সালমান ও শাবনূর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৫৭ পিএম

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় জুটি সালমান শাহ ও শাবনূরকে ঘিরে তিন দশক ধরে নানা আলোচনা রয়েছে। পর্দায় তাদের দারুণ রসায়নের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও তৈরি হয়েছে নানা গল্প। বিশেষ করে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না এ প্রশ্ন বারবার সামনে এসেছে। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী।


সম্প্রতি সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল অভিনেতা ডন গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ছেলে ও শাবনূরের সম্পর্ক নিয়েও মন্তব্য করেন নীলা চৌধুরী। তার দাবি, শাবনূরের সঙ্গে সালমানের কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। বরং শাবনূরকে নিজের ছোট বোনের মতোই দেখতেন সালমান।


নীলা চৌধুরী জানান, শাবনূর সালমানের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন এবং সালমানও তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করার চেষ্টা করতেন। সালমানের কোনো বোন না থাকায় শাবনূরকে তিনি বোনের মতো স্নেহ করতেন। তবে শাবনূরকে নিয়ে কিছু অভিযোগও করেছেন সালমানের মা। তার দাবি, শাবনূর কখনো কখনো সালমানের সঙ্গে তার বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে এমন ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করতেন। পরে তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা ধরনের গল্প ছড়িয়ে পড়ে।


অন্যদিকে শাবনূর বরাবরই এসব প্রেমের গুঞ্জন অস্বীকার করে এসেছেন। তার বক্তব্য, সালমানকে তিনি কখনো প্রেমিক হিসেবে দেখেননি, বরং ভাইয়ের মতো সম্মান করতেন। তার মতে, কিছু মানুষ ও গণমাধ্যম তাদের বন্ধুত্বকে ঘিরে মুখরোচক গল্প তৈরি করেছে।


প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় সালমান শাহর। প্রথম ছবিতে তার নায়িকা ছিলেন মৌসুমী। এরপর ‘তুমি আমার’ সিনেমায় শাবনূরের সঙ্গে জুটি বাঁধেন সালমান শাহ। সেই সিনেমার পর বাংলা চলচ্চিত্রে তুমুল জনপ্রিয়তা পায় সালমান–শাবনূর জুটি। 


মাত্র চার বছরের অভিনয়জীবনে সালমান অভিনয় করেন ২৭টি সিনেমায়, এর মধ্যে ১৪টিতে তার নায়িকা ছিলেন শাবনূর।


‘তুমি আমার’ দিয়ে সালমান-শাবনূর জুটির শুরু। পরে একে একে অভিনয় করেন ‘সুজন সখী’, ‘বিচার হবে’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘মহামিলন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘জীবন সংসার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘প্রেম পিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘আনন্দ অশ্রু’সহ ১৪টি সিনেমায়। তাদের জুটির অধিকাংশ সিনেমাই পায় ব্যবসায়িক সাফল্য। পর্দার এই জুটির সম্পর্ক নিয়ে শাবনূর বলেন, কাজ করতে গিয়েই তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল।


তার মতে, ‘সালমান অনেক বড় মনের মানুষ। বয়সে বড় সবাইকে সে যথেষ্ট সম্মান করত। কোনো অহংকার তার মধ্যে ছিল না। অনেক বেশি ভালো ছিল। সহশিল্পীদের সবার প্রতি খুব আন্তরিক আর কাজপাগল একটা ছেলে ছিল। আমাদের দুজনের বোঝাপড়াটা ছিল চমৎকার। বলতে পারেন, একে অন্যের চোখের ইশারা বুঝতে পারতাম।’


শুধু সালমানের সঙ্গে নয়, তার স্ত্রী সামিরার সঙ্গেও শাবনূরের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল বলে জানিয়েছেন এই চিত্রনায়িকা। তার মতে, শুটিংয়ের সময় সামিরা প্রায়ই তাদের সঙ্গে থাকতেন। একসঙ্গে ঘোরাঘুরি, খাওয়াদাওয়া, আড্ডা-সব মিলিয়ে দুই পরিবারের মধ্যেও একটা সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল বলে জানান শাবনূর।


সালমানের সঙ্গে কাজের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে শাবনূর আরও বলেন, তারা শুটিংয়ের ফাঁকে আনন্দ-আড্ডায় মেতে থাকতেন। কক্সবাজারে শুটিংয়ের সময় রাতে সাগরপাড়ে ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের আয়োজনও হতো। সেখানে দুই পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি সহশিল্পী ও পরিচালকও থাকতেন।


সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মারা যান। তার মৃত্যুর পর তিন দশকে এসেও আলোচনা কমেনি। সালমানের মৃত্যু, ব্যক্তিজীবন এবং সহশিল্পীদের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নানা সময়ে নানা বক্তব্য সামনে এসেছে। 


এর মধ্যে সালমান-শাবনূরের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টিও বারবার আলোচনায় ছিল। শাবনূর যেখানে বরাবরই তাদের সম্পর্ককে ভাই-বোনের বলে দাবি করে এসেছেন, সেখানে এবার সালমানের মা নীলা চৌধুরীও জানান-ছেলের সঙ্গে শাবনূরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল না।




শাহরুখ ও বিরাট কোহলি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:০৯ পিএম

ভারতের সবচেয়ে মূল্যবান সেলিব্রিটি ব্র্যান্ডের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছেন বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান।


ক্রল সেলিব্রিটি ব্র্যান্ড ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট ২০২৫ অনুযায়ী, তার ব্র্যান্ড মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৭৯ লাখ মার্কিন ডলারে। এর মধ্য দিয়ে তিনি ক্রিকেট তারকা বিরাট কোহলিকে পেছনে ফেলেছেন।


প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে শাহরুখ খানের ব্র্যান্ড মূল্য ছিল ১৪ কোটি ৫৭ লাখ মার্কিন ডলার। এক বছরের ব্যবধানে তার ব্র্যান্ড মূল্য প্রায় ২২ শতাংশ বেড়েছে। এর আগে ২০২৩ সালে এই মূল্য ছিল ১২ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ, মাত্র দুই বছরে তার ব্র্যান্ড মূল্য বেড়েছে প্রায় ৪৭ শতাংশ। ২০২৪ সালে তিনি ছিলেন তৃতীয় অবস্থানে। তবে ২০২৫ সালে এক লাফে উঠে এসেছেন শীর্ষে।


রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে ভারতের শীর্ষ ২৫ সেলিব্রিটির সম্মিলিত ব্র্যান্ড মূল্য প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার।


গত এক বছরে শাহরুখ খান একাধিক নতুন প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ক্যাস্ট্রল, জয় পার্সোনাল কেয়ার এবং ক্যান্ডেরে। পাশাপাশি হুন্দাই, এলজি, মিন্ত্রা ও এয়ারবিএনবি-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব অব্যাহত রয়েছে। ফলে অটোমোবাইল, প্রযুক্তি, ফ্যাশন, ভ্রমণ ও লাইফস্টাইলসহ বিভিন্ন খাতে তার ব্র্যান্ড উপস্থিতি আরও শক্তিশালী হয়েছে।


বিশ্লেষকদের মতে, অভিনয়ের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড জগতেও শাহরুখের ধারাবাহিক সাফল্য তার জনপ্রিয়তা ও বাজারমূল্যের শক্ত অবস্থানের প্রতিফলন।


এদিকে, কাজের ক্ষেত্রেও ব্যস্ত সময় পার করছেন শাহরুখ খান। বর্তমানে তিনি বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কিং’-এর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত। এই সিনেমায় প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় তার সঙ্গে অভিনয় করবেন মেয়ে সুহানা খান।


খল অভিনেতা ডন ও নীলা চৌধুরী। ছবি - সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:১২ এএম

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ও খল অভিনেতা ডনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডির) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


ডনের গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী। তিনি বলেন, 'সালমান আমার সন্তান। সে আমার বুকের মধ্যে আছে, থাকবে। তাকে হত্যা করা হয়েছে। আর সালমান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল এই ডন। শুধু তা-ই নয়, সালমানের মৃত্যুর পর সে আমাকে নানাভাবে অপমান করেছে এবং আমার ছেলের নামে অনেক মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। আজ সে গ্রেপ্তার হয়েছে। সব প্রমাণ একদিন হবে।'


নীলা চৌধুরী আরও বলেন, 'আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা ও বর্তমান সরকারের প্রতি আমার আস্থা আছে। সালমান হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করা হোক। আশা করি, আমি আমার সন্তান হত্যার বিচার একদিন পাব।'


১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের বাসায় মারা যান জনপ্রিয় চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। তার মৃত্যুর ঘটনায় বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী অপমৃত্যুর মামলা করেন। পরে ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে নেওয়ার আবেদন করেন তিনি। অপমৃত্যু ও হত্যার অভিযোগ একসঙ্গে তদন্তের জন্য আদালত সিআইডিকে নির্দেশ দেন।


১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালত প্রতিবেদনটি গ্রহণ করেন। তবে সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা করেন সালমানের বাবা।


দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের রিভিশন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত।


এর পরদিন, ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম হত্যা মামলা করেন। এতে সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।


মামলার অন্য আসামিরা হলেন শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে।


প্রায় তিন দশক পর সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত এগিয়ে চলছে। এরই মধ্যে মামলার অন্যতম আসামি ডনের গ্রেপ্তারকে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট দিন ধার্য রয়েছে।


পূজা চেরী

  • প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৩৬ পিএম

‘কোনো প্রতিযোগিতা নেই, এ কেবলই ভিন্ন এক ধরনের সৌন্দর্য’-সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (৯ আগস্ট) এই বার্তা দিয়ে নিজের এমন হাস্যোজ্জ্বল ছবি প্রকাশ করেছেন ঢালিউড অভিনেত্রী পূজা চেরী।


নীরব এক বিকেলে, মায়াবী আবেশে অভিনেত্রী। গাঢ় লাল শাড়ি, খোলা চুল আর শান্ত অভিব্যক্তিতে ঘরোয়া পরিবেশে ধরা দিলেন পূজা। চারপাশের সবুজ আর উষ্ণ আলোয় তার এই মুহূর্ত যেন হয়ে উঠেছে সৌন্দর্য ও প্রশান্তির এক নান্দনিক ফ্রেম।




সাদামাটা সাজে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন অভিনেত্রী পূজা চেরী। গাঢ় লাল শাড়ি ও একই রঙের ব্লাউজে স্বচ্ছন্দ ভঙ্গিতে ক্যামেরাবন্দী হয়েছেন তিনি। কানে ছোট দুল, কপালে ছোট্ট টিপ, গলায় সরু চেইন ও হাতে ঘড়ি তার সাজে যোগ করেছে পরিমিত আভিজাত্য। খোলা লম্বা চুল আর শান্ত অভিব্যক্তিতে ফুটে উঠেছে তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য। ঘরের উষ্ণ আলো, সবুজ গাছপালা ও নান্দনিক অন্দরসজ্জার মধ্যে তার এই উপস্থিতি তৈরি করেছে এক শান্ত, মার্জিত ও মায়াময় আবহ।


২০১২ সালের ভালোবাসার রঙ চলচ্চিত্রে শিশু অভিনেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন । ২০১৮ সালে নূর জাহান-এর মাধ্যমে বড় পর্দায় প্রধান ভূমিকায় আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি পোড়ামন ২ (২০১৮) চলচ্চিত্রের জন্য তিনটি এবং গলুই (২০২২), জ্বীন (২০২৩) ও লিপস্টিক (২০২৪) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনটিসহ মোট ছয়টি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন এবং প্রথমোক্ত চলচ্চিত্রের জন্য তারকা জরিপে সেরা চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেন।


২০১২ সালের ভালোবাসার রঙ চলচ্চিত্রে শিশু অভিনেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন । ২০১৮ সালে নূর জাহান-এর মাধ্যমে বড় পর্দায় প্রধান ভূমিকায় আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি পোড়ামন ২ (২০১৮) চলচ্চিত্রের জন্য তিনটি এবং গলুই (২০২২), জ্বীন (২০২৩) ও লিপস্টিক (২০২৪) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনটিসহ মোট ছয়টি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন এবং প্রথমোক্ত চলচ্চিত্রের জন্য তারকা জরিপে সেরা চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেন।


২০১১ সালে মনের ঘরে বসত করে চলচ্চিত্রে শিশু অভিনেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও তার সব দৃশ্য মুছে ফেলা হয়। বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনেও কাজ করার পরে জাজ মাল্টিমিডিয়ার ছবি ভালোবাসার রঙ (২০১২) এর মাধ্যমে তার অভিষেক হয়। ২০১৮ সালে তিনি নূর জাহান-এর মাধ্যমে প্রধান ভূমিকায় আত্মপ্রকাশ করেন।


পূজা চেরি ২০০০ সালের ২০ আগস্ট খুলনার গাজীরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মগবাজার গার্লস হাই স্কুল থেকে তার মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন। ২০২১-২২ সালে সিদ্ধেশ্বরী কলেজ থেকে আর্টস গ্রুপ থেকে তার উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।


পরিচালক শাকিল নূরানী গ্রেপ্তার

  • প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৩৫ এএম

অভিনেত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগে বলিউডের পরিচালক শাকিল নূরানীকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ। 


গত শনিবার (৮ আগস্ট) ভোরে মালবানি থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ৭৩ বছর বয়সী শাকিল নূরানী ‘বড়ে দিল ওয়ালা’ ও ‘জোরু কা গুলাম’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমা পরিচালনা করেছেন।


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে লোখন্ডওয়ালায় একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ওই অভিনেত্রীর সঙ্গে শাকিল নূরানীর পরিচয় হয়। সিনেমায় কাজের সুযোগ দেওয়ার কথা বলে তাকে যোগাযোগ করতে বলেন পরিচালক। পরে স্ক্রিপ্ট পড়ার জন্য অভিনেত্রী তার বাড়িতে যান।


অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে অভিনেত্রীকে একটি পানীয় দেন শাকিল। সেটি পান করার পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফেরার পর নিজের ফোনে ধারণ করা একটি ভিডিও তাকে দেখান পরিচালক।


অভিনেত্রীর দাবি, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে একাধিকবার যৌন নির্যাতন করেন শাকিল। এমনকি জোর করে তাকে গর্ভনিরোধক ওষুধও সেবন করানো হতো বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।


এ ঘটনায় অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হওয়ার পর শাকিল নূরানীকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ। তবে শাকিলের আইনজীবী বিকাশ সিং গোয়ার অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, পরিচালককে ফাঁসানো হচ্ছে। অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।


আইনজীবী বলেন, আদালতে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তার মক্কেলকে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।


মোহাম্মদ আশরাফুল হক ডন। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:০১ এএম

ঢাকাই সিনেমার খল অভিনেতা মোহাম্মদ আশরাফুল হক ডনকে চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


তিনি বলেন, সালমান শাহ হত্যা মামলার কারণে ডনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। ইমিগ্রেশনের স্টপ লিস্টেও তার নাম ছিল।


ওসি বলেন, আজ সৌদি আরব যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়। পরে সিআইডির কর্মকর্তারা এসে তাকে নিয়ে যান।


সিআইডির ঢাকা মেট্রো পশ্চিমের বিশেষ পুলিশ সুপার গোলাম বেনজীর জানিয়েছেন, ডনকে ইতোমধ্যে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সালমান শাহ হত্যা মামলার ১১ আসামির তালিকায় অভিনেতা ডনের নামও রয়েছে। গত বছর আদালত তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।


তিনি বলেন, সে সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে একটি চিঠি দিয়ে এজাহারে নাম থাকা আসামিদের দেশত্যাগে বাধা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।


গোলাম বেনজীর বলেন, আজ সকাল ৬টার দিকে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার জন্য ওই আসামি বিমানবন্দরে যান। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


সালমান শাহ হত্যা মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।


  • প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৫৫ এএম

দীর্ঘ তিন দশক ধরে চলচ্চিত্রাঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যু। সেই ঘটনার এক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ। সেসময় তিনি রাজসাক্ষী হয়ে নায়কের মৃত্যুতে কয়েকজনের সঙ্গে নিজেও দায়ী বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন। এদিকে, সম্প্রতি একাধিক সাক্ষাৎকারে সালমান শাহ প্রসঙ্গে বারবার চিত্রনায়িকা শাবনূরের নাম উল্লেখ করেন রিজভী। এবার এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নায়িকা। 


শাবনূর জানান, ১৯৯৭ সালে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে রিজভী ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে সালমান শাহকে হত্যা করার কথা স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছিল।


