• প্রকাশ : রবিবার ২৬ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৯:৩০ এএম

বাংলাদেশের কিংবদন্তী রাজনীতিবীদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক রাস্ট্রপতি ও স্পিকার ব্যারিস্টার মুহম্মদ জমির উদ্দিন সরকারের রুহের মাগফেরাত কামনায় পঞ্চগড়ে দোয়া মিলাদ মহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


শনিবার দুপুরে পঞ্চগড় স্টেডিয়াম মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মরহুমের পরিবার বর্গ। অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারন করে বক্তব্য রাখেন পানি সম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পঞ্চগড় ১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভিন, পুলিশ সুপার আবু সাঈম, পঞ্চগড় জেলা দায়রা ও জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহ¦ায়ক এম মজিদ ও আদম সুফী বক্তব্য রাখেন। এসময়  জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভিন, পুলিশ সুপার আবু সাঈম সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন| ঢাকার ধানমন্ডির বিখ্যাত মসজিদ-উত-তাকওয়া (ধানমন্ডি লেক সংলগ্ন)-এর খতিব ও সিনিয়র ইমাম মুফতি সাইফুল ইসলাম দোয়া পরিচালনা করেন| দোয়া মাহফিলে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন।


এর আগে গত শুক্রবার দুপুরে তার গ্রামের বাড়ি নয়াবাড়ি মসজিদে দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়| গত ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন |




তানভীর আহমেদ রবিন

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৫২ পিএম

ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে তানভীর আহমেদ রবিনকে দেখতে চান সংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীরা। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় তাকে গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তার সমর্থকরা।


তানভীর আহমেদ রবিন ২০২১ সালে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান। ওই সময় মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতেও তিনি সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।  পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তার সক্রিয় উপস্থিতির তথ্য সংবাদমাধ্যমে এসেছে।


সমর্থক নেতাকর্মীদের ভাষ্য, নেতৃত্বের ক্ষেত্রে শুধু পদ-পদবি নয়, মাঠে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয়ের সক্ষমতাকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তাদের দাবি, তানভীর আহমেদ রবিন দীর্ঘ সময় ধরে মহানগর পর্যায়ে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে।


‘সংগঠনের জন্য সক্রিয় নেতৃত্ব প্রয়োজন’


সমর্থকদের একজন বলেন, “মহানগর যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে হলে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় এবং সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতৃত্ব প্রয়োজন। তানভীর আহমেদ রবিনের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই তাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে জানাচ্ছি।”


আরেক নেতাকর্মীর ভাষ্য, “তৃণমূলের কর্মীদের সঙ্গে যার যোগাযোগ আছে, কর্মীদের কথা যিনি শুনবেন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সময় দিতে পারবেন-এমন নেতৃত্বই আমরা চাই। রবিন ভাইকে দায়িত্ব দেওয়া হলে যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”


‘ছাত্রদলের অভিজ্ঞতা যুবদলে কাজে লাগবে’


সমর্থক নেতাকর্মীরা আরও বলেন, ছাত্রদলের মহানগর পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা যুবদলের সাংগঠনিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের মতে, ছাত্রদল থেকে যুবদলে আসা নেতাদের মধ্যে যারা দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন, তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে।


তাদের ভাষ্য, “দুঃসময়ে সংগঠনের সঙ্গে থাকা, কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকা-নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া উচিত। আমরা মনে করি, তানভীর আহমেদ রবিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর সময় এসেছে।”


সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে নেতাকর্মীরা


এদিকে ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে রবিনকে সাধারণ সম্পাদক করার দাবিতে তার সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ দেখা দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


তানভীর আহমেদ রবিনকে সাম্প্রতিক সময়েও মহানগর যুবদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। কেন্দ্রীয় যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর ময়মনসিংহে আয়োজিত আনন্দ মিছিলেও তাকে মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।


সমর্থকদের প্রত্যাশা, মহানগর যুবদলের নেতৃত্ব নির্ধারণের সময় তানভীর আহমেদ রবিনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হবে। তাদের দাবি, তাকে সাধারণ সম্পাদক করা হলে মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসতে পারে।


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৩৭ পিএম

দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর পৃথক অভিযানে ১৪ পিস ইয়াবা ও ৭০ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার। ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সময়ে দিনাজপুরের বিরল সীমান্ত থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৭০ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।


বিজিবি জানায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধীন চান্দেরহাট বিওপির সদস্যরা ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত মেইন পিলার-৩৩৪ থেকে আনুমানিক দুই কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জগন্নাথপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. মুতাহার হোসেন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।


আটক মুতাহার হোসেন পীরগঞ্জ উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। বিজিবি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিকে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যসহ পীরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যদিকে, একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ২ মিনিটে দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার ভান্ডারা বিওপির সদস্যরা সীমান্ত মেইন পিলার-৩২৭ থেকে আনুমানিক ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সুইহাড়া এলাকায় অভিযান চালান। সেখানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৭০ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।


বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া সংশ্লিষ্ট মাদক ব্যবসায়ীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।


দুটি অভিযানে আটক ও উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের সর্বমোট সিজার মূল্য ২৫ হাজার ২০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির কঠোর ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:০৪ পিএম

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে একই তারিখের একই দলিল নম্বর ও একই স্ট্যাম্প নম্বর ব্যবহার করে জমির দলিল সৃজন এবং এর ভিত্তিতে ভুয়া নামজারি খতিয়ান খোলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ২৮ জুলাই নামজারি খতিয়ান বাতিল ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সাদাত হোসেনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আব্দুর রহিম।  


অভিযোগে আব্দুর রহিম উল্লেখ করেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুরের মৃত মকবুল আহমদের ছেলে রফিক উল্যাহ ২৮ অক্টোবর ১৯৯৯ তারিখে ছাপ কবলা দলিল নম্বর-১০৮৪৪ মূলে মোক্তার হোসেন ও ছাবির হোসেনের কাছ থেকে জমি ক্রয় করে মালিক হন।


তবে অভিযোগকারী দাবি করেন, একই দলিল নম্বর ১০৮৪৪ ও একই স্ট্যাম্প নম্বর ৯০৬৩৮৫০ ব্যবহার করে একই তারিখে মোহাম্মদ সোলেমানের কাছ থেকে আরেকটি ছাপ কবলা দলিল সৃজন করা হয়েছে। অভিযোগে এটিকে জাল, ভুয়া ও প্রকৃত অবস্থার বিপরীত দলিল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।


অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই দলিলের ভিত্তিতে জমাখারিজ খতিয়ান নম্বর-২০২৬-১০০৩০০০ নিজ নামে সৃজন করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতারণা, জাল দলিল তৈরি ও ব্যবহারের অভিযোগ এনে বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪০৬/৪২০/৪৬৭/৪৭১/১০৯ ধারায় অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ করা হয়েছে।


আব্দুর রহিম অভিযোগে করে বলেন একলাশপুর ইউনিয়নের তশিলদার দেলোয়ার হোসেন, একই অফিসের কম্পিউটার অপারেটর জনি ও পিয়ন হারুনের যোগসাজশে দলিরের বিক্রেতার কলামে টেম্পারিং করা হয়। পরে তার প্রতিবেদনের আলোকে ওই জাল জমাখারিজ খতিয়ান সৃজন করা হয়। বিষয়টি তদন্ত করে নামজারি খতিয়ানটি বাতিল এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।


বিবাদী রফিক উল্যার ছেলে জাহিদ হোসেন রাব্বি মুন্সি বলেন, “আমরা আমাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তি নামজারি করার জন্য আবেদন করেছি। আমরা এ বিষয়ে রায় পেয়েছি। আমরা রায় পাওয়ার আগে থেকেই বাদী ওই জায়গার দখলে ছিল। এরপর বাদী জায়গাটি ক্রয় করার জন্য আমাদের সঙ্গে বায়না চুক্তি করেন। যখন আমরা জায়গাটি নামজারি করি, তখন বাদী আবার এর বিরুদ্ধে আবার লিখিত অভিযোগ করেন।”


অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে একলাশপুর ইউনিয়নের তশিলদার দেলোয়ার হোসেন বলেন, বাদীর অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে। অভিযোগকারীকে তার দলিল নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। তিনি এখনো আসেননি। আসলে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে।  

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সাদাত হোসেন বলেন, তশিলদারকে এ ঘটনায় দ্রুত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনের আলোকে অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হবে।  



ছবি: ফাইল ফটো

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৬ পিএম

নদ-নদীর পানি বেড়ে রংপুরসহ উত্তরের চার জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। বৃহস্পতিবার এমন তথ্য জানিয়েছর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।


পাউবো জানিয়েছে, উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় আগামী ৪৮ ঘণ্টায় মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ০৩ দিন দেশের অভ্যন্তরে উত্তরাঞ্চল, উত্তরপূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।


গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে; অপরদিকে যমুনা নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে, যা আগামী ০৩ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে ও পরবর্তী ০২ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে; অপরদিকে গঙ্গা-পদ্মা নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে, যা আগামী ০৫ দিন অব্যাহত থাকতে পারে।


এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে, যা আগামী ৩ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় ভিস্তা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে; অপরদিকে ধরলা নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। তিস্তা নদীর পানি সমতল আগামী ০৩ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে; অপরদিকে ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল আগামী ০৩ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।


আগামী ২৪-৭২ ঘন্টায় ভিস্তা নদী নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায়  প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সামরিকভাবে প্লাবিত হতে পারে।


ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম জমা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:২৬ পিএম

শূন্য হওয়া ঠাকুরগাঁও ১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন তিন নেতা। তারা হলেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মির্জা ফয়সল আমীন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি সুলতানুল ফেরদৌস নম্র চৌধুরী এবং জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও জিএস ওবায়দুল্লাহ মাসুদ।


গতকাল বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দেন মির্জা ফয়সল আমীন। এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


মির্জা ফয়সল আমীন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই। এর আগে মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর তার পক্ষে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী।


এদিকে জেলা বিএনপির সহসভাপতি সুলতানুল ফেরদৌস নম্র চৌধুরী এবং ওবায়দুল্লাহ মাসুদও দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর তা জমা দিয়েছেন।


সুলতানুল ফেরদৌস নম্র চৌধুরী ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জেলা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।


অন্যদিকে ওবায়দুল্লাহ মাসুদ ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও জিএস। ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর তিনি জেলা বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। বর্তমানে তিনিও জেলা বিএনপির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।


তিন প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেওয়াকে ঘিরে ঠাকুরগাঁও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের তৃণমূল পর্যায়েও এ নিয়ে চলছে নানা হিসাব নিকাশ। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন কে পাচ্ছেন, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।


মির্জা ফয়সল আমীন দীর্ঘদিন ধরে ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতিতে সক্রিয়। ২০১৫ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। পরে ২০১৭ সালে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। প্রায় আট বছর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পর ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির সম্মেলনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন।


রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান মির্জা ফয়সল আমীনের বাবা মরহুম মির্জা রুহুল আমীন ছিলেন আইনজীবী, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য। তার চাচা মরহুম মির্জা গোলাম হাফিজ ছিলেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ। বড় ভাই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমানে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।


আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও ১ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এখন বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তিন মনোনয়নপ্রত্যাশী ও তাদের সমর্থকেরা।


এসআই মামুন উর রশিদ

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৪৮ পিএম

চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) ডোপ টেস্টের আওতায় আসার খবর পেয়ে ফাঁড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে। 



পুলিশ বলছে, তাকে খুঁজে বের করে ফাঁড়িতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম মামুন উর-রশিদ। তিনি নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।



জানা গেছে, নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে বর্তমানে ১৮ জন পুলিশ সদস্য কর্মরত। তাদের মধ্যে এসআই মামুন উর-রশিদের আচরণ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় তাকে ডোপ টেস্টের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়। ডোপ টেস্টের বিষয়টি জানার পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি ফাঁড়ি থেকে চলে যান। এরপর থেকে তার অবস্থান সম্পর্কে পুলিশ নিশ্চিত হতে পারেনি।



সূত্র বলছে, এসআই মামুন উর-রশিদ নিয়মিত মাদক সেবন করতেন- এমন তথ্যও পুলিশের কাছে রয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এখনো কোনো ডোপ টেস্টের ফল পাওয়া যায়নি।



পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বিষয়টি জানার পর চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশে এসআই মামুন উর-রশিদকে খুঁজে বের করতে তার বাসায় পুলিশ সদস্যদের পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার ও বুধবার দুই দিনই তার বাসায় পুলিশ সদস্যরা গেছেন বলে জানিয়েছে ফাঁড়ি কর্তৃপক্ষ।



পুলিশের একটি সূত্রের ভাষ্য, ফাঁড়িতে কর্মরত সদস্যদের মধ্যে যাঁদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হবে, তাদের পর্যায়ক্রমে ডোপ টেস্টের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবেই এসআই মামুন উর-রশিদের ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল।