ছবি সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০২ জুন, ২০২৬, সময় : ৪:০২ পিএম

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।


আলজেরিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক ওসামা বেনবট, মেলভিন মাস্টিল, লুকা জিদান


ডিফেন্ডার আশরাফ আবাদা, রায়ান আইত-নুরি, জিনেদ্দিন বেলাইদ, রাফিক বেলঘালি, রামি বেনসেবাইনি, সামির শেরগুই, জাওয়েন হাদজাম, আইসা মান্দি, মোহামেদ তুগাই


মিডফিল্ডার হৌসেম আওয়ার, নাবিল বেনতালেব, হিচাম বুদাউই, ফারেস শাইবি, ইব্রাহিম মাজা, ইয়াসিন তিত্রাউই, রামিজ জেরুকি


ফরোয়ার্ড মোহামেদ আমুরা, নাধির বেনবুয়ালি, আদিল বুলবিনা, ফারেস ঘেদজেমিস, আমিন গুইরি, রিয়াদ মাহরেজ, আনিস হাজ মুসা।


আর্জেন্টিনা চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, জেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো


ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনা, গনসালো মন্টিয়েল, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিওনার্দো বালের্দি, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, ফাকুন্দো মেদিনা


মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো দে পল, জিওভানি লো সেলসো, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, এনজো ফার্নান্দেস, ভ্যালেন্তিন বার্কো


ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্তিনেজ, থিয়াগো আলমাদা, নিকোলাস পাজ, নিকোলাস গনসালেস, জুলিয়ানো সিমিওনে, হোসে ম্যানুয়েল লোপেস।


অস্ট্রেলিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ, পল ইজ্জো, ম্যাথিউ রায়ান


ডিফেন্ডার আজিজ বেহিচ, জর্ডান বস, ক্যামেরন বার্গেস, আলেসান্দ্রো সিরকাতি, মিলোস ডেগেনেক, জেসন গেরিয়া, লুকাস হেরিংটন, জ্যাকব ইতালিয়ানো, হ্যারি সাউতার, কাই ট্রেউইন


মিডফিল্ডার ক্যামেরন ডেভলিন, আজদিন হ্রুস্টিচ, জ্যাকসন আরভিন, কনর মেটকাফ, পল ওকন-এংস্টলার, এইডেন ও'নিল


ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা, ম্যাথিউ লেকি, আওয়ার মাবিল, মোহামেদ তুরে, নিশান ভেলুপিল্লাই, ক্রিস্টিয়ান ভলপাটো, টেটে ইয়েঙ্গি।


অস্ট্রিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক প্যাট্রিক পেনৎস, আলেকজান্ডার শ্লাগার, ফ্লোরিয়ান উইগেলে


ডিফেন্ডার ডেভিড আফেনগ্রুবার, ডেভিড আলাবা, কেভিন ডানসো, মার্কো ফ্রিডল, ফিলিপ লিনহার্ট, ফিলিপ মভেনে, স্টেফান পসখ, আলেকজান্ডার প্রাস, মাইকেল সভোবোদা


মিডফিল্ডার ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার, কার্নি চুকুয়েমেকা, ফ্লোরিয়ান গ্রিলিচ, কনরাড লাইমার, মার্সেল সাবিৎসার, জাভের শ্লাগার, রোমানো শ্মিড, আলেসান্দ্রো শপফ, নিকোলাস সাইভাল্ড, পল ভানার, প্যাট্রিক ভিমার


ফরোয়ার্ড মার্কো আরনাউটোভিচ, মাইকেল গ্রেগোরিচ, সাশা কালাইডজিচ।


বেলজিয়াম চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স, মাইক পেন্ডার্স


ডিফেন্ডার টিমোথি কাস্তানিয়ে, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডে কুইপার, কোনি ডে উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেখেলে, থমাস মুনিয়ে, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেইস, আর্থার থিয়াতে


মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনে, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাসকিন, ইউরি টিলেমান্স, হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল


ফরোয়ার্ড চার্লস ডে কেতেলায়েরে, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, দোদি লুকেবাকিও, দিয়েগো মোরেইরা, আলেক্সিস সালেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ড।


বসনিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক ওসমান হাজদিকিচ, নিকোলা ভাসিলজ, মার্টিন জ্লোমিসলিচ


ডিফেন্ডার নিদাল চেলিক, আমার দেদিচ, ডেনিস হাজদিকাদুনিচ, নিকোলা কাটিচ, সেয়াদ কোলাশিনাচ, তারিক মুহারেমোভিচ, নিহাদ মুজাকিচ, স্তিয়েপান রাদেলিয়িচ


মিডফিল্ডার কেরিম আলাইবেগোভিচ, এসমির বাইরাকতারেভিচ, ইভান বাসিচ, জেনিস বুরনিচ, আরমিনা গিগোভিচ, আমির হাজদিয়াহমেতোভিচ, এরমিন মাহমিচ, আমার মেমিচ, ইভান শুনজিচ, বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ


ফরোয়ার্ড সামেদ বাজদার, এরমেদিন দেমিরোভিচ, এদিন জেকো, জোভো লুকিচ, হারিস তাবাকোভিচ।


ব্রাজিল চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক আলিসন, এদেরসন, ওয়েভারতন


ডিফেন্ডার আলেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ইবানিয়েজ, লেও পেরেইরা, মার্কিনিয়োস, ওয়েসলি


মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফাবিনিও, লুকাস পাকেতা


ফরোয়ার্ড এন্দ্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাতেউস কুনিয়া, নেইমার জুনিয়র, রাফিনিয়া, রায়ান, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।


কাবো ভার্দে চূড়ান্ত স্কোয়াড গোলরক্ষক ভোজিনহা, মার্সিও রোজা, সি. জে. দোস সান্তোস


ডিফেন্ডার ডিনে বোর্হেস, সিডনি কাব্রাল, লোগান কস্তা, স্টিভেন মোরেরা, ওয়াগনার পিনা, জোয়াও পাওলো ফার্নান্দেস, রবার্তো ‘পিকো’ লোপেস, কেভিন পিরেস, ইআনিকে ‘স্টোপিরা’ তাভারেস


মিডফিল্ডার টেলমো আরকানজো, লারোস দুয়ার্তে, ডেরয় দুয়ার্তে, জামিরো মন্টেইরো, কেভিন পিনা, ইয়ানিক সেমেদো


ফরোয়ার্ড গিলসন বেনচিমল, জোভানে কাব্রাল, নুনো দা কস্তা, দাইলন লিভ্রামেন্তো, রায়ান মেন্দেস, গ্যারি রদ্রিগেস, উইলি সেমেদো, হেলিও ভেরেলা


কানাডা চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপো, ওয়েন গুডম্যান, ডেন স্ট. ক্লেয়ার


ডিফেন্ডার মোইসে বোম্বিতো, ডেরেক কর্নেলিয়াস, আলফনসো ডেভিস, লুক দ্য ফুয়েরোলেস, অ্যালিস্টার জনস্টন, আলফি জোন্স, রিচি লারিয়া, নিকো সিগুর, জোয়েল ওয়াটারম্যান


মিডফিল্ডার আলি আহমেদ, তাজন বুকানান, ম্যাথিউ চোইনিয়েরে, স্টিফেন ইউস্তাকিও, ইসমাইল কোনে, লিয়াম মিলার, জনাথন ওসোরিও, নাথান-ডিলান সালিবা, জ্যাকব শ্যাফেলবার্গ


ফরোয়ার্ড জনাথন ডেভিড, প্রমিস ডেভিড, সাইলে লারিন, তানি ওলুওসেয়ি


কলম্বিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক আলভারো মন্টেরো, কামিলো ভারগাস, ডেভিড ওসপিনা


ডিফেন্ডার ড্যানিয়েল মুনোজ, সান্তিয়াগো আরিয়াস, ডেভিনসন সানচেজ, জন লুকুমি, ইয়েরি মিনা, উইলার ডিটা, ডাইভার মাচাদো, জোহান মোকিকা


মিডফিল্ডার গুস্তাভো পুয়ের্তা, জেমস রদ্রিগেজ, জেফারসন লেরমা, জন আরিয়াস, হোর্হে কারাসকাল, হুয়ান ফার্নান্দো কিন্তেরো, রিচার্ড রিওস, কেভিন কাস্তানো, জামিনটন ক্যাম্পাজ, হুয়ান পোর্তিয়া


ফরোয়ার্ড লুইস দিয়াজ, লুইস সুয়ারেজ, জন কর্ডোবা, কার্লোস গোমেজ, হুয়ান কামিলো হের্নান্দেজ


কঙ্গো প্রজাতন্ত্র চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক লিওনেল ম্পাসি, থিমোথি ফায়ুলু, ম্যাথিয়ু এপোলো


ডিফেন্ডার শঁসেল এমবেম্বা, অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, অ্যালেক্স তুয়ানজেবে, আর্থার মাসুয়াকু, জোরিস কায়েম্বে, স্টিভ কাপুয়াদি, অ্যারন তশিবালা, ডিলান বাতুবিনসিকা, গেদিওঁ কালুলু


মিডফিল্ডার নোয়া সাদিকি, স্যামুয়েল মুতুসামি, এদো কায়েম্বে, ন্যাঙ্গাল’আয়েল মুকাউ, চার্লস পিকেল, নাথানায়েল এমবুকু, ব্রায়ান সিপেঙ্গা, মেশাক এলিয়া, গায়েল কাকুতা


ফরোয়ার্ড থিও বংগোন্ডা, ফিস্টন মায়েলে, সেড্রিক বাকাম্বু, সিমন বানজা, ইয়োয়ানে উইসা


আইভরি কোস্ট চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানা, মোহামেদ কোনে, আলবান লাফোঁ


ডিফেন্ডার এমমানুয়েল আগবাদু, ক্রিস্টোফার ওপেরি, ওসমান দিওমান্দে, গ্যুয়েলা দোয়ে, ঘিসলাঁ কোনান, ওডিলন কসুনু, উইলফ্রিড সিঙ্গো, ইভান এনডিক্কা


মিডফিল্ডার সেকো ফোফানা, পারফে গুইয়াগন, ক্রিস্ট ইনাওয়া ওলাই, ফ্রাঙ্ক কেসিয়ে, ইব্রাহিম সাঙ্গারে, জ্যাঁ-মিশেল সেরি


ফরোয়ার্ড সাইমন আদিংরা, আঞ্জ-ইয়োয়ান বনি, আমাদ দিওলো, ওমর দিয়াকিতে, ইয়ান দিওমান্দে, ইভান গুয়েসঁদ, নিকোলাস পেপে, বাজারমানা তুরে, এলিয়ে ওয়াহি


ক্রোয়েশিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক ডমিনিক লিভাকোভিচ, ডমিনিক কোটারস্কি, ইভর পান্দুর


ডিফেন্ডার ইয়োশকো গভার্দিওল, দুয়ে চালেতা-সার, ইয়োসিপ শুতালো, ইয়োসিপ স্তানিসিচ, মারিন পংরাচিচ, মার্টিন এরলিচ, লুকা ভুসকোভিচ


মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচ, মাতেও কোভাচিচ, মারিও পাসালিচ, নিকোলা ভ্লাসিচ, লুকা সুচিচ, মার্টিন বাতুরিনা, ক্রিস্তিয়ান ইয়াকিচ, পেতার সুচিচ, নিকোলা মোরো, টনি ফ্রুক


ফরোয়ার্ড ইভান পেরিসিচ, আন্দ্রেই ক্রামারিচ, আনে বুডিমির, মার্কো পাসালিচ, পেতার মুসা, ইগর মাতানোভিচ


কুরাসাও চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক টাইরিক বডাক, ট্রেভর ডুর্নবুশ, এলয় রুম


ডিফেন্ডার রিশেদলি বাজোয়ার, জোশুয়া ব্রেনেট, রোশন ভ্যান আইজমা, শেরেল ফ্লোরানুস, ডেভেরন ফোনভিল, জুরিয়েন গারি, আরমান্দো ওবিস্পো, শুরান্দি সাম্বো


মিডফিল্ডার জুনিনহো বাকুনা, লিয়ান্দ্রো বাকুনা, লিভানো কোমেনেনসিয়া, কেভিন ফেলিদা, আরজানি মার্থা, টাইরিস নসলিন, গডফ্রিড রোমেরাতোয়ে


ফরোয়ার্ড জেরেমি আন্তোনিসে, তাহিথ চং, কেনজি গোরে, সঁতিয়ে হ্যানসেন, জারভেন কাস্তানিয়ার, ব্র্যান্ডলি কুয়াস, জুর্গেন লোকাদিয়া, জার্ল মার্গারিথা


চেকিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক লুকাস হর্নিচেক, মাতেই কোভার, ইন্দ্রিখ স্তানার্ক


ডিফেন্ডার ভ্লাদিমির কৌফাল, ডেভিড দৌদেরা, তোমাশ হোলেশ, রবিন হ্রানাচ, স্তেপান চালৌপেক, ডেভিড জুরাসেক, লাদিস্লাভ ক্রেইচি, ইয়ারোস্লাভ জেলেনি, ডেভিড জিমা


মিডফিল্ডার পাভেল বুচা, লুকাস চের্ভ, ভ্লাদিমির দারিদা, তোমাশ লাদ্রা, লুকাস প্রোভোদ, মিখাল সাদিলেক, হুগো সোচুরেক, আলেক্সান্দ্র সোজকা, তোমাশ সউচেক, পাভেল শুলচ, ডেনিস ভিসিনস্কি


ফরোয়ার্ড আদাম হ্লোজেক, তোমাশ চোরি, ময়মির খিতিল, ক্রিস্তোফ কাবোঙ্গো, ইয়ান কুখতা, প্যাট্রিক শিক


ইকুয়েডর চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক হেরনান গালিন্দেস, গনসালো ভাল্লে, মোইসেস রামিরেস


ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকাপিয়ে, উইলিয়ান পাচো, পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, অ্যাঞ্জেলো প্রেসিয়াদো, জোয়েল অর্দোনিয়েজ, ফেলিক্স তোরেস, জ্যাকসন পোরোজো, ইয়াইমার মেদিনা


মিডফিল্ডার মোইসেস কাইসেদো, অ্যালান ফ্রাঙ্কো, গনসালো প্লাতা, কেন্দ্রি পায়েস, পেদ্রো ভিতে, জর্ডি আলসিভার, ডেনিল কাস্তিলো, জন ইয়েবোয়া, নিলসন আঙ্গুলো, অ্যালান মিন্ডা


ফরোয়ার্ড এন্নার ভালেন্সিয়া, কেভিন রদ্রিগেজ, জর্ডি কাইসেদো, অ্যান্থনি ভালেন্সিয়া, জেরেমি আরেভালো


মিশর চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক মোহামেদ আলা, মোহামেদ এল শেনাওয়ি, মোস্তফা শোবেয়র, এল মাহদি সোলিমান


ডিফেন্ডার হোসাম আবদেলমাগিদ, মোহামেদ আবদেলমোনেম, তারেক আলা, আহমেদ ফাতহি, কারিম হাফেজ, মোহামেদ হানি, ইয়াসের ইব্রাহিম, রামি রাবিয়া


মিডফিল্ডার ইমাম আশুর, মারওয়ান আত্তিয়া, নাবিল এমাদ, হামদি ফাথি, হাইথাম হাসান, মোহান্নাদ লাশিন, মাহমুদ সাবের, মাহমুদ হাসান ট্রেজেগুয়েত, মোস্তফা জিকো, আহমেদ সাঈদ জিজো


ফরোয়ার্ড হামজা আবদুলকরিম, ইব্রাহিম আদেল, ওমর মারমুশ, মোহামেদ সালাহ


ইংল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক ডিন হেন্ডারসন, জর্ডান পিকফোর্ড, জেমস ট্র্যাফোর্ড


ডিফেন্ডার ড্যান বার্ন, মার্ক গেহি, রিস জেমস, এজরি কনসা, টিনো লিভরামেন্টো, নিকো ও’রাইলি, জারেল কুয়ানসা, জেড স্পেন্স, জন স্টোনস


মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসন, জুড বেলিংহাম, এবেরেচি এজে, জর্ডান হেন্ডারসন, কোবি মাইনু, ডেক্লান রাইস, মরগান রজার্স


ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি গর্ডন, হ্যারি কেইন, ননি মাদুয়েকে, মার্কাস র‍্যাশফোর্ড, বুকায়ো সাকা, ইভান টনি, ওলি ওয়াটকিন্স


ফ্রান্স চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক মাইক মেনিয়ান, রবিন রিসার, ব্রিস সাম্বা


ডিফেন্ডার লুকাস দিন্য, মালো গুস্তো, লুকাস হার্নান্দেজ, থিও হার্নান্দেজ, ইব্রাহিমা কোনাতে, জুল কুন্দে, ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়া, উইলিয়াম সালিবা, দায়ো উপামেকানো


মিডফিল্ডার এন’গোলো কান্তে, মানু কোনে, আদ্রিয়েন রাবিও, অরেলিয়াঁ শুয়ামেনি, ওয়ারেন জায়ের-এমেরি


ফরোয়ার্ড মাগনেস আকলিউশ, ব্র্যাডলি বারকোলা, রায়ান শেরকি, উসমান দেম্বেলে, দেজিরে দুয়ে, জ্যঁ-ফিলিপ মাতেতা, কিলিয়ান এমবাপ্পে, মাইকেল ওলিসে, মার্কাস তুরাম


জার্মানি চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক অলিভার বাউমান, ম্যানুয়েল নয়্যার, আলেকজান্ডার নুবেল


ডিফেন্ডার ওয়াল্ডেমার আন্তন, নাথানিয়েল ব্রাউন, জশুয়া কিমিখ, ডেভিড রাউম, আন্তোনিও রুডিগার, নিকো শ্লটারবেক, জোনাথন তাহ, মালিক থিয়াও


মিডফিল্ডার নাদিয়েম আমিরি, লেওন গোরেটজকা, পাসকাল গ্রস, লেনার্ট কার্ল, জেমি লেভেলিং, জামাল মুসিয়ালা, ফেলিক্স এনমেচা, আলেকসান্দার পাভলোভিচ, লেরয় সানে, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ফ্লোরিয়ান ভির্ট্‌জ


ফরোয়ার্ড ম্যাক্সিমিলিয়ান বায়ার, কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উন্দাভ, নিক ভোল্টেমেড


ঘানা চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক লরেন্স আতি-জিগি, বেঞ্জামিন আসারে, সলোমন আগবাসি, জোসেফ আনাং, পল রেভারসন


ডিফেন্ডার জোনাস আদজেতে, আবদুল রহমান বাবা, আলেকজান্ডার দিকু, গিদেওন মেনসা, আবদুল মুমিন, জেরোম ওপোকু, কোজো পেপ্রা ওপং, আলিদু সেদু, মার্ভিন সেনায়া


মিডফিল্ডার অগাস্টিন বোয়াকি, আবদুল ফাতাউ, এলিশা ওয়ুসু, থমাস পার্টে, কওয়াসি সিবো, কামালদিন সুলেমানা, ক্যালেব ইয়িরেনকাই


ফরোয়ার্ড জর্ডান আয়েউ, ক্রিস্টোফার বোনসু বাহ, প্রিন্স কওয়াবেনা আদু, আর্নেস্ট নুয়ামা, আনতোয়ান সেমেনিও, ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তে, ইনাকি উইলিয়ামস


হাইতি চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক জোস্যু দুভেরজে, আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, জনি প্লাসিদ


ডিফেন্ডার রিকার্দো আডে, কার্লেন্স আর্কুস, হানেস ডেলক্রোয়া, জঁ-কেভিন দুভের্নে, মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স, ডিউক ল্যাক্রোয়া, উইলগুয়েন্স পোগাঁ, কেতো থেরমন্সি


মিডফিল্ডার কার্ল ফ্রেড সাঁত, জঁ-রিকনার বেলগার্দ, লেভারটন পিয়ের, ড্যানলি জাঁ জ্যাক, উডেনস্কি পিয়ের, ডমিনিক সাইমন


ফরোয়ার্ড জোস্যু কাসিমির, লুইসিয়াস ডিডসন, ডেরিক এত্যিয়েন জুনিয়র, ইয়াসিন ফর্চুন, উইলসন ইসিডর, লেনি জোসেফ, ডুকেন্স নাজঁ, ফ্রাঁৎসদি পিয়েরে, রুবেন প্রভিদঁস


ইরান চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ, হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ


ডিফেন্ডার দানিয়াল ইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানানি, শুজা খলিলজাদে, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান


মিডফিল্ডার রৌজবেহ চেশমি, সাঈদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘাইদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানী, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজাঘিনিয়া, মেহদি তারেমি, আরিয়া ইউসেফি


ফরোয়ার্ড আলি আলিপুর, ডেনিস দারঘাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদে, শাহরিয়ার মোগানলু, মেহদি তারেমি


ইরাক চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক আহমেদ বাসিল, জালাল হাসান, ফাহাদ তালিব


ডিফেন্ডার হুসেইন আলি, মেরচাস দোস্কি, আকাম হাসেম, ফ্রান্স পুট্রোস, মুস্তাফা সাদ্দুন, রেবিন সুলাকা, জায়েদ তাহসিন, আহমেদ ইয়াহইয়া, মানাফ ইউনিস


মিডফিল্ডার আমির আল-আম্মারি, ইউসুফ আমিন, ইব্রাহিম বায়েশ, মার্কো ফারজি, জিদান ইকবাল, জায়েদ ইসমাইল, আলি জাসিম, আহমেদ কাসিম, আইমার শের, কেভিন ইয়াকব


ফরোয়ার্ড মোহানাদ আলি, আইমেন হুসেইন, আলি আল-হামাদি, আলি ইউসেফ


জাপান চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক তোমোকি হায়াকাওয়া, কেইসুকে ওসাকো, জায়ন সুজুকি


ডিফেন্ডার কো ইটাকুরা, হিরোকি ইতো, ইউতো নাগাতোমো, আয়ুমু সেকো, ইউকিনারি সুগাওয়ারা, জুনোসুকে সুজুকি, শোগো তানিগুচি, টেকহিরো তমিয়াসু, তসুইয়োশি ওয়াতানাবে


মিডফিল্ডার রিতসু দোয়ান, ওয়াতারু এন্ডো, জুনিয়া ইতো, দাইচি কামাদা, তাকেফুসা কুবো, কেইতো নাকামুরা, কাইশু সানো, আও তানাকা


ফরোয়ার্ড কেইসুকে গোটো, দাইজেন মায়েদা, কোকি ওগাওয়া, কেন্তো শিওগাই, ইউইতো সুজুকি, আয়াসে উএদা


জর্ডান চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবুলাইলাহ, আবদুল্লাহ আল ফাখুরি, আহমাদ আল জুয়াইদি, নূর বানী আত্তিয়া


ডিফেন্ডার মোহাম্মাদ আবু আলনাদি, ইউসুফ আবু আল জাজার, হুসাম আবু দাহাব, মোহাম্মাদ আবু হাশিশ, মোহান্নাদ আবু তাহা, ইয়াজান আল আরব, সাঈদ আল রোসান, আহমাদ আসসাফ, আনাস বাদাউই, আবদুল্লাহ নাসিব, ইহসান হাদ্দাদ, সালীম ওবাইদ, মোহাম্মাদ তাহা


মিডফিল্ডার মোহাম্মাদ আল দাউদ, নিযার আল রাশদান, নূর আল রাওয়াবদেহ, রাজাই আয়েদ, আমের জামুস, ইউসুফ কাশী, ইব্রাহিম সাদেহ


ফরোয়ার্ড মোহাম্মাদ আবু জুরাইক, মুসা আল তামারি, আলি আজাইজা, ওদেহ ফাখুরি, আলি ওলওয়ান, ইব্রাহিম সাবরা


দক্ষিণ কোরিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক সঙ বুমগিউন, জো হিউনউ, কিম সেউং-গিউ


ডিফেন্ডার জেন্স কাস্ত্রোপ, লি হানবেম, পার্ক জিনসিওব, লি কিহিউক, কিম মিন-জে, কিম মুনহোয়ান, কিম তায়েহিউন, লি তাইসোক, সল ইয়ংউ, চো উইজে


মিডফিল্ডার লি ডংগিয়ং, হোয়াং হি-চান, ইয়াং হিউনজুন, হোয়াং ইনবিওম, লি জায়েসুং, কিম জিনগিউ, উম জিসুং, বে জুনহো, লি কাং-ইন, প্যাক সেউংহো


ফরোয়ার্ড চো গিউসুং, সন হিউং-মিন, ও হিয়নগিউ


মেক্সিকো চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক কার্লোস আসেভেদো, গিয়েরমো ওচোয়া, রাউল রাঙ্গেল


ডিফেন্ডার এডসন আলভারেজ, মাতেও চাভেজ, হেসুস গালিয়ার্দো, সেসার মন্তেস, ইসরায়েল রেয়েস, হোর্হে সানচেজ, জোহান ভাসকেস


মিডফিল্ডার লুইস চাভেজ, আলভারো ফিদালগো, ব্রায়ান গুতিয়েরেস, এরিক লিরা, গিলবার্তো মোরা, লুইস রোমো, ওর্বেলিন পিনেদা, ওবেদ ভার্গাস


ফরোয়ার্ড রবার্তো আলভারাদো, সান্তিয়াগো হিমেনেস, আরমান্দো গনসালেস, সেসার উয়ার্তা, রাউল হিমেনেস, গিয়েরমো মার্টিনেস, হুলিয়ান কুইনোনেস, আলেক্সিস ভেগা


মরক্কো চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনু, মুনির এল কাজুই, রেদা তাগনাউতি


ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউই, আনাস সালাহ-এদ্দিন, ইউসুফ বেলামারি, আচরাফ হাকিমি, জাকারিয়া এল ওয়াহদি, নায়েফ আগুয়ের্ড, চাদি রিয়াদ, রেদোয়ান হালহাল, ইসা দিয়োপ


মিডফিল্ডার সামির এল মরাবেত, আয়্যুব বোউআদি, নীল এল আয়নাউই, সোফিয়ান আম্রাবাত, আজজেদিন উনাহি, বিলাল এল খান্নুস, ইসমাইল সাইবারি


ফরোয়ার্ড আবদে এজালজুলি, শেমসদিন তালবি, সুফিয়ান রহিমি, আয়্যুব এল কাবি, ব্রাহিম দিয়াজ, গেসিম ইয়াসিন, আয়ুব আমাইমুনি


নেদারল্যান্ডস চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রোয়েফস, বার্থ ফারব্রুগেন


ডিফেন্ডার নাথান আক, ডেনজেল ডামফ্রিস, জোরেল হাটো, জুরিয়েন টিম্বার, ইয়ান পল ভ্যান হেক, ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মিকি ভ্যান ডে ভেন


মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, মার্টেন ডে রুন, রায়ান গ্রাভেনবার্খ, টেইন কুপমেইনার্স, তিজানি রেইনডার্স, গুস টিল, কুইন্টেন টিম্বার, ম্যাটস উইফার


ফরোয়ার্ড ব্রায়ান ব্রোবি, মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ডনিয়েল মালেন, ক্রেসেনসিও সামারভিল, ওউট ভেগহর্স্ট


নিউজিল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক ম্যাক্স ক্রোকম্ব, অ্যালেক্স পলসেন, মাইকেল উড


ডিফেন্ডার টাইলার বিন্ডন, মাইকেল বক্সঅল, লিবারাতো কাকাচে, ফ্রান্সিস দে ভ্রিস, ক্যালান এলিয়ট, টিম পেইন, ন্যান্ডো পাইনাকার, টমি স্মিথ, ফিন সারম্যান


মিডফিল্ডার ল্যাচলান বেইলিস, জো বেল, ম্যাট গারবেট, এলি জাস্ট, ক্যালাম ম্যাককাওয়াট, বেন ওল্ড, অ্যালেক্স রুফার, মার্কো স্ট্যামেনিচ, স্যারপ্রিত সিং, রায়ান থমাস


ফরোয়ার্ড কোস্টা বারবারোসেস, জেসি র‍্যান্ডাল, বেন ওয়েইন, ক্রিস উড


নরওয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক অরিয়ান হাস্কিয়োল্ড নাইল্যান্ড, এগিল সেলভিক, সান্ডার ট্যাংভিক


ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার ভাসবাক আয়ের, ফ্রেডরিক বিয়র্কান, হেনরিক ফালকেনার, সন্ড্রে ল্যাংগাস, তোরবিয়র্ন হেগগেম, মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেন, জুলিয়ান রাইয়েরসন, ডেভিড মোলার উলফ, লেও অস্টিগার্ড


মিডফিল্ডার থেলোনিয়াস আসগার্ড, ফ্রেডরিক অউরেস্নেস, প্যাট্রিক বার্গ, সান্ডার বার্গে, অস্কার বব, জেন্স পেটার হাউগে, আন্তোনিও নুসা, আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, মর্টেন থর্সবাই, ক্রিস্টিয়ান থর্স্টভেড্ট, মার্টিন ওডেগার্ড


ফরোয়ার্ড এরলিং হালান্ড, জর্গেন স্ট্র্যান্ড লারসেন, আলেকসান্ডার সোরলোথ


পানামা চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক অরল্যান্ডো মস্কেরা, লুইস মেহিয়া, সিজার সামুডিও


ডিফেন্ডার সিজার ব্ল্যাকম্যান, হোর্হে গুতিয়েরেস, আমির মুরিলো, ফিদেল এসকোবার, আন্দ্রেস আন্দ্রাদে, এদগার্দো ফারিনা, হোসে কর্ডোবা, এরিক ডেভিস, জিওভানি রামোস, রডেরিক মিলার


মিডফিল্ডার আনিবাল গোদয়, আদালবের্তো কারাসকিয়া, কার্লোস হার্ভে, ক্রিস্টিয়ান মার্টিনেস, হোসে লুইস রদ্রিগেজ, সিজার ইয়ানিস, ইয়োয়েল বার্সেনাস, আলবের্তো কুইন্টারো, আজারিয়াস লন্ডোনো


ফরোয়ার্ড ইসমাইল দিয়াজ, সেসিলিও ওয়াটারম্যান, হোসে ফাজার্দো, তোমাস রদ্রিগেজ


প্যারাগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল, রবার্তো ফার্নান্দেস, গাস্তন ওলভেইরা


ডিফেন্ডার হুয়ান কাসেরেস, গুস্তাভো ভেলাসকেস, গুস্তাভো গোমেস, জুনিয়র আলোনসো, হোসে কানালে, ওমার আলদেরেতে, আলেক্সান্দ্রো মাইদানা, ফাবিয়ান বালবুয়েনা


মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেস, মৌরিসিও মাগালায়েস, দামিয়ান বোবাডিয়া, ব্রায়ান ওহেদা, আন্দ্রেস কুবাস, মাতিয়াস গালারজা, আলেহান্দ্রো গামাররা


ফরোয়ার্ড গুস্তাভো কাবালেরো, রামন সোসা, আলেক্স আরসে, ইসিদ্রো পিত্তা, গ্যাব্রিয়েল আভালোস, মিগেল আলমিরন, হুলিও এনসিসো, আন্তোনিও সানাব্রিয়া


পর্তুগাল চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক দিয়োগো কোস্তা, হোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্দো ভেলহো


ডিফেন্ডার তোমাস আরাউজো, জোয়াও ক্যানসেলো, দিয়োগো দালোত, রুবেন দিয়াস, গনসালো ইনাসিও, নুনো মেন্ডেস, মাতেউস নুনেস, নেলসন সেমেদো, রেনাতো ভেইগা


মিডফিল্ডার স্যামুয়েল কোস্তা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, বার্নার্দো সিলভা, ভিতিনিয়া


ফরোয়ার্ড ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, জোয়াও ফেলিক্স, গনসালো গেদেস, রাফায়েল লেও, পেদ্রো নেটো, গনসালো রামোস, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও


কাতার চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা, শেহাব আল লিথি, মেশাল বারশাম, সালাহ জাকারিয়া


ডিফেন্ডার রায়ান আল আলি, আল হাশেমি আল হুসেইন, আয়ুব আল আলাওয়ি, বাসাম আল রাওয়ি, হোমাম আল আমিন, সুলতান আল ব্রাক, বুয়ালেম খুকি, নিয়াল মেসন, লুকাস মেন্ডেস, পেদ্রো মিগুয়েল, তারেক সালমান


মিডফিল্ডার করিম বৌদিয়াফ, আহমেদ ফাতহি, জাসেম গাবের, আবদুলআজিজ হাতেম, ইসা লাই, আসিম মাদিবো, মোহাম্মদ মানাই, তাহসিন মোহাম্মদ, মোহাম্মদ ওয়াদ


ফরোয়ার্ড ইউসুফ আবদেলরিসাক, আকরাম আফিফ, আহমেদ আলাএদ্দিন, হাসান আল হায়দোস, আলমোয়েজ আলি, আহমেদ আল জানহি, এডমিলসন জুনিয়র, মোহাম্মদ মুনতারি, মুবারক শানান, সেবাস্তিয়ান সোরিয়া সৌদি আরব চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক আহমেদ আল কাসার, মোহাম্মেদ আল ওয়াইস, নাওয়াফ আল আকিদি, আবদুলকুদুস আতিয়া


ডিফেন্ডার সাউদ আবদুলহামিদ, মোহাম্মেদ আবু আল শামাত, খালিদ আল ঘান্নাম, মোতেব আল হারবি, আবদুল্লাহ আল আমরি, নাওয়াফ বউশাল, জাকারিয়া হাওয়াসাভি, হাসান কাদেশ, আলি লাজামি, আলি মাজারাশি, হাসান তাম্বাকতি, জেহাদ থিকরি


মিডফিল্ডার নাসের আল দাওসারি, আলা আল হাজ্জি, জিয়াদ আল জোহানি, মুসআব আল জুয়াইর, আবদুল্লাহ আল খাবাইরি, সালেহ আবু আল শামাত, মোহাম্মেদ কান্নো, সুলতান মানদাশ, আয়মান ইয়াহিয়া


ফরোয়ার্ড ফেরাস আল ব্রিকান, সালেম আল দাওসারি, আবদুল্লাহ আল হামদান, আবদুল্লাহ আল সালেম, সালেহ আল শেহরি


স্কটল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক ক্রেগ গর্ডন, অ্যাঙ্গাস গান, লিয়াম কেলি


ডিফেন্ডার গ্রান্ট হ্যানলি, জ্যাক হেনড্রি, অ্যারন হিকি, ডম হাইয়াম, স্কট ম্যাককেনা, নাথান প্যাটারসন, অ্যান্থনি রালস্টন, অ্যান্ডি রবার্টসন, জন সাউটার, কিয়েরান টিয়ার্নি


মিডফিল্ডার রায়ান ক্রিস্টি, ফিন্ডলে কার্টিস, লুইস ফার্গুসন, টাইলার ফ্লেচার, বেন গ্যানন-ডোয়াক, জন ম্যাকগিন, কেনি ম্যাকলিন, স্কট ম্যাকটমিনে


ফরোয়ার্ড চে অ্যাডামস, লিন্ডন ডাইমন, জর্জ হার্স্ট, লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড, রস স্টুয়ার্ট


সেনেগাল চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক মোরি দিয়াও, ইয়েভান ডিওফ, এদোয়ার্দ মেন্ডি


ডিফেন্ডার ইলাই কামারা, ক্রেপিন দিয়াত্তা, এল হাদজি মালিক দিয়ুফ, ইসমাইল জাকবস, কালিদু কুলিবালি, মুস্তাফা এমবো, আন্তোয়ান মেন্ডি, মুসা নিয়াখাতে, মামাদু সার, আবদুলাই সেক


মিডফিল্ডার লামিন কামারা, পাথে সিস, হাবিব দিয়ারা, ইদ্রিসা গানা গেই, পাপে গেই, পাপে মাতার সার, বারা সাপোকো নিয়ায়ে


ফরোয়ার্ড আসানে দিয়াও, বাম্বা দিয়েং, নিকোলাস জ্যাকসন, সাদিও মানে, ইব্রাহিম মবায়ে, শেরিফ নিয়ায়ে, ইলিমান নিয়ায়ে, ইসমাইলা সার


সাউথ আফ্রিকা চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস, রিকার্ডো গস, সিফো শেইনে


ডিফেন্ডার খুলিসো মুদাউ, ওলওয়েথু মাখানিয়া, ব্র্যাডলি ক্রস, অব্রি মোদিবা, থাবাং মাতুলুদি, নকোসিনাথি সিবিসি, খুলুমানি এনডামানে, আইমে ওকন, সামুকেলে কাবিনি, মবেকেজেলি এমবোকাজি, কামোগেলো সেবেলেবে


মিডফিল্ডার তেবোহো মোকোয়েনা, জেইডেন অ্যাডামস, থালেন্তে এমবাথা, স্পেপেলো সিথোলি


ফরোয়ার্ড ওসউইন অ্যাপোলিস, চেপাং মোরেমি, এভিডেন্স মাকগোপা, লাইল ফস্টার, ইকরাাম রায়নার্স, রিলেহবিলে মোফোকেং, থেম্বা জ্বানে, থাপেলো মাশেকো


স্পেন চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক উনাই সিমোন, ডেভিড রায়া, জোয়ান গার্সিয়া


ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো, মার্কোস লরেন্তে, আয়মেরিক লাপোর্তে, পাউ কুবারসি, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো


মিডফিল্ডার রদ্রি (রদ্রিগো হার্নান্দেজ), মার্টিন জুবিমেন্ডি, পেদ্রি গনসালেস, ফাবিয়ান রুইজ, মিকেল মেরিনো, পাবলো পায়েজ ‘গাভি’, আলেক্স বায়েনা


ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারিয়াবাল, লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, বোরহা ইগলেসিয়াস, দানি ওলমো, ভিক্টর মুনিয়োস, নিকো উইলিয়ামস, এরেমি পিনো


সুইডেন চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক ভিক্টর ইয়োহানসন, গুস্তাফ লাগারবিয়েলকে, ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট, জ্যাকব জেটারস্ট্রম


ডিফেন্ডার হ্যালমার একডাল, গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ইসাক হিয়েন, ভিক্টর লিন্ডেলফ, এরিক স্মিথ, কার্ল স্টারফেল্ট, ড্যানিয়েল সুয়েনসন


মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারি, লুকাস বের্গভাল, ইয়েসপার কার্লস্ট্রম, বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, কেন সেমা, এলিয়ট স্ট্রাউড, ম্যাটিয়াস স্ভানবার্গ, বেসফর্ট জেনেলি


ফরোয়ার্ড তাহা আলি, আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ভিক্টর গিয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক, গুস্তাফ নিলসন


সুইজারল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল, মারভিন কেলার, ইয়ভঁ ম্ভোগো


ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জি, অরেল আমেন্ডা, এরায় কোর্মেট, নিকো এলভেদি, লুকা ইয়াকেজ, মিরো মুইহেম, রিকার্ডো রদ্রিগেজ, সিলভান উইডমার


মিডফিল্ডার মিশেল আয়েবিশার, ক্রিশ্চিয়ান ফাসনাখট, রেমো ফ্রয়লার, সেড্রিক ইতেন, আরদন জাশারি, ফ্যাবিয়ান রাইডার, দ্যব্রিল সাও, গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া


ফরোয়ার্ড জেকি আমদুনি, ব্রিল এমবলো, জোহান মানজাম্বি, ড্যান এনডয়ে, নোয়া ওকাফর, রুবেন ভারগাস


তিউনিশিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক সাবরি বেন হাসান, আবদেলমউহিব চামাখ, আয়মান দাহমেনে


ডিফেন্ডার আলি আবদি, মোহামেদ আমিন বেন হামিদা, আদেম আরৌস, ডিলান ব্রোন, রায়েদ চিকাহুই, মউতাজ নেফাতি, ওমর রেকিক, মন্তাসার তালবি, ইয়ান ভ্যালেরি


মিডফিল্ডার মরতাদা বেন ওয়ানেস, আনিস বেন স্লিমান, ইসমাইল ঘারবি, রানি খেদিরা, হাদজ মাহমুদ, হানিবাল মেজব্রি, এলিয়েস স্কিরি


ফরোয়ার্ড এলিয়াস আচৌরি, খলিল আয়ারি, ফিরাস শাওয়াত, রায়ান এল্লুমি, হাযেম মাস্তুরি, এলিয়াস সাদ, সেবাস্তিয়ান তৌনেকতি


তুর্কি চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক আলতায় বাইয়িন্দির, এরসিন দেস্তানোউলু, মের্ত গুনক, মুহাম্মেদ শেংজের, উগুরচান চাকির


ডিফেন্ডার আবদুলকেরিম বারদাকচি, আহমেতজান কাপলান, চাগলার সোয়ুনচু, এরেন এলমালি, ফেরদি কাদিওগ্লু, মেরিহ দেমিরাল, মের্ত মুলদুর, মুস্তাফা এস্কিহেল্লাচ, ওজান কাবাক, সামেত আকায়দিন, ইউসুফ আকচিচেক, জেকি চেলিক


মিডফিল্ডার আতাকান কারাজোর, দেমির এজে তিকনাজ, হাকান চালহানওগ্লু, ইসমাইল ইউকশেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু, সালিহ ওজকান


ফরোয়ার্ড আরাল সিমসির, আর্দা গুলের, বারিশ আলপার ইলমাজ, ক্যান উজুন, ডেনিজ গুল, ইরফান কান কাহভেচি, কেনান ইয়িলদিজ, কেরেম আক্তুরকোগলু, ওগুজ আয়দিন, ইউনুস আকগুন, ইউসুফ সারি


উরুগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক সান্তিয়াগো মেলে, ফার্নান্দো মুস্লেরা, সার্জিও রোচেত


ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউহো, সান্তিয়াগো বুয়েনো, সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, মাতিয়াস অলিভেরা, জোয়াকিন পিকেরেজ, গুইয়ের্মো ভ্যারেলা, মাতিয়াস ভিনা


মিডফিল্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, রদ্রিগো বেন্টানকুর, আগুস্তিন ক্যানোবিও, নিকোলাস দে লা ক্রুজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো পেলিস্ত্রি, ব্রায়ান রদ্রিগেজ, হুয়ান ম্যানুয়েল সানাব্রিয়া, ম্যানুয়েল উগার্তে, ফেদেরিকো ভালভার্দে, রদ্রিগো জালাজার


ফরোয়ার্ড রদ্রিগো আগুইরে, ফেদেরিকো ভিনাস, ডারউইন নুনিয়েজ


যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিস, ম্যাট টার্নার


ডিফেন্ডার ম্যাক্স আর্ফস্টেন, সার্জিনো ডেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি, টিম রিম, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টোনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, জো স্ক্যালি, অস্টন ট্রাস্টি


মিডফিল্ডার টাইলার অ্যাডামস, সেবাস্তিয়ান বেরহাল্টার, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, ক্রিশ্চিয়ান রোলদান, ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, জিও রেয়না, মালিক টিলম্যান, টিমোথি ওয়াহ, আলেহান্দ্রো জেনদেজাস


ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন, রিকার্ডো পেপি, হাজি রাইট


উজবেকিস্তান চূড়ান্ত স্কোয়াড


গোলরক্ষক বোটিরালি এরগাশেভ, আব্দুভোহিদ নেমাতভ, উতকির ইউসুপভ


ডিফেন্ডার আব্দুল্লাহ আব্দুল্লায়েভ, খোজিয়াকবার আলিজোনভ, রুস্তমজন আশুরমাতভ, উমারবেক এশমুরাদভ, বেখরুজ কারিমভ, আব্দুকোদির খুসানোভ, শেরজোদ নাসরুল্লায়েভ, উমারালি রাহমোনালিয়েভ, ফাররুখ সাইফিয়েভ, আভাজবেক উলমাসালিয়েভ, জাখোংগির উরোজভ, রুসলানবেক ইয়িয়ানোভ


মিডফিল্ডার শেরজোদ এসানোভ, আজিজবেক গানিয়েভ, দোস্তনবেক হামদামভ, ওদিলজন হামরোবেকভ, জামশিদ ইসকান্দেরভ, জাশুর জালোলিদ্দিনভ, আকমাল মোজগোভয়, ওতাবেক শুকুরভ


ফরোয়ার্ড আজিজবেক আমোনভ, আব্বাসবেক ফাইজুল্লায়েভ, জালোলিদ্দিন মাশারিপভ, এলদোর শোমুরোদভ, ইগর সের্গিয়েভ, শেরজোদ তেমিরভ, অস্টন উরুনভ


  অবশেষে বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ



সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৫৬ পিএম
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৫৬ পিএম


মেহেদী হাসান মিরাজ

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৫৬ পিএম

ক্যারিবীয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএলে) নিজের অভিষেক দারুণভাবে রাঙিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজ। গায়ানা আমাজন ওয়ারির্সের হয়ে বৃহস্পতিবার বল হাতে মিরাজ নিয়েছেন ৩ উইকেট। ব্যাটিংয়ে ভালো করতে না পারলেও বোলিং দিয়ে পুষিয়ে দিয়েছেন মিরাজ। 


এদিকে মিরাজের পাশাপাশি জ্বলে উঠেছেন দলটির অধিনায়ক ইমরান তাহির। ৪৭ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফাইফার তুলে নিয়ে দলকে জিতিয়েছেন। এই দুই স্পিনারের বোলিং ঘূর্ণিতে সেন্ট লুসিয়া কিংস ১১৯ রানে গুটিয়ে যায়। জবাবে ব্যাটিংটা ভালো হয়নি গায়ানার। তবুও জয় পেতে সমস্যা হয়নি তাদের। 


কোয়েন্টিন স্যাম্পসনের ১১ বলে ৩৭ রানের বিস্ফোরক ইনিংসে ৪ উইকেটে ম্যাচ জেতে গায়ানা। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন ইমরান তাহির। ৮ ম্যাচে এটি তাদের সপ্তম জয়। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে টেবিলের শীর্ষে।


মিরাজ দ্বিতীয়বার গেছেন সিপিএল খেলতে। এর আগে তাকে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স দলভুক্ত করেছিল। কিন্তু ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি তিনি। এবার গায়ানা তাকে মোহাম্মদ নবীর রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে দলে নেয়। প্রথম সুযোগেই নিজের সামর্থ্যের জানান ভালোমতো দিয়েছেন। 


বল হাতে নিজের প্রথম ওভারে জন ক্যাম্পেবেলের উইকেট নেন মিরাজ। এগিয়ে এসে অফস্পিনারের বল উড়াতে গিয়ে লং অনে ধরা পড়েন ক্যাম্পবেল। এরপর নিজের তৃতীয় ওভারে মিরাজ ফেরান কেমল সেভরি ও চারিথ আসালাঙ্কাকে। এরপর আর কোনো উইকেট না পেলেও সেন্ট লুসিয়ার ব্যাটসম্যানদের চাপে রেখেছিলেন মিরাজ। তার ৪ ওভার শেষ হয় ১৩ রান দিয়ে। উইকেট পেয়েছেন ৩টি। যেখানে ১৩ বল ছিল ডট। 


এদিকে ইমরান তাহির ৪৭ বছর বয়সে ক্যারিয়ারের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েছেন। ১৭ রানে ৫ উইকেট নেন এই লেগ স্পিনার। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত আসরে এটি তার ষষ্ঠ ফাইফার। টি-টোয়েন্টিতে সর্বাধিক ৫ উইকেট বা তার বেশি উইকেট নেয়ার তালিকায় ইমরান আছেন দুই নম্বরে। ৭ বার ৫ বা তার বেশি উইকেট পেয়েছেন ডেভিড ভিসে। 


গায়ানার বোলিং যতটা আলো ছড়িয়েছে, ব্যাটিং ততটাই হতাশ করেছে। ওপেনিংয়ে গ্লেন ফিলিপসের ৩৭ ও শেষ দিকে স্যাম্পসনের ১ চার ও ৫ ছক্কায় সাজানো ৩৭ ইনিংসে গানায়া শুরুরু ধাক্কা সামলে অনায়েস জয় তুলে নেয়। মিরাজ পাঁচে নেমে ৪ বলে ১ রান করেন। স্পিনের চেজের বল সুইপ করে স্কয়ার লেগে আসালাঙ্কার হাতে ক্যাচ দেন। 


আগামী ১১ সেপ্টেম্বর মিরাজদের পরবর্তী ম্যাচ ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে। 

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৪ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৪ পিএম


বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল

  • প্রকাশ : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৪ পিএম

এশিয়া কাপের প্রথম দুই ম্যাচে একাদশে ছিলেন শারমিন আক্তার সুপ্তা আর রাবেয়া খান। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাদের ওপর ভরসা করেছিল টাইগ্রেসরা। সেই ভরসার প্রতিদান দিলেন দুজনই। একজন দায়িত্ব নিলেন ব্যাটিংয়ে। আরেকজন ছড়ি ঘুরালেন বলহাতে। তাদের দারুণ নেপূণ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল বাংলাদেশ।


মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) নারী এশিয়া কাপের ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রান করেছিল। জবাব দিতে নেমে ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে মোটে ৬৯ রান করতে পেরেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। টাইগ্রেসরা জয় পেয়েছে ৩৪ রানের।


‘বি’ গ্রুপ থেকে তিন ম্যাচের সবগুলো জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। আর সমান ম্যাচে ২ জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে গেল বাংলাদেশ। যেখানে আগে থেকেই নিগার সুলতানা জ্যোতিদের জন্য অপেক্ষা করছে ভারত।


আগের দুই ম্যাচের মতো আরব আমিরাতের বিপক্ষেও ব্যাটিংটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ব্যর্থ হয়েছেন টপঅর্ডার ব্যাটাররা। এরপর নিজের কাধে দায়িত্ব তুলে নেন চলমান এশিয়া কাপে প্রথমবার একাদশে জায়গা পাওয়া শারমিন আক্তার সুপ্তা। তার ৩১ বলে ৪৮ রানের ইনিংসে ভর করেই লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।


স্বল্প রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আরব আমিরাতের শুরুটা ভালো হয়নি। টাইগ্রেস পেসার মারুফা আক্তারের তোপের মুখে পড়ে স্বাতিকরা। ১৩ রানের মধ্যেই টপঅর্ডারের দুই ব্যাটারকে ফেরত পাঠান তিনি। ওপেনার ঈশা ওজা (৪ বলে ২) আর তিন নম্বরে নামা সামাইরা ধারনিধারকা (১৯ বলে ৮) ফিরে যান মারুফার শিকার হয়ে।


এরপরই নিজের স্পিন ঘূর্ণিতে স্বাগতিক ব্যাটারদের চোখে সরষে ফুল দেখান প্রথমবার একাদশে সুযোগ পাওয়া রাবেয়া খান। এই লেগস্পিনারের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি আরব আমিরাতের কোনো ব্যাটার। মিডল অর্ডারের দুই ব্যাটার রিনিথা রাজিথ (১২ বলে ৫) আর হেনা হটচান্দানিকে (১৯ বলে ১৮) ফিরিয়ে কোমড় ভেঙে দেন আরব আমিরাতের ব্যাটিং লাইনের। পরে ধরেন আরও এক শিকার।


আরবে আমিরাতের পুরো ইনিংসে মাত্র দুজন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পোঁছাতে পেরেছেন। বাংলাদেশের বোলারদের তোপের মুখে বাকিরা সবাই ফিরেছেন সিঙ্গেল ডিজিটেই। থেমেছে ৬৯ রানেই।


বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট পেয়েছেন রাবেয়া খান। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মারুফা আক্তার আর নাহিদা আক্তার। একটি করে উইকেট গেছে সুলতানা খাতুন আর ফাহিমা খাতুনের ঝুঁলিতে।


এর আগে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। শুরুটা প্রত্যাশা মতো না হলেও শেষদিকে শারমিন আক্তারের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে একশ পেরোয় বাংলাদেশ।


বাংলাদেশের ইনিংসে সবচেয়ে কার্যকর ব্যাটিং করেছেন শারমিন আক্তার। ৩১ বলে ৩৮ রান করে দলের ইনিংসের ভিত গড়ে দেন তিনি। শারমিন আক্তার ১৮.৫ ওভারে ৯৭ রানের মাথায় আউট হন। তার বিদায়ের পর শেষ দিকে নাহিদা আক্তার ও রাবেয়া খান মিলে ইনিংস শেষ করেন। নাহিদা আক্তার অপরাজিত থাকেন ২৬ বলে ১৬ রান করে। অন্য প্রান্তে রাবেয়া খান ৪ বলে করেন ৩ রান।


শেষ পাঁচ ওভারে বাংলাদেশ যোগ করেছে ৩৩ রান, যেখানে হারিয়েছে মাত্র একটি উইকেট। ফলে শেষ দিকে কিছুটা গতি পেয়ে ২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০৩ রান।


আমিরাতের বোলারদের মধ্যে জানানি থিরুক্কুমারান সবচেয়ে সফল। ১ ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে তিনি নিয়েছেন ১ উইকেট। হিনা হটচান্দানির ৪ ওভারে এসেছে ১৯ রান, তবে কোনো উইকেট পাননি।

সর্বশেষ সব খবর

লামিনে ইয়ামাল

  • প্রকাশ : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:০৬ পিএম

স্বপ্নের মতো একটি বছর কেটেছে লামিনে ইয়ামালের। টিনএজ এ ফুটবলার কদিন আগে স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছেন, বার্সেলোনাকে জিতিয়েছেন লা লিগা। এ দুই অর্জনের জন্য ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। এর পরও তাঁর একটি স্বপ্ন নাকি এখনও অপূর্ণ। সেটা হলো ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদার টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা। আজ ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে ডাচ ক্লাব ফেনুয়ার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সেই স্বপ্ন ছোঁয়ার অভিযান শুরু করবেন ইয়ামাল। 


আসরের টানা দুবারের চ্যাম্পিয়ন পিএসজিও আজ মাঠে নামছে। ঘরের মাঠে আজ তাদের প্রতিপক্ষ দুর্বল স্লোভান ব্রাতিস্লাভা। গতবারের ফাইনালিস্ট আর্সেনালও শুরু করছে আজ। ইতালির ক্লাব নাপোলির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু করবে মিকেল আর্তেতার দল। আজ রাতের বিগ ম্যাচটা হবে অ্যানফিল্ডে। স্বাগতিক লিভারপুলের মুখোমুখি হবে স্প্যানিশ জায়ান্ট অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। 


বার্সা সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিল ১১ বছর আগে। ২০১৫ সালে লিওনেল মেসি, নেইমার ও লুইস সুয়ারেজ– এই ত্রয়ীর নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। বর্তমান কোচ হ্যান্সি ফ্লিকের অধীনে ২০২৫ সালে সেমিফাইনাল ও গত বছর কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা। এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগকে ‘ভেরি স্পেশাল’ মর্যাদা দিয়েছেন ইয়ামাল। ১৯ বছর বয়সী এ তারকা এই ট্রফি জিততে মরিয়া চেষ্টা করবেন বলেও দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন, ‘এই বছর জাতীয় দল ও ক্লাবের হয়ে যা কিছু করেছি তার জন্য ভীষণ গর্বিত। আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছি, ক্লাবের হয়ে লা লিগা জিতেছি। এর চেয়ে বেশি কিছু আসলে চাওয়ার নেই।’ এরপরই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন তিনি, ‘এই মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগটা আমার কাছে ভেরি স্পেশাল। সবকিছু জেতা হয়েছে। শুধু এটাই বাকি।’ এ কথাতেই বোঝা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিয়ে কতটা সিরিয়াস এ টিনএজার।


বার্সার কোচও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে মরিয়া, ‘প্রতিটি বড় ক্লাব এই ট্রফি নিয়ে স্বপ্ন দেখে। কারণ এটাই সেরা টুর্নামেন্ট। এই ট্রফি জেতার সামর্থ্য আমাদের আছে। তবে অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।’ ইয়ামালেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন এই জার্মান কোচ। এই স্প্যানিশ মাঠে সময়টা ভীষণ উপভোগ করছেন বলেও জানান তিনি, ‘লামিনে হলো এমন একজন ফুটবলার, যে কিনা মুহূর্তের মধ্যে একটি ম্যাচ নির্ধারণ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এটা দুর্দান্ত বিষয়। প্রতিদিন আপনি দেখতে পাবেন সে মাঠে কতটা উপভোগ করছে ফুটবল। আমার জন্য তাকে এভাবে দেখতে পারাটাই সবচেয়ে আনন্দের বিষয়।’ 


লিভারপুল-অ্যাথ. মাদ্রিদ

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আজ সবচেয়ে জমজমাট লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা অ্যানফিল্ডে। আন্দোনি ইরাওলার অধীনে আজ প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলতে নামছে লিভারপুল। তাদের প্রতিপক্ষ অভিজ্ঞ দিয়াগো সিমিওনির অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। ঘরোয়া লিগে দুই দল এখনও সেরা ছন্দে পৌঁছাতে পারেনি। প্রিমিয়ার লিগে সর্বশেষ ম্যাচে লিভারপুল ২-০ গোলে জিতলেও আগের দুই ম্যাচে ড্র করেছে। 


আর আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার হুলিয়ান আলভারেজের দলবদল নিয়ে তিক্ত সময় পার করা অ্যাথলেটিকো তো লা লিগায় গত শনিবার অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে। দুই দলের পরিসংখ্যানে অবশ্য এগিয়ে লিভারপুল। সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচে তিনটি জিতেছে লিভারপুল ও দুটি জিতেছে স্প্যানিশ ক্লাবটি। তবে আজ ম্যাচ অ্যানফিল্ডে বলেই কিছুটা হলেও এগিয়ে থাকবে অলরেডরা।

সর্বশেষ সব খবর

সিটির জয়ে দুটি গোলই করেছেন আর্লিং হলান্ড

  • প্রকাশ : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৯ পিএম

চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুম। নতুন কোচের অধীনে ম্যানচেস্টার সিটিরও নতুন শুরু। তবে পোর্তোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে নায়ক সেই পুরোনো একজনই। আর্লিং হলান্ড।


নতুন মৌসুমে সিটির দায়িত্ব নিয়েছেন এনজো মারেসকা। পেপ গার্দিওলার দীর্ঘ অধ্যায়ের পর তাঁর সামনে কাজটা কঠিনই। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচে সেই চাপের ছাপ খুব একটা দেখা গেল না। পোর্তোর মাঠে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখিয়েছে সিটি। আর শেষ পর্যন্ত ব্যবধান গড়ে দিয়েছেন হলান্ড। তবে প্রথমার্ধে তাঁকে আটকে রেখেছিলেন পোর্তো গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা। একবার দুর্দান্ত ঝাঁপিয়ে হলান্ডের শক্তিশালী হেড ফিরিয়েছেন । পরে আবারও নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারকে হতাশ করেছেন জোড়া সেভে। প্রথম ৪৫ মিনিটে গোল না পেলেও সিটি তখনই বুঝিয়ে দিয়েছিল, পোর্তোর দুর্গে ধাক্কা আসছে।


বিরতির পর আর অপেক্ষা করতে হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এনজো ফার্নান্দেজের ক্রস থেকে হলান্ডের হেড। খুব জোরালো ছিল না শটটি, কিন্তু কস্তাকে ভুল পায়ে ফেলে বল গড়িয়ে গেল নিচের কোণায়। ১-০।


গোল খেয়ে যেন ঘুম ভাঙল পোর্তোর। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা ফিরে পেতে শুরু করে স্বাগতিকেরা। উল্টো সিটির রক্ষণেও দেখা দেয় অস্বস্তি। একবার জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা গোল ছেড়ে বেরিয়ে এসে পেপেকে ফেলে দিয়েছিলেন। অফসাইড না থাকলে সেটি পোর্তোর পেনাল্টি হতে পারত। পরে তাঁর একটি ক্লিয়ারেন্স উইলিয়াম গোমেসের গায়ে লেগে অল্পের জন্য গোল হয়নি।


তবু শেষ পর্যন্ত পোর্তোর সব চেষ্টা ব্যর্থ। কারণ রাতটা ছিল হলান্ডের।


যোগ করা সময়ের গভীরে রায়ান আইত নুরির ক্রস পেয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠালেন তিনি। ২-০। সেই সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫৯ ম্যাচে হলান্ডের গোলও হয়ে গেল ৫৯টি।


চ্যাম্পিয়নস লিগে দ্রুততম ২০, ৩০, ৪০ ও ৫০ গোলের রেকর্ড আগেই নিজের করে নিয়েছেন তিনি। এবার তাঁর সামনে দ্রুততম ৬০ গোলের রেকর্ড গড়ার হাতছানি। যে জায়গায় পৌঁছাতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসির লেগেছিল অনেক বেশি ম্যাচ, সেখানে হলান্ড ছুটছেন নিজের গতিতে।


সিটির হয়ে এটিই ছিল তাঁর ১৬৭তম গোল। ক্লাবটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় উঠে গেলেন তৃতীয় স্থানে।


ম্যাচ শেষে হলান্ড বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় মঞ্চে আমাদের ওপর চাপ থাকে। আমাদের কাজ ছিল সেটা সামলে নিজেদের দায়িত্ব পালন করা। আজ আমরা সেটাই করেছি।’


আর চ্যাম্পিয়নস লিগে জয়ের গুরুত্ব বোঝাতে তাঁর উপলব্ধি, ‘এই ম্যাচগুলো আপনাকে জিততেই হবে। না হলে হঠাৎ করেই সব চাপ আপনার ওপর চলে আসে। তারপর কী হবে, কেউ জানে না।’

সর্বশেষ সব খবর

ইমরান খান ও ওয়াসিম আকরাম

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০৫ পিএম

কারাগারে থাকা পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির কিংবদন্তি ক্রিকেটার ওয়াসিম আকরাম। ইমরানের সঙ্গে তিন বছর ধরে কথা না হলেও তাঁকে ভীষণ মিস করেন তিনি। 


ইমরানের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও কোনো ধরনের আপস না করার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক এই ক্রিকেটার। দ্য অ্যাথলেটিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আকরাম বলেন, ‘সে আমার বন্ধু। আমি তাকে অনেক মিস করি। তিন বছর ধরে তার সঙ্গে আমার কথা হয়নি। রাজনৈতিকভাবে তার সঙ্গে যা ঘটছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আদালতের বিষয় আদালতেই থাকুক। কিন্তু তার স্বাস্থ্যের ব্যাপারে কোনো আপস হতে পারে না।’


ইমরানের সঙ্গে নিজের দীর্ঘ সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেছেন আকরাম। অবসর নেওয়ার পরও তাঁদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। আকরাম বলেন, ‘আমরা অবসর নেওয়ার পরও সে আর আমি নিয়মিত যোগাযোগ রাখতাম। আমি তার কাছে যেতাম, সময় কাটাতাম। আমি তার সঙ্গে কথা বলা মিস করি। একজন বন্ধু হিসেবে আমি তাকে মিস করি-রাজনীতি বাদ দিয়েই বলছি।’


আকরামের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ইমরানের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ইমরান তাঁকে গড়ে তুলতে ও খেলার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আকরামও বহুবার ইমরানকে নিজের গুরু হিসেবে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছেন।


ইমরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়ে আকরাম বলেন, ‘ইমরানের অবস্থার উন্নতির দাবিতে ইংল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় একটি আন্দোলন হচ্ছে। কিন্তু এখানে, পাকিস্তানে? আমি নিশ্চিত নই। আমি একজন মানুষ হিসেবে তাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে হৃদয় থেকে কথাগুলো বলছি। সে দোষী সাব্যস্ত হোক বা না হোক। কারাগারে থাকুক বা না থাকুক। তার স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই হবে।’


ইমরানের শারীরিক অবস্থা ভালো আছে-সরকারের এমন বক্তব্য নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন আকরাম। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি না সেখানে কী ঘটছে। সরকার বলছে, তার স্বাস্থ্য নাকি ভালো আছে। কিন্তু আমি উদ্বিগ্ন। আমি তাকে অনেক মিস করি।’


ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর মধ্যে আলোচনায় আসে লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনের ঘটনা। মধ্যাহ্নবিরতিতে স্কাই স্পোর্টস ইমরানের দুই ছেলে সুলেমান ও কাসিমের সাক্ষাৎকার প্রচার করে। সেখানে তাঁরা কারাগারে বাবার জীবন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। ওই সাক্ষাৎকার নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) আপত্তির খবর প্রকাশিত হয়। এমনকি প্রতিবাদ হিসেবে পাকিস্তান দলের মাঠে না নামার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছিল। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়েই মাঠে নামে পাকিস্তান।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:১৩ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:০০ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


কাজাখস্তানকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টুর্নামেন্টে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:১৩ পিএম

জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ নারী হকি দলের জয়রথ ছুটেই চলছে। চায়নিজ তাইপে ও পাকিস্তানের পর এবার কাজাখস্তানকেও হারিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। আজ কাজাখস্তানকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টুর্নামেন্টে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে তারা। আগামীকাল নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে হংকংয়ের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এই জয়ে চ্যালেঞ্জার পুলে ৯ পয়েন্ট নিয়ে নিজেদের শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে বাংলাদেশ। কাজাখস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন সারিকা রিমন। অন্য দুটি গোলের একটি করেছেন মোসাম্মত লিমা, অন্যটি লিজা আক্তার।


চীনের মোকি ট্রেনিং গ্রাউন্ডে ম্যাচের শুরু থেকেই কাজাখস্তানকে চাপে রাখে বাংলাদেশ। ম্যাচের মাত্র তৃতীয় মিনিটেই পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন সারিকা। এরপর ১৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লিজা। প্রথম কোয়ার্টারেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।


দুই গোল হজম করার পর কাজাখস্তান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। কয়েকটি আক্রমণও তৈরি করে তারা। তবে বাংলাদেশের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি কাজাখস্তান। দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোয়ার্টারে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-০ ব্যবধানেই এগিয়ে থাকে বাংলাদেশ।


চতুর্থ কোয়ার্টারে আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় বাংলাদেশের মেয়েরা। সেই সুযোগে আরও দুটি গোল আদায় করে নেয় তারা। ৪৬ মিনিটে ফিল্ড গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন লিমা। এরপর ৫১ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন সারিকা। তাতে ৪-০ গোলের বড় জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।


এবারই দ্বিতীয়বারের মতো জুনিয়র এশিয়া কাপে খেলছে বাংলাদেশের মেয়েরা। এর আগে ২০২৩ সালের আসরে অংশ নিয়ে নবম হয়েছিল বাংলাদেশ। মেয়েদের জুনিয়র এশিয়া কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত।


দশ দলের এই টুর্নামেন্টে চ্যালেঞ্জার পুলে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে কাজাখস্তান, পাকিস্তান, চায়নিজ তাইপে ও হংকং। অন্যদিকে এলিট পুলে স্বাগতিক চীনের সঙ্গে রয়েছে জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও মালয়েশিয়া।

চ্যালেঞ্জার পুলের শীর্ষ তিন দল এবং এলিট পুলের পাঁচ দল খেলবে কোয়ার্টার ফাইনালে। আর চ্যালেঞ্জার পুলের চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে থাকা দল দুটি খেলবে নবম-দশম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে।

সর্বশেষ সব খবর