আগুন নিভিয়ে ফেলেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা
রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে রোববার রাতে ‘হাওড় এক্সপ্রেস’ নামের একটি ট্রেনে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মী গিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে।
আগুনে ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে থাকা ট্রেনটির একটি বগি পুড়ে গেছে। ঢাকা রেলওয়ে থানার ওসি জয়নাল আবেদীন আগুনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘ট্রেনটি ওয়াশপিটে ছিল। সেখান থেকে দুই নম্বর প্লাটফর্মে আসার সময় আগুন লাগে। এটি নাশকতা নাকি দুর্ঘটনা তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত চলছে।’
ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে কমলাপুর রেলস্টেশনে হাওড় এক্সপ্রেস নামের ট্রেনে আগুন লাগার খবর পেয়ে ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। রাত ১০টা ১৬ মিনিটে আগুন নেভানো হয়। ট্রেনের একটি বগি পুড়ে গেছে।
<iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=476&href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F1002091122909906%2F&show_text=true&width=267&t=0" width="267" height="591" style="border:none;overflow:hidden" scrolling="no" frameborder="0" allowfullscreen="true" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowFullScreen="true"></iframe>
এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রোববার সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ পাওয়া যায় বলে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক দলের সদস্যদের ডাকা হয়েছে।
রাত সোয়া আটটার পর সিআইডির ফরেনসিক দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।
গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত জুলাইয়ে তাঁর ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এক তরুণীর সঙ্গে তাঁকে দেখা যায়। পরে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, ওই তরুণী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন।
এরপর ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে। দলটির পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়।
রাজধানীর মিরপুর, কমলাপুর, যাত্রাবাড়ী, পোস্তগোলায় যাত্রীবাহী বাসসহ বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে মিরপুর ১১ নম্বরে শিকড় পরিবহনের একটি বাস ও মিরপুর-১ এ অভিজাত পরিবহনের একটি বাসে আগুন ধরিয়ে লাগিয়েছে দুর্বৃত্তরা। যাত্রবাড়িতে দু'দফা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এসব যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর উপপুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকার। এছাড়া পোস্তগোলা সেনাক্যাম্পের সামনে তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
গত শুক্রবার আকর্ষিক ২৩ জঙ্গি গ্রেপ্তারের মধ্যে দিয়ে জঙ্গিদের নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা দেয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। আবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭ নেতার ফাঁসির রায়, অন্যদিকে জমায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটও রাজপথের আন্দোলনসহ বিভিন্ন কৌশলে আগাচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছে, সরকারকে চাপে ফেলতে বা চাপে রাখতেই এ ধরনের নাশকতা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে সন্দেহ থেকে বাদ না দিয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিসহ রাজধানীতেই প্রায় ২০০ স্পটে তল্লাশি বসিয়েছে। রাজধানীতে প্রবেশ পথেও কড়াকড়ি নজরদারি করছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
হঠাৎ জঙ্গিদের তৎপরতা বৃদ্ধিতে নগরবাসী খুবই অঙ্কিত হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যা হলে বাসা থেকে বের হওয়া বা অফিস ফেরৎ মানুষদের মাঝে আতঙ্ক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পুলিশের কড়া নজরদারির ভেতরও গতকাল শুক্রবার ও আজ শনিবার বেশ কয়েকটি যাত্রীবাহী গাড়ীতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। অন্যদিকে গতকাল শুক্রবার যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে।
আজ ঢাকা টু রংপুর জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটের লং মার্চে সমাবেশে জামায়াতের আমির বলেন, নব্য স্বৈরশাসক থেকে দেশকে বাঁচাতে এ আন্দোলনে নেমেছেন। তার এই বক্তব্যে ভিন্ন কিছু খুঁজছে অনেকে।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর মিরপুরে শিকড় পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে মিরপুর-১১ নম্বরের জমজম টাওয়ারের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুন নেভানো হয়েছে। চলন্ত অবস্থায় বাসটিতে আগুন লাগে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিক ধারণা তাঁদের।
এ ছাড়া মিরপুর-১ আনসার ক্যাম্প এলাকায় একই সময়ে অভিজাত পরিবহনের আরেকটি বাসে আগুনের ঘটনা ঘটে। তবে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নেভানো হয় বলে জানিয়েছে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে তিনি জানান।
