মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ডঃ মো তাজুল ইসলাম।

  • প্রকাশ : রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:২৩ এএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন অনুষদের অধীনে সফলভাবে পিএইচডি (ডক্টর অব ফিলোসফি) ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবার বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. তাজুল ইসলাম। 


গত ১৩ আগস্ট ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে এই ডিগ্রি প্রদান করা হয়।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ডঃ মো. তাজুল ইসলামের গবেষণার বিষয় ছিল "বাংলাদেশে মান্ধাতা আমলের ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থা: বিকল্পের সন্ধানে " এবং ইংরেজিতে: "[Archaic Quandary of Criminal Justice System in Bangladesh: Quest for the Alternative"। 


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন খ্যাতনামা অধ্যাপক এর তত্ত্বাবধানে এই গবেষণা কর্মটি তিনি সম্পন্ন করেন। ডঃ তাজুল ইসলামের এই গবেষণায় "বাংলাদেশে ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থায় অতি পুরাতন ফৌজদারী আইন তথা ২০০ বছরের পুরনো ব্রিটিশদের তৈরি আইনকে আরও সময়োপযোগী করে দ্রুত মামলা বিচার নিষ্পত্তি করা যায় সে বিষয় কিছু পরিবর্তন ও বিকল্পের সন্ধান করার প্রয়াস চালানো হয়েছে। তাতে করে বিদ্যমান পুরাতন ফৌজদারী আইনসমূহ আন্তর্জাতিক বেস্ট প্রাকটিসের সঙ্গে সমন্বয় করে সংশোধন, পরিমার্জন ও পরিবর্ধন করে দেশের ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থায় আমুল সংস্কার আনা যায় তা সূচারুরুপে আলোকপাত করা হয়েছে। 


গবেষণার মৌখিক পরীক্ষায় (Viva-voce) দেশী-বিদেশী খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও গবেষকগণ উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এক প্রতিক্রিয়ায় এই অর্জনের জন্য পরম করুণাময়, তাঁর শিক্ষক, গবেষক দল এবং পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে তিনি এই গবেষণালব্ধ জ্ঞান দেশের কল্যাণে কাজে লাগাতে চান।উল্লেখ্য, বর্তমানে মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) হিসেবে কর্মরত আছেন। ১৯৮৪ সালের ৩১ জানুয়ারি সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০০ সালে এসএসসি ও ২০০২ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ২০০৬ সালে এলএলবি (অনার্স) ও ২০০৭ সালে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি ও ক্রিমিনাল জাস্টিস বিভাগ থেকে মাস্টার্স এবং উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ থেকে বিশেষ ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে প্রথমবারেই ৩য় বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়ে ‘সহকারী জজ হিসেবে খুলনা জেলা জজশীপে যোগদান করেন। অতঃপর পদোন্নতি পেয়ে ‘সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ঢাকায় এবং যুগ্ম জেলা জজ হিসেবে ঠাঁকুরগাঁও, মেহেরপুর এবং ঝিনাইদহ জেলা জজশীপে কর্মরত ছিলেন। 


এছাড়া তিনি ‘অতি: জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা জজশীপেও কাজ করেছেন। ইতোপূর্বে এ বিচারক যে আদালতেই দায়িত্বে ছিলেন সেখানেই তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নিজেকে পরিচয় দেন। মামলাজট কমাতেও বেশ সক্ষম হয়েছেন। যশোরে বদলির আগে তাজুল ইসলাম ছিলেন কুষ্টিয়ার অতি: জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি ২০২২ সালে ৫৫টি হত্যা মামলা নিষ্পত্তি করে তিনি রেকর্ড গড়েন। 


তিনি ২০০৮ সালে সহকারি জজ হিসেবে বিচারকের কর্মজীবন শুরু করা ডঃ মো. তাজুল ইসলাম স্বপ্ন দেখেন মামলাজট মুক্ত বিচার বিভাগ। স্বপ্ন দেখেন কীভাবে বিচারপ্রার্থী জনগণকে অতিদ্রুত ন্যায়বিচার দিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করা যায়। তাঁর স্বপ্ন একদিন মামলাজট মুক্ত বিচার বিভাগ হবেই। তাঁর বিচারিক কাজ দেখেছেন এমন ব্যক্তিদের ভাষ্য, স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে নিজের দায়িত্ব অত্যন্ত সুচারুরূপে আইনানুযায়ী পালনে সদাসচেষ্ট বিচারক। 


তিনি তাঁর লেখনির মাধ্যমে মামলাজট ও ন্যায়বিচার প্রদানের স্বপ্নের বীজ বুনে দেন হাজারো আইন শিক্ষার্থীর মনোজগতে। মানুষকে আইন বিষয়ে সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। উদার, মানবিক ও অত্যন্ত সরল জীবন-যাপনকারী ডঃ মো. তাজুল ইসলাম তারুণ্য এবং বিজ্ঞতার মিশেলে একজন চমৎকার গুণী মানুষও। তাঁর সততা, দেশপ্রেম, পরিশ্রম ও দ্রুত মামলা নিস্পত্তিতে তার উচ্চ মানসিকতা দেশের ৪৪ লাখ মামলাজটের মধ্যে কিছুটা আশার আলো হিসেবে প্রতিভাত হয়। মা-বাবার ৭ ছেলে ও ১ মেয়ের সংসারে তার অবস্থান অষ্টম। বাবা আবুল হোসেন (রাহেমাহুল্লাহ), অধ্যাপক (অব.) আর মা জামিলা বেগম (রাহেমাহাল্লাহ), গৃহিনী। 


ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। স্ত্রী জনাবা ফেরদৌসী আক্তার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া’র ইংরেজি বিভাগে ‘সহকারী অধ্যাপিকা’ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি ২ কন্যা এবং ১ পুত্র সন্তানের জনক। কর্মব্যস্ততার ফাঁকে তিনি বই পড়া, গবেষণা, লেখালেখি আর পরিবারকে নিয়ে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। ইতোপূর্বে তার লিখিত ‘সাংবিধানিক আইনের সহজপাঠ’, শিশু আইনের উপরে Juvenile Delinquency in Bangladesh: Identifying the causes with prevention and Rehabilitation এবং ‘বাংলাদেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থা: স্বাধীনতার ৫০ বছর’ শিরোনামে ৩টি বই প্রকাশিত হয়েছে। শিশু আইনের উপরে লিখিত বইটি বিশ্বের মোট ৯টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।তাছাড়াও তিনি আইন গবেষক ও কলামিস্ট হিসেবে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সমসাময়িক বিষয় ও আইন নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করে থাকেন।




৯৯ হাজার ৮০০ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:৪৯ পিএম

কক্সবাজারের চকরিয়ায় নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত ৯৯ হাজার ৮০০ শলাকা সিগারেট জব্দ করেছে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট। 


বুধবার কক্সবাজার নিবারক টিম জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্যের (মূসক বাস্তবায়ন ও আইটি)  নির্দেশনায় অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করে। 


আজ বৃহস্পতিবার কক্সবাজার কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ছয় লাখ ১৮ হাজার ৭৬০ টাকা। এর সঙ্গে জড়িত রাজস্বের পরিমাণ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৭০ টাকা। 


এতে বলা হয়, রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন, ফাঁকিকৃত রাজস্ব আদায় এবং সরকারের রাজস্ব সুরক্ষায় কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কক্সবাজারে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।


১০টি কনটেইনারে ১৫০ মেট্রিক টন কাঁচা তামাকের চালান জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৪৩ পিএম

পাকিস্তান থেকে সমুদ্রপথে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ১০টি কনটেইনারে ১৫০ মেট্রিক টন কাঁচা তামাকের চালান জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। 


অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাকিব রায়হানের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেডের বন্ড সুবিধায় আমদানি করা এসব তামাক দিয়ে আনুমানিক ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট উৎপাদন করা সম্ভব। এসব সিগারেটের সম্ভাব্য খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।


