লিটন দাস

  • প্রকাশ : শনিবার ১৬ মে, ২০২৬, সময় : ১১:১০ এএম

দ্বিতীয় টেস্টের সংক্ষিপ্ত স্কোর: প্রথম দিন শেষে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৬ ওভারে ২১/০ (আওয়াইজ ১৩*, ফজল ৮*)।


বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৭৭ ওভারে ২৭৮/১০ ( শরিফুল ১২*; মাহদুমুল ০, তানজিদ ২৬, মুমিনুল ২২, শান্ত ২৯, মুশফিক ২৩, মিরাজ ৪, তাইজুল ১৬, তাসকিন ৭, লিটন ১২৬, নাহিদ ০)।



লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে প্রথম দিনটা ছিল বাংলাদেশের। শুরুর বিপর্যয় ছাপিয়ে পরে পাকিস্তানের বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছেন তিনি। তার ষষ্ঠ সেঞ্চুরিতেই বাংলাদেশ ইনিংসে সুবিধাজনক জায়গায় যেতে পেরেছে। দিনের সবচেয়ে আলোচিত ১২৬ রানের ইনিংসটি খেলেছেন তিনি। তার ব্যাটে ভর করেই প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছে ২৭৮ রানে। পরে পাকিস্তান বিনা উইকেটে ২১ রানে প্রথম দিন শেষ করেছে। তারা এখনও ২৫৭ রানে পিছিয়ে। ১৩ রানে ব্যাট করছেন ওপেনার আজান আওয়াইজ। আব্দুল্লাহ ফজল ব্যাট করছেন ৮ রানে।


লিটনের আউটের পর ২৭৮ রানে শেষ বাংলাদেশের ইনিংস


পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে ফিরেছে স্বাগতিকরা।


দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ ফিরলে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারায় তারা। তাতে দুইশর নিচে অলআউটের শঙ্কাও জাগে। 


কিন্তু কঠিন সেই সময়েই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন লিটন। লেজের দিকে টেলএন্ডারদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে ২৫০ রানের গণ্ডি পার করান তিনি। তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ৬০, তাসকিন আহমেদের সঙ্গে ৩৮ এবং শরিফুল ইসলামের সঙ্গে নবম উইকেটে ৬৪ রানের জুটি গড়ে দলকে সুবিধাজনক স্থানে নিয়ে গেছেন। 


অবশ্য এই সেঞ্চুরির পেছনে ভাগ্যও সহায় ছিল। ৫২ রানে আউট হতে পারতেন। পাকিস্তান রিভিউ না নেওয়াতে বেঁচে গেছেন। শেষ পর্যন্ত ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে হাসান আলীর বলে ১২৬ রানে ফিরেছেন। তার ১৫৯ বলের ইনিংসে ছিল ১৬টি চার ও ২টি ছক্কা। তার আউটের সঙ্গে সঙ্গে ইনিংস শেষ হতেও সময় লাগেনি। হাসান আলী ওই একই ওভারে নাহিদ রানাকেও তুলে নিলে বাংলাদেশ ৭৭ ওভারে ২৭৮ রানেই গুটিয়ে গেছে। 


পাকিস্তানের হয়ে ৮১ রানে ৪ উইকেট নেন খুররম শাহজাদ। ৪৫ রানে ৩টি নেন মোহাম্মদ আব্বাস। ৪৯ রানে দুটি নেন হাসান আলী। ৯৬ রানে একটি নেন সাজিদ খান। 


১২৬ রানে থামলেন লিটন


একটা সময় ইনিংসের নিয়ন্ত্রণই হাতছাড়া হতে বসেছিল। সেখানে ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নিতে পুরো কৃতিত্ব লিটন দাসের। ষষ্ঠ সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে অস্বস্তির বৃত্ত থেকে উদ্ধার করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১২৬ রানে থামতে হয়েছে তাকে। তাকে ফজলের ক্যাচ বানিয়েছেন হাসান আলী।  


লিটনের ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি


সতীর্থদের ব্যর্থতার দিনে লিটন দাসের ব্যাটিংয়েই ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। যেখানে দুইশর নিচেই অলআউট হওয়ার শঙ্কা জেগেছিল সেখানে একার লড়াইয়ে দলের স্কোর আড়াইশ পার করেছেন লিটন। তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। পাকিস্তানের বিপক্ষেই এটি লিটনের তৃতীয় সেঞ্চুরি। 


তাসকিনের আউটে পড়লো অষ্টম উইকেট


তাইজুলের বিদায়ের পর তাসকিনকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৩৮ রানের জুটি গড়েন লিটন। তুলে নেন ২৮তম ফিফটি। লিটনের ব্যাটে স্কোরও ছাড়ায় দুইশ। ৬৪.১ ওভারে তাসকিনের (৭) বিদায়ে ভেঙেছে অষ্টম উইকেট জুটি। খুররম শাহজাদের বলে স্লিপে সালমান আলীকে ক্যাচ দিয়েছেন তাসকিন। এটি ছিল খুররমের চতুর্থ উইকেট।  


তাইজুলের বিদায়ে ভাঙলো ৬০ রানের জুটি


১১৬ রানে পড়েছিল ষষ্ঠ উইকেট। তার পর থেকে দুর্দান্ত জুটিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে থাকেন তাইজুল ইসলাম ও লিটন দাস। তাদের জুটিতে ভর করেই দ্বিতীয় সেশন পার করে বাংলাদেশ। কিন্তু তৃতীয় সেশনের পর বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি এই জুটি। তাইজুলকে (১৬) বোল্ড করে ৬০ রানের জুটি ভেঙেছেন সাজিদ খান। তাইজুলের বিদায়ে ১৭৬ রানে পড়েছে বাংলাদেশের সপ্তম উইকেট।  


৬ উইকেট পতনের পর লিটন-তাইজুলের জুটি, চায়ের বিরতিতে বাংলাদেশ


লাঞ্চের আগে দলকে দারুণভাবে টেনে নিচ্ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে তাদের প্রতিরোধ ভাঙতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ১৫ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় তারা। সপ্তম উইকেট জুটিতে দলকে খেলায় ফেরাতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন লিটন দাস ও তাইজুল ইসলাম। ৫২ রানে অবিচ্ছিন্ন থেকে চায়ের বিরতিতে গেছেন তারা। দ্বিতীয় সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৬৮ রান। লিটন ব্যাট করছেন ৪২ রানে, তাইজুল ১১ রানে। 


মিরাজের বিদায়ে পড়লো ষষ্ঠ উইকেট


লাঞ্চ থেকে ফিরেই ভীষণ বিপদে পড়েছে বাংলাদেশ।  শান্ত-মুশফিক ফিরেছেন। দলের বিপদের সময় প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজও। ৩৮.২ ওভারে খুররম শাহজাদের তৃতীয় শিকারে পরিণত হয়েছেন তিনি। খুররমের বাউন্সারে শট খেলার চেষ্টায় ৪ রানে ক্যাচআউট হয়েছেন মিরাজ। তাতে ১৫ রানের মধ্যে দ্রুত পড়েছে ৩ উইকেট! 


লাঞ্চের পর সাজঘরে শান্ত-মুশফিক


লাঞ্চের পর ভেঙে গেছে শান্ত-মুশফিকের ৪৩ রানের জুটি। আবারও বিপদে পড়েছে স্বাগতিকরা। ৩৩তম ওভারে সেই আব্বাসের বলেই কিপারের কাছে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। বাংলাদেশ অধিনায়ক ৭৪ বলে ২৯ রানে ফিরেছেন। তার পর ৩৭তম ওভারে খুররম শাহজাদের বলে এলবিডাব্লিউ হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ব্যাটার ৬৪ বলে ২৩ রানে আউট হয়েছেন। তাতে ১১০ রানের মথ্যে ৫ উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিক দল।  


প্রথম সেশনে পড়লো ৩ উইকেট, লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশ


সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল বাংলাদেশ। পরে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে প্রথম সেশন শেষ করেছে স্বাগতিক দল। লাঞ্চ বিরতির আগে প্রথম ইনিংসে তাদের সংগ্রহ ২৬ ওভারে ৩ উইকেটে ১০১। 


শুরুতে মেঘলা আবহাওয়ায় টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। দারুণ ছন্দে থাকা শান্ত ৫১ বলে ২৬ রানে অপরাজিত আছেন। আর মুশফিক ৩১ বলে ১৮ রান করে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন। চতুর্থ উইকেটে দুজন মিলে অবিচ্ছিন্ন ৩৮ রানে। 


সিলেটে প্রথম দিন দ্বিতীয় বলেই আঘাত হানেন আব্বাস। তার আঘাতে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। প্রথম ঘণ্টাতে চোট আঘাত পায়  পাকিস্তানও। নিজের বলেই তানজিদ তামিমের ক্যাচ নিতে গিয়ে মাথা পিচে লেগে আহত হন পেসার হাসান আলী। পরে তাকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নেওয়া হয়। যদিও পরে আবার মাঠে ফিরে বোলিং করেন তিনি।


অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা তানজিদ কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন শট খেলেছেন। তবে সেট হওয়ার পর উইকেট বিলিয়ে দেন এই বাঁহাতি। আব্বাসের বলে মিড-অনের ওপর দিয়ে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। তাতে তানজিদ আউট হন ২৬ রানে। তানজিদের বিদায়ে ভাঙে তার ও মুমিনুল হকের ৪৪ রানের জুটি। 


এরপর মুমিনুল ও শান্ত আবার ইনিংস গড়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু সেটাও স্থায়ী হয়নি বেশিক্ষণ। এবার খুররম শাহজাদের বলে বোল্ড হন মুমিনুল। ৪১ বলে ২২ রান করে ফিরতে হয় তাকে। এরপর অধিনায়ক শান্ত ও মুশফিক সতর্ক ব্যাটিংয়ে ইনিংস সামাল দেন। 


বোল্ড হয়ে ফিরলেন মুমিনুল


প্রথম সেশনেই চাপে পড়ে গেছে বাংলাদেশ। দ্রুত সময়ে মুমিনুল হকও (২২) ফেরায় পতন হয়েছে তৃতীয় উইকেটের। ১৬তম ওভারে তাকে বোল্ড করেছেন খুররম শাহজাদ। মুমিনুলের ৪১ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি চার। 


অভিষেকে ২৬ রানে ফিরলেন তানজিদ


দ্বিতীয় বলে মাহমুদুল হাসান জয়ের আউটের পর জুটি গড়ার চেষ্টায় ছিলেন অভিষিক্ত তানজিদ হাসান ও মুমিনুল হক। তুলনামূলক আগ্রাসী ছিলেন তানজিদ। কিন্তু তাকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি মোহাম্মদ আব্বাস। বাজে শটে ক্যাচ তুলে ফিরেছেন ২৬ রানে। তানজিদের ৩৪ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি চার। এটি ছিল আব্বাসের দ্বিতীয় উইকেট।   


দিনের দ্বিতীয় বলেই আউট মাহমুদুল


দ্বিতীয় টেস্টে দিনের দ্বিতীয় বলেই ওপেনারকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন মাহমুদুল হাসান জয়। বাংলাদেশ তাদের প্রথম উইকেট হারিয়েছে শূন্য রানে।


টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, তানজিদের অভিষেক


মেঘলা আবহাওয়ায় শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্ট। প্রথম টেস্টে দাপুটে জয়ের পর সিরিজে পাকিস্তানকে ধবলধোলাইয়ের লক্ষ্য নিয়ে আজ স্বাগতিক দল খেলতে নামছে। অবশ্য প্রথম টেস্টের মতো এবারও টস ভাগ্য সহায় হয়নি বাংলাদেশের। তাদের শুরুতে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছে পাকিস্তান। 


একাদশে কারা


অবশেষে দ্বিতীয় টেস্টে অভিষেক হচ্ছে ওপেনার তানজিদ হাসানের। সাদা বলে নিয়মিত এই ওপেনার এবার লাল বলের ক্রিকেটে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে যাচ্ছেন। প্রথম টেস্টের একাদশ থেকে আরও একটি পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশের। পেসার এবাদত হোসেনের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম। পাকিস্তানও পরিবর্তন এনেছে ৩টি। বাদ পড়েছেন ইমাম উল হক, শাহীন আফ্রিদি ও নোমান আলী। ফিরেছেন বাবর আজম, খুররম শাহজাদ ও সাজিদ খান। 


বাংলাদেশ একাদশ: নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মাহমুদুল হাসান, তানজিদ হাসান, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও শরীফুল ইসলাম। 


পাকিস্তান একাদশ: আজান আওয়াইজ, শান মাসুদ (অধিনায়ক), বাবর আজম, আব্দুল্লাহ ফজল, সৌদ শাকিল, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), সালমান আগা, খুররম শাহজাদ, সাজিদ খান, হাসান আলী ও মোহাম্মদ আব্বাস।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৮:২৬ এএম

বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি স্পেন ও আর্জেন্টিনা আবারও মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফিনালিসিমা’ ম্যাচটি চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছে ইএসপিএন আর্জেন্টিনার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মার্টিন আরেভালো।


ফিনালিসিমা হলো ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন (উয়েফা ইউরো বিজয়ী) ও দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন (কোপা আমেরিকা বিজয়ী) দলের মধ্যকার আন্তঃমহাদেশীয় শিরোপা লড়াই। 


সর্বশেষ ২০২২ সালে লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ইতালিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা।


মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে স্পেন ও আর্জেন্টিনার এই ম্যাচটি কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে আয়োজনের কথা ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ম্যাচটি স্থগিত করা হয়। পরে মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাবেউ স্টেডিয়াম কিংবা দুই দেশের হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ম্যাচ আয়োজনের বিকল্প প্রস্তাব এলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।


তবে মার্টিন আরেভালোর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ম্যাচটি ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে আয়োজনের বিষয়ে নতুন করে অগ্রগতি হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কাতার সরকার ইতোমধ্যে ম্যাচটি আয়োজনের স্বত্ব পেয়েছে।


যদিও এ বিষয়ে এখনো উয়েফা কিংবা কনমেবলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবুও প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।


উল্লেখ্য, ফিনালিসিমা স্থগিত হওয়ায় ভাগ্যের পরিহাসে দুই দল ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালেই মুখোমুখি হয়েছিল। সেই ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে স্পেন। ম্যাচে এর কিছুক্ষণ আগে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে শেষ সময়ে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।


বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই হারের পর সম্ভাব্য ফিনালিসিমা ম্যাচটি আর্জেন্টিনার জন্য প্রতিশোধের সুযোগ হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে স্পেন চাইবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করতে।


সূত্র: ওয়ার্ল্ড সকার টক 

সর্বশেষ সব খবর

সংগৃহীত ছবি

  • প্রকাশ : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৭:৩৬ এএম

ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে কী ঘটেছিল? কেন লিওনেল মেসি ড্রেসিংরুম থেকে বের হওয়ার সময় সতীর্থদের সবকিছু ভুলে যেতে বলেছিলেন? সামাজিক মাধ্যমে ভেসে বেড়ানো একটি ভিডিওতে মেসির বলা কথায় এসব প্রশ্নের উদ্রেক করছে ফুটবলপ্রেমীদের মনে। যা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। আর্জেন্টাইন সমর্থকদের শঙ্কা ড্রেসিংরুমে অবশ্যই কিছু একটা হয়েছিল। যার প্রভাব মাঠে পড়েছিল বলেই তাদের বিশ্বাস। না হলে পুরো টুর্নামেন্টে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখা দলটি ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে প্রতিপক্ষের পোস্টে একটি শটও নিতে পারবে না? আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমগুলো এ নিয়ে প্রতিবেদন করেছে। 


টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনা অধিনায়ক ড্রেসিংরুম থেকে বের হওয়ার সময় সতীর্থদের বলছেন, ‘সবাই শান্ত হও। আসল বিষয় হলো আমাদের শান্ত থাকতে হবে।’ এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। আলোড়ন তুলেছে মেসির পরের কথাগুলো, ‘এসো সবকিছু ভুলে যাই। আমরা শুধু খেলি। চলো শুধু খেলায় মন দিই।’ ভিডিওতে দেখা গেছে, ড্রেসিংরুমের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে মেসি কথাগুলো বলার সময় তাঁর সতীর্থরা সবাই শান্ত ছিল। প্রশ্নটা এখানেই, মেসি কী ভুলে যেতে বলছিলেন তখন?


৩৯ বছর বয়সী এ ফুটবলার কী ইঙ্গিত করেছিলেন, তা স্পষ্ট না হলেও ফাইনালের আগে সমালোচনার মুখে পড়েছিল আর্জেন্টিনা দল। প্রতিপক্ষ স্পেন তাদের বিরুদ্ধে রেফারির কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ তোলে। এসব নিয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) প্রেসিডেন্ট ক্লডিও তাপিয়া এবং কনমেবল প্রেসিডেন্ট আলেজান্দ্রো ডমিঙ্গেজ মেসি-মার্তিনেজদের কিছু বলেছেন কিনা, তা নিয়ে একটা শঙ্কা রয়েছে।


আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ফাইনাল শুরুর আগে এ দুজনকে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।


আর ফাইনালের আগে স্পেনের ডিফেন্ডার আইমেরিক লাপোর্তে বলেছিলেন, ‘সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে রেফারিং নিয়ে এমন কিছু ঘটনা দেখেছি, যা সত্যিই বিস্মিত করেছে। কিছু ঘটনায় কোনো শাস্তিই দেওয়া হয়নি, বিশেষ করে আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে। তারা প্রতিপক্ষের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে। ফুটবলে, বিশেষ করে এত বড় প্রতিযোগিতায় এসব কখনও অনুমোদন করা উচিত নয়। কারণ, এতে প্রতিপক্ষের মনোযোগ নষ্ট হয় এবং হতাশা তৈরি হয়।’ 


নিউইয়র্কের ফাইনালে ১-০ গোলে জিতে ১৬ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেস জয়সূচক গোলটি করেন। ফাইনালে রেফারিং নিয়ে তেমন বিতর্ক না হলেও শেষ বাঁশির পর আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের সঙ্গে স্পেনের খেলোয়াড়দের সংঘর্ষ বাধে। এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্তে নেমেছে ফিফা।  

 

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ২:৫২ এএম

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ জয়ের পর বিশ্বজুড়ে উদযাপনের কোনো কমতি রাখেননি স্পেনের ভক্তরা। নানা স্লোগানে, গানে ও পতাকা হাতে তারা নেমে আসেন রাস্তায়। তবে এই উদযাপনের মধ্যেও তারা ভুলে যাননি ফিলিস্তিনকে। বিশ্বের বহু স্থানে তাদের হাতে স্পেনের পতাকার পাশাপাশি ছিল ফিলিস্তিনের পতাকাও। অনেকে উদযাপনের মধ্যেই স্লোগান দেন– ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’। একবারে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ার থেকে শুরু করে ব্রাসেলস, বার্সেলোনার মতো ইউরোপীয় শহরগুলোতেও স্পেন ভক্তদের উদযাপনে দেখা গেছে ফিলিস্তিনের উপস্থিতি। 


অন্যদিকে আরব বিশ্ব তো স্পেনের সমর্থনে গলা মিলিয়েছেই। যে ফিলিস্তিন ও ফিলিস্তিনিদের নিয়ে এত জোর আলোচনা, গতকাল তাদের চোখও ছিল পর্দায়। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় তারাও দেখেছেন স্পেনের বিজয়; উল্লাসে ও উদযাপনে ফেটে পড়েন তারাও।


নিউইয়র্ক

স্পেনের বিজয়ের পর দলটির ভক্তরা চলে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারের রাস্তায়। এ সময় তাদের হাতে দেখা যায় ফিলিস্তিনের পতাকা। তারা উদযাপনের ফাঁকেই স্লোগান দিতে শুরু করেন ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’। এরই মধ্যে ওই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক মাধ্যমে। বহু মানুষ সাধুবাদ জানাতে ভোলেননি তাদের।


বিশ্বের বহু নিরপেক্ষ ব্যক্তি ও মানবাধিকার সমর্থকের জন্য স্পেন ভিন্ন অর্থ বহন করছে। তাদের কাছে এটি ফিলিস্তিনিদের অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। স্পেনের ফিলিস্তিনকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি নজর কেড়েছে তাদের। আর এ কারণেই এই উন্মাদনা।


ব্রাসেলস

বেলজিয়ামের ব্রাসেলসের রাস্তায়ও নেমে এসেছিলেন ভক্তরা। আনাদোলু এজেন্সির এক ভিডিওতে দেখা যায়, শহরের রাস্তার মোড়ে জড়ো হয়েছেন বহু ভক্ত। আর ওই মোড়ে থাকা এক ভবনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনি বড় পতাকা নাড়ছেন এক তরুণ।


শুধু ওই এক স্থানে নয়; ব্রাসেলসের আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় স্পেনের জয় উদযাপনের ফাঁকে উড়তে দেখা গেছে ফিলিস্তিনের পতাকা। কাউকে দেখা গেছে জয়ের আনন্দে চিৎকার করতে করতেই সে পতাকা নাড়তে। কাউকে আবার দেখা যায় স্পেন ও ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে লোহার সীমানার ওপর উঠে যেতে। শুধু পুরুষ নয়, নারীদের হাতেও ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা।


বার্সেলোনা

স্পেনের ভেতরেও বিজয় উদযাপনে ফিলিস্তিনের পতাকার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শহরটিতে হাজারো মানুষের ভিড়ে এক প্ল্যাটফর্মের ওপর দাঁড়ানো একগুচ্ছ তরুণকে দেখা যায় ফিলিস্তিনি ও স্পেনের পতাকা নেড়ে সবাইকে দেখাতে, যেন ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য নজির স্থাপন করছে তারা।


প্রসঙ্গত, এর আগে স্পেনের তারকা ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল লা লিগায় বার্সেলোনার জয়ের পর উদযাপন চলাকালে ফিলিস্তিনের পতাকা নেড়ে আলোচনায় এসেছিলেন।   

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:২২ এএম

আগামী মাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য ১৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। দলে ফিরেছেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়ন। সর্বশেষ অ্যাশেজে চোটের কারণে এই তিন অভিজ্ঞ বোলার নিয়মিত খেলতে পারেননি। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট থেকে সেরে ওঠার সময় অ্যাকিলিসে চোট পেয়ে পুরো অ্যাশেজ মিস করেন হ্যাজলউড। অ্যাডিলেডে তৃতীয় টেস্টে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ায় অস্ত্রোপচার করাতে হয় লায়নকে।


কামিন্স খেলেছিলেন শুধু অ্যাডিলেড টেস্টে। সেটিই ছিল পিঠের নিচের অংশের চোট কাটিয়ে তাঁর প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশেজ ধরে রাখা নিশ্চিত হওয়ায় পরের দুই টেস্টেও তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়।


কামিন্স ও হ্যাজলউড খেলতে পারেননি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপেও। যদিও দুজনই মাঠে ফেরেন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের পর শুরু হওয়া আইপিএলে। কামিন্সরা ফেরায় দল থেকে বাদ পড়েছেন মাইকেল নেসার ও ব্রেন্ডন ডগেট।


কামিন্স ও হ্যাজলউডের পেস বোলিং বিভাগে আরও আছেন মিচেল স্টার্ক ও স্কট বোল্যান্ড। এ ছাড়া পেস বোলিং অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন ও বো ওয়েবস্টারও একাদশে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে থাকবেন।


টপ অর্ডারে কোনো পরিবর্তন আনেনি অস্ট্রেলিয়া। অ্যাশেজে অভিষিক্তি জেক ওয়েদারাল্ডের ওপরই আস্থা রেখেছে দল। তাঁরই ট্রাভিস হেডের সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধন করার কথা। ছন্দে না থাকলেও মারনাস লাবুশেনকে দলে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া।


আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে এই দুই টেস্ট হবে ডারউইন (১৩-১৭ আগস্ট) ও ম্যাকাইয়ে (২২-২৬ আগস্ট)। বর্তমানে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আট ম্যাচে সাত জয় নিয়ে তাদের পয়েন্ট ৮৭.৫০।

সর্বশেষ সব খবর

লিওনেল মেসি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:১৩ এএম

বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের পর সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে গতকাল একটি বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। গত রোববার ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারে আর্জেন্টিনা।


নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে স্প্যানিশ ভাষায় একটি পোস্ট করেন মেসি, ‘কষ্টটা অনেক বেশি এবং এই ক্ষত শুকাতে সময় লাগবে। তবে ভালো লাগার বিষয়গুলোকেও আমি লালন করছি। আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচগুলো, মাঠে নিজেদের উজাড় করে দেওয়া, যা চিরকাল স্মৃতিতে থেকে যাবে। পুরো দেশের সমর্থন, যা এই দলটির কঠোর পরিশ্রম ও চেষ্টার সঙ্গে যুক্ত হয়ে আমাদের আবারও বিশ্বের সেরাদের কাতারে নিয়ে গেছে।’


পোস্টে আরও লেখা হয়, ‘প্রতিটি শুভেচ্ছা ও বার্তার জন্য হৃদয় নিংড়ানো ধন্যবাদ। আরও একবার আমরা এক হয়ে দেশকে একসুতোয় গাঁথতে পেরেছি, আর্জেন্টাইন হওয়ার অসীম গর্ব ভাগাভাগি করে নিতে পেরেছি। একই সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় স্পেনকেও অভিনন্দন।’


আর্জেন্টিনার হয়ে ২০২১ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা জিতেছেন মেসি। এর মাঝে জিতেছেন ২০২২ বিশ্বকাপ। এবার বিশ্বকাপে মেসি ৮ গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করলেও ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে হারতে হয়।


জাতীয় দলে অসামান্য অবদানের জন্য গত রোববার আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া মেসিকে প্রশংসায় ভাসান। ফাইনালের ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মেসির একটি ছবি পোস্ট করে লেখা হয়, ‘এই গল্প অমর হয়ে থাকবে। অধিনায়ক, তুমি আমাদের যা কিছু দিয়েছ, সে জন্য কৃতজ্ঞতা জানানোর মতো কোনো শব্দ অভিধানে নেই। তোমার খেলা, মাঠ ও মাঠের বাইরে অনন্য নেতৃত্ব এবং শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত লড়াইয়ের স্বপ্ন দেখতে শেখানোর জন্য পুরো এক জাতির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।’


তাপিয়ার পোস্টে আরও লেখা হয়, ‘আমাদের হৃদয়ে আনন্দ আর অনুভূতির প্রতিটি মুহূর্ত এঁকে দেওয়ার জন্য, প্রতিটি গর্বের অশ্রুর জন্য এবং আমাদের পতাকাকে বিশ্বের সর্বোচ্চ চূড়ায় তুলে ধরার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। লিও, তুমি অমর। তুমি মহানায়ক। তুমি আমাদের বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশে পরিণত করেছ। আর এই ঘর—তোমার নিজের ঘর—তোমাকে ভালোবেসে যাবে চিরকাল। অনেক ধন্যবাদ। তুমি চিরকাল আমাদেরই।’


আর্জেন্টিনা দলের বিশ্বকাপ অভিযান উদ্‌যাপনে জাতীয় ছুটির দিন ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। ছুটিটি কোন দিন হবে, তা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে আর্জেন্টিনা দলকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা পোস্টে এ ঘোষণা দেন মিলেই।

























































































































































































































সর্বশেষ সব খবর

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি

  • প্রকাশ : সোমবার ২০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:৫৭ এএম

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি, এমনকি কান্নায় ভেঙে পড়ে মাঝপথেই শেষ করেন সংবাদ সম্মেলন।


স্কালোনি জানান, আপাতত ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তির দায়িত্ব পালন করবেন, এরপর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আর্জেন্টিনা কোচ বলেন, ‘ডিসেম্বর পর্যন্ত আমার চুক্তি পূরণ করব। এরপর কী হবে, সেটা দেখব।’


এরপর দীর্ঘদিনের সফল যাত্রার কথা স্মরণ করে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমি কখনো কল্পনাও করিনি যে এই অবস্থানে পৌঁছাব। সামনে এগিয়ে যেতে অনেক কিছু দরকার। আবার নতুন করে শুরু করতে হবে, নতুন একটি দল গড়তে হবে। কিন্তু এমন একটি দল, এমন একটি গ্রুপ হয়তো আর কখনো তৈরি হবে না। বিষয়টি আমাকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে। আমি দুঃখিত।’


এই কথাগুলো বলার পরই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি স্কালোনি। চোখের পানি সামলাতে না পেরে সংবাদ সম্মেলন মাঝপথেই শেষ করে উঠে যান তিনি।


২০২২ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা, ২০২২ বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ী এই কোচের এমন মন্তব্য আর্জেন্টিনা ফুটবলে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে। এখন ডিসেম্বরের পর তিনি দায়িত্বে থাকবেন কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর