মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:০৭ পিএম

একসময় নাট্যমঞ্চে উঠতেন তিনি। করতেন অভিনয়, যুক্ত ছিলেন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে। ছাত্রজীবনে রাজনীতির উত্তাল স্রোতেও ছিলেন সক্রিয়। 


এরপর শ্রেণিকক্ষের শিক্ষক, পৌরসভার চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, দলের মুখপাত্র এবং শেষ পর্যন্ত বিএনপির মহাসচিব। জীবনের প্রতিটি বাঁক পেরিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখন দাঁড়িয়ে আছেন আরও বড় এক রাজনৈতিক অধ্যায়ের সামনে।


দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। আনুষ্ঠানিক সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা থাকলেও রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের নাম এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি আলোচিত।


নাট্যমঞ্চ থেকে রাজনীতির মঞ্চ


মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবনের গল্প শুধু দলীয় পদ-পদবি কিংবা নির্বাচনি রাজনীতির গল্প নয়। এর সঙ্গে মিশে আছে সংস্কৃতি ও নাট্যচর্চা, শিক্ষকতা এবং ছাত্ররাজনীতির অভিজ্ঞতা।


ছাত্রজীবনেই তিনি নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নাট্যমঞ্চে অভিনয় করেছেন, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন। সেই সময়ের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল তার ব্যক্তিত্ব গঠনে ভূমিকা রাখে। পরে রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায়ও তার মধ্যে সংস্কৃতিমনস্কতার ছাপ থেকে যায়।


১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। তার বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী ও একাধিকবারের সংসদ সদস্য। ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে বেড়ে ওঠার পাশাপাশি শৈশব-কৈশোর থেকেই সমাজ ও সংস্কৃতির নানা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পান তিনি।


ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করেন মির্জা ফখরুল। সেখান থেকে অর্জন করেন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।


মির্জা ফখরুলই হলেন বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী


ছাত্রজীবনেই রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য হিসেবে সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং পরে ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সময়ে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


একদিকে নাট্যমঞ্চ, অন্যদিকে রাজনীতির উত্তাল রাজপথ-দুই ভিন্ন জগতের অভিজ্ঞতা নিয়ে গড়ে উঠতে থাকেন তরুণ মির্জা ফখরুল।


শিক্ষকতা থেকে সক্রিয় রাজনীতি


শিক্ষাজীবন শেষে শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন তিনি। ঢাকা কলেজসহ কয়েকটি সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস. এ. বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।



১৯৮৬ সালে শিক্ষকতা পেশা থেকে অব্যাহতি নিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে পুরোপুরি আত্মনিয়োগ করেন মির্জা ফখরুল। ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়ে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর এরশাদবিরোধী আন্দোলনের উত্তাল সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন তিনি।


পরাজয় পেরিয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রে

 

১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হলেও থেমে যাননি মির্জা ফখরুল। ধারাবাহিকভাবে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।


বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি।


২০০৮ সালের নির্বাচনে আসনটি হারালেও জাতীয় রাজনীতিতে তার ভূমিকা থেমে থাকেনি। ২০০৯ সালে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার পর দলটির অন্যতম প্রধান মুখপাত্র হিসেবে রাজপথ ও গণমাধ্যমে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি।


২০১১ সালে তৎকালীন মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান মির্জা ফখরুল। কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও দলকে সংগঠিত রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৫৯ পিএম

সিলেট নগরীর রায়নগর আবাসিক এলাকার মিতালী ১১১ নম্বর বাসায় স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরা উদ্ধার করেছে পুলিশ। আটক আসামি বাবুল মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে রায়নগরের একটি খালি জায়গা থেকে ছোরাটি উদ্ধার করা হয়। ছোরাটিতে রক্তের দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এখন ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে ওই রক্তের সঙ্গে ঘটনাস্থলে পাওয়া রক্তের মিল খোঁজা হবে।


সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর ও প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আলামত উদ্ধারের বিষয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।


মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল মিয়া রায়নগরের একটি খালি জায়গায় ছোরাটি ফেলে দেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় সেখানে খোঁজাখুঁজি করেও ছোরাটি পাওয়া যায়নি। পরে বৃহস্পতিবার সকালে শ্রমিক নিয়ে ওই এলাকায় আবার তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে ছোরাটি উদ্ধার করা হয়।


পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ছোরাটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠাব। ছোরায় থাকা রক্তের সঙ্গে ঘটনাস্থলে পাওয়া রক্তের নমুনা মিলিয়ে দেখা হবে। এর মাধ্যমে কার রক্ত সেখানে রয়েছে, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যাবে।’


তিনি আরো জানান, হত্যাকাণ্ডের পর ছোরাটি ধুয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ঘটনাস্থলের আলামত বিশ্লেষণে ধারণা পাওয়া গেছে। বাসার বেসিন ও হাত ধোয়ার স্থানে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ছোরার ধাতব অংশেও শুকনো রক্তের দাগ রয়েছে। এছাড়া একটি ব্যাগেও রক্তের দাগ পাওয়া গেছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।


উপ পুলিশ কমিশনার বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল মিয়া যে ধরনের ছোরার কথা বলেছিলেন, উদ্ধার করা ছোরাটির সঙ্গে তার মিল রয়েছে। বাবুল মিয়া রংমিস্ত্রির পাশাপাশি কসাইয়ের কাজ করেন। কসাইয়ের কাজে ব্যবহৃত ছুরি সাধারণত শক্ত ও মজবুত হয় বলে জানান তিনি।


মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সে আমাদের বলেছিল, ছুরিটি ছয়-সাত ইঞ্চি লম্বা হতে পারে এবং কাঠের হাতল থাকতে পারে। উদ্ধার করা ছোরাটির সঙ্গে তার দেওয়া বর্ণনার যথেষ্ট মিল রয়েছে। তবে ফরেনসিক পরীক্ষা ও অন্যান্য সাক্ষ্য প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।’ 


হত্যাকাণ্ডের পেছনে প্রেমের সম্পর্ক নাকি সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ, এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল মিয়া জানিয়েছেন, রং করার কাজ করতে গিয়ে নিহত গৃহকর্মীর সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগ হয়। তাদের মধ্যে সম্পর্কটি প্রেমের পর্যায়ে গিয়েছিল কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। আটক বাবুল মিয়ার বরাত দিয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, গৃহকর্মীর কোনো আচরণে বাবুল মিয়া ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি ছুরি নিয়ে ওই বাসায় গিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।


মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রথমে গৃহকর্মীকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। তাকে রক্ষা করতে গৃহকর্ত্রী এগিয়ে এলে তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। পরে গৃহকর্তা এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। এরপর বাবুল মিয়া বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যান বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। 


পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার পর বাসায় প্রবেশের সময় দরজার নিচের ছোট ছিটকানি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। বাবুল মিয়া যে বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন, সেখানকার রেলিংয়ে হাতের ছাপ ও পায়ের ছাপ পাওয়া গেছে। নিচেও রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে হত্যাকাণ্ডের সময় বাবুল মিয়া ছাড়া অন্য কেউ ওই বাসায় প্রবেশ করেছিলেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানান তিন। হত্যাকাণ্ডের পর বাসার কয়েকটি ওয়ারড্রোব ও আলমারি খোলা অবস্থায় পাওয়া গেলেও সেগুলো ভাঙা ছিল না বলে জানান মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। সেখান থেকে কোনো মূল্যবান জিনিস নেওয়া হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে তিন পাতার একটি দলিলসদৃশ কাগজ পাওয়া গেছে। সেটি মূল দলিল নয়, সম্ভবত ফটোকপি বা অনুলিপি। এর সঙ্গে কোনো মামলা বা সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, বাবুল মিয়া ওই বাসায় আগে রং করার কাজ করায় ঘরের ভেতরের পরিবেশ ও বিভিন্ন জিনিস সম্পর্কে তার ধারণা ছিল। তিনি দীর্ঘদিন বাসাভাড়া দিতে পারছিলেন না বলেও পুলিশ জানতে পেরেছে। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি বাসাভাড়া পরিশোধ করেছেন কি না এবং ঘটনার পর কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও তদন্ত করা হচ্ছে। 


মামলার বিষয়ে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহত দম্পতির প্রবাসী সন্তানদের একজন বা একাধিকজন দেশে এসে আইনজীবী ও স্বজনদের মাধ্যমে এজাহার দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এজাহার পাওয়া গেলে তা মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হবে এবং আটক বাবুল মিয়াকে আদালতে হাজির করা হবে।


তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের সব আলামত ফরেনসিক পরীক্ষার পাশাপাশি সাক্ষ্য-প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। এরপরই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে কার কী ভূমিকা ছিল, সে বিষয়ে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:২০ পিএম

টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ৮ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে চলমান প্রক্রিয়ার ২য় সপ্তাহের ২য় দিনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আশেকপুর জোবায়দা উচ্চ বিদ্যালয়ে "যুব সমাজের নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা" ও স্বেচ্ছাসেবার গুরুত্ব শীর্ষক সচেতনতামূলক সেমিনার ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়।


সেমিনারে শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তরুণদের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।




অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক তানভীর হাসান খান রুবেল বলেন, একটি সুন্দর, মানবিক পরিবেশবান্ধব সমাজ গঠনে তরুণ প্রজন্মের ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হয়ে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।


এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জোবায়দা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সহকারি শিক্ষক আছিয়া আক্তার, কামরুন নাহার, হোসাইন আকন্দ, আব্দুর রহিম, নজরুল ইসলাম, সজল চন্দ্র আর্য্য, বুলবুল আহমেদ, রুপা মোষ, সম্পা দে,ফরিদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক মোহিদুল ইরলাম মোহিত, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ মিয়া, সদস্য মোঃসিয়াম।


এছাড়াও সংগঠনের সকল পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৫২ পিএম

টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ ও নেতৃত্বের বিকাশে সর্বদা নির্ভীক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তিবোধ, বিশ্লেষণী দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বুধবার সকালে টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় দিঘুলীয়া শহীদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ‘আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর প্রথম রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আলোকিত জীবন এর পরিচালক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মনোয়ার মোহাম্মদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন সর্বদা নির্ভীক ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সৈয়দ হাবিবুল আলম শাতিল।


প্রতিযোগিতায় শহরের বিন্দুবাসিনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পুলিশ লাইন্স আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল এবং টাঙ্গাইল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। বিতর্কের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের যুক্তি, মতামত ও বিশ্লেষণী সক্ষমতা তুলে ধরেন। প্রতিযোগিতাকে ঘিরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও আয়োজকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।


আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের যুক্তিনির্ভর চিন্তা, মত প্রকাশের সক্ষমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও নেতৃত্বের দক্ষতা বিকাশ করাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।


সর্বদা নির্ভীক ফাউন্ডেশনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে উপস্থিত শিক্ষকরা বলেন, বিতর্কচর্চা শিক্ষার্থীদের যুক্তি দিয়ে কথা বলতে শেখায় এবং একজন সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৩৫ পিএম

ভল্টে রাখা টাকার বান্ডিলের ওপরের দিকে থাকত এক হাজার টাকার নোট। কিন্তু বান্ডিলের ভেতরে রাখা হতো ১০০ টাকার নোট। বাইরে থেকে দেখে মনে হতো, পুরো বান্ডিলেই এক হাজার টাকার নোট রয়েছে। এভাবে ভল্টে থাকা টাকার প্রকৃত পরিমাণ আড়াল করে ধাপে ধাপে সরানো হয় ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। ঘটনাটি ঘটেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির চট্টগ্রামের লালদীঘি (পূর্ব) করপোরেট শাখায়। গত সোমবার এ ঘটনায় মামলা করেছে শাখার মহাব্যবস্থাপক মোস্তাক আহমেদ। সেদিনই মামলায় শাখার ক্যাশ ইনচার্জ মো. কামরুল হোসেন ও জাফরুল্লাহ তানভীর নামে আরেক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


টাকার বান্ডিলে হেরফের করে অর্থ সরানোর বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেপ্তার ব্যাংক কর্মকর্তাসহ দুই আসামি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইকবাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া অন্য কেউ ঘটনায় জড়িত কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।


মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কামরুল হোসেন ওই শাখার ক্যাশ ও ভল্টের দায়িত্বে ছিলেন। ৯ আগস্ট নিয়মিত ব্যাংকিং কার্যক্রম ও লেনদেন শেষে নগদ অর্থের হিসাব মেলানো হচ্ছিল। তখনই হিসাবের সঙ্গে ভল্টে থাকা টাকার গরমিল ধরা পড়ে।


পরে রেকর্ডপত্র ও নথি যাচাই করে দেখা যায়, ভল্টে যে পরিমাণ টাকা থাকার কথা, বাস্তবে রয়েছে তার চেয়ে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা কম। এ বিষয়ে কামরুল হোসেন সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।


মামলার এজাহারে কামরুল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ভল্টে টাকা রাখার সময় এক হাজার টাকার বড় বান্ডিলের ভেতরে ১০০ টাকা বা তার কম মূল্যমানের ছোট নোট ঢুকিয়ে বান্ডিল সাজানো হতো। ফলে বাইরে থেকে বান্ডিল দেখে মনে হতো, সেখানে এক হাজার টাকার নোটই রয়েছে। কিন্তু ভেতরে প্রকৃত টাকার পরিমাণ কম।


এজাহারে বলা হয়েছে, এভাবে ভল্টের টাকা সরিয়ে তা ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়। হাটহাজারীর উত্তর বুড়িশ্চর এলাকায় ‘ইশরাত অ্যাগ্রো’ নামে একটি গরুর খামার গড়ে তোলা হয়। জাফরুল্লাহ তানভীর নামের একজনকে ওই খামার দেখাশোনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। খামারে বিভিন্ন জাতের ৫০ থেকে ৬০টি গরু রয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


এ ঘটনায় অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি লালদীঘি পূর্ব করপোরেট শাখার মহাব্যবস্থাপক মোস্তাক আহমেদ বাদী হয়ে ১০ আগস্ট কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলায় কামরুল হোসেন ও জাফরুল্লাহ তানভীরের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।


পরে পুলিশ কামরুল হোসেন ও জাফরুল্লাহ তানভীরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। তাঁদের কাছ থেকে দুটি মুঠোফোন, হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ, তথ্যের রেকর্ডসহ ৬৪ জিবির একটি পেনড্রাইভ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।


ব্যাংকে প্রতিদিনের লেনদেন শেষে নগদ অর্থের হিসাব মেলানোর নিয়ম রয়েছে। ঘাটতির বিষয়টি এত দিন পরে ধরা পড়ার বিষয়টি জানতে মামলার বাদী অগ্রণী ব্যাংকের লালদীঘি (পূর্ব) করপোরেট শাখার মহাব্যবস্থাপক মোস্তাক আহমেদের মুঠোফোনে কয়েক দফা যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।


মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, মামলার আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। জব্দ করা ডিভাইস ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না এবং আত্মসাৎ করা অর্থের কী পরিমাণ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

সভাপতি নাহার চাকলাদার এবং সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:২৮ পিএম

টাঙ্গাইলের পথে-ঘাটে ছড়িয়ে থাকা অসহায় ও অবহেলিত প্রাণিদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে ‘প্রাণিকল্যাণ পরিষদ’ নামে একটি নতুন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে শহরের বটতলায় জেলার প্রাণিপ্রেমীদের এক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে। 


সভায় উপস্থিত বক্তারা প্রাণিদের নিরাপত্তা ও কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সভা শেষে নাহার চাকলাদারকে সভাপতি এবং মনিরুজ্জামান মনিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট ‘প্রাণিকল্যাণ পরিষদ’-এর প্রথম কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়।


কমিটির অন্যরা হচ্ছেন- সহ-সভাপতি ইমরুল হাসান বাবু, যুগ্ম-সম্পাদক বিউটি আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সবুজ, কোষাধ্যক্ষ শাহ আলম সরকার। কার্যকারী কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন- কাউছার আহমেদ, মো. শাহ আলম, মিজ মুক্তি সিদ্দিকী, আনোয়ার হোসেন নয়ন ও রুহুল আমীন। 


নবগঠিত কমিটির নেতারা জানান, টাঙ্গাইল জেলা ও পৌর এলাকায় প্রতিনিয়ত অসংখ্য বেওয়ারিশ কুকুর, বিড়ালসহ অন্যান্য প্রাণি সড়ক দুর্ঘটনা, খাদ্যাভাব এবং নানাবিধ নিষ্ঠুরতার শিকার হচ্ছে। এসব প্রাণির অধিকার রক্ষায় সংগঠনটি মূলত চারটি সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কাজ করবে। সেগুলো হচ্ছে- জরুরি চিকিৎসা, খাদ্য ও আশ্রয়, নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ এবং টিকাদান কর্মসূচি। 


নেতারা জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কিংবা গুরুতর অসুস্থ প্রাণিদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহ করার ব্যবস্থা করবে। শহরের নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্টে ভাসমান প্রাণিদের জন্য নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাদের নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রাণিদের ওপর যেকোনো ধরনের মানবিক নিষ্ঠুরতা রোধে আইনি সচেতনতা তৈরি এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে। জলাতঙ্কসহ বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি ছড়ানো রোধে বেওয়ারিশ প্রাণিদের জন্য পর্যায়ক্রমে টিকাদান ও বন্ধ্যাত্বকরণ অভিযানের পরিকল্পনাও এই সংগঠনের রয়েছে। 


বটতলার ওই সভায় বক্তারা আরো বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এবং একটি মানবিক সমাজ গঠনে অবলা প্রাণিদের প্রতি সদয় হওয়া জরুরি। টাঙ্গাইলকে একটি আদর্শ ও প্রাণিবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তুলতে নবগঠিত ‘প্রাণিকল্যাণ পরিষদ’ জেলার সর্বস্তরের সামাজিক সংগঠন, তরুণ সমাজ এবং সাধারণ জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেছে।

সর্বশেষ সব খবর

বালুমহালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গিয়ে ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী ইজারাদারের এক কর্মীকে মারধর করেন

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:১২ পিএম

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার একটি বালুমহালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী ইজারাদারের এক কর্মীকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।


বুধবার দুপুরে উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের কালীরবাজার এলাকার কুলুরবাড়ি বালুমহালে এ ঘটনা ঘটে। ইউএনওর নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে আনসার ও র‍্যাবের সদস্যরাও অংশ নেন। অভিযানে মারধরের এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ইউএনওর বিচার দাবি করেছেন নেটিজেনরা। 


সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়— ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী বালুমহালের অফিসকক্ষে প্রবেশ করে কাগজপত্র দেখতে চান। এ সময় সৃষ্টি এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক সারোয়ার জাহান ওরফে বাচ্চু অভিযানে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চাইলে ইউএনও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে থাপ্পড় মারেন। পরে র‍্যাবের এক সদস্য সারোয়ারকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ইউএনও তার হাত থেকে একটি লাঠি নিয়ে কয়েক দফা আঘাত করেন। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুর রহমান ইউএনওকে থামানোর চেষ্টা করেন বলেও ফুটেজে দেখা যায়।


ইজারাদারপক্ষের অভিযোগ, ঘটনার পর ভুক্তভোগী সারোয়ার জাহানকে র‍্যাবের একটি গাড়িতে করে ধলা এলাকায় নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


সৃষ্টি এন্টারপ্রাইজের মালিক শামসুজ্জামান মাসুদ বলেন, প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচ থেকে ছয় মাস আগে বালুমহালটির ইজারা নেওয়া হয়েছে। কাগজপত্র দেখাতে কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো সুযোগ না দিয়েই আমার কর্মচারীকে মারধর করা হয়। পরে কাগজপত্র যাচাই করে ইজারার বৈধতা নিশ্চিত হওয়ার পর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা সেখান থেকে চলে যান।


অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


এ বিষয়ে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, আমি ভিডিওটি দেখেছি। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


সর্বশেষ সব খবর