প্রবাসী বন্ধুর বিশ্বাস ভেঙে বেকার যুবক কোটিপতি!

কক্সবাজারে গেস্ট হাউস ঘিরে অনৈতিক বাণিজ্যের অভিযোগ

প্রবাসী বন্ধুর বিশ্বাস ভেঙে বেকার যুবক কোটিপতি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:১৮ পিএম

কক্সবাজার পর্যটন জোনের শরণ আবাসিক প্রকল্পে অবস্থিত ‘সাগর কান্তা গেস্ট হাউস’-এর ভাড়াটিয়া নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মালিকের স্বাক্ষর জাল করে স্ট্যাম্প ও চুক্তিপত্র তৈরি, বিশ্বাসভঙ্গ, আমানত খেয়ানত এবং গেস্ট হাউসকে কেন্দ্র করে অনৈতিক ব্যবসা পরিচালনার মতো চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। প্রবাসী বন্ধুর বিশ্বাস ও সহযোগিতাকে পুঁজি করে দীর্ঘদিন গেস্ট হাউসটি ভোগদখলে রেখে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নজরুল কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।


গেস্ট হাউসের মালিক কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীর বাসিন্দা ফরিদুল আলম ভাড়াটিয়া নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন।


দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, নজরুল ইসলাম গেস্ট হাউসটি ভাড়া নেওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অবৈধ দেহব্যবসা ও প্রকাশ্যে ইয়াবার বেচাকেনাসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। এসব কর্মকাণ্ড সাংবাদিকদের নজরে আসার পর বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও স্থানীয় একাধিক দৈনিকে একাধিকবার সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।


বিষয়টি নজরে আসার পর গেস্ট হাউসের মালিক ফরিদুল আলম দীর্ঘদিন ধরে নজরুলকে গেস্ট হাউস ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তবে ভাড়ার মেয়াদ শেষ না হওয়ার অজুহাতে দখল ছাড়তে আপত্তি জানান ভাড়াটিয়া। ২০২৫ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি গেস্ট হাউসের দখল ছাড়েননি বলে অভিযোগ। বরং লাঠিয়াল ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে গেস্ট হাউসটি স্থায়ীভাবে দখলে রাখার চেষ্টা এবং প্রকৃত মালিকের ওপর বিভিন্ন মহলের মাধ্যমে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও রয়েছে।


এরই মধ্যে পূর্বের ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে কয়েকজন ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতার অনুরোধে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত আরও ছয় মাসের জন্য বিশেষ শর্তে চতুর্থবারের মতো চুক্তি সম্পাদন করা হয়। ওই চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়-কোনো অবস্থাতেই বা কোনো অজুহাতে নজরুল ইসলামের সঙ্গে আর নতুন করে চুক্তি করা হবে না। একই সঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে পূর্বের বকেয়া প্রায় ৬ লাখ টাকা গেস্ট হাউসের মালিক ফরিদুল আলমকে পরিশোধ করার শর্তও দেওয়া হয়।


গেস্ট হাউস মালিক একাধিকবার বকেয়া টাকা পরিশোধ করে গেস্ট হাউসের দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ভাড়াটিয়াকে তাগাদা দিলেও নজরুল দখল ছাড়তে নানা তালবাহানা শুরু করেন বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে ২০২৭ সাল পর্যন্ত ভাড়ার মেয়াদ বাড়িয়ে মালিকের স্বাক্ষর জাল করে নতুন স্ট্যাম্প ও চুক্তিপত্র তৈরি করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। এ সময় কতিপয় সন্ত্রাসীকে ব্যবহার করে মালিক ফরিদুল আলমকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করা হয়েছে।


অবশেষে গত ১৩ আগস্ট গেস্ট হাউসের মালিক ফরিদুল আলমের উদ্যোগে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নজরুল ইসলামের কাছে থাকা চুক্তিপত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং সেটি জাল বলে অভিযোগ উত্থাপিত হয়। একই বৈঠকে গেস্ট হাউস মালিকের প্রায় ৬ লাখ টাকা পাওনা থাকার বিষয়টিও আলোচনায় আসে। পরবর্তীতে নজরুল ইসলামকে গেস্ট হাউসের দখল ছেড়ে দিতে হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

