• প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৬ মে, ২০২৬, সময় : ৮:৪৩ এএম

ভোটের লড়াইয়ে নামার আগেই এবার বিসিবি পরিচালক হওয়া নিশ্চিত ৮ জনের। তাদের মধ্যে ৭ জনই ক্যাটেগরি-১ বা আঞ্চলিক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রতিনিধি। ক্যাটেগরি-৩ তথা সাবেক অধিনায়ক, ক্রিকেটার ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থা থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হয়ে গেছেন আরেকজন। বিসিবি নির্বাচনে প্রার্থীরা প্রত্যাহারের সময় শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয় সোমবার দুপুরে। 


ক্যাটেগরি-১ থেকে ভোটের লড়াই হয়ে স্রেফ দুটি বিভাগে। ভোটের মূল লড়াই এবার থাকছে ক্যাটেগরি-২ বা ক্লাব ক্যাটেগরিতে, যেখানে ১২টি পরিচালক পদে লড়বেন ১৬ জন। বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল লড়বেন এই ক্লাব ক্যাটেগরিতেই।


গত অক্টোবরে বিসিবির সবশেষ নির্বাচনে ভোটের আগে পরিচালক হওয়া নিশ্চিত হয়েছিল ৯ জনের। ক্লাব প্রতিনিধিদের ১২টি পদে প্রার্থী ছিলেন ১৫ জন।


প্রার্থীতা প্রত্যাহারের দিনে চট্টগ্রাম বিভাগের নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর শরীফুল ইসলাম (অপু)। এই বিভাগ থেকে তাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হয়ে যান চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিল, সাবেক জাতীয় অধিনায়ক ও সাবেক প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ও লক্ষীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর মঈন উদ্দিন চৌধুরী।


এছাড়াও ক্যাটেগরি-১ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হয়ে গেছেন ঢাকা বিভাগ থেকে ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাইদ বিন জামান ও জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার এস.এম. আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ, সিলেট বিভাগ থেকে সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, রাজশাহী বিভাগ থেকে বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার মীর শাকরুল আলম সীমান্ত এবং রংপুর বিভাগ থেকে ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার মির্জা ফয়সাল আমীন।


ক্যাটেগরি-৩ থেকে একমাত্র প্রাথী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর সিরাজউদ্দিন মোঃ আলমগীর। চট্টগ্রামের এই সংগঠক প্রথমবার বিসিবি পরিচালক হয়েছিলেন ২০০৫ সালে। নাজমুল হাসান (পাপন) প্রথম দফায় সভাপতি থাকার সময়ও পরিচালক ছিলেন তিনি।


বিসিবি নির্বাচনে ক্যাটেগরি-১ থেকে পরিচালক পদ ১০টি, ক্যাটেগরি-২ থেকে ১২টি ও ক্যাটেগরি-৩ থেকে ১টি। এছাড়াও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সরাসরি মনোনয়নে পরিচালক হন দুজন।১ নম্বর ক্যাটেগরিতে ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগ থেকে পরিচালক পদ দুটি করে, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল ও রংপুর বিভাগ থেকে একটি করে। ৫ বিভাগে ৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হয়ে যাওয়ায় ভোট হবে শুধু দুটি বিভাগে।


খুলনা বিভাগে দুটি পরিচালক পদের লড়াইয়ে থাকছেন তিনজন- খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার মোঃ শফিকুল আলম, যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার শান্তনু ইসলাম ও চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার মোঃ আব্দুছ সালাম। বরিশাল বিভাগে একটি পদের লড়াইয়ে আছেন দুজন- বরিশাল বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার মোঃ মিজানুর রহমান ও ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার মোঃ মুনতাসির আলম চৌধুরী।


ক্যাটেগরি-২ থেকে ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন ফাহিম সিন্‌হা (আবাহনী লিমিটেড), মাসুদুজ্জামান (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব), আসিফ রব্বানী (শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব), ফৈয়াজুর রহমান (উত্তরা ক্রিকেট ক্লাব), ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক (বসুন্ধরা রাইডার্স), তামিম ইকবাল খান (ওল্ড ডিওএইচএস স্পোর্টস ক্লাব), মোহাম্মাদ আমজাদ হোসেন (ট্রাই স্টেট ক্রিকেটার্স), মির্জা ইয়াসির আব্বাস (আজাদ স্পোর্টিং ক্লাব), ইসরাফিল খসরু (এক্সিউম ক্রিকেটার্স), মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবু (ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্র), প্রফেসর ডাঃ সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম (ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাব), শানিয়ান তানিম নাভিন (ঢাকা মেরিনার ইয়াংস ক্লাব), সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ (ফেয়ার ফাইটার্স স্পোর্টিং ক্লাব), সৈয়দ বোরহানুল হোসেন (তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমি), সাকিব আহমেদ সালাম (পূর্বাচল স্পোর্টিং ক্লাব), মেজর ইমরোজ আহমেদ (অবঃ)(কাঁঠালবাগান গ্রীন ক্রিসেন্ট ক্লাব)।


এই প্রার্থীদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে বিসিবির গত পরিচালনা পর্ষদেও ছিলেন ফৈয়াজুর রহমান, ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক, আমজাদ হোসেন ও শানিয়ান তানিম নাভিন। তবে পরে নানা সময়ে তারা পদত্যাগ করেন। মেজর ইমরোজ আহমেদও প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু নানা অভিযোগ তুলে সরে দাঁড়ান শেষ সময়ে।


এবারের বিসিবি নির্বাচনে কাউন্সিলর বা ভোটার মোট ১৮৪ জন। তাদের মধ্যে ১ নম্বর ক্যাটেগরির ভোটার ৬৬ জন, ২ নম্বর ক্যাটেগরি ৭৬ ও ৩ নম্বর ক্যাটেগরির ৪২ জন।


বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যারা নির্বাচিত হয়েছে এবং এখনও যারা প্রার্থী আছেন, তাদের মধ্যে বেশ কজনই সরকারী দল বিএনপি সংশ্লিষ্ট বা ঘনিষ্ঠ। রংপুর বিভাগ থেকে নির্বাচিত পরিচালক মির্জা ফয়সল আমীন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলামের ভাই। এই মন্ত্রণালয়েরই প্রতিমন্ত্রী ও বগুড়া–২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলমের ছেলে মীর শাকরুল আলম সীমান্ত পরিচালক হয়ে গেছেন রাজশাহী বিভাগ থেকে।


সিলেট বিভাগের পরিচালক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি। বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাতের ছেলে সাইদ বিন জামান পরিচালক হয়ে গেছেন ঢাকা বিভাগ থেকে। পানিসম্পদমন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর–৩ আসনের সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরীর চাচা মঈন উদ্দিন চৌধুরী পরিচালক হয়েছেন চট্টগ্রাম থেকে।


বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ও যশোর–৩ আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলামের ভাই শান্তনু ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন খুলনা বিভাগ থেকে।


ক্লাব ক্যাটেগরিতে প্রার্থীদের মধ্যে সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদের বাবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইসরাফুল খসরুর বাবা অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং মির্জা ইয়াসির আব্বাসের বাবা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। এই তিনজনই বর্তমানে বোর্ডের অ্যাডহক কমিটিতে আছেন।


আগামী ৭ জুন হবে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। ২৫ পরিচালকের ভোটে পরে নির্বাচিত হবেন বিসিবি সভাপতি।


আট মাসের মধ্যে বোর্ডের দ্বিতীয় নির্বাচন এটি। গত ৬ অক্টোবর নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব নিয়েছিল একটি পরিচালনা পর্ষদ এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের নানা অভিযোগে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন অনেক সম্ভাব্য প্রার্থী। পরে সেসব অভিযাগ খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ৭ এপ্রিল আমিনুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ভেঙে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।


ওই কমিটি বাদ দিয়ে ১১ সদস্যের নতুন অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা করে ক্রীড়া পরিষদ, যেটির প্রধান হয় তামিম ইকবালকে। তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন করতে বলা হয় কমিটিকে। সেই নির্বাচন হয়ে যাচ্ছে দুই মাসের মধ্যেই।


এবারের বিসিবি নির্বাচনে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম। কমিশনের বাকি দুই সদস্য গাজীপুর মহানগরের পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এবং উপ সচিব এ বি এম এহসানুল মামুন।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৮:২৬ এএম

বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি স্পেন ও আর্জেন্টিনা আবারও মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফিনালিসিমা’ ম্যাচটি চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছে ইএসপিএন আর্জেন্টিনার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মার্টিন আরেভালো।


ফিনালিসিমা হলো ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন (উয়েফা ইউরো বিজয়ী) ও দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন (কোপা আমেরিকা বিজয়ী) দলের মধ্যকার আন্তঃমহাদেশীয় শিরোপা লড়াই। 


সর্বশেষ ২০২২ সালে লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ইতালিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা।


মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে স্পেন ও আর্জেন্টিনার এই ম্যাচটি কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে আয়োজনের কথা ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ম্যাচটি স্থগিত করা হয়। পরে মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাবেউ স্টেডিয়াম কিংবা দুই দেশের হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ম্যাচ আয়োজনের বিকল্প প্রস্তাব এলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।


তবে মার্টিন আরেভালোর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ম্যাচটি ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে আয়োজনের বিষয়ে নতুন করে অগ্রগতি হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কাতার সরকার ইতোমধ্যে ম্যাচটি আয়োজনের স্বত্ব পেয়েছে।


যদিও এ বিষয়ে এখনো উয়েফা কিংবা কনমেবলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবুও প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।


উল্লেখ্য, ফিনালিসিমা স্থগিত হওয়ায় ভাগ্যের পরিহাসে দুই দল ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালেই মুখোমুখি হয়েছিল। সেই ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে স্পেন। ম্যাচে এর কিছুক্ষণ আগে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে শেষ সময়ে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।


বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই হারের পর সম্ভাব্য ফিনালিসিমা ম্যাচটি আর্জেন্টিনার জন্য প্রতিশোধের সুযোগ হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে স্পেন চাইবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করতে।


সূত্র: ওয়ার্ল্ড সকার টক 

সর্বশেষ সব খবর

সংগৃহীত ছবি

  • প্রকাশ : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৭:৩৬ এএম

ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে কী ঘটেছিল? কেন লিওনেল মেসি ড্রেসিংরুম থেকে বের হওয়ার সময় সতীর্থদের সবকিছু ভুলে যেতে বলেছিলেন? সামাজিক মাধ্যমে ভেসে বেড়ানো একটি ভিডিওতে মেসির বলা কথায় এসব প্রশ্নের উদ্রেক করছে ফুটবলপ্রেমীদের মনে। যা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। আর্জেন্টাইন সমর্থকদের শঙ্কা ড্রেসিংরুমে অবশ্যই কিছু একটা হয়েছিল। যার প্রভাব মাঠে পড়েছিল বলেই তাদের বিশ্বাস। না হলে পুরো টুর্নামেন্টে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখা দলটি ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে প্রতিপক্ষের পোস্টে একটি শটও নিতে পারবে না? আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমগুলো এ নিয়ে প্রতিবেদন করেছে। 


টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনা অধিনায়ক ড্রেসিংরুম থেকে বের হওয়ার সময় সতীর্থদের বলছেন, ‘সবাই শান্ত হও। আসল বিষয় হলো আমাদের শান্ত থাকতে হবে।’ এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। আলোড়ন তুলেছে মেসির পরের কথাগুলো, ‘এসো সবকিছু ভুলে যাই। আমরা শুধু খেলি। চলো শুধু খেলায় মন দিই।’ ভিডিওতে দেখা গেছে, ড্রেসিংরুমের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে মেসি কথাগুলো বলার সময় তাঁর সতীর্থরা সবাই শান্ত ছিল। প্রশ্নটা এখানেই, মেসি কী ভুলে যেতে বলছিলেন তখন?


৩৯ বছর বয়সী এ ফুটবলার কী ইঙ্গিত করেছিলেন, তা স্পষ্ট না হলেও ফাইনালের আগে সমালোচনার মুখে পড়েছিল আর্জেন্টিনা দল। প্রতিপক্ষ স্পেন তাদের বিরুদ্ধে রেফারির কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ তোলে। এসব নিয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) প্রেসিডেন্ট ক্লডিও তাপিয়া এবং কনমেবল প্রেসিডেন্ট আলেজান্দ্রো ডমিঙ্গেজ মেসি-মার্তিনেজদের কিছু বলেছেন কিনা, তা নিয়ে একটা শঙ্কা রয়েছে।


আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ফাইনাল শুরুর আগে এ দুজনকে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।


আর ফাইনালের আগে স্পেনের ডিফেন্ডার আইমেরিক লাপোর্তে বলেছিলেন, ‘সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে রেফারিং নিয়ে এমন কিছু ঘটনা দেখেছি, যা সত্যিই বিস্মিত করেছে। কিছু ঘটনায় কোনো শাস্তিই দেওয়া হয়নি, বিশেষ করে আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে। তারা প্রতিপক্ষের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে। ফুটবলে, বিশেষ করে এত বড় প্রতিযোগিতায় এসব কখনও অনুমোদন করা উচিত নয়। কারণ, এতে প্রতিপক্ষের মনোযোগ নষ্ট হয় এবং হতাশা তৈরি হয়।’ 


নিউইয়র্কের ফাইনালে ১-০ গোলে জিতে ১৬ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেস জয়সূচক গোলটি করেন। ফাইনালে রেফারিং নিয়ে তেমন বিতর্ক না হলেও শেষ বাঁশির পর আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের সঙ্গে স্পেনের খেলোয়াড়দের সংঘর্ষ বাধে। এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্তে নেমেছে ফিফা।  

 

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ২:৫২ এএম

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ জয়ের পর বিশ্বজুড়ে উদযাপনের কোনো কমতি রাখেননি স্পেনের ভক্তরা। নানা স্লোগানে, গানে ও পতাকা হাতে তারা নেমে আসেন রাস্তায়। তবে এই উদযাপনের মধ্যেও তারা ভুলে যাননি ফিলিস্তিনকে। বিশ্বের বহু স্থানে তাদের হাতে স্পেনের পতাকার পাশাপাশি ছিল ফিলিস্তিনের পতাকাও। অনেকে উদযাপনের মধ্যেই স্লোগান দেন– ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’। একবারে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ার থেকে শুরু করে ব্রাসেলস, বার্সেলোনার মতো ইউরোপীয় শহরগুলোতেও স্পেন ভক্তদের উদযাপনে দেখা গেছে ফিলিস্তিনের উপস্থিতি। 


অন্যদিকে আরব বিশ্ব তো স্পেনের সমর্থনে গলা মিলিয়েছেই। যে ফিলিস্তিন ও ফিলিস্তিনিদের নিয়ে এত জোর আলোচনা, গতকাল তাদের চোখও ছিল পর্দায়। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় তারাও দেখেছেন স্পেনের বিজয়; উল্লাসে ও উদযাপনে ফেটে পড়েন তারাও।


নিউইয়র্ক

স্পেনের বিজয়ের পর দলটির ভক্তরা চলে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারের রাস্তায়। এ সময় তাদের হাতে দেখা যায় ফিলিস্তিনের পতাকা। তারা উদযাপনের ফাঁকেই স্লোগান দিতে শুরু করেন ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’। এরই মধ্যে ওই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক মাধ্যমে। বহু মানুষ সাধুবাদ জানাতে ভোলেননি তাদের।


বিশ্বের বহু নিরপেক্ষ ব্যক্তি ও মানবাধিকার সমর্থকের জন্য স্পেন ভিন্ন অর্থ বহন করছে। তাদের কাছে এটি ফিলিস্তিনিদের অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। স্পেনের ফিলিস্তিনকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি নজর কেড়েছে তাদের। আর এ কারণেই এই উন্মাদনা।


ব্রাসেলস

বেলজিয়ামের ব্রাসেলসের রাস্তায়ও নেমে এসেছিলেন ভক্তরা। আনাদোলু এজেন্সির এক ভিডিওতে দেখা যায়, শহরের রাস্তার মোড়ে জড়ো হয়েছেন বহু ভক্ত। আর ওই মোড়ে থাকা এক ভবনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনি বড় পতাকা নাড়ছেন এক তরুণ।


শুধু ওই এক স্থানে নয়; ব্রাসেলসের আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় স্পেনের জয় উদযাপনের ফাঁকে উড়তে দেখা গেছে ফিলিস্তিনের পতাকা। কাউকে দেখা গেছে জয়ের আনন্দে চিৎকার করতে করতেই সে পতাকা নাড়তে। কাউকে আবার দেখা যায় স্পেন ও ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে লোহার সীমানার ওপর উঠে যেতে। শুধু পুরুষ নয়, নারীদের হাতেও ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা।


বার্সেলোনা

স্পেনের ভেতরেও বিজয় উদযাপনে ফিলিস্তিনের পতাকার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শহরটিতে হাজারো মানুষের ভিড়ে এক প্ল্যাটফর্মের ওপর দাঁড়ানো একগুচ্ছ তরুণকে দেখা যায় ফিলিস্তিনি ও স্পেনের পতাকা নেড়ে সবাইকে দেখাতে, যেন ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য নজির স্থাপন করছে তারা।


প্রসঙ্গত, এর আগে স্পেনের তারকা ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল লা লিগায় বার্সেলোনার জয়ের পর উদযাপন চলাকালে ফিলিস্তিনের পতাকা নেড়ে আলোচনায় এসেছিলেন।   

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:২২ এএম

আগামী মাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য ১৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। দলে ফিরেছেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়ন। সর্বশেষ অ্যাশেজে চোটের কারণে এই তিন অভিজ্ঞ বোলার নিয়মিত খেলতে পারেননি। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট থেকে সেরে ওঠার সময় অ্যাকিলিসে চোট পেয়ে পুরো অ্যাশেজ মিস করেন হ্যাজলউড। অ্যাডিলেডে তৃতীয় টেস্টে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ায় অস্ত্রোপচার করাতে হয় লায়নকে।


কামিন্স খেলেছিলেন শুধু অ্যাডিলেড টেস্টে। সেটিই ছিল পিঠের নিচের অংশের চোট কাটিয়ে তাঁর প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশেজ ধরে রাখা নিশ্চিত হওয়ায় পরের দুই টেস্টেও তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়।


কামিন্স ও হ্যাজলউড খেলতে পারেননি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপেও। যদিও দুজনই মাঠে ফেরেন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের পর শুরু হওয়া আইপিএলে। কামিন্সরা ফেরায় দল থেকে বাদ পড়েছেন মাইকেল নেসার ও ব্রেন্ডন ডগেট।


কামিন্স ও হ্যাজলউডের পেস বোলিং বিভাগে আরও আছেন মিচেল স্টার্ক ও স্কট বোল্যান্ড। এ ছাড়া পেস বোলিং অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন ও বো ওয়েবস্টারও একাদশে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে থাকবেন।


টপ অর্ডারে কোনো পরিবর্তন আনেনি অস্ট্রেলিয়া। অ্যাশেজে অভিষিক্তি জেক ওয়েদারাল্ডের ওপরই আস্থা রেখেছে দল। তাঁরই ট্রাভিস হেডের সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধন করার কথা। ছন্দে না থাকলেও মারনাস লাবুশেনকে দলে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া।


আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে এই দুই টেস্ট হবে ডারউইন (১৩-১৭ আগস্ট) ও ম্যাকাইয়ে (২২-২৬ আগস্ট)। বর্তমানে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আট ম্যাচে সাত জয় নিয়ে তাদের পয়েন্ট ৮৭.৫০।

সর্বশেষ সব খবর

লিওনেল মেসি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:১৩ এএম

বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের পর সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে গতকাল একটি বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। গত রোববার ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারে আর্জেন্টিনা।


নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে স্প্যানিশ ভাষায় একটি পোস্ট করেন মেসি, ‘কষ্টটা অনেক বেশি এবং এই ক্ষত শুকাতে সময় লাগবে। তবে ভালো লাগার বিষয়গুলোকেও আমি লালন করছি। আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচগুলো, মাঠে নিজেদের উজাড় করে দেওয়া, যা চিরকাল স্মৃতিতে থেকে যাবে। পুরো দেশের সমর্থন, যা এই দলটির কঠোর পরিশ্রম ও চেষ্টার সঙ্গে যুক্ত হয়ে আমাদের আবারও বিশ্বের সেরাদের কাতারে নিয়ে গেছে।’


পোস্টে আরও লেখা হয়, ‘প্রতিটি শুভেচ্ছা ও বার্তার জন্য হৃদয় নিংড়ানো ধন্যবাদ। আরও একবার আমরা এক হয়ে দেশকে একসুতোয় গাঁথতে পেরেছি, আর্জেন্টাইন হওয়ার অসীম গর্ব ভাগাভাগি করে নিতে পেরেছি। একই সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় স্পেনকেও অভিনন্দন।’


আর্জেন্টিনার হয়ে ২০২১ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা জিতেছেন মেসি। এর মাঝে জিতেছেন ২০২২ বিশ্বকাপ। এবার বিশ্বকাপে মেসি ৮ গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করলেও ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে হারতে হয়।


জাতীয় দলে অসামান্য অবদানের জন্য গত রোববার আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া মেসিকে প্রশংসায় ভাসান। ফাইনালের ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মেসির একটি ছবি পোস্ট করে লেখা হয়, ‘এই গল্প অমর হয়ে থাকবে। অধিনায়ক, তুমি আমাদের যা কিছু দিয়েছ, সে জন্য কৃতজ্ঞতা জানানোর মতো কোনো শব্দ অভিধানে নেই। তোমার খেলা, মাঠ ও মাঠের বাইরে অনন্য নেতৃত্ব এবং শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত লড়াইয়ের স্বপ্ন দেখতে শেখানোর জন্য পুরো এক জাতির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।’


তাপিয়ার পোস্টে আরও লেখা হয়, ‘আমাদের হৃদয়ে আনন্দ আর অনুভূতির প্রতিটি মুহূর্ত এঁকে দেওয়ার জন্য, প্রতিটি গর্বের অশ্রুর জন্য এবং আমাদের পতাকাকে বিশ্বের সর্বোচ্চ চূড়ায় তুলে ধরার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। লিও, তুমি অমর। তুমি মহানায়ক। তুমি আমাদের বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশে পরিণত করেছ। আর এই ঘর—তোমার নিজের ঘর—তোমাকে ভালোবেসে যাবে চিরকাল। অনেক ধন্যবাদ। তুমি চিরকাল আমাদেরই।’


আর্জেন্টিনা দলের বিশ্বকাপ অভিযান উদ্‌যাপনে জাতীয় ছুটির দিন ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। ছুটিটি কোন দিন হবে, তা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে আর্জেন্টিনা দলকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা পোস্টে এ ঘোষণা দেন মিলেই।

























































































































































































































সর্বশেষ সব খবর

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি

  • প্রকাশ : সোমবার ২০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:৫৭ এএম

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি, এমনকি কান্নায় ভেঙে পড়ে মাঝপথেই শেষ করেন সংবাদ সম্মেলন।


স্কালোনি জানান, আপাতত ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তির দায়িত্ব পালন করবেন, এরপর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আর্জেন্টিনা কোচ বলেন, ‘ডিসেম্বর পর্যন্ত আমার চুক্তি পূরণ করব। এরপর কী হবে, সেটা দেখব।’


এরপর দীর্ঘদিনের সফল যাত্রার কথা স্মরণ করে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমি কখনো কল্পনাও করিনি যে এই অবস্থানে পৌঁছাব। সামনে এগিয়ে যেতে অনেক কিছু দরকার। আবার নতুন করে শুরু করতে হবে, নতুন একটি দল গড়তে হবে। কিন্তু এমন একটি দল, এমন একটি গ্রুপ হয়তো আর কখনো তৈরি হবে না। বিষয়টি আমাকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে। আমি দুঃখিত।’


এই কথাগুলো বলার পরই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি স্কালোনি। চোখের পানি সামলাতে না পেরে সংবাদ সম্মেলন মাঝপথেই শেষ করে উঠে যান তিনি।


২০২২ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা, ২০২২ বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ী এই কোচের এমন মন্তব্য আর্জেন্টিনা ফুটবলে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে। এখন ডিসেম্বরের পর তিনি দায়িত্বে থাকবেন কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর