আবাসিক এলাকায় কন্টেইনার ডিপো নির্মাণে এলাকাবাসীর ক্ষোভ
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় প্রস্তাবিত কন্টেইনার ডিপো নির্মাণকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও মারাত্মক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যমান নীতিমালা উপেক্ষা করে আবাসিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংলগ্ন এলাকায় এই ডিপো স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, ঘোড়াশাল রেলওয়ে ফ্লাগ স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ডিপো স্থাপনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে প্রাথমিক সীমানা নির্ধারণ ও মাইকিং করে বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং সকল স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। প্রস্তাবিত ডিপোর আওতায় ঘোড়াশাল সাদ্দাম বাজার থেকে মুসাবিন হাকিম ডিগ্রি কলেজ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা অন্তরর্ভুক্ত রয়েছে।এখানে রয়েছে একটি ডিগ্রি কলেজ, প্রাথমিক বিদ্যালয়, পৌরসভার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, খেলার মাঠ, মসজিদ, মাদ্রাসা, নিবন্ধিত খেলাধুলা করার ক্লাব, সরকারি ডাকঘরসহ ঐতিহ্যবাহী পাল পাড়া।
স্থানীয়রা বলেন, এখানে কন্টেইনার ডিপো স্থাপন আমাদের অস্তিত্বের ওপর সরাসরি আঘাত। উন্নয়নের নাম দিয়ে যদি আমাদের ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক কেন্দ্রগুলোকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয় তা হলে সেই উন্নয়ন আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। একটি ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় কন্টেইনার ডিপো স্থাপন মানে শুধু একটি প্রকল্প নয়। এটা আমাদের প্রতিদিনের জীবনের ওপর এক ভয়াবহ চাপ। অবিরাম শব্দদূষণ, অমানবিক যানজট, প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার ঝুঁকি এবং পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কায় একটি পুরো জনপদকে ধীরে ধীরে শ্বাসরুদ্ধ করে তোলা হবে। এটা কোনোভাবেই উন্নয়ন নয়। এটা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে থামিয়ে দেওয়া। আমাদের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া। আমাদের সন্তানের নিরাপদ শৈশব, শিক্ষার নিশ্চয়তা, প্রবীণদের শান্ত ও নিরাপদ জীবন, আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সামাজিক বন্ধন সবকিছুই আমাদের কাছে অমূল্য। এই মূল্যবোধগুলোকে ভেঙে দিয়ে কোনো তথাকথিত উন্নয়ন প্রকল্পকে আমরা স্বাগত জানাতে পারি না।
ঘোড়াশাল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. হেলাল উদ্দিন বলেন, ঘোড়াশাল শুধু একটি এলাকা নয়- এটি মানুষের বসতি, স্বপ্ন, শিক্ষা আর সংস্কৃতির এক জীবন্ত কেন্দ্র। এখানে কন্টেইনার ডিপোর মতো ভারী ও ঝুকিপূর্ণ প্রকল্প চাপিয়ে দেওয়ার অর্থ হচ্ছে, ইচ্ছাকৃতভাবে একটি জনপদকে বসবাসের অযোগ্য করে তোলা। উন্নয়নের নামে যদি মানুষের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ হয়, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হয়, মসজিদ-মাদ্রাসা-ঈদগাহ-খেলার মাঠ হুমকির মুখে পড়ে, তাহলে সেই উন্নয়ন আসলে উন্নয়ন নয়, সেটি হচ্ছে অবিচার। সরকারের নিজস্ব নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, এ ধরনের ডিপো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে দূরে স্থাপন করতে হবে।
আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে দিতে চাই। ঘোড়াশালের মানুষ নীরব থাকতে জানে, কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেও জানে। এই প্রকল্প যদি জনমত উপেক্ষা করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়, তাহলে আমরা গণমানুষকে সঙ্গে নিয়ে আইনগত ও গণতান্ত্রিক সব ধরনের আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পাইকসা দাখিল মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষক কায়ছারুল আলম খান মিঠু বলেন, উন্নয়ন প্রয়োজন, তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে এ ধরনের প্রকল্প হলে পড়াশোনায় ব্যঘাত ঘটবে। ভারী যানবাহনের শব্দে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। এ ধরনের প্রকল্প স্থাপন করা হলে তার নেতিবাচক প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে শিক্ষার্থীদের উপড়।
তাছাড়া ভারী যানবাহনের অবিরাম চলাচল, হর্নের উচ্চ শব্দ এবং যান্ত্রিক কার্যক্রমের কারণে তীব্র শব্দদূষণ সৃষ্টি হবে, যা শ্রেণীকক্ষে পাঠদান ও পাঠগ্রণের স্বাভাবিক পরিবেশকে বিঘ্নিত করবে। সকল উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহনের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও শিক্ষার মান অক্ষুন্ন রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ক্রীড়া সংগঠক উদয়ন সংঘ ক্লাবের সাধারন সম্পাদক এস.এম.আল আমিন বলেন, কন্টেইনার ডিপো নির্মাণের এই সিদ্ধান্ত আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। এটি শুধু একটি অবকাঠামো প্রকল্প নয়।এটি সরাসরি আমাদের ক্রীড়া সংস্কৃতি, তরুন সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর আঘাত।
