কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শ্রমবিষয়ক সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারের মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার থেকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে টঙ্গীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদল নেতা সানজিদ আহমেদ মিঠুনের নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়।
টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল গেট এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সরকার বাড়ি এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা নুরুল ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং অবিলম্বে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির জোরালো দাবি তোলেন। মিছিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন , মো. আমান, মো. লোকমান, মো. তুষার, মো. আকরাম, মো. রবিনসহ বিএনপি এবং এর বিভিন্ন ওয়ার্ডের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভায় সানজিদ আহমেদ মিথুন বলেন, ২০০৪ সালের ৭ মে আওয়ামীলীগের দলীয় আভ্যন্তরীণ কোন্দলে জেরে নিহত হন তৎকালীন এমপি আহসান উল্লাহ মাষ্টার। উক্ত মামলায় ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে গাজীপুর জনপ্রিয় নেতা কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে এই মামলার কোন সুরাহা না হওয়ায় এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় দীর্ঘ ২৩ বছর যাবৎ তিনি কারা অন্তরীণ আছেন। অবিলম্বে এই প্রহসনমূলক মামলা থেকে তাকে অব্যাহত দিয়ে মুক্তির দাবি জানান তিনি।
সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির বিশেষ অভিযানে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ৪৬০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত এসব মাদকদ্রব্যের সিজার মূল্য ৯২ হাজার টাকা।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ৫ নভেম্বর রাতে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ দিহানগর বিওপির দায়ীত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশী চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৪৬০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করেন বিজিবি সদস্যরা।
বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারী ও অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, মাদক শুধু ব্যক্তির জীবনকেই বিপন্ন করে না, বরং সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। সীমান্ত দিয়ে মাদকের অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি সর্বদা সজাগ ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বিজিবির অভিযান এবং গোয়েন্দা তৎপরতা ভবিষ্যতেও আরও জোরদার থাকবে।
সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এমন অভিযান অব্যাহত থাকলে মাদক পাচারকারী চক্রের অপতৎপরতা নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শ্রমবিষয়ক সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারের মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার থেকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে টঙ্গীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদল নেতা সানজিদ আহমেদ মিঠুনের নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়।
টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল গেট এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সরকার বাড়ি এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা নুরুল ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং অবিলম্বে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির জোরালো দাবি তোলেন। মিছিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন , মো. আমান, মো. লোকমান, মো. তুষার, মো. আকরাম, মো. রবিনসহ বিএনপি এবং এর বিভিন্ন ওয়ার্ডের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভায় সানজিদ আহমেদ মিথুন বলেন, ২০০৪ সালের ৭ মে আওয়ামীলীগের দলীয় আভ্যন্তরীণ কোন্দলে জেরে নিহত হন তৎকালীন এমপি আহসান উল্লাহ মাষ্টার। উক্ত মামলায় ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে গাজীপুর জনপ্রিয় নেতা কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে এই মামলার কোন সুরাহা না হওয়ায় এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় দীর্ঘ ২৩ বছর যাবৎ তিনি কারা অন্তরীণ আছেন। অবিলম্বে এই প্রহসনমূলক মামলা থেকে তাকে অব্যাহত দিয়ে মুক্তির দাবি জানান তিনি।
মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান
কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নে দুর্গম পাহাড়ে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। মরদেহ উদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেনাসদস্য নিহতের ঘটনার পর পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার বিকেলে হ্নীলা ইউনিয়নে নয়াপাড়া ও লেদা ক্যাম্পের পূর্বে পাহাড়ে মৃতদেহের সন্ধান পায় পুলিশ।
কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওই পাহাড়ে তিনজনের মরদেহ থাকার খবর পেয়েছেন তারা। মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই পাহাড়ে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে মানবপাচারকারীদের গুলিতে সেনাসদস্য সৈনিক মো. তিতাস শেখ (২৭) নিহত হন। এ সময় যৌথ বাহিনী ৫৬ জনকে উদ্ধার এবং মানবপাচারকারী চক্রের ছয় সদস্যকে আটক করে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের শুক্রবার সকালে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
পাহাড়ে তিনজনের মরদেহ থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সশস্ত্র অপরাধীদের আস্তানা নির্মূলে পাহাড়জুড়ে সাঁড়াশি অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম অনীক চৌধুরী বলেন, পাহাড়ে অবস্থানরত সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। অপরাধ করে কেউ পার পাওয়ার সুযোগ নেই। মানববন্ধনের বিষয়েও আমরা খোঁজখবর রাখছি।
তিনি বলেন, সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের গুলিতে দায়িত্ব পালনরত একজন সেনাসদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত। এ ধরনের অপরাধ নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলা সফর বাতিল করেছেন তিনি।
সংশ্নিষ্ট সুত্রে জনা গেছে, শুক্রবার সকালে কোম্পানীগঞ্জে যাওয়ার পর হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শরীর ঝিমঝিম অনুভব করেন মন্ত্রী। এ অবস্থায় পূর্বনির্ধারিত সফর বাতিল করে দ্রুত তাঁকে সিলেট নগরীর আখালিয়ায় অবস্থিত মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে তাঁকে ভর্তি করা হয়।
মন্ত্রীকে সফরসঙ্গী হিসেবে থাকা সোহেল আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেওয়ায় স্যারকে মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বর্তমানে তিনি আগের চেয়ে অনেকটা সুস্থ বোধ করছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে বিশ্রামে থাকতে বলা হয়েছে।
হাসপাতালের কার্ডিওলজিস্ট ডা. শিশির বসাক ও নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. নজরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে,মন্ত্রীর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর সুস্থতা কামনা করছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।এদিকে,অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে দেখতে গেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে সিলেট নগরীর আখালিয়ায় অবস্থিত মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে গিয়ে তিনি আরিফুল হক চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী। তাঁরা হাসপাতালে আরিফুল হক চৌধুরীর সহধর্মিণী শামা হক চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু
ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যেই সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, জনগণের কষ্ট লাঘব এবং মানুষের সক্ষমতা বাড়াতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ স্কাউটসের দিনাজপুর অঞ্চলের তৃতীয় আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি ভঙ্গুর অর্থনীতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জনগণের কষ্ট লাঘবের জন্য অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বিভিন্ন স্তরে আমরা কাজ করছি। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়া হচ্ছে, যাতে মানুষের সক্ষমতা তৈরি হয়।’ তিনি বলেন, সরকারের অন্যতম লক্ষ্য উদ্যোক্তা তৈরি করা। এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। মানুষ কাজের মধ্য দিয়ে নিজেদের আয়-রোজগার বাড়াতে পারবেন।
স্কাউটিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, শিশুকাল থেকেই শিশুদের শৃঙ্খলার মধ্যে বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে। এতে তাদের জীবন সুন্দরভাবে গড়ে উঠবে এবং সমাজের অনিয়ম ও বৈষম্য থেকে তারা নিজেদের রক্ষা করতে পারবে।
তরুণ ও যুবসমাজের একটি বড় অংশ মাদক, গেমিং ও ক্যাসিনোর মতো আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তাদের এসব আসক্তি থেকে বের করে আনতে হবে। পাশাপাশি দুর্যোগের সময় মানুষের সহায়তায় স্কাউটদের প্রস্তুত করা হবে। আগাম সতর্কবার্তা প্রচার ও জনসচেতনতা তৈরিতেও স্কাউটরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফয়সল আমীন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুর রহমান, রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব (যুগ্ম সচিব) মো. আবু আউয়াল, দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক নূর মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন। বাংলাদেশ স্কাউটসের ঠাকুরগাঁও জেলার সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসক্লাব সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্যাম্পুরি সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক।
ওপার থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে ফ্যাসিবাদীরা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মীর সরফত আলী সপু বলেন, আওয়ামী লীগ সব সময় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। কোনো শ্রমিক নিজের কর্মস্থলে অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারেন না। কারণ, সেটিই তাঁর রুটি-রুজির জায়গা। অথচ একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার সবচেয়ে জনপ্রিয় সরকার। এই সরকারের বয়স মাত্র আট মাস। একটি মহল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কীভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসা যায়, সেই চেষ্টা করছে। তবে তাদের সেই আশা কখনোই পূরণ হবে না। কারণ, জনগণ ভোট দিয়ে বিএনপিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে।
শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শ্রীনগর ডাকবাংলো সংলগ্ন এলাকায় এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করে শ্রীনগর উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।
শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম মৃধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল, মুন্সীগঞ্জ জেলা নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক জসিম মোল্লা, শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল কালাম কানন, সাখাওয়াত হোসেন মুকুল, সৈয়দ শামশুল আলম খোকন, যুগ্ম সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মামুন, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ হাসান ফাহাদ, শ্রীনগর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জহুরুল ইসলাম মাসুদ, যুগ্ম আহবায়ক সেলিম ভূঁইয়া, জহিরুল ইসলাম বাদশা, ১ নং সদস্য রাজু আহমেদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।