ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬, সময় : ১১:০১ এএম

ম্যানগ্রোভের গহিন অরণ্য, লবণাক্ত পানির ঢেউ আর গোলপাতার ঝোপের সুন্দরবন মানেই প্রকৃতির এক আদিম রূপ। যেখানে মানুষের পদচারণা সীমিত, সেখানে প্রযুক্তির ছোঁয়া পাওয়া ছিল একসময় কল্পনাতীত। বিশেষ করে সুন্দরবনের গহিনে পর্যটনকেন্দ্র বা রিসোর্টগুলোতে মোবাইল নেটওয়ার্কের দুর্বলতা ছিল নিত্যনৈমিত্তিক বিড়ম্বনা। কিন্তু সেই দিন এখন আর নেই।


 ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক সুন্দরবনে যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন সুযোগ তৈরি করছে। দীর্ঘদিন ধরেই সুন্দরবন ভ্রমণে আসা পর্যটকদের অন্যতম বড় অভিযোগ ছিল ইন্টারনেটের ধীরগতি। 


বনের ভেতরে মোবাইল টাওয়ারের সংখ্যা কম হওয়ায় এবং ঘন বনের কারণে তরঙ্গ বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় সাধারণ থ্রি-জি বা ফোর-জি ইন্টারনেট সেখানে খুব একটা কার্যকর হয় না। কিন্তু স্টারলিংক এই সমস্যার সমাধান করেছে। কোনো টাওয়ার বা মাটির নিচের কেব্‌ল ছাড়াই সরাসরি উপগ্রহের মাধ্যমে সুন্দরবনে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাচ্ছে।


সুন্দরবনের পাশেই দাকোপে অবস্থিত জঙ্গলবাড়ি ম্যানগ্রোভ রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকারিয়া হোসাইন জানান, ‘সুন্দরবন ঘেঁষে দুটি রিসোর্টে গত কয়েক মাস হলো স্টারলিংকের মাধ্যমে ইন্টারনেট–সুবিধা নিয়েছি আমরা। আগে ইন্টারনেটের জন্য আমাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো। এখন আমরা নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক কাজ থেকে শুরু করে বুকিং ম্যানেজমেন্টের সব কাজ খুব সহজে করছি। সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমাদের অতিথিরা এখন বনের ভেতরে থেকেও বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারছেন। আমরা কোনো কোনো সময় ১৫০ এমবিপিএস পর্যন্ত গতি পাচ্ছি। সুন্দরবনের মতো দুর্গম জায়গায় এটি ভাবাই যেত না।’


সুন্দরবন যুব সংঘের সদস্য মো. জুয়েল বলেন, এখন সুন্দরবনে অনেক তরুণ আসেন। তাঁরা বেশ কয়েক দিন পর্যন্ত থাকেন। স্টারলিংকের ইন্টারনেটের কারণে তাঁদের বনের আশপাশে থাকার আগ্রহ বেশ বেড়েছে বলা যায়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ বা অফিসের টুকিটাকি কাজ, কিংবা ঢাকার সঙ্গে ই–মেইল যোগাযোগ কোনো বিষয়ই নয় এখন।


বর্তমানে পর্যটনের ধরন বদলেছে। মানুষ এখন ভ্রমণে গিয়েও কাজ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হতে চায় না, বিশেষ করে যাঁরা ওয়ার্কেশন বা কাজ করতে করতে ভ্রমণে বিশ্বাসী। সুন্দরবনে স্টারলিংকের ব্যবহার এমন পর্যটকদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 


একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আলিমূল হাসান সম্প্রতি পরিবার নিয়ে তিন দিনের জন্য সুন্দরবন ভ্রমণে এসেছিলেন। নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অতুলনীয়, কিন্তু এখানে মোবাইল ফোনের ইন্টারনেট এতটাই দুর্বল যে জরুরি ই–মেইল চেক করাও কঠিন হয়ে পড়ে। তবে এই রিসোর্টে এসে আমি অবাক হয়েছি। এখানে তরুণ কর্মীরা নিজস্ব উদ্যোগে স্টারলিংক ব্যবহার করছেন। আমি রিসোর্টে বসেই গড়ে ৮০ থেকে ১২০ এমবিপিএস গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পেরেছি। ফলে বনের মধ্যে থেকেও অফিসের কাজ সারতে বা পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে যুক্ত থাকতে কোনো সমস্যাই হয়নি।’