সূত্রের বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাথমিক পর্যালোচনায় আমদানি মূল্যে উল্লেখযোগ্য অসংগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। একই HS Code-এর পণ্য প্রতি কেজি ৫ দশমিক ১০ মার্কিন ডলারে অ্যাসেসমেন্ট করা হলেও আলোচ্য চালানে ঘোষিত মূল্য প্রতি কেজি ১ দশমিক ৪৫ মার্কিন ডলার।


এতে আরও বলা হয়, পূর্ববর্তী আমদানি মূল্য বিবেচনায় চালানটির আমদানি পর্যায়েই প্রায় ২১ কোটি ১২ লাখ টাকার রাজস্ব জড়িত বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।


কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগের মতে, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা তামাকের প্রকৃত ব্যবহার এবং তা দিয়ে উৎপাদিত পণ্যের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা না হলে আমদানি, উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের প্রতিটি পর্যায়ে শুল্ক-কর ফাঁকির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।


এ ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।


বক্তব্য দেন নওগাঁ-৩ আসনের এমপি ফজলে হুদা বাবুল

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৫৫ পিএম

নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের এমপি ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ ফজলে হুদা বাবুল বলেছেন, মেম্বারশীপ নিয়ে, চেয়ারম্যাশীপ নিয়ে, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান মনোনয়ন নিয়ে নিজেদের মধ্যে দলাদলি করবেন না। প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে আমরা মেম্বার সিলেকশন দিব গণতান্ত্রিকভাবে।


এমপি স্থানীয় বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, নির্দলীয় ভোটে কেউ কেউ লেটার হেড প্যাডে আমন্ত্রণ জানায় যে, দরখাস্ত দেন আপনাকে চেয়ারম্যান করা হবে। মানে মাল দেন। আর দলটা বিক্রি করেন না দয়া করে। ব্যবসা বাণিজ্য অনেক হয়েছে। এখন দেশটা বাঁচানোর সংগ্রামে আসেন। 


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভালো জানেন, কে কে চেয়ারম্যান নোমিনেশন পাবেন, কে উপজেলা পাবেন, কে ভাইস চেয়ারম্যান নোমিনেশন পাবেন। এটা ওনার কম্পিউটারে আছে। এইটার কোন দিক নির্দেশনা এখনও উনি দেননি। উনি একটি কথাই বলেছেন, ‘যিনি জনপ্রিয় ব্যক্তি তিনিই পাবেন মনোনয়ন’। এর বাইরে কোন কথা এখনও আসেনি। গণতন্ত্র, নিয়মতন্ত্র, গঠনতন্ত্র এই তন্ত্রের বাইরে কোন তন্ত্র মন্ত্র নাই। আমার কাছে কোন প্রিয় লোকও নাই। তৃণমূলের প্রত্যেকটা কর্মীকে মূল্যায়ন করা হবে।


গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এমপি তার নির্বাচনী এলাকা নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ডে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষে উপজেলা যুবদলের আয়োজনে বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দানকালে কথাগুলো বলেন। 


উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাফ্ফর রহমান সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। যুগ্ম আহ্বায়ক এ. কে. এম. মাসুদুর রহমান টিক্কার সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, সদর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দুলাল হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব রিপন মাহমুদ প্রমুখ। 


এসময় অন্যদের মঞ্চে মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহারুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার নানু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি এনামুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন সাজ্জাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হান্নান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি কাজী রওশন জাহান, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মিরাজুল ইসলাম মিরাজ প্রমুখ।


ফজলে হুদা বাবুল বলেন, চারিদিকে শকুনেরা তাকিয়ে আছে। গুপ্ত আর সুপ্তরা আমাদের দলেও সক্রিয় রয়েছে। বিএনপির নামে যারা স্বাধীনতা বিরোধীদের মার্কা নিয়ে মাঠে ছিল তাদের সাথে কমপ্রোমাইজ হবেনা। 