তবে পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে এর আগেই রাতের আঁধারে গেস্ট হাউসের টেলিভিশন, চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন মালিকপক্ষ।


এরপর গত ২৫ আগস্ট কক্সবাজার সদর মডেল থানায় উল্টো গেস্ট হাউসের মালিক ফরিদুল আলমসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন নজরুল ইসলাম। তাঁর অভিযোগ, নগদ টাকা, মোটরসাইকেল ও ৪ লাখ টাকার একটি চেকসহ তাঁকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গেস্ট হাউস থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়েছে।


শুধু তাই নয়, এসব ঘটনার বর্ণনা দিয়ে কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবে গেস্ট হাউস মালিক ফরিদুল আলম ও আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনও করেন নজরুল। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে পড়লেও অভিযোগগুলোর বিষয়ে সন্তোষজনক জবাব দিতে না পেরে একপর্যায়ে কৌশলে সংবাদ সম্মেলনস্থল ত্যাগ করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৬-১৭ বছর ধরে প্রবাসী বন্ধু ফরিদুল আলমের মালিকানাধীন গেস্ট হাউসটি নামমাত্র ভাড়ায় ভোগদখল করে আসছেন নজরুল ইসলাম। ২০১৭ সালে বছরে ৫ লাখ টাকা ভাড়ায় প্রথম আনুষ্ঠানিক চুক্তিপত্র সম্পাদিত হয়। এরও প্রায় সাত বছর আগে থেকে গেস্ট হাউসের মালিক বিদেশে অবস্থান করায় বন্ধুত্ব ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে নজরুলকে গেস্ট হাউসটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে মালিকপক্ষের দাবি।


প্রথম চুক্তিপত্রে প্রথম বছরের ভাড়া ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তী প্রতিটি বছর মূল ভাড়ার সঙ্গে আরও ৫০ হাজার টাকা করে যোগ হওয়ার শর্ত ছিল।


মালিকপক্ষের অভিযোগ, ওই চুক্তিপত্রে থাকা ফরিদুল আলমের স্বাক্ষর নকল করে পরবর্তীতে একাধিক চুক্তিপত্র তৈরি করা হয় এবং এভাবে গেস্ট হাউসের ভাড়ার মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। এর মাধ্যমে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।


এ ছাড়া ‘সাগর কান্তা গেস্ট হাউস’কে কেন্দ্র করে পর্যটকদের টার্গেট করে সংঘবদ্ধভাবে প্রতারণারও অভিযোগ রয়েছে। মালিকপক্ষের দাবি, পতিতা ও হিজড়াদের ভাড়া করে সমুদ্রসৈকতে পাঠানো হতো। সেখানে উঠতি বয়সী পর্যটক ও যুবকদের বিভিন্নভাবে প্রলোভিত করে গেস্ট হাউসে নিয়ে আসা হতো। পরে তাদের রুমে নিয়ে গিয়ে সর্বস্ব ছিনিয়ে নিয়ে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


আবার কোনো কোনো পর্যটককে ইয়াবা দিয়ে প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গেস্ট হাউসটিকে একটি অপরাধের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত করে বিপুল অর্থ উপার্জনের কৌশল নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ মালিকপক্ষের।


তবে নজরুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। অন্যদিকে মালিকপক্ষের অভিযোগের পক্ষে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত গণমাধ্যমের প্রতিবেদন, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য এবং অন্যান্য নথিপত্রে ভিন্ন চিত্র পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।


সব মিলিয়ে, দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও বিশ্বাসের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া একটি গেস্ট হাউস পরিচালনার দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত ভাড়াটিয়া-মালিকের মধ্যে বিরোধ, চুক্তিপত্র জালিয়াতি, দখল নিয়ে টানাপোড়েন এবং অনৈতিক ব্যবসার অভিযোগে গড়িয়েছে। মালিকপক্ষের দাবি, বেকার যুবক নজরুল ইসলাম ওই গেস্ট হাউসকে ব্যবহার করে অনৈতিক ব্যবসার মাধ্যমে রাতারাতি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন।