সুন্দরবন এলাকাটি প্রায়ই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন হয়। ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাসের সময় সবার আগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মোবাইল টাওয়ার এবং বিদ্যুৎ–সংযোগ। এর ফলে পুরো এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যা উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ তৎপরতাকে ব্যাহত করে। সুন্দরবনে আসা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষক রুবিনা হক বলেন, স্টারলিংকের মতো স্যাটেলাইট ইন্টারনেট এই সংকটকালে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ, এই ব্যবস্থার জন্য স্থানীয় কোনো অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করতে হয় না। শুধু একটি বহনযোগ্য রিসিভার এবং পাওয়ার ব্যাকআপ থাকলেই যেকোনো দুর্যোগের মধ্যেও সারা বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা সম্ভব। সুন্দরবনের আশপাশের উপজেলাগুলোতে নামমাত্র ব্রডব্যান্ড থাকলেও তার গতি ও স্থায়িত্ব নিয়ে পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সব সময়ই অসন্তোষ ছিল। স্টারলিংক সেই শূন্যতা পূরণ করে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে।


সুন্দরবনের প্রান্তিক জনপদে ইন্টারনেটের এই সহজলভ্যতা কেবল পর্যটনেই সীমাবদ্ধ নয়। স্থানীয় তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন শিক্ষা এবং ই-কমার্স ব্যবসায় এই উচ্চগতির ইন্টারনেট বড় ভূমিকা রাখতে শুরু করেছে। সুন্দরবনসংশ্লিষ্ট গবেষকেরা এখন স্টারলিংকের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান–প্রদান করতে পারছেন। যদিও উচ্চমূল্যের কারণে স্টারলিংক এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। খরচ কিছুটা কমাতে পারলে প্রত্যন্ত সুন্দরবনে আরও সুযোগ বাড়বে।




সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৯:৩৭ এএম

আইফোনের নতুন আপডেটে ‘লুকানো’ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ফিচার এসেছে প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপল।


এ সপ্তাহে আইওএসের নতুন বিটা সংস্করণ ‘আইওএস ২৬.৬’ প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। ব্লক করা কনট্যাক্টের সংখ্যা পরিবর্তনের সুবিধা ছাড়া এতে দৃশ্যমান বড় কোনো পরিবর্তন না থাকলেও আগামী সেপ্টেম্বরে আসতে যাওয়া অ্যাপলের বড় আপডেট ‘আইওএস ২৭’-এর জন্য আইফোনের ভিত তৈরি করতে পারে এ নতুন আপডেট।


এ সফটওয়্যার আপডেটটি ইনস্টলের পর ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘রি-ইনডেক্সিং’ প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা পরবর্তীতে বড় আপডেটের জন্য আইফোনকে প্রস্তুত করে তুলবে বলে প্রতিদবেদনে লিখেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট।


আপডেটের বিবরণীতে অ্যাপল বলেছে, “এ আপডেটে সিস্টেমের ত্রুটি সংশোধন বা বাগ ফিক্স, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও পরবর্তীতে আসতে যাওয়া আইওএস ২৭-এর প্রস্তুতি হিসেবে স্পটলাইট ইনডেক্সকে অপটিমাইজ করার সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”


জুনে অ্যাপলের বার্ষিক সম্মেলন ‘ওয়ার্ল্ডওয়াইড ডেভেলপারস কনফারেন্স’ বা ডব্লিউডব্লিউডিসি’তে উন্মোচিত হওয়া আইওএস ২৭ আগামী সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে পারে।


নতুন এ আইওএসে ভিজুয়াল ডিজাইনে পরিবর্তন আনা ও শিশুদের অনলাইন সুরক্ষায় নতুন বিভিন্ন টুল যোগের মতো বেশ কিছু আপডেট থাকছে। তবে এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হচ্ছে, ‘সিরি এআই’, যা অ্যাপলের ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট বা সহকারীকে এখানে সম্পূর্ণ নতুন রূপ দিয়েছে।


ডিজিটাল সহকারী হিসেবে সিরিকে আরও বেশি কার্যকর করে তুলতে এ নতুন সংস্করণে এআইয়ের ব্যবহার বাড়িয়েছে অ্যাপল।