এই এলাকায় যে মাঠে প্রতিদিন শত শত তরুন খেলাধুলা করে, সেটা ধ্বংস হয়ে গেলে তারা বিপথে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি অপরাধ ও মাদক থেকে দূরে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তরুনদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঠেলে দিয়ে কোনো উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য নয়।
পরিবেশবীদরা মনে করছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে, সার্বক্ষণিক যানবাহনের আসা-যাওয়া, হর্নের শব্দ এবং যান্ত্রিক কার্যক্রমের কারণে শব্দ দূষণ উল্লেখ্য যোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে, যা বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলবে। পাশাপাশি যানবাহনের ধোঁয়া ও অন্যান্য নির্গমনের ফলে বায়ু দূষণও বাড়বে, যা শিশু, বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
এছাড়াও এলাকায় বহিরাগতদের আনাগোনা বাড়বে, ভারী যানবাহনের চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং এর ফলে সড়ক দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও বেড়ে যেতে পারে। এতে করে এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হবে।
সব মিলিয়ে, এ ধরনের একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বসবাসের অনুকূল পরিবেশ নষ্ট হয়ে গিয়ে এলাকা ধীরে ধীরে বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠতে পারে।
এদিকে ‘আইসিডি ও কন্টেইনার ফ্রেইট স্টেশন (সিএফএস) নীতিমালা, ২০২১’ অনুযায়ী, নতুন কন্টেইনার ডিপো স্থাপনের ক্ষেত্রে তা শহর বা পৌরসভার বাইরে এবং আবাসিক এলাকা থেকে কমপক্ষে ২০ কিলোমিটার দূরে হওয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়া অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ও ভারী যানবাহন চলাচলের উপযোগী অবকাঠামো নিশ্চিত করার নির্দেশনাও রয়েছে।প্রস্তাবিত স্থানটি ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় এসব শর্ত পূরণ করা সম্ভব নয়।
প্রকল্পটির পরিবেশগত ছাড়পত্র নেওয়া হয়েছে কিনা এ বিষয়ে জানতে নরসিংদী পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের করা হলে সহকারী পরিচালক প্রশান্ত কুমার রায় বলেন, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন। এ ব্যপারে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তীব্র স্রোতে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে ভিড়তে না পেরে কয়েক কিলোমিটার ভাটিতে ভেসে গেছে রো-রো ফেরি ‘হামিদুর রহমান’। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ফেরিতে থাকা যাত্রী ও যানবাহনের চালকরা। ভেসে যাওয়া ফেরিটিতে ৮টি যাত্রীবাহী বাস, ৪টি ট্রাক ও ৩টি প্রাইভেটকার রয়েছে। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, সকাল পৌনে ১০টার দিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা রো-রো ফেরি ‘হামিদুর রহমান’ মাঝ নদী পার হলে তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে ত্রুটি দেখা দেয়। পরে ফেরিটি স্রোতে নিচের দিকে যেতে থাকলে সেখানেই নোঙর করা হয়। এরপর রুটে চলাচলকারী অপর রো-রো ফেরি ‘খানজাহান আলী’ গিয়ে ফেরিটিকে উদ্ধার করে।
তীব্র স্রোতের কারণে মাঝে মধ্যে এ রকম ভাটির দিকে ফেরি ভেসে যাওয়ার ঘটনা ঘটে থাকে।
কক্সবাজার সদর উপজেলার হাজীপাড়ায় চট্টগ্রাম কোর্টে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা শহিদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৯০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৮৫০ টাকাসহ তার শ্যালক মোমেন মেহেদী আশিক, স্ত্রী সাদিয়া ফারহানা এবং এক সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের বাসিন্দা, তারা ইয়াবাপাচারের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার তার বোন জামাই এসআই শহিদুল্লার বাড়িতে মাদক সহ অবস্থান করে।
ভোর ৬টা থেকে কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সোমেন মন্ডলের নেতৃত্বে সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের হাজীপাড়ায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে মাদক ও টাকা উদ্ধার এবং গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তীতে তাদেরকে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন।
দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে এসে সুগার মিল ট্রেনিং কমপ্লেক্সের সামনে বৃক্ষরোপন, মিলের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আখচাষীদের সাথে মতবিনিময়, চিনিকল এরিয়ার আখ ক্ষেত পরিদর্শন ও চাষীপ্লটে আখরোপন করেছেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো: শামছুজ্জামান (সুরুজ)।
৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর দুই দিনের সরকারি সফরে এসে এসব কর্মসুচিতে অংশ নেন তিনি। এসময় তাঁর সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফআইসি সচিব মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান।
জানা যায়, ক্রমাগত লোকসানে থাকা সুগার মিলগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে ধারাবাহিকভাবে করপোরেশনের আওতাধীন মিলগুলো পরিদর্শন করছেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো: শামছুজ্জামান সুরুজ। এরই ধারাবাহিকতায় দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে এসেছেন তিনি।
সফরের প্রথম দিন ৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে তিনি ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের গেস্ট হাউজে পৌঁছালে তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস্ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবীর এবং জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) মো: আবু রায়হান।
এসময় মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) সাইফুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) নুরুল আমিন, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) সুভাষ চন্দ্র সিংহ, ডিজিএম (সম্প্রসারন) মো: তাজিরুল ইসলাম, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও ব্যবস্থাপক (উৎপাদন) মো: হাসানুজ্জামান, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি ও ঠাচিক শ্রমিক ইউনিয়নরে সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ খাঁন রতন সহ মিলের উর্ধতন কর্মকর্তা, শ্রমিক-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
সফরের দ্বিতীয় দিনে ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের অধিগ্রহনকৃত জমিতে নির্মানাধীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান। ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে তিনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ও চিলারং ইউনিয়নের ২জন আখচাষীর প্লটে আখরোপন করেন ও আখচাষীদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। এর আগে তিনি ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের কারখানা বিভাগ সহ অন্যান্য দপ্তর পরিদর্শন করেন।
মিল পরিদর্শনকালে তিনি মিলের দূর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করেন এবং তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দেন।
তাঁর এ সফর ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস্ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: হুমায়ন কবীর।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর পৃথক পাঁচটি বিশেষ অভিযানে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর ও পীরগঞ্জ সীমান্ত এবং দিনাজপুরের বিরল সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট, ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসব অভিযানে একজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় একটি মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও ব্লুটুথ ইয়ারবাডও জব্দ করা হয়।
বিজিবির দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা ৪০ মিনিটে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গোবিন্দপুর বিওপির একটি দল ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার সীমান্ত পিলার ৩৪৫/১-আর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বোটডাঙ্গী ঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ২৬টি ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি মোটরসাইকেল, একটি মোবাইল ফোন, দুটি সিমকার্ড ও একটি ব্লুটুথ ইয়ারবাডসহ মো. শামীম আকতার (২৬) নামে একজনকে আটক করা হয়।
আটক শামীম আকতার ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মো. আব্দুল লতিফের ছেলে। পরে তাকে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য মালামালসহ হরিপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
একই দিন সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে চাপসার বিওপির পৃথক অভিযানে হরিপুর উপজেলার সীমান্ত পিলার ৩৪৭/৬-এস থেকে প্রায় ৯০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভাতুরিয়া এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া রাত ৮টা ২০ মিনিটে চান্দুরিয়া বিওপির অভিযানে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত পিলার ৩৩৭/৪-এস থেকে প্রায় এক কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চান্দুরিয়া এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ২৭টি ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পরে রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে দিনাজপুর বিওপির আরেকটি অভিযানে পীরগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত পিলার ৩৪০/৩-এস থেকে প্রায় ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দস্তমপুর এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ৫৮টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে বিজিবি।
সবশেষে ৭ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে এনায়েতপুর বিওপির অভিযানে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার সীমান্ত পিলার ৩২২/৩-এস থেকে প্রায় এক কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কইকুরি এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ৪০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি জানায়, এসব অভিযানে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য মালামালের সর্বমোট সিজার মূল্য ১ লাখ ৯০ হাজার ৩০০ টাকা।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত ও কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক, মানব ও অস্ত্র পাচারসহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আজ এই এলাকার মানুষের জন্য আনন্দের দিন। কারণ, এখন থেকে এই এলাকার মানুষ উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন এবং এ অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটবে। তরুণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এই এলাকার মানুষ সেই সুযোগ গ্রহণ করবেন এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়কে সত্যিকার অর্থেই একটি সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তুলবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।’ তিনি৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল সোয়া ১১ টায় সদর উপজেলার জামালপুর এলাকার আমতলী রেল ঘুন্টির ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে মহেশালী (ভাতার মারি ফার্মে) প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে ভিত্তিস্তর স্থাপন করে উপরোক্ত কথা বলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেব খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেন এবং পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন। সেই প্রেক্ষাপটে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো। আমি আশা করি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাইন ও অবকাঠামোর নকশা তৈরি হবে এবং নির্মাণকাজ শুরু হবে।’রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর অবশেষে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো। এর মধ্য দিয়ে জেলায় উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ তৈরির প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।
দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র যাতে বজায় থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। রাষ্ট্রপতির সফর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকে ঘিরে ঠাকুরগাঁওজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শহরের প্রধান সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও বিভিন্ন স্থাপনা সাজানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানস্থল ও যাতায়াতের পথেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা।
ঠাকুরগাঁও শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মহেশালী এলাকায় প্রায় ৮৬ একর জমিতে নির্মিত হতে যাচ্ছে এই বিদ্যাপীঠ। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বোর্ড থেকে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ কোটি ১২ লাখ টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হয় ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালযয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মো. ইসরাফিল শাহিন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বোর্ডের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, জেলা ও পুলিশ প্রশাসন সহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সদস্যরা ।
উল্লেখ্য, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এ জেলায় দীর্ঘদিনের উচ্চশিক্ষার দাবির বাস্তবায়ন শুরু হলো। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলে ঠাকুরগাঁওসহ আশপাশের জেলার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য জেলায় যাওয়ার প্রবণতা কমবে এবং এ অঞ্চলে শিক্ষা ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন সবাই।
নাটোরের লালপুরে মহিষের খামারিদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে সড়কের ওপর জমছে গোবর ও বর্জ্য। এতে একদিকে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে সৃষ্টি হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিলমাড়ীয়া বাজার থেকে কামারের মোড়, কামারের মোড় থেকে মোহরকয়া বাজার ও মোহরকয়া পশ্চিমপাড়া এবং বিলমাড়ীয়া থেকে ভেল্লাবাড়ীয়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে রাস্তার ওপর মহিষ পালন ও খামারের বর্জ্য ফেলার কারণে চলাচলের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।
বিশেষ করে কামারের মোড় থেকে মোহরকয়া বাজার ও পশ্চিমপাড়া অভিমুখী সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় খানাখন্দ, কাদা-পানি ও দুর্গন্ধে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এর সঙ্গে স্থানীয় খামারগুলোর গোবর, আবর্জনা ও বর্জ্যপানি সড়কের ওপর পড়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বছরজুড়েই সড়কটির বিভিন্ন অংশ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে থাকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামীণ এ সড়কের বিস্তীর্ণ অংশে জমে আছে নোংরা পানি ও প্যাচপ্যাচে কাদা। কোথাও কোথাও চাকার দেবে যাওয়া গর্ত ও গভীর খাদ তৈরি হয়েছে। এসব গর্ত ও কাদা-পানি পার হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারী, বয়োবৃদ্ধ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় যানবাহনের চালকেরা। সামান্য বৃষ্টি হলেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কের দুই পাশে কয়েকজন প্রভাবশালী ও স্থানীয় বাসিন্দার মহিষের খামার রয়েছে। খামারের গোবর, আবর্জনা ও বর্জ্যপানি নিষ্কাশনের যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় তা রাস্তার ওপর চলে আসে। এতে সড়কজুড়ে গোবর ও কাদার মিশ্রণ তৈরি হয় এবং আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র দুর্গন্ধ।
এতে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকায় মশার উপদ্রবসহ পরিবেশগত নানা সমস্যাও দেখা দিয়েছে বলে জানান তারা।
একই অবস্থা বিলমাড়ীয়া থেকে ভেল্লাবাড়ীয়া সড়কের বিভিন্ন অংশেও। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকটি মহিষের খামারের কারণে ওই সড়কে দূরপাল্লার যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে না।
এ ছাড়া বিলমাড়ীয়া বাজার থেকে কামারের মোড় পর্যন্ত সড়কের কিছু অংশে সরকারি জায়গা দখল করে মহিষ পালন ও বিভিন্ন স্থাপনা তৈরির অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। এতে সড়ক সংকুচিত হয়ে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে বলে তাদের দাবি।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইয়াকিন আলী বলেন, “মোহরকয়া গোরস্থান অভিমুখী এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাচল করেন। বিশেষ করে গ্রামের মানুষ বিলমাড়ীয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে নামাজ পড়তে এবং মোহরকয়া কেন্দ্রীয় গোরস্থানে লাশ নিয়ে যাতায়াত করেন। রাস্তার এই অবস্থার কারণে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।”
বিলমাড়ীয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের একাধিক মুসল্লি অভিযোগ করেন, মহিষের কারণে মসজিদে যাতায়াত অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। সড়কে থাকা গোবর ও মলমূত্র কাপড়ে লেগে যাওয়ায় ধর্মীয় দিক থেকেও তারা সমস্যায় পড়ছেন বলে জানান।
বিলমাড়ীয়া বাজারের ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বলেন, “রাস্তা দখল করে মহিষ পালন করায় মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে না। দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
মোহরকয়া গ্রামের বাসিন্দা রেজাউল বলেন, “গোরস্থানে লাশ নিয়ে যেতে আমরা ভয় পাই। রাস্তা নোংরা, তার ওপর বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, মোহরকয়া কেন্দ্রীয় কবরস্থান, মোহরকয়া ডিগ্রি পাস ও অনার্স কলেজ, মোহরকয়া উচ্চ বিদ্যালয়, বিলমাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়, বিলমাড়ীয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বিলমাড়ীয়া কলেজ, বিলমাড়ীয়া দাখিল মাদ্রাসা, বিলমাড়ীয়া দারুল উলুম হাফেজিয়া মাদ্রাসা, বিলমাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাথানবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ দুটি ইউনিয়নের বিপুলসংখ্যক মানুষ এসব সড়ক ব্যবহার করেন।
এ অবস্থায় দ্রুত সড়ক সংস্কার, পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং সড়কের ওপর খামারের বর্জ্য ফেলা বন্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। একই সঙ্গে সরকারি জায়গা দখল করে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হলে তা উচ্ছেদেরও দাবি করেছেন তারা।