ঘটনাটির প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।



সর্বশেষ সব খবর

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় ফজলুল হক মিলন

  • প্রকাশ : বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৫২ পিএম

গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক একেএম ফজলুল হক মিলন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন এক জননন্দিত রাষ্ট্রনায়ক। জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী আদর্শের সাথে দেশের জনগণকে একত্রিত করার লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-(বিএনপি) গঠন করেন। বাংলাদেশী মানুষের জন্য দিনটি আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার। বিএনপি বাংলাদেশি ভূখন্ডের পূর্ণ স্বাধীনতা, শক্তিশালী সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রকে স্থায়ী রূপ দেয়ার নীতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। জিয়াউর রহমান শহীদ হওয়ার পর অনেকেই মনে করেছিল, বিএনপি ধসে যাবে। কিন্তু ধসে যায়নি। তাঁর অনুপস্থিতিতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে জনগণের আস্থা ধরে রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বিএনপি যেকোনো ত্যাগ তিথিক্ষার জন্য প্রস্তুত আছে। 


মঙ্গলবার বিকেলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে কালীগঞ্জ আর আর এন পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাষ্টার।  



উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু ও কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মো. ইব্রাহীম প্রধানের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ হোসেন আরমান। বিশেষ অতিথি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোলায়মান আলম, আশরাফী হাবিবুল্লাহ, মো. খাইরুল আহসান মিন্টু, কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. লুৎফুর রহমান। সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী শাওন, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হাসানুর রহমান জুয়েল, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পদক মো. ইয়াছিন মোল্লা, পৌর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সালাহ্ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।


এ সময় তুমলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সিরাজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন আহমেদ, বাহাদুরশাদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, জামালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ দেওয়ান, জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নেছার আহমেদ নুহু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাশিদুল হাসান রিপনসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৩০ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৩০ পিএম


  • প্রকাশ : বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৩০ পিএম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন জাতের ফলজ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে খেপুপাড়া নেছারুদ্দীন কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এসব চারা রোপন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক এবং সম্ভাব্য পৌর মেয়র প্রার্থী আবু হাসনাত রিমন সিকদার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সজল বিশ্বাস, সদস্য দোয়েল শিকদার, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বিশ্বাস রাশেদ মোশাররফ কল্লোল, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম, সহ সভাপতি আবু বক্কর, যুব নেতা জহিরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান বাবু, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোঃ সোহেল সিকদার, সাবেক ছাত্র নেতা আরিফ ও রিয়াদ।


এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মোঃ ওয়ালিউল্লাহ, সহকারী অধ্যাপক মোঃ আবদুল কাইউম ও মোঃ মাছুম বিল্লাহ রুমি, প্রভাষক মোঃ নজরুল ইসলাম ও সালমান, সহকারী শিক্ষক মোঃ আবদুল ওহাব ফরাজী, মোঃ শাহিন সিকদার ও মোঃ নূরে আলম মুরাদ, সহকারী মৌলভী মোঃ রিয়াজ রহমান, ইবঃ ক্বারী মোঃ ফোরকানুল ইসলাম এবং অফিস সহকারী মোঃ সাইদুর রহমান সিফাতসহ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


উপজেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক এবং সম্ভাব্য পৌর মেয়র প্রার্থী আবু হাসনাত রিমন সিকদার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাঁচ বছরে পাঁচ কোটি গাছের চারা রোপন কর্মসূচী এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা রোপন করা হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৫৩ পিএম

কুয়াকাটায় ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের লাঞ্ছিত ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে কর্তব্যরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. রিয়াজের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে অসুস্থ ছয় বছরের ছেলেকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ওই হাসপাতালে যান কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের পশ্চিম খাজুরা গ্রামের মোর্শেদা বেগম। তখন তার কাছ থেকে ৫০০ টাকা ভিজিট দাবি এবং টাকা না দিলে প্রেসক্রিপশন দেওয়া হবে না। এমনকি ‘ভিজিট না দিলে রোগ ভালো হবে না’ বলেও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।




মোর্শেদা বেগমের অভিযোগ, আর্থিক সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ছেলের চিকিৎসা করাতে পারেননি। শুক্রবার ধার-দেনা করে এক হাজার টাকা সংগ্রহ করে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে ছেলেকে দেখাতে যান। পরে ওই ফার্মেসির সহযোগিতায় পরিচিত একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে বিনামূল্যে কিছু পরীক্ষা করান। পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে সরকারি হাসপাতালে গেলে কর্তব্যরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. রিয়াজ তার ওপর ক্ষিপ্ত হন।


মোর্শেদা বলেন, আমাকে বলা হয়, তার পরামর্শ না নিয়ে কেন পরীক্ষা করিয়েছি। অন্য জায়গা থেকে রিপোর্ট নিয়ে কেন তার কাছে এসেছি, এ নিয়েও কথা শোনানো হয়। এরপর ৫০০ টাকা ভিজিট দাবি করা হয়। টাকা না দিলে প্রেসক্রিপশন করবেন না এবং রোগী ভালো হবে না বলেও জানানো হয়।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডাক্তারকে টাকা দিতে গেলেই সমস্যা হয়? ফাইজলামি করতে এখানে এসেছেন’এ ধরনের কথা বলে তাকে অপমান ও গালাগাল করা হয়েছে। এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।


স্থানীয় এক বাসিন্দা দিনমজুর খালেক অভিযোগ করে বলেন, টাকা ছাড়া তিনি কিছুই বোঝেন না, দুর্ব্যবহার তার নিত্য দিনের সঙ্গী এছাড়াও নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে পরীক্ষা করানোর জন্য চাপ দিয়ে থাকেন তিনি। 


কুয়াকাটার বাসিন্দা উখিন চান রাখাইন বলেন, আমার বোনের পা ভেঙে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি (রিয়াজ) বলেন কোনো সমস্যা হয়নি। পরে কোনোমতে পা আটকে দেন। পরবর্তীতে পায়ে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিলে বরিশালে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হয়েছে। 


তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. রিয়াজ বলেন, আমি তার সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করিনি। তিনি তার বাচ্চাকে নিয়ে আসার পর আমি তাকে চিকিৎসা দিয়ে দিয়েছি।


কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. কিশলয় সাহা বলেন, আমি ছুটিতে রয়েছি। বিষয়টি কর্তব্যরতদের মাধ্যমে খতিয়ে দেখে সত্যতা পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালনকালে রোগীর কাছ থেকে ভিজিট নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. খালেদুর রহমান মিঞা।


তিনি বলেন, সরকারি উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের দায়িত্বে থাকাকালীন হাসপাতালে বসে কোনো ভিজিট নেওয়ার ক্ষমতা নেই। পাশাপাশি তারা সরকার নির্ধারিত অল্প কিছু ওষুধ দিতে পারেন। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৩৩ পিএম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহের ভালুকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ, গরিব ও অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ এবং সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে তথ্য যাচাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে ভালুকা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু’র উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।


অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।


এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তথ্য যাচাই করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।


এসময় উপস্থিত ছিলেন ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমীন মাসুদ, ভালুকা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবর রহমান মজু, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি শামিমা রশিদ, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম তারু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব তোজাম্মেল হক বকুল, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাবুসহ আরও অনেকেই। 


বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেবল আনুষ্ঠানিক উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পরিবেশ রক্ষা, অসহায় মানুষের সহায়তা এবং সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৫৫ পিএম

গাজীপুরের টঙ্গী নতুন বাজার এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ স্থানীয় ব্যবসায়ীমহল সহ এলাকাবাসী। এর প্রতিকার চেয়ে গতকাল রোববার বিকেলে টঙ্গী পূর্ব থানায় গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে অভিযোগ দাখিল করেছে অত্র এলাকার ব্যবসায়ীরা। 


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর নতুন বাজারের রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় জসিম শিকদারের দুই ছেলে রুবেল শিকদার (৩৫) ও সোহেল শিকদার (৪০) এর বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি, চুরি, ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে অতিষ্ঠ স্থানীয় ব্যবসায়ীমহল সহ এলাকাবাসী। এদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা ও প্রতিবাদ করলে ব্যবসায়ীসহ এলাকাবাসীর ওপর হামলা করার অভিযোগ উঠেছে সহোদর এই দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। 


স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অত্র এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী সোহেল ও রুবেল সহ তার পরিবারের লোকজন দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক বিক্রি, চুরি, ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে, তাদের অপকর্মে বাঁধা দিলে অতর্কিত হামলা সহ দোকানীদের মালামাল লুট করে নিয়ে যায়, এতে আতংকিত হয়ে অত্র স্থান থেকে অন্যস্থানে চলে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। 


অপরদিকে সখিনা বেগম (৬০) নামে এক নারী স্থানীয় ওয়ার্ডের মামুন, শাহিন মিয়া, আজিজ মিয়া, রাসেল, হারুন, রেজওয়ান, পেটু ও সোহেলসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছে। তার দাবি, গত প্রায় ছয় মাস যাবৎ তার বাসার সামনে উল্লেখিত ব্যক্তিরা মাদক বিক্রি ও সেবন করে আসছে। এতে তাদের বাধা দেওয়ায় পূর্বপরিকল্পিত ভাবে রোববার সকালে তার বাসা ভাঙচুর করে। এ সময় তাকে মারধর করে তার গলায় থাকা নয় আনা ওজনের স্বর্ণের চেইনসহ গচ্ছিত নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। 


কিন্তু তদন্তে আসা পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এই অভিযোগের বিষয়ে অসংগতি মনে হচ্ছে। সম্প্রতি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন বাজার এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।


তারা জানায়, অত্র এলাকায় মাদক ব্যবসা সহ অপরাধমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তাদের প্রত্যাশা ঘটনাটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নতুন বাজার এলাকায় নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ব্যাপারে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ মাকছুদুল আলম বলেন, দুই পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৩০ পিএম

গাজীপুরের টঙ্গীর কুখ্যাত মাদকের হটস্পট হিসেবে পরিচিত হাজী মাজার বস্তিতে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় টঙ্গী বাজার কলকারখানা অধিদপ্তর সংলগ্ন এলাকায় রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ অভিযান শুরু হয়। উচ্ছেদ কার্যক্রমে পে-লোডার ও এক্সকাভেটরসহ বিপুলসংখ্যক শ্রমিক অংশ নেন। অভিযানে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)। 


রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মো. লিটন সরকারের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। এ সময় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক ডিবি পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে রাজউক টিমকে সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করেন। 




স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর হাজী মাজার বস্তিটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের অন্যতম বড় মাদক বিক্রির আস্তানা হিসেবে পরিচিত ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধারাবাহিকভাবে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেও এর মাদক কারবার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিল না। অবশেষে জায়গাটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নিজস্ব মালিকানাধীন হওয়ায় উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে সব অবৈধ স্থাপনা ও মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।


অভিযান শেষে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন জানান, মাদকের অভিশাপ থেকে টঙ্গী এলাকা কে মুক্ত করতে এবং সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে এ ধরনের অভিযান অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। রাজউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুক্ত করা জমিতে পুনরায় যেন কোনো অবৈধ দখল বা মাদকের স্পট গড়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে কড়া নজরদারি বজায় রাখা হবে। 


রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মো. লিটন সরকার বলেন, রাজউকের এই প্লটটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। আজ প্রশাসনের সহায়তায় অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে আমরা আমাদের জমি বুঝে নিয়েছি।

সর্বশেষ সব খবর