যেমন, কোনো ব্যবহারকারী যদি এক বছর আগে কোনো বন্ধুর সুপারিশ করা কোনো রেস্তোরাঁ সম্পর্কে জানতে চান, তবে নতুন সিরি আইফোনের পুরানো সব তথ্য বিশ্লেষণ করে সেই বার্তাটি খুঁজে বের করতে পারবে।


ব্যবহারকারী সরাসরি সেই নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহার না করে ইঙ্গিত দিলেও বার্তাটি শনাক্ত করে সে অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সিরি।


নতুন ফিচারটি কার্যকর করতে ‘সিরি’র নতুন সংস্করণটিকে ফোনের সংরক্ষিত সব ডেটার একটি নতুন ‘ইনডেক্স’ বা তালিকা তৈরি করতে হবে। ফলে ছবি বা বার্তার মতো প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্যে এআইচালিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই অনুসন্ধান চালাবে নতুন সিরি।


আসন্ন আইওএস ২৭-এর প্রাথমিক ব্যবহারকারীরা বলেছেন, ডেটা পুনর্গঠনের এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে বেশ দীর্ঘ সময় নিচ্ছে। ফলে ফোনের ব্যাটারি লাইফ ও পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়ার পাশাপাশি নতুন আপডেট ইনস্টলের পর বেশ কয়েক দিন পর্যন্ত সিরির নতুন সংস্করণটি ব্যবহারে সমস্যা হতে পারে।


অ্যাপল বলেছে, আইফোন ব্যবহারকারীরা নতুন আপডেটটি ইনস্টলের পর এ পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যাকগ্রাউন্ডে নীরবে কাজ করবে। সেপ্টেম্বরে আপডেটটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর আগেই ডেটা রি-ইনডেক্সিংয়ের কাজ শেষ হবে এবং আপডেট ইনস্টলের পরই সিরির নতুন সংস্করণটি ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবে।


বর্তমানে আইওএস ২৬.৬ সংস্করণটি বিটা সংস্করণ হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে। খুব শিগগিরই তা ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত হবে, যা সেটিংসে গিয়ে সাধারণ সফটওয়্যার আপডেট হিসেবে ইনস্টল করে নিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।


গ্রীষ্মকালে অ্যাপল সাধারণত তাদের সফটওয়্যারে ছোটখাটো কিছু পরিবর্তন আনে। তবে বর্তমানে অ্যাপলের মূল মনোযোগ আগামী আইওএস ২৭ আপডেটের দিকেই। সেপ্টেম্বরের আগে বর্তমান সংস্করণে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।


এদিকে, অ্যাপলের আইওএস ২৭-এর পাবলিক বিটা সংস্করণ উন্মুক্তের প্রায় এক সপ্তাহ পর আইওএস ২৬.৬ প্রকাশ হল, অর্থাৎ ব্যবহারকারীরা চাইলে নতুন এ সফটওয়্যারটির প্রাথমিক সংস্করণ এখনই ব্যবহার করতে পারবেন।


এক্ষেত্রে বিটা সংস্করণ হওয়ায় আপডেটটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সিস্টেমে ত্রুটি বা বাগ থাকা, ফোনের পারফরম্যান্স ধীর হওয়া বা বিভিন্ন অ্যাপ ও সেবায় জটিলতা তৈরির বিষয়ে সতর্ক করেছে অ্যাপল।

বিষয় : আইফোন

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:৪৭ এএম

গুগলের পরবর্তী স্মার্টওয়াচ পিক্সেল ওয়াচ ৫ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচনের আগেই নতুন একটি তথ্য ফাঁস হয়েছে। এবার প্রকাশিত উচ্চ রেজল্যুশনের রেন্ডার ছবিতে স্মার্টওয়াচটির সম্ভাব্য নকশা, একাধিক রঙের সংস্করণ, নতুন ওয়াচ ফেস এবং স্ট্র্যাপের সমন্বয় দেখা গেছে। পাশাপাশি জানা গেছে, আগের মতো এবারও দুটি আকারে বাজারে আসতে পারে ডিভাইসটি। তবে দাম কিছুটা বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।


ফাঁস হওয়া তথ্যটি প্রকাশ করেছে দ্য টাইট চার্ট নামের একটি ওয়েবসাইট। রেন্ডারগুলো শেয়ার করেছেন পরিচিত প্রযুক্তি টিপস্টার স্টিভ এইচ. ম্যাকফ্লাই, যিনি @OnLeaks নামে বেশি পরিচিত। অতীতে তার প্রকাশ করা অনেক তথ্যই পরবর্তীতে সঠিক প্রমাণিত হয়েছে।


চারটি রঙে আসতে পারে

ফাঁস হওয়া রেন্ডার অনুযায়ী, পিক্সেল ওয়াচ ৫ চারটি রঙে পাওয়া যেতে পারে। এগুলো হলো- কালো স্ট্র্যাপসহ, হালকা ধূসর স্ট্র্যাপসহ, অলিভ রঙের স্ট্র্যাপসহ, কোরাল রঙের স্ট্র্যাপসহ। তথ্য অনুযায়ী, ওয়ার্ম গোল্ড রংটি আপাতত শুধু ৪১ মিলিমিটার সংস্করণে দেখা গেছে। তবে ভবিষ্যতে ৪৫ মিলিমিটার মডেলেও এই রং আসতে পারে।


ডিজাইনে বড় পরিবর্তন নেই

রেন্ডারগুলো থেকে বোঝা যায়, পিক্সেল ওয়াচ ৫-এর ডিজাইনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনেনি গুগল। এটি অনেকটাই আগের পিক্সেল ওয়াচ ৫-এর মতো দেখতে হবে। এতে থাকবে পরিচিত গম্বুজাকৃতির ডিসপ্লে, পাশে চার্জিং কনট্যাক্ট এবং গুগলের নিজস্ব ব্যান্ড সংযুক্তির ব্যবস্থা। এর অর্থ, আগের পিক্সেল ওয়াচের স্ট্র্যাপ নতুন মডেলেও ব্যবহার করা যেতে পারে। ফলে পুরোনো ব্যবহারকারীদের নতুন করে স্ট্র্যাপ কিনতে নাও হতে পারে।


নতুন ওয়াচ ফেসে থাকবে জেমিনি শর্টকাট

ফাঁস হওয়া ছবিতে একটি নতুন ওয়াচ ফেসও দেখা গেছে। এতে অ্যানালগ ঘড়ির ডায়াল, ঢেউখেলানো ব্যাকগ্রাউন্ড এবং জেমিনি এআই-এ দ্রুত প্রবেশের জন্য একটি আলাদা শর্টকাট রয়েছে। এতে ব্যবহারকারীরা হাতের কব্জি থেকেই দ্রুত গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সহকারী ব্যবহার করতে পারবেন।


দুটি আকার, দুটি সংযোগ সুবিধা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিক্সেল ওয়াচ ৫ আগের মতোই ৪১ মিলিমিটার ও ৪৫ মিলিমিটার এই দুই আকারে আসবে। প্রতিটি সংস্করণেই থাকবে দুটি সংযোগ সুবিধা- শুধু ওয়াই-ফাই, ওয়াই-ফাই + এলটিই। এছাড়া সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল যোগাযোগ কমিশন (ফিএসএস)-এর নথিতেও পিক্সেল ওয়াচ ৫-এর চারটি মডেল নম্বর দেখা গেছে। সেখান থেকে ধারণা করা হচ্ছে, নির্দিষ্ট কিছু মডেলে এলটিই, স্যাটেলাইট জরুরি এসওএস, আল্ট্রা-ওয়াইডব্যান্ড (ইউডব্লিউবি) এবং ওয়াই-ফাই ৬-এর মতো আধুনিক সংযোগ প্রযুক্তি থাকবে।


বাড়তে পারে দাম

সবচেয়ে আলোচিত তথ্যগুলোর একটি হলো সম্ভাব্য মূল্য বৃদ্ধি। ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগের প্রজন্মের তুলনায় পিক্সেল ওয়াচ ৫-এর দাম প্রায় ৫০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে। সম্ভাব্য দাম হতে পারে- ৪১ মিমি ওয়াই-ফাই ৩৯৯ ডলার, ৪৫ মিমি ওয়াই-ফাই ৪২৯ ডলার, ৪১ মিমি এলটিই ৪৯৯ ডলার, ৪৫ মিমি এলটিই ৫২৯ ডলার। তবে এগুলো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।


কবে আসবে?

গুগল আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য মেড বাই গুগল ইভেন্টে পিক্সেল ওয়াচ ৫ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেখানেই নতুন পিক্সেল স্মার্টফোনের পাশাপাশি এই স্মার্টওয়াচেরও ঘোষণা আসতে পারে। যদিও এখন পর্যন্ত সব তথ্যই ফাঁস হওয়া রেন্ডার ও বিভিন্ন সূত্রের ওপর ভিত্তি করে জানা গেছে, তবুও এগুলো থেকে ধারণা মিলছে গুগল এবার বড় ধরনের ডিজাইন পরিবর্তনের বদলে সফটওয়্যার, এআই সুবিধা এবং সংযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।



































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ১৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:৩২ এএম

হঠাৎ করেই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ব্যবহারে সমস্যায় পড়েছেন অনেক ব্যবহারকারী। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে গিয়ে সম্পূর্ণ অচল অবস্থার মুখোমুখি হচ্ছেন। মোবাইল অ্যাপে সমস্যা না থাকলেও ওয়েব ভার্সনে বার্তা পাঠানো, নিউজফিড দেখার ক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে সমস্যা।


দুপুর ১টা ৪০-এর পর থেকেই অনেক ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অভিজ্ঞতা জানাতে শুরু করেন। অনেকের ক্ষেত্রে ফেসবুক খুললেও নতুন পোস্ট লোড হচ্ছে না, আবার মেসেঞ্জারে পাঠানো বার্তা যাচ্ছে না বা দীর্ঘ সময় ধরে ‘সেন্ডিং’ দেখাচ্ছে। ফলে ব্যক্তিগত যোগাযোগ থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক কার্যক্রমেও প্রভাব পড়ছে। তবে এই সমস্যা ফেসবুক ওয়েব ভার্সনে দেখা যাচ্ছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় প্ল্যাটফর্মগুলোর সেবা বন্ধ হয়ে গেলে এর প্রভাব শুধু বিনোদন বা ব্যক্তিগত যোগাযোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বর্তমানে অনেক ছোট ব্যবসা, অনলাইন উদ্যোক্তা, সংবাদমাধ্যম ও ফ্রিল্যান্সাররা ফেসবুকের ওপর নির্ভরশীল। ফলে কয়েক ঘণ্টার সমস্যাও তাদের কাজের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই ফেসবুক-মেসেঞ্জারের মতো বড় প্ল্যাটফর্মে সাময়িক সমস্যা তৈরি হলে ব্যবহারকারীদের মধ্যে দ্রুত উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। মেটার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমস্যার কারণ বা সমাধানের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের অপেক্ষা করা ছাড়া তেমন কোনো বিকল্প নেই।

সর্বশেষ সব খবর

সংগৃহীত ছবি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:৩০ এএম

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া বা পরিচয় যাচাই নিয়ে জটিলতায় পড়ার ঘটনা এখন বেশ সাধারণ। অনেক সময় সন্দেহজনক লগইন শনাক্ত হলে বা অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের প্রয়োজন হলে ব্যবহারকারীকে নিজের পরিচয় প্রমাণ করতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে সহায়তা করতে ভেরিফিকেশন সেলফি নামে একটি নিরাপত্তা ফিচার ব্যবহার করছে মেটা।


এই ফিচারের মাধ্যমে প্রয়োজনে ব্যবহারকারীর মুখের ছবি যাচাই করে অ্যাকাউন্টের প্রকৃত মালিক নিশ্চিত করা হয়। ফলে অননুমোদিত ব্যক্তির পক্ষে অন্যের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়াও আরও সহজ ও নিরাপদ হয়।


কীভাবে চালু করবেন ভেরিফিকেশন সেলফি


> ফিচারটি চালু করতে প্রথমে ফেসবুক অ্যাপ খুলে উপরের ডান পাশে থাকা তিন দাগ আইকনে ট্যাপ করুন। এরপর সেটিংস অ্যান্ড প্রাইভেসি থেকে সেটিংসে প্রবেশ করুন।


> এরপর অ্যাকাউন্টস সেন্টার নির্বাচন করে পাসওয়ার্ড অ্যান্ড সিকিউরিটি অপশনে যান। সেখানে ভেরিফিকেশন সেলফি নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন। সেটিতে ট্যাপ করে যে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ফিচারটি চালু করতে চান, সেটি নির্বাচন করুন।


> পরবর্তী ধাপে নেক্সট বাটনে চাপ দিলে আপনার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ই-মেইল ঠিকানায় একটি ভেরিফিকেশন কোড পাঠানো হবে। কোডটি নির্ধারিত স্থানে লিখে আবার নেক্সট নির্বাচন করুন।


> এরপর স্টার্ট সেলফি অপশনে ট্যাপ করলে মোবাইলের ক্যামেরা ব্যবহারের অনুমতি চাইবে। অনুমতি দেওয়ার পর পর্দায় প্রদর্শিত নির্দেশনা অনুসরণ করে সেলফি যাচাই সম্পন্ন করতে হবে। এ সময় মাথা ডানে-বামে ঘোরানো, ক্যামেরার দিকে তাকানো বা নির্দিষ্ট ভঙ্গিতে মুখ নড়ানোর মতো কয়েকটি নির্দেশনা অনুসরণ করতে হতে পারে।


> যাচাই সফল হলে ফিচারটি সক্রিয় হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে পরিচয় নিশ্চিত করতে এটি ব্যবহার করা হবে।


শুধু এই ফিচারই যথেষ্ট নয়


ভেরিফিকেশন সেলফি অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়াতে কার্যকর হলেও এটিই একমাত্র সুরক্ষা নয়। নিরাপদ থাকতে শক্তিশালী ও আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা জরুরি। পাশাপাশি টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু রাখা, অচেনা লিংকে ক্লিক না করা, নিয়মিত লগইন অ্যাক্টিভিটি পরীক্ষা করা এবং অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ই-মেইল ও মোবাইল নম্বর হালনাগাদ রাখার পরামর্শ দেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।


ডিজিটাল প্রতারণার ঝুঁকি বাড়তে থাকায় ফেসবুকের নিরাপত্তা ফিচারগুলো ব্যবহার করা এখন শুধু সুবিধা নয়, বরং প্রয়োজনও বটে।


সর্বশেষ সব খবর

ফেসটাইম অ্যাপ

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:১৬ এএম

ফেসটাইম অ্যাপ ব্যবহার করে প্রতারণার হচ্ছে বলে আইফোন ব্যবহারকারীদের সতর্ক করেছে অ্যাপল। 


প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, সাইবার অপরাধীরা এখন ফেসটাইম অ্যাপে ভিডিও কলের মাধ্যমে নিজেদের ব্যাংকের কর্মকর্তা, প্রযুক্তিসহায়তাকর্মী, সরকারি সংস্থার প্রতিনিধি বা পরিচিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জন করছে। পরে সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি ব্যাংক হিসাবের অর্থও হাতিয়ে নিচ্ছে।


অ্যাপলের তথ্যমতে, সাধারণ ফোনকলের তুলনায় ভিডিও কলের মাধ্যমে প্রতারণা করা সহজ। কারণ, চেহারা দেখে কথা বলার সুযোগ থাকায় অনেকেই ফোনকল করা ব্যক্তির পরিচয় নিয়ে সন্দেহ করেন না। 


নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতারকেরা মানুষের এই মানসিক প্রবণতাকেই কাজে লাগাচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রতারণার শুরু হয় একটি খুদে বার্তা দিয়ে। সেখানে দাবি করা হয়, ব্যবহারকারীর ব্যাংক হিসাব বা ক্রেডিট কার্ডে সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এরপর পরিচয় যাচাই বা সমস্যার সমাধানের অজুহাতে ফেসটাইমে ভিডিও কলে যুক্ত হতে বলা হয়।


ভিডিও কলে প্রতারকেরা ব্যবহারকারীদের অনলাইনে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ, অর্থ স্থানান্তর বা একবার ব্যবহারযোগ্য নিরাপত্তা কোড (ওটিপি) দেওয়ার সময় পর্দার (স্ক্রিন) ছবি পাঠাতে রাজি করায়। এর ফলে তারা পাসওয়ার্ড, ব্যাংক হিসাবের তথ্য ও নিরাপত্তা কোড সরাসরি দেখতে পারে। এসব তথ্য ব্যবহার করেই অল্প সময়ের মধ্যে ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ সরিয়ে নেওয়া হয়। আর তাই সন্দেহজনক ফেসটাইম কল বা আমন্ত্রণ-সংক্রান্ত লিংক সম্পর্কে সতর্ক থাকার পাশাপাশি বিষয়টি সম্পর্কে নিজেদের কাছে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানিয়েছে অ্যাপল।


অ্যাপল জানিয়েছে, অ্যাপলের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মী কখনোই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ফেসটাইম অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করে পাসওয়ার্ড, নিরাপত্তা কোড বা অন্য কোনো সংবেদনশীল তথ্য চান না। এমন অনুরোধ পেলে সঙ্গে সঙ্গে কল কেটে দিতে হবে। প্রযুক্তিসহায়তার নামেও একই ধরনের প্রতারণা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রথমে ব্যবহারকারীদের কাছে ভুয়া নিরাপত্তা সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দাবি করা হয়, তার আইফোন হ্যাক হয়েছে বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রবেশ করেছে। পরে প্রযুক্তিসহায়তাকর্মী পরিচয়ে ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে দূর থেকে আইফোনে নজরদারি সফটওয়্যার ইনস্টল, নিরাপত্তা সেটিংস পরিবর্তন বা লগইন তথ্য দেওয়ার জন্য প্ররোচিত করা হয়। এতে অজান্তেই আইফোনে থাকা বিভিন্ন অনলাইন অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ সাইবার অপরাধীদের হাতে চলে যায়।


নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে অন্য ব্যক্তির ভিডিও, আগে ধারণ করা ভিডিও, বিভিন্ন ফিল্টার বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা হচ্ছে। আর তাই ফেসটাইম অ্যাপে ভিডিও কলের স্ক্রিন শেয়ার না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সন্দেহজনক কোনো ফেসটাইম ফোনকল পেলে সঙ্গে সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করারও পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১৫ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৭:২৯ এএম

বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি আমাদের ডিজিটাল পরিচয়েরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মোবাইল ব্যাংকিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-মেইল, গুরুত্বপূর্ণ নথি সবকিছুই এখন একটি ফোনে সংরক্ষিত থাকে। তাই ফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে শুধু ডিভাইসের ক্ষতিই নয়, আর্থিক ও ব্যক্তিগত তথ্যও ঝুঁকিতে পড়ে।


এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিলে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। জেনে নিন ফোন হারানোর পর কী করবেন।


১. দ্রুত থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন


প্রথমেই নিকটস্থ থানায় গিয়ে ফোন হারানো বা চুরির বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন। অভিযোগে ফোনের আইএমইআই নম্বর, মডেল, রং এবং ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর উল্লেখ করুন। এই তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফোন শনাক্ত ও উদ্ধারে সহায়তা করবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রমাণ হিসেবেও জিডি কাজে আসবে।


২. মোবাইল সিম সঙ্গে সঙ্গে ব্লক করুন


ফোন হারানোর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ব্যবহৃত সিম কার্ডটি দ্রুত ব্লক করা। কারণ প্রতারকরা আপনার নম্বর ব্যবহার করে ওটিপি গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংকিং বা অন্যান্য অ্যাকাউন্টে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে। মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করে সিম ব্লক করুন এবং পরে একই নম্বরের রিপ্লেসমেন্ট সিম সংগ্রহ করুন।


৩. ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসকে জানান


ফোনে যদি ব্যাংকিং অ্যাপ, মোবাইল ওয়ালেট যুক্ত থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করুন। প্রয়োজনে সাময়িকভাবে ডিজিটাল লেনদেন বন্ধ রাখুন অথবা অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করুন। এতে অননুমোদিত লেনদেনের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।


৪. ফাইন্ড মাই ডিভাইস বা ফাইন্ড মাই আইফোন ব্যবহার করুন


অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা ফাইন্ড মাই ডিভাইস এবং আইফোন ব্যবহারকারীরা ফাইন্ড মাই ফিচারের মাধ্যমে ফোনের অবস্থান জানার চেষ্টা করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে এই সেবার মাধ্যমে দূর থেকেই ফোন লক করা, স্ক্রিনে বার্তা দেখানো কিংবা প্রয়োজন হলে ডিভাইসের সব তথ্য মুছে ফেলার সুযোগও পাওয়া যায়।


৫. কয়েক দিন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও অনলাইন অ্যাকাউন্ট পর্যবেক্ষণে রাখুন


ফোন হারানোর পর কয়েক দিন নিয়মিত ব্যাংক স্টেটমেন্ট, মোবাইল ওয়ালেট এবং ই-মেইল অ্যাকাউন্ট পর্যবেক্ষণ করুন। কোনো অচেনা লেনদেন, লগইন বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ জানান এবং প্রয়োজন হলে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।

সর্বশেষ সব খবর