দেশে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ হবে অবৈধ মুঠোফোন। এ লক্ষ্যে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) নামের একটি ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, নতুন এ ব্যবস্থায় শুধু অনুমোদিত, মানসম্মত ও বৈধভাবে আমদানি করা মুঠোফোন সংযুক্ত হতে পারবে। অবৈধ বা ক্লোন আইএমইআই (মুঠোফোন শনাক্তকরণ নম্বর) মুঠোফোন নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারবে না।
মুঠোফোনটি বৈধ কি না জানার উপায়
ধাপ-১: মুঠোফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD
ধাপ-২: আইএমইআই নম্বরটি লেখার পর ১৬০০২ নম্বরে পাঠিয়ে দিন।
ধাপ-৩: ফিরতি বার্তার মাধ্যমে মুঠোফোনের বৈধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।
বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার পাওয়া মুঠোফোন নিবন্ধনের উপায়
ধাপ-১: neir.btrc.gov.bd পোর্টাল ভিজিট করে আপনার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করুন।
ধাপ-২: পোর্টালের ‘Special Registration’ সেকশনে গিয়ে মুঠোফোনের আইএমইআই নম্বর দিন।
ধাপ-৩: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের ছবি/স্ক্যান কপি (পাসপোর্টের ভিসা/ইমিগ্রেশন, ক্রয় রশিদ ইত্যাদি) আপলোড করুন। এরপর সাবমিট বাটনে চাপ দিন।
ধাপ-৪: মুঠোফোনটি বৈধ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। বৈধ না হলে এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহককে জানিয়ে নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে।
বিশেষ নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় নথি
১. পাসপোর্টে ব্যক্তিগত তথ্যের পাতার স্ক্যান বা ছবি।
২. পাসপোর্টে ইমিগ্রেশনের দেওয়া আগমনের সিল–সংবলিত পাতার স্ক্যান বা ছবি।
৩. ক্রয় রসিদের স্ক্যান বা ছবি।
৪. কাস্টমস শুল্ক পরিশোধসংক্রান্ত প্রমাণপত্রের স্ক্যান বা ছবি (একটি মুঠোফোনের বেশি হলে)।
‘রিচ ড্যাড, পুওর ড্যাড’ বই হাতে লেখক রবার্ট কিয়োসাকি। সংগৃহীত ছবি
‘রিচ ড্যাড, পুওর ড্যাড’ বইয়ের লেখক রবার্ট কিয়োসাকি বিপুল ঋণের বোঝা নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন। আর্থিক সাফল্যের কৌশল শেখানোর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এই লেখকের রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগের সঙ্গে প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ জড়িত বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ৭৯ বছর বয়সী কিয়োসাকি অবশ্য দীর্ঘদিন ধরেই তার বিপুল ঋণের কথা বলে আসছেন। তার দাবি, আয় তৈরি করে এমন সম্পদ কেনার জন্য ঋণ নেওয়া ধনী ব্যক্তিদের ব্যবহৃত একটি কৌশল।
সম্প্রতি ‘গেট রিচ এডুকেশন’ পডকাস্টে কিয়োসাকি বলেন, ‘আমি ১.২ বিলিয়ন ডলার ঋণে আছি।’ তবে একই সঙ্গে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘আমি যা করি, আপনারা তা করবেন না।’
তবে কিয়োসাকির সাবেক স্ত্রী ও ব্যবসায়িক অংশীদার কিম কিয়োসাকি জানিয়েছেন, ১.২ বিলিয়ন ডলারের ঋণের অঙ্কটি নিয়ে ব্যাপক ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। এটি রবার্ট কিয়োসাকির ব্যক্তিগত ঋণ নয়।
‘ভ্যানিটি ফেয়ার’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম জানান, অংশীদারদের সঙ্গে তাদের প্রায় ১ হাজার ৫০০ ইউনিটের অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। এসব সম্পত্তির বিপরীতে বিপুল ঋণ নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রযুক্তিগতভাবে ঋণের পরিমাণ ১.২ বিলিয়ন ডলার হলেও এর খুব সামান্য অংশ কিয়োসাকির ব্যক্তিগত দায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিয়োসাকির বিনিয়োগ কৌশলের কারণেই এই বিপুল ঋণের সৃষ্টি হয়েছে। সম্পত্তির মূল্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি সেই বর্ধিত মূল্যের বিপরীতে আরও ঋণ নেন। সম্পত্তি বিক্রি না করে ঋণ নেওয়ায় এই অর্থ সাধারণত করমুক্ত ঋণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
এ ছাড়া কিয়োসাকি তার বিভিন্ন বিনিয়োগ আলাদা আলাদা ‘লিমিটেড লায়াবিলিটি কোম্পানি’ বা এলএলসির অধীনে রাখেন। ফলে কোনো একটি বিনিয়োগে সমস্যা দেখা দিলে অন্য সম্পদগুলোকে তার প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হয়।
নিজের এই কৌশল সম্পর্কে কিয়োসাকি বলেন, সবকিছু যদি ‘নরকে’ও চলে যায়, তাহলে তার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলতে হবে। ধনীরা এভাবেই ‘ফায়ারওয়াল’ তৈরি করে বিনিয়োগ করেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
‘ভ্যানিটি ফেয়ার’-এর হিসাব অনুযায়ী, কিয়োসাকি বছরে প্রায় ৩০ লাখ ডলার আয় করেন। এই হিসাব সঠিক হলে মোট ঋণের মধ্যে তার ব্যক্তিগত অংশ আনুমানিক ৩ থেকে ৬ কোটি ডলার হতে পারে।
‘ট্যাক্স মাভেরিক এআই’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকারী ডেভিড এ. পেরেজ কিয়োসাকির কৌশলকে ‘ভালো কৌশল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তার মতে, সম্পত্তির বিপরীতে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়া রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় অস্বাভাবিক নয়। তবে এতে বন্ধকের কিস্তি ও সুদের খরচ বাড়তে পারে এবং নগদ প্রবাহ কমে যেতে পারে।
অন্যদিকে ‘জেপিটিডি পার্টনার্স’-এর প্রতিষ্ঠাতা জন পুল আরও সতর্ক করে বলেন, ঋণ ভালোও হতে পারে, খারাপও হতে পারে। তবে ১.২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে একজনকে অবশ্যই জানতে হবে তিনি কী করছেন।
তার মতে, ঋণের মাধ্যমে বিনিয়োগের কৌশল সম্পদের মূল্য বাড়ার সময় ভালো কাজ করে। কিন্তু সেই ঊর্ধ্বমুখী ধারা থেমে গেলে এটি ভয়াবহ আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
রবার্ট কিয়োসাকি ‘রিচ ড্যাড, পুওর ড্যাড’ বইকে কেন্দ্র করে বিশাল আর্থিক শিক্ষা সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। ১৯৯৭ সালে প্রথম প্রকাশিত বইটি বিশ্বজুড়ে ৪ কোটি ৪০ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে বলে ‘ভ্যানিটি ফেয়ার’ জানিয়েছে।
বইটিতে কিয়োসাকি তার নিজের বাবাকে ‘পুওর ড্যাড’ এবং শৈশবের বন্ধুর বাবাকে ‘রিচ ড্যাড’ হিসেবে তুলে ধরে অর্থ ও বিনিয়োগ সম্পর্কে দুই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গির তুলনা করেছেন। কিয়োসাকি দীর্ঘদিন ধরে রিয়েল এস্টেটের মতো আয়-উৎপাদনকারী সম্পদে বিনিয়োগ, কর কমানো এবং বিনিয়োগের জন্য নেওয়া ঋণ ও দৈনন্দিন খরচ মেটাতে নেওয়া ঋণের মধ্যে পার্থক্য করার পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট
ঢাকায় কর্মরত পটুয়াখালী জেলার সাংবাদিকদের সংগঠন ‘পটুয়াখালী জার্নালিস্টস ফোরাম (পিজেএফ), ঢাকা’র বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও আগামী ২০২৬-২০২৮ দ্বি-বার্ষিক মেয়াদের নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
হাড্ডা-হাড্ডি লাড়াইয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাভিশনের নির্বাহী সম্পাদক বদরুল আলম নাবিল, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন এটিএন নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার আমিনুল ইসলাম। শুক্রবার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির ক্রাব অডিটোরিয়ামে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটিতে বাংলাদেশের আলো পত্রিকার সাব-এডিটর জওহার ইকবাল খান সহ-সভাপতি, দৈনিক এদিনের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শহীদ রানা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, দর্পণ প্রতিদিনের বার্তা সম্পাদক গনেশ চন্দ্র হাওলাদার অর্থ সম্পাদক, দেশ টিভির স্টাফ রিপোর্টার মো. তাইমুন ইসলাম রায়হান সাংগঠনিক সম্পাদক, দ্য ডেইলি কান্ট্রি টুডের সাব-এডিটর মো. আসাদুজ্জামান (সজীব) দপ্তর সম্পাদক, দেশ টিভির সিনিয়র রিপোর্টার তাইফুর রহমান তুহিন প্রচার-প্রকাশনা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
এ ছাড়া নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন একুশে টেভিশনের মো. আরিফুল ইসলাম, দৈনিক এ দিনের রিপোর্টার মোহাম্মদ কামরুল হাসান (শিশির), দৈনিক সরেজমিনের রিপোর্টার রিপন হাওলাদার, অপরাধ চিত্র পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আলমগীর হোসেন ও শারমিন আজাদ।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে অ্যাডভোকেট মাওলানা মো. রুহুল আমিন, নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আকন আবদুল মান্নান, ফোরকান আহমদ ও মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক নির্বাচন পরিচালনা করেন ও ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফোরামের সকল পর্যায়ের সদস্যরা সাধারণ সভা ও নির্বাচনে উপস্থিত থেকে ভোট প্রদান করেন।
মঙ্গল গ্রহ
মঙ্গল গ্রহকে ঘিরে মহাকাশপ্রেমী ও গবেষকদের কৌতূহলের শেষ নেই। অতীতেও নাসার পাঠানো স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন মুখরোচক দাবি উঠেছে, যার বেশির ভাগই বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যায় খণ্ডন করা হয়েছে। তবে মঙ্গল গ্রহের সিডোনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত কিছু অদ্ভুত প্রাকৃতিক পাহাড়ি টিলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
মঙ্গল গ্রহের কিছু শিলার গঠন মানুষের মুখের অবয়ব, পিরামিড ও প্রাচীন দালানকোঠার ধ্বংসাবশেষের মতো দেখা গেছে।
আর তাই অ্যানসিয়েন্ট অ্যালিয়েন্স টিভি সিরিজের বিশ্লেষক জেসন মার্টেল দাবি করেছেন, নাসার অরবিটারের তোলা ছবিতে একটি উঁচু পাহাড়ি এলাকা এবং একটি সমতল অববাহিকার মধ্যে স্পষ্ট সীমানা দেখা গেছে। এটি কোনো প্রাচীন জলাশয়ের তীরের রেখা বা কোস্টলাইন হতে পারে।
মার্টেলের দাবি, এই সীমানা ধরে রহস্যময় কাঠামোগুলোর বিন্যাস পৃথিবীর প্রাচীন ও আধুনিক উপকূলীয় শহরগুলোর গড়ে ওঠার ধারণার সঙ্গে মিলে যায়। তিনি তার ব্লগে এই তথাকথিত সিডোনিয়া বসতিকে ভেনিস, আলেকজান্দ্রিয়া, আমস্টারডাম, সিঙ্গাপুর, দুবাই ও ম্যানহাটানের মতো পানিকেন্দ্রিক শহরের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
তাঁর মতে, মানুষের মুখসদৃশ কাঠামোটি এমন স্থানে তৈরি করা হয়েছিল, যেন তা থেকে পুরো জলাশয় ও পাশের শহর নজরদারি করা যায়। মানুষের সভ্যতায় পানি, বাণিজ্য ও যাতায়াতের সুবিধার্থে নদী বা সাগরের তীরে নগর গড়ে তোলার ইতিহাস থাকলেও মঙ্গলের ক্ষেত্রে এই দাবি সম্পূর্ণ চাক্ষুষ অনুমানের ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
বিজ্ঞানীরা জানান, সম্পূর্ণ বিষয়টি ভৌগোলিক বিশ্লেষণের বদলে কেবল দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। অববাহিকার একটি সমতল অংশ থাকা মানেই সেখানে অতীতে সাগর বা হ্রদ ছিল, এমন কোনো তথ্য প্রমাণ করা যায় না। এ ছাড়া কোনো শিলাখণ্ড দেখে আমাদের মস্তিষ্ক পরিচিত অবয়ব বা মানুষের মুখ খুঁজে পাওয়ার যে প্রবণতা দেখায়, তাকে বিজ্ঞানের ভাষায় প্যারেডোলিয়া বলা হয়।
মার্টেল নিজেও স্বীকার করেছেন, তিনি কোনো ভূতত্ত্ববিদ নন এবং এই পরিবর্তনগুলো সত্যিই পানির কারণে হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানীদের বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে। আর তাই কোনো রাসায়নিক বা শিলাগত প্রমাণ ছাড়া মার্টেলের দাবিকে কেবল মহাকাশপ্রেমীদের কাল্পনিক ব্যাখ্যা হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
হাবিব উন নবী খান সোহেল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলকে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে, বিশেষ করে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। তাঁদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ ও নেতৃত্বের গুণাবলীর কারণে তিনি এ ধরনের দায়িত্ব পালনের যোগ্য।
বর্তমানে হাবিব উন নবী খান সোহেল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ছাত্ররাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ পথচলার মাধ্যমে তিনি বিএনপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতায় পরিণত হয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় তিনি একাধিকবার হামলা, মামলা ও কারাবরণের মুখোমুখি হলেও দলীয় আদর্শ ও কর্মসূচির প্রতি অবিচল থেকেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, রাজনৈতিক জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে বিপুল সংখ্যক মামলা হয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলোকে তাঁরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা বলে মনে করেন। তাঁদের বক্তব্য, এত প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি দল ও নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
তাদের মতে, তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ, সাংগঠনিক সক্ষমতা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং প্রশাসনিক বিষয়ে অভিজ্ঞতা রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁদের বিশ্বাস, ভবিষ্যতে তাঁকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে তিনি দেশের উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনকল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, সাংগঠনিক অবদান এবং নেতৃত্বের যথাযথ মূল্যায়নের অংশ হিসেবে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে দেখতে চান তাঁরা।
বিএনপি নেতা হাবিব উন নবী খান সোহেলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও নাশকতার অভিযোগে সাড়ে চার শর বেশি মামলা ছিল, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে কোনো নেতার বিরুদ্ধে থাকা সর্বোচ্চ বা অন্যতম সর্বোচ্চ মামলার রেকর্ড হিসেবে গণমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে।
তবে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সরকারের সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়ে থাকে।
উল্লেখ্য, হাবিব উন নবী খান সোহেলের পৈতৃক নিবাস রংপুরের গুপ্তপাড়ায়। তাঁর বাবার চাকরির সুবাদে জন্ম ও শৈশব কেটেছে দিনাজপুরে। বর্তমানে তিনি ঢাকায় স্বপরিবারে বসবাস করছেন এবং সেখান থেকেই রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
ঢাকা জার্নালিস্ট কাউন্সিল ডিজেসি ও পুরান ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের সহ সভাপতি বাংলাদেশের আলোর সিনিয়র সাংবাদিক মো,মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক এর পিতা পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এলাহি মিয়ার ১১ তম মৃত্যুবার্ষিকী কাল রবিবার।
এদিন উপলক্ষে আজিমপুরস্থ মরহুমের আত্নার মাগফিরাত কামনা করে কবর জিয়ারত করা হবে।এ সময় মরহুমের সকল আত্নীয় স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
রাজধানীর বখশী বাজারস্থ হাকীম হাবিবুর রহমান ইউনানী মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে ‘ওয়ার্ল্ড ইউনানী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
"জ্ঞানচর্চা, প্রকাশনা ও বৈশ্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে ইউনানী চিকিৎসার টেকসই উন্নয়ন" শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশে ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণা, প্রকাশনা, শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইসরাফিল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বোর্ড অব ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেমস অব মেডিসিনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ডাং সরদার মো. রুহুল আমিন।
সংগঠনের নব-নির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক আ. খ. মাহবুবুর রহমান সাকী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন নবনির্বাচিত সেক্রেটারি জেনারেল হাকীম ডাং মো. রুহুল আমিন।
অনুষ্ঠানে ২০২৬–২০২৯ মেয়াদের ২৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এবং দায়িত্বভার গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়। নবগঠিত কমিটিতে অধ্যাপক আ. খ. মাহবুবুর রহমান সাকী সভাপতি এবং হাকীম ডাং মো. রুহুল আমিন সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
সভায় বক্তারা গবেষণা, মানসম্মত প্রকাশনা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে ইউনানী চিকিৎসার টেকসই উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে নতুন কমিটিকে এই সংগঠনকে আরও গতিশীল, গবেষণামুখী ও জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি হাকীম নৃপেন্দ্রনাথ বৈরাগী, হাকীম মো. কামরুল ইসলাম নাবাবতী, হাকীম ডাং আব্দুল গনি এবং হাকীম মুস্তাফিজুর রহমান সবুজ। এছাড়া আরও বক্তব্য প্রদান করেন হাকীম শাহ আলম ভূঁইয়া, ডাং জাহিদুর রহমান, ডাং গোলাম আজম খান, হাকীম ইয়াহিয়া মুন্না, হাকীম নুরুজ্জামান, হাকীম নাসির উদ্দিন কবির ও হাকীম বাকাওয়ালী মোল্লা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের অন্যতম মূল আকর্ষণ ছিল সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রকাশিত ‘আল-হিজামা’ ম্যাগাজিনের দ্বিতীয় সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চা ও বাংলা ভাষায় মানসম্মত ইউনানী প্রকাশনার মাধ্যমে ‘আল-হিজামা’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউনানী চিকিৎসার গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত ইউনানী চিকিৎসক, শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।