এমপি বিগত সময়ে পরলোকগমণ করা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পীকার আকতার হামিদ সিদ্দিকী নান্নু, সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান, মজিবর রহমান, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি রমজান আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কিসমত মাস্টার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাতেম আলী, সাবেক কোষাধ্যক্ষ জিল্লুর রহমান, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সামসুল আলম, আতাউর রহমান প্রমুখের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।


যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৪৩ পিএম

নীলফামারীর জলঢাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়েছে।


গতকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে জলঢাকা উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে পৌর শহরের চৌধুরী মার্কেটস্থ সংগঠনটির অস্থায়ী কার্যালয় থেকে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।


জলঢাকা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ জোয়ার্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আহম্মেদ সাইদ চৌধুরী ডিডু, জেলা বিএনপি'র সাবেক সহ সভাপতি মালেকুজ্জামান দুদুল মুক্তা হিমাগারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফুল ইসলাম বাবু, উপজেলা সমবায় দলের আহবায়ক আব্দুস সোবহান, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল হক (সাজু), মনিরুজ্জামান শান্তসহ যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।


আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয়তাবাদী আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে যুবদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।


বক্তারা আরও বলেন, যুবসমাজ দেশের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের অন্যতম চালিকাশক্তি। তাই দেশপ্রেম, রাজনৈতিক সচেতনতা ও সাংগঠনিক ঐক্যকে ধারণ করে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুবদলের নেতাকর্মীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।


আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা। এ সময় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।


৬ বছরের শিশুকন্যাকে হত্যা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৬ পিএম

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে গোলাপ হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে গুরুতর জখম এবং তাঁর ছয় বছরের শিশুকন্যা তওবাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণদী গ্রামের মোল্লা ব্রিকসের পাশে একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।


এ ঘটনায় গুরুতর আহত গোলাপ হোসেন বর্তমানে ঢাকার কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাপুর স্বদেশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে রামকৃষ্ণদী গ্রামের একটি ইটভাটার কাছে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু তওবার বাবা গোলাপ হোসেনের বাড়ি রামকৃষ্ণদী গ্রামে হলেও তিনি পরিবার নিয়ে লতব্দী ইউনিয়নের দোসরপাড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন।


স্থানীয় সূত্র জানায়, তওবার দাদা জয়নাল মিয়া গত পাঁচ বছর ধরে রামকৃষ্ণদী এলাকার একটি ইটভাটায় কাজ করছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে দাদার সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে তওবা ও তার বাবা গোলাপ হোসেন হামলার শিকার হন। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে গোলাপ হোসেনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। একই ঘটনায় শিশু তওবাকে হত্যা করে তার মরদেহ ইটভাটার পাশে একটি পরিত্যক্ত জমিতে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।


সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।


সাবেক মেয়র নোভা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:১৬ পিএম

নীলফামারীর জলঢাকায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় আটক হয়েছেন পৌরসভার সাবেক মেয়র নাসিব সাদিক হোসেন নোভা। গতকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ।

 

নাসিব সাদিক হোসেন নোভা জলঢাকা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের পৌর সভাপতি ও জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র। তিনি জলঢাকা পৌরসভার প্রয়াত সাবেক মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলুর বড় ছেলে। তাঁর বাড়ি পৌরসভার ট্রাফিক মোড় এলাকায়।


মামলার নথি অনুযায়ী, জলঢাকা থানার শিমুলবাড়িতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচানে ন্ত্রাসী কর্মকান্ডের দায়ে ২০২৫ সালের ২১ জুন সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৬(অ), ৬(আ), ৬(ঈ), ৬(চ), ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় মামলা করা হয়। থানার মামলা নম্বর ১৮/১২৩। ওই মামলায় নাসিব সাদিক হোসেন নোভা ৬ নং এজাহার নামীয় আসামি।


এ বিষয়ে জলঢাকা থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নাজমুল আলম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ড জড়িত থাকা এবং এজাহারভুক্ত ৬নং আসামী নোভাকে আটক করা হয়েছে। বিধিমোতাবেক জেলহাজতে প্রেরন করা হবে।