এ ছাড়া, রাত আটটার দিকে রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় গাড়ির একটি গ্যারেজের সামনে আরেকটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পুলিশ বলছে, বাসটি আলিফ পরিবহনের। রাস্তার পাশে বাসটি পার্কিং করা ছিল। কে বা কারা পেছনের দিকে আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে। উপস্থিত লোকজন সঙ্গে সঙ্গে আগুন নেভায়।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর মালিবাগের সোহাগ বাস কাউন্টারের সামনে দুটি, সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে আগারগাঁওয়ে বেতার ভবনের সামনে, সাড়ে ছয়টার দিকে মহাখালী এলাকায়, রাত আটটার দিকে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে এবং রাত নয়টার দিকে মগবাজার মোড়ে একটি করে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার প্রধান ফটকের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে আরও তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে ইবাদুর রহমান নামের এক অটোরিকশাচালক আহত হন। আর রাত ১১টার দিকে রামপুরা বিটিভি ভবনের সামনে ২টি এবং রাত ১২টার দিকে নিউমার্কেট এলাকার ঢাকা কলেজের সামনে একটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
এসব ঘটনায় বিভিন্ন থানায় মামলা হলেও কে বা কারা জড়িত, তা এখনো পুলিশ নিশ্চিত হতে পারেনি।
গতকালের এসব ককটেল বিস্ফোরণের পর নগরজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, উড়ালসড়ক ও প্রবেশপথগুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বাড়ানো হয়েছে পুলিশি টহল ও নজরদারি।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানার পিছনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে রাজধানীর আরও কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা।
আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে শপিংমলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সন্ধ্যার দিকে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ বেতার ভবনের কাছাকাছি এবং মহাখালী এলাকায় পৃথক এ বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া গুলিস্তান, বঙ্গবাজার, বাবুবাজার ব্রিজসহ বেশ কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় দুর্বৃত্তরা।
মহাখালী এলাকায় সন্ধ্যার দিকে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। প্রায় একই সময় আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ বেতার ভবন সংলগ্ন এলাকায় সড়কের ওপর আরও একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এসব ঘটনায় কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে জুমার পর মালিবাগের ফরচুন শপিং মলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ হয়। ওই ঘটনায়ও তাৎক্ষণিকভাবে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় ৩টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওইদিন প্রথমে জগন্নাথ হল গেট এলাকায় পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পর টিএসসি এলাকায় আরও একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার পর ঢাবি ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এছাড়াও ওইদিন দুপুরে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত সন্দেহে ২৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে তাদের আটকের পর তেজগাঁও থানায় নেওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের কর্মকর্তারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, আটকরা সেখানে গোপন বৈঠক করছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে অভিযান চালানো হয়।
আটকরা কোন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তাৎক্ষণিকভাবে তা জানায়নি পুলিশ।
ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আটকদের শেরেবাংলা নগর থানায় নেওয়া হয়েছে। থানা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি, সিটিটিসি ও এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) কর্মকর্তারা সেখানে আছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। আজ রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে জগন্নাথ হলের সামনে দুটি এবং টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এতে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসলাফিল রতন বলেন, তারা ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সহকারী প্রক্টররা গিয়েছেন। ঘটনাটি কারা ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।
এ ঘটনায় কারও আহত হওয়ার তথ্য এখনও পায়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের দপ্তর। এসব হাতবোমা কারা ফাটিয়েছে কিংবা একটির সঙ্গে অন্যটির সংযোগ আছে কি না সেটিও এখনও বলতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ।
প্রক্টর কার্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মী দলের প্রধান ইউসুফ হারুন বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, ককটেল ফাটার সময় কেউ এদিকে গাড়িতে করে যায়নি।
তিনি বলেন, ধারণা করছি- কেউ হয়ত জগন্নাথ হলের উপর থেকে মেরেছে। অন্যদিকে টিএএসির পাশে মেট্রোরেল সংলগ্ল রাস্তায় যে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটা বাইকে করে কেউ মেরে দিয়ে চলে গেছে।