শনিবার (৮ আগস্ট) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে ‘রিজভীর গালগল্প ও অসত্য বয়ান’ শীর্ষক এক দীর্ঘ পোস্টে শাবনূর লেখেন, ‘‘সালমান শাহর মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে যে ব্যক্তি রাজসাক্ষী হয়েছিল, তার নাম রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ। এই ব্যক্তি অন্য একটি মামলায়, সালমান শাহর ছোট ভাই শাহরান চৌধুরীকে (বিল্টু) অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছিল। ওই জবানবন্দিতে সে দাবি করে যে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে সালমান শাহকে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে আরও কয়েকজনের সঙ্গে সে জড়িত ছিল। তখন সে প্রায় ৯ মাস কারাগারে বন্দী ছিল। তার নিজের ভাষ্যমতে, কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার কিছুদিন পরই সে যুক্তরাজ্যে দেশান্তরিত হয়। পরবর্তীতে সেখানে অবস্থানকালে প্রকাশিত একটি ভিডিওবার্তায় সে আবারও সালমান শাহর হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। কিন্তু ২০১৯ সালে পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর সময় টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সম্পূর্ণ ভিন্ন বক্তব্য দিয়ে দাবি করে, সে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় এবং সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিল। আশ্চর্যের বিষয়, সালমানের মৃত্যুর দীর্ঘ ২৯ বছর পর অল্প কিছুদিন আগে ‘আরজে নীরব’ ও ‘সময় টিভি’কে দেওয়া দুটি পৃথক সাক্ষাৎকারেও সে আবার একই দাবি করে যে, সালমান শাহর মৃত্যু হত্যা নয়, বরং আত্মহত্যা। শুধু তাই নয়, সে ওই আত্মহত্যার জন্য সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীকে দায়ী করে। পাশাপাশি, প্রথমবারের মতো আমার বিরুদ্ধেও মিথ্যা অভিযোগ তোলে এবং আমাকেও ওই ঘটনার জন্য বারবার দায়ী করে কথা বলে।”


চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্যে সালমান-শাবনূর। ছবি: সংগৃহীত


তাহলে রিজভীর কোন বক্তব্য সঠিক—এই প্রশ্ন রেখে তিনি আরও বলেন, “একই ব্যক্তি যখন সময়ে সময়ে একই ঘটনার বিষয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেয়, তখন তার সর্বশেষ দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই গুরুতর প্রশ্ন ওঠে। গত জুলাইয়ে প্রকাশিত তার দেওয়া দুটি সাক্ষাৎকারে সে বিভিন্ন বিষয়ে আরও অনেক অসঙ্গগতিপূর্ণ, বিভ্রান্তিকর ও অসত্য বক্তব্য দিয়েছে। তার বক্তব্যগুলো পর্যালোচনা করলে সবার কাছেই সেগুলো সাংঘর্ষিক, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হবে। অতি সম্প্রতি ‘আরজে নীরব’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিজভী আহমেদ বলেছে, আমার প্রতি তার ভালোবাসার কথা সে কোনোদিন প্রকাশ করতে পারেনি। তবে মনে মনে নাকি আমাকে এতটাই ভালোবাসতো যে আমাকে বিয়ে পর্যন্ত করতে চেয়েছিল, এবং এখনও চায়! কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্রায় একই সময়ে ‘সময় টিভি’কে দেওয়া আরেকটি সাক্ষাৎকারে সে আবার দাবি করেছে, আমি নাকি তার এক্স-গার্লফ্রেন্ড ছিলাম। শুধু তাই নয়, সে আরও দাবি করেছে যে ২০১৬ সালে আমার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল এবং ২০১৮ সালে আমাদের ডিভোর্স হয়েছে! এখন প্রশ্ন হলো, সে-তো ১৯৯৯ সাল থেকেই প্রায় ২৬-২৭ বছর ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছে এবং তার নিজের দাবি অনুযায়ী, ওই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশেই আসেনি। অন্যদিকে, আমি ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে কখনোই যুক্তরাজ্যে যাইনি। তাহলে আমার সঙ্গে তার বিয়েটা কোথায় হলো? কীভাবে হলো? এর প্রমাণই-বা কী?”


যোগ করে শাবনূর বলেন, “আরও মজার বিষয় হলো, সে যে সময়ের কথা বলছে, তার অনেক আগ থেকেই আমি বিবাহিত ছিলাম। তার সঙ্গে সম্পর্ক তো দূরের কথা, তাকে আমি কখনও দেখেছি বলেও মনে পড়ে না, আমি তাকে চিনিই না। তার এসব কথা শুনে মনে হচ্ছে, আমার সঙ্গে তার বাস্তবে কোনো বিয়ে নয়, হয়তো শুধু ‘স্বপ্নের বাসর’ই হয়েছিল!”


শাবনূর জানান, রিজভীকে তিনি আগে থেকে চিনতেন না। সালমান শাহর মৃত্যুর পর রাজসাক্ষী হওয়ার পর এই ব্যক্তির নাম শোনেন। নায়িকার ভাষ্য, ‘রিজভী আহমেদ প্রবল বিদ্বেষের সঙ্গে দাবি করেছে যে আমি নাকি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেইল করতাম, এবং তার আত্মহত্যার জন্য আমাকে দায়ী করেছে। অথচ রিজভীর নাম আমি প্রথম শুনেছি সালমান শাহর মৃত্যুর পর, যখন সে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার ঘটনায় রাজসাক্ষী হয়েছিল। তাহলে প্রশ্ন হলো, সে কীভাবে এবং কোন ভিত্তিতে দাবি করছে যে আমি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেইল করতাম? রিজভী দাবি করছে, আমি নাকি কূটনামী করতাম বা সালমান ও তার স্ত্রীর একের কথা অন্যের কানে লাগাতাম। এমন ভিত্তিহীন গুজব আরও কিছু অসৎ ব্যক্তি ছড়িয়েছে বলে শুনেছি। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ ধরনের আচরণ কখনোই আমার স্বভাবের মধ্যে ছিল না। আমার পরিবারও আমাকে এমন শিক্ষা দেয়নি। আর এসব করার সময়ও আমার ছিল না। চলচ্চিত্র অঙ্গনের কেউই কোনোদিন বলতে পারবেন না যে আমি কারও সঙ্গে এমন কূটনামী করেছি।’


স্পষ্ট ভাষায় শাবনূর লেখেন, ‘রিজভী আহমেদের সঙ্গে আমার কখনও কোনো যোগাযোগ ছিল না, এখনও নেই। সে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো করেছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং অত‍্যন্ত মানহানিকর।’


সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সালমান শাহর বিষয়ে ভিসা ও পাসপোর্ট ছাড়া যুক্তরাজ্যে যাওয়া, সেখানে বাড়ি কেনা কিংবা সালমান খান ও শাহরুখ খানদের সঙ্গে যোগাযোগ হওয়াসহ বিভিন্ন দাবি করেছেন রিজভী। এবার এসব বিষয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শাবনূর। 


তিনি লিখেছেন, ‘সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী (আন্টি) তাঁর ছেলের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে পুনরায় মামলা করার পর, ওই মামলায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। মামলার মোড় ঘুরে যাওয়ার কারণে অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ কেউ পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাই আমার ধারণা, তাদের প্ররোচনায় বা অন্যকোনো উদ্দেশ্যে, এমনকি আর্থিক প্রলোভনে পড়েও রিজভী আহমেদ আমার ও নীলা আন্টির বিরুদ্ধে এসব ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে থাকতে পারে। নিজেদের রক্ষা করা এবং প্রকৃত সত্যকে আড়াল করাই হয়তো তাদের উদ্দেশ্য। আমি বরাবরের মতোই স্পষ্ট করে বলতে চাই, সালমান শাহর মৃত্যু বা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র কোনো সংযোগ ছিল না। তিনি কীভাবে মারা গেছেন, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। সালমান শাহ শুধু একজন জনপ্রিয় নায়কই ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমার অত্যন্ত প্রিয় সহশিল্পী এবং বড় ভাইয়ের মতো একজন মানুষ। তার অকাল মৃত্যু আজও আমাকে ব্যথিত করে।’


সবশেষে ঘটনার সঠিক তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান শাবনূর। তিনি বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে চাই, একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হোক এবং এই ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’


প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের নিজ বাসা থেকে সালমান শাহর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়। তবে ভক্তদের কাছে তাঁর মৃত্যু আজও এক রহস্য। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনসহ (পিবিআই) বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। তবে পরিবার ও ভক্তদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, যা নিয়ে এখনও আইনি লড়াই অব্যাহত রয়েছে।