• প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৯ জুন, ২০২৬, সময় : ১০:৩৫ এএম

গ্রাম আদালত হচ্ছে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সহজ, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারসেবা নিশ্চিত করার একটি কার্যকর ব্যবস্থা। গ্রাম আদালতকে আরও বেশি জনমুখী করতে হলে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে একযোগে কাজ করতে হবে। গাজীপুরের কালীগঞ্জে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম এসব বলেন। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে স্থাণীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থাণীয় সরকার বিভাগের বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্প ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে’ প্রতিপাদ্যে ‘গ্রাম আদালক সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থাণীয় সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন’ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের গাজীপুর সদর, কালীগঞ্জ ও কাপাসিয়া উপজেলা সমন্বয়কারী রুবি আক্তার এর সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (অপারেশন) মো. ইকবাল হোসেন পিপিএম, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আফরোজা খানম, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন আকাশ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. শামসুজ্জামান আকন্দ, কালীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আল-আমিন দেওয়ান প্রমূখ।

কর্মশালায় বক্তারা গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা, বিচার প্রার্থীদের সহজে সেবা প্রাপ্তি, বিরোধ নিষ্পত্তিতে সময় ও অর্থ সাশ্রয় এবং সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। পাশাপাশি গ্রাম আদালত সম্পর্কিত প্রচার-প্রচারণা জোরদার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও গণমাধ্যমকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় অন্যান্যের মাঝে নাগরী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কোহিনুর বেগম, কালীগঞ্জ টেলিভিশন সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি মো. মুজিবুর রহমান, কালীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক মো. শাহ্ নেওয়াজ, বাংলাদেশ অনলাইন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন উপজেলা সভাপতি মো. রফিক সরকার, কালীগঞ্জ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ হোসেন, কালীগঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক তৈয়বুর রহমান, এনজিও কারিতাস ও ব্র্যাক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:১২ পিএম

রাষ্ট্রপতি সাথে ঠাকুরগাঁও জেলা স্কাউট এর সদস্যদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অদ্য ( ৭ ই সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে) নিজ বাসভবনে  উক্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি।সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও স্কাউট এর মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশহিসাবে জেলায় একলক্ষ গাছের চারা রোপনের উদ্বোধন করেন। 


এসময় রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও এ স্কাউট এর নিজস্ব ভবন নির্মাণের ব্যাপারে  খোঁজ নেন।  তিঁনি বলেন স্কাউট দখল হয়ে গেছে,  নির্বাচনের মাধ্যমে স্কাউট নেতা নির্বাচন করে সারা দেশে স্কাউট  কে জনকল্যান ও সেবামূলক কাজে আরো বেশি সম্পৃক্ত করতে হবে।  


জেলা স্কাউট এর লিডার ট্রেইনার আঞ্জুমানআরা বেবি ও সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান মিঠুর নেতৃত্বে  স্কাউট সদস্যদের সাক্ষাতকালে  রাষ্ট্রপতি বলেন তরুণদের মধ্যে নিয়মানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, নীতি-নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের চেতনা গড়ে তোলাই হোক স্কাউট আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য। দেশের উন্নয়ন ও সমাজসেবায় স্কাউটদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:০৫ পিএম

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দুই দিনের ঠাকুরগাঁও সফরকালে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদের সদস্যগণ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। অদ্য (৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে) রাষ্ট্রপতির  নিজ বাসভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। 


এ মতবিনিময় সভায় রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্র, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য।  তিনি মফস্বলভিত্তিক সাংবাদিকদের তৃণমূল ও প্রান্তিক মানুষের কথা নিষ্ঠার সঙ্গে যথাযথভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান। 


ঠাকুরগাঁও-এর সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ দেশের মফস্বল সাংবাদিকদের বিভিন্ন অসুবিধা ও দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন। ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের ভবন সম্প্রসারণ, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় ঠাকুরগাঁও-এর স্থানীয় নির্যাতিত সাংবাদিকদের জন্য সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দসহ সংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড গঠনের ব্যাপারেও রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 


রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের আস্বস্ত করে বলেন, সাংবাদিকদের  অসুবিধা ও দাবিগুলি পূরণে তিঁনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের  ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


এ সময় রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব, সরওয়ার  আলম, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু ও সাধারন সম্পাদক তানভীর হাসান তানু, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : সোমবার ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৫৪ পিএম
  • আপডেট : সোমবার ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৫৪ এএম


  • প্রকাশ : সোমবার ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৫৪ পিএম

মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন লেমুছড়ি ও দোছড়ির দুর্গম পাহাড়ি রুট ব্যবহার করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ইয়াবা কারবার। আর এই সীমান্তভিত্তিক বিশাল মাদক সিন্ডিকেটের নেপথ্যে মূল হোতা হিসেবে উঠে এসেছে স্থানীয় রুহুল আমিনের নাম। সাধারণ এক সাবেক গাড়ি চালক থেকে ইয়াবা পাচারের মাধ্যমে স্বল্প সময়েই তিনি নামে-বেনামে অঢেল ভূসম্পত্তির মালিক বনে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।


এলাকাবাসীর তথ্যমতে, রুহুল আমিন একসময় সাধারণ গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করলেও বর্তমানে তিনি নিজের ‘ট্যুরিস্ট জিপ’ গাড়িকে অপরাধের প্রধান আড়াল হিসেবে ব্যবহার করছেন। পর্যটন ও চলাচলের বাহানার আড়ালে লেমুছড়ি ও দোছড়ির সীমান্ত দিয়ে আনা ইয়াবার বড় বড় চালান তার নিজস্ব পরিবহনে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়।


​আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভয়ে আত্মগোপন


সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় গা ঢাকা দিয়েছেন অভিযুক্ত রুহুল আমিন। বর্তমানে তিনি প্রকাশ্যে না এসে আত্মগোপনে থেকেই নেপথ্যে পুরো সিন্ডিকেটের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অবৈধ মাদক কারবারের মাধ্যমে রাতারাতি অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন রুহুল আমিন। লেমুছড়িসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ জমি কিনেছেন তিনি। দ্রুত অনুসন্ধান চালিয়ে এই ইয়াবা সম্রাট ও তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৪০ পিএম

ব্যাংক থেকে ৭ লাখ টাকা তুলে সোফায় বসে স্ত্রী, পুত্রবধূকে নিয়ে টাকা গুনে গুনে পেছনে জমা করছিলেন গ্রাহক। হঠাৎ পাশে বসা চোর কৌশলে ৪ লাখ টাকা নিয়ে সটকে পড়ে। কুমিল্লায় এমন একটি ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কুমিল্লার দেবিদ্বারে পূবালী ব্যাংক শাখায় এ ঘটনা ঘটে। টাকার হিসেব মিলাতে না পেরে হাউ মাউ করে কাঁদতে থাকেন গ্রাহক মো. জাকির হোসেন ও তার পরিবার। পরে ব্যাংকের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেই তিনি নিশ্চিত হন কীভাবে তার টাকা চুরি হয়েছে।


সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামের চানমিয়া সরকার বাড়ির বাসিন্দা মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. জাকির হোসেন রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দেবিদ্বারে পূবালী ব্যাংক শাখা থেকে নিজ প্রয়োজনে ৭ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। এর মধ্যে ছিল এক হাজার টাকা নোটের ৫টি বান্ডেল, ৫০০ টাকার ২টি এবং ১০০ টাকার ১০টি বান্ডেল দেন।


এরপর জাকির হোসেন ব্যাংকের ভেতর সোফায় বসে স্ত্রী আয়েশা আক্তার ও পুত্রবধূ পলি আক্তারসহ টাকা গুনছিলেন। প্রথমে এক হাজার টাকার ৪টি বান্ডেল ৪ লাখ টাকা গুনে পেছনে রাখেন। পরে সবাই বাকি টাকা মনোযোগসহকারে গুনতে শুরু করেন। টাকা গোনা শেষে ৭ লাখ টাকার হিসেব না মেলাতে পেরে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হন পাশে বসা ব্যক্তিই টাকা চুরি করেছেন। এই ঘটনায় রাতেই মো. জাকির হোসেন বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় অভিযোগ দাখিল করেন।


এ বিষয়ে দেবিদ্বারে পূবালী ব্যাংক শাখার ব্যবস্থাপক মো. ওয়ায়েছ মাসুম চৌধূরী বলেন, একজন গ্রাহক টাকা উত্তোলন করে গণনায় ব্যস্ত ছিলেন। টাকা গুনে গুনে পেছনে রাখছেন অথচ ডান-বামে লক্ষ্য করছেন না। এ সুযোগে প্রতারক চক্রের সদস্য কৌশলে ৪ লাখ টাকার ৪টা বান্ডেল নিয়ে চলে যায়।


দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, সঙ্গে সিসি ক্যামেরার ফুটেজও পেয়েছি। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৩৮ পিএম

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে তিনি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলে ঠাকুরগাঁওসহ আশপাশের জেলার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বহুগুণ বাড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটিই তার প্রথম সরকারি সফর। দুই দিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।


এর আগে রোববার দুপুরে দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ঠাকুরগাঁওয়ের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। পরে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী তাকে স্বাগত জানানো হয় এবং সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।


সার্কিট হাউসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাষ্ট্রপতি তার মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন তিনি।


স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের চাহিদার কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই জেলা অনেকটাই অবহেলিত। ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের জন্য উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়া হবে। তিনি জানান, এরই মধ্যে জেলায় মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।


রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কর্মসংস্থান সৃষ্টি জরুরি। বেকারত্ব দূর করতে নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি। তরুণদের শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।


দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়; বরং আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র যাতে বজায় থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৮ এএম

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দাউদপুর সীমান্ত দিয়ে ৬০ থেকে ৭০ জন নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় গ্রামবাসীর বাধায় তা প্রতিহত হয়েছে। এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গতকাল রোববার রাত ১০টার দিকে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (বিজিবি ২০) আওতাধীন দাউদপুর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তের ২৮৯/৫১এস ও ২৮৯/৫৬এস সীমানা পিলার থেকে ২০–৩০ গজ দূরে ভারতের ভেতরে নিচা গোবিন্দপুর এলাকায় ওই নারী-পুরুষেরা বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করছেন।


দক্ষিণ দাউদপুর গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মইনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কয়েকজন নারী-পুরুষকে দাউদপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন) চেষ্টা করে বিএসএফ। বিষয়টি জানতে পেরে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় বিজিবি তা প্রতিহত করে। এর পর থেকে সীমান্তে বিজিবি, গ্রাম পুলিশ, আনসার সদস্য ও গ্রামবাসী সতর্ক অবস্থানে আছেন।


স্থানীয় বাসিন্দা মাহাফুজুর রহমান বলেন, ‘আমাদের জীবন থাকতে ভারতের কোনো মানুষকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে দেব না। প্রয়োজনে গ্রামবাসী লাঠি হাতে সারা রাত সীমান্ত পাহারা দেব।’


বিজিবির প্রচেষ্টায় বিএসএফ একজনকেও বাংলাদেশে পাঠাতে পারেনি বলে জানান দাউদপুর বিজিবি বিওপি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মাহাবুবুর রহমান। গ্রামবাসীও বিজিবিকে সহযোগিতা করেছেন। তাঁদের বাধার মুখে ভারত থেকে বাংলাদেশের দিকে আসা লোকজন আর এগোতে পারেনি।

সর্বশেষ সব খবর