়েছে। দেশটির সংবাদপত্র দেমোক্রাতিয়ার বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট মনিটর জানিয়েছে, লিবিয়া থেকে ৪৮ ঘণ্টার কম সময়ে একের পর এক নৌযাত্রায় অন্তত ২০২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী ক্রিটে পৌঁছেছেন। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের এমন ঢলে দ্বীপটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও অভিবাসী গ্রহণকেন্দ্রগুলোর ওপর চাপ বেড়েছে।


প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার সকালে ৪০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি নৌকা ক্রিটের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ইয়েরাপেত্রায় পৌঁছায়। এর আগে ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের একটি উড়োজাহাজ নৌকাটিকে শনাক্ত করে। পরে উপকূলরক্ষী বাহিনীর একটি টহল জাহাজ ও একটি মাছ ধরার নৌকার সহায়তায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ইয়েরাপেত্রা বন্দরে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁদের নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়।


এর কয়েক ঘণ্টা আগে আরও দুটি নৌকায় করে ১১২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী সেখানে পৌঁছান। প্রথম নৌকায় ছিলেন ৫৬ জন। তাদের মধ্যে ৩১ জন সুদানের এবং ২৫ জন বাংলাদেশের নাগরিক। দ্বিতীয় নৌকায়ও ছিলেন ৫৬ জন। তাদের মধ্যে ৪৭ জন বাংলাদেশের এবং ৯ জন মিসরের নাগরিক।


উদ্ধার হওয়া সব অভিবাসনপ্রত্যাশীকে স্থানীয় হেরাক্লিয়ন বন্দরের একটি অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে রাখা হয়েছে। ক্রিটে অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় নতুন করে আসা ব্যক্তিদের এই আশ্রয়শিবিরে রাখা হচ্ছে।


  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৪০ এএম

বাব এল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশসহ ১৩ দেশের প্রতিরক্ষা জোটের প্রধান কমান্ডার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ পদে দায়িত্ব পেয়েছেন সৌদি নৌবাহিনীর কর্মকর্তা রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ বিন সালেম আল-শেহরি। গত বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর আলজাজিরার। 


বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধান কমান্ডার হিসেবে এখন থেকে রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ বিন সালেম আল-শেহরি জোটের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেখভাল, সদস্য রাষ্ট্রগুলো ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের সঙ্গে যোগাযোগ-সমন্বয় এবং অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন। 


গত জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে লোহিত সাগর ও বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে সৌদি আরবের তেলবাহী জাহাজের ওপর নৌ-অবরোধ ঘোষণা করে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ থেকে জ্বালানি তেল বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালির পর লোহিত সাগর ও বাব এল-মান্দেব গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরুর পর তেহরান হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ আরোপ করে। এতে বিকল্প রুট হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো লোহিত সাগরের বাণিজ্যপথ ব্যবহার করে আসছিল। 


সৌদি আরবের জন্য বাব এল-মান্দেব প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার আরেকটি কারণ হলো, দেশটির অন্যতম প্রধান সমুদ্রবন্দর ইয়ানাবু এই জলপথের কাছে অবস্থিত। গত মাসের শেষ দিকে ইয়ানাবু বন্দরে ড্রোন হামলা চালায় হুতি। এর পরপরই নতুন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের উদ্যোগ নেয় রিয়াদ। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সৌদি আরবের মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে ৬০টি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এর মধ্যে ১৪টি দেশ জোটে যোগ দিতে সম্মতি জানায়। সৌদি আরবের নেতৃত্বে জোটের সদস্য দেশগুলো হলো–বাংলাদেশ, বাহরাইন, কোমোরোস, জিবুতি, মিসর, জর্ডান, কুয়েত, পাকিস্তান, কাতার, সোমালিয়া, সুদান, তুরস্ক ও ইয়েমেন। 


বাংলাদেশের পশ্চিমমুখী রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৭০ শতাংশ, বিশেষ করে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারমুখী পণ্য লোহিত সাগর ও এর আশপাশের নৌপথ ব্যবহার করে পরিবহন করা হয়। ফলে এই জলপথের নিরাপত্তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের পাশাপাশি বৈশ্বিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। 


ন্যাটো ধাঁচের প্রতিরক্ষা চুক্তি সই সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের


মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মধ্যেই একটি ঐতিহাসিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করেছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক। গতকাল শুক্রবার মুসলমানদের পবিত্রতম নগরী মক্কায় আয়োজিত এক শীর্ষ সম্মেলনে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। 


সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নামে এই প্যাক্টটি সামরিক জোট ন্যাটোর মূল সনদের আদলে তৈরি করা হয়েছে। চুক্তির প্রধান শর্ত হলো, তিন দেশের যে কোনো একটির ওপর হামলা হলে তা সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে ধরা হবে। সে ক্ষেত্রে আক্রান্ত দেশকে রক্ষায় বাকিরা সমন্বিতভাবে সামরিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য থাকবে। তবে যৌথ বিবৃতিতে এই চুক্তির অধীনে প্রত্যেকে কী ধরনের প্রতিশ্রুতি বা বাধ্যবাধকতা মেনে নিয়েছে, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা হয়নি। 


এই চুক্তিকে বিদ্যমান নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর আস্থা কমে যাওয়ার কারণে আঞ্চলিক কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন অর্জনের একটি চেষ্টা বলে উল্লেখ করেছেন ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক দ্য জার্মান মার্শাল ফান্ডের তুর্কি আঞ্চলিক পরিচালক ওজগুর উনলুহিসারসিকলি। তিনি বলেন, তুর্কি সামরিক প্রযুক্তি, সৌদি আরবের আর্থিক সামর্থ্য এবং পাকিস্তানের পারমাণবিক ও সামরিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে এক শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। 


তেহরানের সতর্কতা 


এই যৌথ চুক্তির আত্মপ্রকাশের পরপরই সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে সতর্ক করেছে তেহরান। ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির সদস্য ইব্রাহিম রেজাই বলেন, তুরস্ক কিংবা পাকিস্তানের সঙ্গে কেবল একটি কাগজের চুক্তি সই করে সৌদি আরব নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না। নিরাপত্তার জন্য অন্য দেশের কাছে ধরনা না দিয়ে সৌদি আরবের উচিত তাদের সামরিক ও পররাষ্ট্রনীতিতে মৌলিক পরিবর্তন আনা। 


এদিকে, আঙ্কারা এবং জোটের একাধিক কূটনৈতিক সূত্র স্পষ্ট করেছে, এই চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা শক্তির বিরুদ্ধে পরিচালিত নয়। এটি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক প্রকৃতির। 


 

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য

ঢাকার কড়া প্রতিক্রিয়ায় ভারত যা বললো


ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:০৮ পিএম

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত ও দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা কিছু বলেছেন, ভারত সরকার তা অনুমোদন করে না। আজ শুক্রবার দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এ কথা বলেছেন।


তিনি বলেন, ওই মঞ্চ থেকে যা কিছু বলা হয়েছে, বিশেষ করে বাংলাদেশের বৈধভাবে গঠিত (ডিউলি কনস্টিটিউটেড) সরকারের বিরুদ্ধে, তা ভারত সরকার অনুমোদন করে না।


জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বুধবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবে (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অনলাইনে যুক্ত হয়েছিলেন। ওই আয়োজন নিয়ে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের আপত্তির কথা আগেই ভারতকে জানিয়েছিল। এ কথাও বলেছিল যে ভারতের মাটিতে বসে শেখ হাসিনা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালালে তা দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। সেই আপত্তির বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছিল, ওই আয়োজনের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো লেনাদেনা নেই।


কিন্তু বাংলাদেশের আপত্তি সত্ত্বেও ওই অনুষ্ঠান হয়। হাসিনা অডিও কলে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন। সংবাদমাধ্যমের কিছু প্রশ্নের উত্তরও দেন। এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায় বাংলাদেশ সরকার।


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে সরাসরি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ হয়েছে। সেখানে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও এর জনগণের বিরুদ্ধে বিষাক্ত ঘৃণা ছড়িয়েছেন।


জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ভারতের মাটিতে হাসিনার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গুরুতর অপমান বলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল।


এ ঘটনা বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।


এরপর বিষয়টি নিয়ে আজ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে একাধিক প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। জবাবে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জয়সোয়াল বলেন, ‘ওই আয়োজন শুরুর আগেই ওই বিষয়ে আমরা আমাদের মনোভাব স্পষ্ট করে দিয়েছিলাম। সেই কথা আরও একবার বলেছি। আয়োজনটি ছিল একটি বেসরকারি মিডিয়া সংস্থার উদ্যোগ। তাতে সরকারের কোনো ভূমিকাই ছিল না। ওই মঞ্চ থেকে যা কিছু বলা হয়েছে, তার কোনো কিছুই ভারত অনুমোদন বা সমর্থন করে না।’


আগের দিনও এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সোয়াল ঠিক এ কথাই বলেছিলেন। তবে আজ তিনি ওই বক্তব্যের সঙ্গে বাড়তি সংযোজন করে বলেন, ‘বিশেষ করে বাংলাদেশের বৈধভাবে গঠিত সরকারের বিরুদ্ধে যা কিছু বলা হয়েছে, ভারত সরকার তা অনুমোদন (এনডোর্স) করে না।’ একই কথা তিনি ইংরেজির পর হিন্দিতেও বলেছেন।


নয়াদিল্লির ওই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সজীব ওয়াজেদ বলেছিলেন, বাংলাদেশ দ্রুত আরেকটা পাকিস্তান হতে চলেছে। আজকের ব্রিফিংয়ে তাঁর সেই বক্তব্য উল্লেখ করে এক সাংবাদিক জানতে চান, ওই অভিযোগ ভারত অনুমোদন করে কি না এবং বাংলাদেশের অবস্থা ভারতের কাছে কতটা উদ্বেগের। জবাবে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশের যেকোনো ঘটনা বা গতিবিধির ওপর সর্বদা তীক্ষ্ণ নজর রাখা হয়। ভারত তার রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেয়। যেকোনো ঘটনা বা পরিস্থিতি অনুযায়ী উচিত পদক্ষেপ নেয়।’ সজীব ওয়াজেদর অভিযোগ অনুমোদন বা সমর্থন করা বা না করা নিয়ে জয়সোয়াল কোনো মন্তব্য করেননি।