ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৮:৩০ পিএম

পদ্মা পাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে যে শিমুলিয়া ঘাটে প্রতিদিন ভিড় করতেন হাজারও পর্যটক ও দর্শনার্থী, সেই ঘাটেই এখন দেখা দিয়েছে ভিন্ন চিত্র। ঘাটের প্রবেশ মুখে মাত্র আধা কিলোমিটার পথের ব্যবধানে দুই দফা টোল আদায়ের অভিযোগে ক্ষুব্ধ দর্শনার্থীরা রীতিমত বয়কটের ডাক দিয়েছেন ‘শিমুলিয়া ঘাট’। অন্যদিকে পর্যটকদের অনাগ্রহে গত দুই সপ্তাহে ঘাট এলাকায় দর্শনার্থীর সংখ্যা কমেছে বলে দাবি স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ীদের। এতে ভাটা পড়েছে বাণিজ্যিক সব কার্যক্রমে।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিমুলিয়া ঘাটে মাত্র আধা কিলোমিটার পথের ব্যবধানে পরপর দুই স্থানে বিভিন্ন যানবাহন থেকে টোল আদায়কে কেন্দ্র করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পর্যটক ও দর্শনার্থীরা। সম্প্রতি টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে রাজধানী থেকে আসা চার পর্যটককে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের লোকজনদের বিরুদ্ধে।


সরেজমিনে বুধবার (২৯ জুলাই) লৌহজংয়ে গিয়ে ঘাট এলাকায় দেখা গেছে, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মাওয়া চৌরাস্তা হয়ে শিমুলিয়া ঘাটের দিকে কিছুদূর এগিয়ে গেলেই ফেরিঘাটের একদম প্রবেশ পথে হাতের ইশারায় থামানো হচ্ছে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারসহ ব্যক্তিগত বিভিন্ন যানবাহন কিংবা পিকনিকের জন্য আসা যাত্রীবাহী বাস। এরপর সেসব যানবাহনকে ঘিরে ধরছে লাঠি হাতে থাকা ৪-৫ জন, পরে পর্যায়ক্রমে চালকরা দিচ্ছেন নগদ অর্থ।


সরেজমিনে দেখা গেছে, মাত্র আধা কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যেই পরপর দুইবার টাকা দিতে হচ্ছে যানবাহন চালক ও পর্যটকদের।পদ্মা পাড়ে আগত দর্শনার্থীদের অভিযোগ, পর্যটকদের বিআইডব্লিউটিএ লোগো সম্বলিত হলুদ ও আকাশী রঙের একটি টোকেন ধরিয়ে দিয়ে মোটরসাইকেল থেকে নেয়া হচ্ছে সর্বনিম্ন ৩০ টাকা করে দুইবারে ৬০ টাকা। আর প্রাইভেটকারসহ ব্যক্তিগত বিভিন্ন যানবাহন থেকে বিনা রশিদের মাধ্যমে শুধু গাড়ির নম্বর নোট করেই নেয়া হচ্ছে ১০০ টাকা থেকে শুরু করে দুইশ-আড়াইশো কিংবা তিনশো টাকা পর্যন্ত।


এ সময় দেখা গেছে, অনেক যানবাহন চালক টাকা আদায়ের রশিদ দিতে বাধ্য করেছেন ঠিকাদার সংশ্লিষ্টদের। তবে আদায়কৃত অর্থের সমপরিমাণ টাকার সংখ্যা উল্লেখিত রশিদ দিতে পারেননি কেউ।


অভিযোগ রয়েছে, বিআইডব্লিউটিএর রশিদের মাধ্যমে এসব টাকা তুলছেন স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। তবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি নয় এই চক্রের সদস্যরা। তাদের দাবি, ইজারাদার হাজী আলমগীরের নেতৃত্বে এসব টোল আদায় করা হচ্ছে।


এদিকে একইদিন সরেজমিনে আরও দেখা যায়, একসময় ঘাট এলাকায় যেখানে বিকেল হলেই জমে উঠতো মানুষের ভিড়, পরিবার-পরিজন আর বন্ধুদের নিয়ে পদ্মার সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসতেন দূর-দূরান্তের মানুষ, সেই শিমুলিয়া ঘাটেই এখন দেখা দিয়েছে পর্যটক সংকট।


আগত দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা হলে অভিযোগ করেন, অতীতে পদ্মা পাড়ে প্রবেশ করতে কোনো যানবাহনকেই দফায় দফায় টোল দিতে হয়নি। শুধু ঘাট এলাকায় কোন যানবাহন পার্কিং করলে সেই ক্ষেত্রে সামান্য কিছু টাকা টোল দিতে হতো। কিন্তু এখন ভিন্ন চিত্র। ফলে ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন, একই এলাকায় এত অল্প দূরত্বে বারবার টোল আদায় কেন? কিসের ভিত্তিতে এত টাকা নেয়া হচ্ছে?


স্থানীয় সূত্রে খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, দ্বৈত টোল আদায়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পর্যটননির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্যিক কার্যক্রমে। হোটেল ব্যবসায়ীদের দাবি, গত দুই সপ্তাহে শিমুলিয়া ঘাটে পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।


ব্যবসায়ীদের দাবি, বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত প্রচুর মানুষের সমাগম ঘটলেও এখন ঘাটে শুনশান নীরবতা। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে অনেকের।


তবে বিআইডব্লিউটিএ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকার বিনিময়ে শিমুলিয়া ঘাটটি  ইজারা দেয়া হয়েছে আলমগীর হোসেন নামের স্থানীয় এক ঠিকাদারকে। এরপর থেকেই দৈনদশা দেখা দিয়েছে ঘাট এলাকায়। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, অতিরিক্ত টোলের কারণে যদি পর্যটকরা মুখ ফিরিয়ে নেন, তাহলে শুধু ব্যবসা নয়, শিমুলিয়া ঘাটের পর্যটন সম্ভাবনাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।


রাজধানীর আরামবাগ থেকে পরিবার নিয়ে পদ্মা পাড়ে বেড়াতে আসা ভুক্তভোগী দর্শনার্থী সুমনা আক্তার জানান, ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার মহাসড়ক পাড়ি দিতে গাড়ির টোল দিতে হয়েছে সব মিলিয়ে ১৮০ টাকা। তবে ঘাট এলাকায় মাত্র আধা কিলোমিটার পাড়ি দিতে তাদের দিতে হয়েছে ২০০ টাকা। ফলে বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।


ভুক্তভোগী আরেক দর্শনার্থী সাইফুল আলম মজুমদার জানান, দুই চাকার বাহন মোটরসাইকেল নিয়ে ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত আসতে তাকে মহাসড়কে টোল দিতে হয়েছে মাত্র ১০ টাকা। কিন্তু ঘাট এলাকায় ঢুকতেই প্রথমে একবার দিয়েছেন ৩০ টাকা, এরপর আবার কিছু দূর এগিয়ে যেতেই আবার আরও ৩০ টাকা দিতে হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক দাবি করে তিনি বলেন, পর্যটন সম্ভাবনাময় একটা এলাকাকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য মাত্রা অতিরিক্ত টোল আদায়সহ নানা রকমভাবে পর্যটক হয়রানি চলছে এখানে। দফায় দফায় টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ঠিকাদার সংশ্লিষ্টদের লোকজন মারধর করতে আসে।


এর আগে, সর্বশেষ গত ১৬ জুলাই রাতে টোল আদায়কারীদের সঙ্গে পর্যটকদের বাগবিতণ্ডা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অতিরিক্ত টোলের প্রতিবাদ করায় ইজারাদারের লোকজন কয়েকজন পর্যটকের ওপর হামলা চালায়। এতে ৪/৫ জন আহত হয়েছেন।


ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক সাইফুদ্দিন বেপারী বলেন, মাত্র আধা কিলোমিটার রাস্তার জন্য আলাদা করে আবার টোল নেয়াটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। ঘাট এলাকায় টোলের নামে নারী পর্যটকদেরও হয়রানি করা হচ্ছে নিয়মিত। এভাবে চলতে থাকলে মানুষ শিমুলিয়া ঘাটে আসা বন্ধ করে দেবে।


ঘাট এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী নাজমুল হাসান পিন্টু, শরীফ মোল্লা, আহাম্মেদ দেওয়ানসহ আরও কয়েকজন বলেন, নতুন টোল চালুর পর থেকেই পর্যটক কমতে শুরু করেছে ঘাট এলাকায়। আমাদের ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পদ্মা পাড়ে আগত সাধারণ দর্শনার্থীকে সেবা দেয়ার পরিবর্তে বিআইডব্লিউটিএ এখানে টোল নির্ভর ব্যবসা করছে।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, শিমুলিয়া ঘাটের বন্দর কর্মকর্তা শাহ নেওয়াজ স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে যোগসাজশ করে এ টোল ব্যবস্থা চালু করেছেন। তার বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি করেন তিনি।


তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বন্দর কর্মকর্তা শাহ নেওয়াজ ঠিকাদারের পক্ষে সাফাই গেয়ে বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, মানুষ যেটাকে চাঁদাবাজি বলছে সেটা চাঁদাবাজি নয়। সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। তবে কোন যানবাহন থেকে কি পরিমাণ টাকা নিতে হবে, বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে সুস্পষ্টভাবে সেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা ইজারাদারের বিষয়।


এছাড়া সুনির্দিষ্ট কোনো পার্কিং ব্যবস্থা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, পর্যটক ও দর্শনার্থীরা ঘাট এলাকায় যেখানে গাড়ি পার্কিং করবে, সেখানেই তাকে টাকা দিতে হবে।


এদিকে মাত্রা অতিরিক্ত টাকা ও দুই দফা টোল নেয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে ইজারাদার আলমগীর হোসেন দাবি করেছেন, বিআইডব্লিউটিএ থেকেই দুই দফা টোল আদায় করাসহ দর্শনার্থীদের কাছ থেকে যানবাহন পার্কিং করার জন্য টাকা নেয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমরা ভ্যাট ট্যাক্সসহ প্রায় দুই কোটি টাকার বিনিময়ে ঘাটটি ইজারা নিয়েছি। এখন বিআইডব্লিউটিএ আমাদের যেভাবে নির্দেশনা দিচ্ছে, আমরা সেটাই বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।


পদ্মার সৌন্দর্য দেখতে আসা মানুষের কাছে শিমুলিয়া ঘাট ছিল স্বস্তি আর বিনোদনের ঠিকানা উল্লেখ করে মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, একটি কুচক্রী মহল বিএনপি ও সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য মাত্র আধা কিলোমিটার সড়কে দুইবার টোলের টাকা নিচ্ছে। ঘাট এলাকায় পর্যটক হয়রানিসহ নানা অনিয়ম চলছে দাবি করে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি।


তবে বিতর্কের মুখে স্থানীয় প্রশাসন বলছে, বিষয়টি নিয়ে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাজানা ববি মিতু বলেন, শিমুলিয়া ঘাটে কাছাকাছি দুটি টোল নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা সমাধানের চেষ্টা চলছে।


তিনি আরও বলেন, এ বছরই নতুন রাস্তা ব্যবহারের জন্য বিআইডব্লিউটিএ টোল ইজারা দিয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। খুব কাছাকাছি দুটি টোল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। আমরা এটি বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসক বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। আশা করছি দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।


এদিকে এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মাত্র ৫০০ মিটার দূরত্বে দুটি পৃথক টোল আদায় কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। এতে একদিকে সাধারণ মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে শিমুলিয়া ঘাটের পর্যটন সম্ভাবনাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তারা অবিলম্বে দ্বৈত টোল ব্যবস্থা বাতিল, অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধ এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:১১ পিএম

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় থানার ওসি কক্ষে প্রবেশে বাধা দেওয়ার জেরে থানা ফটক ও পাশের ট্রাফিক পুলিশ বক্সে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় এক বিএনপি নেতার নেতৃত্বে একদল কর্মী-সমর্থক এ হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ।


এ ঘটনায় গতকাল সোমবার রাতে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩০-৪০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।গত রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুক্তাগাছা থানায় প্রথমে কথাকাটাকাটি ও পরে রাত ১০টার দিকে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত বিএনপি নেতার নাম আরিফ রব্বানী টুটুল। তিনি মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পৌরসভার ঈশ্বরগ্রাম এলাকার বাসিন্দা।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আরিফ রব্বানী টুটুল থানায় গিয়ে ওসির কক্ষে ঢোকার চেষ্টা করেন। এ সময় অন ডিউটি কনস্টেবল বকুল মিয়া তাঁকে জানান, ভেতরে কর্মকর্তা একটি জরুরি বৈঠক করছেন এবং তাঁকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আরিফ রব্বানী টুটুল কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যের সঙ্গে উচ্চবাচ্য শুরু করেন। হট্টগোল শুনে ওসি কামরুল ইসলামসহ অন্য কর্মকর্তারা কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে তাঁকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় ওসির সঙ্গেও বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ওই বিএনপি নেতা। পরে উপস্থিত যুবদলের কয়েকজন কর্মী আরিফ রব্বানী টুটুলকে বুঝিয়ে থানার বাইরে নিয়ে যান।


পরে রাত ১০টার দিকে আরিফ রব্বানী টুটুলের নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জন নেতাকর্মী লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুনরায় থানা চত্বরে আসেন। তারা থানার প্রধান ফটক এবং পাশের একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্সে হামলা চালিয়ে জানালার কাচ ভাঙচুর করেন ও লোহার রড বাঁকা করে ফেলেন। খবর পেয়ে থানার পুলিশ সদস্যরা ফটকের দিকে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ছেড়ে সরে যান।


এ বিষয়ে মুক্তাগাছা থানার ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, রাত ১০টার দিকে একটি সংঘবদ্ধ দল দেশীয় অস্ত্রসহ থানার দিকে আসতে দেখে আমি ওয়্যারলেসে খবর পাঠাই। তারা থানার গেট ও ট্রাফিক বক্সে আঘাত হেনে ক্ষতিসাধনের চেষ্টা করে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে হামলায় অংশগ্রহণকারীদের নাম পরিচয় শনাক্ত করে মামলা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি, তবে অভিযান চলছে।


হামলার বিষয়ে বক্তব্য জানতে মামলার প্রধান আসামি মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ রব্বানী টুটুলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে। এই মামলায় দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে তাঁর ছেলে উপলকে। 


মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, শুনেছি আরিফ রব্বানী টুটুল একটি অভিযোগ দিতে থানায় গিয়েছিলেন। সেখানে বাগ্‌বিতণ্ডার খবর ছড়িয়ে পড়লে কিছু লোক জড়ো হয়। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।


ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, থানায় হামলার মতো ঘটনা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। যদি দলীয় কেউ এতে জড়িত থাকে, তবে সাংগঠনিকভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ওসির কক্ষে প্রবেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:১৩ এএম

ঠাকুরগাঁওয়ে একটি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের দুধ খেয়ে অর্ধশত শিক্ষার্থী হাসপাতালে ।


জানা যায় যে,দুপুরের টিফিনে মিড-ডে মিলের খাবারের সঙ্গে দেওয়া হয়েছিল প্যাকেটজাত দুধ। দুধ খাওয়ার পরপরই একে একে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পেটব্যথা ও বমি শুরু হয়। কেউ কেউ বিদ্যালয়েই বমি করে। পরে অভিভাবকদের খবর দেওয়া হলে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাওয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।


ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সোমবার এদিন দুপুরের এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।


বিদ্যালয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুপুরে শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের খাবারের সঙ্গে রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের সরবরাহ করা প্যাকেটজাত দুধ দেওয়া হয়। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ওই দুধ পান করার পর কয়েকজনের পেটব্যথা শুরু হয়। পরে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী বমি করতে শুরু করে।


অসুস্থ শিক্ষার্থীদের কয়েকজন জানায়, দুধের স্বাদ তিতা ছিল। দুধ খাওয়ার পরই তাদের পেটব্যথা ও বমি শুরু হয়। পরে বিষয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জানানো হয়।


পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার বলে, দুধ খাওয়ার পর থেকেই আমাদের পেটব্যথা শুরু হয়। অনেকেই স্কুলেই বমি করেছে। দুধটি তিতা লাগছিল এবং নষ্ট হয়ে গেছে মনে হচ্ছিল।


আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা দুধের স্বাদ ভালো না লাগার কথা স্যার ও ম্যামকে বলেছিলাম। এরপরও দুধ খেতে বলা হয়। দুধ খাওয়ার পর কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ে।


পরে বিদ্যালয় থেকে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়। অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ে এসে তাদের সন্তানদের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, বাচ্চাদের নষ্ট দুধ দেওয়া হয়েছে, যে কারণেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।


বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার নিশাত রায় বলেন, দুপুর ২টা পর্যন্ত অর্ধশত শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকেই বমি করেছে, অনেকের পেটের পীড়া হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা তাদের সেবা দিচ্ছেন।


মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নাসরিন বলেন, বাচ্চারা দুধ খাওয়ার সময় জানায় যে স্বাদ টক লাগছে। পরে প্যাকেট খুলে দেখি দুধ নষ্ট হয়ে দইয়ের মতো হয়ে গেছে। তবে নিষেধ করার আগেই অনেকে দুধ খেয়ে ফেলে। আমাদের প্রতিষ্ঠানে মোট ১২৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সকালে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ছুটি হয়ে যাওয়ায় তারা রক্ষা পেয়েছে। দুপুরে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এই দুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। আমরাও এ ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই।


​বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাফি চৌধুরী বলেন, প্যাকেটের গায়ে দুধের মেয়াদ ঠিকই ছিল, তবে ভেতরের দুধ যে নষ্ট হয়ে গেছে, তা বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় ছিল না। দুধ খেয়ে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।


তবে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় খাবার বিতরণের দায়িত্বে থাকা আবু হেলাল বলেন, ওই বিদ্যালয়ে আমরা ১২২টি প্যাকেট দুধ সরবরাহ করেছি। পরে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। কী কারণে তারা অসুস্থ হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। সরবরাহ করা দুধ নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 


এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অতুল চন্দ্র রায় বলেন, শিক্ষার্থীদের দ্রুত সুস্থ করে তুলতে স্থানীয় প্রশাসনসহ আমরা সার্বিক তদারকি করছি। 



  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৪৩ এএম

মসজিদের ভেতর সোফা, চেয়ার ও টেবিল বসিয়ে রাজনৈতিক দলীয় কর্মসূচি পালনের অভিযোগ উঠেছে সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা ভিপি আইনুল হক, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা দুলাল খান এবং তাড়াশ উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা শামসুল হকের বিরুদ্ধে।




স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পবিত্র মসজিদ প্রাঙ্গণে রাজনৈতিক ব্যানার টানিয়ে, সোফা ও চেয়ার-টেবিল সাজিয়ে এই দলীয় সভা আয়োজন করা হয়। একটি ধর্মীয় উপাসনালয়ের ভেতরে এ ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় সাধারণ মুসল্লিরা জানান, মসজিদ হচ্ছে আল্লাহর ঘর এবং এবাদত-বন্দেগির পবিত্র স্থান। সেখানে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ও অনুচিত। দলীয় কার্যালয়ের মতো সোফা-চেয়ার বসিয়ে সভা করায় মসজিদের ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও পবিত্রতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে ক্ষোভ জানান তারা।

বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকলকে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে মসজিদকে দূরে রাখার দাবি জানিয়েছেন।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৩৭ এএম

নোয়াখালী সদর উপজেলায় অটোরিকশায় চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. বোরহান উদ্দিন ওরফে রিপন (২৮) নামের এক চালকের মৃত্যু হয়েছে।


সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নের পূর্ব চর উরিয়া গ্রামের খলিল মিয়ার দরজার হোরন মিয়ার রিকশা গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে।


নিহত রিপন ওই গ্রামের মো. মিলনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন।  


পুলিশ জানায়, সারাদিন অটোরিকশা চালানোর পর রাতে গ্যারেজে ফিরে রিপন নিজের অটোরিকশায় চার্জ দিচ্ছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুত্বর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।  


সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাউচারউজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিষয় :


অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ মানববন্ধন

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:১৮ পিএম

ভোলা নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে ছাত্র শিক্ষকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। আজ সোমবার বেলা ১১ টায় নাজিউর রহমান কলেজের সামনে ভোলা- ইলিশা সড়ক প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করা হয়। এসময় পরাণগঞ্জ কবি মোজাম্মেল হক মহিলা কলেজ, হালিমা খাতুন গার্লস স্কুল, পরাণগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং পরাণগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। 


এসময় বক্তারা বলেন, গতকাল রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোলার মনপুরা উপজেলা মসজিদে এশার নামাজ আদায় করতে গেলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অধ্যক্ষ মোঃ মহিউদ্দিন এর উপর হামলা করেছে সন্ত্রাসীরা।


অতিদ্রুত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেফতার করা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হব বলে জানিয়েছেন বক্তারা। 


এসময় বক্তব্য রাখেন, নাজিউর রহমান কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ হেলাল উদ্দিন, কামাল হোসেন শাহীন, জুন্নু রায়হান, কাচিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট মো: ইউছুফ, কাচিয়া ইউনিয়ন বিজেপির সহ সভাপতি আলমগীর মেম্বার, পরাণগঞ্জ কবি মোজাম্মেল হক মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কাশেম, হালিমা খাতুন গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষক টিপু সুলতান, পরাণগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ বেলায়েত হোসেন, ছাত্রনেতা মাহি, সুমন, মনজু প্রমূখ।


  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:২৬ পিএম

গাজীপুরের কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে উৎসবমুখর পরিবেশে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে কলেজ প্রাঙ্গণে কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজের অধ্যক্ষ সুনীল কুমার বণিক এর সভাপতিত্বে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম।


কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজের প্রভাষক অন্তর হোসেন রানা ও নুসরাত জাহান মুনার যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারী কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজের অধ্যক্ষ আতাউর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান খান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাহিদা খাতুন।




কলেজ কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ নবীনবরণে নতুন শিক্ষার্থীদের ফুল ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে অতিথিরা নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষাজীবনে নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে সাফল্য অর্জনের জন্য মনোযোগী হয়ে শিক্ষা গ্রহণ এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।


কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণে নবীনবরণ অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।